শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

জিল্লুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

১. কেন লিখি, কেন বলি

অনেক বছর পর আবার নিয়মিত বাংলায় লিখতে বসা, এটা নস্টালজিয়ার সিদ্ধান্ত নয়, দায়িত্বের সিদ্ধান্ত। একসময় কাগজে লিখতাম, তারপর ক্যামেরার সামনে কথা বলতে শুরু করলাম। টেলিভিশনে কথা বলার সুবিধা আছে, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়, শব্দের সঙ্গে মুখের অভিব্যক্তি মিশে যায়। এরপর থিংক ট্যাংকের কাজ, ইংরেজিতে লেখা, নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক পাঠক, বৈঠককক্ষের ভাষা। কিন্তু কোথাও গিয়ে মনে হলো, নিজের মানুষের সঙ্গে কথাটা যেন একটু দূরে সরে যাচ্ছে।

এই প্রশ্নটা আমি নিজেকেই বারবার করি-কেন লিখি, কেন বলি? এত কথা বলারই বা কী দরকার? লেখার দায়টা আলাদা। লেখা থেকে যায়। লেখা মানুষকে একা পায়, কোনো শব্দের চাপে নয়, কোনো চিৎকারের ভিড়ে নয়।

এই সময়টা এমন, যেখানে কথা বলার লোকের অভাব নেই। টেলিভিশন খুললেই আলোচনা, মোবাইল খুললেই মতামত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবাই কিছু না কিছু বলছে। সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের সবাইকে বক্তা বানিয়েছে, কিন্তু শ্রোতা বানাতে পারেনি। ফলে শব্দের ঘনত্ব বেড়েছে, অর্থের গভীরতা কমেছে। রাজনীতি থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সবখানেই এই তাড়াহুড়া, এই অতিশব্দ। অদ্ভুতভাবে মনে হয়, আমরা ক্রমেই কম শুনছি, কম ভাবছি।

তবু লিখতে হয়। কারণ না লিখলে, না বললে, এই সময়ের অসংলগ্নতা একসময় স্বাভাবিক হয়ে যায়। কারণ কথা না বললে, অন্য কেউ আমাদের হয়ে কথা বলে দেয়। এই কলাম তাই নতুন করে কথা বলার চেষ্টা। বক্তৃতা নয়, বিশ্লেষণ নয়, কথা। যে কথার মধ্যে প্রশ্ন থাকে, দ্বিধা থাকে, কখনো ব্যক্তিগত স্মৃতিও থাকে। লিখি কারণ সব কথা মাইক্রোফোনে বলা যায় না। লিখি কারণ লেখা থামে না, পাঠকের সঙ্গে একা একা কথা বলে। লিখি কারণ চুপ থাকাও এই সময় একধরনের অবস্থান।

এই কলাম তাই কোনো একক মত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা নয়। কোনো নির্দিষ্ট মতাদর্শের মুখপত্র নয়। এটা প্রশ্ন তোলার জায়গা। চারদিক থেকে দেখা, চতুর্মাত্রিকভাবে। এখানে চারটি ভিন্ন প্রসঙ্গ থাকবে, রাজনীতি, দৈনন্দিন জীবন, আন্তর্জাতিক অস্থিরতা, ব্যক্তিগত অনিশ্চয়তা। রাজনীতি, সমাজ, ব্যক্তি, স্মৃতি, সব একসঙ্গে। কারণ মানুষের জীবনও এমনই। রাষ্ট্র আলাদা নয়, রাজনীতি আলাদা নয়, ব্যক্তিগত যন্ত্রণাও আলাদা নয়।

রাষ্ট্র যখন সিদ্ধান্ত নেয়, তার অভিঘাত পড়ে ব্যক্তির জীবনে। বিশ্ব যখন অস্থির হয়, তার ছায়া পড়ে আমাদের ঘুমের মধ্যেও। চতুর্মাত্রা তাই চার দিক থেকে তাকানোর চেষ্টা। একটি সময়কে, একটি ক্লান্তিকে, একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমপ্রশ্নকে-চারটি কোণ থেকে দেখা। লেখার প্রয়োজন এখানেই। এই সময়কে একটু থামিয়ে দেখার জন্য।

২. নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

নির্বাচন সামনে। এ কথাটা সবাই জানে। এই বাক্যটা এখন প্রায় যান্ত্রিক শোনায়। কিন্তু চোখে মুখে সেই উত্তেজনা নেই, যে উত্তেজনা একসময় নির্বাচন মানেই ছিল। আলোচনায় তাপ নেই। বরং আছে একধরনের ক্লান্তি। যেন মানুষ ভাবছে, আবার কি সেই একই গল্প? রাজনৈতিক দলগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছে সভা, সমাবেশ, আসন হিসাব, জোটের অঙ্ক। সংবাদে প্রতিদিনই কোনো না কোনো নির্বাচনি খবর। তবু সাধারণ মানুষের জীবনে নির্বাচনের প্রভাবটা খুব সীমিত।

কারণ মানুষের প্রশ্ন বদলে গেছে। ভোট কবে হবে, তার চেয়ে বড় প্রশ্ন, ভোটের পর কী হবে?

নির্বাচনের আগে রাজনীতি যতটা সরব, মানুষের দৈনন্দিন জীবন ততটাই নীরব। বাজারে জিনিসের দাম কমছে না। চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ রয়েই যাচ্ছে। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাহীনতা-এই প্রশ্নগুলোর উত্তর রাজনীতির ভাষায় পাওয়া যায় না।

রাজনীতি এখানে অনেক সময় একধরনের আলাদা জগৎ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে বক্তৃতা আছে, স্লোগান আছে, কিন্তু মানুষের রান্নাঘরের কথা খুব কমই ঢোকে। এই দূরত্ব থেকেই জন্ম নেয় ক্লান্তি। এই ক্লান্তিই সবচেয়ে বিপজ্জনক। কারণ ক্লান্ত মানুষ সহজে চরম ভাষার শিকার হয়, সহজে আশ্বাসে বিশ্বাস করে।

মানুষ রাজনীতি এড়িয়ে চলে, কারণ রাজনীতি তার কাছে নিজের কথা বলে মনে হয় না। রাজনীতিবিদরা প্রায়ই বলেন, মানুষ রাজনীতি বোঝে না। কিন্তু মানুষ খুব ভালোভাবেই বোঝে, কারা তার কথা বলছে না। নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের প্রক্রিয়া নয়। এটা মানুষের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নতুন করে গড়ার সুযোগ। সেই সুযোগটা যদি আবার হারিয়ে যায়, তাহলে ক্লান্তিটা আরও গভীর হবে।

এই প্রেক্ষাপটে বেগম খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার খবর শুধু একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, এটা বাংলাদেশের রাজনীতির একটি গভীর প্রতীক। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংঘাত, অবিশ্বাস, প্রতিহিংসার রাজনীতির মধ্যে একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী আজ জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তাঁর অসুস্থতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, রাজনীতি শেষ পর্যন্ত মানুষের শরীর, মানুষের সীমাবদ্ধতার বাইরে নয়।

অন্যদিকে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের আলোচনা রাজনীতিকে আবার উত্তপ্ত করছে। কেউ এটাকে নতুন আশার শুরু ভাবছে, কেউ ভাবছে পুরোনো সংঘাতের পুনরাবৃত্তি। কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রশ্নটা খুব সোজা, এতে আমার জীবনে কী বদলাবে? এই প্রশ্নের উত্তর না থাকলে, নির্বাচন মানুষের উৎসব হয় না, বোঝা হয়ে ওঠে।

রাজনৈতিক ক্লান্তির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি ভয়, নিরাপত্তাহীনতা। সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের উদ্বেগ বাড়ছে। প্রকাশ্য হামলা, সহিংসতা, দখলদারি-এসব এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আক্রমণ নয়, এটা রাষ্ট্রের কর্তৃত্বের ওপর প্রশ্ন। মানুষ যখন দেখে, দিনের আলোয়, প্রকাশ্যে হামলা হয়, আর তার পরিণতি অস্পষ্ট, তখন সে রাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ে।

রাষ্ট্র শুধু আইন বানানোর জায়গা নয়, রাষ্ট্র নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি। সেই প্রতিশ্রুতি দুর্বল হলে, মানুষ নিজের নিরাপত্তা নিজেই নিশ্চিত করতে চায়। তখন সমাজে গড়ে ওঠে প্রতিশোধের সংস্কৃতি, বিচারহীনতার ভয়ংকর চক্র। আইনশৃঙ্খলা শুধু পুলিশ বা প্রশাসনের বিষয় নয়, এটা রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রশ্ন। যে রাষ্ট্র তার নাগরিককে নিরাপত্তা দিতে পারে না, সে রাষ্ট্র তার নৈতিক কর্তৃত্ব হারাতে শুরু করে। এই অনিশ্চয়তা রাজনীতির ওপর মানুষের অনাস্থা আরও বাড়িয়ে দেয়।

৩. আন্তর্জাতিক অস্থিরতা এবং ব্যক্তিগত অনিশ্চয়তা

বিশ্বটা এই মুহূর্তে অস্থির। ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হয়নি, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত থামেনি। বড় শক্তিগুলোর মধ্যে টানাপোড়েন বাড়ছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি চাপের মধ্যে। এসব খবর আমরা দেখি টেলিভিশনে, পড়ি কাগজে। মনে হয় এগুলো তো অনেক দূরের বিষয়। কিন্তু বাস্তবে এই দূরত্ব খুব আপেক্ষিক।

ডলারের দর বাড়ে, আমাদের আমদানি ব্যয় বাড়ে। জ্বালানির বাজার অস্থির হয়, বিদ্যুতের দাম নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ে। বিশ্ব রাজনীতি কঠিন হলে, ছোট দেশের সিদ্ধান্ত আরও সংকুচিত হয়। এই বৈশ্বিক অস্থিরতার ভিতরেই ব্যক্তি নিজের জীবনটা সামলানোর চেষ্টা করে। চাকরি থাকবে তো? ব্যবসা টিকবে তো? সন্তানদের ভবিষ্যৎ কেমন হবে?

রাষ্ট্র যখন আন্তর্জাতিক চাপের কথা বলে, তখন মানুষ ভাবে, এই চাপের বোঝা কী শেষ পর্যন্ত আমার ঘাড়েই পড়বে? এই জায়গাটাতেই রাষ্ট্র আর ব্যক্তির সম্পর্কটা সবচেয়ে স্পর্শকাতর।

কারণ বৈশ্বিক সিদ্ধান্তের দায় ব্যক্তি বহন করে, কিন্তু সিদ্ধান্তে তার অংশগ্রহণ সীমিত। আন্তর্জাতিক অস্থিরতা তাই শুধু কূটনীতির বিষয় নয়। এটা ব্যক্তিগত অনিশ্চয়তার গল্পও।

৪. স্মৃতি, মৃত্যু, সময় এবং রাষ্ট্র

রাজনীতি, নির্বাচন, আইনশৃঙ্খলা, সবকিছুর মাঝেই জীবন থেমে যায় হঠাৎ। মৃত্যু আসে। স্মৃতি ফিরে আসে। বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা আমাদের শুধু একজন নেত্রীর কথা মনে করিয়ে দেয় না, আমাদের মনে করিয়ে দেয় সময়ের সীমা। রাষ্ট্র অনেক সময় নিজেকে অমর ভাবে। ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠান, আইন, সবকিছু যেন চিরস্থায়ী। কিন্তু মানুষ চিরস্থায়ী নয়। রাজনীতিও নয়। একজন মানুষ অসুস্থ হলে, মৃত্যু হলে-রাষ্ট্রের প্রকৃত চরিত্রটা বেরিয়ে আসে। সে সহানুভূতিশীল কি না, ন্যায়বিচারী কি না, মানবিক কি না।

আমরা এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে আন্তর্জাতিক অস্থিরতা, যুদ্ধ, অর্থনৈতিক সংকট, সব মিলিয়ে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। এই অনিশ্চয়তা শুধু বৈশ্বিক নয়, ব্যক্তিগতও। মানুষ জানে না, আগামী বছর তার জীবন কোথায় যাবে। এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো, মানুষকে অন্তত এই আশ্বাস দেওয়া যে সে একা নয়। তার জীবনের মূল্য আছে। চতুর্মাত্রার এই প্রথম লেখাটা তাই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য নয়। এটা প্রশ্ন রেখে যাওয়ার জন্য। কারণ প্রশ্ন না থাকলে রাষ্ট্রও একদিন নিঃশব্দ হয়ে যায়।

কয়েক দিন আগে একজন পরিচিত মানুষ মারা গেল। খুব বড় কোনো নাম নয়। কিন্তু তার মৃত্যু আমাকে থামিয়ে দিল। রাষ্ট্র চলে নিয়মে। নীতি চলে সময়সূচি মেনে। কিন্তু মৃত্যু আসে হঠাৎ। এই হঠাৎ থেমে যাওয়াটাই আমাদের মনে করিয়ে দেয়, রাষ্ট্রের সব হিসাবের বাইরে একজন মানুষের জীবন কতটা নাজুক।

আমরা উন্নয়ন নিয়ে কথা বলি, প্রবৃদ্ধি নিয়ে কথা বলি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করি। কিন্তু ব্যক্তির স্মৃতি, ক্ষতি, শোক, এসব প্রায়ই রাষ্ট্রের ভাষায় জায়গা পায় না। যখন কোনো মৃত্যু রাজনৈতিক হয়ে ওঠে, তখন আমরা কথা বলি। কিন্তু নীরব মৃত্যুগুলো, সেগুলো শুধু পরিবারের ভিতরেই রয়ে যায়। একটা রাষ্ট্র আসলে কী দিয়ে মাপা হয়? শুধু অবকাঠামো দিয়ে? শুধু সংখ্যায়? নাকি সে তার মানুষের সময়কে, স্মৃতিকে, জীবনের অনিশ্চয়তাকে কতটা মর্যাদা দেয়, সেটা দিয়েও?

চতুর্মাত্রার এই শেষ অংশটা ইচ্ছা করেই ব্যক্তিগত। কারণ শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রও মানুষের গল্প দিয়েই গঠিত। যদি সেই গল্পগুলো হারিয়ে যায়, তাহলে বড় বড় সিদ্ধান্তের ভিতরেও একটা শূন্যতা থেকে যায়।

শেষ কথা

এই কলাম নিয়মিত হবে। প্রতিবার চারটি আলাদা দিক থেকে দেখবে সময়কে।

কারণ সময় নিজেই একমাত্রিক নয়। আমরা কথা বলব, কারণ নীরবতা এখন আর নিরপেক্ষ নয়।

লেখক :  প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ

এই বিভাগের আরও খবর
বাজার সিন্ডিকেট
বাজার সিন্ডিকেট
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন
ওষুধ সিন্ডিকেট
ওষুধ সিন্ডিকেট
বেতন সুপারিশ
বেতন সুপারিশ
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
সংসদ নির্বাচন
সংসদ নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ
আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬
থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা
বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ
কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান
ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি
কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭
মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন
লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে
এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ
ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর
ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ
ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা
১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির
আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির
জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর
আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর

৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান
তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার
র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু
যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মুন্সীগঞ্জে গণভোটের প্রচারণায় ইউএনও
মুন্সীগঞ্জে গণভোটের প্রচারণায় ইউএনও

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধুখালিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, পাইপ গান ও সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১
মধুখালিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, পাইপ গান ও সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প
ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের
নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে
ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম
তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান
করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?
'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র
এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’
‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম
বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স
রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ
তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস
ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা
খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা
বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’
‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?
পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম
আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি
বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই
ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?
আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা
ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার
যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

সম্পাদকীয়

নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল

প্রথম পৃষ্ঠা

দূষণ থেকে সার
দূষণ থেকে সার

শনিবারের সকাল

বাদুড়ের নিরাপদ আবাস
বাদুড়ের নিরাপদ আবাস

শনিবারের সকাল

সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের
সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের

দেশগ্রাম

ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ
ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের
সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা
ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা

নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের
প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

সম্পাদকীয়

অমিতাভের জুতা কাহিনি
অমিতাভের জুতা কাহিনি

শোবিজ

শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ
শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ

শনিবারের সকাল

এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ
এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ

শোবিজ

নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ

সম্পাদকীয়

অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

অদম্য শিরিনের পথচলা
অদম্য শিরিনের পথচলা

শনিবারের সকাল

বল সুন্দরীতে বাজিমাত
বল সুন্দরীতে বাজিমাত

শনিবারের সকাল

সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক

সম্পাদকীয়

৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

দেশগ্রাম

বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান

সম্পাদকীয়

চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত
চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত

দেশগ্রাম

টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর
টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প
সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প

শোবিজ

ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে
ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে

দেশগ্রাম

পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ
পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ

দেশগ্রাম

জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

দেশগ্রাম

নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের
নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

দেশগ্রাম