শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

চরের কৃষকের লড়াই ও সম্ভাবনার গল্প

শাইখ সিরাজ
প্রিন্ট ভার্সন
চরের কৃষকের লড়াই ও সম্ভাবনার গল্প

নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে গিয়েছিলাম মেঘনা নদীর এক চরে। নাম চরকিশোরগঞ্জ। প্রশাসনিকভাবে এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও ভৌগোলিকভাবে একেবারে মুন্সিগঞ্জ জেলার সীমান্তে দাঁড়িয়ে আছে। এই অবস্থানই যেন চরকিশোরগঞ্জের আশীর্বাদ আবার অভিশাপ। মেঘনার বুকে জেগে ওঠা এই চর আজ আর শুধু বালুর ঢিবি বা অনিশ্চয়তার প্রতীক নয়। এখানে এখন ফসলের সবুজ, কৃষকের ব্যস্ততা আর সম্ভাবনার ভাষা স্পষ্ট। শুকনো মৌসুমে মেঘনার রূপ অনেকটাই শান্ত। সেই শান্ত নদীর কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে চরকিশোরগঞ্জের মাঠের দিকে তাকালে চোখে পড়ে এক ভিন্ন বাস্তবতা। যতদূর চোখ যায়, শাকসবজি আর রবিশস্যের বিস্তৃতি। মুলা, লাউ, কুমড়া, করলা, আলু, টম্যাটো, বেগুন। একসময় যে চরকে অনাবাদি আর দুর্গম ভাবা হতো, সেখানে আজ বারো মাসই কোনো না কোনো ফসল।

এই পরিবর্তন হঠাৎ করে আসেনি। কৃষকের পরিশ্রম, অভিজ্ঞতা, উন্নত জাতের বীজ আর এনজিওগুলোর মাধ্যমে আসা কিছু প্রযুক্তিগত সহায়তা মিলেই এই ফসল বৈচিত্র্যের জন্ম দিয়েছে। ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ কিংবা ‘কৃষি দিবানিশি’ অনুষ্ঠানে বহুবার দেশের বিভিন্ন জেলার চরাঞ্চল তুলে ধরেছি। সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রামসহ নানা জায়গার চরে কাজ করেছি। সেসব অভিজ্ঞতার সঙ্গে চরকিশোরগঞ্জের বর্তমান চিত্র মিলিয়ে দেখলে বোঝা যায়, চর মানেই আর পিছিয়ে পড়া নয়। তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি সংকটও এখানে প্রবল।

চরকিশোরগঞ্জে শতাধিক কৃষক নিয়মিত চাষাবাদ করেন। তাঁদের একজন বোরহানউদ্দিন। বয়স ৬০ পেরিয়েছে। জন্ম আর বেড়ে ওঠা এই চরে। জীবনও কাটছে এই চরের মাটিতেই। তিনি বললেন, নদীর পাড়ে পলিমাটি জমে বলে জমিন ভালো। ফলনও তুলনামূলক ভালো হয়। আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভালোই আছেন। কিন্তু এই ভালো থাকার কথার ভিতরেই লুকিয়ে আছে বহু অনিশ্চয়তা।

চরের কৃষির সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের কৃষির পার্থক্য আছে। জমির মালিকানা, চাষের ঝুঁকি, বিনিয়োগের অনিশ্চয়তা সবই আলাদা। বোরহানউদ্দিন জানালেন, একসময় তাঁর ৬০ বিঘার মতো জমিতে চাষ ছিল। এবার কিছুটা কমাতে হয়েছে। জমির একটি অংশ পৈতৃক হলেও অনেক জমিই সরকারিভাবে খাস, যা লিজ নিয়ে চাষ করতে হয়। কেউ নিজের জমিতে চাষ করেন, আবার অনেকেই লিজ নিয়ে কৃষিকাজ চালান। খাসজমির লিজ বহু বছর আগে দেওয়া, অনেক ক্ষেত্রে তা ৯০ বা ৯৯ বছরের জন্য। নিয়মমাফিক খাজনা দেওয়া হয়। কিন্তু মালিকানার অনিশ্চয়তা সব সময় কৃষকের মাথার ওপর ঝুলে থাকে।

চরের কৃষকের লড়াই ও সম্ভাবনার গল্প

চরকিশোরগঞ্জের সবচেয়ে বড় সমস্যা তার ভৌগোলিক অবস্থান। সোনারগাঁ উপজেলা, নারায়ণগঞ্জ জেলা হলেও চারপাশে মুন্সিগঞ্জ। এই মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে সরকারি অনেক সুবিধা ঠিকভাবে পৌঁছায় না। কৃষকের ভাষায়, তাঁরা যেন দুই জেলার মাঝখানে পড়ে গেছেন। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে সার ও কৃষি উপকরণ প্রাপ্তিতে।

এখানে সারের সংকট প্রকট। সরকারি ডিলারশিপের মাধ্যমে যে দামে সার পাওয়ার কথা, তা অনেক সময় পাওয়া যায় না। কৃষকদের বাধ্য হয়ে মুন্সিগঞ্জ থেকে বেশি দামে সার কিনতে হয়। পরিবহন খরচ যোগ হয়। একই অবস্থা কীটনাশক ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের ক্ষেত্রেও। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। বাজারে সেই খরচের প্রতিফলন সব সময় হয় না।

কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা মাঝে মাঝে আসেন। বড় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু নিয়মিত তদারকি বা পরিকল্পিত পরামর্শের অভাব রয়েছে। অনেক সময় কৃষকদের বলা হয়, সমস্যার সমাধান জানতে অফিসে যেতে। চরের কৃষকের পক্ষে সব সময় অফিসে গিয়ে পরামর্শ নেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে অনেকেই নিজেদের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেন। কোথাও সমস্যা হলে আবার নতুন চারা লাগিয়ে দেন। এতে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ে।

বীজ নিয়ে অভিযোগ এখানে সবচেয়ে বেশি। মাঠে দাঁড়িয়ে এক কৃষকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে থমকে গেলাম। তিনি বললেন, চার প্যাকেট টম্যাটোর বীজ কিনে ৪ হাজার ৪০০ টাকা খরচ করেছেন। অথচ পেয়েছেন মাত্র ৪০০ চারা। একই সময়ে পাশের জমিতে অন্য কৃষকের বীজ ভালোভাবে উঠেছে। দোকানদারের কাছে অভিযোগ জানালে তিনি দায় নেননি। বলেন, লাগানোর পদ্ধতিতে সমস্যা হয়েছে। কৃষক বোঝেন, সমস্যা বীজের। পুরোনো বা নিম্নমানের বীজ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রমাণ করা কঠিন। অভিযোগ জানানোর কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই। দোকানদার বলেন, তাঁরা নিজেরা বীজ তৈরি করেন না। কোম্পানির দিকে দায় ঠেলে দেন। শেষ পর্যন্ত ক্ষতিটা কৃষকেরই থেকে যায়।

বিশেষ করে বীজের গুণগত মান নিয়ে অভিযোগ সারা দেশের অসংখ্য কৃষকের। এ নিয়ে কাজ করতে গিয়েছিলাম গাজীপুরের কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার ও বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সিতে। সেখানে দেখেছি বীজের প্যাকেটে নানা তথ্য-উপাত্ত, শর্ত লেখা থাকে, থাকে না বীজ না গজালে কৃষকের কী করণীয়, কোথায় যাবে। এ বিষয়টি একাধিকবার নীতিনির্ধারকদের সামনে তুলে ধরেছি। কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। চরের এক কৃষক জানালেন, গত বছর প্রায় ১৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। এ বছর সেই ১৫ লাখ টাকাই প্রায় লোকসান। বিশেষ করে আলুতে ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে। নতুন করে আলু লাগানোর মতো সামর্থ্য তাঁর নেই। এই বাস্তবতা শুধু একজনের নয়, অনেক কৃষকের।

আলু উৎপাদনের চিত্রটি এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টিভি বা পত্রিকায় প্রায়ই শুনি, দেশে আলুর উৎপাদন বেড়েছে। দ্বিগুণ বা তিন গুণ হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন বাড়লেই কি কৃষক বাঁচে। যদি বাজার ব্যবস্থাপনা না থাকে, রপ্তানির উদ্যোগ না থাকে, তবে সেই অধিক উৎপাদনই কৃষকের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায়। চরকিশোরগঞ্জের কৃষকের ভাষায়, সরকার যদি সময়মতো পরিকল্পনা করত, তাহলে এই আলুর ফলনই তাঁদের বাঁচাতে পারত। কিন্তু তা হয়নি।

এই সংকটের ভিতর কৃষিবিমার প্রসঙ্গ আসে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিমা আছে, গাড়ির বিমা আছে, বাড়ির বিমা আছে। কিন্তু কৃষকের ফসলের বিমা নেই। বন্যা এলে সব ভেসে যায়, খরা এলে ফসল পুড়ে যায়, রোগবালাইয়ে খেত নষ্ট হয়। এসব ক্ষতির দায় কৃষক একাই বহন করেন। কেউ কেউ বিদেশে কাজ করে পুঁজি এনে কৃষিতে বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু এক মৌসুমের ক্ষতিতে সেই পুঁজি শেষ হয়ে যাচ্ছে। শস্যবিমা চালু হলে অন্তত ক্ষতির সময় কৃষক কিছুটা সুরক্ষা পেতেন।

চরের আরেকটি বড় সমস্যা হলো মাটির স্বাস্থ্য। কৃষকরা বলছেন, আগে জোয়ারের পানিতে জমিন নতুন শক্তি পেত। পলিমাটি আসত। মাটি উর্বর থাকত। এখন অনেক জায়গায় সেই জোয়ার আসে না। একই জমিতে বারবার একই ফসল চাষ করা হচ্ছে। রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার বেড়েছে। ফলে মাটির শক্তি কমে যাচ্ছে। গাছ হলুদ হয়ে যাচ্ছে। আগের মতো ফলন হচ্ছে না। কৃষকেরা নিজেরাও বিষয়টি বুঝতে পারছেন, কিন্তু বিকল্প পথ জানেন না।

তবু চর থেমে নেই। বেগুন তোলার পর আবার অন্য ফসল। লাউয়ের মাচা, কুমড়ার খেত, মরিচ, ভুট্টা, গম, সরিষা। এক জমিতে একাধিক ফসল ঘুরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। লাউয়ের ডগা বিক্রি করেও কৃষক আয় করেন। পাইকাররা সরাসরি চর থেকেই ফসল কিনে নিয়ে যান। এতে মধ্যস্বত্বভোগীর সংখ্যা কিছুটা কমে। কিন্তু কৃষকের লাভের পরিমাণ এখনো সীমিত।

বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১০ শতাংশ চরাঞ্চল। প্রায় ১ কোটি মানুষের বসবাস চর এলাকায়। দেশের ৩২টি জেলার শতাধিক উপজেলার সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে চর যুক্ত। নদীভাঙন, বন্যা, খরা এসব দুর্যোগ প্রতিনিয়ত এই মানুষগুলোর জীবনকে নাড়িয়ে দেয়। প্রতি বছর গড়ে ৫ হাজার মানুষ নদীভাঙনে গৃহহীন হয়। তবু এই মানুষগুলোর হাত ধরেই দেশের খাদ্যভান্ডার ভরে ওঠে।

চরকিশোরগঞ্জে দাঁড়িয়ে বারবার ভাবছিলাম, পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে এই চর কত বড় সম্ভাবনার জায়গা হতে পারে। মানসম্মত বীজ ও সার সহজলভ্য করা গেলে, কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত মাঠপর্যায়ে যুক্ত করা গেলে, প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ালে, বাজার ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করলে চরের কৃষক আরও এগিয়ে যেতে পারতেন। শস্যবিমা চালু হলে বিনিয়োগের ঝুঁকি কমত। রাসায়নিকের অপব্যবহার কমিয়ে উত্তম কৃষিচর্চার দিকে গেলে মাটির স্বাস্থ্য ফিরত। চরের মানুষ নদীর সঙ্গে লড়াই করেই বাঁচতে শিখেছে। নদী ভাঙে, আবার চর জাগে। সেই জাগা চরে কৃষক আবার ফসল ফলান। এই লড়াইয়ের নামই চরজীবন। যদি রাষ্ট্র, সমাজ আর নীতিনির্ধারকরা এই লড়াইকে গুরুত্ব দেন, তবে চর শুধু দুর্যোগের গল্প বলবে না। বলবে সম্ভাবনার গল্প, আত্মনির্ভরতার গল্প, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের গল্প।

লেখক : মিডিয়াব্যক্তিত্ব

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোট প্রদানে ইসলামের চারটি নির্দেশনা
ভোট প্রদানে ইসলামের চারটি নির্দেশনা
বন্দরে অচলাবস্থা
বন্দরে অচলাবস্থা
কালোটাকার দাপট
কালোটাকার দাপট
গণতন্ত্র জিতলে জিতবে বাংলাদেশ'
গণতন্ত্র জিতলে জিতবে বাংলাদেশ'
ভোটাভুটির জগৎ-সংসার
ভোটাভুটির জগৎ-সংসার
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
শেষ মুহূর্তে চুক্তি
শেষ মুহূর্তে চুক্তি
অবৈধ অস্ত্রে শঙ্কা
অবৈধ অস্ত্রে শঙ্কা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন
হঠাৎ অ্যাকশন
হঠাৎ অ্যাকশন
বন্দরে অচলাবস্থা
বন্দরে অচলাবস্থা
সর্বশেষ খবর
সিনিয়র সাংবাদিক আলী মামুদ আর নেই
সিনিয়র সাংবাদিক আলী মামুদ আর নেই

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

দেশে এসেছে ৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫৭ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট
দেশে এসেছে ৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫৭ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

১ মিনিট আগে | জাতীয়

আজ রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ
আজ রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

ক্যান্সারের কাছে হেরে গেলেন ‘থ্রি ডোরস ডাউনের’ লিড ভোকাল
ক্যান্সারের কাছে হেরে গেলেন ‘থ্রি ডোরস ডাউনের’ লিড ভোকাল

২৩ মিনিট আগে | শোবিজ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে বন্ধ করুন ৫ ফিচার
ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে বন্ধ করুন ৫ ফিচার

৩৩ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

দেশের প্রেক্ষাগৃহে হলিউডের ৩ সিনেমা
দেশের প্রেক্ষাগৃহে হলিউডের ৩ সিনেমা

৩৫ মিনিট আগে | শোবিজ

মাঠে ফিরছেন রোনালদো
মাঠে ফিরছেন রোনালদো

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সারাদেশে তাপমাত্রা বাড়বে নাকি কমবে, যা জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর
সারাদেশে তাপমাত্রা বাড়বে নাকি কমবে, যা জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

খরুচে বোলিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে সফল এনগিডি
খরুচে বোলিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে সফল এনগিডি

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কানাডায় জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ পেতে প্রয়োজন চিকিৎসকের অনুমোদন
কানাডায় জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ পেতে প্রয়োজন চিকিৎসকের অনুমোদন

৫৫ মিনিট আগে | পরবাস

শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেল জোহেইবের বিশ্বকাপ
শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেল জোহেইবের বিশ্বকাপ

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে দক্ষিণ কোরীয় গোয়েন্দা সংস্থায় অভিযান
উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে দক্ষিণ কোরীয় গোয়েন্দা সংস্থায় অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় নতুন হামলায় ৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় নতুন হামলায় ৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর
নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় এতিম শিশুদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ব্যতিক্রমী আয়োজন
কুয়াকাটায় এতিম শিশুদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ব্যতিক্রমী আয়োজন

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস
সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র
প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে
ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের
দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ
এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক : ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান
নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক : ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জনসভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ
১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জনসভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা
ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে ঢাকা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ফেব্রুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ফেব্রুয়ারি)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ
আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কোন দিকে হেফাজতের ভোটব্যাংক
কোন দিকে হেফাজতের ভোটব্যাংক

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি
ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের
ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতকে নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজের দাবি
ভারতকে নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজের দাবি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান
মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি সই, পাল্টা শুল্ক কমল ১৯ শতাংশ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি সই, পাল্টা শুল্ক কমল ১৯ শতাংশ

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যে সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানি মিসাইল রেঞ্জে, ট্রাম্পের না ভেবে উপায় নাই!
মধ্যপ্রাচ্যে সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানি মিসাইল রেঞ্জে, ট্রাম্পের না ভেবে উপায় নাই!

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ
পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের হুমকির মুখে ৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভাঙলেন খামেনি?
ট্রাম্পের হুমকির মুখে ৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভাঙলেন খামেনি?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?
ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সিদ্ধান্ত বদল, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন ভোটাররা
সিদ্ধান্ত বদল, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন ভোটাররা

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…
মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ
হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘জামায়াতের পক্ষে ‌ভোট চাইছেন’ শাকিব খান, সত্যিটা আসলে কী
‘জামায়াতের পক্ষে ‌ভোট চাইছেন’ শাকিব খান, সত্যিটা আসলে কী

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি: স্টারমারের বিদায় ঘণ্টা বাজছে, নেতৃত্বে শাবানা?
টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি: স্টারমারের বিদায় ঘণ্টা বাজছে, নেতৃত্বে শাবানা?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন
গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ
ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং, বললেন প্রেস সচিব
আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং, বললেন প্রেস সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির
সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর
নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান
ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিএনপির বড় পরীক্ষা বেশির ভাগ আসনে
বিএনপির বড় পরীক্ষা বেশির ভাগ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিনেও হামলা সংঘর্ষ
নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিনেও হামলা সংঘর্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি
নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬
বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?
নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?

প্রথম পৃষ্ঠা

এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ
এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌরভ ছড়াচ্ছে ফুল বাগান
সৌরভ ছড়াচ্ছে ফুল বাগান

পেছনের পৃষ্ঠা

জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন
জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন

শিল্প বাণিজ্য

কৃষিঋণে গতি বাড়লেও নজরদারি এখন চ্যালেঞ্জ
কৃষিঋণে গতি বাড়লেও নজরদারি এখন চ্যালেঞ্জ

শিল্প বাণিজ্য

ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ
ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ

পেছনের পৃষ্ঠা

শাসকরা মালিক নয়, হবে সেবক
শাসকরা মালিক নয়, হবে সেবক

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই
তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই

প্রথম পৃষ্ঠা

৭২ ঘণ্টা বন্ধ মোটরসাইকেল
৭২ ঘণ্টা বন্ধ মোটরসাইকেল

পেছনের পৃষ্ঠা

অপরিবর্তিত নীতি সুদহার
অপরিবর্তিত নীতি সুদহার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিলুপ্তি চাইলেন র্যাব ডিজিএফআইয়ের
বিলুপ্তি চাইলেন র্যাব ডিজিএফআইয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

অধস্তন আদালতের বিচারকদের অবকাশ ছুটি দুই ধাপে
অধস্তন আদালতের বিচারকদের অবকাশ ছুটি দুই ধাপে

প্রথম পৃষ্ঠা

মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু কাল
মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু কাল

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ২২১৬ টাকা
ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ২২১৬ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

এজাজের বিদায় ডিএনসিসিতে নতুন প্রশাসক
এজাজের বিদায় ডিএনসিসিতে নতুন প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর

প্রথম পৃষ্ঠা

অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী দুই দলের ইশতেহারই
অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী দুই দলের ইশতেহারই

প্রথম পৃষ্ঠা

মনে হয় ইসি কারও প্রভাবে কাজ করে
মনে হয় ইসি কারও প্রভাবে কাজ করে

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াত ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করছে
জামায়াত ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করছে

প্রথম পৃষ্ঠা

উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী দুই-এক দিনে
উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী দুই-এক দিনে

প্রথম পৃষ্ঠা

নারী ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন
নারী ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন

মাঠে ময়দানে

রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের লড়াই হবে
রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের লড়াই হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সমালোচনা থাকলেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনপিএ
সমালোচনা থাকলেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনপিএ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ কোম্পানির পাওনা ১৪ হাজার কোটি টাকা
বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ কোম্পানির পাওনা ১৪ হাজার কোটি টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বিঘ্ন নিরাপত্তার ছক
নির্বিঘ্ন নিরাপত্তার ছক

প্রথম পৃষ্ঠা