শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

একের উত্থান অপরের পতন

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
একের উত্থান অপরের পতন

পুঁজিবাদ যে মৌলবাদকে পুষ্ট করে সে ব্যাপারটা অস্পষ্ট নয়, যদিও তাকে অস্পষ্ট রাখার চেষ্টা চলে। পুঁজিবাদ দারিদ্র্য-বৈষম্য এবং অজ্ঞতা সৃষ্টি ও বৃদ্ধি করে থাকে। দারিদ্র্য ও অজ্ঞতা মৌলবাদের প্রধান আশ্রয়। পুঁজিবাদী বৈষম্য দারিদ্র্য উৎপাদনের কারণ এবং ওই বৈষম্য গরিব মানুষকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে। পুঁজিবাদী রাষ্ট্র সামাজিক বৈষম্যের প্রতিপালক; ওই রাষ্ট্রব্যবস্থা অধিকাংশ মানুষকে বঞ্চিত ও বিচ্ছিন্ন করে রাখে। বিশেষ করে প্রান্তিক পুঁজিবাদী রাষ্ট্রগুলোতে দেখা যায় শ্রমজীবী মানুষের জন্য রাষ্ট্র হয়ে দাঁড়াচ্ছে নিপীড়নের অতি নিষ্ঠুর যন্ত্র। পীড়িত মানুষ বিচার পায় না, আশ্রয় পায় না, প্রতিশ্রুতিও পায় না। সেই সঙ্গে তারা দেখে অল্প কিছু মানুষ যারা বলে তারা ইহজাগতিক, আচ্ছাদন নেই উদারনীতির, সেই মানুষগুলো পরম বিলাস ও অপচয়ের জীবনযাপন করছে; দেখে ক্ষিপ্ত হয় এবং তাদের ক্রোধ ও ক্ষোভ প্রকাশের কোনো গণতান্ত্রিক পথ যেহেতু খোলা পায় না তাই চলে যায় ধর্মের দিকে। ধর্ম ব্যবসায়ী মৌলবাদীরা এই ব্যবস্থার চমৎকার সুযোগ গ্রহণ করে থাকে; তারা সমর্থক পায়, অনুসারী পেয়ে যায়, তাদের হিংস্রতা আরও উগ্র হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশে মৌলবাদ আবারও মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। একদিক দিয়ে এটা অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত। কেননা বাংলাদেশের অভ্যুদয় ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদকে প্রত্যাখ্যান ও পরাভূত করে। কিন্তু পরাভূত শক্তি আবার ফিরে এসেছে, অধিক শক্তিমত্তায়। তার পরাজয়টা কেবল যে সশস্ত্র যুদ্ধক্ষেত্রে ঘটেছিল তা নয়, ঘটেছিল আদর্শিকভাবেও।। তাহলে কেন তার পুনরুত্থান? কেমন করে?

বোঝা যায় যে, মৌলবাদীরা তাদের আদর্শিক পরাজয়টি মেনে নেয়নি। দৈহিকভাবে হেরে গিয়ে এবং ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে ছিল মাত্র। পরে পরিস্থিতি আগের মতো প্রতিকূল নেই দেখে ফিরে এসেছে। এই যে পরিস্থিতি পাল্টে যাওয়া এর প্রধান উপাদান কী? সেটা হলো পুঁজিবাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। ওই যে ব্যক্তি বড় হয়ে উঠছে সমষ্টির তুলনায়- এই নীতিটি আগের রাষ্ট্রগুলোতে কার্যকর ছিল। মনে হয়েছিল বাংলাদেশে তা থাকবে না, কেননা বাংলাদেশ হবে প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক, সেখানে রাষ্ট্র হবে সবার সাধারণ সম্পত্তি, যার দরুন রাষ্ট্র তার শোষণকারী ভূমিকা ছেড়ে রক্ষাকারীর ভূমিকা নেবে এবং সমাজে অধিকার ও সুযোগের সাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে। সেটাই ছিল স্বপ্ন। স্বপ্ন ভেঙে গেছে। যার ফলে অধিকাংশ মানুষের জীবনে দুঃস্বপ্ন নেমে এসেছে, এমন দুঃস্বপ্ন যা ছিল কল্পনার বাইরে, কারণ মুক্তিযুদ্ধে বিজয় তাদের আশা দিয়েছিল, ভাববার সাহস জুগিয়েছিল যে স্বপ্ন দূরে নয়, নিকটবর্তী বটে।

চোখ কচলে মানুষ দেখেছে যে যুদ্ধ করল সবাই, কিন্তু সুফল চলে গেছে ধনীদের গৃহে। উনিশশ সাতচল্লিশের স্বাধীনতাতে যারা উপকৃত হয়েছিল, একাত্তরের স্বাধীনতাতে তারাই উপকার পেয়েছে, দ্বিতীয়বার। আতঙ্কের বিষয় চব্বিশের অভ্যুত্থান-পরবর্তীতে ব্যাপকতা লাভ করেছে একাত্তরের পরাজিত মৌলবাদী চক্র। কে মুক্তিযোদ্ধা আর কে রাজাকার সেটা কোনো বিবেচনার বিষয় রইল না, সত্য হয়ে উঠল পরাজিতদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। অন্য কিছু নয়। দেশে নির্বাচন হবে-হচ্ছে কিন্তু পরিস্থিতি এখনো শতভাগ আশা ও আস্থা জাগাতে পারছে না। নির্বাচন নিয়ে দোদুল্যমান পরিস্থিতি আঁচ করা যাচ্ছে। অথচ দেশে একটি নির্বাচন হওয়া অতি জরুরি। অসাংবিধানিক সরকারের দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা দেশের জন্য শুভকর নয়। শুভকর নয় সরকারের জন্যও। তাই একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প এ মুহূর্তে আর কিছু নয়।

তাহলে পথ কী? পথ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। যে চেতনার মূল বিষয় ব্যক্তির নয়, সমষ্টির স্বার্থকে বিকশিত করা। সম্পদ উৎপাদন তো বটেই, সম্পদের সুষম বণ্টনও প্রয়োজন হবে। শত্রু চলে গেছে মনে করেছি, কিন্তু শত্রু মোটেই যায়নি...

একের উত্থান অপরের পতনরাষ্ট্র আবার সেই পুরোনো পুঁজিবাদী পথ ধরে এগোনোর অপেক্ষায়। গণতন্ত্রের পরিবর্তে কখনো বৈধ কখনো অবৈধ স্বৈরশাসন দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতা আঁকড়ে থেকে গণতন্ত্রকে আরও বিপদগ্রস্ত করল। দারিদ্র্য, বৈষম্য ও অজ্ঞতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেল। অধিকাংশের স্বার্থ না দেখে কতিপয়ের স্বার্থ রক্ষা করার দায়িত্ব গ্রহণ করে রাষ্ট্র হয়ে দাঁড়াল পীড়নকারী প্রতিষ্ঠান, যার কাছে আশ্রয় নেই, ভরসা নেই ন্যায়বিচারের।

কথা ছিল শিক্ষা হবে অভিন্ন ও সর্বজনীন। তা হয়নি। পাকিস্তানি রাষ্ট্রে এবং তারও আগে যে তিন ধরনের শিক্ষা ধারা প্রচলিত ছিল, তারা প্রবল বেগে ফিরে এসেছে।

এটাও দেখা গেছে যে, ধনীরা মনে করেছে, তারা ধনী হয়েছে ভাগ্যগুণে। তারা আরও ধনী হতে চায়। আবার ভিতরে ভিতরে অপরাধবোধও কাজ করেছে। কেননা জানে তাদের ধনার্জনের পথটা যে সৎ ছিল তা নয়, ছিল অপরাধাচ্ছন্ন। সৌভাগ্যের অত্যাশ্চর্য তৎপরতার জন্য কৃতজ্ঞতা এবং অপরাধবোধের বোঝা এই দুয়ের তাড়নায় ধনীরা ধর্মকার্য ধরেছে। তারা মোটেই ধার্মিক নয়, ধর্মের আনুষ্ঠানিকতাটাই করে, আধ্যাত্মিকতার বালাই নেই। কিন্তু তাদের দৃষ্টান্ত কম বিত্তবানদের অস্থির করে ধর্মের পথ ধরতে।

সমাজের প্রায় সবাই এখন পুঁজিবাদী। ব্যক্তিগত মুনাফা চায়। অন্যের ভালোমন্দ সম্পর্কে আগ্রহ কমছে, ক্রমাগত সংকীর্ণ, স্বার্থবুদ্ধিসর্বস্ব ও হতাশ হয়ে পড়ছে। হতাশা একটি ভয়ংকর ব্যাধি। ধর্মসহ নানাবিধ মাদকাসক্তি ওই ভূমিতে লালিত-পালিত হয়।

প্রতিশ্রুতি ছিল যে, রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষতাকে প্রতিষ্ঠিত করবে। রাষ্ট্র তা করেনি। বস্তুত রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষতাকে কেবল যে সংবিধান থেকে বাদ দিয়েছে তা নয়, সেখানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে যুক্ত করেছে। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের তৎপরতা তো রয়েছেই, মৌলবাদীদের পাশাপাশি বুর্জোয়া রাজনৈতিক দলও প্রায় প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতিতেই ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে এসেছে।

এসব মিলিয়েই বাস্তবতা। এই বাস্তবতা রাজনৈতিক ধর্মনিরপেক্ষতা ও দার্শনিক ইহজাগতিকতাকে উৎসাহিত করছে না, বরঞ্চ মানুষকে প্ররোচিত করছে উল্টো দিকে যেতে। ধর্মনিরপেক্ষতার ধারকরা দুই ভাগে বিভক্ত। উদারনীতিক ও বামপন্থি। উদারনীতিতে বিশ্বাসী যাঁরা, তাঁরা জনগণের ওপর প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছেন। সেটা অস্বাভাবিক কোনো ব্যাপার নয়। কেননা তাঁরা ভদ্রলোক এবং জনবিচ্ছিন্ন। তদুপরি তাঁরা হচ্ছেন বিদ্যমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সমর্থক, যে ব্যবস্থাকে শ্রমজীবী মানুষ মনেপ্রাণে ঘৃণা করে, যদিও প্রকাশ করার পথ পায় না। উদারনীতিকরা ব্যক্তির বিকাশকে সমর্থন করেন, সমষ্টির বিপরীতে। তাঁরা রাষ্ট্রের অনুগ্রহপুষ্ট, নানাভাবে। তাঁদের দৃষ্টান্ত বা আদর্শ কোনোটাই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষতা ও ইহজাগতিকতার প্রকৃত সমর্থক হচ্ছেন বামপন্থিরা। কিন্তু কিছুটা নিজেদের দার্শনিক দুর্বলতা, কিছুটা পরদেশনির্ভরতা এবং অনেকটা রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার বৈরিতার কারণে তাঁরা প্রবল হতে পারেনি। স্মরণীয় যে, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর রাষ্ট্রীয় নীতি ছিল রাজাকারদের ক্ষমা করা এবং বামপন্থিদের প্রয়োজনে হত্যা করা। জনগণ বিক্ষুব্ধ, তাদের সেই বিক্ষোভ বাম দিকে যাবে-এমন পথ এখনো তৈরি হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষ ডান দিকেই যাচ্ছে এবং ডানপন্থিদেরও ডানে যাদের অবস্থান, সেই মৌলবাদীরা সুবিধা করে নিচ্ছে।

তাহলে পথ কী? পথ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। যে চেতনার মূল বিষয় ব্যক্তির নয়, সমষ্টির স্বার্থকে বিকশিত করা। সম্পদ উৎপাদন তো বটেই, সম্পদের সুষম বণ্টনও প্রয়োজন হবে। শত্রু চলে গেছে মনে করেছি, কিন্তু শত্রু মোটেই যায়নি। শত্রু হচ্ছে ব্যক্তির স্বার্থকে বড় করে তোলা এবং সেই গুরুত্বদানের পেছনে কাজ করছে পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও আদর্শ-শত্রু তারাও। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ আসলেই শেষ হয়নি। সেই যুদ্ধে হেরে গেলে কেবলই পেছন দিকে হটতে থাকব, এখন যেমন হটছি ক্রমাগত।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
শেষ মুহূর্তে চুক্তি
শেষ মুহূর্তে চুক্তি
অবৈধ অস্ত্রে শঙ্কা
অবৈধ অস্ত্রে শঙ্কা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন
হঠাৎ অ্যাকশন
হঠাৎ অ্যাকশন
বন্দরে অচলাবস্থা
বন্দরে অচলাবস্থা
ভোটের মাঠে ছাত্রদলের সাবেক নেতারা
ভোটের মাঠে ছাত্রদলের সাবেক নেতারা
ইসলামের আলোকে ভোটের আমানত
ইসলামের আলোকে ভোটের আমানত
নিরপেক্ষতায় অটল সেনাবাহিনী
নিরপেক্ষতায় অটল সেনাবাহিনী
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
পরিবেশ রক্ষা
পরিবেশ রক্ষা
সর্বশেষ খবর
ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হলে প্রতিহত করা হবে : মির্জা আব্বাস
ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হলে প্রতিহত করা হবে : মির্জা আব্বাস

১১ সেকেন্ড আগে | ভোটের হাওয়া

ওসির পক্ষপাতমূলক আচরণ তদন্ত করছে এসএমপি
ওসির পক্ষপাতমূলক আচরণ তদন্ত করছে এসএমপি

১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

‘দেশ দুই ভাগে বিভক্ত, একদিকে মদিনার ইসলাম অন্যদিকে মওদূদীবাদী ইসলাম’
‘দেশ দুই ভাগে বিভক্ত, একদিকে মদিনার ইসলাম অন্যদিকে মওদূদীবাদী ইসলাম’

৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

লেবানন থেকে এক নেতাকে অপহরণ করল ইসরায়েলি বাহিনী
লেবানন থেকে এক নেতাকে অপহরণ করল ইসরায়েলি বাহিনী

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণ এবারও বিএনপিতে আস্থা রাখবে: আমীর খসরু
জনগণ এবারও বিএনপিতে আস্থা রাখবে: আমীর খসরু

৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ভোট দেওয়ার গোপন কক্ষের ছবি তোলা যাবে না: ইসি সচিব
ভোট দেওয়ার গোপন কক্ষের ছবি তোলা যাবে না: ইসি সচিব

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?
ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে মানুষ উন্মুখ হয়ে আছেন: আলী নেওয়াজ
ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে মানুষ উন্মুখ হয়ে আছেন: আলী নেওয়াজ

২২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষে ভোট দেন: মান্নান
ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষে ভোট দেন: মান্নান

২২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

প্রভাবশালীদের বাঁচাতে আগেই তৈরি করে রাখা হয় এপস্টেইনের ডেথ স্টেটমেন্ট?
প্রভাবশালীদের বাঁচাতে আগেই তৈরি করে রাখা হয় এপস্টেইনের ডেথ স্টেটমেন্ট?

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অলরাউন্ড নৈপুণ্যে লিস্কের কীর্তি
অলরাউন্ড নৈপুণ্যে লিস্কের কীর্তি

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ওসির পক্ষপাতমূলক আচরণ তদন্তে এসএমপি
ওসির পক্ষপাতমূলক আচরণ তদন্তে এসএমপি

২৯ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

টঙ্গীতে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে শিশুসহ অর্ধশতাধিক আহত
টঙ্গীতে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে শিশুসহ অর্ধশতাধিক আহত

৩৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মানিকগঞ্জে সতের বছরে কোনো উন্নয়ন হয়নি : আফরোজা খানম রিতা
মানিকগঞ্জে সতের বছরে কোনো উন্নয়ন হয়নি : আফরোজা খানম রিতা

৩৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ব্রিটিশ ও ফরাসি গোয়েন্দারাই গাদ্দাফি পুত্রকে হত্যা করেছে?
ব্রিটিশ ও ফরাসি গোয়েন্দারাই গাদ্দাফি পুত্রকে হত্যা করেছে?

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পেসারদের দাপটে জয়ে বিশ্বকাপ শুরু জিম্বাবুয়ের
পেসারদের দাপটে জয়ে বিশ্বকাপ শুরু জিম্বাবুয়ের

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান
ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

৪২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

সিলেটে বিএনপির অভিযোগ জামায়াতের প্রত্যাখান
সিলেটে বিএনপির অভিযোগ জামায়াতের প্রত্যাখান

৪২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণা
টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণা

৪৪ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

জিয়াউর রহমানের আদর্শে আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে এসেছি: জামাল
জিয়াউর রহমানের আদর্শে আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে এসেছি: জামাল

৪৯ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বগুড়া-২ আসনে মীর শাহে আলমের নির্বাচনি সমাবেশ
বগুড়া-২ আসনে মীর শাহে আলমের নির্বাচনি সমাবেশ

৫০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

টাঙ্গাইল-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মিছিলে গিয়ে দুইজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইল-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মিছিলে গিয়ে দুইজনের মৃত্যু

৫২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি বদ্ধপরিকর: মহাপরিচালক
ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি বদ্ধপরিকর: মহাপরিচালক

৫৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

মিছিলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু
মিছিলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহে ৫৩.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহে ৫৩.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

এক সপ্তাহেই ইরানে ৪৬১ ভূমিকম্প, মাটির গভীরে কি হচ্ছে?
এক সপ্তাহেই ইরানে ৪৬১ ভূমিকম্প, মাটির গভীরে কি হচ্ছে?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খেলাধুলা শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও দেশপ্রেম শেখায় : কাদের গনি চৌধুরী
খেলাধুলা শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও দেশপ্রেম শেখায় : কাদের গনি চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদারীপুর-২: ধানের শীষে ভোট চাইলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল
মাদারীপুর-২: ধানের শীষে ভোট চাইলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

এবারের লড়াই কেবল ক্ষমতা বদলের নয়, রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের: মামুনুল হক
এবারের লড়াই কেবল ক্ষমতা বদলের নয়, রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের: মামুনুল হক

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নারায়ণগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণা
নারায়ণগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণা

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার
ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দূরপাল্লার বাস চলাচলে নতুন সিদ্ধান্ত
দূরপাল্লার বাস চলাচলে নতুন সিদ্ধান্ত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভিকে বুলবুলের ধন্যবাদ, যেসব বিষয়ে হলো আলোচনা
পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভিকে বুলবুলের ধন্যবাদ, যেসব বিষয়ে হলো আলোচনা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোট উপলক্ষে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ কখন থেকে?
ভোট উপলক্ষে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ কখন থেকে?

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং
৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঘরে বসে জেনে নিন ভোটার নম্বর ও কোন কেন্দ্রে ভোট দেবেন সেই তথ্য
ঘরে বসে জেনে নিন ভোটার নম্বর ও কোন কেন্দ্রে ভোট দেবেন সেই তথ্য

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণসহ তিন শর্ত মানলেই ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণসহ তিন শর্ত মানলেই ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল
‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ
পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৯ বছর নিষিদ্ধ থাকার পর পাকিস্তানে ফিরল ঘুড়ি উৎসব
১৯ বছর নিষিদ্ধ থাকার পর পাকিস্তানে ফিরল ঘুড়ি উৎসব

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে নাহিদের পক্ষে ভোট চাওয়া নারীকে নিয়ে বিভ্রান্তি
ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে নাহিদের পক্ষে ভোট চাওয়া নারীকে নিয়ে বিভ্রান্তি

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিএনপি ক্ষমতায় এলে মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে: জুবাইদা রহমান
বিএনপি ক্ষমতায় এলে মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে: জুবাইদা রহমান

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বৈঠকের পরও কাটেনি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের অনিশ্চয়তা
বৈঠকের পরও কাটেনি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের অনিশ্চয়তা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা
যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ
হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৬১৫০ কোটি টাকার ক্ষতি ঠেকাতে বিসিবিকে বড় ছাড় দিতে চলেছে আইসিসি
৬১৫০ কোটি টাকার ক্ষতি ঠেকাতে বিসিবিকে বড় ছাড় দিতে চলেছে আইসিসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার
থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ উপদেষ্টা ও সচিবদের বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ উপদেষ্টা ও সচিবদের বৈঠক

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি
ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা
নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…
মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের দিন প্রার্থী ও নির্বাচনি এজেন্টের যানবাহন ব্যবহারে কমিশনের নির্দেশনা
ভোটের দিন প্রার্থী ও নির্বাচনি এজেন্টের যানবাহন ব্যবহারে কমিশনের নির্দেশনা

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ
অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ

শোবিজ

বাউফলে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ নলছিটিতে যোগদান নিয়ে হাঙ্গামা
বাউফলে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ নলছিটিতে যোগদান নিয়ে হাঙ্গামা

পেছনের পৃষ্ঠা

মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য
মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন
আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন

নগর জীবন

নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে
নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে

প্রথম পৃষ্ঠা

‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন

সম্পাদকীয়

সংসদ নির্বাচনে টানা তিন দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
সংসদ নির্বাচনে টানা তিন দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

খবর

পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব
পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব

নগর জীবন

জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর
জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর

খবর

নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ
নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু
সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী
ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী

প্রথম পৃষ্ঠা

শেষ সময়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ
শেষ সময়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

নগর জীবন

চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে
চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিকাশ রকেট নগদে ১ হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না
বিকাশ রকেট নগদে ১ হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না

পেছনের পৃষ্ঠা

শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার
শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা

সম্পাদকীয়

প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া
প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া

পেছনের পৃষ্ঠা

জানুয়ারিতে অর্থনীতির গতি কমেছে
জানুয়ারিতে অর্থনীতির গতি কমেছে

নগর জীবন

গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য
গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোটের মাঠে কালোটাকা
ভোটের মাঠে কালোটাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা পাঁচ দিনের ছুটি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা পাঁচ দিনের ছুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার
ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক লুটেরাদের নিয়ে দুর্নীতি দমন হাস্যকর
ব্যাংক লুটেরাদের নিয়ে দুর্নীতি দমন হাস্যকর

পেছনের পৃষ্ঠা

উপদেষ্টা পরিষদ ও সচিবদের শেষ বৈঠক আজ
উপদেষ্টা পরিষদ ও সচিবদের শেষ বৈঠক আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনি নাটক ‘ঢাকা ২৬’
নির্বাচনি নাটক ‘ঢাকা ২৬’

শোবিজ

সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু
দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা