শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

দেশনেত্রীর জন্য জাতির প্রার্থনা

আতিকুর রহমান রুমন
প্রিন্ট ভার্সন
দেশনেত্রীর জন্য জাতির প্রার্থনা

বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠনের ইতিহাসে জিয়া পরিবার এমন একটি নাম, যাদের ত্যাগ, অবদান ও নির্যাতন ভোগের বর্ণনা একই সূত্রে গাঁথা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক ও দেশের স্বাধীনতার রূপকার হিসেবে যে রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেছিলেন; তা দ্রুতই রূপ নেয় একটি সম্ভাবনাময় রাষ্ট্রের ভিত্তি গড়ার মহাকর্মযজ্ঞে। বাকশালের একদলীয় শাসন বাতিল করে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন। স্বাধীন গণমাধ্যমের শক্তি ফিরিয়ে দেন এবং কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, পররাষ্ট্রনীতি- প্রতিটি ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী সংস্কার চালান। তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদে আখ্যায়িত বাংলাদেশের অর্থনীতিকে তিনি উন্নয়নের সোপানে তোলেন; ফলে দেশিবিদেশি অনেক শক্তিই আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত সেই আতঙ্ক থেকেই ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তারা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

স্বামীর আকস্মিক শাহাদাতের পর বেগম খালেদা জিয়া যে অদমনীয় সাহস ও অনমনীয় দৃঢ়তা নিয়ে রাজনীতির ময়দানে এগিয়ে এসেছিলেন, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল। ১৯৯০ সালের গণ অভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ২০০৭-০৮ সালের অমানবিক কারাবাস- কোনো পরিস্থিতিই তাঁকে দমাতে পারেনি। গুলশানে বালুর ট্রাকে অবরুদ্ধ বাসভবন, ষড়যন্ত্র, বাধা, মিথ্যা মামলা- সবকিছু মাথা উঁচু করে মোকাবিলা করেছেন তিনি। সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনকাল- কেউই তাঁকে নত করতে পারেনি।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেখ হাসিনার গভীর ক্ষোভ কতটা তীব্র ছিল, তা নিম্নোক্ত বক্তব্যে স্পষ্ট :

২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর রাজধানী ঢাকার খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘জেলহত্যা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আওয়ামী লীগের সভায় শেখ হাসিনা বলেন, “খুনিদের নিয়ে এত মায়াকান্না কেন? জেনারেল জিয়া একজন খুনি। তার স্ত্রী (বেগম খালেদা জিয়া), ছেলেও (তারেক রহমান) তা-ই। তারা শত শত মানুষকে হত্যা করেছে। এতিমের টাকা আত্মসাৎ করার দায়ে দণ্ডিত হওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে এত মায়াকান্না কেন? চিকিৎসা নিয়ে এত কথা কেন?”

শেখ হাসিনার সরকারের আমলে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় তাঁর দীর্ঘ কারাবাস এবং অনেকের মতে, জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জনিং’ করা হয়েছিল। সঠিক চিকিৎসা না হওয়ার ফলে তিনি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হন। ধীরে ধীরে তাঁর দেহ ভেঙে পড়ে, পঙ্গুত্বের দিকে এগোতে থাকে। প্রায়ই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তাঁকে হাসপাতালে ছুটতে হয়। সর্বশেষ গত ২৩ নভেম্বর তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকরা তাঁর হার্ট ও ফুসফুসে সংক্রমণ শনাক্ত করেছেন। এখন তিনি জীবনমৃত্যুর এক গভীর সংকটজনক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

জিয়া পরিবারের দ্বিতীয় প্রজন্মও একই নৃশংসতার শিকার। তারেক রহমান, যিনি দলের পুনর্গঠন ও গণতন্ত্রের জন্য জনপ্রিয় নেতা হিসেবে উঠে দাঁড়িয়েছিলেন- ২০০৭ সালে রাতের অন্ধকারে আটক হয়ে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হন। রিমান্ডের নামে ইলেকট্রিক শক, শারীরিক নির্যাতন, শতাধিক মিথ্যা মামলা- সব মিলিয়ে তাঁকে পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থাকা সত্ত্বেও তাঁর ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর ওপরও রাজনৈতিক প্রতিশোধ চালানো হয়। মায়ের কারাবাস, বড় ভাইয়ের ওপর নির্যাতন এবং দেশহীন জীবনের দুঃখে কোকো ২০১৫ সালে মালয়েশিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন। নিজের দেশের মাটিতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগের অধিকারও পাননি। শুধু দুই ভাই নয়, জিয়া পরিবারের নারী সদস্যরাও দীর্ঘদিন কষ্টময় প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। এক-এগারোর সরকার এবং ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসন এই পরিবারের ব্যক্তিজীবনকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে।

এত অন্যায়-অবিচারের পরও বেগম জিয়া দেশ ছেড়ে যাননি। পালালে হয়তো আজকের বাংলাদেশ অন্যরকম হতো। এক-এগারোর কঠিন সময়ে যদি তিনি দেশত্যাগ করতেন, দেশ দীর্ঘদিন বিদেশি প্রভাবের অধীনে বন্দি থাকত। তিনি থেকেছেন, লড়েছেন, ত্যাগ করেছেন, কিন্তু মাথা নত করেননি। তাঁর দুই ছেলেকে দেশছাড়া হতে হলেও তিনি নিজের অবস্থান ছাড়েননি।

বর্তমানে বেগম খালেদা জিয়া যখন জীবনের কঠিন সংকট মুহূর্তে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছেন, তখন তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমানও অসহায়। দেশে ছুটে আনতে না পেরে সন্তানের হৃদয় যেমন ব্যথায় ভারী, তেমনি একজন জাতীয় নেতার দায়িত্ববোধ তাঁকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে। তিনি নিজেই জানিয়েছেন- দেশে তাঁর ফেরাটা শুধু আবেগের বিষয় নয়; এটি একটি রাষ্ট্রিক সিদ্ধান্ত। দেশে চলমান অনিরাপদ পরিবেশ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, ষড়যন্ত্রের জাল এবং আন্তর্জাতিক শক্তির অস্বচ্ছ আচরণ- সব মিলিয়ে তাঁর দেশে ফেরার পথ এখনো নিরাপদ নয়। হঠাৎ আবেগে দেশে গেলে গণতন্ত্রের সংগ্রাম আরও বড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তাই তিনি অপেক্ষা করছেন- যে মুহূর্তে উপলব্ধি করবেন যে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, দলের নেতৃত্ব ও দেশের ভবিষ্যৎ বিঘ্নিত হবে না- সেই সময়ে দেশে ফিরবেন।

আন্তর্জাতিক ও দেশীয় কুচক্রী মহল তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালালেও বাস্তবতা হলো- তিনি পালিয়ে যাননি, দায়িত্ব থেকে সরে যাননি। বরং দেশের স্বার্থ, রাজনৈতিক স্থিতি এবং গণতন্ত্রের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অত্যন্ত পরিণত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। বিএনপির কয়েকজন নেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন- জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর, পরিস্থিতি যেমনই হোক, তিনি দেশে ফিরবেন এবং দলের নেতৃত্ব দেবেন।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহভাবে অবনতি হয়েছে।

৩০ নভেম্বর একাত্তর টিভির খবর :- ‘খুলনা আদালত চত্বরে প্রকাশ্যে দুইজনকে গুলি করে হত্যা’;

১৭ নভেম্বর প্রায় সব জাতীয় দৈনিকের শিরোনাম :- ‘মিরপুরে দোকানে ঢুকে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা’;

১৫ জুলাই ২০২৫ বাংলাদেশ টুডে-র শিরোনাম :- ‘১০ মাসে ৩৫৫৪ খুন, ৪১০৫ ধর্ষণ, ৮১৯ অপহরণ’; ১৫ অক্টোবর ২০২৫ সময় টিভির খবর :- ‘আট মাসে প্রতিদিন গড়ে ১১ জনকে হত্যা’ এমন অসংখ্য শিরোনামে গণমাধ্যম ভরে যাচ্ছে। রাজনৈতিক সহিংসতা, খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, অপহরণ- সবকিছুই এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে একজন জাতীয় নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব।

তার ওপর আছে দলের অভ্যন্তরের কিছু সন্দেহজনক চরিত্র- যাদের বক্তব্য, আচরণ ও অবস্থান জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করে। এই ঘরের শত্রু ‘বিভীষণ’রাই তারেক রহমানের জন্য বড় হুমকি। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর দেশে আসা শুধু ঝুঁকিপূর্ণ নয়- অতিমাত্রায় বিপজ্জনক।

এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তাঁরা এখন শুধু একটি পরিবারের সদস্য নন- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের দুটি স্তম্ভ। তারেক রহমান বেঁচে থাকলে শহীদ জিয়ার স্বপ্নের বিএনপি বাঁচবে; আর তাঁর কিছু হলে শুধু বিএনপিই নয়, দেশের গণতন্ত্রও চরম অনিশ্চয়তায় পড়বে। বেগম খালেদা জিয়া প্রমাণ করেছেন- তিনি শুধু এক মায়ের নাম নন; তিনি পুরো জাতির অভিভাবক। দেশের ১৮ কোটি মানুষের দায়িত্ব এখন তাঁর পাশে থাকা, প্রার্থনা করা এবং তারেক রহমানকে সময় দেওয়া- যেন তিনি নিরাপদে, সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় শক্তি নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন।

বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সংগ্রামী রাজনীতির এক অনমনীয় প্রতীক বেগম খালেদা জিয়া আজ জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে নিঃশব্দে লড়ে যাচ্ছেন এভারকেয়ার হাসপাতালের সাদা দেয়ালের মাঝে। ২৩ নভেম্বর রাত থেকে তাঁর শয্যার পাশে শুধু যন্ত্রের শব্দ, আর হাসপাতালের বাইরে অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা অগণিত মানুষের মুখে অনিশ্চয়তার ছায়া। যেন পুরো জাতির নিশ্বাস আটকে আছে- একটা খবরের অপেক্ষায়, একটা আশার আলোয় ভর করে।

গ্রামের মসজিদের মাইক থেকে শহরের ব্যস্ত মোড়ে দাঁড়ানো মানুষ- সবাই এক সুরে দোয়া করছেন, তাঁর সুস্থতার জন্য রোজা রাখছেন, হাত তুলছেন আকাশের দিকে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও উপদেষ্টাগণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ জনগণ- সবার কণ্ঠে একই প্রার্থনা :- বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে ফিরে আসুন আমাদের মাঝে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর মাকে নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সবার সহমর্মিতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এই দৃশ্যটি সত্যিই অভূতপূর্ব- রাজনীতির বিবাদ ভুলে আজ সবাই এক প্রার্থনায় একত্র হয়েছেন।

যে মহীয়সী নারী দেশকে অন্ধকার থেকে আলো দেখিয়েছেন, কখনো দেশের মানুষকে ছেড়ে যাননি; দুঃসময়ে সাহস দিয়েছেন কোটি মানুষকে। সেই জননন্দিত নারীই আজ শুয়ে আছেন জীবনের সীমানায়। তাই প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি হৃদয়ে নেমে এসেছে নীরব স্রোতের মতো উদ্বেগ আর অশ্রুভেজা অপেক্ষা। কেউ নীরবে চোখের পানি মুছছেন, কেউ নিচু স্বরে দোয়া পড়ছেন। কোথাও কোনো স্লোগান নেই, কোনো দলীয় উত্তেজনা নেই- আছে শুধু এক মমতাময়ী নেত্রীর প্রতি অটল ভালোবাসা ও মানবিক আর্তির প্রতিধ্বনি।

আজ রাজনীতি ভুলে মানুষ একত্র হয়েছে- শুধু একজন মায়ের সুস্থতা কামনায়। কারণ বেগম খালেদা জিয়া কোনো সাধারণ রাজনীতিকের নাম নয়- তিনি একটি ইতিহাস, একটি অনুভূতি, একটি সংগ্রামী জাতির দীর্ঘ অভিযাত্রার প্রতীক। তাঁর সুস্থতা তাই শুধু একটি পরিবারের নয়- গোটা জাতির গভীর আকাঙ্ক্ষা। এই দোয়ার মুহূর্তগুলো প্রমাণ করে, মানুষের ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় শক্তি।

আর সেই ভালোবাসাই হয়তো আবার টেনে আনবে প্রিয় নেত্রীকে জীবনের আলোয়, ফিরিয়ে দেবে স্বস্তির নিশ্বাস, ফিরিয়ে দেবে আশার দীপ্ত আলো। সবার কণ্ঠে আজ একটাই মিনতি- ‘বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে ফিরে আসুন, আল্লাহ তাঁকে সুস্থতা দান করুন।’

দেশের প্রতি জিয়া পরিবারের অসামান্য ত্যাগ ও দায়িত্ববোধ, জনগণ আজ যেমন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে, ভবিষ্যতেও সেই শ্রদ্ধা ও স্বীকৃতি তারা জিয়া পরিবারকে প্রদান করবেন- এটাই সবার গভীর বিশ্বাস।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক, আহ্বায়ক, আমরা বিএনপি পরিবার ও সদস্য, বিএনপি মিডিয়া সেল

এই বিভাগের আরও খবর
অমর বাণী
অমর বাণী
কাঁদাল সাজিদ
কাঁদাল সাজিদ
জাতীয় নির্বাচন
জাতীয় নির্বাচন
যেদিন শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে
যেদিন শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে
মাছ চাষে সাফল্য
মাছ চাষে সাফল্য
একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না
একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
নারী-শিশু নিখোঁজ
নারী-শিশু নিখোঁজ
অভিবাসীদের অপমান
অভিবাসীদের অপমান
রিকশাচালকদের উদ্দেশে খুতবা
রিকশাচালকদের উদ্দেশে খুতবা
নির্বাচন : জাতির সামনে অগ্নিপরীক্ষা
নির্বাচন : জাতির সামনে অগ্নিপরীক্ষা
জনশক্তি রপ্তানি
জনশক্তি রপ্তানি
সর্বশেষ খবর
সংস্কৃতি মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে : কাদের গনি চৌধুরী
সংস্কৃতি মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে : কাদের গনি চৌধুরী

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

মেগা প্রকল্প নয়, মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে দৃষ্টি দিতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
মেগা প্রকল্প নয়, মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে দৃষ্টি দিতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত, আহত ৮
সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত, আহত ৮

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মির্জা ফখরুলের জন্য ভোট চাইলেন মেয়ে মির্জা সাফারুহ
মির্জা ফখরুলের জন্য ভোট চাইলেন মেয়ে মির্জা সাফারুহ

৪২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

কুয়াশায় ঢাকা লালমনিরহাটে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ
কুয়াশায় ঢাকা লালমনিরহাটে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাদির উপর হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে বিএনপির বিক্ষোভ
হাদির উপর হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে বিএনপির বিক্ষোভ

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোল বিতর্কে রূপগঞ্জে সংঘর্ষ, আহত ৫
গোল বিতর্কে রূপগঞ্জে সংঘর্ষ, আহত ৫

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম

৫৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

হাদিকে গুলি করে হিন্দুস্তানি আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন হবে না: রাশেদ প্রধান
হাদিকে গুলি করে হিন্দুস্তানি আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন হবে না: রাশেদ প্রধান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
গাজীপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ওসমান হাদির বাড়িতে চুরি, ঝালকাঠিতে বিক্ষোভ-অবরোধ
ওসমান হাদির বাড়িতে চুরি, ঝালকাঠিতে বিক্ষোভ-অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গজারিয়ায় সড়কে লাশ
গজারিয়ায় সড়কে লাশ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে নিখোঁজের পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে নিখোঁজের পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সারাদেশে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৫০৬
সারাদেশে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৫০৬

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চারদিকে লাখো হাদি, তারা ভয় পায় না, আমিও না: প্রেস সচিব
চারদিকে লাখো হাদি, তারা ভয় পায় না, আমিও না: প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রুহুল কবীর রিজভীর দুঃখ প্রকাশ
রুহুল কবীর রিজভীর দুঃখ প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিবিদ্ধের ঘটনায় গ্রেফতার ৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিবিদ্ধের ঘটনায় গ্রেফতার ৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: তৃপ্তি
অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: তৃপ্তি

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খুলনায় অস্ত্র তৈরির গোপন কারখানা, আটক ৩
খুলনায় অস্ত্র তৈরির গোপন কারখানা, আটক ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাদির ঘটনায় সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ : ইশরাক
হাদির ঘটনায় সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ : ইশরাক

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি
হাদির ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠানে ভিডিও ধারণ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০
গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠানে ভিডিও ধারণ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত, অন্ধকারে ১০ লাখ ঘর
রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত, অন্ধকারে ১০ লাখ ঘর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জাপুরে দুই আ.লীগ নেতা গ্রেফতার
মির্জাপুরে দুই আ.লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শিল্পের টেকসই প্রযুক্তি নিয়ে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী আই-ইইই সম্মেলন
শিল্পের টেকসই প্রযুক্তি নিয়ে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী আই-ইইই সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডিএমপি কমিশনারে নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে
ডিএমপি কমিশনারে নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৫ ফুট উচ্চতার সুড়ঙ্গ খুঁড়ে বেলারুশ থেকে পোল্যান্ডে ঢুকল ১৮০ অভিবাসী
৫ ফুট উচ্চতার সুড়ঙ্গ খুঁড়ে বেলারুশ থেকে পোল্যান্ডে ঢুকল ১৮০ অভিবাসী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদির ওপর হামলাকারীর শিকড় উপড়ে ফেলা হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল
হাদির ওপর হামলাকারীর শিকড় উপড়ে ফেলা হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী
৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান
হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান
চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি
হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে
বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হাদিকে গুলি : আসামি শনাক্তের বিষয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার
হাদিকে গুলি : আসামি শনাক্তের বিষয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান
বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে বর্তমানে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে: মেডিকেল বোর্ড
হাদিকে বর্তমানে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে: মেডিকেল বোর্ড

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি
হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাদির পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিতের আশ্বাস
হাদির পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিতের আশ্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা জানাল ইনকিলাব মঞ্চ
হাদির স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা জানাল ইনকিলাব মঞ্চ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এশিয়া কাপে শুভ সূচনা করতে বাংলাদেশর দরকার ২৮৪ রান
এশিয়া কাপে শুভ সূচনা করতে বাংলাদেশর দরকার ২৮৪ রান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে
প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুদ্ধকে নতুন মাত্রা দিয়েছে ইরানের তৈরি যে ভয়ানক ড্রোন
যুদ্ধকে নতুন মাত্রা দিয়েছে ইরানের তৈরি যে ভয়ানক ড্রোন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল
খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আফগানদের হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে শুভ সূচনা বাংলাদেশের
আফগানদের হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে শুভ সূচনা বাংলাদেশের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু’ অবিলম্বে চালু, এমপি প্রার্থীরা পাবেন অস্ত্রের লাইসেন্স
‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু’ অবিলম্বে চালু, এমপি প্রার্থীরা পাবেন অস্ত্রের লাইসেন্স

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা
হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে মারধর করায় ছেলেকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রাখলো এলাকাবাসী
মাকে মারধর করায় ছেলেকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রাখলো এলাকাবাসী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এই হামলা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত : প্রধান উপদেষ্টা
এই হামলা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত : প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দুর্নীতির অভিযোগে ভারতে চার ক্রিকেটার নিষিদ্ধ
দুর্নীতির অভিযোগে ভারতে চার ক্রিকেটার নিষিদ্ধ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যমুনার পথে বিএনপির দুই নেতা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যমুনার পথে বিএনপির দুই নেতা

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রুহুল কবীর রিজভীর দুঃখ প্রকাশ
রুহুল কবীর রিজভীর দুঃখ প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাংলাদেশসহ চার দেশে ভ্রমণ সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশসহ চার দেশে ভ্রমণ সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিবালয়ে ভাতা চালুর আন্দোলনে গ্রেফতার ১৪ জন রিমান্ডে
সচিবালয়ে ভাতা চালুর আন্দোলনে গ্রেফতার ১৪ জন রিমান্ডে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির হামলাকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
হাদির হামলাকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি'
'আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি'

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইমরান খানের পক্ষে যে আকুতি জানালেন সাবেক স্ত্রী জেমিমা
ইমরান খানের পক্ষে যে আকুতি জানালেন সাবেক স্ত্রী জেমিমা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি

প্রথম পৃষ্ঠা

৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!
৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম
ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান
২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব
কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের

প্রথম পৃষ্ঠা

বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!
টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!

মাঠে ময়দানে

যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত
যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের
কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের

পেছনের পৃষ্ঠা

একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না
একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না

সম্পাদকীয়

দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি
দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি

শোবিজ

হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের
হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের

মাঠে ময়দানে

দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি
দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি

নগর জীবন

লাস্ট সিকোয়েন্স
লাস্ট সিকোয়েন্স

শোবিজ

দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ

প্রথম পৃষ্ঠা

সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু
আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু

নগর জীবন

রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা
সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা
ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা

মাঠে ময়দানে

জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড
জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি
যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি

পূর্ব-পশ্চিম

ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা