শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে

আতিকুর রহমান রুমন
প্রিন্ট ভার্সন
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দীর্ঘ দমনপীড়নের শাসনামলে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার কারণে বিএনপি চেয়ারপারসন এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে প্রতিহিংসাবশত বছরের পর বছর কারাগারে আটক রাখা হয়। অনেকের মতে, কারাবন্দি অবস্থায় ‘স্লো পয়জনিং’ এবং যথাযথ চিকিৎসা না দেওয়ায় তাঁর শরীর একের পর এক জটিলতায় ভেঙে পড়ে। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতাসহ আরও বহু সমস্যায় তিনি আক্রান্ত হন। ধীরে ধীরে তাঁর চলাফেরার ক্ষমতা কমতে থাকে। স্বাস্থ্য এতটাই দুর্বল হয়ে পড়ে যে প্রায়ই তাঁকে হঠাৎ করে হাসপাতালে নিতে হয়। সর্বশেষ ২৩ নভেম্বর ২০২৫ রাতে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর হার্ট ও ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে; তিনি এখন জীবনমৃত্যুর এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছেন।

প্রিয় মা এমন ভয়াবহ অসুস্থ অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও লন্ডনে অবস্থানরত তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারছেন না। পরিবার ও দলীয় শীর্ষ সূত্র বলছে, ব্যক্তিগত ইচ্ছার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি, আন্তর্জাতিক নানা সমীকরণ এবং দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক বাস্তবতা তাঁর ফেরার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২৯ নভেম্বর ২০২৫ সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তারেক রহমান মনঃকষ্টের সঙ্গে লিখেছেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাওয়ার আকুলতা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতার নানা জটিলতায় এটি আমার একক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়। সংবেদনশীল হওয়ায় বিস্তারিত ব্যাখ্যারও সুযোগ নেই। রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই দেশে ফেরার আমার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হবে- এ আশা আমাদের পরিবারের।’

এ সময় তিনি দেশবাসীর কাছে মায়ের সুস্থতার জন্য আন্তরিক দোয়া চেয়ে জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই কঠিন সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে কটূক্তি ও সমালোচনার বন্যা বইয়ে দিতে কুণ্ঠাবোধ করেননি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আর কিছু সোশ্যাল মিডিয়া কর্মী। তাঁদের একজন জামায়াতপন্থি আইনজীবী শিশির মনির। যিনি আগামী নির্বাচনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি ফেসবুকে তির্যকভাবে লেখেন, ‘আমি যদি তরেক রহমানের জায়গায় থাকতাম; কোনো কিছু তোয়াক্কা না করে অনেক আগেই মায়ের কাছে চলে আসতাম।’ কথাটি শুনে মনে হয়, মায়ের চেয়ে মাসির দরদই যেন বেশি!

দেশবাসী জানেন, জিয়া পরিবার একান্নবর্তী, স্নেহময় একটি পরিবার। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শাহাদাতবরণের পর বেগম খালেদা জিয়া নিজের দুই সন্তান, পুত্রবধূ এবং নাতনিদের একত্রে নিয়ে সংসার চালিয়েছেন। কখনো তাঁদের মধ্যে কলহ, অশান্তি বা বৈরিতার খবর জানা যায়নি। তাঁরা একে অপরের জন্য ছিলেন অন্তঃপ্রাণ।

তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো- দুই ভাই ছিলেন একে অপরের ছায়াসঙ্গী; একই সঙ্গে স্কুল, খেলাধুলা, হজ, ভ্রমণ- সবই করেছেন। দুজনেই মাকে প্রাণের চেয়েও বেশি BP 202ভালোবাসতেন, আর মা দুই পুত্র, পুত্রবধূ, নাতনিদের ভালোবাসতেন নিজের সমস্ত সত্তা দিয়ে।

২০০৭ সালের ৭ মার্চ ভোরে এক এগারোর অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সেনা-সমর্থিত শাসকগোষ্ঠী কোনো মামলা বা ওয়ারেন্ট ছাড়াই তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে। রিমান্ডে বর্বর নির্যাতনে তাঁর মেরুদণ্ডের ৬ এবং ৭ নম্বর হাড় ভেঙে যায়, স্কন্ধদেশের হাড় ফেটে যায়, হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। তিনি জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পৌঁছে গিয়েছিলেন। তবু তিনি নিজের কষ্ট ভুলে বারবার কারাগারে বন্দি মায়ের খোঁজ চেয়েছেন; লিখিত আবেদন করেছেন তাঁকে একনজর দেখতে।

এই পরিবারের ওপর আরেকবার আঘাত আসে ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রিয় ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর আকস্মিক মৃত্যু। খবরটি শুনে তারেক রহমান পাথর হয়ে গিয়েছিলেন; কিছু বলতেই পারেননি। তারপর শুরু হয় তাঁর শোক, বুকভাঙা কান্না- যে কান্নার প্রতিধ্বনি আজও তাঁর নীরবতায় লুকিয়ে আছে। যে মানুষের হৃদয় এত সংবেদনশীল, এত মমতায় ভরা, তিনি কি তাঁর মাকে দেখতে না আসতে চাওয়ার মানুষ?

তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে যেন না দেওয়া হয়, সেজন্য একটি পার্শ্ববর্তী দেশের তৎপরতা এখনো সক্রিয়। দেশের অভ্যন্তরেও বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক তাঁকে ঘিরে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ইন্দিরা, রাজীব, বেনজির, গান্ধী থেকে শুরু করে শহীদ জিয়াউর রহমান পর্যন্ত বহু হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস তাঁর নিরাপত্তাঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক সদস্য স্পষ্টই বলেছেন, ‘তারেক রহমানের নিরাপত্তা শুধু দেশের বিষয় নয়; আন্তর্জাতিক মাত্রাতেও জড়িয়ে আছে। একমুহূর্তের ভুল সিদ্ধান্ত ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।’ তাই বুলেটপ্রুফ গাড়ি, অস্ত্র লাইসেন্স, গুলশানে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এখনো সবকিছু নিশ্চিন্ত নয়।

অন্যদিকে তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে আইএলআর স্ট্যাটাসে আছেন, দেশে ফিরতে হলে ট্রাভেল পাসসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা অতিক্রম করতে হবে। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে, এটাও অনিশ্চিত।

এসব বাস্তবতা অগ্রাহ্য করেই জামায়াতের আইনজীবীর তির্যক মন্তব্য, কেন? কারণ তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফল হয়নি। ২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর রাজধানীর কাওলার সিভিল অ্যাভিয়েশন মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম উল্লেখ না করে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘তার মা তো অসুস্থ। আপনারা অনশন করেন। তাহলে ছেলে কেন মাকে দেখতে আসে না। এটা কেমন ছেলে, সেটা আমার প্রশ্ন? মা তো অসুস্থ, মরে মরে, সে নাকি যখনতখন মরে যাবে...! হ্যাঁ, বয়সও হয়েছে, অসুস্থ তো বটে। মাকে দেখতে আসে না কেন? আমি তো বলব, মাকে দেখতে আসুক।’ তাঁর কথার অন্তরালে লুকিয়ে ছিল সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, তারেক রহমান দেশে এলে তাঁকে ঘিরে নতুন ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পেতে তাঁকে হত্যা করা। উদ্দেশ্য ছিল বিএনপিকে নেতৃত্বশূন্য করা।

আজ একই সুরে মহলবিশেষ সেই পুরোনো ষড়যন্ত্রই পুনরাবৃত্তি করছে। তারা কি চায়, তারেক রহমানও তাঁর বাবার মতো শহীদ হোক? প্রতিদ্বন্দ্বী সরলেই কি তাদের রাজনীতি সহজ হবে?

কৃতজ্ঞতাবোধ থাকলে তারা এ কথা ভাবতে পারত না। যখন ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের শহীদ জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হলো, তখন তারা কোথায় ছিল? যখন তাঁকে জেলে নেওয়া হলো, যখন তারেক রহমানকে পঙ্গুদশায় পৌঁছে দেশ ছাড়া করা হলো, তারা কোথায় ছিল? যখন বালুর ট্রাক দিয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ রাখা হলো, তারা কোথায় লুকিয়ে ছিল? আজ শুধু সমালোচনার জন্যই তারা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।

বিএনপি ১৬ বছরের দুর্দিনে জামায়াতকে আশ্রয় দিয়েছে। না দিলে শেখ হাসিনা তাদের নিশ্চিহ্ন করে দিতেন। জামায়াত কোনো বড় আন্দোলন করতে পারেনি, মাঝে মাঝে অল্পস্বল্প মিছিলেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। আর ঠিক সেই সময়েই তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি বছরের পর বছর রাজপথ প্রস্তুত করে রেখেছে, ফলে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ অভ্যুত্থান সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ ফের গণতন্ত্রের স্বাদ পেয়েছে।

কিন্তু এখন আবার বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে পুঁজি করে নানা পক্ষ নিজেদের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ৩ ডিসেম্বর বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অসুস্থতা তথা স্বাস্থ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।’ এটা নির্বাচন পেছানোর অযাচিত প্রস্তাব, যা সরাসরি দেশের স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতিকে ঝুঁকিতে ফেলে। ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ স্টার বাংলায় ‘দেশে-বিদেশি বিনিয়োগ ছয় বছরের সর্বনিম্ন’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। আইএমএফ জানিয়েছে, নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত ঋণের পরবর্তী কিস্তি দেওয়া হবে না। এই পরিস্থিতিতে দেশের জন্য গণতান্ত্রিক সরকার গঠন অত্যন্ত জরুরি।

বিএনপি কি এসব ষড়যন্ত্র চুপচাপ দেখে যাবে? কখনোই না।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘যখন নিশ্চিত হব সব ঠিক আছে তখনই তারেক রহমানকে দেশে নিয়ে আসব।’

তারেক রহমান অবশ্যই দেশে ফিরবেন; তবে গোপনে নয়, বীরের বেশে, বিজয়ীর ভঙ্গিতে। যেদিন তিনি ফিরবেন, সেদিন এই দেশের আকাশবাতাসে ধ্বনিত হবে, ‘তুমি স্বাধীনতা রাখবে অমলিন, আমাদের তারেক রহমান।’

হাসবে গরিব-দুঃখী মানুষ, আনন্দে ভরে উঠবে রাজপথ আর কাঁদবে দেশিবিদেশি সব ষড়যন্ত্রকারী।

 

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক, আহ্বায়ক, আমরা বিএনপি পরিবার ও সদস্য, বিএনপি মিডিয়া সেল

এই বিভাগের আরও খবর
ভালো নেই অর্থনীতি
ভালো নেই অর্থনীতি
অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি
অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি
শেষবিদায়ের নামাজ
শেষবিদায়ের নামাজ
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা স্থগিত
যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা স্থগিত
দায়মুক্তি
দায়মুক্তি
নতুন প্রতিরক্ষা জোট সুযোগ না জটিলতা
নতুন প্রতিরক্ষা জোট সুযোগ না জটিলতা
জুমার দিনের বিশেষ আমল
জুমার দিনের বিশেষ আমল
চরের কৃষকের লড়াই ও সম্ভাবনার গল্প
চরের কৃষকের লড়াই ও সম্ভাবনার গল্প
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
উত্তপ্ত ইরান
উত্তপ্ত ইরান
সর্বশেষ খবর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কারোপ ট্রাম্পের, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কারোপ ট্রাম্পের, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা
ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর
অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

শেষবিদায়ের নামাজ
শেষবিদায়ের নামাজ

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু
গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার
নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা
নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন
রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার
মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা
গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক
গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!
গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত
জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার
বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি
ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা
আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও
দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও

পেছনের পৃষ্ঠা

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

দেশগ্রাম

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম

ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নগর জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩

নগর জীবন

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া
এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া

নগর জীবন

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি

নগর জীবন

শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ
শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ

দেশগ্রাম

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক

নগর জীবন