শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:৫৫, বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬ আপডেট: ২৩:৩৩, শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

ঋণ খরায় ব্যবসা-শিল্প

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ঋণ খরায় ব্যবসা-শিল্প

শুধু মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে সব অর্থনৈতিক গতিপথ প্রায় রুদ্ধ করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অর্থনীতির প্রাণ বেসরকারি খাত এখন ঋণ খরায় প্রায় অচল হওয়ার পথে। সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির কঠোর কড়াকড়িতে বলতে গেলে ঋণই পাচ্ছেন না বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য-উপাত্ত থেকে বেসরকারি খাতের ঋণের ‘কঙ্কালসার’ চিত্র ফুটে উঠছে। গত মার্চ মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড সবচেয়ে কম ঋণ পেয়েছে বেসরকারি খাত। এ সময়ে ঋণ প্রবৃদ্ধি মাত্র ৪.৭২ শতাংশে এসে ঠেকেছে।

এটা গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। বাংলাদেশ ব্যাংক দুই দশকের বেশি তথ্য সংরক্ষণ করে না। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন কম ঋণপ্রবাহ দেখানো হলেও বাস্তবে এটিই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম ঋণপ্রবাহ। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা বলছেন, বিনিয়োগ স্থবিরতা, ব্যাবসায়িক আস্থার ভাঙন এবং নীতিগত অনিশ্চয়তায় বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক বছর ধরেই বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি নিম্নমুখী। ২০২৫ সালের নভেম্বরের ৬.৫৮ শতাংশ থেকে ধীরে ধীরে কমে ডিসেম্বরে ৬.২ শতাংশে নামে। চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে তা ৬.০৩ শতাংশে স্থির থাকলেও মার্চে হঠাৎ বড় পতন ঘটে। বর্তমানে বেসরকারি খাতে মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৮ লাখ কোটি টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর রাজনৈতিক চাপ কিছুটা কমলেও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়নি। বরং উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় বৃদ্ধি, নীতিগত অস্পষ্টতা ও জ্বালানিসংকট একসঙ্গে বিনিয়োগকে নিরুৎসাহ করছে। তবে সবচেয়ে বড় কারণ হলো উচ্চ সুদের হার। বর্তমানে বেসরকারি খাতের ঋণের সুদের হার ১৪ থেকে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত। এই সুদের হারে বিনিয়োগ করে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা প্রায় কঠিন। এমন অবস্থায় কেউ ঋণ নিতে আগ্রহী নয়। ফলে কমতে কমতে ঋণের প্রবৃদ্ধি সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে এসে ঠেকেছে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আংশিক ফিরলেও বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য শর্ত এখনো অনুপস্থিত। মূল্যস্ফীতি, লজিস্টিক ব্যয় ও সামগ্রিক অনিশ্চয়তা ব্যবসায়ীদের নতুন করে ঝুঁকি নিতে নিরুৎসাহ করছে। মার্চ মাসে জ্বালানিসংকট পরিস্থিতিকে আরো চাপের মধ্যে ফেলেছে। একাধিক সমস্যা আগে থেকেই ছিল। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জ্বালানিসংকট। মূল্যস্ফীতি, ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় এবং অন্য বিষয়গুলো অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর ফলে বেসরকারি খাতে ঋণ কমেছে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গত ফেব্রুয়ারিতে বেসরকারি খাতে মোট ঋণ বিতরণ হয়েছে ১৭ লাখ ৮৫ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা। এক বছর আগে এটি ছিল ১৭ লাখ ৪৭ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬.০৩ শতাংশ। মার্চে সেই ঋণের পরিমাণ আরো কমেছে। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে (জানুয়ারি-জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য রেখেছে ৮.৫ শতাংশ। এই লক্ষ্য কোনো মাসেই অর্জন হয়নি।

ব্যাংকারদের ভাষ্য আরো উদ্বেগজনক। তাঁরা জানান, বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীর উৎপাদন কমে যাওয়া কিংবা কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঋণের চাহিদা কমে গেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে না। ফলে নতুন ঋণ নেওয়ার প্রবণতা তলানিতে নেমেছে।

নীতিগত দিকনির্দেশনা নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে ব্যাংক খাতে। ব্যাংকারদের মতে, সুদের হার, বিনিময় হার ও মূল্যস্ফীতি—এই তিনটি মৌলিক বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থান এখনো পরিষ্কার নয়। এতে ঋণ অনুমোদন ও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক অবশ্য এ পরিস্থিতিতেও আগের ধ্যান-ধারণা নিয়েই আছে। তারা সুদের হার পর্যালোচনার বিষয়ে বেশ রক্ষণশীল এখনো। সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তা বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে সুদের হার কমানোর আলোচনা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। একই সঙ্গে ডলারের বিনিময় হার কৃত্রিমভাবে স্থির রাখার সিদ্ধান্তও বাজারে চাপ বাড়াচ্ছে।

এদিকে সংকটকালেও ট্রেড ফিন্যান্সে সুদের হার সীমিত করার সিদ্ধান্ত ব্যাংকগুলোকে আরো চাপে ফেলেছে। ফলে বিদেশি বাণিজ্য অর্থায়ন কঠিন হয়ে পড়ছে এবং ব্যবসায়ীরা বিকল্প উৎস খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন।

বেসরকারি খাতে ঋণ চাহিদা কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলো এখন ঝুঁকিমুক্ত সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। ট্রেজারি বিল ও বন্ডে তুলনামূলক বেশি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীল আয় থাকায় এই প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে সরকার ৩৩ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে, যা এপ্রিল মাসে বেড়ে দাঁড়ায় ৪৬ হাজার কোটি টাকায়। এতে বোঝা যায়, বেসরকারি খাতকে ঋণ থেকে দূরে সরিয়ে রাখলেও সরকার ঠিকই ব্যাংক খাতের ওপর দিনে দিনে আরো বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রবণতা দীর্ঘ মেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ সরকার বেশি ঋণ নিলে বেসরকারি খাত ‘ক্রাউড আউট’ হয়ে পড়ে। অর্থাৎ ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় অর্থায়ন থেকে বঞ্চিত হন। সব মিলিয়ে বিনিয়োগে স্থবিরতা, ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ধস এবং নীতিগত অনিশ্চয়তা—এই তিনের সমন্বয়ে অর্থনীতি এখন একটি স্পষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে শিল্প-কারখানা দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। তখন বিনিয়োগও কম হয়েছে। সেই বিনিয়োগখরা এখনো রয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করতে সাহস পাচ্ছেন না। তাই বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে গেছে। তবে নতুন সরকার আসার পর বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন নীতি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। অচিরেই বিনিয়োগ পরিস্থিতির সঙ্গে বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধিরও উন্নতি হবে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, ‘এত দিন কোনো নির্বাচিত সরকার ছিল না। তাই বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি এমন তলানিতে নেমেছে। তারা কোনো বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি; বরং ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের আরো ক্ষতি করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার ছিল একটি ব্যবসাবিরোধী সরকার। শুধু বাণিজ্য খাত নয়, ওই সরকার ব্যাংকগুলোকে দুর্বল ঘোষণা করার মাধ্যমে পঙ্গু করে দিয়ে গেছে। এখন নির্বাচিত সরকার এসেছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে বিনিয়োগ ঘুরে দাঁড়াবে বলে আমরা আশাবাদী। তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও ভালো থাকা জরুরি। যদি যুদ্ধ-বিগ্রহ না থাকে তাহলে দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতি হবেই।’

বিশেষজ্ঞরা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক উচ্চ সুদের হার কমানোর পথে হাঁটতে পারছে না। তারা শঙ্কিত যে সুদের হার কমিয়ে আনলে মূল্যস্ফীতি আরো বাড়বে। কিন্তু একই সময়ে ঠিকই সরকারকে ঋণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। সরকার এ টাকা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দিচ্ছে। কোনো উৎপাদনশীল খাতে যাচ্ছে না এই ঋণ। উল্টো বেশি সুদও দিতে হচ্ছে। কিন্তু এতে বেসরকারি খাত বঞ্চিত হওয়ার ফলে পণ্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পরিণামে তা মূল্যস্ফীতি আরো বাড়িয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

তাঁরা মনে করেন, সুদের হার কমানো হলে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ বাড়ত। তখন বেসরকারি খাত চাঙ্গা হতো। এতে মানুষের কাজের সুযোগ বাড়ত এবং পণ্য সরবরাহ বাড়ত। ফলে ধীরে ধীরে পণ্যের দামও কমে আসার সুযোগ তৈরি হতো। কিন্তু এখন তো মূল্যস্ফীতিও কমছে না, আবার বেসরকারি খাতও বসে পড়ছে। দীর্ঘ মেয়াদে এটি অর্থনীতির জন্য অনেকটাই অশনিসংকেত বলে মনে করছেন তাঁরা।

সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
সূচকের উত্থানে বেড়েছে পুঁজিবাজারে লেনদেন
সূচকের উত্থানে বেড়েছে পুঁজিবাজারে লেনদেন
ইসলামী ব্যাংকের ব্যাংকিং সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে : প্রশাসক জহির হোসেন
ইসলামী ব্যাংকের ব্যাংকিং সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে : প্রশাসক জহির হোসেন
ইসলামী ব্যাংকের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করলো এবিবি
ইসলামী ব্যাংকের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করলো এবিবি
প্রস্তাবিত বাজেটে মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সহসাই কমবে না : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
প্রস্তাবিত বাজেটে মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সহসাই কমবে না : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
জুনের ১৩ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৩৬ কোটি ডলার
জুনের ১৩ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৩৬ কোটি ডলার
চলতি বছরই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর আশাবাদ
চলতি বছরই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর আশাবাদ
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি
এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি
ডিএসইতে সূচকের বড় উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
ডিএসইতে সূচকের বড় উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
তারল্য সংকট কাটাতে ইসলামী ব্যাংককে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
তারল্য সংকট কাটাতে ইসলামী ব্যাংককে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
সর্বশেষ খবর
বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে
বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফেনীতে আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে
ফেনীতে আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কেপ ভার্দের গোলকিপার একাই লড়ছেন স্পেনের বিপক্ষে!
কেপ ভার্দের গোলকিপার একাই লড়ছেন স্পেনের বিপক্ষে!

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন, ফেনীতে এক বেকারিকে জরিমানা
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন, ফেনীতে এক বেকারিকে জরিমানা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আমূলে বদলে গেলেন এমবাপ্পে!
আমূলে বদলে গেলেন এমবাপ্পে!

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ৪ মাংস বিক্রেতাকে জরিমানা
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ৪ মাংস বিক্রেতাকে জরিমানা

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাঙ্গলকোট প্রেস ক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত
নাঙ্গলকোট প্রেস ক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৯০ শতাংশ আয় হারিয়ে ট্রাম্পের নীতিকে দুষলেন এমিজয়ী অভিনেত্রী
৯০ শতাংশ আয় হারিয়ে ট্রাম্পের নীতিকে দুষলেন এমিজয়ী অভিনেত্রী

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ চসিকের
সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ চসিকের

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হবে
বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হবে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সম্পত্তির জন্য 'হানি ট্র্যাপে' ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের
সম্পত্তির জন্য 'হানি ট্র্যাপে' ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দিনাজপুরে ১১৪ জনকে ক্রীড়া ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ
দিনাজপুরে ১১৪ জনকে ক্রীড়া ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার অভিযোগ
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার অভিযোগ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কসবায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার
কসবায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ
জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে বাণিজ্য ও জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার অঙ্গীকার
বাংলাদেশে বাণিজ্য ও জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার অঙ্গীকার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, মঙ্গলবার যুক্তিতর্ক
বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, মঙ্গলবার যুক্তিতর্ক

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

রাজধানীতে নাচ-গান-আবৃত্তিতে বর্ষাবরণ
রাজধানীতে নাচ-গান-আবৃত্তিতে বর্ষাবরণ

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী
মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে চান কুবার্সি
বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে চান কুবার্সি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয়
রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয়

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উত্ত্যক্তকারী ইমন ইয়াবাসহ আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উত্ত্যক্তকারী ইমন ইয়াবাসহ আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উদ্ধার হওয়া ২৪টি মোবাইল ও ৩৮ হাজার টাকা মালিকদের ফেরত দিল পুলিশ
উদ্ধার হওয়া ২৪টি মোবাইল ও ৩৮ হাজার টাকা মালিকদের ফেরত দিল পুলিশ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল বাস
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল বাস

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছাত্রনেতা খোকনের গুম থেকে ফিরে আসা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী
ছাত্রনেতা খোকনের গুম থেকে ফিরে আসা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’
‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প
ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে
হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার
জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর
নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু
১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের
ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান
শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ
জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য
সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেনজীরের যত অপরাধ
বেনজীরের যত অপরাধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম
বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?
সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’
‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা
ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি
কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৯ উইকেটে স্বপ্নময় কাউন্টি অভিষেক হাসান মাহমুদের
৯ উইকেটে স্বপ্নময় কাউন্টি অভিষেক হাসান মাহমুদের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি
ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট
২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট

১০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে
আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’:  জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য
‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক