শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই

খায়রুল কবির খোকন
প্রিন্ট ভার্সন
নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই

সারা দেশে নারীর ওপর সহিংসতা বেড়ে চলেছে মারাত্মকভাবে। শেখ হাসিনার আওয়ামী শাসনামলে নারী নিপীড়ন বেড়েছে বিশ্বের অন্য রাষ্ট্রগুলোর তুলনায় নজিরবিহীন মাত্রায়। পতিত সরকারের লোকদেখানো ‘নারীর ক্ষমতায়ন প্রদর্শনী’র সময়ে নারীর ওপর নির্যাতন, সহিংসতা, অসম্মানজনক আচরণ, অর্থনৈতিক সামাজিক-সাংস্কৃতিক শোষণ বৃদ্ধি পেয়েছে লাগামহীনভাবে। সেই নৈরাজ্যের ধারাবাহিকতার যে তাণ্ডব সেসব ঠেকাতে এখন রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নাস্তানাবুদ দশায়। নারীকে ঘিরে এসব নেতিবাচক তৎপরতায় সমগ্র সমাজে তোলপাড় সৃষ্টি হয়, দেশব্যাপী নারীসমাজের ভয়াল আর্তচিৎকার সবকিছু ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু নারীসমাজের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের স্লোগানের মাঝেও তাদের ওপর সহিংসতা অবিরাম চলমান। সার্বিক প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনায় রাষ্ট্র সরকার আর সমাজ সবাই ব্যর্থ, নিদারুণ অসহায়। নিপীড়িত নারী বা তাদের স্বজনরা যথার্থ বিচার পাচ্ছেন না। উল্টো দিকে নোংরা পুরুষতান্ত্রিকতার জয়জয়কার, সমাজ-সরকার রাষ্ট্র ধর্ম ব্যবসার নিয়ন্ত্রকদের, সবারই পোয়াবারো, তাদের ঠেকানোর শক্তি যেন কারও নেই। নারীকে শোষণ, তার ওপর অবিরাম পীড়ন যেন নিত্যকার স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। যেন নারীর জন্মই হয়েছে পুরুষের নানামুখী অত্যাচার-অনাচার সহ্য করেও তাদের দাসীবৃত্তির উদ্দেশ্য। বাংলাদেশসহ এশিয়া ও আফ্রিকার রাষ্ট্রগুলোতে নারী প্রায়-ক্রীতদাসতুল্য জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রায় দুই দশকের ফ্যাসিস্ট এবং জনপ্রতিনিধিত্ববিহীন শাসনের পরে। নির্বাচনি প্রচারকালেই নারীর জীবন, সম্মান-ইজ্জত সুরক্ষা এবং সহিংসতা রোধ-কর্মক্ষেত্রসহ সর্বত্র নারীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের তৎপরতা অতীব জরুরি। আমাদের লড়াকু নারীনেত্রীদের প্রত্যেক সংসদ সদস্য প্রার্থীকে অঙ্গীকার করাতে হবে-তাঁরা নারী নির্যাতন বন্ধে, নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়নে এবং নারীকে রাষ্ট্র-সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ে দায়বদ্ধ থাকার এবং তা না হলে তাঁরা নারীর ভোট চাইতেই পারবেন না। কঠিন-কঠোর ভাষায় নারী জাগরণের নেতাদের এভাবে দাবি আদায় করতে হবে।

ইসলামের ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়-আমাদের মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) নারীকে রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনের সব জায়গায় নিরাপত্তা ও সম্মান-শ্রদ্ধার নিশ্চয়তা বিধানের অপরিসীম প্রচেষ্টা চালিয়ে নজির সৃষ্টি করেছেন। সব ধর্মাবলম্বীদের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনের ধর্মভিত্তিক দল ও ব্যক্তি এবং ধর্মীয় নেতাদের একাংশ নারীকে নানাভাবে পীড়নের শিকার বানাতে চায়। তারা বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে বাধা দেয়, নানা রকম গ্রামীণ কুসংস্কার প্রথা দ্বারা নারীসমাজের দুর্বল অংশগুলোকে, বিশেষভাবে শ্রমজীবী-কর্মজীবী দরিদ্র নারীকে অবিরাম শোষণ-নির্যাতন করে চলেছে। তারাই ধর্মের অনুশাসনের নানা রকম অপব্যাখ্যা দিয়ে, নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে, নানাভাবে নারীশিক্ষার পথে নানামুখী কর্মসংস্থানের পথে বাধা দিয়ে চলেছে। ফলে নারীর সত্যিকার ক্ষমতায়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেই পরিস্থিতির সুযোগে নারীর প্রতি পুরুষ সমাজের এক অংশের অবজ্ঞা এবং অর্থনৈতিক শোষণ ও নানা নিপীড়নের সুযোগ বাড়ছে। বস্তুত পুরুষতন্ত্রনির্ভর একশ্রেণির পুরুষ অশিক্ষা, কুশিক্ষা, নানা কুসংস্কার ও ধর্মের অপব্যাখ্যা আর ভণ্ডামির মাধ্যমে নিজ স্বার্থে নারীকে বিশেষভাবে অর্থনৈতিক শোষণ এবং নিজেদের বিকার মেটানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত হচ্ছে অবিরাম। নারী নিপীড়নের সুযোগ বাড়ছে একশ্রেণির টাকাওয়ালা সমাজ-মাতব্বরদের লাম্পট্য-প্রবণতা, মানসিক ব্যাধিগ্রস্ত অপরাধীদের অপকর্মের ধারাবাহিকতায়। আর পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা তো যুগ যুগ ধরে নারী প্রগতির বিরুদ্ধে সক্রিয়। এরই সঙ্গে যোগ হয়েছে কম্পিউটার আর ইন্টারনেট প্রযুক্তির সুযোগে পর্নোগ্রাফির অবাধ বিস্তার-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আধুনিকায়নে, সম্প্রসারণে এই প্রর্নোগ্রাফি বিস্তার নারীর ওপর যৌন সহিংসতা এবং নানা রকম পুরুষতান্ত্রিক বিকারগ্রস্ততা বাড়িয়ে চলেছে অপরিসীম মাত্রায়। কম্পিউটার ও ইন্টারনেট এবং তথাকথিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো (ফেসবুক, টুইটার, টিকটক, ইউটিউব ইত্যাদি) নারী নির্যাতনের বিচিত্র কায়দাকানুন তুলে দিয়েছে বিকারগ্রস্ত কোটি কোটি তরুণ-যুবক এমনকি বয়স্ক পুরুষের হাতে।

নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই

এটা স্বীকার করতেই হবে, তথাকথিত সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত পুরুষসহ সমগ্র পুরুষ সমাজের ২০ শতাংশ মানুষও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রকৃত সক্রিয় ভূমিকা পালনে আগ্রহী নন। তাদের ভিতরে সৎ-বুদ্ধি বিবেচনা কাজই করে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতিসংঘের অন্য সব সহযোগী সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী প্রতি তিনজন নারীর একজন তার জীবদ্দশায় সঙ্গী বা স্বামীর দ্বারা শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সংখ্যার হিসাবে এই ভুক্তভোগী নারী প্রায় ৮৪ কোটি। একই পরিসংখ্যানের চিত্র-গত ১২ মাসে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩১ কোটি ৬০ লাখ নারী তাদের সঙ্গী বা স্বামী কর্তৃক নির্যাতিত হয়েছেন। এই প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে-সহিংসতা অত্যন্ত অল্প বয়স থেকেই মেয়েদের জীবনে কালোছায়া বিস্তার করে নারীর জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সি কিশোরীর মধ্যে ১৬ শতাংশই তাদের ২০তম জন্মদিনের আগে স্বামী বা সঙ্গীর হাতে নির্যাতনের শিকার হন। তার মানে-প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ কিশোরীর জীবনের প্রারম্ভেই তাদের নিরাপত্তা ও বিশ্বাস ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। গবেষণা রিপোর্টের তথ্য-বিশ্বের প্রায় ৮ শতাংশ নারী ও কিশোরী প্রায় ২৬ কোটি ৩০ লাখ নিজ পরিবারের বাইরের লোকের দ্বারা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে।

২০২৪ সালে পরিচালিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) যৌথ জরিপে বাংলাদেশের নারী নির্যাতনের ভয়ংকর চিত্র উঠে এসেছে। তাতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৭০ শতাংশ নারী তাদের জীবদ্দশায় অন্তত একবার শারীরিক, যৌন, মানসিক ও অর্থনৈতিক সহিংসতার শিকার হন। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, গত বছরের চেয়ে চলতি বছরে পারিবারিক সহিংসতা অনেকটাই বেড়েছে। যদিও অনেক সহিংস ঘটনাই অপ্রকাশিত থেকে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মিডিয়া রিপোর্টারের কারও কারও ব্যর্থতা ও মতলববাজির কারণে। আসক-এর পরিসংখ্যান অনুসারে, গত বছরের প্রথম ১০ মাসের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়কালে ৭৬টি অতিরিক্ত পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা নথিবদ্ধ হয়েছে। গত বছর মোট নথিভুক্ত সহিংসতার ঘটনা ছিল ৪২৭টি, চলতি বছর তা বেড়ে হয়েছে ৫০৩টি। এর মধ্যে স্বামীর হাতে হত্যার সংখ্যা ২০২৪ সালের ১৫৫ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ১৯৮ জনে পৌঁছেছে। একইভাবে স্বামীর পরিবারের অন্য সদস্যদের হাতে হত্যার সংখ্যাও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে-২৮ থেকে ৫৭। পারিবারিক নির্যাতনের কারণে নারীর আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে ১৪৪-এ পৌঁছেছে। যা সহিংসতার মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব এবং ভুক্তভোগীর অসহায়ত্বকে তুলে ধরে। বিশ্বজুড়ে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে চলমান ১৬ দিনের ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে সম্প্রতি ঢাকায় ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত সংলাপ অনুষ্ঠানে সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম তাঁর মূল প্রবন্ধে জানান, জানুয়ারি থেকে অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত নারী মৃত্যুর (সহিংসতার কারণে) ঘটনা ৫০৩টি, শিশুর ওপর যৌন সহিংসতা ৯০৫টি; বাংলাদেশে ৭৮ শতাংশ নারী ডিজিটাল সহিংসতার শিকার, বিশেষভাবে ‘ফেসবুক’-এ।

ওই সংলাপ অনুষ্ঠানে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, নারীরা এখন কোথাও আর্থিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক কিংবা রাজনৈতিক নিরাপত্তা অনুভব করছেন না। পরিবারের ভিতরও অনেক সময় তারা মনে করেন, কথা বলে লাভ নেই। এই হতাশা ও নীরবতা সমাজের জন্য বিপজ্জনক। একই অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা শারমিন সারওয়ার মুরশিদ বলেন, ‘নারীরা মূলধারার রাজনীতিতেই সমানভাবে কাজ করতে পারে, এটা স্বীকার করার মানসিকতা এখনো তৈরি হয়নি। নির্বাচনের আগে জানতে হবে নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও সমতা বিষয়ে তাদের অবস্থান কী। কাঠামোগত পরিবর্তন ছাড়া বড় কোনো রূপান্তর সম্ভব নয়। নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতা ঘটলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানানোর উদ্যোগ নিয়েছিলাম; কিন্তু দেখতে পেলাম মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম উপজেলা পর্যায়ে গিয়ে থেমে যায়। এনজিওগুলোর নেটওয়ার্ক তৃণমূলে বিস্তৃত। এদের সঙ্গে সমন্বয় করলে সহায়তা আরও দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব।’

ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পরিচালিত সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, আইন বাস্তবায়নের (নারী নির্যাতন প্রতিরোধে) দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো (যেমন-পুলিশ, আইন ও বিচার বিভাগ) পারিবারিক সহিংসতাকে একটি ‘তুচ্ছ সমস্যা’ হিসেবে বিবেচনা করে; তাদের মধ্যে এমন মনোভাব প্রবল-এর সমাধানে বিচার বিভাগ বা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সময় ব্যয় করার চেয়ে পারিবারিকভাবে সমাধান করা উচিত। এই প্রাতিষ্ঠানিক ‘ব্যাকল্যাশ’ আইন প্রয়োগের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং বিচারিক প্রক্রিয়া তাতে বিলম্বিত হয়।

সামগ্রিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধে রাষ্ট্রের সব পুলিশি ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ প্রভৃতি শক্তিশালী করার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা জরুরি। আর শিক্ষালয়কেন্দ্রিক প্রতিরোধ উদ্যোগ সুফল এনে দিতে পারে।

লেখক : বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব, সাবেক সংসদ সদস্য ও ডাকসুর সাবেক জিএস

এই বিভাগের আরও খবর
ওষুধ সিন্ডিকেট
ওষুধ সিন্ডিকেট
বেতন সুপারিশ
বেতন সুপারিশ
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
সংসদ নির্বাচন
সংসদ নির্বাচন
মাদক নির্মূলে ইসলামের শিক্ষা
মাদক নির্মূলে ইসলামের শিক্ষা
কোন মডেলে হবে ছাব্বিশের নির্বাচন
কোন মডেলে হবে ছাব্বিশের নির্বাচন
পোশাক রপ্তানি
পোশাক রপ্তানি
সমস্যাক্রান্ত ঢাকা
সমস্যাক্রান্ত ঢাকা
পাপীদের ঠিকানা জাহান্নাম
পাপীদের ঠিকানা জাহান্নাম
দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি
দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি
সর্বশেষ খবর
সংসদ বিলুপ্ত করলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী, ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন
সংসদ বিলুপ্ত করলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী, ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি
বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ৮০ শতাংশ মালিকানা দিয়ে যৌথ চুক্তি টিকটকের
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ৮০ শতাংশ মালিকানা দিয়ে যৌথ চুক্তি টিকটকের

১০ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

২৪ ঘণ্টা থাকবে তিতাস গ্যাসের স্বল্পচাপ
২৪ ঘণ্টা থাকবে তিতাস গ্যাসের স্বল্পচাপ

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৬ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বাগেরহাটে জামায়াত-জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
বাগেরহাটে জামায়াত-জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিসিএস পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
বিসিএস পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

২৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই
ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনতার জোয়ার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে: উপদেষ্টা আদিলুর রহমান
জনতার জোয়ার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে: উপদেষ্টা আদিলুর রহমান

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডাকে পাঠানো আমন্ত্রণ বাতিল করলেন ট্রাম্প
‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডাকে পাঠানো আমন্ত্রণ বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাঙামাটিতে ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত
রাঙামাটিতে ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১০ দল ইনসাফ-ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করবে : নাহিদ
১০ দল ইনসাফ-ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করবে : নাহিদ

৫১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে ৪৬ ক্যাডারসহ ২১৩ পদ সৃজনের গেজেট প্রকাশ
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে ৪৬ ক্যাডারসহ ২১৩ পদ সৃজনের গেজেট প্রকাশ

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা
খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তানের কৌশলে সুপার সিক্সে জিম্বাবুয়ে, বাদ স্কটল্যান্ড
পাকিস্তানের কৌশলে সুপার সিক্সে জিম্বাবুয়ে, বাদ স্কটল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন জেলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ
তিন জেলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির
বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিদ্ধিরগঞ্জে টিনশেড মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড
সিদ্ধিরগঞ্জে টিনশেড মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেবে ইরান
যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেবে ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশু সুরক্ষায় নতুন আইন: সন্তানের কার্যকলাপ নজরদারিতে বাধ্য অভিভাবকরা
শিশু সুরক্ষায় নতুন আইন: সন্তানের কার্যকলাপ নজরদারিতে বাধ্য অভিভাবকরা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের আগে দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে জোড়া ধাক্কা
বিশ্বকাপের আগে দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে জোড়া ধাক্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ক্রিকেটের মানোন্নয়নে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার সমঝোতা
ক্রিকেটের মানোন্নয়নে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার সমঝোতা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড় জামায়াত আমিরের সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ
পঞ্চগড় জামায়াত আমিরের সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: প্রধান উপদেষ্টা
ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছুটির দিনেও মিলছে না স্বস্তি, আজ ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’
ছুটির দিনেও মিলছে না স্বস্তি, আজ ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহেশখালীতে ৭৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ
মহেশখালীতে ৭৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা
বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ মণ্ডপে হবে সরস্বতী পূজা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ মণ্ডপে হবে সরস্বতী পূজা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ: আসিফ নজরুল
বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ: আসিফ নজরুল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা থেকে শুক্র-শনি বাদ দেওয়ার দাবি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা থেকে শুক্র-শনি বাদ দেওয়ার দাবি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে: প্রেস সচিব
১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে: প্রেস সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বামীকে খুন করে রাতভর মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও দেখেন তরুণী, অতঃপর…
স্বামীকে খুন করে রাতভর মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও দেখেন তরুণী, অতঃপর…

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নতুন পে স্কেল : মরার ওপর খাঁড়ার ঘা
নতুন পে স্কেল : মরার ওপর খাঁড়ার ঘা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প
ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১ ফেব্রুয়ারি থেকে সব টেক্সটাইল মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা
১ ফেব্রুয়ারি থেকে সব টেক্সটাইল মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া নিয়ে মুখ খুলল আইসিসি
মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া নিয়ে মুখ খুলল আইসিসি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা ফেরাতে এবার চেম্বার আদালতে মঞ্জুরুলের আবেদন
প্রার্থিতা ফেরাতে এবার চেম্বার আদালতে মঞ্জুরুলের আবেদন

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন জামায়াত নেতা
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন জামায়াত নেতা

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিট খারিজ, কুমিল্লা-১০ আসনে নির্বাচন করতে পারবেন না গফুর ভূঁইয়া
রিট খারিজ, কুমিল্লা-১০ আসনে নির্বাচন করতে পারবেন না গফুর ভূঁইয়া

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের ছুটি পাবেন না যেসব সরকারি চাকরিজীবী
নির্বাচনের ছুটি পাবেন না যেসব সরকারি চাকরিজীবী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চরম বর্ববরতা, ভারতে প্রেমিকজুটিকে হাত-পা বেঁধে হত্যার পর মাটিচাপা!
চরম বর্ববরতা, ভারতে প্রেমিকজুটিকে হাত-পা বেঁধে হত্যার পর মাটিচাপা!

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ না খেললে ২০ কোটি দর্শক হারাবে আইসিসি: বুলবুল
বাংলাদেশ না খেললে ২০ কোটি দর্শক হারাবে আইসিসি: বুলবুল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ না গেলে বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে পাকিস্তানও
বাংলাদেশ না গেলে বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে পাকিস্তানও

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘বিড়ি খাওয়া’ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় জামায়াতের দুই কোটি টাকার মার্কেটিং হয়েছে: ফয়জুল
‘বিড়ি খাওয়া’ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় জামায়াতের দুই কোটি টাকার মার্কেটিং হয়েছে: ফয়জুল

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার
ভারতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজেকে ‘স্বৈরশাসক’ বললেন ট্রাম্প!
নিজেকে ‘স্বৈরশাসক’ বললেন ট্রাম্প!

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম
বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ সনদে স্বাক্ষর করেছে যে ১৯ দেশ
ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ সনদে স্বাক্ষর করেছে যে ১৯ দেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে বিশ্বকাপ বয়কট করা উচিত পাকিস্তানের'
'বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে বিশ্বকাপ বয়কট করা উচিত পাকিস্তানের'

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান
করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ
‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান চীনের
ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান চীনের

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোর জন্য ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশনা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোর জন্য ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশনা

১৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কেউ কেউ ‘বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান
কেউ কেউ ‘বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শীত নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস
শীত নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করবে আফগানিস্তান
বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করবে আফগানিস্তান

১৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে বিএনপির ৫ কর্মসূচি ঘোষণা
নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে বিএনপির ৫ কর্মসূচি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
আর্থিক চাপে পড়বে পরবর্তী সরকার
আর্থিক চাপে পড়বে পরবর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ফেব্রুয়ারি থেকে টেক্সটাইল মিল বন্ধ ঘোষণা
ফেব্রুয়ারি থেকে টেক্সটাইল মিল বন্ধ ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

বেহেশতের টিকিটের কথা বলে শিরক করাচ্ছে
বেহেশতের টিকিটের কথা বলে শিরক করাচ্ছে

প্রথম পৃষ্ঠা

আর কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না
আর কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানের আগেই সক্রিয় বাজার সিন্ডিকেট
রমজানের আগেই সক্রিয় বাজার সিন্ডিকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিরল পরিযায়ী ধলাটুপি লালগির্দি
বিরল পরিযায়ী ধলাটুপি লালগির্দি

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে : সেনাপ্রধান
নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে : সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়লে আড়াই হাজার ডলার দেবে ট্রাম্প প্রশাসন
স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়লে আড়াই হাজার ডলার দেবে ট্রাম্প প্রশাসন

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের উৎসবমুখর প্রচার
ভোটের উৎসবমুখর প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন

সম্পাদকীয়

দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা
সংস্কার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা

প্রথম পৃষ্ঠা

সরস্বতী পূজা আজ
সরস্বতী পূজা আজ

পেছনের পৃষ্ঠা

পশ্চিমবঙ্গে নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি পণ্যবাহী জাহাজ
পশ্চিমবঙ্গে নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি পণ্যবাহী জাহাজ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইসিতে চলছে নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
ইসিতে চলছে নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন ঘিরে টানা চার দিনের ছুটি
নির্বাচন ঘিরে টানা চার দিনের ছুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ
ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন নেতা ও হাদির কবর জিয়ারত করে প্রচারে এনসিপি
তিন নেতা ও হাদির কবর জিয়ারত করে প্রচারে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন বাংলাদেশ গড়তে মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখছে
নতুন বাংলাদেশ গড়তে মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখছে

নগর জীবন

জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তা হত্যায় গ্রেপ্তার ৩
জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তা হত্যায় গ্রেপ্তার ৩

পেছনের পৃষ্ঠা

থাকল সাত কলেজ, হবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ও
থাকল সাত কলেজ, হবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ও

পেছনের পৃষ্ঠা

হোঁচট খাচ্ছে দেশ বহুমাত্রিক সমস্যা
হোঁচট খাচ্ছে দেশ বহুমাত্রিক সমস্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

‘গাজা শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিচ্ছে সাত মুসলিম দেশ
‘গাজা শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিচ্ছে সাত মুসলিম দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ লাপাত্তা অভিযুক্তরা
প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ লাপাত্তা অভিযুক্তরা

পেছনের পৃষ্ঠা

পুতুলের বিয়ে
পুতুলের বিয়ে

ডাংগুলি

মেক্সিকোর এক ‘জলদানব’!
মেক্সিকোর এক ‘জলদানব’!

ডাংগুলি

আবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়ালের শিক্ষার্থীরা
আবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়ালের শিক্ষার্থীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রচার আনন্দে দেশ
প্রচার আনন্দে দেশ

নগর জীবন

সবুজ গাঁয়ে
সবুজ গাঁয়ে

সাহিত্য