শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫

অংশ কখনো সমগ্র নয়

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
অংশ কখনো সমগ্র নয়

হাঁড়িতে ভাত রান্না ঠিকঠাক হয়েছে কি না, বুঝতে একে একে সব চাল টিপে দেখার দরকার নেই। ফুটন্ত চালের একটি দেখলেই হয়। সব ক্ষেত্রে এই নিয়ম পালন করা সংগত? কোনো বাড়ির ছেলে বা মেয়েরা কতটা ভালো বা মন্দ, নিশ্চিত হওয়ার লক্ষ্যে সেই বাড়ির একটি ছেলে বা একটি মেয়েকে যাচাই করলে কি চলবে? না, চলবে না।অংশ দিয়ে সমগ্রের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণের রীতি সব সময় অনুসরণ করলে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি থাকবেই। জুলমত আলী পাইকার ওই রীতি অবলম্বন করতে গিয়ে বিভ্রান্তির শিকার হয়েছেন। তিনি জানান, খাদের কিনারায় গেলেও শেষতক বিপন্ন হননি। দুই বিড়াল তাকে উদ্ধার করেছে। সেটা আবার কী?

পাইকারের পাশের বাড়িতে সদ্য ওঠা ভাড়াটের সাত ছেলে। এক ছেলের সঙ্গে আলাপ হয়। ছেলেটি অতিভদ্র। পাইকার ধরে নেন, এই ছেলের ছয় ভাইও তারই মতো অতিভদ্র। সাত ছেলের পিতা ধবল পাটোয়ারিও হবেন অতিভদ্র। নতুন পড়শিকে বেয়াই বানানোর প্ল্যান করেন তিনি। তাঁর কলেজপড়ুয়া সুন্দরী সুশীলা মেয়েটির জন্য অতি অবশ্যই যথার্থ পাত্র হওয়ার যোগ্যতা ধরে ওই ছেলে।

পাশের বাড়ির ছেলের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার দিন সাতেক পরে এক দুপুরে নাদুসনুুদুস দুই বিড়াল এসে এ বাড়ির কিচেনে ঢুকে মাছ-মাংস ভাত-তরকারি খেয়ে তাদের স্বগৃহে গমন করে। স্বগৃহ BP 103মানে নতুন ভাড়াটে ধবল পাটোয়ারির বাসভবন। বিনা বাধায় সুস্বাদু খাদ্য উদরসাৎ করার সুযোগ পেলে মানুষ বারবার ওই সুযোগ নিতে চায়। বিড়াল তো চাইবেই। দ্বিতীয় দিনও তারা এ বাড়ির জানালা হয়ে কিচেনে তসরিফ আনে; মজাসে পেটভরে খায় এবং জানালা দিয়ে লাফিয়ে বেরিয়ে যায়। তৃতীয় দিন গৃহস্বামীর বডিবিল্ডার পুত্রের নজরে পড়ল তারা। বডিবিল্ডাররা দেখেছি সাধারণত বিনয়ী ও নরম মেজাজি হয়ে থাকেন। নরম মেজাজি মানুষ রেগে আগুন হলে দমকল বাহিনীর নিক্ষেপ করা পানিকেও নাকি পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। বডিবিল্ডার তার সবল দুই হাতে পাটোয়ারির দুই বিড়ালকে ধরে মারলেন জোরসে আছাড়। তাতে দুই বিড়ালই হয়ে গেল ল্যাংড়া।

আছাড় ঘটনার পরদিন সকাল ৮টা। বডিবিল্ডারদের বাড়িতে ঘণ্টি বাজলে গৃহকর্তা জুলমত আলী পাইকার দরজা খুলে দেখেন হ্যাট মাথায় লম্বু মোটকা প্যান্টশার্টশোভিত ও ভুঁড়িখানা ফাটোফাটো এক মানব দণ্ডায়মান। পাইকারের প্রশ্ন : কী চাই? উত্তর পেলেন : আমার রন্টি-পন্টিরে লুলা করেছে যে বেজন্মা তারে চাই। আছাড় মেরে ওর মাজা যদি না ভাঙি আমার নাম ধবল পাটোয়ারি না। কই, কে সে, তুমি?

ওরে আল্লাহ হবু বেয়াইর কী ব্যবহার! মনে মনে নিজেকে চপেটাঘাত করেন জুলমত পাইকার। এই খাটাসের ছেলেকে যোগ্য পাত্র ভাবলাম? গাব গাছে গাবই ধরে। যারে পছন্দ করেছিলাম সেও গাব। আমের মুখোশ ধারণ করে গাবটি মিঠা মিঠা কথা বলেছে। মাথা ঠান্ডা রেখে পাইকার বলেন, বিড়াল দুটির নাম রন্টি আর পন্টি? বাহ্ সুন্দর নাম রেখেছেন। ধবল বলেন, স্টপ ইয়োর খাজুরা আলাপ টেল মি হুজ দ্য কালপ্রিট? ইউ? অর সামবডি এল্স?

পিতার কাছে কে এলো? এসেছে আবার উঁচা আওয়াজও দিচ্ছে। যাই দেখে আসি। ভাবতে ভাবতে প্রবেশ দরজায় এসে পড়ে জুনিয়র পাইকার। তার পরনে শ্যান্ডো গেঞ্জি, সুস্পষ্ট বাহুর পেশি প্রকাশ্য। সে বলে, হু ইজ বার্কিং য়্যাট আওয়ার ডোর? পাটোয়ারি বলেন, সালামু আলাইকুম। আমি আপনাদের নেইবার। পরিচিত হতে এলাম। বডিবিল্ডার বলে, এসেছেন ভালো কথা। বার্কিং লাইক (কুত্তার মতো ঘেউ ঘেউ) সাউন্ড দিচ্ছেন কেন?

জুলমত পাইকার বলেন, ধূর্তজন কত রঙ্গই না জানে! বাপরে করে তুই তোকারি, ছেলেরে দেয় সালাম। আস্ফালন করতে এসে দাবড়ানি খাওয়ার ভয়ে দেয় ডিগবাজি। বলে সখা হে বুকে ধর মোরে, বাঁধি বাহুডোরে। আমরা বাপ-বেটা পড়শিকে স্বাগত জানিয়ে ভিতরে নিয়ে বসাই। চা-নাশতা খাওয়াচ্ছি। এমন সময় একটা আওয়াজ পাই- ‘আব্বারে আটকে রেখেছে। কুত্তার বাচ্চাদের এত সাহস?’ ধবলের সাত পুত্র পিতা উদ্ধার অভিযানে নেমেছে। কে বা কারা রটিয়েছে যে পাশের বাড়ির লোকরা ধবল পাটোয়ারিকে বন্দি করে রেখেছে।

গাব গাছে যে আম ধরে না, ফের প্রমাণ পাওয়া গেল। এটাও প্রমাণিত হলো ‘শক্তের ভক্ত নরমের যম’ প্রবচনটি নিরর্থক নয়। পাটোয়ারির সাত পুত্রের আস্ফালন শুনে ওদের সামনে এসে দাঁড়ায় জুনিয়র পাইকার। জানতে চায়, কুত্তার বাচ্চা বলেছে কোন শুয়োরের বাচ্চা? প্রশ্নের জবাবে পাটোয়ারির বাচ্চারা দেয় লম্বা দৌড়।

২.

‘জোনাকি’ নামে সাময়িক পত্রিকায় একবার ‘অল্পবিদ্যায় বিস্তর সমস্যা’ নামে এক নিবন্ধ পড়েছিলাম। সম্পাদক আসিরউদ্দিন আহমেদ পুরোনো ফাইল থেকে বের করে ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত নিবন্ধটি দিয়ে বলেন, ‘পড়। জ্ঞান বাড়বে।’ পড়ে থ হয়ে গেলাম। ইতালীয় এক পর্যটক মাসাধিককাল ধরে পাকিস্তানের পূর্ব ও পশ্চিমাংশ ঘুরে বেড়িয়েছেন। দেশে ফিরে তিনি সংবাদপত্রের সাহিত্য পাতায় তাঁর ভ্রমণ বিবরণী ছাপিয়েছেন। লিখেছেন, ‘ঢাকা’ নামে এক শহরে চার দিন থেকেছি। শহরের লোকরা বিদেশিদের খুব আদর-যত্ন করে। এটা-সেটা স্বাদু খাওয়ানোর জন্য উতলা হয়ে যায়। তারা বেঙ্গলি ও উর্দুতে কথা বলে। বাটার অয়েল মাটন আর রাইস দিয়ে ‘বিরিয়ানি’ নামক মজাদার এক খাবার বিক্রি হয় ঢাকা শহরে।

‘পয়সা বাঁচানোর জন্য আমি হোটেলে না উঠে ফিরুজ শাহ নামক যুবকের বাড়িতে উঠি। ফিরুজ আমাকে শহরে লায়ন সিনেমায় “সারকারোজ” নামের উর্দু ফিল্ম দেখিয়েছে। ফিরুজ উর্দুভাষী। আমার সঙ্গে ইংরেজিতে ভাব-বিনিময় করতে চায়। ওর ইংরেজি দুর্বোধ্য। সেজন্য তাকে বলি, কলকাতা ভ্রমণকালে আমি মোটামুটি কাজ চালানোর মতো বেঙ্গলি শিখেছি। বেঙ্গলি পড়তেও পারি।’

‘ঢাকায় যে কদিন থেকেছি শহরবাসীর আতিথেয়তা, আপন করে নেওয়ার একাগ্রতা, ভালোবেসে উপহার দেওয়া আমায় মুগ্ধ করেছে। যত দিন নিঃশ্বাস ফেলব-নেব ঢাকার স্মৃতি আমার অন্তরে উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। শুধু একটি বিষয়ে দুঃখ পাই। শহরটিতে নারীরা যত্রতত্র সন্তান প্রসব করে। সুখের বিষয়, সরকার এটা বন্ধ করতে সচেষ্ট। নানা জায়গায় ফলক টানিয়ে দিয়ে সাবধান করা হয়েছে উন্মুক্ত স্থানে প্রসব করলে শাস্তি পেতে হবে।’

প্রকৃত বিষয় হচ্ছে অল্পবিদ্যা ভয়ংকর। লায়ন সিনেমার কাছাকাছি একটি দেয়ালে লাগানো ফলকে ‘প্রস্রাব’ লেখার কথা ভুলে লেখা হয়েছে- ‘এখানে প্রসব করিবেন না, করিলে দণ্ডনীয় হইবেন।’ বানানে ভুল করা নাগরিক জীবনের অংশ। ইতালীয় পর্যটক ওই ভুলের জন্য শহরের সমগ্র নারীর ওপর ঢালাও কালি ছিটিয়ে দিলেন।

৩.

সমাজতন্ত্রপন্থি জোহরান মামদানি (ডেমোক্রেটিক পার্টি) নিউইয়র্ক নগরীর মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর কয়েকজন পণ্ডিত (যাঁরা ভবিষ্যদ্বাণী দেওয়ার সুযোগ প্রাপ্তির জন্য মুখিয়ে থাকেন) বললেন, ‘নিউইয়র্ক শুরু করেছে। এখন হাওয়া বদলের হাওয়া বয়ে যাবে আমেরিকার উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব-পশ্চিম প্রান্তে। দশ কি পনেরো বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব শহরেই মামদানির মতো নওজোয়ানরা মেয়র পদে বসে ছড়ি ঘোরাতে থাকবেন।’

এমন ধারণা পোষণকারীরা অংশকে নাড়াচাড়া করে মোটাতাজা দেখতে পেয়ে রায় দেন- ‘গোটা দেহ অবশ্যই মোটাতাজা।’ এটাও দেখলাম যে কয়েক গবেষক বিশ্বাস করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব শহর-নগরে মুসলমান মেয়র ক্ষমতাসীন হতে চলেছেন দশ বছরের মধ্যে। এই প্রকার গবেষকদের আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের মানসিকতা প্রায় অভিন্ন। ট্রাম্প অবশ্য মনের সব কথা ফটাফট বলে দেন না। ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলেন, মামদানি একটা গোঁড়া কমিউনিস্ট। এরে জিতিয়ে মেয়র করলে আমেরিকার সার্বভৌমত্ব ঝুঁকিতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। তাই মামদানি জিতলে কেন্দ্র থেকে যে তহবিল ফি বছর নিউইয়র্কে আসে তা আমি বন্ধ করে দেব।

ট্রাম্পের এই হুমকি ভয়ার্ত প্রেসিডেন্টের হুমকি। ভয়টা কিসের? মেয়র নির্বাচনে মামদানির বিজয়ে নিউইয়র্কের ইহুদি সম্প্রদায়গুলোর প্রভাব-প্রতিপত্তি সংকোচন সংকটে পড়বে। ‘ইহুদি’র প্রতিশব্দ ‘জিউ’। বিশ্বে ইহুদিরা সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় বাস করে ইসরায়েলে। দ্বিতীয় স্থানে নিউইয়র্ক নগরী। এখানে ব্যবসাবাণিজ্য রাজনীতি-সংস্কৃতিতে তাদের এতই চোটপাট যে কোনো কোনো রসিকজন নিউইয়র্ককে ‘জিউইয়র্ক’ বলে থাকেন।

‘মামদানিকে ভোট দিও না। সে ইহুদিবিদ্বেষী।’ আবেদন জানিয়েছিলেন নিউইয়র্কের পোলা (পূর্বপুরুষরা জার্মানি থেকে আসা অভিবাসী) ডোনাল্ড ট্রাম্প। জোহরান মামদানি (জন্ম উগান্ডায়, সাত বছর বয়সে ভারতীয় বাবার সঙ্গে আমেরিকায় অভিবাসী) বলেন, সর্বজনীন মানবাধিকারে বিশ্বাসী আমি ইসরায়েলের টিকে থাকবার অধিকার সমর্থন করি। রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক মর্যাদার স্তর পর্যায়ে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর ইহুদিদের স্থান দেওয়াটা আমার বিশ্বাসের সঙ্গে খাপ খায় না।

বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, নিউইয়র্কের যত ইহুদি তার এক-তৃতীয়াংশ মামদানিকে ভোট দিয়েছেন। তারা ট্রাম্পের নিবেদনে কর্ণপাত করেননি। কারণ তারা নগরীর বঞ্চিত-নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর অংশ, ট্রাম্পকে তোষণ-পোষণ করে রাজনীতিতে জিইয়ে রাখায় ব্যস্ত ধনপতি ইহুদি তারা নন। ইহুদি ধনপতিরা তো তাদের সঙ্গে অন্য সব ধনপতিরাও ছিলেন। তারা ২৬ ধনপতি ভয়কে জয় করার জন্য জোটবদ্ধ হয়ে মামদানির প্রতিপক্ষ দুই প্রার্থী অ্যান্ড্রু কুয়োমা (স্বতন্ত্র) ও কার্টিস স্লিউয়ার (রিপাবলিকান) প্রচারণার পেছনে ঢেলেছেন ২ কোটি ২০ লাখ ডলার (প্রায় ২৬৮ কোটি টাকা)।

ধনপতিরা মনে করে মামদানির উত্থান তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন করবে। ১ জানুয়ারি ২০২৬ মামদানির অভিষেক। তারপরই তিনি সস্তায় বসবাস, সহনীয় মূল্যে নিত্যপণ্য কেনার জন্য দোকান খোলা, শিশু পরিচর্যা পাওয়া সহজকরণ, সাধারণ নাগরিকের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর প্রকল্প বাস্তবায়নে হাত দেবেন। প্রকল্পগুলোর সাফল্য মানে ধনকুবেরদের ভয়ানক স্বার্থহানি। তাই আমার শঙ্কা তারা মামদানিকে ব্যর্থ করার চক্রান্ত চালিয়ে যাবেই।

‘আমার বিরুদ্ধে অনেক মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে ওরা।’ মামদানি বলেন, ‘হারানোর জন্য তারা কোটি কোটি ডলার ঢেলেছে। তারা বলে আমি ও আমার সমর্থকরা ওদের অস্তিত্বের হুমকি তৈরি করছি। হ্যাঁ, আমি স্বীকার করছি, ওরা ঠিকই বলছে।’

 

লেখক : সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

এই বিভাগের আরও খবর
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
জাতিসংঘ মিশন
জাতিসংঘ মিশন
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
হাদির ওপর হামলা
হাদির ওপর হামলা
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে
বিপন্ন বঙ্গোপসাগরের মাছ
বিপন্ন বঙ্গোপসাগরের মাছ
নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই
নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই
হাদির পর কে টার্গেট?
হাদির পর কে টার্গেট?
অমর বাণী
অমর বাণী
সর্বশেষ খবর
উন্নত জীবনের আশা: শীতে মরক্কো-আলজেরিয়া সীমান্তে ৯ প্রাণহানি
উন্নত জীবনের আশা: শীতে মরক্কো-আলজেরিয়া সীমান্তে ৯ প্রাণহানি

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রবীণদের মাঝে কম্বল বিতরণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রবীণদের মাঝে কম্বল বিতরণ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুষ্পা টু ছাড়িয়ে গেল রণবীরের ধুরন্ধর
পুষ্পা টু ছাড়িয়ে গেল রণবীরের ধুরন্ধর

২২ মিনিট আগে | শোবিজ

প্রবাসীদের নিবন্ধন ৪ লাখ ছাড়াল
প্রবাসীদের নিবন্ধন ৪ লাখ ছাড়াল

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নিজ বাড়ি থেকে অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নিজ বাড়ি থেকে অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

২৮ মিনিট আগে | শোবিজ

মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে
মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক বিচারপতি মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যুতে আধাবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট
সাবেক বিচারপতি মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যুতে আধাবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড
'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড

৩৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২
দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ত্রিবেনী চিত্র প্রদর্শনী ও জনস্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধন
মুন্সীগঞ্জে ত্রিবেনী চিত্র প্রদর্শনী ও জনস্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধন

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে গেলেন আর্শদীপ
মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে গেলেন আর্শদীপ

৪৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আলাভেসকে হারিয়ে আপাতত রক্ষা আলোনসোর চাকরি
আলাভেসকে হারিয়ে আপাতত রক্ষা আলোনসোর চাকরি

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াতের নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা
জামায়াতের নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শততম উইকেট নিয়ে অনন্য কীর্তি ভারতীয় অলরাউন্ডারের
শততম উইকেট নিয়ে অনন্য কীর্তি ভারতীয় অলরাউন্ডারের

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে প্রবেশ সীমিত
আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে প্রবেশ সীমিত

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় জিমি লাই দোষী সাব্যস্ত
হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় জিমি লাই দোষী সাব্যস্ত

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিলির নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন ডানপন্থি কাস্ত
চিলির নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন ডানপন্থি কাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পঞ্চগড়ে সকালের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে
পঞ্চগড়ে সকালের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ
যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান
১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পিসিএল শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ
পিসিএল শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রিয়ালের স্বস্তির জয়
রিয়ালের স্বস্তির জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জকসু নির্বাচনে শেষ দিনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন ৮ প্রার্থী
জকসু নির্বাচনে শেষ দিনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন ৮ প্রার্থী

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় রায়েদ সাদসহ নিহত ৩৮৬
যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় রায়েদ সাদসহ নিহত ৩৮৬

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন আর নেই
সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন আর নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কলম্বিয়ায় শিক্ষার্থীদের বাস খাদে পড়ে নিহত ১৭, আহত ২০
কলম্বিয়ায় শিক্ষার্থীদের বাস খাদে পড়ে নিহত ১৭, আহত ২০

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল
পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হাবিবুরসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে আজ শুরু হচ্ছে যুক্তিতর্ক
হাবিবুরসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে আজ শুরু হচ্ছে যুক্তিতর্ক

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে
দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লাতিন আমেরিকায় মার্কিন বাহিনীর নেতৃত্বে থাকা অ্যাডমিরালের পদত্যাগ
লাতিন আমেরিকায় মার্কিন বাহিনীর নেতৃত্বে থাকা অ্যাডমিরালের পদত্যাগ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর
সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ
হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬
বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক
ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য
আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

১৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়
ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি
হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো
আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু
টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার
হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে
খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক
ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ
ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ
প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার
আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ
খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চুপিসারে বাগদান সারলেন অর্জুন
চুপিসারে বাগদান সারলেন অর্জুন

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা
নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি
দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি

পেছনের পৃষ্ঠা

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

টি    স্পোর্টস
টি স্পোর্টস

মাঠে ময়দানে