শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

আলম রায়হান
প্রিন্ট ভার্সন
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

গত ১৬ মাসে বাংলাদেশে ছয়জন সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। ৪৭৬টি ঘটনায় ১ হাজার ৭৩ জন গণমাধ্যমকর্মী বিভিন্নভাবে নিগৃহীত হয়েছেন। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে গত মঙ্গলবার। এতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মীরা কী অবস্থা মোকাবিলা করছেন তার যথার্থ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের প্রতিটি সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা বলে।

প্রচলিত প্রবচন, সরকারি কর্তাদের বচন অমৃতসম। আসলে এটি হচ্ছে একধরনের রসিকতা। বাস্তবতা হচ্ছে, সরকারি লোকদের বচন সাধারণত খুব একটা আমলে নেওয়া হয় না। বরং প্রায় ক্ষেত্রেই উল্টোটা ভাবে আমজনতা। আর যুগে যুগে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত বখেদমতে হুজুরে আলাদের বচন আরও কম গুরুত্ব পায়। বরং ধরেই নেওয়া হয়, তথ্যমন্ত্রী মানেই সরকারের অতিকথনের মাইক। এ ক্ষেত্রে নিজ মহিমায় ড. হাছান মাহমুদ এক নম্বর পদটি সর্বকালের জন্য দখলে রাখার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। আর জনগণের বিবেচনায় তথ্যমন্ত্রী হিসেবে ড. হাছান মাহমুদের পর দ্বিতীয় আসনটি চিরকালের জন্যই তোলা রয়েছে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার জন্য। এদিকে অতিকথনের ধারায় সম্পৃক্ত হননি, অথবা পূর্বসূরিদের ধারায় অভ্যস্ত হওয়ার মতো যথেষ্ট সময় পাননি নাহিদ ইসলাম। কিন্তু ইতিহাসে লেখার মতো একটি কাজ করে গেছেন তিনি! গণপিটুনির মতো কলমের এক খোঁচায় সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করে গেছেন। বলা হয়, এভাবে ড. ইউনূস সরকারের প্রতি সাংবাদিকদের বৈরী করার ক্ষেত্রে অসাধারণ ‘সাফল্য’ দেখিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। ফলে তাঁকে অবশ্যই আলাদা দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করতে হবে। প্রচলিত এই ধারার মধ্যেও তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম গত ৮ অক্টোবর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি হলো কোনো গণমাধ্যম বন্ধ করা হবে না। যেহেতু কোনো গণমাধ্যম বন্ধ হচ্ছে না, তাই নতুন গণমাধ্যমের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে এটি আগের নিয়ম অনুযায়ী করা হবে। সরকার মিডিয়া শিল্পে একটি ভালো পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। আমরা চেষ্টা করছি একটা ভালো পরিবেশ তৈরি হোক। সেলফ রেগুলেশনে আসুক। মন্ত্রণালয় এখানে হস্তক্ষেপ করবে না।’

তথ্য উপদেষ্টার এ উচ্চারণ অনেক গভীরের বিষয়কে সামনে নিয়ে এসেছে। বেশ বিলম্ব হলেও মাহফুজ আলম আসলে অনেক বড় রকমের অরাজকতা বিদায়, নিদেনপক্ষে চেষ্টা করার প্রজ্ঞা দেখিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর মন্ত্রণালয়ের কতিপয় আমলা এবং সারা দেশে কতিপয় ডিসি ও দালালের ধান্দার গরম ভাতে জল ঢেলে দিয়েছেন। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকেন্দ্রিক ফাঁপরবাজ-চাঁদাবাজ এবং মবোক্রেসির লাগাম নীরবে টেনে দিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা। শুধু তা-ই নয়, সরকারকে বড় ধরনের একটি কলঙ্কের নিশ্চিত গ্রাস থেকে রক্ষার ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। হয়তো এ ক্ষেত্রে বেশ বিলম্ব হয়েছে।

তবু কখনো না হওয়ার চেয়ে বিলম্বে হওয়া উত্তম। এরপর প্রশ্ন থাকেই, জেলায় সরকার ও রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ডিসিরা কী করছেন? উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ৮ অক্টোবরের পরিষ্কার বক্তব্যের ঠিক পাঁচ সংবাদপত্রের স্বাধীনতাদিনের মাথায় ১৩ অক্টোবর উল্টো ধারার তাগত দেখিয়েছেন ময়মনসিংহের ডিসি। তিনি কলমের এক খোঁচায় ১১ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন বাতিল করে দিয়েছেন। ময়মনসিংহের ডিসি কোনো উগ্র এজেন্ডার ধারক কি না, কে জানে। অথবা তাঁরা মগজ আওয়ামী চেতনায় পরিপূর্ণ!

অনেকের স্মৃতিতেই আছে, স্বাধীন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ওপর খড়গ চালিয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। সংবাদপত্রের ওপর তিনি খড়গহস্ত হয়েছিলেন। অথচ গণতন্ত্রের জিকির এবং মানুষকে আকাশকুসুম স্বপ্ন দেখিয়েই তিনি বটবৃক্ষসম নেতা হয়েছিলেন। এদিকে সংবাদপত্র জগতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল দীর্ঘকালের। এমনকি প্রথম জীবনে তিনি সংবাদপত্রের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। ইত্তেহাদ পত্রিকার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান প্রতিনিধি ছিলেন তিনি। সংবাদপত্র, সাংবাদিক এবং গোটা সংবাদজগতের ঘরেবাইরের অনেকটাই তিনি জানতেন। পাকিস্তান আমলে রাজনৈতিক মঞ্চে তিনি যখন প্রায় একাকী পাক চক্রের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছেন তখন সংবাদপত্র জগতের কর্মীরাই ছিলেন তাঁর বড় সহায়ক। ইত্তেফাকের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ও শেখ মুজিব ছিলেন একে অপরের পরিপূরক। হরিহর আত্মা। মুজিব যেমন ইত্তেফাকের জন্য লড়াই করেছেন, চাঁদা তুলেছেন; তেমনই বিপদের দিনে ইত্তেফাকও তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে বটবৃক্ষ হয়ে। ফলে সাংবাদিকদের সঙ্গে তাঁর একটি আবেগের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। এ আবেগের কথা তিনি ১৯৭২ সালের ১৬ জুলাই জাতীয় প্রেস ক্লাবে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেছেনও। তাঁর উচ্চারণ, ‘সাংবাদিক ভাইয়েরা আপনারা জানেন, আমি আপনাদের আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলাম। আপনাদের অনেক সহকর্মী শুধু সাংবাদিক ছিলেন না, তাঁরা আমার ব্যক্তিগত বন্ধু ছিলেন।’ কিন্তু ইতিহাসে লেখা আছে, চারটি ছাড়া সব পত্রিকা বন্ধ করেছিলেন সাংবাদিকদের ‘বন্ধু’ শেখ মুজিবুর রহমান। অবশ্য এই কর্ম তিনি করেছিলেন একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে। যে কমিটির শিরোমণি ছিলেন এনায়েত উল্লাহ খান। এটি সবাই না জানলেও অনেকেই জানেন। আর ১৫ আগস্টের পর সবাই জেনেছে, এনায়েত উল্লাহ খান ছিলেন ’৭৫-এর থিংক ট্যাংকের অন্যতম কুশীলব। এদিকে গণমাধ্যম পীড়নে কেবল মুজিব নয়, মুজিবকন্যাও পিছিয়ে ছিলেন না। একটি প্রবচন আছে, ‘বাপ কা বেটা’। অনেকের বিবেচনায়, শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন তিনি, বাপ কা বেটি! মুজিবকন্যা দ্বিতীয় দফায় ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসীন হওয়ার দীর্ঘ ১৬ বছরে বহু কাণ্ডের সঙ্গে গণমাধ্যমের ওপরও আঘাত হেনেছেন। খালেদা জিয়া সরকারের তথ্যমন্ত্রী থাকাকালে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন বিভাজনের মাধ্যমে গণমাধ্যমবিরোধী যে সর্বনাশা খেলার সূচনা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা করেছেন তাকে সাপলুডুর মই ধরিয়ে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। শুধু তা-ই নয়, হাড্ডি ছুড়ে দিয়ে রাজনীতিকদের লেজ কাটার এরশাদীয় তরিকা গণমাধ্যমে কপি পেস্ট করে একটি অনুগত সাংবাদিক শ্রেণি তৈরি করেছিলেন শেখ হাসিনা। আর যাঁরা অনুগত হতে চাননি অথবা যথেষ্ট আনুগত্য দেখাতে পারেননি তাঁদের জন্য ছিল অন্য ব্যবস্থা। মানে হামলা-মামলা ইত্যাদি! আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে বাংলাদেশে রাষ্ট্রযন্ত্রের মাধ্যমে সাংবাদিক নির্যাতনের হার ১২ দশমিক ৫ শতাংশ থাকলেও এক বছরের ব্যবধানে ২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। যার প্রায় ২৩ শতাংশ নির্যাতনই হয়েছে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। ২০২২ সালের জুলাই পর্যন্ত ১১৯ জন সাংবাদিক নানামুখী হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৮ জন পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলা এবং ১৯ জন প্রকাশিত সংবাদের জেরে মামলার শিকার হন। পলাতক হাসিনা সরকারের আমলে সাংবাদিক নির্যাতনের আখ্যান অনেক দীর্ঘ। সাংবাদিক পীড়নে শেখ হাসিনার কি কোনো লাভ হয়েছে? হয়নি! কখনো হয় না।

প্রসঙ্গত পত্রিকা বন্ধের কাণ্ড শেখ মুজিব করেছিলেন এনায়েত উল্লাহ খানের নেতৃত্বে একটি কমিটির মাধ্যমে। ১৫ আগস্টের পর জানা গেল, এনায়েত উল্লাহ খান ছিলেন ’৭৫-এর থিংক ট্যাংকের অন্যতম সক্রিয় সদস্য। এ প্রসঙ্গে নির্মল ধারার সাংবাদিক চিরকুমার সজ্জন নির্মল সেন লিখেছেন, ‘আমি বুঝতে অক্ষম, এনায়েত উল্লাহ খান কী করে বাকশালের সমর্থনে বিদেশে সাংবাদিক প্রতিনিধিদল নিয়ে গিয়েছিলেন। আবার ১৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর তাঁর ভূমিকা আমাকে বিস্মিত করেছিল।’ আবু জাফর শামসুদ্দীনের ভাষ্যমতে, ‘এনায়েত উল্লাহ খানরাই বঙ্গবন্ধুকে দিয়ে চারটি পত্রিকা রেখে বাকি সব বন্ধ করার অকাজটি করিয়ে নিয়েছিলেন।’  চারটি পত্রিকা রেখে বাকিগুলো বন্ধ করে দেওয়ার মুজিবীয় কাণ্ড নিয়ে অবশ্য দুই ধরনের বয়ান প্রচলিত আছে। এক. তাঁকে দিয়ে এনায়েত উল্লাহ গং করিয়েছেন। 

দুই. তিনি অন্যের ঘাড়ে বন্দুক রাখার কৌশল অবলম্বন করেছিলেন। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা যা-ই হোক, পত্রিকা বন্ধের কলঙ্ক তিলক কিন্তু শেখ মুজিবের কপালেই অমোছনীয় হয়ে গেছে এবং তিনি গণমাধ্যম নিপীড়ক হিসেবেই ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে আছেন।  আর বলাবাহুল্য সাম্প্রতিক সময়ে জেলায় জেলায় পত্রিকার ওপর সরকারের একশ্রেণির কর্মকর্তা যে কাণ্ড ঘটাচ্ছেন তার চূড়ান্ত দায় কিন্তু ইতিহাসে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপরই বর্তাবে। যেমন চেপে বসেছে শেখ মুজিবের ঘাড়ে।

লেখক : জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
বাজার সিন্ডিকেট
বাজার সিন্ডিকেট
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন
ওষুধ সিন্ডিকেট
ওষুধ সিন্ডিকেট
বেতন সুপারিশ
বেতন সুপারিশ
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন
সংসদ নির্বাচন
সংসদ নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ
আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬
থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা
বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ
কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান
ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি
কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭
মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন
লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে
এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ
ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর
ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ
ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা
১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির
আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির
জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর
আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর

৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান
তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার
র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু
যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মুন্সীগঞ্জে গণভোটের প্রচারণায় ইউএনও
মুন্সীগঞ্জে গণভোটের প্রচারণায় ইউএনও

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধুখালিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, পাইপ গান ও সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১
মধুখালিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, পাইপ গান ও সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প
ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের
নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে
ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম
তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান
করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?
'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র
এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’
‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম
বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স
রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ
তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস
ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা
খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা
বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’
‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?
পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম
আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি
বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই
ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?
আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা
ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার
যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

সম্পাদকীয়

নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল

প্রথম পৃষ্ঠা

দূষণ থেকে সার
দূষণ থেকে সার

শনিবারের সকাল

বাদুড়ের নিরাপদ আবাস
বাদুড়ের নিরাপদ আবাস

শনিবারের সকাল

সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের
সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের

দেশগ্রাম

ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ
ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের
সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা
ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা

নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের
প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

সম্পাদকীয়

অমিতাভের জুতা কাহিনি
অমিতাভের জুতা কাহিনি

শোবিজ

শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ
শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ

শনিবারের সকাল

এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ
এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ

শোবিজ

নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ

সম্পাদকীয়

অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

অদম্য শিরিনের পথচলা
অদম্য শিরিনের পথচলা

শনিবারের সকাল

বল সুন্দরীতে বাজিমাত
বল সুন্দরীতে বাজিমাত

শনিবারের সকাল

সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক

সম্পাদকীয়

৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

দেশগ্রাম

বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান

সম্পাদকীয়

চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত
চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত

দেশগ্রাম

টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর
টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প
সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প

শোবিজ

ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে
ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে

দেশগ্রাম

পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ
পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ

দেশগ্রাম

জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

দেশগ্রাম

নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের
নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

দেশগ্রাম