শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভারসাম্যহীনতা ডেকে আনে বিপর্যয়

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
ভারসাম্যহীনতা ডেকে আনে বিপর্যয়

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে; কথায় ও কাজে ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। ভারসাম্য হারালে বিপর্যয় অনিবার্য। সমাজ ও রাজনীতির বহু ক্ষেত্রে আমরা ভারসাম্য হারিয়েছি অনেক আগেই। দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি চেয়ারপারসন সর্বজন শ্রদ্ধেয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালের বিছানায় জীবন ও মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন। তাঁর জীবন নিয়ে গোটা জাতি উদ্বিগ্ন-উৎকণ্ঠিত। এই সময়েও আমাদেরই সমাজ ও রাজনীতির সঙ্গে থাকা কিছু মানুষ কথায় ও চিন্তায় কতটা ভারসাম্যহীন হতে পারে, তার প্রমাণ রেখে যাচ্ছেন সামাজিক মাধ্যমে। এরকম সংকটকালেও কেউ পরিহাস করতে পারে, বাজে মন্তব্য করতে পারে এমনটি চিন্তাও করা যায় না। কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক সমাজের ভিতরেই আছে এমন অনেকে, যারা স্থান, কাল ও পাত্রের প্রভেদ ভুলে যাচ্ছেতাই বলতে ও লিখতে পারেন। তাদের জন্য করুণা হয়। এদের পিতামাতা বা শিক্ষক, গুরুজন কেউ কোনো দিন হয়তো কোনো সুশিক্ষা দেয়নি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আমরা ভেবেছিলাম, দুঃসময় পেছনে ফেলে বুঝিবা নতুন সূর্যোদয় হলো! মনে পড়ে; সেই দিনটি ছিল সোমবার; রৌদ্রকরোজ্জ্বল। সোমবার মধ্যাহ্নে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে গেল নৈরাজ্য! যারা রাজপথে ছিলেন তাদের অনেকের সঙ্গে এসে যোগ দিল, এত দিন যারা ছিলেন ঘরের কোণে; তারাও। শুরু হলো লুটপাট, ভাঙচুর। গণভবন থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত জ্বলতে দেখলাম প্রতিহিংসার আগুন। একদল মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়ল নির্বাক ভাস্কর্যগুলোর ওপর। ধুলায় লুটিয়ে পড়ল বহু ঐতিহ্যের স্মারক। কার সাধ্য তাদের থামায়! দেশে তখন কোনো সরকারও ছিল না। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের; বিশেষ করে মাঠপর্যায়ের বেশির ভাগই ছিলেন পলায়নপর। আক্রমণের শিকার হলো থানাগুলো। কোমলমতি ছেলেমেয়েদের উসকে দেওয়া হলো তাদেরই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। শিক্ষাগুরুর গলায় ঝোলানো হলো জুতোর মালা। জুতোর মালা পরানো হলো মুক্তিযোদ্ধার গলায়। তিন দিন পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশে এলেন প্রধান উপদেষ্টার পদে বৃত হবেন বলে। শাহজালাল বিমানবন্দরে নেমে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে কিছু কথা বললেন, যা শুনে শান্তি ও গণতন্ত্রকামী মানুষের মনপ্রাণ ভরে গেল। আকাশি নীল রঙের গ্রামীণ চেকের পাঞ্জাবির ওপর অফ হোয়াইট ওয়াচ কোট পরা আমাদের নতুন কান্ডারি শোনালেন নতুন আশার কথা, শোনালেন শান্তি ও গণতন্ত্রের বাণী। তাঁর উচ্চারিত প্রতিটি শব্দ ছিল সংযত, শান্ত কিন্তু দৃঢ়, নির্মোহ- প্রতিহিংসার লেশমাত্র ছিল না। প্রতিটি কথা যেন তিনি বলছিলেন নিক্তি মেপে- ভারসাম্যপূর্ণ। এমন নিরাসক্ত কথা বা বক্তৃতা- যাই বলি না কেন; বাংলাদেশের মানুষ বহুদিন শোনেনি। সেই কোটেবল কথামালার জন্য সামাজিক মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা সেদিন প্রশংসায় ভেসেছিলেন।

৮ আগস্ট বিমানবন্দরে নেমে তিনি কী কী বলেছিলেন, এক্ষণে তার খানিকটা মনে করার চেষ্টা করছি। তিনি আন্দোলনকারী ছাত্রদের প্রশংসা করেছিলেন। বলেছিলেন আমরা কেউ কারও শত্রু নই, একসঙ্গে থাকব। বলেছিলেন, এটা দি¦তীয় স্বাধীনতা। দ্বিতীয় স্বাধীনতা টার্মটি মনে হয় তিনিই চালু করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আইন হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর করা যাবে না। তিনি এমনও বলেছিলেন, আমার কথা আপনারা শুনবেন। যদি না শোনেন, তাহলে বলেন, আমি নিজের কাজে ফিরে যাব। ড. ইউনূসের কথা রাজনৈতিক কর্মীরা কতটা শুনেছেন বা শোনেননি, তা ইতিহাসের পাতায় লেখা রয়েছে। তবে ড. ইউনূস যেহেতু চলে যাননি, সেহেতু আমরা ধরেই নিতে পারি যে তাঁর কথা লোকে শুনেছেন এবং তাতে তিনি তুষ্ট।

অধ্যাদেশ জারি করে কোনো টেকসই সংস্কার যে সম্ভব নয়, তা বুঝবার জন্য খুব বেশি জ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন হয় না! ইতোমধ্যে এটা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে ধামাচাপা দিয়ে, জনসাধারণকে নয়ছয় বুঝিয়ে কালক্ষেপণের ফলে সমস্যা কেবল বেড়েছে। কমেনি। একটা থেকে আরেকটা সমস্যা তৈরি হয়েছে

ভারসাম্যহীনতা ডেকে আনে বিপর্যয়কিন্তু ইন্টেরিম সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৫ মাসে দেশে যা কিছু ঘটেছে তাতে সংযম, সহনশীলতা ও ভারসাম্যের অংশভাগ অতি সামান্য। ভারসাম্যের অভাব কেবল সরকারের কাজকর্মে নয়, এই রোগ ছড়িয়ে পড়েছে রাজনীতি ও সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। সংস্কারের নামে যে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে, তাতে পরিস্থিতি হয়েছে আরও জটিল। জটিলতার ভার বহন করাও অনেক ক্ষেত্রে কঠিন হয়ে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদের বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য। গত সোমবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে একনেক সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশের মাধ্যমে অনেক বড় বড় সংস্কার করছে, যেগুলোর পুরো ইমপ্লিকেশন সবাই এখনো পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারছে না। অনেক দিন ধরেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সংস্কার কমিটি ছিল। সেসব প্রস্তাব আমরা এগিয়ে দিয়েছি। কিন্তু আমার নিজের ধারণা, আমরা হয়তো অনেক বেশি, কিছুটা উচ্চাভিলাষী সংস্কার করে ফেলেছি, যা নির্বাচিত সরকারের পক্ষে হজম করা বা সহ্য করা কঠিন হতে পারে।’ ইন্টিরিমের ভরসাম্যহীন কাজের বিষয়ে এর চেয়ে স্পষ্ট সাক্ষ্য আর কী হতে পারে! সরকারের একজন বর্ষীয়ান ও বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা হয়ে এর চেয়ে খোলাসা করে বলার দরকারও পড়ে না। যা কিছু অপ্রয়োজনীয়, যা কিছু অতিরিক্ত তা-ই ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে। এক ডজন সংস্কার কমিশন গঠন থেকে শুরু করে এসব কমিশনের রিপোর্ট এবং শেষে ৬টি কমিশন রেখে বাকিগুলোর কথা চেপে যাওয়া সরকারের ভারসাম্যহীনতারই প্রমাণ বহন করে। অন্যদিকে একশ্রেণির রাজনৈতিক নেতার অসার বাণী-বচন শুনে শুনে আমাদের কান ঝালাপালা হওয়ার উপক্রম। যে দলের প্রতীকের মধ্যে সামাজিক ন্যায় ও ভারসাম্যের প্রতিশ্রুতি রয়েছে, সেই দলের নেতা-কর্মীদেরও কেউ কেউ প্রকাশ্যে এমন সব কথা বলে চলেছেন, যেগুলোর মধ্যে মিজানের লেশমাত্র নেই। মিজান অর্থ নিক্তি বা পরিমিতি।

বিশ্বপ্রকৃতির শৃঙ্খলার মূলে রয়েছে ভারসাম্য। আল্লাহতায়ালা সুরা আর রাহমানে ইরশাদ করেন, ‘সূর্য ও চন্দ্র নিজ নিজ কক্ষপথে ঘূর্ণয়মান। তিনি আকাশকে করেছেন সুউচ্চ এবং প্রতিষ্ঠা করেছেন ভারসাম্য। এই সুরায় আল্লাহ ভারসাম্য রক্ষা করার তাগিদ দিয়েছেন। সেই ভারসাম্যের দাবি যখন লঙ্ঘিত হয় তখন বিপদ ধেয়ে আসে নানা দিক থেকে। সভ্যতার ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে, নানা সময়ে যত বিপদ-বিপর্যয় হানা দিয়েছে, তার কোনোটিই বিনা কারণে হয়নি। প্রতিটি জটিল পরিস্থিতির মূলে ছিল কোনো না কোনো মহলের বাড়াবাড়ি। পরিমিতির সীমা যখনই লঙ্ঘন করা হয়েছে তখনই উল্টো দিক থেকে বিপদ এসে সভ্যতার টুঁটি চেপে ধরেছে। ল অব ন্যাচরাল রিটার্নের হাত থেকে সীমালঙ্ঘনকারীদের কেউই কখনই বাঁচতে পারেনি। অ্যাডলফ হিটলার সীমালঙ্ঘন না করলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিপর্যয় এসে পৃথিবীটাকে তচনচ করে দিত না। সীমালঙ্ঘন করেছিলেন হিটলার-মুসোলিনি। কিন্তু তার ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হয়েছিল বিশ্বমানবকে।

স্মরণযোগ্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) শেষ হয় মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে। যুদ্ধের পরপরই ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকার বিশাল অংশজুড়ে দেখা দেয় এক গভীর মানবিক সংকট, যা কেবল অর্থনৈতিক দুরবস্থাই নয়, বরং মানুষের মৌলিক অস্তিত্ব ও মর্যাদাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছিল।

বাস্তুচ্যুত মানুষের ঢল ছিল যুদ্ধোত্তর কালের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ যুদ্ধের কারণে দেশহারা, গৃহহারা বা উদ্বাস্তু হয়ে পড়েছিল। যুদ্ধবন্দি, বেঁচে ফেরা মানুষ, নাৎসি শাসন থেকে পালানো শরণার্থীসহ বিপন্ন নারী-পুরুষ আশ্রয়ের খুঁজে ছড়িয়ে পড়ে দুনিয়ার নানা প্রান্তে।

খাদ্য ও চিকিৎসার অভাব ছিল ভয়াবহ। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোতে কৃষি উৎপাদন ধ্বংস হয়ে যায়, খাদ্য মজুত ফুরিয়ে যায়, রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে পোল্যান্ড, জার্মানি, জাপান ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বহু অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ ও অপুষ্টি মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে।

শিশু ও নারী ছিল এই সংকটের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অংশ। লাখ লাখ এতিম শিশুর আশ্রয়, শিক্ষা ও মানসিক পুনর্বাসন ছিল এক বিশাল মানবিক দায়িত্ব। বিপন্ন হয়ে পড়েছিল বহু নারীর জীবন।

নৈতিক ও মানসিক ট্রমা যুদ্ধোত্তর মানবিক সংকটের আরেকটি গভীর দিক। গণহত্যা, বোমাবর্ষণ, কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের ভয়াবহতা ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নতা মানুষের মনে তৈরি করেছিল দীর্ঘস্থায়ী ও গভীর ক্ষত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিণতিতে যে বিষবৃক্ষটির জন্ম হয়েছিল, সেটা হলো আরব জাহানের নাকের ডগায় ইসরায়েল নামের দেশ। ইসরায়েল নামের অভিশপ্ত রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকে অশান্তির আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য ।

এমনই আরও অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে দূর অতীত এবং নিকট ইতিহাসের পাতায়।

দৈশিক-রাজনৈতিক পরিমণ্ডলেও এমন বিপর্যয়ের দৃষ্টান্তের অভাব নেই। ১৯৭৫ ও ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের পরিণতির মূলেও তো ছিল পরিমিতিবোধের অভাব! ৫ আগস্টের পরিবর্তনের পর আমাদের সমাজ ও রাজনীতির ভিতরে ভারসাম্যের সংকট অতটা তীব্র হয়ে দেখা দেবে তা ছিল কল্পনাতীত। কিন্তু সেটাই হয়েছে। আর এই সংকটের জন্য আমরা কাকে দায়ী করব? এজন্য মিলিতভাবে সবাই হয়তো দায়ী; কম কিংবা বেশি। তবে সবচেয়ে বেশি দায় বর্তায় ইন্টেরিমের কাঁধে। প্রশাসন যদি ঠিকমতো কাজ করত, যারা আইন হাতে তুলে নিয়েছিল তাদের সরকার কেন প্রথম প্রহরেই থামিয়ে দিতে পারল না! কে সে পথে বাদ সেধেছিল? চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে, লুটপাট ও ভাঙচুরের বিরুদ্ধে শুরুতেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে সীমালঙ্ঘনকারীরা অতটা বাড় বাড়তে পারত না। কিন্তু সরকার মাসের পর মাস ব্যস্ত থেকেছে কম সংস্কার না বেশি সংস্কার করবে- এই প্রশ্ন নিয়ে। দেশের আইনশৃঙ্খলা ও ইলেকশন নিয়ে সরকারের মাথাব্যথা ছিল না। মাথা ঘামিয়েছে সংস্কার নিয়ে। অথচ সংস্কারের দায়িত্ব ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়াই ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের কর্তব্য। অধ্যাদেশ জারি করে কোনো টেকসই সংস্কার যে সম্ভব নয়, তা বুঝবার জন্য খুব বেশি জ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন হয় না! ইতোমধ্যে এটা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে ধামাচাপা দিয়ে, জনসাধারণকে নয়ছয় বুঝিয়ে কালক্ষেপণের ফলে সমস্যা কেবল বেড়েছে। কমেনি। একটা থেকে আরেকটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের টাইম ফ্রেম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আশা করা যায় শিগগিরই তফসিল ঘোষণা হবে। তবু নির্বাচন প্রশ্নে অনিশ্চয়তার ঘোর কাটছে না। জামায়াতে ইসলামী ও তার মিত্ররা এখনো বলছে জাতীয় নির্বাচনের আগেই জুলাই সনদ প্রশ্নে গণভোট করতে হবে। অথচ দুয়ারে কড়া নাড়ছে ফেব্রুয়ারির ইলেকশন। এসব জটিলতার কারণ একটাই; পরিমিতির অভাব। হাতে সময় যদিও অল্প, তবু রাশ টেনে ধরা হয়তো অসম্ভব নয়।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন আজ সংকটাপন্ন। জাতি উদ্বিগ্ন। কায়মনোবাক্যে মোনাজাত করি আল্লাহ তাঁকে নেক হায়াত দান করুন। জনগণের নেত্রী ফিরে আসুন জনগণের মাঝে। আমিন

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
বাণী
বাণী
মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম
মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম
চট্টগ্রামে জাহাজজট
চট্টগ্রামে জাহাজজট
রাজস্ব আদায়ে ধস
রাজস্ব আদায়ে ধস
নজরুল র‌্যালি ও জিয়াউর রহমান
নজরুল র‌্যালি ও জিয়াউর রহমান
মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা
মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা
কালোয় ঘেরা ধবল প্রান্তর
কালোয় ঘেরা ধবল প্রান্তর
বাণী
বাণী
অন্যের সুখে সুখী হওয়া
অন্যের সুখে সুখী হওয়া
অরক্ষিত সুন্দরবন
অরক্ষিত সুন্দরবন
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
ক্ষণজন্মা শহীদ জিয়া, আদর্শের রূপকার
ক্ষণজন্মা শহীদ জিয়া, আদর্শের রূপকার
সর্বশেষ খবর
ঢাকায় রেল পরিচালকের আকস্মিক মৃত্যু
ঢাকায় রেল পরিচালকের আকস্মিক মৃত্যু

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক জসিমের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক জসিমের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শহীদ আসাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে ছাত্রদলের শ্রদ্ধা
শহীদ আসাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে ছাত্রদলের শ্রদ্ধা

১৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

সিঙ্গাপুরে বন্ধুত্বের নতুন চিত্র : প্রতি ১০ জনে একজনের নেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু
সিঙ্গাপুরে বন্ধুত্বের নতুন চিত্র : প্রতি ১০ জনে একজনের নেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, কর্ণাটকে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত
নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, কর্ণাটকে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চানখারপুলে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায়ের তারিখ পেছাল
চানখারপুলে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায়ের তারিখ পেছাল

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

মানিকগঞ্জে ভ্যাকসিনের অভাবে আতঙ্কিত রোগীরা
মানিকগঞ্জে ভ্যাকসিনের অভাবে আতঙ্কিত রোগীরা

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামালগঞ্জে এতিম শিশুদের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
জামালগঞ্জে এতিম শিশুদের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

৫৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে জরুরি ১৪ নির্দেশনা
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে জরুরি ১৪ নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোপালগঞ্জ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালিত
গোপালগঞ্জ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন
উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন
সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর
ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্চে শুরু হচ্ছে কাতার ফুটবল উৎসব
মার্চে শুরু হচ্ছে কাতার ফুটবল উৎসব

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোপালগঞ্জে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার
গোপালগঞ্জে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ৪০০ ঘর
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ৪০০ ঘর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলসহ দুই যুবক আটক
যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলসহ দুই যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গণতন্ত্রের স্বার্থে ভোট শতভাগ সুষ্ঠু হবে : জামায়াত আমির
গণতন্ত্রের স্বার্থে ভোট শতভাগ সুষ্ঠু হবে : জামায়াত আমির

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক
উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফের বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম, আজ থেকে কার্যকর
ফের বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম, আজ থেকে কার্যকর

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন হাজারো মানুষ, স্কুল বন্ধ ঘোষণা
কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন হাজারো মানুষ, স্কুল বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মাইজদীতে সন্ত্রাসী হামলায় নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম
মাইজদীতে সন্ত্রাসী হামলায় নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাপার সভাপতি তালুকদার, সম্পাদক আলমগীর কবির
বাপার সভাপতি তালুকদার, সম্পাদক আলমগীর কবির

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নারায়ণগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শীতবস্ত্র বিতরণ
নারায়ণগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শীতবস্ত্র বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘নবাগত লোক এসে কত কথাই না বলে’
‘নবাগত লোক এসে কত কথাই না বলে’

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলালিংক অ্যাপকোয়েস্ট অ্যাপলিংক হ্যাকাথনের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বাংলালিংক অ্যাপকোয়েস্ট অ্যাপলিংক হ্যাকাথনের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

সর্বাধিক পঠিত
বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর’ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন রুমিন ফারহানা
ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর’ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন রুমিন ফারহানা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

'আমি স্ত্রীকে হত্যা করেছি, তবে আমি খুনি নই'
'আমি স্ত্রীকে হত্যা করেছি, তবে আমি খুনি নই'

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল দুই দেশ
ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল দুই দেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, দুদকের জালে জাতীয় পার্টির রাঙ্গা
পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, দুদকের জালে জাতীয় পার্টির রাঙ্গা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শীত কমবে নাকি বাড়বে, সারাদেশে যেমন থাকবে আবহাওয়া
শীত কমবে নাকি বাড়বে, সারাদেশে যেমন থাকবে আবহাওয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাটকীয়ভাবে ইসরায়েল ছাড়ছে ইহুদিরা
নাটকীয়ভাবে ইসরায়েল ছাড়ছে ইহুদিরা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসির সামনে থেকে যাবো না: ছাত্রদল সভাপতি
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসির সামনে থেকে যাবো না: ছাত্রদল সভাপতি

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন: গাজী আতাউর রহমান
মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন: গাজী আতাউর রহমান

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?
স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল পরিকল্পনায় যে কারণে মহাখুশি রাশিয়া
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল পরিকল্পনায় যে কারণে মহাখুশি রাশিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানের মহা-উপকার করেছে ভারত, অস্ত্র ব্যবসা রমরমা!
পাকিস্তানের মহা-উপকার করেছে ভারত, অস্ত্র ব্যবসা রমরমা!

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২ আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ঘোষণা
১২ আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ঘোষণা

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে যে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তান
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে যে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তান

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ থেকে সরে যাবে না পাকিস্তান
বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ থেকে সরে যাবে না পাকিস্তান

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার কানাডা নিয়ে চিন্তায় ট্রাম্প
এবার কানাডা নিয়ে চিন্তায় ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত
শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘জনপ্রিয় হয়ে গেছি’, বিসিবিকে নাজমুল
‘জনপ্রিয় হয়ে গেছি’, বিসিবিকে নাজমুল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ
এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু
গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে : চীনা রাষ্ট্রদূত
শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ‘ট্রেড বাজুকা’ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ইউরোপ!
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ‘ট্রেড বাজুকা’ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ইউরোপ!

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে
স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তানের সমর্থনে কি ভারতকে চাপে ফেলতে পারবে বাংলাদেশ
পাকিস্তানের সমর্থনে কি ভারতকে চাপে ফেলতে পারবে বাংলাদেশ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লা-৩ আসনে কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল
কুমিল্লা-৩ আসনে কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড কার্যকর: মার্কিন দূতাবাস
২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড কার্যকর: মার্কিন দূতাবাস

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খেলা শেষে কাঁদলেন দিয়াজ
খেলা শেষে কাঁদলেন দিয়াজ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইরান অভিমুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি
ইরান অভিমুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি

প্রথম পৃষ্ঠা

ছদ্মবেশী কিলার ভবঘুরে সম্রাট
ছদ্মবেশী কিলার ভবঘুরে সম্রাট

প্রথম পৃষ্ঠা

গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক
গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদকের আখড়া প্যারিস রোডের ‘ভূতুড়ে মার্কেট’
মাদকের আখড়া প্যারিস রোডের ‘ভূতুড়ে মার্কেট’

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব কর্মকর্তা নিহত
চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব কর্মকর্তা নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আজ প্রত্যাহার কাল প্রতীক বরাদ্দ
আজ প্রত্যাহার কাল প্রতীক বরাদ্দ

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ
এখনো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুলের রাজ্যে রঙের উৎসব
ফুলের রাজ্যে রঙের উৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরে দেশের পোশাকশিল্প
প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরে দেশের পোশাকশিল্প

শিল্প বাণিজ্য

প্রার্থী হতে জাতীয় পার্টির রাঙ্গাকে পনিরের ঘুষ
প্রার্থী হতে জাতীয় পার্টির রাঙ্গাকে পনিরের ঘুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

শিরোপার দৌড়ে সাবিনারা
শিরোপার দৌড়ে সাবিনারা

মাঠে ময়দানে

১০-দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত, আজ ঘোষণা
১০-দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত, আজ ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউরোপে পোশাক রপ্তানি ১৮০৫ কোটি ইউরো
ইউরোপে পোশাক রপ্তানি ১৮০৫ কোটি ইউরো

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আগুন
রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আগুন

দেশগ্রাম

‘সিটি গভর্নমেন্ট’-এ বাঁচবে ঢাকা
‘সিটি গভর্নমেন্ট’-এ বাঁচবে ঢাকা

নগর জীবন

পোশাক খাত এক বছর ধরে আইসিইউতে
পোশাক খাত এক বছর ধরে আইসিইউতে

প্রথম পৃষ্ঠা

পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ মার্কিন ও ইইউ রাষ্ট্রদূতদের
তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ মার্কিন ও ইইউ রাষ্ট্রদূতদের

প্রথম পৃষ্ঠা

সমস্যা বাড়ছেই ঢাকায়
সমস্যা বাড়ছেই ঢাকায়

পেছনের পৃষ্ঠা

টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করছে কি পাকিস্তান!
টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করছে কি পাকিস্তান!

মাঠে ময়দানে

বিপিএলে প্লে-অফের লড়াই
বিপিএলে প্লে-অফের লড়াই

মাঠে ময়দানে

‘ফুল গিয়ারে’ প্রশাসন
‘ফুল গিয়ারে’ প্রশাসন

পেছনের পৃষ্ঠা

‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে
‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন
শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন

প্রথম পৃষ্ঠা

উইজডেন বর্ষসেরা টি ২০ একাদশে মুস্তাফিজ
উইজডেন বর্ষসেরা টি ২০ একাদশে মুস্তাফিজ

মাঠে ময়দানে

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নেই
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিসের কাছে সব ম্যাচই ফাইনাল
ফর্টিসের কাছে সব ম্যাচই ফাইনাল

মাঠে ময়দানে

আফ্রিকাসেরা সেনেগাল
আফ্রিকাসেরা সেনেগাল

মাঠে ময়দানে

সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় আহত হাতির মৃত্যু
সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় আহত হাতির মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা