শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১ আপডেট:

অবশেষে তোফায়েল ফিরোজরা মুখ খুলেছেন

পীর হাবিবুর রহমান
Not defined
প্রিন্ট ভার্সন
অবশেষে তোফায়েল ফিরোজরা মুখ খুলেছেন

রাজনীতিহীন অস্থির অশান্ত মূল্যবোধহীন নষ্ট সমাজের নানান কর্মকান্ড ও করোনার মহাপ্রলয়ের লাশের মিছিল আর আক্রান্তের সংখ্যা দীর্ঘতর হওয়ায় বিষাদগ্রস্ত হৃদয়ে অনেকের মতোই দিনযাপন করছি। করোনা আমাদের কত স্বজনকে কেড়ে নিয়েছে। কত স্বজনকে কেড়ে নেবে তা জানি না। করোনার বিরুদ্ধে অবিরাম যুদ্ধ আমাদের চলছে। এ যেন এক অদৃশ্য মহাঅন্ধকার শক্তির সঙ্গে গোটা মানব জাতির অস্তিত্বের লড়াই। শত্রুকে না জেনে না চিনে যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার এক তুমুল লড়াই। করোনা আমাদের জীবনই কেড়ে নিচ্ছে না, আমাদের জীবিকার ওপরে আঘাত হেনেছে। অর্থনীতি তছনছ করে দিচ্ছে। করোনার সঙ্গে মানিয়েই মানব জাতিকে বাঁচতে হবে- এমনটাই বলছেন সবাই। কিন্তু ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোথায় দাঁড়াবে কেউ জানে না। অর্থনৈতিক সংকট থেকে কবে উত্তরণ হবে তা-ও কেউ জানে না। মন ভালো নেই। এক বিষণ্ণ স্বদেশ ও পৃথিবীর বুকে মানুষ চলাফেরা করছে। আমাদের কঠিন লকডাউন দেওয়া হয়েছে। মনে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সেনা ও বিজিবি মোতায়েনের মাধ্যমে এবার লকডাউন আর শিথিলতা পাবে না। লকডাউন সবাইকে মানতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। মানুষ হয়তো লকডাউন মেনে নেবে। তবে সরকারকে দিনমজুর থেকে নিম্নমধ্যবিত্তের খাবার সরবরাহও বিবেচনায় নিতে হবে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খাবারের জন্য করোনার ভয়কে জয় করে গরিব মানুষ বেরিয়ে পড়ে। আমরা যতই বলি আগে জীবন পরে জীবিকা তার কাছে আগেই খিদের যন্ত্রণা।

এমনই এক পরিস্থিতির মধ্যে একটি ঘটনা নজরে এসেছে। অবশেষে সংসদে মুখ খুলেছেন অন্তহীন বেদনা নিয়ে জীবনের পড়ন্ত বেলায় বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী প্রবীণ জননেতা ও পার্লামেন্টারিয়ান, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের নায়ক তোফায়েল আহমেদ। তাঁর সঙ্গে দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতিতে পথহাঁটা দুঃসাহসী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জাতীয় পার্টির এমপি কাজী ফিরোজ রশীদও একহাত নিতে ছাড়েননি। অভিন্ন সুরে কথা বলেছেন। জাসদের হাসানুল হক ইনু ও জাতীয় পার্টির ডা. রুস্তম আলী ফরাজীও কণ্ঠ খুলেছেন রাজনীতিবিদদের মানসম্মান-ইজ্জত রক্ষায়। বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা যেমন মাতৃক্রোড়ে তেমনি এমপিদের জায়গা হলো সংসদ। এককালে সংসদ ছিল প্রাণবন্ত, তুমুল বিতর্কের জায়গা। আগের জমানা বাদ দিলেও সামরিক শাসনের অবসানের পর নব্বই-উত্তর গণতন্ত্রের জমানায় আমরা তা কাভার করতে গিয়ে উপভোগ করেছি। সংবিধান ও কার্যপ্রণালিবিধি পার্লামেন্টারিয়ানদের হাতেই নয়, আমাদের মতো সংবাদকর্মীদের হাতেও থাকত। যাক সেসব কথা। দিনে দিনে গোটা দেশ যেন রাজনৈতিক নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়েছে, এই কথা বহুবার বলে আসছি। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল নেই। সংসদে বিতর্কও নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হৃদয়বিদারক ঘটনার পর বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দীর্ঘ ২১ বছর পর যখন আওয়ামী লীগ ’৯৬ সালে গণরায় নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তখন সংসদে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শক্তিশালী বিরোধী দলও বিদ্যমান ছিল। সংসদ বর্জন সংসদীয় রাজনীতিতে সংসদকে সব কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দু হতে দেয়নি। ’৯১ সালের নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ দলের পোড় খাওয়া সংগ্রাম করে আসা নেতাদের মনোনয়ন দিয়েছিল। এরশাদের আস্থাভাজন জাঁদরেল সিএসপি এম কে আনোয়ারের মতো ব্যক্তি ধানমন্ডির ৩২ নম্বর থেকে মনোনয়ন না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু সে নির্বাচনে বিএনপি এতটাই ভঙ্গুর ছিল যে এম কে আনোয়ারকেই নয়, টাকাওয়ালা ব্যবসায়ীদের হাতে মনোনয়ন তুলে দেয়। সামরিক শাসনের জমানার পর গণতন্ত্রের জমানায় এভাবেই রাজনীতিবিদদের বদলে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক-বেসামরিক আমলা আর ব্যবসায়ীরা সংসদে তাদের অবস্থান পাকাপোক্ত করেন। রাজনৈতিক দলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীরা সংগঠন ও নেতৃত্বে উঠে আসা দূরে থাক কর্মচারীতে পরিণত হতে থাকেন। কিংবা কারও করুণার ছায়ায় দিনযাপন শুরু করেন। ’৯৬ সালেও আওয়ামী লীগ দলীয় রাজনীতিবিদদের মনোনয়নদানে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়। তারপর স্রোতে গা ভাসায়। রাজনীতি রাজনীতিবিদদের হাতছাড়া হতে থাকে।

’৯৬ সালে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নবীন হলেও দক্ষতা ও গতিতে দারুণ ক্যারিশমাটিক ছিলেন। তখনই তাঁকে অ্যারাবিয়ান ব্ল্যাক হর্স বলা হতো। আবদুস সামাদ আজাদের মতো বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, জিল্লুর রহমানের মতো অভিজ্ঞ নেতা, আবদুর রাজ্জাক ও তোফায়েল আহমেদের মতো চৌকশ ওয়েল কানেকটেড দক্ষ রাজনীতিবিদ, মতিয়া চৌধুরীর মতো নেত্রী মন্ত্রিসভায় ছিলেন। সৃজনশীল মেধাবী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শাহ এ এম এস কিবরিয়া ছিলেন সফল অর্থমন্ত্রী। এ এস এইচ কে সাদেকের মতো গণসম্পৃক্ত আমলা ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। জাতীয় ঐক্যের সরকারের রূপরেখায় আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর মতো জাঁদরেল নেতা অভিজ্ঞতা নিয়ে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেয়েছিলেন। যুক্ত ছিলেন আ স ম আবদুর রব। পরে যুক্ত হন আমির হোসেন আমু, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আবদুল জলিল ও শেখ ফজলুল করিম সেলিমের মতো নেতারা। মন্ত্রিসভা যেমন ছিল ভারী, তেমন ছিল দক্ষতায় প্রশংসিত। খালেদা জিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে জনতার মঞ্চে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের নেতৃত্বে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করে প্রথম দলীয় আনুগত্যের চেহারা জাতির সামনে উন্মুক্ত করলেও সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় সেই রাজনৈতিক সরকারের দাপটের কাছে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি। বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে তিন স্তরের দলীয় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের প্রশাসনে সাজিয়েছিল। ওয়ান ইলেভেনের ঝড়ে তাসের ঘরের মতো ভেসে গেছে। আজকের বাংলাদেশে এক যুগ ধরে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা সবাই আওয়ামী লীগ। একেক জনের আচরণ চেহারা ও কর্মকান্ড দেখলে মনে হয় তারা যেন শেখ হাসিনার চেয়েও বড় আওয়ামী লীগার। ২০১৪ সালের নির্বাচনে শক্তিশালী বিরোধী দল বিএনপি বর্জন করে উগ্র হঠকারী ও সহিংস পথ নেওয়ায় আওয়ামী লীগ ও তার জোট ওয়াকওভার পেয়ে একচ্ছত্র ক্ষমতা লাভ করে। এর পরই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা বা আমলারা দিনে দিনে দাপুটে হয়ে ওঠেন। সরকারও হয়ে পড়ে প্রশাসন বা আমলানির্ভর। গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য রাজনৈতিক শক্তির ওপর আমলাতন্ত্রের ঔদ্ধত্য ও কর্তৃত্ববাদী আচরণ সুদূরপ্রসারী এক সর্বনাশা ভয়ংকর খেলার সূচনামাত্র। এর লাগাম রাজনীতিবিদরা টেনে ধরতে না পারলে তার মাশুল শুধু রাজনীতিকদের দিতে হবে না, ক্ষমতার মালিক জনগণকেও দিতে হবে। গত এক যুগে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সুযোগ-সুবিধা দফায় দফায় শুধু বাড়েনি আচরণেও সীমাহীন পরিবর্তন এসেছে।

বাজেট আলোচনায় জীবনের পড়ন্ত বেলায় পার্লামেন্টারিয়ান তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘করোনাকালে প্রধানমন্ত্রী সবকিছু দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন। আর জাতীয় সংসদ সদস্য এমন একজনও নেই যিনি নিজস্ব অর্থায়নে বা যে কোনোভাবে গবির-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াননি। সবাই দাঁড়িয়েছেন।’ তোফায়েল আহমেদ যথার্থই বলেছেন। ’৯৬-এর সরকারের মন্ত্রীরা ছিলেন জেলার দায়িত্বে। কিন্তু এবার জেলায় জেলায় দেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দায়িত্ব। এতে মানুষ মনে করে এমপিরা যা দেন সেসব প্রশাসনিক কর্মকর্তারাই দিয়েছেন। অথচ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অনেকেই দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলায় যাননি পর্যন্ত। তিনি আরও বলেছেন, এটা একটা রাজনৈতিক সরকার। রাজনীতিবিদদের যে একটা কর্তৃত্ব বা কাজ তা কিন্তু এতে ম্লান হয়ে যায়। তোফায়েল আহমেদ পরিষ্কার বলেছেন, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স বা রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমে এমপিদের অবস্থান সচিবদের ওপরে। এটা রাজনৈতিক সরকার। যারা নির্বাচিত প্রতিনিধি তাদের জন্য নির্ধারিত স্থান যেখানে আছে সেখানে থাকা উচিত।’

মনে পড়ে ’৯৮ সালের বন্যায় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জামদানি শাড়ি তৈরির শ্রমিকদের দুর্দশার চিত্র দেখতে গিয়েছিলাম। তোফায়েল আহমেদ ঘুরে ঘুরে হাতে বোনা সেসব শাড়িই দেখেননি, মানুষের বেদনার কথাও শুনেছিলেন গভীর মনোযোগ দিয়ে। তাঁর স্টাফদের নোট নিতে বলেছিলেন। এই সফর শেষে অগণিত মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তারপর প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠককালে সেখানকার পুলিশ সুপার ছিলেন নুরুন্নবী। তোফায়েল আহমেদ ‘এই নুরুন্নবী এদিকে আসো’ বলে তাঁর বাঁ পাশে বসিয়েছিলেন। ডান পাশে ছিলেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীরা ঠেলা-ধাক্কা করলে তাদের সরিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, তোমাদের কথা অনেক শুনেছি। এখন আমি তাদের কিছু পদক্ষেপ নিতে বলব, তোমরা বাইরে যাও। সে সময়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুস সামাদ আজাদ আমাকে সিলেট-সুনামগঞ্জে তাঁর সফরসঙ্গী করেছিলেন। তিনি দিরাই ও সুনামগঞ্জে হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে তাদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন এবং সরকারের তরফ থেকে তাঁরা কী করছেন তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেছেন। দিরাইয়ে তিনি বক্তৃতা না দিয়ে মোনাজাতেই বক্তৃতা দিয়ে ফেলেন। সে সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রীদের কোনো সংবর্ধনা গ্রহণ বা তোরণ নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। আবদুস সামাদ আজাদের আগমনে নেতা-কর্মীরা অনেক তোরণ নির্মাণ করেছিলেন। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন, ‘পীর হাবিব তুমি কিছু দেখ নাই।’ জবাবে বলেছিলাম, জি লিডার আমি কিছু দেখি নাই। নিজের শহরে বাসায় ভাত খেয়ে সার্কিট হাউসে এসে দেখি তিনি খাবার টেবিলে আমাকে খুঁজছেন। তাঁকে যখন বললাম বাসা থেকে খেয়ে এসেছি, তখন তিনি সার্কিট হাউসের কাছাকাছি বাসা এমন কর্মী যারা ডাইনিং টেবিলে খেতে বসেছিলেন তাদের বললেন, তোমরা পাগলা থেকে এসেছ। অনেক ক্ষুধার্ত। পাগলা একটি অন্য উপজেলা। তিনি দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে খাবার টেবিলে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে চেয়েছিলেন। তাই তাদের কাছাকাছি ডেকে নেন। ’৯৮ সালের বন্যা নিখুঁতভাবে মোকাবিলা শেখ হাসিনা সরকারের এক অনন্যসাধারণ উদাহরণ হয়ে এখনো আছে।

জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির এমপি কাজী ফিরোজ রশীদ তোফায়েল আহমেদের বক্তব্যকে সমর্থন দিয়ে বলেছেন, ‘দেশে কোনো রাজনীতি নেই। রাজনীতি আজ শূন্য। প্রতিটি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সচিবদের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন প্রতিটি জেলার ডিসির সঙ্গে। আর এমপি সাহেবরা দূরে বসে থাকেন। তারপর বলেন, ডিসি সাহেব আমি একটু কথা বলব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। এই হচ্ছে রাজনীতিবিদদের অবস্থা। দেশ চালাচ্ছেন জগৎশেঠরা। দেশ চালাচ্ছেন আমলারা। আমরা রাজনীতিবিদরা এখন তৃতীয় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এই হচ্ছে আমাদের দুর্ভাগ্য। অথচ এই দেশ স্বাধীন করেছেন রাজনীতিবিদরা।’

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ নিয়ে সরকারের মধ্যে অস্থিরতা কাজ করছে।’ লকডাউন-শাটডাউনসহ বারবার প্রজ্ঞাপন পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘সরকারের ভিতরে আমি অস্থিরতা লক্ষ্য করছি।’ জাতীয় পার্টির এমপি ডা. রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, ‘প্রশাসনের সর্বত্র ঘুষ-দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে। একজন বলেছেন, ১ হাজারের ওপর বেগমপাড়া রয়েছে কানাডায়। কারা করেছেন? তারা সব এমপি? নো। ম্যাক্সিমাম সরকারি কর্মকর্তা। কিছু ব্যবসায়ী। আর কিছু আমাদের নষ্ট রাজনীতিবিদ। এই অপদার্থ কিছু রাজনীতিকের কারণে সব রাজনীতির নামে চালানো হয়। রাজনীতিবিদ নন, সবচেয়ে বেশি হচ্ছেন আমলারা, সরকারি কর্মচারীরা। তারা দুর্নীতি করে আগে স্ত্রীর নামে বাড়ি কেনেন। ছেলেকে পাঠান। পরে নিজে যান। দুর্নীতি লুটপাট করে ফাঁকে ফাঁকে ওখানে পাঠিয়ে দেন। এমন কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা অফিস নেই যেখানে ঘুষ ছাড়া কেউ কাজ করাতে পারেন। আর কেউ পারলে তিনি ভাগ্যবান। ভূমি অফিসে গেলে এসি ল্যান্ডকে ঘুষ দেওয়া লাগবে। আরেক জায়গায় তহশিলদার। আরও বড় হলে ডিসিকে টাকা দেওয়া ছাড়া হবে না। থানায় তো দারোগা বাবুরা। আপনি মার খাবেন, আপনার লোক আহত হবে, নিহত হবে। এর পরও এফআইআর করতে গেলে টাকা, তারপর কথা।’

যে কোনো মূল্যে রাজনীতিবিদদের কর্তৃত্ব ও নেতৃত্ব প্রশাসনসহ সমাজের সব ক্ষেত্রে ফিরিয়ে আনতে হবে। এ দেশের ইতিহাস রাজনীতিবিদদের ইতিহাস। রাজনীতিবিদদের মাইনাস করা, কোণঠাসা করা আর প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের উন্মুক্ত আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। রাষ্ট্র পরিচালনায় আমলাতন্ত্র বা প্রশাসন থাকবে। কিন্তু তাদের নির্ধারণ করা সীমানা লঙ্ঘন করতে দেওয়া যায় না। সংবিধান ও আইন বিধিবিধান সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা-ডিসিরা এমপিদের এমপি সাব বলতে পারেন না। সচিবরাও পারেন না। বঙ্গবন্ধুর শাসনামালে এমপিদের পদমর্যাদা অনেক উঁচুতে ছিল। রাজনীতিবিদদের মর্যাদা সীমাহীন সম্মানের আসনে ছিল। সামরিক শাসকরা অনেক নামিয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর চেহারা রাতারাতি পাল্টে গেছে। ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী তাদের আগের চেহারায় ফিরে যেতে হবে। তারা জনগণের সেবক। প্রভুর আচরণ করতে দেওয়া যাবে না। দেশের একজন সচিব মন্ত্রীসহ কাউকেই মানেন না। একচ্ছত্র ক্ষমতাধর এই সচিব এতটাই বেপরোয়া যে সব ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন তিনি। এসব চলতে দেওয়া যায় না। সব এমপিই এলাকায় বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করেন না। তেমনি প্রজাতন্ত্রের সব কর্মচারীই অসৎ নন। একদল অসৎ নষ্ট রাজনৈতিক কর্মীর জন্য রাজনীতিবিদদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব যেমন হরণ করা যায় না, তেমনি তাদের অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই। রাজনীতিবিদরাই জাতীয় বীর। একই সঙ্গে একদল অসৎ বেপরোয়া কর্মকর্তার কারণে গোটা প্রশাসন কলঙ্কিত হতে পারে না। সবচেয়ে বড় বিষয় রাজনৈতিক সরকারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আজ, রাজনীতিবিদরা নেতৃত্ব দেবেন, কর্তৃত্ব করবেন নাকি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা করবেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের হাতে নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব তুলে দিলে রাজনীতিবিদদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হবে না, রাজনীতির গতিপথ যেভাবে বদলে যাবে ভবিষ্যতে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন।

এই বিভাগের আরও খবর
নৃশংসতা
নৃশংসতা
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
চালের দাম
চালের দাম
সর্বশেষ খবর
পর্তুগাল-পোল্যান্ডসহ ৪ দেশের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার
পর্তুগাল-পোল্যান্ডসহ ৪ দেশের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার

১ মিনিট আগে | জাতীয়

তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫ বছরে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে: ড. খন্দকার মোশাররফ
তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫ বছরে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে: ড. খন্দকার মোশাররফ

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ধানমন্ডিতে ‘বার্গার বাবু’ গ্রেফতার
ধানমন্ডিতে ‘বার্গার বাবু’ গ্রেফতার

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিলেটে বিশেষ অভিযান, ৩২ ঘণ্টায় আটক ১৪০
সিলেটে বিশেষ অভিযান, ৩২ ঘণ্টায় আটক ১৪০

৭ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

২০২৮ সালের অলিম্পিকে চোখ জোকোভিচের
২০২৮ সালের অলিম্পিকে চোখ জোকোভিচের

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে রেমিট্যান্সে প্রভাব পড়তে পারে : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে রেমিট্যান্সে প্রভাব পড়তে পারে : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

‘রূপপুর এনপিপি বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে’
‘রূপপুর এনপিপি বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে’

১২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

চট্টগ্রামে ফসলি জমির টপ সয়েল কাটায় ২ জনের কারাদণ্ড
চট্টগ্রামে ফসলি জমির টপ সয়েল কাটায় ২ জনের কারাদণ্ড

১৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ওয়াসার এমডিকে অপসারণ
ওয়াসার এমডিকে অপসারণ

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা অব্যাহত রাখতে চায় যুক্তরাজ্য
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা অব্যাহত রাখতে চায় যুক্তরাজ্য

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বাগেরহাটে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক গুরুতর আহত
বাগেরহাটে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক গুরুতর আহত

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনে দায়িত্ব পালন না করায় সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বরখাস্ত
নির্বাচনে দায়িত্ব পালন না করায় সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বরখাস্ত

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?
সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালুকায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
ভালুকায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নড়াইলে বালুভর্তি গাড়িচাপায় শিশু নিহত
নড়াইলে বালুভর্তি গাড়িচাপায় শিশু নিহত

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতকে হারিয়ে হিলির বিদায়কে রাঙিয়ে দিলো অস্ট্রেলিয়া
ভারতকে হারিয়ে হিলির বিদায়কে রাঙিয়ে দিলো অস্ট্রেলিয়া

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার থাকবে শ্রমিক দল: শিমুল বিশ্বাস
শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার থাকবে শ্রমিক দল: শিমুল বিশ্বাস

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসায় প্রভাষক নিয়োগে নীতিমালা সংশোধন
মাদরাসায় প্রভাষক নিয়োগে নীতিমালা সংশোধন

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

লাকসামে কলেজের গাছ কাটার পরিকল্পনা বাতিলের দাবি শিক্ষার্থীদের
লাকসামে কলেজের গাছ কাটার পরিকল্পনা বাতিলের দাবি শিক্ষার্থীদের

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গলবার ভারত ছাড়ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-দক্ষিণ আফ্রিকা
মঙ্গলবার ভারত ছাড়ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-দক্ষিণ আফ্রিকা

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফেব্রুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯.১৩ শতাংশ
ফেব্রুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯.১৩ শতাংশ

৫১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে সরকার : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে সরকার : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

৫২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চের প্রথম সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো এক বিলিয়ন ডলারের বেশি
মার্চের প্রথম সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো এক বিলিয়ন ডলারের বেশি

৫২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

লাভজনক দাম নিশ্চিতসহ ৫ দাবিতে রংপুরে আলুচাষিদের মানববন্ধন
লাভজনক দাম নিশ্চিতসহ ৫ দাবিতে রংপুরে আলুচাষিদের মানববন্ধন

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আলমডাঙ্গায় ‘পটকা’ বিস্ফোরণে তিন শিশু আহত
আলমডাঙ্গায় ‘পটকা’ বিস্ফোরণে তিন শিশু আহত

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি
১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?
ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প
বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'
হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান
যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা
ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা
সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী
রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?
ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি
হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব
শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত
ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ
নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত
তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান
সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছে না ভেজালের কারবার
থামছে না ভেজালের কারবার

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র
হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

মাঠে ময়দানে

যানজট শঙ্কা মহাসড়কে
যানজট শঙ্কা মহাসড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি
বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি

নগর জীবন

স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা

প্রথম পৃষ্ঠা

রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা

নগর জীবন

ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

পেছনের পৃষ্ঠা

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

প্রথম পৃষ্ঠা

উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন
উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র

প্রথম পৃষ্ঠা

মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত
মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত

দেশগ্রাম

অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের
ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের

মাঠে ময়দানে

মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান
শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর
বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর

খবর

নারী অধিকার নিয়ে শাবানা
নারী অধিকার নিয়ে শাবানা

শোবিজ

সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক
সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক

পূর্ব-পশ্চিম

সামনে পাকিস্তান সিরিজ
সামনে পাকিস্তান সিরিজ

মাঠে ময়দানে

দশম দিনে স্বস্তির আমেজ
দশম দিনে স্বস্তির আমেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী দিবসে কোনালের নারী যায় বাড়ি
নারী দিবসে কোনালের নারী যায় বাড়ি

শোবিজ