শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

হাদির পর কে টার্গেট?

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রিন্ট ভার্সন
হাদির পর কে টার্গেট?

গত বছরের ৩৬ জুলাইয়ের পর প্রায় দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে আওয়ামী লীগকে এই উপলব্ধির মধ্যে আনা সম্ভব হয়নি যে এর আগের ১৫ বছরে তারা হত্যা, গুম, দখল, চাঁদাবাজি, সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের আওয়ামীকরণ, বিচারিক ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং বিরোধী দলকে প্রায় অস্তিত্বহীন করে দেশকে নারকীয় সন্ত্রাসের সাম্রাজ্যে পরিণত করেছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তর্নিহিত দুর্বলতার কারণে আওয়ামী লীগের শীর্ষ থেকে নিম্ন নেতৃত্ব পর্যন্ত কেউই জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান দমানোর উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার নির্দেশে পরিচালিত হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া তো দূরের কথা, উল্টো জুলাই-আগস্টের শহীদদের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানে সোচ্চার হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকেই সুযোগসন্ধানী রাজনৈতিক দল। যারা অতীতে সব সময় ঘোলাপানিতে মাছ শিকারে তাদের পারঙ্গমতা প্রদর্শন করেছে। এমনকি মুখে গণতন্ত্রের মন্ত্র পাঠ করে মেয়াদের পর মেয়াদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের নামে বিরোধী দলের প্রার্থীদের হুমকি, ভোট কেন্দ্রে ভোটারের অনুপস্থিতি নিশ্চিত করে বা ভোট কেন্দ্র দখলের মাধ্যমে নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করে, যেভাবে দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল, তাতে বিস্ময়ের কিছু ছিল না। এটাই চিরাচরিত আওয়ামী চরিত্র।

যদি বলা হয় যে, গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও পলায়ন এবং আওয়ামী লীগের অধিকসংখ্যক শীর্ষনেতা, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য কুশীলবকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার মধ্যেই ভূতের কারসাজি ছিল, তাহলে কি খুব বাড়িয়ে বলা হবে? এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার কখনো মুখ খোলেনি। সম্ভবত তারা ভেবেছে, বিপদ যখন কেটেই গেছে, ওদের নিয়ে আর ঘাঁটাঘাঁটি করে কী লাভ! বিপদ যে কাটেনি, তা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র, ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে অতি কাছ থেকে তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি করার ঘটনা। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়নি। সার্জনের মতে, গুলি বিদ্ধ হয়ে খুলির বিপরীত দিক দিয়ে বের হয়ে গেছে। হাদি এখন জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। প্রশ্ন হচ্ছে, হাদিই কী একমাত্র টার্গেট ছিল এবং ঘাতকদের টার্গেটের তালিকায় কী আর কেউ নেই?

নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরদিনই রাজধানীতে প্রকাশ্য দিবালোকে প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার, উদীয়মান এক রাজনীতিককে হত্যাচেষ্টার মধ্যেই স্পষ্ট যে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কতটা অবনতি ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়াও তাদের সহায়তায় মাঠে সেনাবাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। এর বড় দুটি কারণের একটি হতে পারে সাবেক সরকারের আদেশে জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ এবং নিহত ব্যক্তিদের লাশ আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া, অর্ধমৃত যুবককে গাড়ি থেকে রাস্তায় নিক্ষেপ করার ঘটনাসহ লাশ শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পরিবর্তে বহুসংখ্যক লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে গোপনে কবরস্থ করার মতো ঘটনার জেরে জনরোষের কবলে পড়ে কিছুসংখ্যক পুলিশের নিহত হওয়া, থানায় অগ্নিসংযোগ ও পলায়নপর পুলিশ সদস্যদের নিগৃহীত হওয়া ইত্যাদি কারণে পুলিশের নৈতিক মনোবল এখনো ফিরে না আসা। তাদের মনোবল সহসা ফিরে আসার কারণও নেই। ২০২৪-এর আগস্ট-পূর্ব পুলিশের সিংহভাগই তো রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত। তারা যতই সংবিধান রক্ষা ও জনণের সেবায় জান কোরবান করার শপথ নিক না কেন, তাদেরও নিজস্ব রাজনৈতিক মতামত ছিল ও রয়েছে এবং কোনো জাদুর কাঠির স্পর্শে সহসাই তাদের চিত্তের পরিবর্তন ঘটেছে তা আশা না করাই উচিত। তারা দোদুল্যমানচিত্তে কর্তব্য পালন করছে মাত্র। গত ১৬ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে গোছাতে ব্যর্থ হয়েছে। নতুন জনবল যোগ করতে পারেনি পর্যন্ত। এ ব্যর্থতার বড় আকারের খেসারত দেওয়ার ঘটনা শুরু হলো সম্ভবত শরিফ ওসমান হাদিকে দিয়ে।

যদি বলা হয় যে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও পলায়ন এবং আওয়ামী লীগের অধিকসংখ্যক শীর্ষনেতা, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য কুশীলবকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার মধ্যেই ভূতের কারসাজি ছিল, তাহলে কি খুব বাড়িয়ে বলা হবে

হাদির পর কে টার্গেট?দ্বিতীয় কারণ, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে বিদ্যমান ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দলের ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণের যে সুযোগ এসেছে, তা কোনোমতে হাতছাড়া না করার প্রতিযোগিতা। যেসব দলের নেতাদের পক্ষে জাতীয় সংসদ ভবনের চারদিকের পথগুলো দিয়ে অতিক্রম করার সময় সেদিকে তাকিয়ে থাকা অথবা বড়জোর জাতীয় সংসদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারও মাধ্যমে একটি পাস জোগাড় করে দর্শক গ্যালারিতে বসে সংসদ অধিবেশনের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করা ছাড়া আর কোনো স্বপ্নও দেখা সম্ভব ছিল না, তারাও সংসদের ‘উচ্চকক্ষ’ এবং ‘পিআর’ ‘পিআর’ বলে শোরগোল শুরু করেছিল। তাদের মধ্যে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার আশা জ্বলজ্বল করতে শুরু করেছিল। তাদের দিকে এই আশাগুলো ছুড়ে দিয়েছিল ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’। জুলাই অভ্যুত্থান ও শহীদদের আত্মদানের চেতনা বাস্তবায়নের নামে ৩৩টি দলের সঙ্গে ১৬৬টি বিষয়ের ওপর ৭২ দিন আলোচনা করে ৬৪টি বিষয়ে ঐকমত্যে উপনীত হয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এবং এর ভিত্তিতে ঘোষণা করা হয়েছে ‘জুলাই সনদ-২০২৫’। ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় সময় লেগেছে প্রায় ৯ মাস। সব বাধাবিঘ্ন এড়িয়ে যদি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভকারী দল যথাশিগগির সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে, এ কথা সত্য। কিন্তু শেখ মুজিবের কায়দায় মাত্র ১৩ মিনিটে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা থেকে একদলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারে উত্তরণের মতো কোনো ঘটনা না ঘটলে জুলাই সনদের প্রস্তাবগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হতে আরও কয়েক মাস লেগে যেতে পারে।

কেয়ারটেকার সরকারব্যবস্থা বহাল থাকাকালে তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করেছে ৯০ দিনের মধ্যে। এবং এক সপ্তাহ থেকে পনেরো দিনের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নিয়েছে। বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের যেসব দেশ সামরিক সরকারের অধীনে শাসিত হওয়ার অভিজ্ঞতা লাভ করেছে, সেসব দেশে সামরিক সরকার নানা টালবাহানা করে ক্ষমতায় থাকার মেয়াদ প্রলম্বিত করেছে। সামরিক সরকার চেষ্টা করে সময়ক্ষেপণ করে নিজের দল গড়ে তুলে, নির্বাচনে সেই দলের বিজয় নিশ্চিত করা। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য থাকে যথাশিগগির নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়া। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানে ঢিমেতালে চলছে দেখে মানুষের মনে প্রশ্ন উঠেছিল, এ সরকার কী সহসা ক্ষমতা ছেড়ে যাবে? এ প্রশ্ন সরকারকে আরও জটিল অবস্থার মধ্যে ফেলত, যদি না বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হয়ে ২০২৬ সালের জুনের সিদ্ধান্ত পাল্টে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা বলতেন। প্রধান উপদেষ্টার পরিবর্তিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনের তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষিত হওয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠান বিলম্বিত করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতায় থাকার মেয়াদ প্রলম্বিত করার যে আশঙ্কা আগে ব্যক্ত করা হয়েছিল তা কেটে গেলেও, শরিফ আবদুল হাদিকে হত্যাচেষ্টায় পরিস্থিতি যেদিকে মোড় নিতে যাচ্ছে, তা কার্যত নির্বাচন অনুষ্ঠান ভন্ডুল করার চক্রান্তের অংশ বলেই মনে হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের মতো একটি রাজনৈতিক অপশক্তিকে তাদের পাহাড়সম অপরাধের জন্য ফৌজদারি আইনে প্রাপ্য শাস্তি নিশ্চিত করার সঙ্গে যখন তাদের হাঁটু গেড়ে বসিয়ে গণতান্ত্রিক ও সহনশীল রাজনীতি চর্চার দীক্ষা দান এবং ব্যক্তিকে কর্তৃত্ববাদী করে তোলার কুফল সম্পর্কে শেখানো উচিত ছিল, তখন বিএনপি তাদের প্রতি আপসমূলক ও নমনীয় মনোভাব পোষণ করেছে। সেটিকে প্রশ্রয় হিসেবে নিয়েছে সুযোগ হাতছাড়া না করা, কুটচালে সিদ্ধ আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিক মাঠে এখন দুই বড় পক্ষ বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। বিএনপির সরকার পরিচালনার অতীত অভিজ্ঞতা থাকলেও জামায়াতের সে অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপি কার্যত নেতৃত্বশূন্য। বড় দল হওয়া সত্ত্বেও শেখ হাসিনার দুঃশাসনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেও, তাঁরা হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো আন্দোলনই গড়ে তুলতে পারেননি। দলটি পরিচালিত হয়েছে অনেকটা বায়বীয়ভাবে। জামায়াতের অবস্থা ছিল এর বিপরীত। পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার তৈরি বিশেষ আদালতে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সত্ত্বেও দলটি মনোবল হারায়নি। ত্যাগের বিনিময়ে তারা বরং দেশের সাধারণ মানুষ, ছাত্র ও পেশাজীবী এবং বহু মুসলিম দেশের সহানুভূতি লাভ করে ভিতরে ও বাইরে শক্তিশালী হয়েছে। তবে তারা সংসদে সরকার গঠন করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। দল সুশৃঙ্খল, সুসংগঠিত হলেই যে জনসমর্থন উপচে পড়ে না এবং সরকারে যাওয়া যায় না, তা প্রমাণিত সত্য। বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে বহু ভোটার এক কাপ চা, একটি সিগারেটের বিনিময়ে সমর্থন পাল্টে ফেলে। হাতে নোট গুঁজে দিলে কী হতে পারে?

আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বলতে গেলে ওত পেতে আছে। সেজন্য তারা অনেকটা গায়ে পড়েই তাদের বিগত দিনের রাজনৈতিক মিত্র ও জোটের প্রধান অংশীদার জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো এমন ভাষায় কথা বলছে, জামায়াতের ক্ষেত্রে যে ভাষা এত দিন আওয়ামী লীগ ও তার মিত্ররা প্রয়োগ করত।

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, জামায়াতের বিরুদ্ধে বিএনপি তত মুখর হবে। দুই দলের মধ্যে সৃষ্ট টানাপোড়েনের সুযোগ নেবে অন্ধকার বা মানুষের ভিড়ে মিশে থাকা আওয়ামী লীগের সুযোগসন্ধানীরা। তারা চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, ক্রমাবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পুরো ফায়দা নিতে কোনো সুযোগ হাতছাড়া করবে না। তাদের ওপর আশীর্বাদ হিসেবে আছেন দিল্লির নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা ফাঁসির দণ্ড পাওয়া আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
ওষুধ সিন্ডিকেট
ওষুধ সিন্ডিকেট
বেতন সুপারিশ
বেতন সুপারিশ
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
সংসদ নির্বাচন
সংসদ নির্বাচন
মাদক নির্মূলে ইসলামের শিক্ষা
মাদক নির্মূলে ইসলামের শিক্ষা
কোন মডেলে হবে ছাব্বিশের নির্বাচন
কোন মডেলে হবে ছাব্বিশের নির্বাচন
পোশাক রপ্তানি
পোশাক রপ্তানি
সমস্যাক্রান্ত ঢাকা
সমস্যাক্রান্ত ঢাকা
পাপীদের ঠিকানা জাহান্নাম
পাপীদের ঠিকানা জাহান্নাম
দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি
দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি
সর্বশেষ খবর
সংসদ বিলুপ্ত করলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী, ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন
সংসদ বিলুপ্ত করলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী, ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি
বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ৮০ শতাংশ মালিকানা দিয়ে যৌথ চুক্তি টিকটকের
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ৮০ শতাংশ মালিকানা দিয়ে যৌথ চুক্তি টিকটকের

৪ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

২৪ ঘণ্টা  থাকবে তিতাস গ্যাসের স্বল্পচাপ
২৪ ঘণ্টা  থাকবে তিতাস গ্যাসের স্বল্পচাপ

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বাগেরহাটে জামায়াত-জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
বাগেরহাটে জামায়াত-জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিসিএস পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
বিসিএস পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

২৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই
ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনতার জোয়ার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে: উপদেষ্টা আদিলুর রহমান
জনতার জোয়ার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে: উপদেষ্টা আদিলুর রহমান

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডাকে পাঠানো আমন্ত্রণ বাতিল করলেন ট্রাম্প
‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডাকে পাঠানো আমন্ত্রণ বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাঙামাটিতে ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত
রাঙামাটিতে ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১০ দল ইনসাফ-ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করবে : নাহিদ
১০ দল ইনসাফ-ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করবে : নাহিদ

৪৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে ৪৬ ক্যাডারসহ ২১৩ পদ সৃজনের গেজেট প্রকাশ
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে ৪৬ ক্যাডারসহ ২১৩ পদ সৃজনের গেজেট প্রকাশ

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা
খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তানের কৌশলে সুপার সিক্সে জিম্বাবুয়ে, বাদ স্কটল্যান্ড
পাকিস্তানের কৌশলে সুপার সিক্সে জিম্বাবুয়ে, বাদ স্কটল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন জেলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ
তিন জেলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির
বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিদ্ধিরগঞ্জে টিনশেড মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড
সিদ্ধিরগঞ্জে টিনশেড মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেবে ইরান
যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেবে ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশু সুরক্ষায় নতুন আইন: সন্তানের কার্যকলাপ নজরদারিতে বাধ্য অভিভাবকরা
শিশু সুরক্ষায় নতুন আইন: সন্তানের কার্যকলাপ নজরদারিতে বাধ্য অভিভাবকরা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের আগে দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে জোড়া ধাক্কা
বিশ্বকাপের আগে দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে জোড়া ধাক্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ক্রিকেটের মানোন্নয়নে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার সমঝোতা
ক্রিকেটের মানোন্নয়নে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার সমঝোতা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড় জামায়াত আমিরের সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ
পঞ্চগড় জামায়াত আমিরের সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: প্রধান উপদেষ্টা
ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছুটির দিনেও মিলছে না স্বস্তি, আজ ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’
ছুটির দিনেও মিলছে না স্বস্তি, আজ ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহেশখালীতে ৭৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ
মহেশখালীতে ৭৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা
বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ মণ্ডপে হবে সরস্বতী পূজা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ মণ্ডপে হবে সরস্বতী পূজা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ: আসিফ নজরুল
বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ: আসিফ নজরুল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা থেকে শুক্র-শনি বাদ দেওয়ার দাবি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা থেকে শুক্র-শনি বাদ দেওয়ার দাবি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে: প্রেস সচিব
১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে: প্রেস সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বামীকে খুন করে রাতভর মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও দেখেন তরুণী, অতঃপর…
স্বামীকে খুন করে রাতভর মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও দেখেন তরুণী, অতঃপর…

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নতুন পে স্কেল : মরার ওপর খাঁড়ার ঘা
নতুন পে স্কেল : মরার ওপর খাঁড়ার ঘা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প
ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১ ফেব্রুয়ারি থেকে সব টেক্সটাইল মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা
১ ফেব্রুয়ারি থেকে সব টেক্সটাইল মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া নিয়ে মুখ খুলল আইসিসি
মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া নিয়ে মুখ খুলল আইসিসি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা ফেরাতে এবার চেম্বার আদালতে মঞ্জুরুলের আবেদন
প্রার্থিতা ফেরাতে এবার চেম্বার আদালতে মঞ্জুরুলের আবেদন

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন জামায়াত নেতা
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন জামায়াত নেতা

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিট খারিজ, কুমিল্লা-১০ আসনে নির্বাচন করতে পারবেন না গফুর ভূঁইয়া
রিট খারিজ, কুমিল্লা-১০ আসনে নির্বাচন করতে পারবেন না গফুর ভূঁইয়া

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের ছুটি পাবেন না যেসব সরকারি চাকরিজীবী
নির্বাচনের ছুটি পাবেন না যেসব সরকারি চাকরিজীবী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চরম বর্ববরতা, ভারতে প্রেমিকজুটিকে হাত-পা বেঁধে হত্যার পর মাটিচাপা!
চরম বর্ববরতা, ভারতে প্রেমিকজুটিকে হাত-পা বেঁধে হত্যার পর মাটিচাপা!

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ না খেললে ২০ কোটি দর্শক হারাবে আইসিসি: বুলবুল
বাংলাদেশ না খেললে ২০ কোটি দর্শক হারাবে আইসিসি: বুলবুল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ না গেলে বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে পাকিস্তানও
বাংলাদেশ না গেলে বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে পাকিস্তানও

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘বিড়ি খাওয়া’ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় জামায়াতের দুই কোটি টাকার মার্কেটিং হয়েছে: ফয়জুল
‘বিড়ি খাওয়া’ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় জামায়াতের দুই কোটি টাকার মার্কেটিং হয়েছে: ফয়জুল

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার
ভারতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজেকে ‘স্বৈরশাসক’ বললেন ট্রাম্প!
নিজেকে ‘স্বৈরশাসক’ বললেন ট্রাম্প!

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম
বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ সনদে স্বাক্ষর করেছে যে ১৯ দেশ
ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ সনদে স্বাক্ষর করেছে যে ১৯ দেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে বিশ্বকাপ বয়কট করা উচিত পাকিস্তানের'
'বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে বিশ্বকাপ বয়কট করা উচিত পাকিস্তানের'

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান
করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ
‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান চীনের
ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান চীনের

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোর জন্য ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশনা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোর জন্য ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশনা

১৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কেউ কেউ ‘বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান
কেউ কেউ ‘বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শীত নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস
শীত নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করবে আফগানিস্তান
বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করবে আফগানিস্তান

১৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে বিএনপির ৫ কর্মসূচি ঘোষণা
নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে বিএনপির ৫ কর্মসূচি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
আর্থিক চাপে পড়বে পরবর্তী সরকার
আর্থিক চাপে পড়বে পরবর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ফেব্রুয়ারি থেকে টেক্সটাইল মিল বন্ধ ঘোষণা
ফেব্রুয়ারি থেকে টেক্সটাইল মিল বন্ধ ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

বেহেশতের টিকিটের কথা বলে শিরক করাচ্ছে
বেহেশতের টিকিটের কথা বলে শিরক করাচ্ছে

প্রথম পৃষ্ঠা

আর কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না
আর কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানের আগেই সক্রিয় বাজার সিন্ডিকেট
রমজানের আগেই সক্রিয় বাজার সিন্ডিকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিরল পরিযায়ী ধলাটুপি লালগির্দি
বিরল পরিযায়ী ধলাটুপি লালগির্দি

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে : সেনাপ্রধান
নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে : সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়লে আড়াই হাজার ডলার দেবে ট্রাম্প প্রশাসন
স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়লে আড়াই হাজার ডলার দেবে ট্রাম্প প্রশাসন

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের উৎসবমুখর প্রচার
ভোটের উৎসবমুখর প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন

সম্পাদকীয়

দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা
সংস্কার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা

প্রথম পৃষ্ঠা

সরস্বতী পূজা আজ
সরস্বতী পূজা আজ

পেছনের পৃষ্ঠা

পশ্চিমবঙ্গে নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি পণ্যবাহী জাহাজ
পশ্চিমবঙ্গে নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি পণ্যবাহী জাহাজ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইসিতে চলছে নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
ইসিতে চলছে নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন ঘিরে টানা চার দিনের ছুটি
নির্বাচন ঘিরে টানা চার দিনের ছুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ
ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন নেতা ও হাদির কবর জিয়ারত করে প্রচারে এনসিপি
তিন নেতা ও হাদির কবর জিয়ারত করে প্রচারে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন বাংলাদেশ গড়তে মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখছে
নতুন বাংলাদেশ গড়তে মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখছে

নগর জীবন

জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তা হত্যায় গ্রেপ্তার ৩
জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তা হত্যায় গ্রেপ্তার ৩

পেছনের পৃষ্ঠা

থাকল সাত কলেজ, হবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ও
থাকল সাত কলেজ, হবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ও

পেছনের পৃষ্ঠা

হোঁচট খাচ্ছে দেশ বহুমাত্রিক সমস্যা
হোঁচট খাচ্ছে দেশ বহুমাত্রিক সমস্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

‘গাজা শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিচ্ছে সাত মুসলিম দেশ
‘গাজা শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিচ্ছে সাত মুসলিম দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ লাপাত্তা অভিযুক্তরা
প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ লাপাত্তা অভিযুক্তরা

পেছনের পৃষ্ঠা

পুতুলের বিয়ে
পুতুলের বিয়ে

ডাংগুলি

মেক্সিকোর এক ‘জলদানব’!
মেক্সিকোর এক ‘জলদানব’!

ডাংগুলি

আবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়ালের শিক্ষার্থীরা
আবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়ালের শিক্ষার্থীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রচার আনন্দে দেশ
প্রচার আনন্দে দেশ

নগর জীবন

সবুজ গাঁয়ে
সবুজ গাঁয়ে

সাহিত্য