শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল

মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী
প্রিন্ট ভার্সন
ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল

‘হে মানুষ! তোমাদের প্রভুকে ভয় করো। অবশ্যই কেয়ামতের কম্পন খুবই কঠিন। সেদিন দুগ্ধপোষ্য মা তার সন্তানের কথা ভুলে যাবে। ভয়ে গর্ভবতীর গর্ভপাত হয়ে যাবে। প্রতিটি মানুষ মাতালের মতো টলতে থাকবে, কিন্তু তারা কেউই নেশাগ্রস্ত নয়। সাবধান! আল্লাহর শাস্তি অত্যন্ত ভয়ংকর।’ (সুরা হজ, আয়াত ১-২)।

কেয়ামতের বড় আলামতগুলোর একটি ভূমিকম্প। সম্প্রতি প্রবল ঝাঁকুনি দিয়ে যে ভূমিকম্প পুরো দেশবাসীকে স্তম্ভিত করেছে, কেয়ামতের ভূমিকম্পের তুলনায় তা শিশুর খেলনা বললেও ভুল হবে না। কেয়ামতের ভূমিকম্প যখন তীব্র মাত্রা ধারণ করবে তখন পৃথিবীর যত বড় বড় অট্টালিকা আছে সেগুলো তো মাটির সঙ্গে মিলিয়ে যাবে, পাশাপাশি পৃথিবীর যত বড় বড় পর্বত আছে, সব তুলার মতো শূন্যে উড়তে থাকবে। কোরআনের ভাষায়, ‘হঠাৎ মহাপ্রলয়! কী ভয়াবহ মহাপ্রলয়! তুমি কি ধারণা করতে পারো মহাপ্রলয় কী? সেদিন মানুষ বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের মতো চারদিকে নিক্ষিপ্ত হবে। পর্বতমালা উড়ে যাবে পেঁজা পেঁজা ধুনা তুলার মতো’ (সুরা আল কারিয়াহ, আয়াত ১-৫)।

আল্লাহর বড় আজাব যেমন কঠিন, তেমনি ছোট আজাবও ছোট নয়। দুনিয়ার তাবৎ গবেষকরা হয়রান, ৯ মাত্রার ভূমিকম্প বাংলাদেশকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেবে সে ভাবনায়। কিন্তু কেয়ামতের ভূমিকম্প যে কত মাত্রায় হবে তা হয়তো রিখটার স্কেলে মাপাও সম্ভব হবে না। গত ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্পটি ছিল ৬ মাত্রারও কম। এতেই আমাদের সবার অন্তরে ভয় ঢুকে গেছে। তাহলে কেয়ামতের ভূমিকম্পের দৃশ্যের মুখোমুখি যারা হবেন, তাদের কী অবস্থা হবে কল্পনা করতেও গা শিউরে ওঠে।

তাফসিরে মাজহারিতে আল্লামা কাজী সানাউল্লাহ (রহ.) লিখেছেন, আল্লাহতায়ালা বান্দাকে ভূমিকম্প সম্পর্কে সাবধান করে দিয়েছেন। তার আগে বলে দিয়েছেন, হে মানুষ! তোমার প্রতিপালককে ভয় করো। এ থেকে বোঝা যায়, কেয়ামতের কঠিন ভূমিকম্প থেকে বাঁচার একটাই পথ- আল্লাহকে ভয় করে তাঁর দেখানো পথে চলা। তাহলেই কেবল কেয়ামতের পাহাড়-পর্বত উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া ভয়ংকর ভূমিকম্প থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব হবে। একবার চিন্তা করুন! এত কঠিন ভূমিকম্প থেকেও যদি তাকওয়াবান বান্দারা বাঁচতে পারে, তাহলে ৮ বা ৯ মাত্রার ভূমিকম্প তো মুত্তাকিদের জন্য কোনো চিন্তার কারণই হবে না।

এখানে একটি কথা বলে রাখা প্রয়োজন। মুত্তাকি বান্দামাত্রই ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাবে এটা যেমন সত্য, আবার অনেক তাকওয়াবান বান্দাও ভূমিকম্পে মারা যান এটাও ঠিক। তার মানে কি মুফাসসিরগণ দ্বিমুখী কথা বলছেন? মোটেও তা নয়। এখানে বোঝার ব্যাপার আছে। ভূমিকম্প একটি আজাব কোনো সন্দেহ নেই। আর ভূমিকম্পের ভয় সেটাও পৃথক আরেকটি আজাব। যারা মুত্তাকি, তারা ভূমিকম্পের ভয়ে ভীত থাকে না। কখন ভূমিকম্প হবে, কখন সব ভেঙে যাবে এ চিন্তায় তারা ট্রমায় পড়ে যায় না। বরং তারা সব সময় আল্লাহর ওপর ভরসা করে সাবধানতা অবলম্বন করেন। আল্লাহ তাকদিরে যা রেখেছেন তাই হবে এই ভেবে তারা মানসিকভাবে নিশ্চিন্ত আনন্দের জীবন কাটান। তার মানে, মুত্তাকিমাত্রই ভূমিকম্পের আতঙ্ক থেকে বেঁচে যায়। এটা হলো একটি দিক। আরেকটি দিক হলো, মুত্তাকি বান্দার যদি হায়াত অবশিষ্ট থাকে, তাহলে আল্লাহর কুদরতে কোনো না কোনোভাবে সে ভয়ংকর ভূমিকম্প থেকেও বেঁচে যাবেই। দেখা গেল, বাড়ির সবাই মারা গেছে, কেবল একজন বেঁচে আছে। এটা হয়ে থাকে আল্লাহর কুদরতে। আর যদি কোনো বান্দার মৃত্যু ভূমিকম্পে লেখা থাকে তাহলে সে মুত্তাকি হওয়া সত্ত্বেও ভূমিকম্পেই মারা যাবে। অর্থাৎ ভূমিকম্প থেকে বাঁচার আমল হলো, তাকওয়ার জীবনযাপন করা। তাকওয়ার জীবন যারা যাপন করবে তারা ভূমিকম্পের আতঙ্ক থেকে বেঁচে যাবে। আর হায়াত থাকলে ভূমিকম্প থেকেও বেঁচে যাবে। তার মানে যারা ভূমিকম্পে মারা যায়, তাদের মধ্যে মুত্তাকি বান্দা নেই এমনটাও কিন্তু বলা হচ্ছে না। আরেকটা উদহারণ দিয়ে বোঝানো যাক। আল্লাহ বলেছেন, ‘ভূপৃষ্ঠে বিচরণশীল সব প্রাণীর রিজিকের দায়িত্ব একমাত্র আল্লাহর। তিনি জানেন পৃথিবীতে প্রতিটি প্রাণের আয়ুষ্কাল কী হবে এবং মৃত্যুর পর তার স্থান কোথায় হবে। সবকিছুই সুস্পষ্ট লিপিকায় লিপিবদ্ধ রয়েছে’ (সুরা হুদ, আয়াত ৬)। এখানে বলা হয়েছে, প্রতিটি জীবের রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর। এ সত্ত্বেও আমরা দেখি পৃথিবীর বহু প্রাণী এমনকি মানুষও না খেয়ে তিলে তিলে মারা যায়। এর কারণ কী? কারণ পরের আয়াতেই বলা হয়েছে, তার হায়াত ও মওতের বিষয়গুলো সুস্পষ্ট করে কিতাবে লেখা আছে। রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর এটা যেমন ঠিক আবার কারও মৃত্যু যদি লেখা থাকে না খেয়ে মরতে হবে, তাহলে তার রিজিক বন্ধ করে দেওয়াও আল্লাহর সিস্টেমেরই অন্তর্ভুক্ত। একইভাবে মুত্তাকিরা কেয়ামতের কঠিন ভূমিকম্পসহ সব ধরনের আসমানি গজব থেকে বেঁচে থাকবেন এটা সাধারণ আইন। তবে যদি কোনো কারণে তারা সে আজাবে আক্রান্ত হয়ে পড়েন, বুঝতে হবে এটা তাকদিরের লেখন। আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দিন। আমিন।

লেখক : প্রিন্সিপাল, সেইফ এডুকেশন ইনস্টিটিউট

এই বিভাগের আরও খবর
বাজার সিন্ডিকেট
বাজার সিন্ডিকেট
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন
ওষুধ সিন্ডিকেট
ওষুধ সিন্ডিকেট
বেতন সুপারিশ
বেতন সুপারিশ
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
সংসদ নির্বাচন
সংসদ নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
রামুতে দুর্বৃত্তের গুলিতে শাহীন ডাকাতের সেকেন্ড ইন কমান্ড শফিউল নিহত
রামুতে দুর্বৃত্তের গুলিতে শাহীন ডাকাতের সেকেন্ড ইন কমান্ড শফিউল নিহত

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের ‘ট্রোজান ঘোড়ার’ কাজ করছে আমিরাত: সৌদির সাবেক শূরা সদস্য
ইসরায়েলের ‘ট্রোজান ঘোড়ার’ কাজ করছে আমিরাত: সৌদির সাবেক শূরা সদস্য

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাবির বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু, প্রতি আসনে লড়ছেন ৫৫ শিক্ষার্থী
রাবির বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু, প্রতি আসনে লড়ছেন ৫৫ শিক্ষার্থী

৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

৩০ দিনে ১ কোটি ৪৮ লাখের বেশি মুসল্লির ওমরাহ পালন
৩০ দিনে ১ কোটি ৪৮ লাখের বেশি মুসল্লির ওমরাহ পালন

১২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

নির্বাচিত হলে শান্তি-সম্প্রীতির চারণভূমিতে পরিণত করব : এস এম জিলানী
নির্বাচিত হলে শান্তি-সম্প্রীতির চারণভূমিতে পরিণত করব : এস এম জিলানী

২০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ভিলা ম‍্যাচে বোতল ছোঁড়ায় চেলসির শাস্তি
ভিলা ম‍্যাচে বোতল ছোঁড়ায় চেলসির শাস্তি

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইন্দোনেশিয়ায় পাহাড় ধসে নিহত ৭, নিখোঁজ ৮২
ইন্দোনেশিয়ায় পাহাড় ধসে নিহত ৭, নিখোঁজ ৮২

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ

৪০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

টরেন্টোর পুলিশ সার্ভিসে ফেব্রুয়ারি থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সিস্টেম চালু
টরেন্টোর পুলিশ সার্ভিসে ফেব্রুয়ারি থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সিস্টেম চালু

৪২ মিনিট আগে | পরবাস

‘ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর জন্য সুযোগ খুঁজছে’
‘ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর জন্য সুযোগ খুঁজছে’

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় জামায়াতের জনসভা শুরু
বগুড়ায় জামায়াতের জনসভা শুরু

৪৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

তারেক রহমানের নেতৃত্ব গুণে ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: রিজভী
তারেক রহমানের নেতৃত্ব গুণে ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: রিজভী

৫১ মিনিট আগে | রাজনীতি

যে দামে বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি স্বর্ণ
যে দামে বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি স্বর্ণ

৫৬ মিনিট আগে | অর্থনীতি

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিসিবির সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে যা বললেন পিসিবির সাবেক সভাপতি
বিসিবির সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে যা বললেন পিসিবির সাবেক সভাপতি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন প্রিন্স হ্যারি
ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন প্রিন্স হ্যারি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের এক ইঞ্চি জমির সম্মান আমরা কারও কাছে বন্ধক রাখবো না: জামায়াত আমির
দেশের এক ইঞ্চি জমির সম্মান আমরা কারও কাছে বন্ধক রাখবো না: জামায়াত আমির

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সিদ্ধান্তহীন ভোটাররাই হবে কিংমেকার
সিদ্ধান্তহীন ভোটাররাই হবে কিংমেকার

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাবা নেই, দোয়া আছে—শিরোপা জয়ের দিনে সাকলাইন
বাবা নেই, দোয়া আছে—শিরোপা জয়ের দিনে সাকলাইন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অপমানজনক মন্তব্য, ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
অপমানজনক মন্তব্য, ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় যেসব কাগজ প্রয়োজন
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় যেসব কাগজ প্রয়োজন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলামের লেবেল লাগিয়ে একটি দল আমাদের ধোঁকা দিয়েছে
ইসলামের লেবেল লাগিয়ে একটি দল আমাদের ধোঁকা দিয়েছে

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শীত নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
শীত নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ধুত্বের আড়ালে চীন একসময় তাদের গিলে খাবে: ট্রাম্প
বন্ধুত্বের আড়ালে চীন একসময় তাদের গিলে খাবে: ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ইস্যুতে বিসিবিকে যে অনুরোধ জানালেন শান্ত
বিশ্বকাপ ইস্যুতে বিসিবিকে যে অনুরোধ জানালেন শান্ত

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ অপরিবর্তিত থাকতে পারে তাপমাত্রা
আজ অপরিবর্তিত থাকতে পারে তাপমাত্রা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে বিদেশিদের রিয়েল এস্টেট মালিকানায় নতুন নিয়ম চালু
সৌদিতে বিদেশিদের রিয়েল এস্টেট মালিকানায় নতুন নিয়ম চালু

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে যেসব এলাকায়
২৪ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে যেসব এলাকায়

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আলকারাজের দাপুটে জয়, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে শেষ ষোলো নিশ্চিত
আলকারাজের দাপুটে জয়, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে শেষ ষোলো নিশ্চিত

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতিসংঘের জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’: চীন
জাতিসংঘের জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’: চীন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ ইস্যুতে বিসিবিকে যে অনুরোধ জানালেন শান্ত
বিশ্বকাপ ইস্যুতে বিসিবিকে যে অনুরোধ জানালেন শান্ত

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে
ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম
তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের
নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?
পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম
বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?
'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’
‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা
বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ
তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপমানজনক মন্তব্য, ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
অপমানজনক মন্তব্য, ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমাদের সরকারের কেউ এমন কাজ করেনি যে হাসিনার মতো হবে: প্রেস সচিব
আমাদের সরকারের কেউ এমন কাজ করেনি যে হাসিনার মতো হবে: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা
খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজায় আকাশ ছোঁয়া ভবন ও  বিমানবন্দর বানাবেন ট্রাম্প
গাজায় আকাশ ছোঁয়া ভবন ও বিমানবন্দর বানাবেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’
‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শীত নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
শীত নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম
আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি
বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা
ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই
ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার
যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত

প্রথম পৃষ্ঠা

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

সম্পাদকীয়

সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের
সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের

পেছনের পৃষ্ঠা

দূষণ থেকে সার
দূষণ থেকে সার

শনিবারের সকাল

নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল

প্রথম পৃষ্ঠা

বাদুড়ের নিরাপদ আবাস
বাদুড়ের নিরাপদ আবাস

শনিবারের সকাল

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবির ওপর হামলা
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবির ওপর হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্বন্দ্ব সংকটে পোশাক খাত
দ্বন্দ্ব সংকটে পোশাক খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ
ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা
ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা

নগর জীবন

নতুন আশা নেই বিনিয়োগে
নতুন আশা নেই বিনিয়োগে

পেছনের পৃষ্ঠা

কৃষিশিল্পের রাজধানী হবে উত্তরবঙ্গ
কৃষিশিল্পের রাজধানী হবে উত্তরবঙ্গ

প্রথম পৃষ্ঠা

এনসিপির চোখ ১৪ আসনে
এনসিপির চোখ ১৪ আসনে

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যতের মানদণ্ড
১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যতের মানদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

অদম্য শিরিনের পথচলা
অদম্য শিরিনের পথচলা

শনিবারের সকাল

রূপগঞ্জে বাণিজ্য মেলায় মানুষের ঢল
রূপগঞ্জে বাণিজ্য মেলায় মানুষের ঢল

নগর জীবন

নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা
নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

বড় ক্ষতির মুখে পড়ছে বিসিবি
বড় ক্ষতির মুখে পড়ছে বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের
প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

জনজোয়ারে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে
জনজোয়ারে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের
সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের

দেশগ্রাম

বল সুন্দরীতে বাজিমাত
বল সুন্দরীতে বাজিমাত

শনিবারের সকাল

শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ
শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ

শনিবারের সকাল

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

সম্পাদকীয়

অমিতাভের জুতা কাহিনি
অমিতাভের জুতা কাহিনি

শোবিজ

বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান

সম্পাদকীয়

এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ
এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ

শোবিজ

৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

দেশগ্রাম