শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:০৩, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

মাননীয়, এসব হচ্ছেটা কী

মন্‌জরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
মাননীয়, এসব হচ্ছেটা কী

চতুর্থ গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র ২৭ দিন বাকি। এখনো দেশের অধিকাংশ মানুষ সরকারের কার্যক্রমকে পুরোপুরি আস্থায় নিতে পারছে না। রাজনৈতিক দলগুলোও কখনো দূর থেকে, কখনো কাছ থেকে সরকারের ওপর তীক্ষè দৃষ্টি রাখছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো দল বা প্রতীক নেই। এ সরকারের কেউ আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণও করছেন না। যদিও সরকারের একজন পদত্যাগী উপদেষ্টা নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রধান হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। আরও দুই পদত্যাগী উপদেষ্টা কোনো না কোনোভাবে নির্বাচনি কাজেই সম্পৃক্ত রয়েছেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও সরকার বা সরকারের সব উপদেষ্টা বা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নানাভাবে সংশ্লিষ্ট চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত বিশিষ্টরা শতভাগ নিরপেক্ষ ভূমিকায় আছেন বলে রাজনৈতিক দলগুলো বিশ্বাস করতে পারছে না। এর মধ্যে মিয়ানমার নতুন করে উৎপাত শুরু করেছে। ভারতের সঙ্গে শুরু হয়েছে ক্রিকেট কূটনীতি। প্রবাসী ভাইবোনেরা ভোট দিতে পারবেন, এটা একটি মহা সুখবর। এ সুখবরের মধ্যেও মহা কেলেঙ্কারির ঘটনা সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে চলছে তোলপাড়। বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে ইতোমধ্যে অভিযোগ জানানো হয়েছে যে একটি রাজনৈতিক দলের নেতার বাসায় পোস্টাল ব্যালট পাওয়া গেছে। ব্যালটে দলের নাম ও প্রতীকের ক্রমানুসার নিয়ে সূক্ষ্ম চালবাজি হচ্ছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়েছে। আবার জামায়াতে ইসলামী বলছে, আগামী নির্বাচনে কেউ কোনো ধরনের মেকানিজম করার চিন্তা করলে, তারা পালাতে বাধ্য হবে। হ্যাঁ ভোট-না ভোটের প্রচার নিয়েও আছে নানান প্রশ্ন। ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা প্রতীক নিয়ে মাঠে নামবেন। এর আগেই যদি এসব চলতে থাকে তাহলে তো প্রশ্ন রাখতেই হয়- মাননীয়, এসব হচ্ছেটা কী?

দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে যে অভিযোগগুলো উত্থাপন করেছেন, সেগুলো গুরুতর এবং উদ্বেগজনক। পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষের অবস্থান নিয়ে আপত্তি বিএনপির, ভিডিও দেখে উদ্বিগ্ন। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তিনি সাংবাদিকদের জানান, পোস্টাল ব্যালটে নিজেদের প্রতীক ধানের শীষের অবস্থান নিয়ে আপত্তি তুলেছে বিএনপি। পাশাপাশি বিদেশে পাঠানো পোস্টাল ব্যালট নিয়ে যে ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়েছে, তা নিয়েও অভিযোগ করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদেশে পাঠানো পোস্টাল ব্যালটে কিছু রাজনৈতিক দলের নাম ও প্রতীক প্রথম লাইনে রাখা হয়েছে, আর বিএনপির প্রতীক রাখা হয়েছে মাঝামাঝি স্থানে। কাগজ ভাঁজ করলে মাঝখানের প্রতীকে চোখ না-ও পড়তে পারে। এটা ঘটনাক্রম নয়, উদ্দেশ্যমূলক বলেই মনে হয়েছে। ইসি বলেছে, তারা বিষয়টি খেয়াল করেনি। কিন্তু যিনি ডিজাইন করেছেন, তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই করেছেন বলে মনে হয়।’ প্রবাসী ভাইবোনেরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার পর বাহরাইনে যে ঘটনা ঘটেছে তা দুশ্চিন্তার বিষয়। এ প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান নির্বাচন কমিশনকে বলেছেন, বাহরাইনে একটি দলের নেতাদের হাতে পোস্টাল ব্যালট থাকার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যারা ব্যালট নিয়ে কারচুপির চেষ্টা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। আচরণবিধি পরিপালনের ক্ষেত্রে ইসি সবার সঙ্গে সমান আচরণ করছে না। ইসির অনুরোধে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান উত্তরবঙ্গ সফর স্থগিত করলেও অন্য রাজনৈতিক দলের বড় নেতারা সভা করে ভোট চাইছেন। অথচ ইসির পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশ্ন হচ্ছে- বাহরাইনের ঘটনার ব্যাপারে নজরুল ইসলাম খানকে অভিযোগ করতে হবে কেন? কোনো রাজনৈতিক দল অভিযোগ করার আগেই নির্বাচন কমিশন বিষয়টির ব্যাপারে দেশবাসীকে বিস্তারিত জানায়নি কেন? তাহলে কি নির্বাচন কমিশন অন্য কোনো খেলার অংশ?

দেশের মানুষের ভাবনা-প্রত্যাশায় এ মুহূর্তে নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। কারণ আওয়ামী লীগ শাসনামলের প্রায় ১৭ বছর এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাস দেশবাসীকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। এক পক্ষকে সরাতে রাজপথ রক্তে রাঙাতে হয়েছে। আরেক পক্ষকে অব্যাহতি দিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে বসে সংস্কার, বিচার ও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে

মাননীয়, এসব হচ্ছেটা কীজামায়াতে ইসলামীর আমির যা বলেন জেনেবুঝেই বলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি অত্যন্ত রাজনীতিসচেতন ছিলেন বলে তাঁর সতীর্থরা মনে করেন। সহপাঠীদের মতে তাঁর মানসিক অবস্থান ছিল আওয়ামী লীগবিরোধী। সম্ভবত সে কারণেই জাসদ ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে তাঁর হাতেখড়ি। তারপর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পরিশ্রমের ফলস্বরূপ তিনি এখন জামায়াতের  মতো একটি বড় দলের সফল নেতা। তিনি সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘টুগেদার লেটস বিল্ড বাংলাদেশ’ স্লোগানে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের অবতারণা করেন। অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক বিনা চ্যালেঞ্জে ভোট কেন্দ্রে যাবেন, আনন্দের সঙ্গে ভোট দেবেন এবং ভোটের প্রতিফলন পাবেন। তবেই নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে আমরা “রিলাক্ট্যান্ট” দেখতে পাচ্ছি। সমস্যা কোথায়? গুড গভর্ন্যান্সের পূর্বশর্ত হলো একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে। তা না করতে পারলে পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত। আমরা বোঝাপড়ার কোনো নির্বাচন চাই না। বোঝাপড়া হবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ভোটারদের; কোনো অথরিটির সঙ্গে নয়।’ প্রশ্ন হচ্ছে, নির্বাচন সামনে রেখে কাকে তিনি ইঙ্গিত করলেন, কেনই বা ইঙ্গিত করতে হলো? নির্বাচন কমিশন কেনই বা রিলাক্ট্যান্ট? তাহলে আগারগাঁওয়ে হচ্ছেটা কী?

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ মূলত একজন শিক্ষক। শুধু শিক্ষকই নন, একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায়ই তাঁর পাণ্ডিত্য প্রকাশ পায়। তিনি যখন যা করেন ভেবেচিন্তে, সাবধানতার সঙ্গেই করেন। যদিও তাঁর সমালোচক বন্ধুরা বলেন, আলী রীয়াজ যখন যা করেছেন, তা জেনেবুঝে করলেও সবকিছুর পেছনেই একটা কিন্তু থাকে। ‘কিন্তু’টি প্রথমে বোঝা না গেলেও পরে বোঝা যায়। সমালোচকরা যা-ই বলুক না কেন, তাঁর কাজে তিনি মেধার স্বাক্ষর রাখেন। সংস্কারের অনেক বিষয়কে ঐকমত্যে আনার প্রক্রিয়া শেষ করে তিনি এখন নতুন অধ্যায়ে কাজ করছেন। তিনি এখন সরকারের হয়ে গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’-এর জন্য প্রচারে নেমেছেন। ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত না হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে বলে আশঙ্কার কথাও তিনি বলছেন। ফ্যাসিস্ট না, ফ্যাসিস্টের দোসরও না, এ সরকারের কর্মকাণ্ড পছন্দ করে না এমন অনেক মানুষ সমাজে আছে। তারা হয়তো ‘না’ ভোট দেবে। এ ক্ষেত্রে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারে সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে কি? যেসব সরকারি কর্মকর্তা রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন তারা একই সঙ্গে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাতে পারেন কি? নির্বাচন বিটের সাংবাদিকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ওই প্রশিক্ষণে সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের কোনো উত্তর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষকরা দিতে পারেননি। অবশ্য নির্বাচন কমিশনের আরোপিত আচরণবিধিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আচরণবিধি উল্লেখ করা হয়েছে, গণভোটের জন্য কোনো আচরণবিধি করা হয়নি। যেহেতু আচরণবিধি নেই, সে কারণে ‘না’-এর পক্ষে কোনো নাগরিক যদি অধ্যাপক আলী রীয়াজের মতো প্রকাশ্য প্রচারে নামেন, তাহলে তাকে কোনো প্রকার আইনি খড়্গ মোকাবিলা করতে হবে কি না, অথবা কোনো মারমুখী মবের কবলে পড়তে হবে কি না-সেসব প্রশ্ন স্বভাবতই সামনে আসছে।

২২ জানুয়ারি প্রতীক পেয়ে শুরু হবে প্রার্থীর নির্বাচনি লড়াই। নানান কারণে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তাদের অনেকে এখনো আপিল নিষ্পত্তির অপেক্ষায়। আর যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, তারা ভোটের কৌশল নিয়ে ছক কষছেন। তবে এবার লড়াই হবে নাকি যুদ্ধ, তা এখনই বলা মুশকিল। পুথিগত বিদ্যায় যুদ্ধ হলো দুই বা ততোধিক রাষ্ট্র, গোষ্ঠী, জাতি বা সংগঠনের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ভূখণ্ডগত, ধর্মীয় বা আদর্শগত স্বার্থকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সশস্ত্র ও সংগঠিত সহিংস সংঘর্ষ। যুদ্ধে সশস্ত্র শক্তির ব্যবহার হয়ে থাকে। যুদ্ধ হঠাৎ করে হয় না। এটি একটি পরিকল্পিত ও সংগঠিত বিষয়। যুদ্ধের লক্ষ্য প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে নিজের অধীন করা। যুদ্ধ সম্পর্কে জার্মানির দার্শনিক ও সামরিক চিন্তাবিদ কার্ল ফন ক্লজেভিৎস মনে করেন, ‘যুদ্ধ হলো রাজনীতিরই অন্য রূপ, যেখানে সহিংসতা ব্যবহৃত হয়।’ অন্যদিকে লড়াই বলতে বোঝায়, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা পক্ষের মধ্যে কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে সংঘটিত প্রত্যক্ষ সংঘর্ষ। এটা শারীরিক, মৌখিক বা মানসিকভাবেও হতে পারে। সংক্ষেপে বলা যায়, লড়াই যুদ্ধের চেয়ে ছোট পরিসর এবং কম সংগঠিত সংঘর্ষ, যা দৈনন্দিন জীবনেও ঘটতে পারে। আমরা এখন যে নির্বাচনি যুদ্ধ বা লড়াইয়ে আছি, এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রক্ষমতা দখল ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা। এমনই এক সংকটময় সময়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপ দেখার অপেক্ষা এখন। স্বপ্নের বাস্তবায়ন ও নির্বাচনি যুদ্ধের ফল প্রকাশ পাবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার। ওই দিন কারও বৃহস্পতি থাকবে তুঙ্গে, কারও বৃহস্পতির অবস্থান থাকবে অষ্টমের ঘরে। জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে বৃহস্পতি অষ্টম ঘরে অবস্থান করলে অকল্যাণ হয়।

দেশের মানুষের ভাবনা-প্রত্যাশায় এ মুহূর্তে নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। কারণ আওয়ামী লীগ শাসনামলের প্রায় ১৭ বছর এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাস দেশবাসীকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। এক পক্ষকে সরাতে রাজপথ রক্তে রাঙাতে হয়েছে। আরেক পক্ষকে অব্যাহতি দিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে বসে সংস্কার, বিচার ও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। নির্বাচন আদায় করতেও দলগুলোকে অন্তর্বর্তী সরকারের দিকে চোখ রাঙাতে হয়েছে। মানুষের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। গত ১৭ মাসে কী পেলাম আর কী হারালাম সেই হিসাব জনগণ করতে শুরু করেছে। কারও কোনো ব্যর্থতা বা দুরভিসন্ধির কারণে জনগণের মনে যদি ‘আগেই ভালো ছিলাম’ এমন কোনো চিন্তা রেখাপাত করে, তাহলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না। আর ক্ষমার অযোগ্য যেকোনো কর্মকাণ্ড নির্মোহভাবে সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্টদের চরম মূল্য দিতে হয়। সদ্য পতিতদের অবস্থা দেখেও শিক্ষা না হলে সবাই সমস্বরে প্রশ্ন করবে- ‘মাননীয়, এসব হচ্ছেটা কী?’

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনোত্তর সহিংসতা
নির্বাচনোত্তর সহিংসতা
শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান
শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান
সহিংসতা নয় ভালোবাসা
সহিংসতা নয় ভালোবাসা
লক্ষ্য টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা
লক্ষ্য টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা
তারেক রহমান : সবার চেয়ে আলাদা
তারেক রহমান : সবার চেয়ে আলাদা
সুদিন ও সুশাসনের অপেক্ষা
সুদিন ও সুশাসনের অপেক্ষা
ঝুট গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
ঝুট গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ভোট পুনর্গণনার দাবি
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ভোট পুনর্গণনার দাবি
‘বিএনপি আমাকে ফেরাতে চাইলে আমার নেতা-কর্মীদেরও ফেরাতে হবে’
‘বিএনপি আমাকে ফেরাতে চাইলে আমার নেতা-কর্মীদেরও ফেরাতে হবে’
সুপারি চুরির অভিযোগে শিশুকে পিটিয়ে হত্যা
সুপারি চুরির অভিযোগে শিশুকে পিটিয়ে হত্যা
খুলনায় কুয়েট ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
খুলনায় কুয়েট ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
হ্যাঁ’র পক্ষে রায়
হ্যাঁ’র পক্ষে রায়
সর্বশেষ খবর
সিলেটের সড়কে ঝরল আরেক প্রাণ
সিলেটের সড়কে ঝরল আরেক প্রাণ

এই মাত্র | চায়ের দেশ

নওগাঁয় খাসির মাংসের নামে ‘কুকুরের মাংস’ বিক্রির অভিযোগ
নওগাঁয় খাসির মাংসের নামে ‘কুকুরের মাংস’ বিক্রির অভিযোগ

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মা-বাবাকে খুন করতে দা কেনেন শুভ, ছেলেকে হত্যা করে ৯৯৯-এ কল বাবার
মা-বাবাকে খুন করতে দা কেনেন শুভ, ছেলেকে হত্যা করে ৯৯৯-এ কল বাবার

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন
বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য
৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য

১৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

রামপুরায় গুলি ও হত্যা: হাবিবসহ ৫ আসামির রায় ৪ মার্চ
রামপুরায় গুলি ও হত্যা: হাবিবসহ ৫ আসামির রায় ৪ মার্চ

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'
'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'

১৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

মাদুরোকে ধরতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘ক্লড’-এর ব্যবহার করেছিল মার্কিন সেনা, দাবি রিপোর্টে
মাদুরোকে ধরতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘ক্লড’-এর ব্যবহার করেছিল মার্কিন সেনা, দাবি রিপোর্টে

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসহায় খোদেজা বেগমের পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা শুভসংঘ
অসহায় খোদেজা বেগমের পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা শুভসংঘ

২৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ফরিদপুর-৪ আসন: যেন ‘পাথরে ফুল ফোঁটালেন’ বিএনপির বাবুল
ফরিদপুর-৪ আসন: যেন ‘পাথরে ফুল ফোঁটালেন’ বিএনপির বাবুল

২৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

তিন বছরের মধ্যেই চলে যাবেন ট্রাম্প, ইউরোপকে ডেমোক্র্যাটদের আশ্বাস
তিন বছরের মধ্যেই চলে যাবেন ট্রাম্প, ইউরোপকে ডেমোক্র্যাটদের আশ্বাস

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি
নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় গৃহবধূ নিহত, সড়ক অবরোধ
সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় গৃহবধূ নিহত, সড়ক অবরোধ

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

৪০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বিকালে প্রেস ব্রিফিংয়ে আসছেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
বিকালে প্রেস ব্রিফিংয়ে আসছেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

রোজায় ট্রাকসেলের মাধ্যমে যেসব পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি
রোজায় ট্রাকসেলের মাধ্যমে যেসব পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে ‘রাজনীতির শালীনতা হারাচ্ছে’: ওবামা
ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে ‘রাজনীতির শালীনতা হারাচ্ছে’: ওবামা

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ ছিল: রাশিয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ ছিল: রাশিয়া

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে আটোরিকশা-বাইক সংঘর্ষে ব্যবসায়ী নিহত
মুন্সীগঞ্জে আটোরিকশা-বাইক সংঘর্ষে ব্যবসায়ী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?
‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বরগুনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
বরগুনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি আপনার রাস্তাটি করে দেব ‘মা’, এটা আমার দায়িত্ব: এস এম জিলানী
আমি আপনার রাস্তাটি করে দেব ‘মা’, এটা আমার দায়িত্ব: এস এম জিলানী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে ইট বোঝাই ট্রলি চাপায় বৃদ্ধ নিহত
গোপালগঞ্জে ইট বোঝাই ট্রলি চাপায় বৃদ্ধ নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত
এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল
এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুষ্টিয়ায় ১৭ প্রার্থীর জমানত বাজেয়াপ্ত
কুষ্টিয়ায় ১৭ প্রার্থীর জমানত বাজেয়াপ্ত

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে নিহতের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ২
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে নিহতের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'একটা লোকও ভোট দিল না'
'একটা লোকও ভোট দিল না'

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বগুড়ায় ট্রাক মালিককে কুপিয়ে হত্যা
বগুড়ায় ট্রাক মালিককে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর
কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা
ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত
যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ
তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ
আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরাসরি খামেনির সাথে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প?
সরাসরি খামেনির সাথে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদায়ের আগে যা বললেন আলী রীয়াজ
বিদায়ের আগে যা বললেন আলী রীয়াজ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিল
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'একটা লোকও ভোট দিল না'
'একটা লোকও ভোট দিল না'

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশৃঙ্খলা করায় ৫ কর্মীকে পুলিশে দিলেন নবনির্বাচিত এমপি
বিশৃঙ্খলা করায় ৫ কর্মীকে পুলিশে দিলেন নবনির্বাচিত এমপি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রবিবার ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
রবিবার ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টি পাঠালেন মমতা
তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টি পাঠালেন মমতা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির
নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরান, রাশিয়া ও চীনের বৈঠক, আলাপ কি নিয়ে?
ইরান, রাশিয়া ও চীনের বৈঠক, আলাপ কি নিয়ে?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী
মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জনগণকে কনভিন্স করাটাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান
জনগণকে কনভিন্স করাটাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান
শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তুলির মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ব্যারিস্টার আরমান
তুলির মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ব্যারিস্টার আরমান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?
শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্বে সিরাজ উদ্দিন মিয়া
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্বে সিরাজ উদ্দিন মিয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-১৬ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের
ঢাকা-১৬ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান
জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ‘নো হ্যান্ডশেক’ প্রশ্নে যা বললেন সূর্যকুমার
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ‘নো হ্যান্ডশেক’ প্রশ্নে যা বললেন সূর্যকুমার

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে ভয়ংকর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী
ইরানে ভয়ংকর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র, আসলে কি ঘটছে?
নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র, আসলে কি ঘটছে?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয়ের পর খালেদা জিয়ার স্মৃতির বেদনায় কাঁদলেন ডা. জাহিদ
বিজয়ের পর খালেদা জিয়ার স্মৃতির বেদনায় কাঁদলেন ডা. জাহিদ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
মন্ত্রিত্বের আলোচনায় সিলেটের সাত নেতা
মন্ত্রিত্বের আলোচনায় সিলেটের সাত নেতা

নগর জীবন

সহিংসতা ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা
সহিংসতা ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা

পেছনের পৃষ্ঠা

গালিগালাজ মানুষ আশা করেনি
গালিগালাজ মানুষ আশা করেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

শপথ অনুষ্ঠানে মোদি-শাহবাজকে আমন্ত্রণের চিন্তা
শপথ অনুষ্ঠানে মোদি-শাহবাজকে আমন্ত্রণের চিন্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাচ্ছে ভারতীয় নতুন হাইকমিশনার
বাংলাদেশ পাচ্ছে ভারতীয় নতুন হাইকমিশনার

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রিসভায় আসছেন কারা
মন্ত্রিসভায় আসছেন কারা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

৩০ আসনে শপথ স্থগিত চায় জামায়াত
৩০ আসনে শপথ স্থগিত চায় জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানের ও গ্রহণযোগ্য
নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানের ও গ্রহণযোগ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আ.লীগ পুনর্বাসনের শর্তে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে’
‘আ.লীগ পুনর্বাসনের শর্তে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে’

নগর জীবন

ভোট দেওয়ায় তালাক পাওয়া গৃহবধূর দায়িত্ব নিল বিএনপি
ভোট দেওয়ায় তালাক পাওয়া গৃহবধূর দায়িত্ব নিল বিএনপি

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশ ছাড়লেন বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ
দেশ ছাড়লেন বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ

পেছনের পৃষ্ঠা

সহিংসতা প্রতিশোধ নয়, ঐক্য
সহিংসতা প্রতিশোধ নয়, ঐক্য

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা ইউরোপীয়দের
নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা ইউরোপীয়দের

পেছনের পৃষ্ঠা

কে হচ্ছেন নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী
কে হচ্ছেন নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী

মাঠে ময়দানে

এক গ্রামে তিন এমপি
এক গ্রামে তিন এমপি

নগর জীবন

নতুন সরকারের সামনে কঠিন পথ
নতুন সরকারের সামনে কঠিন পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

দায়িত্বশীল বিরোধী দল হবে জামায়াত
দায়িত্বশীল বিরোধী দল হবে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

এনসিপির আট নেতা-নেত্রী আলোচনায়
এনসিপির আট নেতা-নেত্রী আলোচনায়

পেছনের পৃষ্ঠা

মঙ্গলবার সকালে এমপি বিকালে মন্ত্রীদের শপথ
মঙ্গলবার সকালে এমপি বিকালে মন্ত্রীদের শপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

২১ মামলায় বিচার চলছে ৪৫৭ জনের
২১ মামলায় বিচার চলছে ৪৫৭ জনের

পেছনের পৃষ্ঠা

ডা. শফিক ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক
ডা. শফিক ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক

প্রথম পৃষ্ঠা

১১-দলীয় জোট সংসদের ভিতরে-বাইরে একসঙ্গে কাজ করবে
১১-দলীয় জোট সংসদের ভিতরে-বাইরে একসঙ্গে কাজ করবে

নগর জীবন

নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন শেখ মানিক
নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন শেখ মানিক

নগর জীবন

ছয়বারের এমপি জি এম সিরাজ
ছয়বারের এমপি জি এম সিরাজ

নগর জীবন

ভালোবাসা ও বসন্ত একাকার
ভালোবাসা ও বসন্ত একাকার

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও গণভোটের গেজেট প্রকাশ
নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও গণভোটের গেজেট প্রকাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশ ভীতসন্ত্রস্ত নয়
চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশ ভীতসন্ত্রস্ত নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন দল প্রধানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন
তিন দল প্রধানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ কেন্দ্রের ভোট বাতিল, ফলাফল স্থগিতের দাবি
পাঁচ কেন্দ্রের ভোট বাতিল, ফলাফল স্থগিতের দাবি

নগর জীবন