শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩০, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫

নির্বাচনি ট্রেনের গন্তব্য যেন ফেব্রুয়ারিই হয়

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচনি ট্রেনের গন্তব্য যেন ফেব্রুয়ারিই হয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে আজ। নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সব প্রস্তুতি অবহিত করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সহযোগিতা কামনা করেছেন। প্রধান বিচারপতি পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন। গতকাল বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণ রেকর্ড করা হয়েছে। বলতে গেলে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি প্রায় শেষ। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষায় ‘আমরা এখন নির্বাচনি ট্রেনে’। এদিকে রাজনৈতিক দলগুলো এখনো নিজ নিজ অবস্থান শক্ত করতে পারেনি। নির্বাচনের জন্য কোনো দল বা জোটই এখন পর্যন্ত শতভাগ প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেনি। ৩০০ আসনের মধ্যে প্রধান রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এখনো ২৮ আসন খালি রেখেছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও তাদের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করতে পারেনি। আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটও ৩০০ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। এ জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গতকাল ১২৫ আসনে তাদের প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে। আনিসুল-মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের মাত্র আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। নির্বাচনের অন্যতম অংশীজন হলো রাজনৈতিক দল ও জনগণ। দেশের জনগণ প্রায় ১৭ বছর ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। তারা ভোটের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তুতি এখনো সম্পন্ন হয়নি। হয়তো তফসিল ঘোষণার পর সব প্রস্তুতির তোড়জোড় শুরু হবে। তার পরও পর্দার আড়ালে, বাতাসে বা দেয়ালে কান পাতলে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে-‘ভাই নির্বাচন হবে তো?’ কোনো কোনো রাজনৈতিক নেতা বা রাজনীতির খবর রাখেন এমন সচেতন প্রাজ্ঞজনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘দেখা যাক শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হয় কি না।’ কেউ কেউ মনে করেন নির্বাচনি ট্রেনের শেষ গন্তব্য যদি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিই হয়, তাহলে জয়ী হবে দেশের জনগণ ও গণতন্ত্র। আরও বেশি সম্মানিত হবেন নোবেল লরিয়েট ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আর পালিয়ে দেশ ছাড়বে নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টায় জড়িত কুচক্রী কুশীলবরা।

বাংলাদেশে এ যাবৎ ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনগুলোতে তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ভোট গ্রহণের দিন পর্যন্ত গড়ে ৪৯ দিন সময় প্রয়োজন হয়। তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়নপত্র দাখিল, যাচাইবাছাই, মনোনয়নপত্র নিয়ে আপিল, আপিলের শুনানি, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দের জন্য ৩০ দিন সময় লাগে। অবশ্য অতীতে পাঁচটি নির্বাচনে একাধিকবার তফসিল পরিবর্তন হয়েছে। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমে তফসিল ঘোষণা করা হয় ১৯৭৮ সালের ১ ডিসেম্বর। সেই তারিখ পরিবর্তন করে ২৭ ডিসেম্বর পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম তফসিলে নির্বাচনের দিন নির্ধারিত হয় ১৯৮৬ সালের ২ মার্চ। পরিবর্তিত দ্বিতীয় তফসিলে ভোট হয় ১৯৮৬ সালের ২২ মার্চ। ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম সংসদ নির্বাচনের প্রথম তফসিল ঘোষণার দিন ঠিক হয় ১৯৯০ সালের ১৫ ডিসেম্বর। সেটা পরিবর্তন করে ১৯৯১ সালের ৭ জানুয়ারি পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৬ সালে অনুুষ্ঠিত ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে চারবার তফসিল ঘোষণা হয়। প্রথম তফসিলে ১৯৯৫ সালের ৩ ডিসেম্বর, দ্বিতীয় তফসিলে ১৯৯৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর, তৃতীয় তফসিলে ১৯৯৬ সালের ২ জানুয়ারি এবং সর্বশেষ ১৯৯৬ সালের ৮ জানুয়ারি নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হয়। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনবার তফসিল ঘোষণা করা হয়। প্রথমবার ভোট গ্রহণের দিন ছিল ২০০৮ সালের ২ নভেম্বর, দ্বিতীয়বার ২০ নভেম্বর এবং সর্বশেষ ২৩ নভেম্বর। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে যেহেতু এখনো অনেকের মধ্যে নানান সন্দেহ-সংশয় আছে, সে কারণেই দেশবাসীর প্রত্যাশা হলো নির্বাচনি ট্রেনের যাত্রা যেন ফেব্রুয়ারিতেই শেষ হয়।

আবার কোনো লোভের কারণে যদি নির্বাচন সময়মতো না হয়, দেশ যদি আবার কোনো সংকটে পড়ে তাহলে এখন যারা ক্ষমতায় আছেন, তাদের জন্য কোথাও কোনো হেলিকপ্টার অপেক্ষায় থাকবে না

নির্বাচনি ট্রেনের গন্তব্য যেন ফেব্রুয়ারিই হয়এবার জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে ছোট-বড় সব রাজনৈতিক দলের ওপর। নির্বাচন কমিশন জোটের প্রার্থীদের ‘একটি’ মার্কা ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে ইসি নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশে আইনে পরিণত করেছে। কমিশনের রিপোর্টের ৭.১১ ধারায় জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘অংশীজনের সঙ্গে আলোচনাকালে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করার ক্ষেত্রে প্রার্থীগণ তাদের স্ব স্ব দলের জন্য নির্ধারিত প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার বিষয়ে অনেকে মতামত প্রদান করেন। সংস্কার কমিশন মনে করে, জোটবদ্ধ হওয়ার ফলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ছোট দলগুলো বড় দলের প্রতীক ব্যবহার করে থাকে। ফলে ছোট দলগুলোর কোনো রাজনৈতিক দর্শন, আদর্শ, নীতি বা স্বতন্ত্রসূচক কোনো কার্য ভোটারের কাছে প্রতিফলিত হয় না। অন্য দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার ফলে ভোটার দল বা প্রার্থী বিবেচনা না করে প্রতীক দেখেই ভোট দিয়ে থাকেন। মূলত ভোটার এ ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হয়ে থাকেন। ছোট দলগুলো যেন তাদের রাজনৈতিক দর্শন, নীতি বা নিজস্ব স্বাতন্ত্র্যসূচক কার্য পরিচালনা করে দলকে শক্তিশালী করতে পারে, এ লক্ষ্যে আরপিও অনুচ্ছেদ ২০-এর দফা(১) উপদফা (ক)-এর শতাংশে সংশোধনের প্রস্তাব করা হচ্ছে।’ কমিশন এ ক্ষেত্রে সংশোধনের যে সুপারিশ করে, তা হলো- ‘দুই বা ততোধিক রাজনৈতিক দল জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার লক্ষ্যে যৌথভাবে প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রার্থীগণ তাদের স্ব স্ব দলের নির্ধারিত প্রতীকই বরাদ্দ পাবেন এমন ধারা যুক্ত করা।’ সংস্কার কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ইসি আরপিও সংশোধন করে। এর ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়। বিশেষ করে ছোট দলগুলো অস্তিত্বের সংকটে পড়ে। কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই নির্বাচন কমিশন (ইসি) এমন বিধান করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বিএনপি ও সমমনা কয়েকটি দল। শরিকদের কথা চিন্তা করে পরিবর্তনের দাবি জানালেও তা মানেনি ইসি। আবার জামায়াতে ইসলামীসহ ইসলামি দলগুলো বলছে, আরপিওতে প্রতীকসংক্রান্ত নতুন নিয়ম তারা সমর্থন করছে। কারণ তারা মনে করছে, এর মাধ্যমে জোটবদ্ধ হলেও দলগুলো স্বতন্ত্র পরিচয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। জোটের মার্কার বিষয়ে পেছনের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটে থেকেও জাতীয় পার্টি তাদের লাঙল প্রতীক নিয়েই নির্বাচন করেছিল। আবার ওই নির্বাচনসহ ২০২৪ পর্যন্ত পরের সব নির্বাচনেই আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন রাশেদ খান মেননের ওয়ার্কার্স পার্টি ও হাসানুল হক ইনুর জাসদের প্রার্থীরা। আবার ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটে থেকে ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থীরা বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন। তবে জামায়াতে ইসলামী সেই নির্বাচনে তাদের দলীয় দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়েই অংশ নিয়েছিল। ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ ও ১৪-দলীয় জোটের প্রার্থীরা নৌকা প্রতীকে আর বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। এত দিন জোটবদ্ধ দলগুলো নিজেরা নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাত যে তারা জোটের প্রতীকে নির্বাচন করতে চায়। আবার জোট থেকেও প্রতীক নিয়ে একটি চিঠি কমিশনকে দেওয়া হতো। ফলে জোটের প্রতীক নিয়ে যেমন নির্বাচনে অংশ নেওয়া যেত, তেমন জোটবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল। এবার মার্কার সংকটে পড়েছে নির্বাচনমুখী জোটবদ্ধ বিভিন্ন দল। সে কারণেই কোনো কোনো ছোট দল নিজে থেকেই বিলুপ্ত ঘোষণা করছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম সোমবার নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। কারণ বাংলাদেশে এটা প্রতিষ্ঠিত যে নির্বাচনে প্রার্থীর চেয়ে মার্কাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

মোহাম্মদ মাহতাব উদ্দিন আমার লেখার একজন পাঠক। চার মাস পর হাওড়াঞ্চলের মাহতাব ফোন করে অনেক কথা বললেন। প্রায় ১০ মিনিট একদমে কথা। শুরুতেই আমার ওপর তার অনেক অভিমান প্রকাশ করলেন। বললেন, ‘স্যার, আপনে জানেন আমি আপনার লেখার একজন ভক্ত। আপনে তো আমার জন্য কিছুই করলেন না। আমি আপনের কাছে কিছু চাই না। আমারে শুধু একটা টিকেট জোগাড় কইরা দেন। আমারে নিরাশ কইরেন না স্যার। আপনে ইচ্ছা করলেই আমি একটা টিকেট পাইতে পারি। স্যার, আপনে তো জানেন অভাবের কারণে লেখাপড়া করতে পারি নাই। বিয়াশাদি করি নাই। কোনো পয়পোলাপান নাই। মরে গেলে আমার কবরের পাশে দাঁড়াইয়া কেউ যে রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সগিরা পড়বে, এই মানুষটাও তো আমার নাই। একটা টিকেট পাইলে তো আমার সব চিন্তা দূর হইয়া যায়।’ প্রশ্ন করলাম, ‘কীসের টিকিট, কোথায় পাওয়া যায়?’ উত্তরে অনেকটা বিস্মিত হয়েই মাহতাব বললেন, ‘কেন স্যার, আপনে জানেন না, সারা দেশে যে বেহেশতের টিকেট বিক্রি হইতাছে। আমারে আপনে একটা বেহেশতের টিকেট জোগাড় কইরা দেন। আমি আপনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। বিনিময়ে আমি আপনেরে কিছুই দিতে পারব না। আমি জানি আপনে মাছ খুব পছন্দ করেন। আপনে কিছু মনে না করলে একদিন আপনের জন্য হাওড়ের দেশি কিছু মাছ নিয়ে আসব। দয়া কইরা একটা টিকেট জোগাড় কইরা দেন।’ মাহতাবের কথা শুনে আমি রীতিমতো হতবাক হয়ে গেলাম। কিছু বলতে পারলাম না। তারপর আরও অনেক কথা বললেন। মাহতাব অত্যন্ত রাজনীতিসচেতন মানুষ। প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার সার্টিফিকেট তার নেই। কিন্তু তার বিস্তর পড়াশোনা আছে। একপর্যায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খবর জানতে চাইলেন। যতটুকু জানি ততটুকু তাকে বললাম। বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও বিএনপির রাজনীতি প্রসঙ্গে মাহতাব বললেন, ‘স্যার, আমার মনে হয় বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার মতো রাজনীতিবিদ আর জন্ম নিবে না। তিনি দেশের মানুষের যে দোয়া ও ভালোবাসা পাইছেন, তা আর কারও ভাগ্যে জুটব না। আমি উনার জন্য তাহাজ্জতের নামাজ পইড়া দোয়া করি। স্যার আরেকটা কথা। তারেক রহমান স্যারের সঙ্গে আপনের যদি কথা হয়, তাইলে আমার সালাম জানাইয়া বলবেন, মুক্তিযুদ্ধ ও একাত্তর লইয়া তার বক্তব্যে দেশবাসীর কাছে তার রাজনীতি তিনি পরিষ্কার করছেন। এইটাই বিএনপির রাজনীতি হওয়া দরকার।’

মাহতাবের মতো আমরা সবাই দেশ, দেশের মানুষ, দেশের উন্নতি-সমৃদ্ধি, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিয়ে চিন্তা করি। অতীতে ক্ষমতার লোভের কারণে দেশে নানান সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। দেশে গণতান্ত্রিক সরকার চাই। বর্তমান সরকার সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে বলে এখনো দেশবাসী আশায় বুক বেঁধে আছে। আবার কোনো লোভের কারণে যদি নির্বাচন সময়মতো না হয়, দেশ যদি আবার কোনো সংকটে পড়ে তাহলে এখন যারা ক্ষমতায় আছেন, তাদের জন্য কোথাও কোনো হেলিকপ্টার অপেক্ষায় থাকবে না।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
খেলাপি ঋণ
খেলাপি ঋণ
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি
পবিত্র শাবান মাসের গুরুত্ব ও করণীয়
পবিত্র শাবান মাসের গুরুত্ব ও করণীয়
এজেন্ট ব্যাংকিং : আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সাফল্য ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ
এজেন্ট ব্যাংকিং : আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সাফল্য ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ
সুশীল সেবক থেকে সুশীল সমাজ : এম হাফিজ উদ্দিন খান
সুশীল সেবক থেকে সুশীল সমাজ : এম হাফিজ উদ্দিন খান
কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, গণতন্ত্রকে জয়ী করুন
কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, গণতন্ত্রকে জয়ী করুন
বাজার সিন্ডিকেট
বাজার সিন্ডিকেট
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন
সর্বশেষ খবর
নির্বাচন নিয়ে কূটনীতিকদের ব্রিফ করছে ইসি
নির্বাচন নিয়ে কূটনীতিকদের ব্রিফ করছে ইসি

১ সেকেন্ড আগে | ভোটের হাওয়া

বান্দরবানে এনসিপি জেলা কমিটির সদস্য সচিবের পদত্যাগ
বান্দরবানে এনসিপি জেলা কমিটির সদস্য সচিবের পদত্যাগ

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সুরবদল, এবার ব্রিটিশ সেনাদের প্রশংসায় ভাসালেন ট্রাম্প
সুরবদল, এবার ব্রিটিশ সেনাদের প্রশংসায় ভাসালেন ট্রাম্প

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অর্থ বিভাগের দায়িত্ব ফিরে পেলেন বিসিবির সেই পরিচালক
অর্থ বিভাগের দায়িত্ব ফিরে পেলেন বিসিবির সেই পরিচালক

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজ স্বার্থে ওসমান হাদিকে বিক্রি করছেন : আবদুল কাদের
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজ স্বার্থে ওসমান হাদিকে বিক্রি করছেন : আবদুল কাদের

২০ মিনিট আগে | রাজনীতি

যে কারণে জেলেনস্কির ওপর ক্ষেপেছে ইরান
যে কারণে জেলেনস্কির ওপর ক্ষেপেছে ইরান

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালদ্বীপকে ১৪ গোলে উড়িয়ে সাফ নারী ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
মালদ্বীপকে ১৪ গোলে উড়িয়ে সাফ নারী ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্যার’ না, ভাইয়া ডাকলে ভালো লাগবে: তারেক রহমান
‘স্যার’ না, ভাইয়া ডাকলে ভালো লাগবে: তারেক রহমান

৩৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

যে কারণে চারটি দল মাত্র একজন করে প্রার্থী দিল
যে কারণে চারটি দল মাত্র একজন করে প্রার্থী দিল

৪১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যা বললেন পিসিবি চেয়ারম্যান
বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যা বললেন পিসিবি চেয়ারম্যান

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৃটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৃটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

৪৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পিকআপের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ১
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পিকআপের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ১

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ না খেললেই কি থেমে যাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট?
বিশ্বকাপ না খেললেই কি থেমে যাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট?

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে ড্রেন থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
রাজশাহীতে ড্রেন থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!
বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীপুরে অটোরিকশা চালকদের মহাসড়ক অবরোধ, দেড় ঘণ্টা পর স্বাভাবিক
শ্রীপুরে অটোরিকশা চালকদের মহাসড়ক অবরোধ, দেড় ঘণ্টা পর স্বাভাবিক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাজ্যে ‘কন্যাভ্রূণ হত্যায়’ রেকর্ড ভারতীয়দের
যুক্তরাজ্যে ‘কন্যাভ্রূণ হত্যায়’ রেকর্ড ভারতীয়দের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবিতে ছয় মাসের দুর্নীতি পাপন আমলের ১৫ বছরকেও ছাড়িয়ে গেছে : বোর্ড পরিচালক
বিসিবিতে ছয় মাসের দুর্নীতি পাপন আমলের ১৫ বছরকেও ছাড়িয়ে গেছে : বোর্ড পরিচালক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে দেশ গঠনে তরুণদের পরামর্শ চায় বিএনপি
দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে দেশ গঠনে তরুণদের পরামর্শ চায় বিএনপি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কানাডার সাস্কাটুনে উৎসব মুখর পরিবেশে সরস্বতী পূজা উদযাপিত
কানাডার সাস্কাটুনে উৎসব মুখর পরিবেশে সরস্বতী পূজা উদযাপিত

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

‘বিসিবির পক্ষ থেকে আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না’
‘বিসিবির পক্ষ থেকে আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ অটোরিকশা চালকদের
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ অটোরিকশা চালকদের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তারেক রহমান
তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ, আইসিসির ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন আফ্রিদি
বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ, আইসিসির ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় তৃতীয় দিনের যুক্তিতর্ক আজ
শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় তৃতীয় দিনের যুক্তিতর্ক আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন উপকারিতা
খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন উপকারিতা

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ঠাকুরগাঁওয়ে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত
ঠাকুরগাঁওয়ে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
আপিল বাতিল: বিসিবির সামনে এখন যে পথ খোলা
আপিল বাতিল: বিসিবির সামনে এখন যে পথ খোলা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে যা বললো বিসিবি
আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে যা বললো বিসিবি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হওয়ার কথা ছিল গণ-অভ্যুত্থানের নেতা, হয়ে গেছে ওবায়দুল কাদের : তাজনুভা
হওয়ার কথা ছিল গণ-অভ্যুত্থানের নেতা, হয়ে গেছে ওবায়দুল কাদের : তাজনুভা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া নয়, সবচেয়ে বেশি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যে দেশের হাতে
যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া নয়, সবচেয়ে বেশি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যে দেশের হাতে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ ছাড়াই বিশ্বকাপ, আইসিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি
বাংলাদেশ ছাড়াই বিশ্বকাপ, আইসিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কিডনির পাথর গলে যাবে যে পাতার রসে
কিডনির পাথর গলে যাবে যে পাতার রসে

২০ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এবার বিশ্বকাপ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতের পথে বিসিবি
এবার বিশ্বকাপ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতের পথে বিসিবি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারেন: হান্নান মাসউদ
নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারেন: হান্নান মাসউদ

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদে থাকলে ক্রিকেটাররা কেন খেলতে পারবে না'
'শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদে থাকলে ক্রিকেটাররা কেন খেলতে পারবে না'

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত
সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাদুরো অপহরণ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
মাদুরো অপহরণ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান
আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকার নির্দেশ দিলে বিশ্বকাপ খেলবে না পাকিস্তান
সরকার নির্দেশ দিলে বিশ্বকাপ খেলবে না পাকিস্তান

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের ১১ দলীয় জোট গঠন জামায়াতের
ফের ১১ দলীয় জোট গঠন জামায়াতের

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা কি ইসরায়েলি আক্রমণ ঠেকাতে পারবে?
ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা কি ইসরায়েলি আক্রমণ ঠেকাতে পারবে?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াতের আরো এক প্রার্থী
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াতের আরো এক প্রার্থী

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর
ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভাঙনের মুখে ইরান, আরও বড় ধাক্কা আসছে?
ভাঙনের মুখে ইরান, আরও বড় ধাক্কা আসছে?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন কানাডাকে জ্যান্ত গিলে খাবে, ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের
চীন কানাডাকে জ্যান্ত গিলে খাবে, ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্ব জনগণের জন্য সুবিধা বয়ে এনেছে : প্রণয় ভার্মা
বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্ব জনগণের জন্য সুবিধা বয়ে এনেছে : প্রণয় ভার্মা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘মওদুদীবাদী জামায়াতের বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা আলেমদের ধর্মীয় দায়িত্ব’
‘মওদুদীবাদী জামায়াতের বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা আলেমদের ধর্মীয় দায়িত্ব’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বুলবুলের ওপর ক্ষোভ আইসিসির
বুলবুলের ওপর ক্ষোভ আইসিসির

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার অধিকার কেড়ে নিচ্ছে আইসিসি: আসিফ নজরুল
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার অধিকার কেড়ে নিচ্ছে আইসিসি: আসিফ নজরুল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!
বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা
প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যে নিয়মে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে জায়গা পেল স্কটল্যান্ড
যে নিয়মে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে জায়গা পেল স্কটল্যান্ড

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মর্মান্তিক, ৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারায় বাবার মারধরে শিশুর মৃত্যু!
মর্মান্তিক, ৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারায় বাবার মারধরে শিশুর মৃত্যু!

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগ
বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত জিততে পারবে না
সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত জিততে পারবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে পাল্টাপাল্টি
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে পাল্টাপাল্টি

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তপ্ত ভোটের মাঠ
উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

প্রথম পৃষ্ঠা

গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর
গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর

পেছনের পৃষ্ঠা

একটি দল ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন
একটি দল ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্মাণাধীন ভবনের রড পড়ে পথচারী নিহত
নির্মাণাধীন ভবনের রড পড়ে পথচারী নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?
তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুটসালে ইতিহাস গড়ার দিন
ফুটসালে ইতিহাস গড়ার দিন

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিতে দুর্বলতা উদ্বেগের
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিতে দুর্বলতা উদ্বেগের

প্রথম পৃষ্ঠা

সরকারে গেলে গুরুত্ব পাবে প্রাথমিক শিক্ষা
সরকারে গেলে গুরুত্ব পাবে প্রাথমিক শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন দিন পর কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার
তিন দিন পর কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই
বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই

প্রথম পৃষ্ঠা

কেরানীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতার মৃত্যু
কেরানীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতার মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

নানান কৌশলে প্রচার
নানান কৌশলে প্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

সিন্ডিকেট চক্রে জিম্মি প্রশিক্ষণার্থীরা
সিন্ডিকেট চক্রে জিম্মি প্রশিক্ষণার্থীরা

নগর জীবন

আবারও হলো ‘১১-দলীয় জোট’
আবারও হলো ‘১১-দলীয় জোট’

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে চলছে টাকার খেলা
নির্বাচনে চলছে টাকার খেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণার কারণেই কোকোর মৃত্যু
ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণার কারণেই কোকোর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম অনুপ্রেরণা জোগায়
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম অনুপ্রেরণা জোগায়

প্রথম পৃষ্ঠা

সভা-সম্মেলনে ফল শূন্য
সভা-সম্মেলনে ফল শূন্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন অবশেষে গ্রেপ্তার
আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন অবশেষে গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশ সফরেও কমছে এফডিআই
বিদেশ সফরেও কমছে এফডিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদের আগে শাকসু নির্বাচন দাবিতে বিক্ষোভ
সংসদের আগে শাকসু নির্বাচন দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে দ্রুত পাঠানোর তাগাদা ইসির
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে দ্রুত পাঠানোর তাগাদা ইসির

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনি প্রচার উৎসবে দেশ
নির্বাচনি প্রচার উৎসবে দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বেরোবিতে রাবি ভর্তি পরীক্ষায় অনুপস্থিতি ১০ শতাংশ
বেরোবিতে রাবি ভর্তি পরীক্ষায় অনুপস্থিতি ১০ শতাংশ

পেছনের পৃষ্ঠা