শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪

পীর ও কমিউনিস্ট মওলানা ভাসানী

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
পীর ও কমিউনিস্ট মওলানা ভাসানী

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে বলা হয় রাজনীতির দিকপাল লাখ লাখ ভক্তের কাছে তিনি ছিলেন কামেল পীর ১৯৫৪ সালে মীরজাফরের বংশধর-পূর্ব বাংলার সে সময়কার গভর্নর ইস্কান্দার মির্জার দৃষ্টিতে তিনি ছিলেন কমিউনিস্ট ভারতের দালাল কারও কারও কাছে চীনপন্থি হিসেবে পরিচিতি ছিল মজলুম জননেতার রাজনীতির সিংহপুরুষ ছিলেন ক্ষমতাবিমুখ তরুণ বয়সে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একবার পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত হয়েছিলেন একপর্যায়ে তিনি পদত্যাগও করেন সে পদ থেকে মওলানা ভাসানীর জন্ম এক অতিসাধারণ পরিবারে বিয়ে করেছিলেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবির জমিদার শামসুদ্দিন আহম্মদ চৌধুরীর একমাত্র কন্যাকে শ্বশুরবাড়ির সব সম্পত্তি তিনি বিলিয়ে দিয়েছিলেন ভূমিহীনদের মাঝে মওলানা ভাসানী যে কুঁড়েঘরে আজীবন বসবাস করেছেন তাঁর সঙ্গে গাঁও-গ্রামের হতদরিদ্রদের জীবনযাপনের কোনো পার্থক্য ছিল না গত ১৭ নভেম্বর ছিল মহিরুহের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, কালের বিবর্তনে আমাদের নতুন প্রজন্মের অনেকের কাছে মওলানা ভাসানী প্রায় অজানা এক নাম বলা হয়, বাঙালি এক অকৃতজ্ঞ জাতি আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনের দিকে তাকালে সে সত্যটি ফুটে ওঠে দেশে মওলানা ভাসানী, শেরেবাংলা কে ফজলুল হক, শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মতো বিশাল মাপের নেতারা জন্মগ্রহণ করলেও তাঁরা ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছেন স্মৃতিপট থেকে যেসব রাজনৈতিক নেতা একটি নতুন রাষ্ট্র নতুন জাতির অভ্যুদয়ে স্মরণযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন তাঁদের অন্যতম মওলানা ভাসানী যাঁকে বলা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা উপমহাদেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা দান করেছেন মওলানা ভাসানী সমাজবাদী আন্দোলনের যেমন পুরোধা ছিলেন তিনি, তেমন আধ্যাত্মিক জগতেরও শিরোমণি হিসেবে নন্দিত হয়েছেন মহান নেতা

মওলানা ভাসানীকে তাঁর অর্বাচীন সমালোচকরা অভিহিত করতেনঅশিক্ষিত রাজনীতিকহিসেবে এমনকি তাঁকে মূর্খ হিসেবে অভিহিত করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন কেউ কেউ মওলানা ভাসানীর রাজনীতি, জীবনদর্শন, আধ্যাত্মিক সাধনা এর কোনোটিই অবশ্য কোনো অতিজ্ঞানীর উর্বর বক্তব্য কিংবা সার্টিফিকেটের ওপর নির্ভরশীল ছিল না আপন গুণেই তিনি ছিলেন গুণান্বিত মওলানা ভাসানীর তুলনা ছিলেন তিনি নিজেই যে কারণে জীবদ্দশায়ই কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছিলেন মহানায়ক তিনি ছিলেন বহুধাসত্তার এক অনন্য উদাহরণ

মওলানা ভাসানী ছিলেন ক্ষমতাবিমুখ এক রাজনীতিক রাজনৈতিক দল সম্পর্কে সংজ্ঞা দিতে গিয়ে একবার মওলানা ভাসানীর সবচেয়ে প্রিয় শিষ্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, তাঁর দল আওয়ামী লীগ আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলাম কিংবা রামকৃষ্ণ মিশন নয় তাঁর দলের নির্দিষ্ট আদর্শ কর্মসূচি রয়েছে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ক্ষমতায় যাওয়াই তাঁর লক্ষ্য

ক্ষমতায় যাওয়াকে দলের বা নিজের লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করলেও বঙ্গবন্ধু যেনতেনভাবে ক্ষমতায় যাওয়ারপক্ষপাতী ছিলেন না আদর্শের জন্য জীবনের এক বড় অংশই জেলে কাটিয়েছেন জাতীয় নেতা পরাধীন বাংলাদেশে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের মানুষের অহংকার আমাদের আরেক জাতীয় নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম তাঁর এক লেখায় বঙ্গবন্ধুর অবস্থানকে স্বীকার করেছেন আর মওলানা ভাসানী রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রাণপুরুষ হিসেবে বিবেচিত হলেও তিনি কখনো নিজেকে ক্ষমতার সঙ্গে সম্পৃক্ত করেননি পাকিস্তান আমলে প্রথম থেকে যে দলটি ছিল এককভাবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে সেই আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মওলানা ভাসানী ১৯৫৭ সালে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় পূর্ব বাংলায় সরকার গঠন করলেও মওলানা ভাসানী ক্ষমতার সঙ্গে সম্পৃক্ত হননি তার আগে ১৯৫৪ সালে মওলানা ভাসানী, শেরেবাংলা কে ফজলুল হক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর যৌথ নেতৃত্বে গঠিত হয় যুক্তফ্রন্ট তৎকালীন পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে ২৩৭ আসনের ৯টি বাদে সব কটিতে জয়ী হয় তারা যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করলেও তাতে জড়িত হননি মওলানা ভাসানী যুক্তফ্রন্টের শীর্ষ নেতা মওলানা ভাসানী ওই বছরের ২৫ মে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে যোগদান করেন ৩০ মে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার পূর্ব বাংলার যুক্তফ্রন্ট সরকার ভেঙে দেয় গভর্নরের শাসন জারি করে মওলানা ভাসানীকে কমিউনিস্ট ভারতের দালাল হিসেবে অভিহিত করে তাঁর দেশে প্রত্যাবর্তনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় মওলানা ভাসানী ছিলেন ১৯৬৯ সালের আইয়ুববিরোধী গণ অভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক গণ অভ্যুত্থানের পরিণতিতে বঙ্গবন্ধু আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পান আমেরিকান সাংবাদিক ড্যান কোগনিন টাইম ম্যাগাজিনে ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান উসকে দেওয়ার জন্য ভাসানীকে কৃতিত্ব দিয়েছেন গণ অভ্যুত্থানের কারণেই পাকিস্তানের সেনাপতি শাসক ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের ১১ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের পতন হয়

ইতিহাসের মহিরুহের জন্যই ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশের ১৬০টি আসনের দুটি বাদে সব কটি আসনে জয়ী হয় আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণের স্বাধিকার আন্দোলন নতুন মাত্রা পায় স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে মওলানা ভাসানী গিয়েছিলেন খুলনায় উঠেছিলেন মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ন্যাপের সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল জব্বারের বাসভবনে শহীদ জব্বারের পুত্র জুলফিকার জব্বার মুকুল ভাইয়ের সৌজন্যে মজলুম জননেতার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয় তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ১৯৭০ সালের নির্বাচনের আগে তিনিভোটের আগে ভাত চাইসেøাগান তুলে কেন নির্বাচন বর্জন করেছিলেন? জানতে চেয়েছিলাম, বর্জন তাঁর দল ন্যাপের জন্য আত্মঘাতী ছিল কি না? মওলানা ভাসানী জবাব দিয়েছিলেন তাঁর সিদ্ধান্তই যে সঠিক ইতিহাস প্রমাণ রেখেছে সত্তরের নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের জনগণের স্বাধিকারের ম্যান্ডেট লাভের নির্বাচন নির্বাচনে ন্যাপ অংশ নিলে স্বাধিকারের পক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগ ন্যাপের ভোট ভাগাভাগিতে বিরোধী পক্ষ লাভবান হতো মওলানা ভাসানী বলেছিলেন তিনি কখনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে রাজনীতি করেন না রাজনীতি করেন জনগণের শোষণমুক্তির জন্য তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লক্ষ্য অর্জনে নিজের প্রতিষ্ঠিত দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে ১৯৫৭ সালে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পিছপা হননি মওলানা ভাসানী প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা ভাবেন ১৯৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানি শাসকদের আসসালামু আলাইকুম বলে বিচ্ছিন্নতার ঘণ্টা বাজান নিজের রাজনীতি কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত বা লাভবান হলো এটি তাঁর ভাবনার বিষয় ছিল না তিনি বাংলাদেশের আপামর জনগণের স্বার্থকেই বড় চোখে দেখেছেন

।।দুই।।

মুক্তিযুদ্ধকালে মওলানা ভাসানী ছিলেন প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের প্রধান উপদেষ্টা তাঁকে কেন্দ্র করেই পাকিস্তান আমলে সমাজবাদী রাজনীতি দানা বাঁধেমওলানা ভাসানী ষাটের দশকে সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন চীন মস্কোপন্থি এই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে চীনপন্থিরা ছিলেন মওলানা ভাসানীর ওপর নির্ভরশীল যে কারণে চীনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ নয়া চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুং এবং প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই মওলানা ভাসানীর প্রতি ছিলেন বিশেষ শ্রদ্ধাশীল কৌশলগত কারণে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চীন পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নেয় তাদের আশঙ্কা ছিল মুক্তিযুদ্ধ সফল হলে এলাকায় মস্কোর প্রভাব বেড়ে যাবে কিন্তু মওলানা ভাসানীর কারণেই তারা পাকিস্তানের সমর্থনে মুক্তিযুদ্ধে হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকে স্বাধীন বাংলাদেশে মওলানা ভাসানীই শাসকশ্রেণির অন্যায় গণবিরোধী ভূমিকার বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করেন ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের প্রতিবাদে তিনি ভুখা মিছিলে নেতৃত্ব দেন ১৯৭৬ সালে বৃদ্ধ বয়সে ফারাক্কাবিরোধী লংমার্চে নেতৃত্ব দেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ভারতের কাছ থেকে গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে বিশ্বসমাজের দৃষ্টি আকর্ষিত হয় লংমার্চের মাধ্যমে

।।তিন।।

বাংলাদেশের মানুষ মওলানা ভাসানীকে ভুলতে চললেও তাঁকে ভোলেননি কানাডার কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক তিনি পশ্চিমা বিশ্বেরেড মওলানাহিসেবে পরিচিত মওলানা ভাসানীকে নিয়ে থিসিস করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন এক বাংলাদেশি শিক্ষককে তাঁর অনুপ্রেরণাতেই মওলানা ভাসানীকে নিয়ে গবেষণাকর্মে ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন . আবিদ সলিমুল্লাহ বাহার এটিই ইংরেজি ভাষায় মওলানা ভাসানীকে নিয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের প্রথম ঘটনা . বাহার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক থাকা অবস্থায় কানাডায় যান সেখানকার অন্টারিও ইউনিভার্সিটি অব উইন্ডসর থেকে সমাজতত্ত্বে মাস্টার্স ডিগ্রি নেন তারপর থেকে চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান কানাডার কুইবেক প্রদেশের মন্ট্রিলের ডওশন কলেজে শিক্ষকতায় নিয়োজিত ছিলেন তাঁর থিসিসের বিষয়বস্তু ছিলদ্য রিলিজিয়াস অ্যান্ড ফিলসফিক্যাল বেসিস অব ভাসানিজ পলিটিক্যাল লিডারশিপ

. বাহার বলেছেন, তিনি ভাসানীর রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন না কিন্তু প্রবাসে থাকলেও দেশের টানে কোনো দেশি বিষয়ের ওপর থিসিস করার কথা ভাবেন তাঁর ভাবনায় অনুপ্রেরণা জোগান দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক এক কানাডিয়ান বিশেষজ্ঞ তিনিই মওলানা ভাসানীর জীবন কর্মের ওপর গবেষণা করতে বলেন

গবেষণা করতে গিয়ে . আবিদ নিশ্চিত হন মওলানা ভাসানী রাজনীতিতে আসেন সুফি আদর্শবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি বিধানই ছিল তাঁর লক্ষ লক্ষ বাস্তবায়নে তিনি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের মতো জীবনযাপন করেছেন তিনি কখনো অন্য অনেক রাজনীতিবিদের মতো বিলাসী জীবনযাপন করেননি ব্যক্তিস্বার্থে কখনো বিসর্জন দেননি আদর্শবোধ মওলানা ভাসানীর আধ্যাত্মিক সাধনা রাজনৈতিক মতবাদ ভারতের আসাম, আজকের বাংলাদেশ পাকিস্তানে বিপুল প্রভাব ফেলে

. আবিদ বলেছেন, তিনি এক যুগ মওলানা ভাসানীর ওপর গবেষণা চালিয়েছেন উদ্দেশ্যে ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশে এসে মরহুম নেতার ওপর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ শুরু করেন মওলানা ভাসানীর ওপর প্রকাশিত প্রায় সব ধরনের বই, সরকারি দলিল সংগ্রহ এবং মুরিদ রাজনৈতিক সহকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি ১৯৯৬ সালেও একই কারণে আবার দেশে আসেন মওলানা ভাসানীকে বলা হয় বাম রাজনীতির প্রবক্তা কেউ কেউ তাঁকে কমিউনিস্ট বলেও নাক সিটকিয়েছেন অথচ ভাসানীকে যারা চেনেন, তারা স্বীকার করবেন গরিব-দুঃখী মানুষের মুক্তির এই মহান দিশারি কমিউনিস্ট ছিলেন না ছিলেন একজন খাঁটি মুসলমান একজন আধ্যাত্মিক সাধক লাখ লাখ মুরিদের কাছে তাঁর পরিচিতি ছিল কামেল পীর হিসেবে বলা যায়, রসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রিয় সাহাবি হজরত আবু জর গিফারীর (রা.) অনুসারী ছিলেন তিনি বিশ্বাসী ছিলেন ইসলামি সমাজবাদে তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূর্ত প্রতীক মওলানা ভাসানীর মতো বড় মাপের নেতা পৃথিবীতে খুব কমই জন্ম নিয়েছেন জীবদ্দশায় তাঁকে বলা হতো আফ্রো-এশিয়া লাতিন আমেরিকার কণ্ঠস্বর মজলুম জননেতা সারা জীবন দেশের গরিব-দুঃখী মানুষের জন্য লড়লেও আজ তিনি বিস্মৃত প্রায় এর চেয়ে দুঃখের কথা আর কীই-বা থাকতে পারে?

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোট প্রদানে ইসলামের চারটি নির্দেশনা
ভোট প্রদানে ইসলামের চারটি নির্দেশনা
বন্দরে অচলাবস্থা
বন্দরে অচলাবস্থা
কালোটাকার দাপট
কালোটাকার দাপট
গণতন্ত্র জিতলে জিতবে বাংলাদেশ'
গণতন্ত্র জিতলে জিতবে বাংলাদেশ'
ভোটাভুটির জগৎ-সংসার
ভোটাভুটির জগৎ-সংসার
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
শেষ মুহূর্তে চুক্তি
শেষ মুহূর্তে চুক্তি
অবৈধ অস্ত্রে শঙ্কা
অবৈধ অস্ত্রে শঙ্কা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন
হঠাৎ অ্যাকশন
হঠাৎ অ্যাকশন
বন্দরে অচলাবস্থা
বন্দরে অচলাবস্থা
সর্বশেষ খবর
জাতীয় ছাত্রশক্তি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৬০ নেতাকর্মীর ছাত্রদলে যোগদান
জাতীয় ছাত্রশক্তি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৬০ নেতাকর্মীর ছাত্রদলে যোগদান

৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন ইসলামী নেতৃবৃন্দ
ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন ইসলামী নেতৃবৃন্দ

২০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, অর্থনৈতিক সংকটে বাড়ছে চাপ
ইরানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, অর্থনৈতিক সংকটে বাড়ছে চাপ

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে ভারত-ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো পাকিস্তান
যে কারণে ভারত-ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো পাকিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অমর একুশে বইমেলার স্টল ভাড়া ৫৫ শতাংশ মওকুফ
অমর একুশে বইমেলার স্টল ভাড়া ৫৫ শতাংশ মওকুফ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম তীর নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়ম, দখল স্থায়ী করছে ইসরায়েল
পশ্চিম তীর নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়ম, দখল স্থায়ী করছে ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেলতেলে ত্বক ও ব্রণের সমস্যা? উপকার মিলতে পারে ফিটকিরিতে
তেলতেলে ত্বক ও ব্রণের সমস্যা? উপকার মিলতে পারে ফিটকিরিতে

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

করণের উপর হঠাৎ কেন মেজাজ হারালেন গোবিন্দ
করণের উপর হঠাৎ কেন মেজাজ হারালেন গোবিন্দ

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানাল কানাডা
ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানাল কানাডা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রশান্ত মহাসাগরে নৌযানে মার্কিন হামলায় নিহত ২
প্রশান্ত মহাসাগরে নৌযানে মার্কিন হামলায় নিহত ২

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফারহানের ব্যাটে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৯১ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তান
ফারহানের ব্যাটে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৯১ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করলো বিএনপি
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করলো বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মেয়াদ অনিশ্চয়তায় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি : ফাওজুল কবির
মেয়াদ অনিশ্চয়তায় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি : ফাওজুল কবির

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জুটির রেকর্ড
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জুটির রেকর্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশ গড়ার চাবি আপনার হাতে, সঠিকভাবে ব্যবহার করুন: প্রধান উপদেষ্টা
দেশ গড়ার চাবি আপনার হাতে, সঠিকভাবে ব্যবহার করুন: প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যৌন হয়রানির অভিযোগে রাবি শিক্ষককে অব্যাহতি
যৌন হয়রানির অভিযোগে রাবি শিক্ষককে অব্যাহতি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুমিল্লায় প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৬ হাজার সদস্য
কুমিল্লায় প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৬ হাজার সদস্য

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক
ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনে ৬৫-৭০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি আনোয়ারুল
নির্বাচনে ৬৫-৭০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি আনোয়ারুল

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলায় ছেলের 'চোখ নষ্টের' খবরে মায়ের মৃত্যু
নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলায় ছেলের 'চোখ নষ্টের' খবরে মায়ের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নেই বাংলাদেশ, যা বলছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নেই বাংলাদেশ, যা বলছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, দুই জনকে কারাদণ্ড
মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, দুই জনকে কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনিসুল ও সালমানের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ২২ ফেব্রুয়ারি
আনিসুল ও সালমানের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ২২ ফেব্রুয়ারি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের ছুটিতে খোলা থাকবে যেসব জরুরি সেবা
ভোটের ছুটিতে খোলা থাকবে যেসব জরুরি সেবা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আমরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার প্রত্যাশা করছি : নজরুল ইসলাম
আমরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার প্রত্যাশা করছি : নজরুল ইসলাম

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মর্মান্তিক, তিন শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজনের ‘আত্মহত্যা’!
মর্মান্তিক, তিন শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজনের ‘আত্মহত্যা’!

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

উজিরপুরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
উজিরপুরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের সম্মান রক্ষাই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: নাকভি
বাংলাদেশের সম্মান রক্ষাই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: নাকভি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটের আগে নাটোরে ইসলামী ব্যাংকে চার কোটি টাকার লেনদেন, দুলুর অভিযোগ
ভোটের আগে নাটোরে ইসলামী ব্যাংকে চার কোটি টাকার লেনদেন, দুলুর অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে দুই হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা
ইরানে দুই হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা হয় কীভাবে?
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা হয় কীভাবে?

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ
আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর
নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কোন দিকে হেফাজতের ভোটব্যাংক
কোন দিকে হেফাজতের ভোটব্যাংক

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান
ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান
মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানি মিসাইল রেঞ্জে, ট্রাম্পের না ভেবে উপায় নাই!
মধ্যপ্রাচ্যে সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানি মিসাইল রেঞ্জে, ট্রাম্পের না ভেবে উপায় নাই!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন
গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ
আজ রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি উপাচার্য
দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি উপাচার্য

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করলো বিএনপি
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করলো বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি
রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নতুন রাষ্ট্র গড়তে আওয়ামী লীগের অন্তর্ভুক্তি সম্ভব নয় : আসিফ নজরুল
নতুন রাষ্ট্র গড়তে আওয়ামী লীগের অন্তর্ভুক্তি সম্ভব নয় : আসিফ নজরুল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা আইনে বড় পরিবর্তন: অধ্যাদেশ জারি
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা আইনে বড় পরিবর্তন: অধ্যাদেশ জারি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র
প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তিতে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ভারত!
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তিতে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ভারত!

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছোটো দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ৬০ লাখ; তবুও কেন তাদের হাতে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান?
ছোটো দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ৬০ লাখ; তবুও কেন তাদের হাতে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোটের দিন ৫ ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
ভোটের দিন ৫ ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইউরেনিয়ামের মজুত ৬০ শতাংশ কমাতে রাজি ইরান?
ইউরেনিয়ামের মজুত ৬০ শতাংশ কমাতে রাজি ইরান?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে যেভাবে চ্যালেঞ্জিং প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠলেন জামায়াত আমির: রয়টার্স
নির্বাচনে যেভাবে চ্যালেঞ্জিং প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠলেন জামায়াত আমির: রয়টার্স

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটের আগে নাটোরে ইসলামী ব্যাংকে চার কোটি টাকার লেনদেন, দুলুর অভিযোগ
ভোটের আগে নাটোরে ইসলামী ব্যাংকে চার কোটি টাকার লেনদেন, দুলুর অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুষ্টিয়ায় জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে জরিমানা, অনাদায়ে কারাদণ্ড
কুষ্টিয়ায় জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে জরিমানা, অনাদায়ে কারাদণ্ড

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সারাদেশে তাপমাত্রা বাড়বে নাকি কমবে, যা জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর
সারাদেশে তাপমাত্রা বাড়বে নাকি কমবে, যা জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ না খেলায় শাস্তি হবে না বিসিবির
বিশ্বকাপ না খেলায় শাস্তি হবে না বিসিবির

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে কারণে ইরানে আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে
যে কারণে ইরানে আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মহাকাশ যুদ্ধে নতুন মোড়, যুক্তরাষ্ট্রের মাথা ঘুরিয়ে দিল চীন?
মহাকাশ যুদ্ধে নতুন মোড়, যুক্তরাষ্ট্রের মাথা ঘুরিয়ে দিল চীন?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিএনপির বড় পরীক্ষা বেশির ভাগ আসনে
বিএনপির বড় পরীক্ষা বেশির ভাগ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬
বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিনেও হামলা সংঘর্ষ
নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিনেও হামলা সংঘর্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?
নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?

প্রথম পৃষ্ঠা

জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন
জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন

শিল্প বাণিজ্য

নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি
নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌরভ ছড়াচ্ছে ফুল বাগান
সৌরভ ছড়াচ্ছে ফুল বাগান

পেছনের পৃষ্ঠা

এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ
এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ
ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ

পেছনের পৃষ্ঠা

শাসকরা মালিক নয়, হবে সেবক
শাসকরা মালিক নয়, হবে সেবক

প্রথম পৃষ্ঠা

অপরিবর্তিত নীতি সুদহার
অপরিবর্তিত নীতি সুদহার

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই
তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিলুপ্তি চাইলেন র্যাব ডিজিএফআইয়ের
বিলুপ্তি চাইলেন র্যাব ডিজিএফআইয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

কৃষিঋণে গতি বাড়লেও নজরদারি এখন চ্যালেঞ্জ
কৃষিঋণে গতি বাড়লেও নজরদারি এখন চ্যালেঞ্জ

শিল্প বাণিজ্য

শাকিবের নায়িকা মিথিলা
শাকিবের নায়িকা মিথিলা

শোবিজ

৭২ ঘণ্টা বন্ধ মোটরসাইকেল
৭২ ঘণ্টা বন্ধ মোটরসাইকেল

পেছনের পৃষ্ঠা

মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু কাল
মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু কাল

পেছনের পৃষ্ঠা

শাস্তি পাচ্ছে না বিসিবি, থাকছে পুরস্কার
শাস্তি পাচ্ছে না বিসিবি, থাকছে পুরস্কার

মাঠে ময়দানে

অধস্তন আদালতের বিচারকদের অবকাশ ছুটি দুই ধাপে
অধস্তন আদালতের বিচারকদের অবকাশ ছুটি দুই ধাপে

প্রথম পৃষ্ঠা

গণতন্ত্র জিতলে জিতবে বাংলাদেশ'
গণতন্ত্র জিতলে জিতবে বাংলাদেশ'

সম্পাদকীয়

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ২২১৬ টাকা
ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ২২১৬ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী দুই-এক দিনে
উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী দুই-এক দিনে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর

প্রথম পৃষ্ঠা

নারী ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন
নারী ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন

মাঠে ময়দানে

জামায়াত ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করছে
জামায়াত ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করছে

প্রথম পৃষ্ঠা

মনে হয় ইসি কারও প্রভাবে কাজ করে
মনে হয় ইসি কারও প্রভাবে কাজ করে

প্রথম পৃষ্ঠা

এজাজের বিদায় ডিএনসিসিতে নতুন প্রশাসক
এজাজের বিদায় ডিএনসিসিতে নতুন প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী দুই দলের ইশতেহারই
অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী দুই দলের ইশতেহারই

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের লড়াই হবে
রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের লড়াই হবে

প্রথম পৃষ্ঠা