শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম

শাইখ সিরাজ
প্রিন্ট ভার্সন
জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম

নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের কথা। শীতের সকালের কোমল রোদ গায়ে মেখে যখন মুন্সিগঞ্জের বজ্রযোগিনীর পুকুরপারের দিকে এগোই, চোখে পড়ে খেত ভরা সবুজের উচ্ছ্বাস। শাকসবজির পাতায় জমে থাকা শিশিরকণা আর কৃষকের সকালের ব্যস্ততা যেন বলে দিচ্ছিল, এ গ্রামের মাটিতে এখন চলছে নীরব পরিবর্তন। রাসায়নিকনির্ভর কৃষির গণ্ডি থেকে বেরিয়ে জৈবকৃষির দিকে পা বাড়াচ্ছেন এখানকার কৃষক। সেই পরিবর্তনের যাত্রাপথ, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার গল্পই আপনাদের শোনাতে চাই।

বহুদিন ধরেই দেশের কৃষিতে সাধারণ চিত্র দেখা যায়, বেশি ফলনের আশায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার। কিন্তু তারই দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি এখন কৃষক উপলব্ধি করতে শুরু করেছেন। মাটির উর্বরতা কমে আসা, উৎপাদনখরচ বৃদ্ধি, মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি এসবই আজ তাদের ভাবনার বিষয়।

পুকুরপারের কৃষি মাঠজুড়ে কৃষকের কর্মব্যস্ততা। চলছে শীতের সবজি তুলে বাজারে নেওয়ার প্রস্তুতি। এগোতেই এক কৃষক এগিয়ে এলেন, তাঁর নাম সিরাজ খান। কথা বলি তাঁর সঙ্গে। প্রশ্ন করি, ‘আপনারা নাকি আইপিএম ক্লাব করেছেন, জৈবকৃষির চর্চা করছেন?’ সিরাজ খান জানালেন, ‘আগে কীটনাশক ছাড়া চাষাবাদ চিন্তাই করতাম না। কিন্তু তিন-চার বছর ধরে দেখি, মাটির জো কমছে, রোগও বাড়ছে। পরে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা আমাদের জৈব পদ্ধতি দেখালেন। নিজের চোখে ফল দেখে এখন আর পুরোনো পথে ফিরতে ইচ্ছে হয় না।’

সিরাজ খানের জমিতে এখন সার হিসেবে ব্যবহৃত হয় পচা গোবর, ঘরে তৈরি বায়োসলারি, নিমপাতার নির্যাস, ফারমেন্টেড জৈব তরল সার। কীট দমনের জন্য আছে ফেরোমন ট্র্যাপ, হলুদ স্টিকি ট্র্যাপ, আলো ফাঁদ, যা আইপিএম বা সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার প্রধান উপাদান।

মাঠেই আরেক খেতে কাজ করছিলেন গ্রামের আইপিএম ক্লাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম। তিনি বললেন, ‘আমি ২০১৭ সালে প্রথম আইপিএম প্রশিক্ষণ নিই। তখন বুঝলাম রাসায়নিক কম ব্যবহার করেও ফসল রক্ষা করা যায়। ফেরোমন ট্র্যাপ লাগানোর পর দেখি পোকা নিজেরাই ধরা পড়ছে। এখন আমাদের ক্লাবের সদস্য কৃষক নিয়মিত জৈব পদ্ধতি ব্যবহার করছেন।’

আইপিএম শুধু পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণই করে না, জমির জৈবকাঠামো অক্ষুণ্ন রাখে, খরচ কমায়, পরিবেশ রক্ষা করে। নুরুল ইসলাম মনে করেন, এই পদ্ধতির সম্প্রসারণই ভবিষ্যতের টেকসই কৃষির ভিত্তি।

বজ্রযোগিনীর আরও এক কৃষক মফিজ খান বললেন, ‘এখন আমরা শুধু ফসল ফলাই না, কীভাবে নিরাপদভাবে খাবার উৎপাদন করতে হয় সেটা শিখছি। জমিতে কাজ করার নিয়ম, সেচব্যবস্থা, সার প্রয়োগ সবই গ্যাপ অনুসরণ করে করার চেষ্টা করছি।’

শুনে খুব ভালো লাগল। প্রত্যন্ত গ্রামের একজন কৃষক গ্যাপের কথা বলছেন। GAP-এর পূর্ণরূপ Good Agricultural Practices, বাংলায় উত্তম কৃষি অনুশীলন। এটি হলো কৃষিক্ষেত্রে এমন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড ও নির্দেশনা, যার মাধ্যমে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত, পরিবেশবান্ধব এবং বাজারযোগ্য কৃষিপণ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা হয়। সহজ কথায় গ্যাপ মানে, ভালো, সঠিক, পরিচ্ছন্ন, বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ।

একবারে পুরোপুরি জৈবকৃষিতে ফিরে যাওয়া কঠিন। কিন্তু ধীরে ধীরে তা শুরু করা সম্ভব, যেমনটা বজ্রযোগিনীতে ঘটছে। প্রথমে রাসায়নিকের ব্যবহার অল্প কমানো, পরে জৈবসার যোগ করা, ফেরোমন ট্র্যাপ ব্যবহার, সর্বশেষ গ্যাপ অনুসরণ- এই ধাপগুলো অনুসরণ করলে কৃষকের ক্ষতি হয় না, বরং সামনে এগোনোর প্রেরণা বাড়ে

জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম

গ্যাপ মেনে চললে কীটনাশক, সার, হরমোন- এসবের ব্যবহার নির্দিষ্ট নিয়মে হয়। এতে খাদ্যে ক্ষতিকর অবশিষ্টাংশ কমে যায়। ভোক্তার জন্য খাবার হয় নিরাপদ। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকাসহ সব জায়গায় কৃষিপণ্য রপ্তানির আগে গ্যাপ সার্টিফিকেশন চাওয়া হয়। তাই গ্যাপ না মানলে বিদেশে ফল, সবজি, ধান বা ফুল রপ্তানি করা কঠিন। গ্যাপ নির্দেশনায় মাটির নিয়মিত পরীক্ষা, সুষম সারের ব্যবহার, জৈব পদার্থ সংযোজন বাধ্যতামূলক। এতে মাটির উর্বরতা বজায় থাকে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ে। নির্দিষ্ট পরিমাপে পানি ব্যবহার, ড্রিপ/স্প্রিংকলারসহ আধুনিক সেচ প্রযুক্তির ব্যবহারের পরামর্শ দেয়। এতে পানির অপচয় কমে। গ্যাপ অনুযায়ী কীটনাশক বাছাই ও প্রয়োগে সতর্কতা থাকে, উপকারী পোকা রক্ষা করা হয়, বিষমুক্ত পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানো হয়। এতে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য বাঁচে। গ্যাপ পরিকল্পনায় রয়েছে নিরাপদ বীজ/চারা, পরিচ্ছন্ন জমি, ফসল পর্যায়ক্রমিকতা এবং সময়মতো মাঠ পর্যবেক্ষণ। এতে রোগ-পোকা লাগার ঝুঁকি কমে। সবচেয়ে বড় কথা, সার-কীটনাশক-সেচ সবই নির্দিষ্ট মাত্রায় ব্যবহৃত হয়। ফলে অপচয় কমে, খরচ সাশ্রয় হয়, আর উৎপাদন হয় গুণগতমানসম্পন্ন, যা ভালো দামে বিক্রি হয়। যা হোক, বজ্রযোগিনী গ্রামের জৈবকৃষির সঙ্গে কৃষককে যুক্ত করার মূল নায়ক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন। কথা বলি তাঁর সঙ্গে। তিনি জানান, ‘আসলে কৃষক খুবই আগ্রহী। শুধু সঠিক পথটা দেখিয়ে দিতে হয়। জৈবসার, ফেরোমন ট্র্যাপ, নিম এক্সট্রাক্ট এসব তাঁরা নিজেরাই বানাতে পারেন। এতে খরচ কমে, ফলনও স্থিতিশীল থাকে। সবচেয়ে বড় কথা, মাটির শক্তি ফিরে আসে।’

তাঁর ভাষায়, জৈবকৃষি কোনো ‘ফ্যাশন’ নয়, বরং একটি প্রয়োজনীয় সমাধান, যা দেশের খাদ্যব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ করতে পারে। আইপিএম ও জৈবসারের ব্যবহার কৃষকের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে।

পুকুরপারের কৃষক আওয়াল বলেন, ‘আগে সিজনে ১৫-১৮ হাজার টাকা শুধু কীটনাশকে যেত। এখন তার অর্ধেকও লাগে না। ফসল ভালো থাকে, জমিও সুস্থ থাকে।’

জৈবসারের অন্য সুবিধা হলো মাটির পানি ধারণক্ষমতা বাড়ে, জমির গঠন উন্নত হয় এবং পরবর্তী মৌসুমে কম সার লাগে। সবজি সংগ্রহ করে সকাল সকাল বাজার ধরতে ছুটছেন কৃষক। কারণ পুকুরপারের সকালবেলার বাজার মাত্র কয়েক ঘণ্টা থাকে। কৃষক ইসমাইল শেখ বলেন, ‘জৈব সবজির চাহিদা এখন অনেক। ক্রেতারা স্বাদ আর তাজা সবজি কিনতে আসেন। তাই সকালে বাজার মিস করলে ক্ষতি হয়।’

বাজারে দাঁড়িয়ে লক্ষ করলাম, জৈব ও রাসায়নিক সারে উৎপাদিত সবজির মধ্যে পার্থক্য বোঝাতে কৃষক নিজেরাই কিছু চিহ্ন ব্যবহার করছেন। যেমন ফুলকপির ক্ষেত্রে জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত কপির পাতার রং ও গায়ে দাগ আলাদা, যা রাসায়নিক ব্যবহৃত কপির তুলনায় স্বাভাবিক। এক কৃষক ফুলকপি দেখিয়ে বললেন, ‘দেখেন এটা জৈবসারে চাষ করা, এটা কেমন টাইট। আর ওইটা রাসায়নিক সার ব্যবহার করে। এটা ওটার মতো টাইট না।’

সেখানে পৌঁছতে পৌঁছতে পাইকারি সবজি বাজারের কর্মব্যস্ততা প্রায় শেষ। তবু কথা হলো এক পাইকারি ক্রেতার সঙ্গে। তিনি জানালেন, ‘জৈব সবজির আলাদা ক্রেতা আছে। দাম একটু বেশি হলেও মানুষ খেতে চায় নিরাপদ খাবার। আমাদেরও লাভ থাকে।’

এই প্রবণতায় বোঝা যায়, বাংলাদেশের কৃষি বাজারে নিরাপদ খাদ্যের স্থায়ী চাহিদা তৈরি হয়েছে। দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু এখনো নানা ঝুঁকি, পোকামাকড়ের আক্রমণ, অনাবৃষ্টি-বন্যা, বাজারদরে অস্থিরতা- এসব কৃষককে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে। আর এসব সংকটে সুযোগ নেয় কিছু অসাধু কীটনাশক ব্যবসায়ী, যারা অযৌক্তিক পরামর্শ দিয়ে কৃষকের ক্ষতি করে।

এমন পরিস্থিতিতে জৈবকৃষি ও আইপিএম ব্যবহার পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের মাধ্যমে কৃষকের অর্থনৈতিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে পারে। একবারে পুরোপুরি জৈবকৃষিতে ফিরে যাওয়া কঠিন। কিন্তু ধীরে ধীরে তা শুরু করা সম্ভব, যেমনটা বজ্রযোগিনীতে ঘটছে। প্রথমে রাসায়নিকের ব্যবহার অল্প কমানো, পরে জৈবসার যোগ করা, ফেরোমন ট্র্যাপ ব্যবহার, সর্বশেষ গ্যাপ অনুসরণ- এই ধাপগুলো অনুসরণ করলে কৃষকের ক্ষতি হয় না, বরং সামনে এগোনোর প্রেরণা বাড়ে।

বজ্রযোগিনীর কৃষকরা দেখিয়ে দিয়েছেন, ইচ্ছাশক্তি, সঠিক দিকনির্দেশনা আর সামান্য উদ্যোগ নিয়েই বদলে দেওয়া যায় একটি গ্রাম। দেশ যদি কৃষিতে টেকসই পথ খুঁজে নিতে চায়, তবে বজ্রযোগিনীর মতো জৈবকৃষি গ্রামগুলোই হতে পারে ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা।

লেখক : মিডিয়াব্যক্তিত্ব

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
বাজার সিন্ডিকেট
বাজার সিন্ডিকেট
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন
ওষুধ সিন্ডিকেট
ওষুধ সিন্ডিকেট
বেতন সুপারিশ
বেতন সুপারিশ
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
সংসদ নির্বাচন
সংসদ নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের ‘ট্রোজান ঘোড়ার’ কাজ করছে আমিরাত: সৌদির সাবেক শূরা সদস্য
ইসরায়েলের ‘ট্রোজান ঘোড়ার’ কাজ করছে আমিরাত: সৌদির সাবেক শূরা সদস্য

৩৮ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাবির বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু, প্রতি আসনে লড়ছেন ৫৫ শিক্ষার্থী
রাবির বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু, প্রতি আসনে লড়ছেন ৫৫ শিক্ষার্থী

৫৪ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

৩০ দিনে ১ কোটি ৪৮ লাখের বেশি মুসল্লির ওমরাহ পালন
৩০ দিনে ১ কোটি ৪৮ লাখের বেশি মুসল্লির ওমরাহ পালন

৮ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

নির্বাচিত হলে শান্তি-সম্প্রীতির চারণভূমিতে পরিণত করব : এস এম জিলানী
নির্বাচিত হলে শান্তি-সম্প্রীতির চারণভূমিতে পরিণত করব : এস এম জিলানী

১৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ভিলা ম‍্যাচে বোতল ছোঁড়ায় চেলসির শাস্তি
ভিলা ম‍্যাচে বোতল ছোঁড়ায় চেলসির শাস্তি

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইন্দোনেশিয়ায় পাহাড় ধসে নিহত ৭, নিখোঁজ ৮২
ইন্দোনেশিয়ায় পাহাড় ধসে নিহত ৭, নিখোঁজ ৮২

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ

৩৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

টরেন্টোর পুলিশ সার্ভিসে ফেব্রুয়ারি থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সিস্টেম চালু
টরেন্টোর পুলিশ সার্ভিসে ফেব্রুয়ারি থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সিস্টেম চালু

৩৯ মিনিট আগে | পরবাস

‘ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর জন্য সুযোগ খুঁজছে’
‘ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর জন্য সুযোগ খুঁজছে’

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় জামায়াতের জনসভা শুরু
বগুড়ায় জামায়াতের জনসভা শুরু

৪৪ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

তারেক রহমানের নেতৃত্ব গুণে ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: রিজভী
তারেক রহমানের নেতৃত্ব গুণে ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: রিজভী

৪৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

যে দামে বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি স্বর্ণ
যে দামে বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি স্বর্ণ

৫২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিসিবির সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে যা বললেন পিসিবির সাবেক সভাপতি
বিসিবির সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে যা বললেন পিসিবির সাবেক সভাপতি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন প্রিন্স হ্যারি
ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন প্রিন্স হ্যারি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের এক ইঞ্চি জমির সম্মান আমরা কারও কাছে বন্ধক রাখবো না: জামায়াত আমির
দেশের এক ইঞ্চি জমির সম্মান আমরা কারও কাছে বন্ধক রাখবো না: জামায়াত আমির

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সিদ্ধান্তহীন ভোটাররাই হবে কিংমেকার
সিদ্ধান্তহীন ভোটাররাই হবে কিংমেকার

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাবা নেই, দোয়া আছে—শিরোপা জয়ের দিনে সাকলাইন
বাবা নেই, দোয়া আছে—শিরোপা জয়ের দিনে সাকলাইন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অপমানজনক মন্তব্য, ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
অপমানজনক মন্তব্য, ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় যেসব কাগজ প্রয়োজন
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় যেসব কাগজ প্রয়োজন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলামের লেবেল লাগিয়ে একটি দল আমাদের ধোঁকা দিয়েছে
ইসলামের লেবেল লাগিয়ে একটি দল আমাদের ধোঁকা দিয়েছে

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শীত নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
শীত নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ধুত্বের আড়ালে চীন একসময় তাদের গিলে খাবে: ট্রাম্প
বন্ধুত্বের আড়ালে চীন একসময় তাদের গিলে খাবে: ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ইস্যুতে বিসিবিকে যে অনুরোধ জানালেন শান্ত
বিশ্বকাপ ইস্যুতে বিসিবিকে যে অনুরোধ জানালেন শান্ত

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ অপরিবর্তিত থাকতে পারে তাপমাত্রা
আজ অপরিবর্তিত থাকতে পারে তাপমাত্রা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে বিদেশিদের রিয়েল এস্টেট মালিকানায় নতুন নিয়ম চালু
সৌদিতে বিদেশিদের রিয়েল এস্টেট মালিকানায় নতুন নিয়ম চালু

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে যেসব এলাকায়
২৪ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে যেসব এলাকায়

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আলকারাজের দাপুটে জয়, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে শেষ ষোলো নিশ্চিত
আলকারাজের দাপুটে জয়, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে শেষ ষোলো নিশ্চিত

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতিসংঘের জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’: চীন
জাতিসংঘের জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’: চীন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৪ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৪ জানুয়ারি)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ ইস্যুতে বিসিবিকে যে অনুরোধ জানালেন শান্ত
বিশ্বকাপ ইস্যুতে বিসিবিকে যে অনুরোধ জানালেন শান্ত

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে
ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম
তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের
নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?
পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম
বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?
'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’
‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা
বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ
তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপমানজনক মন্তব্য, ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
অপমানজনক মন্তব্য, ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমাদের সরকারের কেউ এমন কাজ করেনি যে হাসিনার মতো হবে: প্রেস সচিব
আমাদের সরকারের কেউ এমন কাজ করেনি যে হাসিনার মতো হবে: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা
খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজায় আকাশ ছোঁয়া ভবন ও  বিমানবন্দর বানাবেন ট্রাম্প
গাজায় আকাশ ছোঁয়া ভবন ও বিমানবন্দর বানাবেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’
‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শীত নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
শীত নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম
আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি
বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা
ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই
ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার
যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত

প্রথম পৃষ্ঠা

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

সম্পাদকীয়

সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের
সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের

পেছনের পৃষ্ঠা

দূষণ থেকে সার
দূষণ থেকে সার

শনিবারের সকাল

নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল

প্রথম পৃষ্ঠা

বাদুড়ের নিরাপদ আবাস
বাদুড়ের নিরাপদ আবাস

শনিবারের সকাল

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবির ওপর হামলা
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবির ওপর হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্বন্দ্ব সংকটে পোশাক খাত
দ্বন্দ্ব সংকটে পোশাক খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ
ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা
ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা

নগর জীবন

নতুন আশা নেই বিনিয়োগে
নতুন আশা নেই বিনিয়োগে

পেছনের পৃষ্ঠা

কৃষিশিল্পের রাজধানী হবে উত্তরবঙ্গ
কৃষিশিল্পের রাজধানী হবে উত্তরবঙ্গ

প্রথম পৃষ্ঠা

এনসিপির চোখ ১৪ আসনে
এনসিপির চোখ ১৪ আসনে

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যতের মানদণ্ড
১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যতের মানদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

অদম্য শিরিনের পথচলা
অদম্য শিরিনের পথচলা

শনিবারের সকাল

রূপগঞ্জে বাণিজ্য মেলায় মানুষের ঢল
রূপগঞ্জে বাণিজ্য মেলায় মানুষের ঢল

নগর জীবন

নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা
নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

বড় ক্ষতির মুখে পড়ছে বিসিবি
বড় ক্ষতির মুখে পড়ছে বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের
প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

জনজোয়ারে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে
জনজোয়ারে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের
সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের

দেশগ্রাম

বল সুন্দরীতে বাজিমাত
বল সুন্দরীতে বাজিমাত

শনিবারের সকাল

শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ
শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ

শনিবারের সকাল

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

সম্পাদকীয়

অমিতাভের জুতা কাহিনি
অমিতাভের জুতা কাহিনি

শোবিজ

বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান

সম্পাদকীয়

এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ
এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ

শোবিজ

৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

দেশগ্রাম