শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

নিরাপত্তার শক্ত বলয় ও ইনসাফ

অধ্যাপক ড. হোসনে-আরা বেগম
প্রিন্ট ভার্সন
নিরাপত্তার শক্ত বলয় ও ইনসাফ

সমগ্র বিশ্বে না হলেও স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে মৌলিক চাহিদা হিসেবে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা -এই পাঁচটি উপাদানকে মজবুতভাবে মানবাধিকার হিসেবে গণ্য করা হয়। উন্নত বিশ্বে বিনোদন তথা যৌন অভিলাষ, বিবাহ, প্রমোদ ইত্যাদি আবশ্যকীয় ইস্যুগুলোকে ফান্ডামেন্টাল রাইট হিসেবেও বিবেচিত। পৃথিবীর জন্ম থেকেই অদ্যতক নিরাপত্তার সংকট আছে। তবে এই সংকট তেমন সাংঘাতিক ছিল না। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তার সংকট জটিল রূপ নেওয়ায় শান্তি স্থাপনের জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সৈন্যের আবশ্যক হয়। বাংলাদেশের মতো দেশগুলো থেকে বিশ্ব শান্তি স্থাপনের নিমিত্তে সৈন্য সরবরাহ করা হয়। এই তো কদিন আগে বাংলাদেশের ছয়জন সৈন্যের কফিন গ্রহণ অনুষ্ঠানে জাতি কেঁদেছিল। জাতিসংঘের এক অধিবেশনে অংশগ্রহণকালে কিছু সংখ্যক বিশ্ব সুশীল আমাকে বলেছিলেন, আমরা জাতিসংঘকে কোনো সৈন্য দিই না। এটাকে জাতির জন্য সম্মানজনক মনে করি না। অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে, জাতিসংঘ কর্তৃক সৈন্য নামক লাঠিয়াল বাহিনী যে দেশ থেকে হায়ার করা হয় এর মধ্যেও অন্যায়, অন্যায্যতা আছে।

প্রিয় পাঠক, কথায় বলে আদার ব্যাপারি হয়ে জাহাজের খোঁজ মানানসই নয়। তাই নিজেদের কথায় আসি। দক্ষিণ এশিয়া উপমহাদেশের বাংলাদেশ- এর জন্ম, পরিচালন, যন্ত্রণা সবকিছুরই মূলে আছে অন্যায্যতা, অন্যায়, ইনসাফহীনতা। বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক চাহিদার পাঁচটির সঙ্গে বিনোদন বিবেচনায় না নিলেও নিরাপত্তাকে বিবেচনায় নেওয়া উচিত। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক চাহিদা পাঁচটির স্থলে নিরাপত্তাসহ ছয়টিকে আমলে নিয়ে অনুশীলন করলে ৩৬ জুলাই হতো না, পুলিশ দ্বারা মানুষ মরত না, পুলিশকেও মরতে হতো না। এ ক্ষেত্রে আইনি দায়মুক্তির বা ইনডেমনিটি দাবি আসত না। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির শীর্ষ নেতা দেশে ফেরার শঙ্কা করতেন না। শরিফ ওসমান হাদির মতো ব্যক্তিকে আততায়ীর হাতে মরতে হতো না। দেশের মানুষের বুকের রক্ত, চোখের জল ঝরত না। বিচিত্রভাবে দীপু দাস নামক সনাতন ধর্মাবলম্বী এক ব্যক্তিকে গাছে ঝুলিয়ে হত্যা করে আগুনে পোড়ার চিত্রে ভারতবর্ষের ক্ষোভ জমত না।

ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, সংস্থা জাতিতে যদি ন্যায্যতা থাকে, ইনসাফ কায়েম হয় সেভাবে সবাইকে জবাবদিহির আওতায় থাকতে হয়, তখনই প্রত্যেকটি মানুষ নিরাপদ বোধ করে। মানুষকে নিরাপদ বোধ করানোর জন্য নিরাপত্তাবলয়ের জন্য বিশাল ব্যয় বহন করতে হতো না। খোলাফায়ে রাশেদাদের যুগে নিরাপত্তা ব্যয় বলে কিছু ছিল না। বিচ্ছিন্ন ঘটনা বিবেচনায় পরিকল্পনা প্রণয়ন হয় না। পরিকল্পনার জন্য বেশির ভাগ প্রয়োগ এবং প্রয়োগযোগ্য ইস্যুকে আমলে নিতে হয়। তাই বলছি চার খলিফার তিন খলিফাই আততায়ীর হাতে আত্মাহুতি দিয়েছেন তা যেমন ঠিক তার থেকে বেশি ঠিক তাঁদের আমলের মানুষ ছিল নিরাপদ, তাঁদের নিরাপত্তা বলয় ছিল ন্যায্যতা এবং ইনসাফ। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়াউর রহমান, যাঁর ন্যায্যতার ইস্যু ছিল গণভোটে অধিকাংশ মানুষের ‘হ্যাঁ ভোট’। তিনি জনগণের কাছে থাকতে চাইতেন, তাইতো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে সরাসরি মানুষের অবস্থা জানতে চাইতেন, মানুষের কথা শুনতেন। তাঁর সরকারের পরিকল্পনা ১৯ দফা মানুষকে বলতেন। পথে-ঘাটে, স্কুল মাঠে, লোকারণ্যে তাঁকে কেউ হত্যা করে নাই, হত্যা করতে পারে নাই। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রাজধানী নামে খ্যাত চট্টগ্রামের সুরম্য, সুরক্ষিত সার্কিট হাউস, যে জেলা থেকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন সেখানেই তাঁকে হত্যা করা হলো, তারা কারা। তারা কি সাধারণ জনগণ নাকি সশস্ত্র সুশিক্ষিত সুপ্রশিক্ষিত বাহিনীর সদস্য? তাদের পেছনে কে ছিল? এই প্রশ্নের জবাব প্রশ্নকারীকেও দিতে পারি না, যাকে প্রশ্ন করব তিনিও জানেন না। বিচারহীনতা ন্যায্যতার পরিপন্থি, ইনসাফের প্রতি অন্যায়। তাই বিচারের সংস্কৃতি শক্তিশালী করতে হবে। আইন প্রণয়নের আভিধানিক নির্যাস অপেক্ষা রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা যা যুগের পরিবর্তনে জাতির চেতনায় পরিবর্তনশীল। যেমন- এ দেশে গণতন্ত্রের অন্যতম গাঠনিক উপাদান হিসেবে ভোট ব্যবস্থাপনায় ক্ষমতাসীন সরকারই ভোট পরিচালনা করে। ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনকে মন্দ নির্বাচন, অগ্রহণযোগ্য নির্বাচন কেউই বলে নাই, বলতেও পারবে না। পরবর্তীতে অধিকার নিরাপত্তাহীনতায় দেশের জনগণ কর্তৃক রাষ্ট্রের প্রতি পরিবর্তিত চাহিদায় ক্ষমতাসীন সরকার নয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থাপনায় নির্বাচন চাওয়া, ন্যায্যতা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় সেভাবে আইনের জন্ম হচ্ছে। অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি, রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিবর্তন, পরিবর্ধন, আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতেই আইন রচিত হয়, পরিবর্তিত হয়। সর্বক্ষেত্রেই ন্যায় ন্যায্যতা এবং ইনসাফের আবশ্যকতা অপরিসীম। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মঞ্চের চাওয়াপাওয়া ছিল ইনসাফ। তাই তাঁর এত কম বয়সে কম সময়ে এত জনপ্রিয়তা, সরকারপ্রধানসহ রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন ও লাখো জনতার উপস্থিতিতে তাঁর জানাজা, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে সমাহিতকরণ, রাষ্ট্রীয় শোক পালন অভাবনীয় ব্যাপার, ইতিহাস হয়ে থাকবে।

ভালো ভোট, বিশ্বাসযোগ্য ভোট হওয়ার পরও যদি দেশে, জাতিতে ন্যায্যতা না থাকে সে ক্ষেত্রে সুফল আসে না। তার প্রমাণ ১৯৫৪ এবং ১৯৭০ সালের ন্যায় ও ন্যায্য ভোট হওয়া সত্ত্বেও জাতি দুর্গতিতে পড়েছিল। তাই ভালো ভোট করার জন্য যত ব্যয় বিধান, ব্যবস্থাপনা করা হবে তার থেকে বেশি ব্যয় বিধান ব্যবস্থাপনা ন্যায়, ন্যায্যতা ও ইনসাফ স্থাপনের জন্য করা হলেই ভালো ভোটের ভালো ফল পাওয়া যাবে। বাংলাদেশের জনগণ ন্যায়, ন্যায্যতা এবং ইনসাফের প্রতি যথেষ্ট আকাক্সক্ষী, যাতে আশার আলো দেখা যাচ্ছে।

বগুড়ার কৃতী সন্তান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান ৬ হাজার ৩১৪ দিন প্রবাসকাল অতিক্রম করে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে দেশের মাটিকে স্পর্শ করে দেশপ্রেমের আবেগ দেখালেও তাঁর ওপর নির্যাতন, তাঁর রেখে যাওয়া সুস্থ ছোট ভাইকে না দেখা, না পাওয়া, মায়াময়ী নানিকে না দেখা, সুস্থ মাকে সুস্থ না দেখা ইত্যাদি কষ্টের কাহিনির আবেগকে তিনি ক্যাশ না করে, হিংসা বিদ্বেষের বার্তা না বলে তাঁর বক্তব্যে সবাইকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে দেশ গড়ার আহ্বান তাঁর সংক্ষিপ্ত ভাষণে যা দিলেন জাতি তাতে বড়ই আশাবাদী। জাতি যন্ত্রণা নয়, শান্তি চায়। বিশেষ করে এ দেশের কোটি কোটি জেন জি-গণ যন্ত্রণা নয়, সান্ত্বনা চায়। তাঁর প্রত্যাবর্তনকালের প্রথম ভাষণে এই আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর যেভাবে পরিবর্তন হয়েছে বিএনপির সবার ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনই কাম্য, হতেই হবে।

টিএমএসএসের মতো তৃণমূল পর্যায়ের সংস্থা যা বগুড়ায় সৃষ্টি হয়ে সমগ্র দেশ এবং বিদেশে কাজ করছে। এ সংস্থার দাতা সীমাবদ্ধতা এবং চাহিদার তুলনায় সম্পদ সংকটজনিত কারণে সংস্থাকে স্বনির্ভর করার জন্য বিকেন্দ্রীকৃত ব্যবস্থাপনায় সংস্থার বিভিন্ন সেগমেন্টকে স্বাধীন সত্তা দিয়ে ব্যবস্থাপনা চলছে। স্বাধীন সত্তাগুলো-১. সেক্টর, ২. গ্রুপ অব কোম্পানি, ৩. প্রতিষ্ঠান/ডোমেইন, ৪. বিভাগ/ভেঞ্চার, ৫. সেকশন/উদ্যোগ প্রত্যেকেরই ব্যবস্থাপনা বলয়ের প্রধান ব্যক্তি কর্তৃত্ব এবং কৃতি সৃষ্টিতে স্বীয় স্বাধীন সত্তা আছে। এ পাঁচটি বলয়ের মধ্যে ন্যায়, ন্যায্যতা, ইনসাফ বলবৎ আছে কি না তা দেখার জন্য আমার নেতৃত্বে নির্বাহী সচিবালয় থেকে নিয়ন্ত্রণ নয়, রেগুলেশন করা হয় মাত্র। আমি একজন বেতন এবং ভাতাভোগী বিধিবিধানাধীনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপক মাত্র। সংস্থার সব স্টেকহোল্ডার অর্থাৎ সারা দেশের প্রায় কোটি খানেক পরিবারের একজন হিসেবে আমিও স্টেকহোল্ডার, মালিক; যা ভ্রমাত্মকভাবে অনেকে আমাকেই মুখ্য মালিক গণ্য করেন। ৪৫ বছর ধরে এই গণ্য করাকে প্রত্যাশিতভাবে গৌণ করতে পারছি না। আরও যা বেশি পারছি না, তা হচ্ছে সমগ্র টিএমএসএস এবং সর্ব বলয়ে ন্যায়, ন্যায্যতা এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, কায়েম করা। বলয় প্রধানরা অধীনস্থ জনবল এবং উপকারভোগীদের থোড়াই কেয়ার করে। তারা মনে করে না যে, নিজে নিজেকে ভালো বললেই চলবে না, সংশ্লিষ্ট সবাই তাকে ন্যায়বাদী, ন্যায্যতাপূর্ণ মনে করতে হবে, প্রদর্শিত হতে হবে, পারসেপশন থাকতে হবে। যেখানে ইনসাফ নাই, ন্যায্যতা নাই সেখানে সত্যিকারের উন্নয়ন, মানবিক উন্নয়ন নাই। রাষ্ট্রের সংঘাত থামাতে সামরিক, আধাসামরিক, পুলিশ বাহিনী আছে। সমাজ এবং সংস্থার সংঘাত থামাতে সামাজিক নেতৃত্ব এবং সংস্থার বলয় প্রধানরা আছেন। এই নেতৃত্ব এবং প্রধানরা যদি ইনসাফ, ন্যায়, ন্যায্যতা বিবর্জিত হয় তখনই বলয়বহির্ভূত (কেন্দ্রীয় প্রশাসন বা অন্য বলয়ের সহায়তা গ্রহণ) হস্তক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তা দিয়েও না হলে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ডাকতে হয়, মামলা-মোকদ্দমায় যেতে হয়। ফলে রাষ্ট্রের প্রতি চাপ বেড়ে যায়, রাষ্ট্র বেসামাল হয়, মবোক্রেসি জন্ম নেয়। এই মবোক্রেসি থামানোর ক্ষেত্রে ডেমোক্রেসি অপেক্ষা ন্যায়-ন্যায্যতা এবং ইনসাফ দ্বারা নিরাপত্তাবলয় শক্তিশালী না করলে সব ক্ষেত্রেই সমস্যা হবে। সাধু সাবধান!

লেখক : প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক, টিএমএসএস

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোট প্রদানে ইসলামের চারটি নির্দেশনা
ভোট প্রদানে ইসলামের চারটি নির্দেশনা
বন্দরে অচলাবস্থা
বন্দরে অচলাবস্থা
কালোটাকার দাপট
কালোটাকার দাপট
গণতন্ত্র জিতলে জিতবে বাংলাদেশ'
গণতন্ত্র জিতলে জিতবে বাংলাদেশ'
ভোটাভুটির জগৎ-সংসার
ভোটাভুটির জগৎ-সংসার
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
শেষ মুহূর্তে চুক্তি
শেষ মুহূর্তে চুক্তি
অবৈধ অস্ত্রে শঙ্কা
অবৈধ অস্ত্রে শঙ্কা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন
হঠাৎ অ্যাকশন
হঠাৎ অ্যাকশন
বন্দরে অচলাবস্থা
বন্দরে অচলাবস্থা
সর্বশেষ খবর
ক্যান্সারের কাছে হেরে গেলেন ‘থ্রি ডোরস ডাউনের’ লিড ভোকাল
ক্যান্সারের কাছে হেরে গেলেন ‘থ্রি ডোরস ডাউনের’ লিড ভোকাল

৩ মিনিট আগে | শোবিজ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে বন্ধ করুন ৫ ফিচার
ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে বন্ধ করুন ৫ ফিচার

১৩ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

দেশের প্রেক্ষাগৃহে হলিউডের ৩ সিনেমা
দেশের প্রেক্ষাগৃহে হলিউডের ৩ সিনেমা

১৫ মিনিট আগে | শোবিজ

মাঠে ফিরছেন রোনালদো
মাঠে ফিরছেন রোনালদো

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সারাদেশে তাপমাত্রা বাড়বে নাকি কমবে, যা জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর
সারাদেশে তাপমাত্রা বাড়বে নাকি কমবে, যা জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

খরুচে বোলিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে সফল এনগিডি
খরুচে বোলিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে সফল এনগিডি

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কানাডায় জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ পেতে প্রয়োজন চিকিৎসকের অনুমোদন
কানাডায় জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ পেতে প্রয়োজন চিকিৎসকের অনুমোদন

৩৫ মিনিট আগে | পরবাস

শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেল জোহেইবের বিশ্বকাপ
শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেল জোহেইবের বিশ্বকাপ

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে দক্ষিণ কোরীয় গোয়েন্দা সংস্থায় অভিযান
উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে দক্ষিণ কোরীয় গোয়েন্দা সংস্থায় অভিযান

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় নতুন হামলায় ৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় নতুন হামলায় ৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর
নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

৫৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় এতিম শিশুদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ব্যতিক্রমী আয়োজন
কুয়াকাটায় এতিম শিশুদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ব্যতিক্রমী আয়োজন

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস
সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র
প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে
ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের
দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ
এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক : ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান
নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক : ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জনসভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ
১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জনসভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা
ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে ঢাকা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ফেব্রুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ফেব্রুয়ারি)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিদ্বেষহীন মন জান্নাতের পথ সুগম করে
বিদ্বেষহীন মন জান্নাতের পথ সুগম করে

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ঐতিহাসিক করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ঐতিহাসিক করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিদিন সকালে ডিম খেলে মস্তিষ্কের অবস্থা কী হয় জানেন?
প্রতিদিন সকালে ডিম খেলে মস্তিষ্কের অবস্থা কী হয় জানেন?

৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ
আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি
ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কোন দিকে হেফাজতের ভোটব্যাংক
কোন দিকে হেফাজতের ভোটব্যাংক

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের
ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতকে নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজের দাবি
ভারতকে নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজের দাবি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান
মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি সই, পাল্টা শুল্ক কমল ১৯ শতাংশ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি সই, পাল্টা শুল্ক কমল ১৯ শতাংশ

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যে সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানি মিসাইল রেঞ্জে, ট্রাম্পের না ভেবে উপায় নাই!
মধ্যপ্রাচ্যে সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানি মিসাইল রেঞ্জে, ট্রাম্পের না ভেবে উপায় নাই!

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ
পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল
‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পের হুমকির মুখে ৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভাঙলেন খামেনি?
ট্রাম্পের হুমকির মুখে ৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভাঙলেন খামেনি?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?
ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সিদ্ধান্ত বদল, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন ভোটাররা
সিদ্ধান্ত বদল, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন ভোটাররা

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…
মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ
হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘জামায়াতের পক্ষে ‌ভোট চাইছেন’ শাকিব খান, সত্যিটা আসলে কী
‘জামায়াতের পক্ষে ‌ভোট চাইছেন’ শাকিব খান, সত্যিটা আসলে কী

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি: স্টারমারের বিদায় ঘণ্টা বাজছে, নেতৃত্বে শাবানা?
টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি: স্টারমারের বিদায় ঘণ্টা বাজছে, নেতৃত্বে শাবানা?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ
ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন
গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং, বললেন প্রেস সচিব
আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং, বললেন প্রেস সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির
সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান
ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ
ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিএনপির বড় পরীক্ষা বেশির ভাগ আসনে
বিএনপির বড় পরীক্ষা বেশির ভাগ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিনেও হামলা সংঘর্ষ
নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিনেও হামলা সংঘর্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি
নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬
বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?
নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?

প্রথম পৃষ্ঠা

এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ
এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌরভ ছড়াচ্ছে ফুল বাগান
সৌরভ ছড়াচ্ছে ফুল বাগান

পেছনের পৃষ্ঠা

জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন
জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন

শিল্প বাণিজ্য

কৃষিঋণে গতি বাড়লেও নজরদারি এখন চ্যালেঞ্জ
কৃষিঋণে গতি বাড়লেও নজরদারি এখন চ্যালেঞ্জ

শিল্প বাণিজ্য

ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ
ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ

পেছনের পৃষ্ঠা

শাসকরা মালিক নয়, হবে সেবক
শাসকরা মালিক নয়, হবে সেবক

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই
তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই

প্রথম পৃষ্ঠা

৭২ ঘণ্টা বন্ধ মোটরসাইকেল
৭২ ঘণ্টা বন্ধ মোটরসাইকেল

পেছনের পৃষ্ঠা

অপরিবর্তিত নীতি সুদহার
অপরিবর্তিত নীতি সুদহার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিলুপ্তি চাইলেন র্যাব ডিজিএফআইয়ের
বিলুপ্তি চাইলেন র্যাব ডিজিএফআইয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

অধস্তন আদালতের বিচারকদের অবকাশ ছুটি দুই ধাপে
অধস্তন আদালতের বিচারকদের অবকাশ ছুটি দুই ধাপে

প্রথম পৃষ্ঠা

মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু কাল
মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু কাল

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ২২১৬ টাকা
ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ২২১৬ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

এজাজের বিদায় ডিএনসিসিতে নতুন প্রশাসক
এজাজের বিদায় ডিএনসিসিতে নতুন প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী দুই দলের ইশতেহারই
অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী দুই দলের ইশতেহারই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর

প্রথম পৃষ্ঠা

মনে হয় ইসি কারও প্রভাবে কাজ করে
মনে হয় ইসি কারও প্রভাবে কাজ করে

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াত ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করছে
জামায়াত ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করছে

প্রথম পৃষ্ঠা

নারী ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন
নারী ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন

মাঠে ময়দানে

উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী দুই-এক দিনে
উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী দুই-এক দিনে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের লড়াই হবে
রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের লড়াই হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সমালোচনা থাকলেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনপিএ
সমালোচনা থাকলেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনপিএ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ কোম্পানির পাওনা ১৪ হাজার কোটি টাকা
বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ কোম্পানির পাওনা ১৪ হাজার কোটি টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বিঘ্ন নিরাপত্তার ছক
নির্বিঘ্ন নিরাপত্তার ছক

প্রথম পৃষ্ঠা