শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ

আবদুল আউয়াল ঠাকুর
প্রিন্ট ভার্সন
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ

আজ মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত ও ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল আমাদের মহান স্বাধীনতা। শুরুতেই এ নিয়ে বিপত্তি দেখা দিয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক দিনে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানীর অনুপস্থিতি বা থাকতে না পারাকে কেন্দ্র করে যে ক্ষতের জন্ম হয়েছিল তা মহিরুহে পরিণত হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিলকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে। জনতার এই বিজয়কে ভারতীয়করণের কারসাজি দেখে পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির প্রধান কমরেড সিরাজ সিকদার বলেছিলেন, পূর্ব বাংলা ভারতের উপনিবেশে পরিণত হয়েছে। সে কথা আজ হয়তো বড় নয়। বড় হচ্ছে, আমরা একটি স্বাধীন পতাকা পেয়েছি। বিশ্ব দরবারে আমাদের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় অর্জিত হয়েছে। আর সেই যুদ্ধের শেষ দিন ছিল ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যে আত্মসমর্পণের দলিল স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা সম্পাদিত হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তানে মধ্যে। কথাটা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। কারণ ভারতের সে সময়কার অনেক দৈনিক যেমন-আনন্দবাজার, যুগান্তর এই মহান দিবসটিকে দেখতে চেয়েছে তাদের চোখে। আনন্দবাজার লিখেছিল, ‘পাকিস্তান নত’। আরও এরকম অনেক কথা আছে। সব সত্ত্বেও এটাই সত্য যে আমরা স্বাধীন হয়েছিলাম আমাদের জাতীয় চেতনার কারণে। আমাদের স্বাধীনতা মূলত ছিল এক ঐতিহাসিক বাস্তবতা। হাজার হাজার বছর ধরে যে স্বাধীনতার বপিত বীজ আমাদের অন্তরে মহিরুহে পরিণত হয়েছিল তার বিস্ফোরণের তারিখ ছিল ২৬ মার্চ। ৭ মার্চের ভাষণ আর মেজর জিয়ার ঐতিহাসিক ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ। এই যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল ভোটের মর্যাদা রক্ষার সূত্র ধরে অর্থাৎ গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই। সত্তরের নির্বাচনের বিজয়ীদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে অনীহা থেকেই শুরু। আজকের প্রেক্ষাপটে বিজয় দিবস নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সে প্রসঙ্গই সর্বাগ্রে প্রণিধানযোগ্য। বলার অপেক্ষা রাখে না এখন গণতন্ত্র সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। অথচ এ গণতন্ত্র রক্ষার জন্যই আমরা অস্ত্র ধরেছিলাম। ফ্যাসিবাদের বিদায়ের পর সেই কাক্সিক্ষত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিনই সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আক্রান্ত হন জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদি। এই আক্রমণকে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এই হামলা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র। এটি গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার ওপর সুপরিকল্পিত আঘাত।

একটি ফুলকে বাঁচাব বলে আমরা যুদ্ধ করি। মুক্তিযুদ্ধের একটি মৌলিক গান। তখনকার মতো এখনো অপেল মাহমুদের কণ্ঠের এই গান ধ্বনিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এই ফুলটি যদি গণতন্ত্র হয় তাহলে নির্বাচন সেখানে একটি বড় বিষয়। ফ্যাসিবাদের পতনের পর প্রায় দেড় বছর অতিবাহিত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন কমিশন অবশেষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে। তারিখ ঘোষণা করলেও সংশ্লিষ্টদের ভাষায় নির্বাচন এখনো শঙ্কামুক্ত নয়। নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এনসিপি, জামায়াতও খুব স্পষ্ট নয়। কেন নয়। সে আলোচনায় অনেক কথা রয়েছে। তার সবটা আলোচনার জায়গা এটি নয়। যেটুক বলা যায় তা হলো, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনায় সরকারের যে সক্ষমতার বিষয় রয়েছে তা নিয়েই মূলত কথা। অনেকেই বলছেন, সে কারণে তো আর নির্বাচন আটকে থাকতে পারে না। এ কথা যেমনি সঠিক তেমনি এ কথাও সংগত যে প্রত্যাশিত নির্বাচন না হলে বা হতে না পারলে তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। যদিও এ ভাবনা নির্বাচন কমিশন ও প্রধান উপদেষ্টার নেই, সে কথা বলা যাবে না। কারণ একটি গ্রহণযাগ্য নির্বাচন হলে তার সুনাম যেমন সরকারের, তেমনি এর অন্যথা হলে তার নেতিবাচক প্রভাবও সরকারের ওপর বর্তাবে। এমন এক সময়ে বাংলাদেশে নির্বাচন ঘোষিত হলো যখন গণতন্ত্রের সম্রাজ্ঞী জাতীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তাঁর অবস্থাও জটিল। যিনি ৫৫ বছরের বাংলাদেশে ৩৪ বছর ধরে গণতন্ত্রের জন্য লড়ছেন, যাঁর ব্যক্তিগত জীবন উৎসর্গ করেছেন এ দেশের মানুষের অধিকার, মানবাধিকার রক্ষার লড়াই করতে। আজ যখন দেশে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে নির্বাচনের আয়োজন চলছে তখন তিনি রয়েছেন হাসপাতালের বেডে। গত সাড়ে পনেরো বছর তাঁর ওপর যে নির্মম নির্যাতন-নিপীড়ন হয়েছে, একজন অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত করে তিলে তিলে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দিয়েছে যে স্বৈরাচার, সে আজ নেই তবে তার নির্যাতনের চিহ্ন বহন করছেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর কষ্টবেদনার সঙ্গে মিলে আছে গোটা জাতি। তিনি যে গোটা জাতির অভিভাবকে পরিণত হয়েছেন তার স্বাক্ষরও তিনি রেখেছেন। আজ তিনি অসুস্থ কার্যত তাঁর অসুস্থতার মধ্য দিয়েই দেশের গণতন্ত্রের অসুস্থতার প্রমাণ মেলে। সে কারণেও এবারের বিজয় দিবসের আনন্দ অনেকখানি মøান। চারদিকে একটা শঙ্কা ছড়িয়ে আছে, না জানি কী হয়। শঙ্কার নেতিবাচক প্রভাব নির্বাচনেও রয়েছে। বিএনপি তো বটেই যারা বিএনপির বাইরে রয়েছে তারাও। সে আশঙ্কায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে হাদি প্রসঙ্গ। বেগম জিয়া আমাদের সমাজের এমন যে জাতীয় অভিভাবকের আসনে রয়েছেন যাঁর শূন্যতা ভয়াবহ রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। সে কারণে দলমতনির্বিশেষে সবাই পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া করছেন। আসলে এই দোয়া শুধু তাঁর জন্য নয়, গোটা জাতির মঙ্গল কামনায়। বাংলাদেশে গণতন্ত্র রক্ষার এক সুভাসিত ফুলের নাম বেগম জিয়া। যিনি কখনো আপস করেননি। ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চাননি। এবারের বিজয় দিবসের আনন্দে তিনি শরিক থাকবেন সে প্রত্যাশা সবার। এবারের বিজয় দিবসে আমরা যেসব বিষয়কে বিবেচনায় দেখছি তার মধ্যে রয়েছে-১. দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ বিদায় হয়েছে গণ আন্দোলনে, ২. প্রত্যাশার নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়েছে, ৩. সবচেয়ে গুরুতর লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন গণতন্ত্রের কথা বললেও তাদের ভাষা ও আচরণে তার যথাযথ বহিঃপ্রকাশ নেই। বিশ্লেষকরা যেসব বিপত্তি দেখছেন তার মধ্যে রাজনৈতিক অনৈক্য একটি বড় বিষয়। ক্ষমতায় কে বা কারা যাবেন তার সঙ্গে আর কী কী উপাদান যুক্ত হবে বা হতে পারে সেসব আলোচনার পাশাপাশি উত্তাপ-উত্তেজনার উদ্বেগ সবকিছু ছাপিয়ে উঠছে। মাত্র সেদিনও গণভোট, নির্বাচন, জুলাই ঘোষণা সেসব নিয়ে পাল্টাপাল্টি নানা কথা শোনা গিয়েছিল। সেসব এখন স্তিমিত কিনা বলা যায় না, তবে ইসলামি শাসন বনাম গণতান্ত্রিক শাসনের একটা বাহাস বহাল রয়েছে। এটা ঠিক কোন পর্যায়ে তা বিশ্লেষণ করা কঠিন। কারণ ভোট হচ্ছে পাশ্চাত্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়। ভোটের আগে নির্বাচনি ম্যানিফেস্টো থাকে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ভোট প্রার্থীকে নিয়ে নয়, যত কথাই হোক শেষমেশ ভোটের একটা জোয়ার ওঠে। আর সেই জোয়ারে ভেসে ওঠে। সত্যি বলতে কী, এখনো দেশে নির্বাচনি জ্বর জোয়ার ওঠেনি। এ না ওঠার পেছনের মূল কারণ কী সেটি ভাববার রয়েছে। বিজয় দিবসের প্রাক্কালে সে ভাবনা আরও জরুরি। মেলার আনন্দ হচ্ছে সেই শিশুটির হাসি যে কিনা হাতে ঝুনঝুনি নিয়ে বাজাতে বাজাতে বেরিয়ে যায়। সেটাই সার্থকতা। গণতন্ত্রের সফলতা হচ্ছে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা। ভোটার নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারছে কি না, তা নিশ্চিত করা। সোজা ভাষায় নির্বাচন পরিচালনাকারীদের যোগ্যতা-দক্ষতা। অন্যভাবে বললে নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত রাখা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এ কাজটি অত্যন্ত দুরূহ। শুনতে যা-ই লাগুক, এ ব্যাপারটি এখন পর্যন্ত নির্বিবাদে কেউ করতে পেরেছে তার যথেষ্ট প্রমাণ নেই। স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রতিটি নির্বাচন নিয়েই কথা উঠেছে।

কথা এই কারণে যে বর্তমান সরকারের মেয়াদ কত দিনের? যদি ধরে নিই, একটি নির্বাচন সুসম্পন্ন হলে ক্ষমতা হস্তান্তর করা পর্যন্ত মেয়াদ যা সংগত বিবেচনায় বলা যায় তাহলে অন্য একটি প্রসঙ্গ ভিড় করে। গণ অভ্যুত্থানে গঠিত সরকারের হাতে জনগণের দেওয়া বিপুল ক্ষমতা রয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে যদি নির্বাচন হয়ে যায় তাহলে ক্ষমতা হস্তান্তরের তারিখই হবে সরকারের শেষ সময়। সেটি বিবেচনায় হয়তো আগামী দুই মাস সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। এদিকে সরকারে থাকা ছাত্র উপদেষ্টাদের নজিরবিহীন পদত্যাগ করার ফলে গণ অভ্যুত্থানে সম্পর্কিত থাকা শক্তির সঙ্গে সরকারের কার্যত ফারাক তৈরি হলো। নির্বাচন পরিচালনাকারী শক্তির মধ্যে গণ অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট শক্তির কোনো সমন্বয় রয়েছে কি না, সেটি সরকার বলতে পারবে। তবে বিষয়টি জরুরি। কথায় বলে ডিম পাড়ে হাঁসে খায় বাগডাশে। এবারের আন্দোলনের সঙ্গে যাঁরা জড়িত-যুক্ত তাঁরা ইতোমধ্যে ছিটকে পড়েছেন, গুলিতে আহত হলেন। প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে। আন্দোলনে নিহতদের নিয়ে করা অনেক মামলা তথ্যপ্রমাণের অভাবে মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। ব্রিটিশ আমলে উপজাতিদের উৎপাদিত ফসলের ওপর খাজনা প্রবর্তনে একটি নির্দিষ্ট একক খাজনা হিসাবের বাইরে রাখা হয়েছিল। কৃষক দেখছে পরিমাপ করি কখনো সে সংখ্যা অতিক্রম করছে না। ক্ষোভে সে বলছে বাবু তুই বলিস না যে আমি ধান চাষই করিনি। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, কেউ যেন না বলে বসে কোনো বিপ্লবই হয়নি। অনেকে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধকে গন্ডগোল বলে থাকে। সরকার তার এ মেয়াদে এসে এখনো সরকার উৎখাত মামলার তদন্ত নিয়ে ব্যস্ত। এ নিয়ে ধরপাকড়ের নানা কথা চলছে। কিন্তু কেন? কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। যে গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই আমাদের বিজয় দিবসের মূল সুর তাঁর বাস্তবায়নে যদি কাক্সিক্ষত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে সেটাই হবে এবারের বিজয় দিবসের সার্থকতা। এই বিজয় অর্জনে যাঁরা শাহাদাত বরণ করেছেন তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
খেলাপি ঋণ
খেলাপি ঋণ
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি
পবিত্র শাবান মাসের গুরুত্ব ও করণীয়
পবিত্র শাবান মাসের গুরুত্ব ও করণীয়
এজেন্ট ব্যাংকিং : আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সাফল্য ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ
এজেন্ট ব্যাংকিং : আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সাফল্য ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ
সুশীল সেবক থেকে সুশীল সমাজ : এম হাফিজ উদ্দিন খান
সুশীল সেবক থেকে সুশীল সমাজ : এম হাফিজ উদ্দিন খান
কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, গণতন্ত্রকে জয়ী করুন
কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, গণতন্ত্রকে জয়ী করুন
বাজার সিন্ডিকেট
বাজার সিন্ডিকেট
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন
সর্বশেষ খবর
মার্কিন আগ্রাসন প্রতিরোধে যেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে কিউবা
মার্কিন আগ্রাসন প্রতিরোধে যেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে কিউবা

২ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঠবাড়িয়ায় ত্রিমুখী লড়াই: ভোটের হাওয়া কোন দিকে ঝুঁকছে?
মঠবাড়িয়ায় ত্রিমুখী লড়াই: ভোটের হাওয়া কোন দিকে ঝুঁকছে?

৪ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

রংপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর
রংপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রজাপতি হয়ে উঠতে পেরেছি: ইউজিসি চেয়ারম্যান
প্রজাপতি হয়ে উঠতে পেরেছি: ইউজিসি চেয়ারম্যান

৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

‘অন্যায় চিরস্থায়ী হবে না’: মাহদাভিকিয়া
‘অন্যায় চিরস্থায়ী হবে না’: মাহদাভিকিয়া

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন কমেছে
পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন কমেছে

১৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘ব্যবসাবান্ধব ও চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশ গড়বে জামায়াত’
‘ব্যবসাবান্ধব ও চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশ গড়বে জামায়াত’

১৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

সিডনির স্বপ্ন ভেঙে ষষ্ঠবারের মতো বিগ ব্যাশ চ্যাম্পিয়ন পার্থ
সিডনির স্বপ্ন ভেঙে ষষ্ঠবারের মতো বিগ ব্যাশ চ্যাম্পিয়ন পার্থ

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রাষ্ট্রীয় সুরক্ষায় কাস্টমস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে: প্রধান উপদেষ্টা
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রাষ্ট্রীয় সুরক্ষায় কাস্টমস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে: প্রধান উপদেষ্টা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

টুঙ্গিপাড়ায় সেনা সদস্য পরিচয়ে ওয়াকিটকিসহ যুবক গ্রেফতার
টুঙ্গিপাড়ায় সেনা সদস্য পরিচয়ে ওয়াকিটকিসহ যুবক গ্রেফতার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ডিএমপির ১৫০২ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ডিএমপির ১৫০২ মামলা

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঢাকায় ‘ময়লা কুড়ানো’ প্রতিযোগিতার আয়োজন
ঢাকায় ‘ময়লা কুড়ানো’ প্রতিযোগিতার আয়োজন

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

দেশে বিএনপির পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে: ডা. এস রফিকুল
দেশে বিএনপির পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে: ডা. এস রফিকুল

২৯ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

আমাদের দায়িত্ব এসেছে ভালো দিন তৈরি করার : ফখরুল
আমাদের দায়িত্ব এসেছে ভালো দিন তৈরি করার : ফখরুল

৩১ মিনিট আগে | রাজনীতি

আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন প্রসিকিউসন
আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন প্রসিকিউসন

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

২৪ দিনে প্রবাসী আয় এলো ২৪৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার
২৪ দিনে প্রবাসী আয় এলো ২৪৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার

৪৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: নাসিরনগরে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি জনসভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: নাসিরনগরে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি জনসভা

৪৪ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

রমজানে কিছু কিছু পণ্যের দাম কমবে : বাণিজ্য উপদেষ্টা
রমজানে কিছু কিছু পণ্যের দাম কমবে : বাণিজ্য উপদেষ্টা

৪৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচনে নিরাপত্তা দেবে ১৫ প্লাটুন বিজিবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচনে নিরাপত্তা দেবে ১৫ প্লাটুন বিজিবি

৪৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

কানাডার সঙ্গে সম্পর্ক আরও বাড়াচ্ছে চীন
কানাডার সঙ্গে সম্পর্ক আরও বাড়াচ্ছে চীন

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় ফ্যাক্টরিতে অভিযান, ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
বগুড়ায় ফ্যাক্টরিতে অভিযান, ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৩১ জন হাসপাতালে
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৩১ জন হাসপাতালে

৫৫ মিনিট আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কঙ্গোতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর শান্তিরক্ষা কন্টিনজেন্ট প্রতিস্থাপন
কঙ্গোতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর শান্তিরক্ষা কন্টিনজেন্ট প্রতিস্থাপন

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বিএনপি: ড. শেখ ফরিদুল
সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বিএনপি: ড. শেখ ফরিদুল

৫৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ, বিশ্ব ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি
বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ, বিশ্ব ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে ৩ মাস অনুপস্থিত এমপিও শিক্ষক, তুলছেন বেতনও
প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে ৩ মাস অনুপস্থিত এমপিও শিক্ষক, তুলছেন বেতনও

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতি মাউশির জরুরি নির্দেশনা
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতি মাউশির জরুরি নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস পালিত
গাইবান্ধায় বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রদ্ধাবোধ না থাকলে রাজনীতি করা সম্ভব নয়: নওশাদ জমির
শ্রদ্ধাবোধ না থাকলে রাজনীতি করা সম্ভব নয়: নওশাদ জমির

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নয়াদিল্লিতে হাসিনার বক্তব্যের অনুমতি দেওয়ায় প্রতিবাদ জানালো বাংলাদেশ
নয়াদিল্লিতে হাসিনার বক্তব্যের অনুমতি দেওয়ায় প্রতিবাদ জানালো বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে যা বললো বিসিবি
আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে যা বললো বিসিবি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হওয়ার কথা ছিল গণ-অভ্যুত্থানের নেতা, হয়ে গেছে ওবায়দুল কাদের : তাজনুভা
হওয়ার কথা ছিল গণ-অভ্যুত্থানের নেতা, হয়ে গেছে ওবায়দুল কাদের : তাজনুভা

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার
আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া নয়, সবচেয়ে বেশি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যে দেশের হাতে
যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া নয়, সবচেয়ে বেশি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যে দেশের হাতে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবম পে-স্কেল: প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়বে কত?
নবম পে-স্কেল: প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়বে কত?

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত
সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ ছাড়াই বিশ্বকাপ, আইসিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি
বাংলাদেশ ছাড়াই বিশ্বকাপ, আইসিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!
বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারেন: হান্নান মাসউদ
নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারেন: হান্নান মাসউদ

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদে থাকলে ক্রিকেটাররা কেন খেলতে পারবে না'
'শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদে থাকলে ক্রিকেটাররা কেন খেলতে পারবে না'

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাদুরো অপহরণ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
মাদুরো অপহরণ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবিতে ছয় মাসের দুর্নীতি পাপন আমলের ১৫ বছরকেও ছাড়িয়ে গেছে : বোর্ড পরিচালক
বিসিবিতে ছয় মাসের দুর্নীতি পাপন আমলের ১৫ বছরকেও ছাড়িয়ে গেছে : বোর্ড পরিচালক

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা কি ইসরায়েলি আক্রমণ ঠেকাতে পারবে?
ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা কি ইসরায়েলি আক্রমণ ঠেকাতে পারবে?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকার নির্দেশ দিলে বিশ্বকাপ খেলবে না পাকিস্তান
সরকার নির্দেশ দিলে বিশ্বকাপ খেলবে না পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের ১১ দলীয় জোট গঠন জামায়াতের
ফের ১১ দলীয় জোট গঠন জামায়াতের

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজ স্বার্থে ওসমান হাদিকে বিক্রি করছেন : আবদুল কাদের
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজ স্বার্থে ওসমান হাদিকে বিক্রি করছেন : আবদুল কাদের

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যেকোনো মূল্যে বিএনপি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে : তারেক রহমান
যেকোনো মূল্যে বিএনপি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে : তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

অর্থ বিভাগের দায়িত্ব ফিরে পেলেন বিসিবির সেই পরিচালক
অর্থ বিভাগের দায়িত্ব ফিরে পেলেন বিসিবির সেই পরিচালক

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীন কানাডাকে জ্যান্ত গিলে খাবে, ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের
চীন কানাডাকে জ্যান্ত গিলে খাবে, ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শৈত্যপ্রবাহ কি তবে শেষ, যা জানাল আবহাওয়া অফিস
শৈত্যপ্রবাহ কি তবে শেষ, যা জানাল আবহাওয়া অফিস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘মওদুদীবাদী জামায়াতের বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা আলেমদের ধর্মীয় দায়িত্ব’
‘মওদুদীবাদী জামায়াতের বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা আলেমদের ধর্মীয় দায়িত্ব’

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যা বললেন পিসিবি চেয়ারম্যান
বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যা বললেন পিসিবি চেয়ারম্যান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভাঙনের মুখে ইরান, আরও বড় ধাক্কা আসছে?
ভাঙনের মুখে ইরান, আরও বড় ধাক্কা আসছে?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘পাকিস্তান বিশ্বকাপে না গেলে সেখানে খেলবে উগান্ডা’
‘পাকিস্তান বিশ্বকাপে না গেলে সেখানে খেলবে উগান্ডা’

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্ব জনগণের জন্য সুবিধা বয়ে এনেছে : প্রণয় ভার্মা
বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্ব জনগণের জন্য সুবিধা বয়ে এনেছে : প্রণয় ভার্মা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা
প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন উপকারিতা
খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন উপকারিতা

৮ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগ
বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত জিততে পারবে না
সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত জিততে পারবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর
গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে পাল্টাপাল্টি
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে পাল্টাপাল্টি

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তপ্ত ভোটের মাঠ
উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

প্রথম পৃষ্ঠা

একটি দল ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন
একটি দল ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্মাণাধীন ভবনের রড পড়ে পথচারী নিহত
নির্মাণাধীন ভবনের রড পড়ে পথচারী নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?
তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিতে দুর্বলতা উদ্বেগের
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিতে দুর্বলতা উদ্বেগের

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুটসালে ইতিহাস গড়ার দিন
ফুটসালে ইতিহাস গড়ার দিন

মাঠে ময়দানে

সরকারে গেলে গুরুত্ব পাবে প্রাথমিক শিক্ষা
সরকারে গেলে গুরুত্ব পাবে প্রাথমিক শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন দিন পর কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার
তিন দিন পর কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই
বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই

প্রথম পৃষ্ঠা

সিন্ডিকেট চক্রে জিম্মি প্রশিক্ষণার্থীরা
সিন্ডিকেট চক্রে জিম্মি প্রশিক্ষণার্থীরা

নগর জীবন

কেরানীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতার মৃত্যু
কেরানীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতার মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

নানান কৌশলে প্রচার
নানান কৌশলে প্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও হলো ‘১১-দলীয় জোট’
আবারও হলো ‘১১-দলীয় জোট’

পেছনের পৃষ্ঠা

নাটকে ফিরছে পারিবারিক গল্প
নাটকে ফিরছে পারিবারিক গল্প

শোবিজ

আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন অবশেষে গ্রেপ্তার
আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন অবশেষে গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনে চলছে টাকার খেলা
নির্বাচনে চলছে টাকার খেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণার কারণেই কোকোর মৃত্যু
ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণার কারণেই কোকোর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম অনুপ্রেরণা জোগায়
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম অনুপ্রেরণা জোগায়

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের জায়গায় খেলবে স্কটল্যান্ড
বাংলাদেশের জায়গায় খেলবে স্কটল্যান্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

সভা-সম্মেলনে ফল শূন্য
সভা-সম্মেলনে ফল শূন্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশ সফরেও কমছে এফডিআই
বিদেশ সফরেও কমছে এফডিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনি প্রচার উৎসবে দেশ
নির্বাচনি প্রচার উৎসবে দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে দ্রুত পাঠানোর তাগাদা ইসির
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে দ্রুত পাঠানোর তাগাদা ইসির

পেছনের পৃষ্ঠা