শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক

শাইখ সিরাজ
প্রিন্ট ভার্সন
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক

নির্বাচনের মৌসুম এলেই রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার নানা প্রতিশ্রুতিতে ভরে ওঠে। উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি, স্মার্ট বাংলাদেশ, ডিজিটাল ভবিষ্যৎ- এসব শব্দ বারবার উচ্চারিত হয়। কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন থেকেই যায়। এই উন্নয়নের ভিত্তি কোথায়? দীর্ঘদিন গ্রামে গ্রামে কৃষকের মাঠে ঘুরে যা দেখেছি, তা হলো বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ এখনো কৃষি। শহরের দৃশ্যমান উন্নয়নের নিচে যে ভিত্তি শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, সেটি কৃষক, তথা গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। তারা উন্নত হলেই দেশ উন্নত হবে। কৃষক দুর্বল হলে উন্নয়নের সব হিসাব একসময় নড়বড়ে হয়ে যাবে।

আজকের বাংলাদেশে কৃষকের সংকট কেবল উৎপাদনে সীমাবদ্ধ নয়। কৃষক বীজ বোনে, ফসল ফলায়, ঘাম ঝরায়। কিন্তু ন্যায্যমূল্য পায় না। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, উৎপাদন খরচের লাগামছাড়া বৃদ্ধি, সব মিলিয়ে কৃষক আজ অস্তিত্ব সংকটে। এই বাস্তবতায় রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে কৃষি নিয়ে আবেগী বাক্য নয়, প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর অঙ্গীকার।

আমরা প্রায়ই গর্ব করে বলি, বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কথাটি আংশিক সত্য। কিন্তু মাঠের কৃষকের কাছে গেলে সে ভিন্ন কথা বলে। তার সমস্যা উৎপাদনে নয়, তার সমস্যা ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং ফসল সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকা। ফসল কাটার মৌসুম এলেই দাম পড়ে যায়। সংরক্ষণের সুযোগ না থাকায় কৃষক বাধ্য হয় লোকসানে পণ্য বিক্রি করতে।

তাই রাজনৈতিক ইশতেহারের প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত বাজার ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহ শৃঙ্খলের সংস্কার। প্রতিটি উপজেলায় শস্য সংরক্ষণাগারসহ আধুনিক কৃষি বাজার গড়ে তোলা দরকার, যেখানে কৃষক সরাসরি তার পণ্য বিক্রি করতে পারবে। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে কৃষক থেকে ভোক্তা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করা জরুরি। ব্লকচেইনভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হলে বাজারে স্বচ্ছতা আসবে এবং কৃষক তার ন্যায্য হিস্সা পাবে।

আজ আমরা যে পিঁয়াজ আমদানি করি, তার মূল কারণ উৎপাদন ঘাটতি নয়, সংরক্ষণ ঘাটতি এবং প্রকৃত চাহিদা নিরূপণ করতে না পারা। দেশে উৎপাদিত ফল ও ফসলের প্রায় ২৫ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। আলুর পাশাপাশি পিঁয়াজ, টম্যাটো ও শাকসবজির জন্যও অঞ্চলভিত্তিক বিশেষায়িত হিমাগার গড়ে তুলতে হবে। নামমাত্র ভাড়ায় কৃষক যেন সেখানে পণ্য রাখতে পারে এবং সেই সংরক্ষিত শস্যের বিপরীতে স্বল্প সুদে ঋণ নিতে পারে। এ ব্যবস্থাই কৃষকের আয় স্থিতিশীল করতে পারে। একই সঙ্গে বাজারকেন্দ্রিক সংরক্ষণাগার স্থাপন জরুরি। বাজারে দাম না পেলে কৃষক যেন পণ্য ফিরিয়ে এনে পরবর্তী দিনের জন্য সংরক্ষণ করতে পারে। এতে লোকসানে বিক্রির চাপ কমবে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শহরের কংক্রিটে নয়, গ্রামের ফসলের মাঠে লেখা আছে। সেই মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষকই আমাদের শক্তি। তাই আসন্ন রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হওয়া উচিত, কে কৃষকের পাশে দাঁড়াবে, কে কৃষিকে সামনে রাখবে?

সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষকবাংলাদেশে কৃষক সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে। একবার বন্যা, একবার খরা কিংবা শিলাবৃষ্টি। এক মৌসুমে সব শেষ। তাই রাজনৈতিক ইশতেহারে থাকতে হবে সর্বজনীন শস্য বিমার সুস্পষ্ট ঘোষণা। ফসল নষ্ট হলে কৃষক ক্ষতিপূরণ পাবে এমন বাধ্যতামূলক বিমা ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যার প্রিমিয়ামের বড় অংশ সরকার বহন করবে।

সহজ শর্তে কৃষি ঋণ কৃষকের আরেকটি মৌলিক চাহিদা। বাস্তবতা হলো ব্যাংকের জটিল প্রক্রিয়ার কারণে কৃষক উচ্চ সুদে এনজিও ঋণ বা মহাজনী ঋণে জড়িয়ে পড়ে। কৃষক স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে জামানতবিহীন ঋণ, ৪ শতাংশ বা তার কম সুদে, তাৎক্ষণিক অনুমোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। ঋণ যেখান থেকেই দেওয়া হোক, কৃষকের জন্য সুদের হার সহনীয় রাখতে হবে। শস্যগুদাম ঋণ প্রকল্প পুনরায় চালু করা সময়ের দাবি। ফসল কাটার মৌসুমে যখন দাম কম থাকে, তখন কৃষক যেন গুদামে ফসল রেখে তার বিপরীতে ঋণ নিতে পারে। পরে দাম বাড়লে বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করবে। এতে কৃষক মধ্যস্বত্বভোগীদের হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনাও স্থিতিশীল হবে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে পরপর দুই মৌসুম ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ঋণ ও সুদ মওকুফের স্পষ্ট নীতিমালা থাকতে হবে। ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের ক্ষেত্রে বিশেষ সহানুভূতিশীল ব্যবস্থা প্রয়োজন।

আজ গ্রামে কৃষি শ্রমিক পাওয়া কঠিন। পাওয়া গেলেও মজুরি অনেক বেশি। এর একমাত্র টেকসই সমাধান যান্ত্রিকীকরণ। কিন্তু কৃষিযন্ত্র এখনো বেশির ভাগ কৃষকের নাগালের বাইরে। রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি অঙ্গীকারে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ থাকতে হবে, কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টারে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হবে। বড় যন্ত্রের পাশাপাশি ক্ষুদ্র কৃষিযন্ত্রেও ভর্তুকি নিশ্চিত করতে হবে। যন্ত্র টিকিয়ে রাখতে ইউনিয়ন পর্যায়ে মেকানিক হাব গড়ে তুলতে হবে। ড্রোন ব্যবহার করে সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ডিজিটাল ল্যাব, এসব এখন বিলাসিতা নয়।

ডিজেলনির্ভরতা কমাতে সোলার সেচ পাম্প পুরোপুরি চালু করতে হবে এবং গ্রিডে বিদ্যুৎ বিক্রির সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে ন্যানো প্রযুক্তির দিকে জোর দিতে হবে। ন্যানো ইউরিয়া ও ন্যানো পেস্টিসাইড সারের অপচয় কমাতে এবং উৎপাদন খরচ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষণা ও স্থানীয় উৎপাদন ছাড়া এই সম্ভাবনা বাস্তব হবে না। পোলট্রি ও ডেইরি খাত আজ সিন্ডিকেটের কবলে। পশুখাদ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কছাড় এবং দেশে ভুট্টা ও সয়াবিন চাষে প্রণোদনা দিতে হবে। প্রতিটি গ্রামে মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক চালু করা গেলে খামারিরা সময়মতো সেবা পাবেন।

দুধ ও মাংস সংরক্ষণের জন্য সমবায়ভিত্তিক চিলিং সেন্টার এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে কর অবকাশ জরুরি। মাছ, পোলট্রি ও গবাদিপশু কৃষিপণ্য। এগুলোকে শিল্প ক্যাটাগরিতে বিদ্যুৎ বিল করা অযৌক্তিক। এই বৈষম্য দূর করতে হবে। আমরা এখনো কাঁচা পণ্য বিক্রি করি। অথচ প্রক্রিয়াজাত করলে পণ্যের মূল্য বহুগুণ বাড়ে। উত্তরাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকায় কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল গড়ে তুলতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজার ধরতে গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিস বা গ্যাপ সনদ বাধ্যতামূলক করতে হবে। আম, লিচু, ইলিশ ও সবজির আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিংয়ে রাষ্ট্রীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

লবণাক্ততা ও খরা সহনশীল জাত উদ্ভাবনে গবেষণা বাজেট বাড়াতে হবে। হাওর ও নিম্নাঞ্চলে ভাসমান কৃষির বিস্তার জরুরি।

সমুদ্র আমাদের বড় সম্ভাবনা। সুনীল অর্থনীতি এখনো ইশতেহারে প্রান্তিক। গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণ, মেরিন স্পেশাল প্ল্যানিং, ব্লু বন্ড চালু করা ছাড়া এই খাত এগোবে না।

বিশেষভাবে বলতে চাই সামুদ্রিক শৈবালের কথা। এটি ভবিষ্যতের খাদ্য ও শিল্প কাঁচামাল। উপকূলীয় মানুষের বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি করতে শৈবাল প্রক্রিয়াজাতকরণ, গবেষণা ও রপ্তানিতে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ জরুরি।

রাজনৈতিক ইশতেহারে একটি বিষয় প্রায়ই উপেক্ষিত থেকে যায়। সেটি হলো কৃষিতে প্রজন্ম পরিবর্তন। আজকের তরুণ সমাজ কৃষিকে পেশা হিসেবে নিতে আগ্রহী নয়। কারণ তারা দেখে কৃষকের ঘাম আছে, কিন্তু সম্মান নেই। লাভ অনিশ্চিত, ঝুঁকি নিশ্চিত। এই বাস্তবতা বদলাতে হলে কৃষিকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক পেশা হিসেবে তুলে ধরতে হবে।

প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা জরুরি, যেখানে তরুণরা কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে প্রশিক্ষণ পাবে। কৃষি এখন আর কেবল কৃষিই নয়, এটি এখন একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবসা। বীজ উৎপাদন, নার্সারি, প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং, লজিস্টিকস এবং অনলাইন বিপণন এই পুরো চেইন সম্পর্কে তরুণদের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। ইশতেহারে কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির জন্য আলাদা কর্মসূচি থাকা উচিত।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে মাঠপর্যায়ের কৃষকের সংযোগ বাড়াতে হবে। গবেষণা যেন কাগজে সীমাবদ্ধ না থাকে, মাঠে পৌঁছায়। অনেক সময় দেখা যায়, নতুন জাত বা প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হলেও কৃষক তা জানে না, বা ব্যবহার করতে ভয় পায়। এই ব্যবধান কমাতে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগকে নতুনভাবে ঢেলে সাজাতে হবে।

বাংলাদেশের কৃষিতে নারীর অবদান বিপুল, কিন্তু স্বীকৃতি সামান্য। বীজ সংরক্ষণ থেকে শুরু করে ফসল সংগ্রহ, হাঁস-মুরগি পালন, সবজি চাষ সবখানেই নারীরা যুক্ত। অথচ ঋণ, প্রশিক্ষণ ও সরকারি সহায়তার তালিকায় তারা অনেক সময় অদৃশ্য।

রাজনৈতিক ইশতেহারে নারী কৃষকের জন্য আলাদা অঙ্গীকার থাকা জরুরি। সহজ শর্তে ঋণ, প্রশিক্ষণ ও বাজার সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে। একইভাবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কৃষি বাস্তবতা ভিন্ন। তাদের জন্য অঞ্চলভিত্তিক কৃষিনীতি না হলে উন্নয়ন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

কৃষি শুধু অর্থনীতির বিষয় নয়, এটি স্বাস্থ্য ও পুষ্টির প্রশ্নও। বাংলাদেশ চাল উৎপাদনে সফল হয়েছে, কিন্তু পুষ্টি নিরাপত্তায় পিছিয়ে আছে। ইশতেহারে তাই শাকসবজি, ডাল, তেলবীজ ও ফল উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। একমুখী ফসলি চাষ আমাদের মাটির স্বাস্থ্য নষ্ট করছে। ফসলের বৈচিত্র্য বাড়াতে কৃষককে প্রণোদনা দিতে হবে। স্কুল পর্যায়ে পুষ্টি বাগান, বসতবাড়িভিত্তিক সবজি চাষ এবং ছাদকৃষির প্রসার ঘটালে শহর ও গ্রাম উভয় জায়গাতেই খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে।

আজকের কৃষি আর অনুমানের ওপর চলতে পারে না। কখন বৃষ্টি হবে, কখন তাপমাত্রা বাড়বে, কোন রোগ আসতে পারে, এসব তথ্য আগে থেকে জানা গেলে কৃষক অনেক ক্ষতি থেকে বাঁচতে পারে। তাই আবহাওয়া পূর্বাভাস, বাজারদর ও রোগবালাইসংক্রান্ত তথ্য কৃষকের মোবাইলে পৌঁছতে হবে সহজ ভাষায়। ইশতেহারে স্মার্ট কৃষি তথ্য ব্যবস্থার স্পষ্ট রূপরেখা থাকা দরকার। কৃষক যেন শুধু উৎপাদক না থাকে, সে যেন তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এতে উৎপাদন খরচ কমবে, লাভ বাড়বে।

রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে যদি কৃষি থাকে কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে, তাহলে মাঠের বাস্তবতা বদলাবে না। আর যদি কৃষি থাকে কেন্দ্রবিন্দুতে, তাহলে বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থেই শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে। আমি মনে করি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শহরের কংক্রিটে নয়, গ্রামের ফসলের মাঠে লেখা আছে। সেই মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষকই আমাদের শক্তি। তাই আসন্ন রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হওয়া উচিত, কে কৃষকের পাশে দাঁড়াবে, কে কৃষিকে সামনে রাখবে?

লেখক : মিডিয়া ব্যক্তিত্ব

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ঝুট গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
ঝুট গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ভোট পুনর্গণনার দাবি
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ভোট পুনর্গণনার দাবি
‘বিএনপি আমাকে ফেরাতে চাইলে আমার নেতা-কর্মীদেরও ফেরাতে হবে’
‘বিএনপি আমাকে ফেরাতে চাইলে আমার নেতা-কর্মীদেরও ফেরাতে হবে’
সুপারি চুরির অভিযোগে শিশুকে পিটিয়ে হত্যা
সুপারি চুরির অভিযোগে শিশুকে পিটিয়ে হত্যা
খুলনায় কুয়েট ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
খুলনায় কুয়েট ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
হ্যাঁ’র পক্ষে রায়
হ্যাঁ’র পক্ষে রায়
জাতীয়তাবাদী শক্তির জয়
জাতীয়তাবাদী শক্তির জয়
সুশাসনের তাগিদ দেয় ইসলাম
সুশাসনের তাগিদ দেয় ইসলাম
রাষ্ট্রচিন্তায় সবার আগে থাকুক কৃষক
রাষ্ট্রচিন্তায় সবার আগে থাকুক কৃষক
নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে : প্রয়োজন যুক্তিবুদ্ধির সংযোগ
নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে : প্রয়োজন যুক্তিবুদ্ধির সংযোগ
নতুন চ্যালেঞ্জ
নতুন চ্যালেঞ্জ
গণতন্ত্রের ট্রেনে দেশ
গণতন্ত্রের ট্রেনে দেশ
সর্বশেষ খবর
নেত্রকোনায় সাহিত্য উৎসব
নেত্রকোনায় সাহিত্য উৎসব

এই মাত্র | দেশগ্রাম

নোংরা পানি আর দুর্গন্ধে অতিষ্ট পৌরসভার বাসিন্দারা
নোংরা পানি আর দুর্গন্ধে অতিষ্ট পৌরসভার বাসিন্দারা

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা সৈকত
বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা সৈকত

১৩ মিনিট আগে | পর্যটন

নিজের ব্যানার খুলতে রাস্তায় নেমে পড়লেন হাবিবুর রশিদ
নিজের ব্যানার খুলতে রাস্তায় নেমে পড়লেন হাবিবুর রশিদ

১৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বিএনপিকে অভিনন্দন জানাল হেফাজতে ইসলাম
বিএনপিকে অভিনন্দন জানাল হেফাজতে ইসলাম

১৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঢাকা-৫ আসনের ফল স্থগিত ও ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপি প্রার্থীর
ঢাকা-৫ আসনের ফল স্থগিত ও ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপি প্রার্থীর

২০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বৃহস্পতির আকার নিয়ে নতুন তথ্য দিল নাসার মহাকাশযান
বৃহস্পতির আকার নিয়ে নতুন তথ্য দিল নাসার মহাকাশযান

২১ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

দলকে ব্যবহার করে অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : ইশরাক
দলকে ব্যবহার করে অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : ইশরাক

২৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

বোনকে উত্যক্তের প্রতিবাদে যুবককে হত্যা
বোনকে উত্যক্তের প্রতিবাদে যুবককে হত্যা

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে’
‘সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে’

২৯ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাউজানে পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার
রাউজানে পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার

৩৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রুশ হামলায় সব বিদুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: জেলেনস্কি
রুশ হামলায় সব বিদুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: জেলেনস্কি

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃমি নির্মূল করে যে পাতার রস
কৃমি নির্মূল করে যে পাতার রস

৪৩ মিনিট আগে | জীবন ধারা

আনোয়ারায় তালা ভেঙে তিনটি গরু চুরি
আনোয়ারায় তালা ভেঙে তিনটি গরু চুরি

৫২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

হাসনাতের আসনে ভোট বাতিল ও পুনঃভোট চাইলেন ট্রাক প্রতীকের জসিম
হাসনাতের আসনে ভোট বাতিল ও পুনঃভোট চাইলেন ট্রাক প্রতীকের জসিম

৫৩ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনে শত ষড়যন্ত্রেও জনগণ সুস্থ ধারার প্রতিফলন ঘটিয়েছে : ওয়ার্কার্স পার্টি
নির্বাচনে শত ষড়যন্ত্রেও জনগণ সুস্থ ধারার প্রতিফলন ঘটিয়েছে : ওয়ার্কার্স পার্টি

৫৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

পাকিস্তানে মসজিদে হামলায় জাতিসংঘের নিন্দা
পাকিস্তানে মসজিদে হামলায় জাতিসংঘের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের
মুন্সীগঞ্জে ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বলিউডে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিষ্ণোই আতঙ্ক
বলিউডে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিষ্ণোই আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মুন্সীগঞ্জে এসএসসি ১৯৮৩ ব্যাচের পুনর্মিলনী
মুন্সীগঞ্জে এসএসসি ১৯৮৩ ব্যাচের পুনর্মিলনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিখ নেতাকে হত্যায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগের চেষ্টা, ভারতীয় দোষী সাব্যস্ত
শিখ নেতাকে হত্যায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগের চেষ্টা, ভারতীয় দোষী সাব্যস্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ডন থ্রি’তে অভিনয়ের গুঞ্জন, যা বললেন হৃতিক
‘ডন থ্রি’তে অভিনয়ের গুঞ্জন, যা বললেন হৃতিক

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভারত-পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা কি এবার হাত মেলাবেন? যা বললেন সালমান আগা
ভারত-পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা কি এবার হাত মেলাবেন? যা বললেন সালমান আগা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণকে কনভিন্স করাই আমাদের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান
জনগণকে কনভিন্স করাই আমাদের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তাইওয়ান ইস্যুতে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করলো চীন
তাইওয়ান ইস্যুতে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করলো চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বরিশালে চামড়ার আড়তে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ
বরিশালে চামড়ার আড়তে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধানুশকে ২০ কোটির ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ
ধানুশকে ২০ কোটির ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পররাষ্ট্রনীতি ঠিক হবে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ সামনে রেখে : তারেক রহমান
পররাষ্ট্রনীতি ঠিক হবে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ সামনে রেখে : তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু
নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জামায়াত গাদ্দারি না করলে ফলাফল অন্যরকম হতো: সারোয়ার তুষার
জামায়াত গাদ্দারি না করলে ফলাফল অন্যরকম হতো: সারোয়ার তুষার

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'বিএনপি যদি ফেরাতে চায়, তবে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে'
'বিএনপি যদি ফেরাতে চায়, তবে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে'

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দুই কুল হারালেন অলি
দুই কুল হারালেন অলি

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যে পদ্ধতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার
যে পদ্ধতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যাঁরা
মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যাঁরা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমবার সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
প্রথমবার সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'নির্বাচনে যারা আমার সঙ্গে ছিলেন না তারাও নিরাপদে থাকবেন'
'নির্বাচনে যারা আমার সঙ্গে ছিলেন না তারাও নিরাপদে থাকবেন'

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ
২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন
ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা
ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২৪ ঘণ্টায় ৬ ইসরায়েলিকে গুলি করে হত্যা, জরুরি অবস্থা জারি
২৪ ঘণ্টায় ৬ ইসরায়েলিকে গুলি করে হত্যা, জরুরি অবস্থা জারি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর
কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত
ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফুল মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহ
ফুল মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহ

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ
তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ
আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অসচ্ছল হিন্দুদের পাশে নবনির্বাচিত এমপি কায়কোবাদ
অসচ্ছল হিন্দুদের পাশে নবনির্বাচিত এমপি কায়কোবাদ

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

চট্টগ্রামে কোন আসনে কে জয়ী
চট্টগ্রামে কোন আসনে কে জয়ী

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসদে যাচ্ছেন পিন্টু-টুকু দুই ভাই
সংসদে যাচ্ছেন পিন্টু-টুকু দুই ভাই

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দুই দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার হারাল ভারত
দুই দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার হারাল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এত ভোট পেয়েছেন পাটওয়ারী : মির্জা আব্বাস
নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এত ভোট পেয়েছেন পাটওয়ারী : মির্জা আব্বাস

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ২৭ জনই নতুন বিজয়ী
রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ২৭ জনই নতুন বিজয়ী

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ময়মনসিংহে ধানের শীষের দাপট, তবে স্বতন্ত্র ও জামায়াতের চমক
ময়মনসিংহে ধানের শীষের দাপট, তবে স্বতন্ত্র ও জামায়াতের চমক

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রংপুরে ‘লাঙলের জানাজা’র ছবি ভাইরাল
রংপুরে ‘লাঙলের জানাজা’র ছবি ভাইরাল

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান
জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
হারলেন যেসব হেভিওয়েট
হারলেন যেসব হেভিওয়েট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির সাত বিদ্রোহী জয়ী
বিএনপির সাত বিদ্রোহী জয়ী

পেছনের পৃষ্ঠা

জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না
জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ, বয়োজ্যেষ্ঠ খন্দকার মোশাররফ
সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ, বয়োজ্যেষ্ঠ খন্দকার মোশাররফ

পেছনের পৃষ্ঠা

চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন
চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রথমবার সংসদে তাঁরা
প্রথমবার সংসদে তাঁরা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ
যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে বিএনপির জয়ের নেপথ্যে
চট্টগ্রামে বিএনপির জয়ের নেপথ্যে

নগর জীবন

রংপুরে জাপার অহংকার চূর্ণ
রংপুরে জাপার অহংকার চূর্ণ

নগর জীবন

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা

পেছনের পৃষ্ঠা

একটি আসনও পায়নি জাতীয় পার্টি
একটি আসনও পায়নি জাতীয় পার্টি

পেছনের পৃষ্ঠা

শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি
শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ
হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ

প্রথম পৃষ্ঠা

দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়
দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত
রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় বিএনপির আলমের
সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় বিএনপির আলমের

পেছনের পৃষ্ঠা

বাসন্তী ভালোবাসার দিন আজ
বাসন্তী ভালোবাসার দিন আজ

পেছনের পৃষ্ঠা

অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস
অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকার ২০ আসনের ১৩টিতে বিএনপি ৭ জামায়াত জোট
ঢাকার ২০ আসনের ১৩টিতে বিএনপি ৭ জামায়াত জোট

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন
১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের বড় অংশে বিএনপির একচ্ছত্র আধিপত্য
দেশের বড় অংশে বিএনপির একচ্ছত্র আধিপত্য

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটে জিতলেও ভাগ্য নির্ধারণ আদালতে
ভোটে জিতলেও ভাগ্য নির্ধারণ আদালতে

পেছনের পৃষ্ঠা

জয়ী হলেন সাত নারী
জয়ী হলেন সাত নারী

পেছনের পৃষ্ঠা

এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে
এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের
ফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের

পেছনের পৃষ্ঠা

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

চার জেলায় সব আসন জামায়াতের
চার জেলায় সব আসন জামায়াতের

দেশগ্রাম

ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি
ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি

নগর জীবন

রেকর্ড গড়ে দেশের নেতৃত্বে তারেক রহমান
রেকর্ড গড়ে দেশের নেতৃত্বে তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের সঙ্গী আনচেলত্তি
২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের সঙ্গী আনচেলত্তি

মাঠে ময়দানে