শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

জাসদ সর্বহারার আত্মঘাতী রাজনীতি

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
জাসদ সর্বহারার আত্মঘাতী রাজনীতি

রাশিয়ার স্বনামখ্যাত ঔপন্যাসিক মিখাইল লেরমন্তভের ‘আমাদের সময়কার নায়ক’ উপন্যাসটি উপহার হিসেবে পেয়েছিলাম পঁচাত্তরের ১ জানুয়ারি। খুলনার কেডিএ নিউমার্কেটের স্ট্যান্ডার্ড পাবলিশার্সের বন্ধুবর আতিকের কাছ থেকে। যিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের পরপরই জড়িয়ে পড়েন সর্বহারা পার্টির সঙ্গে। মামলা ও হামলার শিকার হয়ে তাঁর পক্ষে এলাকায় থাকা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি থেকে খুলনায় এসে স্ট্যান্ডার্ড পাবলিশার্সে চাকরি নেন নাম ও পরিচয় গোপন করে। কালক্রমে স্ট্যান্ডার্ড পাবলিশার্স হয়ে ওঠে বামপন্থিদের মিলনকেন্দ্র। নিউমার্কেট তথা আজকের সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় জাসদ ছিল বেশ সুসংগঠিত ও প্রভাবশালী দল। যার নেতৃত্বে ছিলাম আমি। ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন অসামান্য সাহসী, গুণী ও মেধাবী অসিত দাস। আতিক সে সময় সর্বহারা পার্টির সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও সিরাজ সিকদারের প্রতি ছিলেন খুবই শ্রদ্ধাশীল। পরদিন সন্ধ্যার পর তিনি আমাকে জানান, কমরেড সিরাজ আর নেই। আটক অবস্থায় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে নিষ্ঠুরভাবে। কেড়ে নেওয়া হয়েছে, আমাদের সময়ের নায়ককে।

সর্বহারা পার্টির শীর্ষ নেতা কমরেড সিরাজ সিকদার চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার হন চুয়াত্তরের ৩১ ডিসেম্বর অথবা পঁচাত্তরের ১ জানুয়ারি। সরকারি ভাষ্যে বলা হয়, ২ জানুয়ারি সাভারে পুলিশ ভ্যান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে গুলি করা হয়। সে গুলিতে তিনি প্রাণ হারান। সিরাজ সিকদারের মৃত্যু সম্পর্কে পুলিশ তথা তৎকালীন মুজিব সরকারের পক্ষ থেকে যে বয়ান দেওয়া হয়, তা অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। বামপন্থি এই নেতা সম্পর্কে যারা জানেন, তারা স্বীকার করবেন তিনি ছিলেন দারুণ সাহসী। একই সঙ্গে অসামান্য কৌশলী, হার না মানা এক মানুষ। সাভার ছিল সর্বহারা পার্টির ঘাঁটি এলাকা। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সঙ্গে ছিল সিরাজ সিকদারের ঘনিষ্ঠতা। সে সূত্রে সাভারে তাঁর আনাগোনা ছিল। সেখানে পুলিশের নাকের ডগায় ঘোরাফেরাও করেছেন তিনি। ১৯৮৬ সালে গণস্বাস্থ্যে আমার সংক্ষিপ্ত চাকরিজীবনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কাছ থেকে জেনেছি, সিরাজ সিকদার সাভার থানায়ও গিয়েছেন ছদ্মবেশে। এহেন সিরাজ সিকদার পুলিশ ভ্যান থেকে পালিয়ে যাওয়ার মতো দুঃসাহস পোষণ করতেই পারেন। তবে গেরিলাযুদ্ধে পারদর্শী সর্বহারা পার্টির নেতা অযথা মৃত্যুর ঝুঁকি নেবেন তা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

সিরাজ সিকদার রক্ষীবাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন, এমন গুঞ্জন ছিল সে সময়ে। সাংবাদিকতার জীবনে রক্ষীবাহিনীর দুজন উপপ্রধানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ হয়েছে। যাঁদের একজন লে. কর্নেল আনোয়ার উল আলম, অন্যজন সারোয়ার হোসেন মোল্লা। তাঁরা সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, সিরাজ সিকদার হত্যায় কোনোভাবেই জড়িত নয় রক্ষীবাহিনী।

সর্বহারা পার্টির শীর্ষ নেতাকে পুলিশ না রক্ষীবাহিনী হত্যা করেছে, এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও নয়। বন্দি অবস্থায় তিনি হত্যাকাণ্ডের সম্মুখীন হন। সিরাজ সিকদার হত্যাকাণ্ড তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো কল্যাণ ডেকে আনেনি। এ হত্যাকাণ্ড সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দেয়। সিরাজ সিকদার হত্যার ২৩ দিন পর পঁচাত্তরের ২৫ জানুয়ারি সংসদে চতুর্থ সংশোধনী আনা হয়। বহুদলীয় গণতন্ত্র থেকে একদলীয় শাসনপদ্ধতি বাকশাল প্রতিষ্ঠার এই বিল সংসদে উত্থাপনের মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে পাস করা হয়। বিতর্কিত এ সংশোধনী পাসের এক মাসের মধ্যে পঁচাত্তরের ২৪ ফেব্রুয়ারি গঠিত হয় দেশের একমাত্র রাজনৈতিক দল বাকশাল। আওয়ামী লীগসহ অন্য সব রাজনৈতিক দল অবলুপ্ত হয়।

দুই.

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছাত্রজীবনে ছাত্র ইউনিয়নের (মেনন) সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য। মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হননি। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এ ব্যাপারে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকেও সর্বাত্মক সহায়তা পান। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পর শুধু স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রই নয়, বাম রাজনীতিকদের আশ্রয়স্থল হিসেবেও বিবেচিত হতো। সিরাজ সিকদারের প্রতি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর দুর্বলতা ছিল। তাঁর রাজনীতির সঙ্গে দ্বিমত থাকলেও সমীহের চোখে দেখতেন। ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মনে করতেন বিপ্লবের জন্য সিরাজ সিকদারের মতো নেতৃত্ব দরকার। সর্বহারা পার্টির অনেক নেতা-কর্মী আশ্রয় পেয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে। জাসদ ও অন্য বাম দলের নেতা-কর্মীদের ক্ষেত্রেও যা একটি সত্যি।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কাছ থেকে শোনা, সিরাজ সিকদার তাঁকে সর্বহারা পার্টিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। বলেন, যে দলে কোনো বিষয়ে ভিন্নমত হলেই প্রাণ কেড়ে নেওয়া হয়, সে দলে তিনি যোগ দেবেন কোন ভরসায়। সিরাজ সিকদার জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে শ্রদ্ধার চোখে দেখতেন। তাঁর দেশপ্রেম ও আদর্শবোধ সম্পর্কেও ইতিবাচক ধারণা পোষণ করতেন। জাফরুল্লাহ চৌধুরীর আপত্তি খণ্ডনে কোনো যুক্তিই তিনি তুলে ধরেননি। যা ছিল তাঁর চরিত্রের সঙ্গে বেমানান।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি বলেছিলেন, কবি হুমায়ুন কবিরকে হত্যা করা হয় ভিত্তিহীন অজুহাতে। তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের প্রতিভাবান কবিদের একজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রভাষক পদেও কর্মরত ছিলেন। সর্বহারা পার্টি গঠনে যাঁদের ভূমিকা ছিল হুমায়ুন কবির তাঁদেরই একজন। লেখক সংগ্রাম শিবির প্রতিষ্ঠায়ও ছিল তাঁর উদ্যোগী ভূমিকা। যে সংগঠনটি পরে বাংলাদেশ লেখক শিবির হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কাছ থেকে শোনা, সিরাজ সিকদার তাঁকে সর্বহারা পার্টিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। বলেন, যে দলে কোনো বিষয়ে ভিন্নমত হলেই প্রাণ কেড়ে নেওয়া হয়, সে দলে তিনি যোগ দেবেন কোন ভরসায়

জাসদ সর্বহারার আত্মঘাতী রাজনীতিবাহাত্তরের ৬ জুন কবি হুমায়ুন কবিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সর্বহারা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে সেলিম শাহনেওয়াজ ফজলু ও সুলতান চক্রের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত করে তাঁর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়। ৬ জুন রাত ৯টায় ঢাকার ইন্দিরা রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে ডেকে এনে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাযজ্ঞে অংশগ্রহণকারী গেরিলাদের পরবর্তী সময়ে অভিনন্দন জানিয়েছে সর্বহারা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি। হুমায়ুন কবিরের বোনকে বিয়ে করেছিলেন সেলিম শাহনেওয়াজ ফজলু। এই আত্মীয়তার সম্পর্ক ছাড়াও হুমায়ুনের ব্যাপারে পার্টিতে অভিযোগ ওঠে তাঁর ভাই ফিরোজ কবিরের বহিষ্কারকে তিনি মেনে নিতে পারেননি। ফিরোজ কবিরকে ইতঃপূর্বে একজন ‘কমরেড’ হত্যার অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। হুমায়ুন কবির হত্যার কারণ হিসেবে পার্টির বক্তব্যে বলা হয়, ‘সাহিত্যিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করার পুরোপুরি বুর্জোয়া দৃষ্টিকোণ সম্পন্ন হওয়ায় স্বভাবতই হুমায়ুন কবিরের মধ্যে ব্যক্তিস্বার্থের প্রাধান্য ছিল’। হুমায়ুন কবির হত্যাকে মহৎ ও বিপ্লবী কাজ বলে সর্বহারা পার্টি জাহির করলেও পরে তারা মূল্যায়ন করে ‘খতম করাটা ভুল হয়েছে’। এ মূল্যায়নের পেছনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সমালোচনা ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হয়।

সিরাজ সিকদার ছিলেন আমাদের সময়কার নায়ক। পূর্ব বাংলা বা আজকের বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রবক্তা ছিলেন তিনি। তিনি ছিলেন চীনা নেতা মাও সে তুংয়ের চিন্তাধারার প্রতি অনুরক্ত। কিন্তু স্বাধীনতার প্রশ্নে পিকিংয়ের দিকে মুখ ফিরিয়ে থাকা মোসাহেব ছিলেন না। হুমায়ুন কবির হত্যা সর্বহারা পার্টির ঐক্যে ফাটল ধরায়। অন্তঃকোন্দলের মুখে পড়ে পার্টি। সিরাজ সিকদারকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে দলের মধ্যে থাকা বিভীষণদের ভূমিকা ছিল বলে মনে করা হয়।

তিন.

বাংলাদেশের বাম রাজনীতি ছিল একসময় মেধাবীদের ঠিকানা। এটি ঐতিহ্যের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ট্র্যাডিশনাল বাম দলগুলো তো বটেই, স্বাধীনতার পর ছাত্রলীগের জঠর থেকে জন্ম নেওয়া জাসদের ক্ষেত্রেও সত্য। জাসদ প্রতিষ্ঠার পর যাঁরা এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, নিখিল রঞ্জন সাহা নামটি তাঁদের মনে থাকার কথা। যিনি ছিলেন একজন ইঞ্জিনিয়ার। বুয়েটের মেকানিক্যাল বিভাগের লেকচারার। ১৯৭৪ সাল। সারা দেশে জাসদ বিপ্লবমুখী এক অগ্নিশিখার নাম। ওই বছরের ২৪ নভেম্বর রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে বোমা তৈরির সময় একগুচ্ছ বোমা বিস্ফোরিত হয়। বোমাগুলো তৈরি হচ্ছিল ২৬ নভেম্বরের হরতাল সামনে রেখে। বিশেষ কায়দায় তৈরি এ বোমা জাসদ মহলে ‘নিখিল বোমা’ নামে আলোচিত হতো। যিনি শুধু বুয়েটের শিক্ষক ছিলেন না, ছিলেন জাসদের নিবেদিতপ্রাণ নেতা। স্বপ্ন দেখতেন বিপ্লবের। যে বিপ্লবের মাধ্যমে দেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। তাঁর মতো খেটে খাওয়া পরিবারের সদস্যরা সমাজে মর্যাদা পাবে।

১৯৭৪ সালের ২৬ নভেম্বরের হরতালকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টির পরিকল্পনা আঁটে জাসদ। হরতালের আগের রাতে ও সকালে আতঙ্ক ছড়াতে প্রচুর বোমা তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। এজন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের লেকচারার ও জাসদ নেতা কর্নেল তাহেরের ছোট ভাই আনোয়ারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এমন দায়িত্ব তিনি আগেও পালন করেছেন। এজন্য ডাকেন বুয়েটের শিক্ষক নিখিল রঞ্জন সাহাকে। নিখিল বোমা বানানোর দক্ষ কারিগর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর বোমা বানানোর পদ্ধতিও ছিল সোজাসাপটা। নিখিল তাঁর দুই সহযোগী কাইয়ুম আর নয়নকে নিয়ে বোমা বানাচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁদের কারও ভুলে বিস্ফোরিত হয় একটি বোমা। যার আঘাতে তৈরি হয়ে যাওয়া বোমাগুলোও বিস্ফোরিত হয়। হতভাগ্য কাইয়ুম ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। অল্পের জন্য বেঁচে যান নিখিল ও নয়ন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। নিখিল ছিলেন জাসদের গণবাহিনীর প্রভাবশালী নেতা। দলের অনেক কিছুই তিনি জানতেন। ফলে দলের সুরক্ষায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন জাসদ নেতা মইন উদ্দিন খান বাদল। বাদলের বাবা আহমদ উল্লাহ খান ছিলেন পুলিশের ডিএসপি। সে পরিচয় ও নিখিলের বন্ধু সেজে পরদিন হাসপাতালে তাঁকে দেখতে যান তিনি। কথা বলেন নিখিলের সঙ্গে। নিখিল জানান, পুলিশ তল্লাশি করে তাঁর ডায়েরি জব্দ করেছে। এ অবস্থায় বাদলসহ অন্য নেতাদের নিরাপদ দূরত্বে থাকাই উচিত। নিখিল বলেন, তিনি পুলিশের কাছে কিছু ফাঁস করেননি। তবে পুলিশ তথ্য জানতে বেপরোয়া হয়ে উঠছে। লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করছে। বাদল যেন এমন কথা শোনার অপেক্ষায় ছিলেন।

চুয়াত্তরের ২৫ নভেম্বর একটু সুস্থ হয়ে ওঠেন নিখিল রঞ্জন সাহা। আর সেদিনই তাঁকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়। উদ্দেশ্যটা ছিল মহৎ। নিখিলের কাছ থেকে জাসদের কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেন পুলিশের কাছে চলে না যায়। এভাবেই নিখিলের হতদরিদ্র খেতমজুর বাবা-মায়ের পরিবারের স্বপ্নেরও অপমৃত্যু হয়।

নিখিল রঞ্জন সাহা ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটনগর গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। বোমা বিস্ফোরণে নিহত জাসদ কর্মী কাইয়ুম থাকতেন পলাশীর সরকারি কলোনিতে। খবর শুনে তাঁর মা যাত্রাবাড়ীতে লাশ দেখতে যান। লোকজনের জটলার মধ্যে দাঁড়িয়ে তিনি তাঁর ক্ষতবিক্ষত ছেলেকে দেখেন। পুলিশের ভয়, স্বামীর সরকারি চাকরি ও সরকারি কোয়ার্টার নিয়ে ঝামেলার ভয়ে কাইয়ুমকে নিজের ছেলে পরিচয় দেওয়ার সাহসও পাননি। জাসদের পক্ষ থেকেও কেউ এগিয়ে আসেনি তাদের একজন কমরেডের লাশ গ্রহণ করতে। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে কাইয়ুমের লাশ বেওয়ারিশ পরিচয়ে দাফন করা হয়।

নিখিল কিংবা কাইয়ুম শুধু নয়, জাসদ তাদের কোনো নেতা-কর্মীর প্রতি কোনো দায় অনুভব করেছে কি না, জানা নেই। জাসদের অন্তঃকোন্দলে নিহত হয়েছেন কাজী আরেফের মতো জাতীয় নেতা। যিনি ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম রূপকার। মারাফত হত্যার পেছনেও ছিল অন্তঃকোন্দল। গুপ্তহত্যা আর আত্মঘাতী রাজনীতির কারণেই একসময়ের মহিরুহ হয়ে ওঠা দল সর্বহারা পার্টির কোনো অস্তিত্বই নেই। আর জাসদ এখন এক লাশের নাম।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
গাড়ি-জমির বিশেষ সুবিধা নয়
গাড়ি-জমির বিশেষ সুবিধা নয়
মাহে রমজান
মাহে রমজান
সুফিবাদ
সুফিবাদ
রমজান ও আত্মিক পুনর্জাগরণ
রমজান ও আত্মিক পুনর্জাগরণ
জীবের প্রতি সেবা
জীবের প্রতি সেবা
ওই,নূতন,কেতন,ওড়ে,
ওই,নূতন,কেতন,ওড়ে,
এমন একটা দিনেরই অপেক্ষায় ছিল জাতি
এমন একটা দিনেরই অপেক্ষায় ছিল জাতি
সরকারের কাছে প্রত্যাশা
সরকারের কাছে প্রত্যাশা
গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা
গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা
ইসলামের দৃষ্টিতে জ্ঞানার্জন
ইসলামের দৃষ্টিতে জ্ঞানার্জন
যমুনাপার থেকে আসা ত্যাগী নেতা
যমুনাপার থেকে আসা ত্যাগী নেতা
দোহাই প্রধানমন্ত্রী গরিবদের বাঁচান
দোহাই প্রধানমন্ত্রী গরিবদের বাঁচান
সর্বশেষ খবর
পরকীয়ার সন্দেহে শিক্ষক স্বামীকে প্রকাশ্যে পেটালেন স্ত্রী
পরকীয়ার সন্দেহে শিক্ষক স্বামীকে প্রকাশ্যে পেটালেন স্ত্রী

১৬ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

রমজানের সকালে অফিসে ঝিমুনি? কর্মচঞ্চল থাকার ৫ কার্যকরী টিপস
রমজানের সকালে অফিসে ঝিমুনি? কর্মচঞ্চল থাকার ৫ কার্যকরী টিপস

২২ মিনিট আগে | জীবন ধারা

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুস্থ গণতন্ত্রের প্রথম শর্ত: বিরোধীদলীয় নেতা
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুস্থ গণতন্ত্রের প্রথম শর্ত: বিরোধীদলীয় নেতা

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

নতুন বিতর্কে জড়ালেন অভিনেতা সোহম
নতুন বিতর্কে জড়ালেন অভিনেতা সোহম

৩০ মিনিট আগে | শোবিজ

ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা
ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৯ ফেব্রুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৯ ফেব্রুয়ারি)

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ডোপ টেস্ট ‘পজিটিভ’ হলে সরকারি চাকরিতে অযোগ্য, বিধিমালা জারি
ডোপ টেস্ট ‘পজিটিভ’ হলে সরকারি চাকরিতে অযোগ্য, বিধিমালা জারি

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ নেতানিয়াহুর

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫০তম বিসিএস : লিখিত পরীক্ষা শুরু কবে?
৫০তম বিসিএস : লিখিত পরীক্ষা শুরু কবে?

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা
বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের মাঝেই শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার সাইমের
বিশ্বকাপের মাঝেই শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার সাইমের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেনের সময় কমছে প্রায় ১ ঘণ্টা
আজ থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেনের সময় কমছে প্রায় ১ ঘণ্টা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

টি-টোয়েন্টিতে ১০০ উইকেটের মাইলফলকে বশ
টি-টোয়েন্টিতে ১০০ উইকেটের মাইলফলকে বশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেবা নিতে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনের নির্দেশ
সেবা নিতে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনের নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ছয় বছর পর ফের পর্দায় ‘চার্লিস এঞ্জেলস’
ছয় বছর পর ফের পর্দায় ‘চার্লিস এঞ্জেলস’

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ডিএমপির নিরাপত্তা সমন্বয় সভা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ডিএমপির নিরাপত্তা সমন্বয় সভা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেট্রোরেলে চলাচলে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
মেট্রোরেলে চলাচলে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ছুরিকাঘাতে বড় ভাইকে হত্যার ঘটনায় আসামি ছোট ভাই গ্রেফতার
ছুরিকাঘাতে বড় ভাইকে হত্যার ঘটনায় আসামি ছোট ভাই গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রাজধানীর হাজারীবাগে ঝুটের গুদামে আগুন
রাজধানীর হাজারীবাগে ঝুটের গুদামে আগুন

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে চলবে অফিস-আদালত
আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে চলবে অফিস-আদালত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাতারে পালাতে গিয়ে বিমানবন্দরে গ্রেফতার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা
কাতারে পালাতে গিয়ে বিমানবন্দরে গ্রেফতার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রমজানে আজ থেকে বন্ধ থাকবে স্কুল
রমজানে আজ থেকে বন্ধ থাকবে স্কুল

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টিভিতে আজকের খেলা
টিভিতে আজকের খেলা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ ঢাকার কোথায় কোন কর্মসূচি?
আজ ঢাকার কোথায় কোন কর্মসূচি?

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ
বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রমজানে নতুন সময়সূচিতে চলছে মেট্রোরেল
রমজানে নতুন সময়সূচিতে চলছে মেট্রোরেল

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অস্ট্রেলিয়ার ব্যর্থতায় হেইডেনের কণ্ঠে হতাশা
অস্ট্রেলিয়ার ব্যর্থতায় হেইডেনের কণ্ঠে হতাশা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে যে কোনো সময় বড় হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে যে কোনো সময় বড় হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রমজান-ঈদ উপলক্ষে কলেজে ছুটি শুরু, স্কুলে কবে থেকে
রমজান-ঈদ উপলক্ষে কলেজে ছুটি শুরু, স্কুলে কবে থেকে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক এমপিসহ ৩ আওয়ামী লীগ নেতার জামিন
সাবেক এমপিসহ ৩ আওয়ামী লীগ নেতার জামিন

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফজরের নামাজের পরই সড়ক পরিষ্কারে নামলেন বিরোধীদলীয় নেতা
ফজরের নামাজের পরই সড়ক পরিষ্কারে নামলেন বিরোধীদলীয় নেতা

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রমজানে বন্ধ থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়
রমজানে বন্ধ থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩৩ বছর পর বাবার অফিসে কন্যা: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিনের আবেগঘন পোস্ট
৩৩ বছর পর বাবার অফিসে কন্যা: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিনের আবেগঘন পোস্ট

৭ ঘণ্টা আগে | ফেসবুক কর্নার

সবচেয়ে বেশি মন্ত্রী পেল যে বিভাগ
সবচেয়ে বেশি মন্ত্রী পেল যে বিভাগ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরাসরি ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট পেল বাংলাদেশ
সরাসরি ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট পেল বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেসব দপ্তরের দায়িত্ব সামলাবেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেসব দপ্তরের দায়িত্ব সামলাবেন

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ
ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইজিপিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, তার চলাচলে যেন জনদুর্ভোগ না হয়
আইজিপিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, তার চলাচলে যেন জনদুর্ভোগ না হয়

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিঙ্গাপুর গেলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. তাহের
সিঙ্গাপুর গেলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. তাহের

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে ইসিকে চিঠি
ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে ইসিকে চিঠি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদ দেখা গেছে, রোজা শুরু বৃহস্পতিবার
চাঁদ দেখা গেছে, রোজা শুরু বৃহস্পতিবার

১৫ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেমন করলো বাংলাদেশের বদলে বিশ্বকাপে খেলা স্কটল্যান্ড
কেমন করলো বাংলাদেশের বদলে বিশ্বকাপে খেলা স্কটল্যান্ড

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুনর্ভর্তি ফি নেওয়া যাবে না, সরকারের নীতিমালা জারি
পুনর্ভর্তি ফি নেওয়া যাবে না, সরকারের নীতিমালা জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাসপোর্ট ছাড়া ফিরেছেন সৌদি থেকে, ছয় দিনে খুঁজে পাননি পরিবার
পাসপোর্ট ছাড়া ফিরেছেন সৌদি থেকে, ছয় দিনে খুঁজে পাননি পরিবার

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশে মব কালচারের দিন শেষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশে মব কালচারের দিন শেষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষা ব্যবস্থাকে গ্লোবাল কম্পিটিটিভনেসে আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা ব্যবস্থাকে গ্লোবাল কম্পিটিটিভনেসে আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সংসদে গেলেও সংবিধান অনুযায়ী যা করতে পারবেন না টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা
সংসদে গেলেও সংবিধান অনুযায়ী যা করতে পারবেন না টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ চালু
প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ চালু

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্যখাতে কোনো সিন্ডিকেট-দুর্নীতি থাকবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যখাতে কোনো সিন্ডিকেট-দুর্নীতি থাকবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত পাচ্ছে ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন
বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত পাচ্ছে ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নফাঁস আর ফিরবে না : শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নফাঁস আর ফিরবে না : শিক্ষামন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বিশ্বকাপজয়ী ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
বিশ্বকাপজয়ী ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী কার্ড নিয়ে নেমেছে ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী কার্ড নিয়ে নেমেছে ইরান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেলায় ফিরলেন সৈয়দা রিজওয়ানা
বেলায় ফিরলেন সৈয়দা রিজওয়ানা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমানের চেয়ারম্যান পদ থেকে শেখ বশিরউদ্দীনকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন
বিমানের চেয়ারম্যান পদ থেকে শেখ বশিরউদ্দীনকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইনমন্ত্রীর একান্ত সচিব হলেন সাজ্জাদুর রহমান
আইনমন্ত্রীর একান্ত সচিব হলেন সাজ্জাদুর রহমান

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
কারা হবেন ঢাকার দুই সিটির নগরপিতা
কারা হবেন ঢাকার দুই সিটির নগরপিতা

রকমারি নগর পরিক্রমা

টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রথম পৃষ্ঠা

এমন একটা দিনেরই অপেক্ষায় ছিল জাতি
এমন একটা দিনেরই অপেক্ষায় ছিল জাতি

সম্পাদকীয়

শুল্ক ছাড়ের পরও দাম কমেনি খেজুরের
শুল্ক ছাড়ের পরও দাম কমেনি খেজুরের

পেছনের পৃষ্ঠা

‘গলার কাঁটা’ কোটি টাকার উন্নয়ন
‘গলার কাঁটা’ কোটি টাকার উন্নয়ন

রকমারি নগর পরিক্রমা

শিক্ষা ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ
শিক্ষা ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দিল্লিতে ৪০ মিনিট পুলিশ হেফাজতে সমন্বয়ক মাহদী
দিল্লিতে ৪০ মিনিট পুলিশ হেফাজতে সমন্বয়ক মাহদী

পেছনের পৃষ্ঠা

কে হচ্ছেন স্পিকার
কে হচ্ছেন স্পিকার

পেছনের পৃষ্ঠা

তারের জঞ্জালে নিত্য আতঙ্ক
তারের জঞ্জালে নিত্য আতঙ্ক

রকমারি নগর পরিক্রমা

স্কুলে পুনর্ভর্তি ফি নেওয়া যাবে না নীতিমালা জারি
স্কুলে পুনর্ভর্তি ফি নেওয়া যাবে না নীতিমালা জারি

প্রথম পৃষ্ঠা

গাড়ি-প্লট না নেওয়ার ঘোষণায় সাধুবাদ
গাড়ি-প্লট না নেওয়ার ঘোষণায় সাধুবাদ

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে চাহিদা থাকা পণ্যের দাম চড়া
রমজানে চাহিদা থাকা পণ্যের দাম চড়া

পেছনের পৃষ্ঠা

জমবে এবার ইফতার রাজনীতি
জমবে এবার ইফতার রাজনীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

সরাসরি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ
সরাসরি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সরকারের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার হোক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা!
সরকারের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার হোক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা!

প্রথম পৃষ্ঠা

শুরু হলো মাহে রমজান
শুরু হলো মাহে রমজান

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা এ সংসদের দায়িত্ব
সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা এ সংসদের দায়িত্ব

প্রথম পৃষ্ঠা

গাছে গাছে মুকুলের ঘ্রাণ
গাছে গাছে মুকুলের ঘ্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

সিরিয়াল কিলার জিয়াউল
সিরিয়াল কিলার জিয়াউল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢাকায় ব্যস্ত ফুটবলার ওজিল
ঢাকায় ব্যস্ত ফুটবলার ওজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট
এবার জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট

পেছনের পৃষ্ঠা

বড়পীরের তরিকতের রোজার সবক
বড়পীরের তরিকতের রোজার সবক

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিন্নরূপে - আরিফিন শুভ
ভিন্নরূপে - আরিফিন শুভ

শোবিজ

জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে ফেরত যাচ্ছি
জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে ফেরত যাচ্ছি

নগর জীবন

ঈমান চলচ্চিত্রের দরবেশ চরিত্রে অনবদ্য ছিলেন ওয়াসিম
ঈমান চলচ্চিত্রের দরবেশ চরিত্রে অনবদ্য ছিলেন ওয়াসিম

শোবিজ

এক দিনে দ্বিগুণ লেবুর দাম
এক দিনে দ্বিগুণ লেবুর দাম

দেশগ্রাম

ছোট ভাইয়ের আঘাতে বিএনপি নেতার মৃত্যু
ছোট ভাইয়ের আঘাতে বিএনপি নেতার মৃত্যু

দেশগ্রাম

স্কুলছাত্রীর ওপর হামলা, যুবক আটক
স্কুলছাত্রীর ওপর হামলা, যুবক আটক

দেশগ্রাম

খাল ভরাটে সীমাহীন ভোগান্তি
খাল ভরাটে সীমাহীন ভোগান্তি

রকমারি নগর পরিক্রমা