শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

থার্টি ফার্স্ট নাইট আনন্দের আড়ালে যে ক্ষতি

শায়খ আহমাদুল্লাহ
প্রিন্ট ভার্সন
থার্টি ফার্স্ট নাইট আনন্দের আড়ালে যে ক্ষতি

আল্লাহর দেওয়া জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। যে সম্পদ যত বেশি মূল্যবান, তার ব্যবহার-প্রক্রিয়াও তত বেশি সুপরিকল্পিত হওয়া প্রয়োজন। সময় বহমান স্রোতের মতো, যাকে কখনো বেঁধে রাখা যায় না। তাই জীবনের এই মূল্যবান সময়গুলো অবহেলায় নষ্ট করা কোনো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ইসলামি শরিয়তের নির্দেশনা হলো, মানুষের জীবন ও সময় আল্লাহর সন্তুষ্টির পথেই ব্যয় হওয়া উচিত। পরিতাপের বিষয় হলো, আমরা আমাদের এই ক্ষণস্থায়ী জীবনের সময়গুলোকে এমন সব আচার-অনুষ্ঠান ও বিজাতীয় উৎসবে খরচ করছি, যার ভিতর না আছে দুনিয়ার কল্যাণ, না আছে পরকালের মুক্তি। তেমনই একটি অনর্থক ও শরিয়তবিবর্জিত উৎসবের নাম ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’।

থার্টি ফার্স্ট নাইটের গোড়ার ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর সঙ্গে পৌত্তলিকতা ও কুসংস্কারের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। প্রাচীন পারস্যের সম্রাট জামশিদ খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ সালে এবং পরবর্তী সময়ে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার খ্রিস্টপূর্ব ৪৬ সালে নববর্ষের প্রচলন করেন। মূলত এটি ইংরেজি নববর্ষ নয়, খ্রিস্টীয় বা গ্রেগরিয়ান নববর্ষ, যা পোপ গ্রেগরির নামানুসারে প্রবর্তিত। প্রাচীনকালে পারস্যের প্রকৃতি পূজারিরা বিশ্বাস করত, বছরের প্রথম দিন আনন্দ-ফুর্তিতে কাটালে সারা বছর ভালো থাকা যাবে। সেই কুসংস্কার আজও আধুনিক সমাজের তথাকথিত বিজ্ঞানমনস্ক মানুষের মধ্যে গেঁথে আছে। অথচ বছরের প্রথম দিন উল্লাস করলে সারা বছর ভালো যাবে-এর চেয়ে অযৌক্তিক ও হাস্যকর বিশ্বাস আর কী হতে পারে!

ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো উৎসব পালন করতে হলে কোরআন-সুন্নাহ ও সাহাবায়ে কেরামের আমলের প্রামাণ্যতা প্রয়োজন। গবেষণায় দেখা যায়, নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর সপক্ষে ইসলামে কোনো দলিল নেই। রসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি যে জাতির সঙ্গে সাদৃশ্য রাখবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে’ (সুনানে আবু দাউদ)। কোনো জাগতিক কাজ তখনই বৈধ হয় যখন তা শরিয়তের বিধান লঙ্ঘন করে না এবং সৃষ্টির হক নষ্ট করে না। কিন্তু থার্টি ফার্স্ট নাইট উদ্‌যাপনে এই দুটি শর্তই চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়। এটি একদিকে যেমন বিজাতীয় সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ, অন্যদিকে এর মাধ্যমে নাগরিক শান্তি ও মানুষের অধিকার ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন করা হয়।

এই উৎসবের সামাজিক ও নৈতিক ক্ষতির দিকগুলো অত্যন্ত ভয়াবহ। প্রথমত এতে বিপুল অর্থের অপচয় হয়। যে রাতে আতশবাজি, ফানুস ও ডিজে পার্টির নামে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হয়, সেই হাড়কাঁপানো শীতের রাতেই দেশের লাখো গরিব মানুষ এক টুকরো গরম কাপড়ের অভাবে কষ্ট পায়। অপচয়কারীকে পবিত্র কোরআনে শয়তানের ভাই হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত বিকট শব্দে আতশবাজি ও সাউন্ডবক্স ব্যবহারের ফলে জনস্বাস্থ্যের বিপর্যয় ঘটে। শহরের ফ্ল্যাটে থাকা বৃদ্ধ, শিশু ও অসুস্থ রোগীরা এই শব্দদূষণে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ে। এমনকি পটকার শব্দে শিশুর মৃত্যু কিংবা ফানুসের আগুনে দগ্ধ হওয়ার মতো মর্মান্তিক ঘটনাও প্রতিবছর আমাদের দেখতে হয়।

তদুপরি এই বিজাতীয় সংস্কৃতি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এক ভোগবাদী ও নৈতিকতাহীন পথে ঠেলে দিচ্ছে। মাদক, গানবাজনা এবং নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার মাধ্যমে অশ্লীলতার বিস্তার ঘটছে, যা ইসলামের সুমহান দর্শনের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। ইসলাম আমাদের ত্যাগের উৎসব শিখিয়েছে, যেখানে ভোগের চেয়ে অপরের কল্যাণ ও গরিবের হক বেশি গুরুত্ব পায়। অথচ থার্টি ফার্স্ট নাইটের মতো উৎসবে আত্মকেন্দ্রিক ভোগবাদ ছাড়া আর কিছুই নেই। আমাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য থাকতে কেন আমরা অন্যের দেউলিয়া সংস্কৃতির দ্বারস্থ হচ্ছি, সেটি আজ এক বড় প্রশ্ন।

প্রকৃতপক্ষে নতুন বছর আসা মানেই নতুনের আগমন নয়, বরং জীবন থেকে একটি বছরের পাতা ঝরে যাওয়া। জীবনের বরফ প্রতিনিয়ত গলে যাচ্ছে। আমরা কি একবারও ভাবি, কবরের দিকে আমাদের পা আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল! একজন ফাঁসির আসামির কাছে যেমন প্রতিটি সূর্যোদয় মৃত্যুর নিকটবর্তী হওয়ার সংকেত, আমাদের জীবনও ঠিক তেমনি ফুরিয়ে আসছে। তাই থার্টি ফার্স্ট নাইটের রাতে নেশা ও উন্মাদনায় মত্ত না হয়ে বিগত জীবনের গুনাহের জন্য তওবা করা এবং আগামীর জন্য নেক পরিকল্পনা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

সন্তান, পরিবার ও সমাজকে এই ভ্রান্ত সংস্কৃতি থেকে রক্ষা করা আমাদের ইমানি ও নাগরিক দায়িত্ব। আল্লাহতায়ালা আমাদের বিজাতীয় সংস্কৃতি পরিহার করে ইসলামি জীবনাদর্শ গ্রহণ করার তৌফিক দান করুন।

জুমার মিম্বর থেকে

গ্রন্থনা : সাব্বির জাদিদ

এই বিভাগের আরও খবর
নৃশংসতা
নৃশংসতা
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
চালের দাম
চালের দাম
সর্বশেষ খবর
খেলাফত যুব মজলিসের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল
খেলাফত যুব মজলিসের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল

এই মাত্র | নগর জীবন

শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

দেশজুড়ে উদযাপিত হলো এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে
দেশজুড়ে উদযাপিত হলো এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন
ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

২১ মিনিট আগে | নগর জীবন

মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া
১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে
হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ
উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ

৪৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ
পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি
বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি

৫২ মিনিট আগে | নগর জীবন

মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক
মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক

৫২ মিনিট আগে | নগর জীবন

বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত
বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

৫৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি
প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন
গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ
মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত
ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী
দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ
চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান
কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ ঈদ যাত্রায় যত চ্যালেঞ্জ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে
নিরাপদ ঈদ যাত্রায় যত চ্যালেঞ্জ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়াবা চিবিয়ে খেয়ে যুবকের মৃত্যু
ইয়াবা চিবিয়ে খেয়ে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সমন্বিত আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
সমন্বিত আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানি নাগরিকদের ঘরে থাকার আহ্বান, নতুন সতর্ক বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানি নাগরিকদের ঘরে থাকার আহ্বান, নতুন সতর্ক বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা উত্তর সিটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বরখাস্ত
ঢাকা উত্তর সিটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বরখাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জবি উপাচার্যের প্রতি অনাস্থা ও পদত্যাগের দাবি ইউট্যাবের
জবি উপাচার্যের প্রতি অনাস্থা ও পদত্যাগের দাবি ইউট্যাবের

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?
ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প
বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'
হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান
যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা
ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা
সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী
রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?
ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি
হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি
ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ
নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’
তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?
‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব
শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?
সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত
তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থামছে না ভেজালের কারবার
থামছে না ভেজালের কারবার

পেছনের পৃষ্ঠা

হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র
হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

মাঠে ময়দানে

যানজট শঙ্কা মহাসড়কে
যানজট শঙ্কা মহাসড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি
বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি

নগর জীবন

রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা

নগর জীবন

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র

প্রথম পৃষ্ঠা

৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়

প্রথম পৃষ্ঠা

উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন
উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত
মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত

দেশগ্রাম

অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের
ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের

মাঠে ময়দানে

শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান
শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর
বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর

খবর

সংশোধন
সংশোধন

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি
তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী অধিকার নিয়ে শাবানা
নারী অধিকার নিয়ে শাবানা

শোবিজ

সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক
সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক

পূর্ব-পশ্চিম

সামনে পাকিস্তান সিরিজ
সামনে পাকিস্তান সিরিজ

মাঠে ময়দানে