শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বিমান হাইজ্যাকের সেই ঘটনা

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বিমান হাইজ্যাকের সেই ঘটনা

লায়লা খালিদ ফিলিস্তিনের মুক্তিসংগ্রামের একজন নেত্রী। সে দেশের মুক্তিসংগ্রামে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণে ১৯৬৯ সালের ২৯ আগস্ট তিনি ইতালির রাজধানী রোমে যাত্রীবাহী বিমান হাইজ্যাক করেন। এ ঘটনার দুই বছর তিন মাস পাঁচ দিন পর ফ্রান্সে হাইজ্যাক হয় পিআইএর একটি বিমান। হাইজ্যাককারীর দাবি ছিল একটাই- বাংলাদেশের বিপন্ন মানুষের জন্য ২০ টন ওষুধ, চিকিৎসাসামগ্রী ও খাদ্য দিতে হবে। নইলে উড়িয়ে দেওয়া হবে হাইজ্যাক করা বিমান। ১৯৭১ সালে বিশ্ব ছিল দুই শিবিরে বিভক্ত। একদিকে আমেরিকাসহ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। অন্যদিকে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো। এর বাইরে ছিল জোট নিরপেক্ষ বিভিন্ন দেশ। সংখ্যায় বেশি হলেও সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে যারা ছিল পিছিয়ে। পাকিস্তানের শাসকরা ঐতিহ্যগতভাবে ছিল সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সেবাদাস। ইসরায়েলের মতো পাকিস্তানকেও যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্য হিসেবে ভাবা হতো। যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ মানুষ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকলেও শাসকগোষ্ঠী ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। অন্য পশ্চিমা দেশের শাসকরা জনসমর্থন হারানোর ভয়ে পাকিস্তানের পক্ষ না নিলেও বাংলাদেশের পক্ষাবলম্বন থেকে বিরত থাকে। ফ্রান্সের ভূমিকাও ছিল অভিন্ন।

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসরদের হাতে লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ধর্ষিত হয়েছে হাজার হাজার নারী। পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের গণহত্যা, জ্বালাওপোড়াও, নির্যাতন থেকে বাঁচতে এক কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় নেয়। শরণার্থী শিবিরগুলোতে নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় হাজার হাজার মানুষ। যাদের বেশির ভাগই শিশু। এ তথ্য সভ্য দুনিয়ার বিবেকবান মানুষের মধ্যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশি শরণার্থীদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসে পশ্চিমা দেশগুলোর সাধারণ মানুষ। তবে সে সহায়তা ছিল চাহিদার তুলনায় নগণ্য। ভারতের শরণার্থী শিবিরগুলোতে ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর অভাবে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ মরছে, এ খবরে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন এক ফরাসি তরুণ। তিনি বিমান হাইজ্যাকের সিদ্ধান্ত নেন। হাইজ্যাক করা বিমানের বদলে অসহায় মানুষদের জন্য চান মেডিকাল যন্ত্রপাতিসহ ২০ টন ওষুধ ও খাদ্য সাহায্য। অবিস্মরণীয় ঘটনাটি ঘটেছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে। ফ্রান্সে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস বা পিআইএর ৭২০বি উড়োজাহাজে যাত্রীবেশে ওঠেন ৩৮ বছরের ফরাসি তরুণ। নাম তাঁর জ্যাঁ কুয়ের। একপর্যায়ে যাত্রীবাহী বিমানের ককপিটে ঢোকেন। যুবকটি পাইলট আর কো-পাইলটকে বলেন বিমানটি ছিনতাই হয়েছে। জ্যাঁ কুয়েরের বুকে বাঁধা ছিল একটি ব্যাগ। পাইলট ও কো-পাইলটকে সেই ব্যাগ দেখিয়ে যুবক বলেন, এটি একটি শক্তিশালী টাইমবোমা। তাঁর দাবি অনুযায়ী বাংলাদেশি শরণার্থীদের জন্য ২০ টন ওষুধ ও খাদ্য না পাঠালে যাত্রীসহ পুরো বিমান ধ্বংস করা হবে।

নিয়াজী অপেক্ষা করছিলেন মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর আলোচকদের জন্য। জেনারেল নাগরা ও বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী তাঁর ঘরে ঢোকার মাধ্যমে সেই প্রতীক্ষার অবসান হয়। নিয়াজী জেনারেল নাগরাকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। তাঁর কাঁধে মাথা রেখে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকেন। কাঁদতে কাঁদতে বলেন, রাওয়ালপিন্ডির বাস্টার্ডরা এই পরিণতির জন্য দায়ী

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বিমান হাইজ্যাকের সেই ঘটনাজ্যাঁ কুয়ের বিমানটি দখলে নেওয়ার পর ফরাসি কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করে, তাঁর দাবি মেনে নেওয়া হবে। তারপর রেডক্রসের কর্মী এবং উড়োজাহাজের টেকনিশিয়ান পরিচয়ে ছদ্মবেশী প্রশিক্ষিত দুইজন কমান্ডো বিমানে ঢুকে পড়েন। তাঁরা কৌশলে জ্যাঁ কুয়েরকে নিচে নামিয়ে আনেন। বিমান হাইজ্যাকের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। ফরাসি যুবকের বুকে লেপটে থাকা ব্যাগে বোমার বদলে পাওয়া যায় একটি বাইবেল ও দুটি ডিকশনারি। নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন, জ্যাঁ কুয়ের অপরাধী নন বরং মানবতার ফেরিওয়ালা। তবে বিমান হাইজ্যাক যেহেতু গুরুতর অপরাধ, সেহেতু ফ্রান্সের আইন অনুযায়ী তাঁর বিচার হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা প্রত্যেকে সাক্ষ্য দেন, জ্যাঁ কুয়ের যা করেছেন তা মানবতার জন্য। কারও ক্ষতির ইচ্ছা ছিল না, তেমন কোনো চেষ্টাও তিনি করেননি।

তারপরও আইন তাঁকে ছাড়েনি। ফরাসি আদালত সে দেশের আইন অনুযায়ী তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। কারাদণ্ড দিলেও কুয়েরের দাবি অনুযায়ী ফ্রান্স সরকার বাংলাদেশের বিপন্ন মানুষের জন্য ২০ টন মেডিকেল সরঞ্জাম পাঠায়। বাংলাদেশপ্রেমী ফরাসি যুবকের জন্য সেটি ছিল এক বিরাট অর্জন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছে। ৩ লাখ মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছে পাকিস্তানি দখলদারদের পাশবিক নির্যাতনে। দুনিয়ার সব বিবেকবান মানুষ সেদিন দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের মানুষের পাশে। জ্যাঁ কুয়েরের মতো অনেক বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা আত্মত্যাগ করেছেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের জন্য।

দুই.

মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের বিপন্ন মানবতার পক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে বিশ্বখ্যাত গায়ক জর্জ হ্যারিসনের অবদান অসামান্য।

১৯৭১ সালে লস অ্যাঞ্জেলসে থাকার সময় তিনি তাঁর বন্ধু ভারতীয় সংগীতজ্ঞ রবি শঙ্করের কাছ থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অভিহিত হন। রবি শঙ্করের অনুপ্রেরণায় ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের বিপদাপন্ন মানুষের সাহায্যার্থে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ আয়োজন করেন। এতে জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রিস্টন, শিয়ন রাসেল, ব্যাড ফিঙ্গার, রিঙ্গে স্টারসহ অনেকে অংশ নেন। কানসার্ট থেকে আয় করা অর্থের ২ লাখ ৪৩ হাজার ডলার ত্রাণ হিসেবে ইউনিসেফকে দেওয়া হয়। স্মর্তব্য কনসার্টে জর্জ হ্যারিসনের গাওয়া ‘বাংলাদেশ’ গানটি জনপ্রিয়তার দিক থেকে চমক সৃষ্টি করে। এ গান তাঁকে অরমত্ব দান করে বললেও অত্যুক্তি হবে না।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ববাসীর সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গের লেখা ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ কবিতা। ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে এই মার্কিন কবি ভারতের শরণার্থী শিবির পরিদর্শনে যান। কলকাতার কবি-সাহিত্যিকদের বেশ কয়েকজনের সঙ্গে অ্যালেন গিন্সবার্গের বন্ধুত্ব ছিল আগে থেকেই। যাঁদের মধ্যে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন অন্যতম। তিনি তাঁর বাড়িতে ওঠেন। সময়টা ছিল বর্ষাকাল। বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সংযোগকারী যশোর রোড ছিল পানিমগ্ন। সড়কপথে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় নৌকায় করে বনগাঁ হয়ে তিনি বাংলাদেশের যশোর সীমান্তে পৌঁছান। যশোর রোডের দুই পাশের শরণার্থী শিবিরগুলোর মানবেতর পরিবেশ দেখে তিনি ব্যথিত হন। শরণার্থীদের দুরবস্থা দেখে তাঁর মন কেঁদে ওঠে। জীবনের সবচেয়ে দুঃখজনক এই অভিজ্ঞতা থেকেই গিন্সবার্গ লেখেন ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ কবিতাটি। এটি তিনি পরে গানে রূপান্তর করেন।

কবিতা লিখেই ক্ষান্ত হননি মানবতার ফেরিওয়ালা অ্যালেন গিন্সবার্গ। দেশে ফিরে তিনি তাঁর বন্ধু বব ডিলান ও অন্যান্য বিশ্বখ্যাত গায়ককে নিয়ে বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্যে কনসার্ট করেন। স্বাধীনতার পর সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড কবিতার বাংলায় অনুবাদ করেন কবি খান মোহাম্মদ ফারাবী। ‘যশোর রোড’ নামের সে কবিতাটি গান হিসেবে গেয়েছেন মৌসুমী ভৌমিক। চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ তাঁর চলচ্চিত্রে এটি গান হিসেবে ব্যবহার করেছেন। সে গানের প্রথম কটি লাইন হলো-

শত শত চোখ আকাশটা দেখে, শত শত শত মানুষের দল,/ যশোর রোডের দুধারে বসত বাঁশের ছাউনি কাদামাটি জল।/ কাদামাটি মাখা মানুষের দল, গাদাগাদি করে আকাশটা দেখে,/ আকাশে বসত মরা ঈশ্বর, নালিশ জানাবে ওরা বল কাকে।/ ঘরহীন ওরা ঘুম নেই চোখে, যুদ্ধে ছিন্ন ঘর বাড়ি দেশ,/ মাথার ভিতরে বোমারু বিমান, এই কালরাত কবে হবে শেষ।

তিন.

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে পাকিস্তান বাহিনীর দখলদারত্ব ছিল নগর শহর বন্দর এলাকায় সীমাবদ্ধ। বেশির ভাগ গ্রাম ছিল মুক্তিবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। নভেম্বরেই পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে কোণঠাসা হয়ে পড়ে। দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ড গঠিত হয়। যৌথ কমান্ডের নেতৃত্বে ছিলেন ভারতের ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। একাত্তরের ৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতে বিমান হামলা চালায়। এর এক দিন পর ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। স্বীকৃতি দেওয়ার পর বাংলাদেশের পাকিস্তানি সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক বিমান হামলা চালানো হয়। মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে ২৩০ বার বিমান হামলা চালিয়ে তারা পাকিস্তানি বাহিনীকে কোণঠাসা করে ফেলে। ধ্বংস হয়ে যায় পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সব যুদ্ধবিমান।

টাঙ্গাইলে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সৈন্য নামানো হয় বিমান থেকে প্যারাশুটে করে। ডিসেম্বরের আগেই পাকিস্তানিদের অবস্থান রাজধানী ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রাম নগরীতে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। মিত্রবাহিনীর কৌশল ছিল রাজধানী ঢাকা দখল করে পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণ নিশ্চিত করা। তারা এজন্য সময় নির্ধারণ করে দেয়। লে. জেনারেল নিয়াজীর নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান বাহিনী বুঝে যায়, আত্মসমর্পণ না করলে তাদের ধ্বংস অনিবার্য। তারা ভারতীয় বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণে রাজি হয়। সিদ্ধান্ত হয় ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করবে পাকিস্তানি বাহিনী। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য তারা মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে মেজর জেনারেল জামশেদ গুলজার কিয়ানিকে পাঠায়।

১৬ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টা। সেদিন রাজধানী ঢাকা ছিল ঘন কুয়াশায় ঢাকা। শহরজুড়ে জারি ছিল কারফিউ। রাস্তাঘাট জনশূন্য। ঠিক সেই মুহূর্তে যৌথ বাহিনীর ঘাঁটি থেকে দুটি গাড়ি ছুটে যাচ্ছে পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ডের হেড কোয়ার্টারের দিকে। দুটি গাড়ির প্রথমটা জিপ। যেটিতে আছেন মেজর জেনারেল জামশেদ। দ্বিতীয়টায় পতাকা ওড়ানো স্টাফ কার। যে কারে আছেন ভারতীয় বাহিনীর মেজর জেনারেল নাগরা ও কাদেরিয়া বাহিনীর অধিনায়ক বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী অপেক্ষা করছিলেন মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর আলোচকদের জন্য। জেনারেল নাগরা ও বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী তাঁর ঘরে ঢোকার মাধ্যমে সেই প্রতীক্ষার অবসান হয়। নিয়াজী জেনারেল নাগরাকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। তাঁর কাঁধে মাথা রেখে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকেন। কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘রাওয়ালপিন্ডির বাস্টার্ডরা আমার আজকের এই পরিণতির জন্য দায়ী।’

নিয়াজী একটু আত্মস্থ হতেই জেনারেল নাগরা তাঁর পাশে দাঁড়ানো মানুষটির সঙ্গে নিয়াজীকে পরিচয় করিয়ে দেন। বলেন, ইনি টাইগার সিদ্দিকী। জেনারেল নিয়াজী অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন, কাদেরিয়া বাহিনীর তরুণ অধিনায়কের দিকে। পাকিস্তানি জেনারেলের সংবিৎ ফিরে পেতে কিছুটা সময় লাগল। একসময় নিয়াজী করমর্দনের জন্য হাত বাড়ান কাদের সিদ্দিকীর দিকে। বঙ্গবীর হাত এগিয়ে দিলেন না পাকিস্তানি সেনাপতির দিকে। ক্ষোভের সঙ্গে বললেন, নারী এবং শিশু হত্যাকারীদের সঙ্গে তিনি করমর্দন করেন না। নিয়াজীর জন্য অপমানজনক হওয়া সত্ত্বেও তিনি চুপ থাকলেন। তাঁর করার কিছুই ছিল না। দুই পক্ষের বৈঠকে নিয়াজী আপত্তি জানালেও সিদ্ধান্ত হয়, ওই দিনই রেসকোর্স ময়দানে প্রকাশ্যে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করবে মিত্রবাহিনীর কাছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিকাল ৪টা ৩১ মিনিটে ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পণ করে যৌথ বাহিনীর কমান্ডার লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে। এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে অংশগ্রহণ করেন মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান এয়ার কমান্ডার একে খন্দকার। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর কোনো বাহিনীর এত বেশি সৈন্য প্রতিপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করেনি।

আত্মসমর্পণ দলিলের মোদ্দা কথা

পূর্ব রণাঙ্গনে ভারত ও বাংলাদেশ বাহিনীর অধিনায়ক লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে বাংলাদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানের সব সশস্ত্র বাহিনী আত্মসমর্পণে সম্মত হলো। পাকিস্তানের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীসহ সব আধাসামরিক ও বেসামরিক সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেত্রে এই আত্মসমর্পণ প্রযোজ্য হবে। এই বাহিনীগুলো যে যেখানে আছে, সেখান থেকে লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কর্তৃত্বাধীন সবচেয়ে নিকটস্থ সেনাদের কাছে আত্মসমর্পণ করবে।

লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা আত্মসমর্পণকারী সেনাদের জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী প্রাপ্য মর্যাদা ও সম্মান দেওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করছেন এবং আত্মসমর্পণকারী পাকিস্তানি সামরিক ও আধাসামরিক ব্যক্তিদের নিরাপত্তা ও সুবিধার অঙ্গীকার করছেন। বিদেশি নাগরিক, সংখ্যালঘু জাতিসত্তা ও জন্মসূত্রে পশ্চিম পাকিস্তানি ব্যক্তিদের সুরক্ষাও দেওয়া হবে।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
খেলাপি ঋণ
খেলাপি ঋণ
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি
পবিত্র শাবান মাসের গুরুত্ব ও করণীয়
পবিত্র শাবান মাসের গুরুত্ব ও করণীয়
এজেন্ট ব্যাংকিং : আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সাফল্য ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ
এজেন্ট ব্যাংকিং : আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সাফল্য ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ
সুশীল সেবক থেকে সুশীল সমাজ : এম হাফিজ উদ্দিন খান
সুশীল সেবক থেকে সুশীল সমাজ : এম হাফিজ উদ্দিন খান
কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, গণতন্ত্রকে জয়ী করুন
কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, গণতন্ত্রকে জয়ী করুন
বাজার সিন্ডিকেট
বাজার সিন্ডিকেট
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন
সর্বশেষ খবর
নির্বাচনী প্রচারণায় জনচলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে সভা-সমাবেশ নয়: ইসি
নির্বাচনী প্রচারণায় জনচলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে সভা-সমাবেশ নয়: ইসি

এই মাত্র | ভোটের হাওয়া

নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই গণতান্ত্রিক উত্তরণের পূর্বশর্ত: সুজন সম্পাদক
নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই গণতান্ত্রিক উত্তরণের পূর্বশর্ত: সুজন সম্পাদক

১ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধানের সঙ্গে হামাস প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধানের সঙ্গে হামাস প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য: নবীউল্লাহ নবী
নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য: নবীউল্লাহ নবী

৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

শৈলকুপায় ট্রাকচাপায় বাইসাইকেল চালক নিহত
শৈলকুপায় ট্রাকচাপায় বাইসাইকেল চালক নিহত

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে চলছে শেষ ধাপের নির্বাচন
মিয়ানমারে চলছে শেষ ধাপের নির্বাচন

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেহেরপুরে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার
মেহেরপুরে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিইসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল
সিইসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নরসিংদীতে ধানের শীষের ভোট চাইলেন খায়রুল কবির খোকন
নরসিংদীতে ধানের শীষের ভোট চাইলেন খায়রুল কবির খোকন

২৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

আমি কীভাবে ‘ভাই ব্যবসা’ করলাম— প্রশ্ন মীর স্নিগ্ধের
আমি কীভাবে ‘ভাই ব্যবসা’ করলাম— প্রশ্ন মীর স্নিগ্ধের

৩০ মিনিট আগে | ফেসবুক কর্নার

নওগাঁয় ধানবোঝাই ট্রাক ডাকাতি, আটক ৬
নওগাঁয় ধানবোঝাই ট্রাক ডাকাতি, আটক ৬

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণড়িয়ায় নারীদের ভোটাধিকার ও নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা
ব্রাহ্মণড়িয়ায় নারীদের ভোটাধিকার ও নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যেকোনো মূল্যে বিএনপি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে : তারেক রহমান
যেকোনো মূল্যে বিএনপি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে : তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নবম পে-স্কেল: প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়বে কত?
নবম পে-স্কেল: প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়বে কত?

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার প্রকাশ্যে এল মাদুরোকে আটক অভিযানের রক্তচক্ষু কাহিনী!
এবার প্রকাশ্যে এল মাদুরোকে আটক অভিযানের রক্তচক্ষু কাহিনী!

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা সফল করতে আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ পরিদর্শন
বগুড়ায় তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা সফল করতে আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ পরিদর্শন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে
দুই দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

কমিশনের প্রতি বিদেশি কূটনীতিকরা শতভাগ আস্থা প্রকাশ করেছেন: সিইসি
কমিশনের প্রতি বিদেশি কূটনীতিকরা শতভাগ আস্থা প্রকাশ করেছেন: সিইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হবিগঞ্জ-৩ আসনে চলছে ধানের শীষের ব্যাপক গণসংযোগ
হবিগঞ্জ-৩ আসনে চলছে ধানের শীষের ব্যাপক গণসংযোগ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘পাকিস্তান বিশ্বকাপে না গেলে সেখানে খেলবে উগান্ডা’
‘পাকিস্তান বিশ্বকাপে না গেলে সেখানে খেলবে উগান্ডা’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার
আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যাকেই ভোট দেবেন বিবেচনা করে দেবেন: নাহিদ ইসলাম
যাকেই ভোট দেবেন বিবেচনা করে দেবেন: নাহিদ ইসলাম

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গণভোটের প্রচার ও ভোটে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ইমাম সম্মেলন
গণভোটের প্রচার ও ভোটে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ইমাম সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হিমাচলে অতিরিক্ত তুষারপাত, বিপর্যস্ত জনজীবন
হিমাচলে অতিরিক্ত তুষারপাত, বিপর্যস্ত জনজীবন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না: তারেক রহমান
সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না: তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সিডনিতে চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার অভিষেক ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
সিডনিতে চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার অভিষেক ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

আমেরিকায় বিদ্যুৎহীন দেড় লাখের বেশি গ্রাহক
আমেরিকায় বিদ্যুৎহীন দেড় লাখের বেশি গ্রাহক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বর্ডার ২-এর ধাক্কায় অবশেষে কমল রণবীরের ধুরন্ধরের আয়
বর্ডার ২-এর ধাক্কায় অবশেষে কমল রণবীরের ধুরন্ধরের আয়

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘বয়কট’ গুঞ্জনের মধ্যে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান
‘বয়কট’ গুঞ্জনের মধ্যে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’
‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সর্বাধিক পঠিত
আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে যা বললো বিসিবি
আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে যা বললো বিসিবি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হওয়ার কথা ছিল গণ-অভ্যুত্থানের নেতা, হয়ে গেছে ওবায়দুল কাদের : তাজনুভা
হওয়ার কথা ছিল গণ-অভ্যুত্থানের নেতা, হয়ে গেছে ওবায়দুল কাদের : তাজনুভা

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া নয়, সবচেয়ে বেশি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যে দেশের হাতে
যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া নয়, সবচেয়ে বেশি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যে দেশের হাতে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কিডনির পাথর গলে যাবে যে পাতার রসে
কিডনির পাথর গলে যাবে যে পাতার রসে

২৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

বাংলাদেশ ছাড়াই বিশ্বকাপ, আইসিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি
বাংলাদেশ ছাড়াই বিশ্বকাপ, আইসিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত
সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারেন: হান্নান মাসউদ
নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারেন: হান্নান মাসউদ

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!
বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদে থাকলে ক্রিকেটাররা কেন খেলতে পারবে না'
'শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদে থাকলে ক্রিকেটাররা কেন খেলতে পারবে না'

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার বিশ্বকাপ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতের পথে বিসিবি
এবার বিশ্বকাপ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতের পথে বিসিবি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাদুরো অপহরণ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
মাদুরো অপহরণ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা কি ইসরায়েলি আক্রমণ ঠেকাতে পারবে?
ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা কি ইসরায়েলি আক্রমণ ঠেকাতে পারবে?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকার নির্দেশ দিলে বিশ্বকাপ খেলবে না পাকিস্তান
সরকার নির্দেশ দিলে বিশ্বকাপ খেলবে না পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের ১১ দলীয় জোট গঠন জামায়াতের
ফের ১১ দলীয় জোট গঠন জামায়াতের

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার
আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীন কানাডাকে জ্যান্ত গিলে খাবে, ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের
চীন কানাডাকে জ্যান্ত গিলে খাবে, ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘মওদুদীবাদী জামায়াতের বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা আলেমদের ধর্মীয় দায়িত্ব’
‘মওদুদীবাদী জামায়াতের বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা আলেমদের ধর্মীয় দায়িত্ব’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজ স্বার্থে ওসমান হাদিকে বিক্রি করছেন : আবদুল কাদের
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজ স্বার্থে ওসমান হাদিকে বিক্রি করছেন : আবদুল কাদের

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিসিবিতে ছয় মাসের দুর্নীতি পাপন আমলের ১৫ বছরকেও ছাড়িয়ে গেছে : বোর্ড পরিচালক
বিসিবিতে ছয় মাসের দুর্নীতি পাপন আমলের ১৫ বছরকেও ছাড়িয়ে গেছে : বোর্ড পরিচালক

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর
ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভাঙনের মুখে ইরান, আরও বড় ধাক্কা আসছে?
ভাঙনের মুখে ইরান, আরও বড় ধাক্কা আসছে?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্ব জনগণের জন্য সুবিধা বয়ে এনেছে : প্রণয় ভার্মা
বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্ব জনগণের জন্য সুবিধা বয়ে এনেছে : প্রণয় ভার্মা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা
প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বুলবুলের ওপর ক্ষোভ আইসিসির
বুলবুলের ওপর ক্ষোভ আইসিসির

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যা বললেন পিসিবি চেয়ারম্যান
বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যা বললেন পিসিবি চেয়ারম্যান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার উদাসীন পেঙ্গুইনের সাথে গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্প!
এবার উদাসীন পেঙ্গুইনের সাথে গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্প!

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ‘অপমানজনক’ বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ইউরোপ
ট্রাম্পের ‘অপমানজনক’ বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ইউরোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগ
বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত জিততে পারবে না
সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত জিততে পারবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর
গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর

পেছনের পৃষ্ঠা

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে পাল্টাপাল্টি
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে পাল্টাপাল্টি

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তপ্ত ভোটের মাঠ
উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

প্রথম পৃষ্ঠা

একটি দল ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন
একটি দল ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্মাণাধীন ভবনের রড পড়ে পথচারী নিহত
নির্মাণাধীন ভবনের রড পড়ে পথচারী নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?
তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিতে দুর্বলতা উদ্বেগের
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিতে দুর্বলতা উদ্বেগের

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুটসালে ইতিহাস গড়ার দিন
ফুটসালে ইতিহাস গড়ার দিন

মাঠে ময়দানে

সরকারে গেলে গুরুত্ব পাবে প্রাথমিক শিক্ষা
সরকারে গেলে গুরুত্ব পাবে প্রাথমিক শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন দিন পর কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার
তিন দিন পর কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই
বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই

প্রথম পৃষ্ঠা

কেরানীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতার মৃত্যু
কেরানীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতার মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

নানান কৌশলে প্রচার
নানান কৌশলে প্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

সিন্ডিকেট চক্রে জিম্মি প্রশিক্ষণার্থীরা
সিন্ডিকেট চক্রে জিম্মি প্রশিক্ষণার্থীরা

নগর জীবন

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও হলো ‘১১-দলীয় জোট’
আবারও হলো ‘১১-দলীয় জোট’

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনে চলছে টাকার খেলা
নির্বাচনে চলছে টাকার খেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণার কারণেই কোকোর মৃত্যু
ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণার কারণেই কোকোর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম অনুপ্রেরণা জোগায়
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম অনুপ্রেরণা জোগায়

প্রথম পৃষ্ঠা

আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন অবশেষে গ্রেপ্তার
আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন অবশেষে গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের জায়গায় খেলবে স্কটল্যান্ড
বাংলাদেশের জায়গায় খেলবে স্কটল্যান্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

সভা-সম্মেলনে ফল শূন্য
সভা-সম্মেলনে ফল শূন্য

প্রথম পৃষ্ঠা

নাটকে ফিরছে পারিবারিক গল্প
নাটকে ফিরছে পারিবারিক গল্প

শোবিজ

বিদেশ সফরেও কমছে এফডিআই
বিদেশ সফরেও কমছে এফডিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদের আগে শাকসু নির্বাচন দাবিতে বিক্ষোভ
সংসদের আগে শাকসু নির্বাচন দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে দ্রুত পাঠানোর তাগাদা ইসির
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে দ্রুত পাঠানোর তাগাদা ইসির

পেছনের পৃষ্ঠা