শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

পিঁয়াজ বীজ : বাড়ির উঠোন থেকে শিল্প পর্যায়ে

শাইখ সিরাজ
প্রিন্ট ভার্সন
পিঁয়াজ বীজ : বাড়ির উঠোন থেকে শিল্প পর্যায়ে

সাহিদা বেগম কৃষিক্ষেত্রে অনন্য উদ্যোক্তা। ফরিদপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী অঞ্চলে পিঁয়াজ বীজের বাণিজ্যিক চাষ আজ যে পরিসরে দৃশ্যমান, তার সূচনালগ্নের অন্যতম পথপ্রদর্শক তিনি। পিঁয়াজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা আর দেশীয় উৎপাদনের ঘাটতি খুব দ্রুতই অনুধাবন করেছিলেন সাহিদা বেগম। সেই উপলব্ধি থেকেই ছোট পরিসরে শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়াতে থাকেন চাষের পরিধি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে তাঁর অভিজ্ঞতা, সাফল্য এবং প্রভাব। আজ দেশের পিঁয়াজ বীজের চাহিদার বড় একটি অংশের জোগান দেন এই পরিশ্রমী কৃষি উদ্যোক্তা।

সাহিদা বেগমের বাড়ি ফরিদপুর পৌরসভার অম্বিকাপুর গ্রামে। স্বামী মো. বক্তার হোসেন খান ব্যাংক কর্মকর্তা। তাঁদের দুই মেয়ে। বাড়ির পাশের একজনকে পিঁয়াজ বীজ চাষ করতে দেখে সাহিদা আগ্রহী হন। শুরুটা ২০০৪ সাল থেকে। বীজ মাড়াইয়ের কাজে প্রথম বছর ২০ শতাংশ জমিতে পিঁয়াজের চাষ করে দুই মণ বীজ পান সাহিদা। তা বিক্রি করেন ৮০ হাজার টাকায়। এরপর থেকে উৎপাদন বাড়তেই থাকে। সাহিদার স্বামী বক্তার পৈতৃকসূত্রে চার একর জমির মালিক। বাকি জমি এলাকাবাসীর কাছ থেকে লিজ কিংবা বর্গা নিয়ে তিনি চাষ করেছেন। সাহিদা বেগম জানালেন, পিঁয়াজের বীজ পেতে ছয় মাস জমিতে কাজ করতে হয়। নভেম্বর থেকে রোপণ শুরু এবং খেত থেকে বীজ শুকিয়ে প্রস্তুত করতে এপ্রিল-মে মাস পর্যন্ত সময় লাগে। আর বিক্রি করতে করতে সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাস চলে যায়।

সাহিদা বেগম প্রায় ২১ বছর ধরে চাষ করছেন পিঁয়াজ বীজ। পিঁয়াজ ও পিঁয়াজ বীজ চাষ করে পেয়েছেন বহু পুরস্কার। হয়েছেন দেশের সেরা নারী কৃষক। বীজ বিক্রি করেই আয় করেছেন কোটি টাকা। নিজের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন শত নারীর।

একাধিকবার তাঁর সাফল্যের চিত্র টেলিভিশনে তুলে ধরেছি। এরপর কৃষিতে তাঁর অবদানের কথা উঠে এসেছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। পেয়েছেন কৃতিত্বের স্বীকৃতিও। সাহিদা বেগম আজ প্রতিষ্ঠিত নারী কৃষি উদ্যোক্তা। তাঁর স্বপ্নের বীজ প্রোথিত হয়েছে আরও গভীরে, আরও বিস্তৃত পরিসরে। ফরিদপুরের অম্বিকাপুরের মাঠ থেকে সাহিদা বেগম গত বছর তাঁর পিঁয়াজ বীজের চাষ সম্প্রসারণ করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তবর্তী দিনাজপুরের মাঠ পর্যন্ত। ঠাকুরগাঁওয়ে সাহিদা বেগম জমি লিজ নিয়েছেন সুগারমিলের কাছ থেকে। বছর বিশেক আগেও সেখানে আখের চাষ হতো। ক্রমাগত লোকসানে সুগার মিলগুলো বন্ধ হয়ে গেলে পতিত ছিল সেসব জমি। সেই জমিতেই সাহিদা বেগম বপন করেছিলেন নতুন সম্ভাবনার পিঁয়াজ বীজ। ফলনও পেয়েছেন ভালো। সব মিলিয়ে গত বছর বীজ বিক্রি করেছেন ৩৫ টন। এ বছর ১০০ একর জমিতে চাষ করেছেন পিঁয়াজ বীজের। এবারের প্রত্যাশা আরও বেশি। কৃষির যে অনুপম শক্তি, তার দেখা পেয়েছেন সাহিদা বেগম। তিনি উদ্বেলিত, তাঁর সাহস আরও অনেক পথ অতিক্রমের। নারী হয়ে নির্ভরশীলতার যে ছায়া তিনি অর্জন করেছেন, সে ছায়ায় ঠাঁই দিতে চান আরও অনেককেই। গত বছর তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের পিঁয়াজখেতের মাঠে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘আমি যখন প্রথম দিনাজপুরে জমি লিজ নিতে যাই, অনেকে হেসেছিল। বলেছিল, এই দুরন্ত বাতাস আর শীতে পিঁয়াজের বীজ হবে না। তারপর নারী হয়ে এত দূরে এসে জমি দেখভাল করা তো আরও কঠিন। কিন্তু আমি জানতাম, কৃষি কখনো কাউকে ঠকায় না; মেহনত আর সঠিক যত্ন পেলে মাটিও তার উত্তরে হাসে। সেই বিশ্বাস থেকেই আজ আমি দাঁড়িয়ে আছি আরও বড় স্বপ্ন নিয়ে। গত বছর যে জমিগুলো সুগারমিল বন্ধ হয়ে পতিত হয়ে পড়েছিল, সেখানে আমি বপন করেছি নতুন সম্ভাবনার বীজ। ফলনও পেয়েছি ভালো। সেই সাহসই আমাকে আরও বড় মাঠে নিয়ে গেছে। এখন আমার সঙ্গে কাজ করছে আশপাশের গ্রামের বহু নারী। আগে যারা সংসার চালাতে হিমশিম খেত, তারা আজ বীজ উৎপাদন থেকে আয় করে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারছে, ঘরে সঞ্চয় রাখতে পারছে। ভাবলে গর্ব হয়। আমি একা শুরু করেছিলাম, কিন্তু এখন আমরা অনেকে মিলে পথ হাঁটছি।’

তিনি আরও বলেছিলেন, ‘নারী বলে আমরা দুর্বল, এই ধারণা আমি ভেঙে দিতে চাই। কৃষিই আমাকে দিয়েছে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শক্তি। কৃষিই শিখিয়েছে, মাটির ওপর বিশ্বাস রাখলে জীবনে স্থিরতা আসে। তাই আমার ইচ্ছা, এই অর্জনকে শুধু আমার ভিতর আটকে না রেখে, আরও অনেক নারীর মাঝে ছড়িয়ে দিতে। যাতে তারা বুঝতে পারে, কৃষি আমাদের সবার পথ, আমাদের সবার ভবিষ্যৎ। আজ যে মেয়েরা আমার মাঠে কাজ শিখছে, কাল তারা নিজেরাই এক শ একর জমির মালিক হবে, বীজ উৎপাদন করবে, পরিবার চালাবে, এই স্বপ্নই আমাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। আমি শুধু চাই, আমার এই পথচলা আরও অনেক নারীর সাহস হয়ে উঠুক। যেন তারা বলতে পারে, আমরা পারি। আমরা মাটিতে বীজ বুনে নিজেদের ভাগ্যও বদলাতে পারি।’

কৃষি উদ্যোগগুলো এমনই। উৎপাদনের সুপরিকল্পনা আর সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারলে সাফল্য অনিবার্য। তার জন্য চাই একাগ্রতা আর কাজের প্রতি সততা।

কৃতী কৃষি উদ্যোক্তা সাহিদা বেগমের সঙ্গে কথা বলছেন লেখক
কৃতী কৃষি উদ্যোক্তা সাহিদা বেগমের সঙ্গে কথা বলছেন লেখক
২০০৪ সালে এক গৃহবধূর নেওয়া ছোট্ট উদ্যোগ ধীরে ধীরে পৌঁছেছে শিল্প পর্যায়ে। বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ থেকে শুরু করে বীজ প্যাকেটজাতকরণে যিনি যুক্ত করেছেন আধুনিক প্রযুক্তি

সাহিদা বেগমের অনুপ্রেরণায় ছিলেন, তার ব্যাংকার স্বামী বক্তার খান। বক্তার খানের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, ‘আমি চেয়েছি, আমার স্ত্রী যেটা করতে ভালোবাসেন, সেই কাজটা যেন তিনি করতে পারেন। আমি তার চলার পথটি সহজ করতে চেয়েছি। একজন নারী যখন নিজের স্বপ্ন নিয়ে সামনে হাঁটেন, তখন পরিবারের সমর্থনটাই হয় সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি শুধু সেই শক্তিটুকুই দিতে চেয়েছি। সাহিদার ভিতর আমি সব সময় একটা আলাদা আগ্রহ দেখেছি, মাটি, বীজ আর মাঠের প্রতি যে টান, সেটা হৃদয়ের টান। অনেকেই ভাবে, কৃষি মানে শুধু শারীরিক পরিশ্রম। কিন্তু আমি দেখেছি, কৃষি আসলে বুদ্ধির কাজ, সঠিক পরিকল্পনার কাজ। আর সে কাজটা সাহিদা দারুণভাবে বুঝতে পারে। তাই আমি বলেছি, “তুমি এগিয়ে যাও, প্রয়োজন হলে আমি পাশে আছি।”

আজ যখন দেখি তার সঙ্গে আরও অনেক নারী কাজ শিখছে, আয় করছে, নিজেদের পরিবার চালানোর শক্তি পাচ্ছে, তখন মনে হয়, আমার দেওয়া সমর্থনটা শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এটি সমাজেও একটা ইতিবাচক আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। আমি চাই, আমাদের সমাজে আরও পুরুষ বুঝুক, স্ত্রীর সফলতা মানে পরিবারের সফলতা। তার স্বপ্ন বড় হয়ে উঠলে সংসারও বড় হয়ে ওঠে।’

সপ্তাহ দুই আগে ফরিদপুরে সাহিদা বেগমের বাড়ি যাওয়ার সুযোগ হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়িটি পাল্টেছে। পাল্টেছে সাহিদা বেগমের জীবন। বেড়েছে ব্যস্ততা, দায়িত্ব আর স্বপ্নের পরিধি। ২০০৪ সালে এক গৃহবধূর নেওয়া ছোট্ট উদ্যোগ ধীরে ধীরে পৌঁছেছে শিল্প পর্যায়ে। বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ থেকে শুরু করে বীজ প্যাকেটজাতকরণে যুক্ত করেছেন আধুনিক প্রযুক্তি।

ভালো পিঁয়াজ বীজের বৈশিষ্ট্য হলো এর আকার, রং এবং স্বাস্থ্য। ভালো বীজ সাধারণত শক্তিশালী, সজীব ও নীরোগ হয়। এটি পানিতে ডুবলে ডুবে যায়, দাঁত দিয়ে চাপ দিলে ভেঙে যায়। খারাপ বীজ হলে এর ঠিক বিপরীত হয়। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, ভালো পিঁয়াজ বীজের জার্মিনেশন হার থাকে বেশি। আমরা যাচাই করার চেষ্টা করি সাহিদা বেগমের উৎপাদিত পিঁয়াজ বীজের জার্মিনেশন রেট। দেখি প্রায় ৯০ শতাংশের ওপর জার্মিনেশন রেট। ২১ বছর ধরে সাহিদা বেগম নিরলসভাবে লেগেছিলেন পিঁয়াজের বীজ উৎপাদনের সঙ্গে। আজ দেশের পিঁয়াজ উৎপাদনের পরিমাণ বেড়েছে, কমেছে আমদানিনির্ভরতা। এই সাফল্যে সাহিদা বেগমের মতো উদ্যোক্তাদের অবদান সবচেয়ে বেশি। বিভিন্নভাবে তিনি তার অবদানের স্বীকৃতি পেয়েছেন। তবে এখানেই থামতে চান না তিনি। লক্ষ্য আরও বহু দূর যাওয়ার।

লেখক : মিডিয়াব্যক্তিত্ব

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
পাঠ্যবইয়ে সিন্ডিকেট
পাঠ্যবইয়ে সিন্ডিকেট
১৭ বছরে বাংলাদেশ প্রতিদিন
১৭ বছরে বাংলাদেশ প্রতিদিন
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
সাংবাদিকতা সম্পর্কে ইসলামের নির্দেশনা
সাংবাদিকতা সম্পর্কে ইসলামের নির্দেশনা
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
অভিনন্দন বাংলাদেশ প্রতিদিন
অভিনন্দন বাংলাদেশ প্রতিদিন
চ্যালেঞ্জে অর্থনীতি
চ্যালেঞ্জে অর্থনীতি
গণতন্ত্রের নবযাত্রা
গণতন্ত্রের নবযাত্রা
গারো সমাজে পরিবর্তনের ধারা
গারো সমাজে পরিবর্তনের ধারা
জাকাতের গুরুত্ব ও আদায়ের খাত
জাকাতের গুরুত্ব ও আদায়ের খাত
কৃষিতে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও বাংলাদেশের কৃষি
কৃষিতে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও বাংলাদেশের কৃষি
ভরদুপুরে ছেলেখেলা
ভরদুপুরে ছেলেখেলা
সর্বশেষ খবর
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু
জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার
জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

২৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে ঈদের জামা
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে ঈদের জামা

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য
হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইফতারে কেন খাবেন বেলের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা
ইফতারে কেন খাবেন বেলের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা

৫২ মিনিট আগে | জীবন ধারা

কমলাপুর থেকে সময় মতো ছাড়ছে ট্রেন, যাত্রীদের ভীড়
কমলাপুর থেকে সময় মতো ছাড়ছে ট্রেন, যাত্রীদের ভীড়

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মিত্রদের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ বললেন ট্রাম্প
মিত্রদের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ বললেন ট্রাম্প

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যস্থল না করতে ইরানের প্রতি আহ্বান হামাসের
প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যস্থল না করতে ইরানের প্রতি আহ্বান হামাসের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রংপুরে দেড় বছরের সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা
রংপুরে দেড় বছরের সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পয়েন্ট হারাল ম্যানসিটি
পয়েন্ট হারাল ম্যানসিটি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ
ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুবিধাবঞ্চিতদের সেবায় তহবিল সংগ্রহে ‘হিউম্যানিটি ফার্স্ট’-এর ইফতার মাহফিল
সুবিধাবঞ্চিতদের সেবায় তহবিল সংগ্রহে ‘হিউম্যানিটি ফার্স্ট’-এর ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
ঢাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায়
সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায়

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর নাকচ করল ফ্রান্স
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর নাকচ করল ফ্রান্স

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালভার্দের জোড়া গোলে রিয়ালের দাপুটে জয়
ভালভার্দের জোড়া গোলে রিয়ালের দাপুটে জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়নি: আব্বাস আরাগচি
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়নি: আব্বাস আরাগচি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ হচ্ছে একুশে বইমেলা
শেষ হচ্ছে একুশে বইমেলা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৮২৬
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৮২৬

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির সময় এখনও আসেনি: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির সময় এখনও আসেনি: ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে আজ
উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে আজ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার
একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আহত মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য নিয়ে মুখ খুলল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
আহত মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য নিয়ে মুখ খুলল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের ভিডিও প্রকাশ : আমিরাতে গ্রেফতার এক বাংলাদেশিসহ ১০ জন
ক্ষেপণাস্ত্রের ভিডিও প্রকাশ : আমিরাতে গ্রেফতার এক বাংলাদেশিসহ ১০ জন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে ২৫০০ ‘স্থলসেনা’ পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র
ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে ২৫০০ ‘স্থলসেনা’ পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র কল্পনাও করেনি ইরান এভাবে পাল্টা আঘাত করে চমকে দেবে
যুক্তরাষ্ট্র কল্পনাও করেনি ইরান এভাবে পাল্টা আঘাত করে চমকে দেবে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি
আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা
ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার ১৫তম দিনে যা ঘটছে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার ১৫তম দিনে যা ঘটছে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অল্প দিনে যুদ্ধ শেষের প্রতিশ্রুতি, ট্রাম্প ১৪ দিন পরেও খুঁজছেন বের হওয়ার পথ
অল্প দিনে যুদ্ধ শেষের প্রতিশ্রুতি, ট্রাম্প ১৪ দিন পরেও খুঁজছেন বের হওয়ার পথ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা