শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রিন্ট ভার্সন
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?

নির্বাচন নিয়ে উৎকণ্ঠার দিনগুলো যে এখনো শেষ হয়নি, গত শুক্রবার শাহবাগ ও আশপাশের এলাকাজুড়ে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষের ঘটনা তার প্রমাণ। তিন দিন পর ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে পরিস্থিতিকে হঠাৎ এভাবে অস্থিতিশীল করে তোলা নিয়ে অনেকের মাঝে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। দাবিদাওয়া নিয়ে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার মতো বিক্ষোভে অবতীর্ণ হওয়ার পেছনে কোনো পক্ষ কলকাঠি নাড়ছে কি না, এমন প্রশ্নও দেখা দিয়েছে। দাবি আদায়ের জন্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির এটাই মোক্ষম সময় ভেবে যদি কোনো পক্ষ মাঠে নামে, তাহলে যে কেউ এ ধরনের উদ্যোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই বিবেচনা করবে। কদিন পরই দেশ ও জাতির ভাগ্য নির্ধারণকারী গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন ও গণভোটের মতো তাৎপর্যপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে এবং কদিন পরই যে সরকার বিদায় নিতে যাচ্ছে, ঠিক তখন সেই সরকার যেকোনো পক্ষের দাবিদাওয়া নিয়ে মাথা ঘামানোর মতো অবস্থায় থাকে না, বিক্ষোভকারীদের তা ভাবা উচিত ছিল। সরকারের সব কর্মকাণ্ড ও ব্যস্ততা এখন নির্বাচনমুখী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মতো জরুরি বিষয় ছাড়া সমগ্র প্রশাসন এখন ব্যাপক অর্থে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। যারাই বিক্ষোভের পরিকল্পনা করাসহ পেছন থেকে কলকাঠি নেড়েছে তারা সুবিবেচনাপ্রসূত কাজ করেনি। সবাই আশা করছে নির্বাচন নির্বিঘ্ন হোক।

নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ছাড়াও ফেব্রুয়ারি বাঙালি ও বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাস। অন্যান্য বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম দিবস থেকে বাংলা একাডেমির আয়োজনে ঢাকায় ‘অমর একুশের বইমেলা’ শুরু হয়। নির্বাচনের কারণে বইমেলা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার বইমেলা শুরু হবে ২০ ফেব্রুয়ারি। প্রচলিত ঐতিহ্য হিসেবে প্রতি বছর বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান। নির্বাচনের পর গঠিত সরকারের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে বইমেলা উদ্বোধন করানোর সুযোগ পাবে আয়োজক প্রতিষ্ঠান। নবনির্বাচিত সরকারপ্রধানের জন্যও উপলক্ষটি তাঁর পাঁচ বছর মেয়াদি রাষ্ট্র পরিচালনায় শুভারম্ভ হবে।

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জুনির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে দেশে কিছু হত্যাকাণ্ড, কিছু সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকার বাইরে বিক্ষিপ্ত ঘটনা এখনো ঘটে চলেছে। চাঁদাবাজি ও বিশৃঙ্খলা এখনো চলছে। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সত্ত্বেও সবাই চায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর লঙ্ঘনের অপপ্রয়াসগুলো নিয়ন্ত্রণে রেখে ভালোমন্দ মিলিয়ে হলেও নির্বাচন হয়ে যাক এবং নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসে গত দেড় বছর দেশে যে অনিশ্চিত অবস্থা চলছে, সে অবস্থার দ্রুত অবসান ঘটানোর দায়িত্ব গ্রহণ করুক।

জনগণ এ আশাটুকু ছাড়া কী আর করতে পারে? রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার চেষ্টা, সরকারে গিয়ে প্রতিটি দলের দুর্নীতিবাজদের জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠনের লাগামহীন প্রতিযোগিতা এবং জনগণকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত সব উপায় অবলম্বন করায় তারা বারবার মুখ থুবড়ে পড়েছে। কিন্তু যখনই নির্বাচন এসেছে, রাজনৈতিক দল ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি, মনভোলানো কথায় তারা বারবার নতুন আশায় বুক বেঁধেছে। তাদের আশা হয়তো ছিটেফোঁটা পূরণ হয়েছে, অপূর্ণ রয়ে গেছে বেশি। তবু তারা আশাহীন হয়নি। বাংলাদেশ যেমন সার্বক্ষণিক ক্রান্তিকাল ও সন্ধিক্ষণে থাকে, জনগণের ক্রান্তিকালেরও কখনো অবসান ঘটে না। এসবের মাঝেই আশা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক দৈবদুর্বিপাক যত বেশি আসে, আশার মাত্রাও তত বেশি থাকে।

সেদিক থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের সাড়ে পাঁচ দশকের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি যুগসন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেড় বছর আগে ওই সময়ের শাসকের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি এখনো মানুষের মনে নিদারুণ ক্ষত, যা কাটিয়ে ওঠা সহজ নয়। স্বাধীন একটি দেশে সাজানো নির্বাচনে ক্ষমতায় চেপে বসা তথাকথিত ‘গণতান্ত্রিক সরকার’ জনগণের ওপর ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে যে বর্বরতম হত্যা ও ধ্বংসলীলা চাপিয়ে দিয়েছিল, উপমহাদেশের এ ভূখণ্ড পাকিস্তান ও বাংলাদেশ আমল মিলিয়ে যে কবার সামরিক শাসনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, কখনো জনগণ এমন ভয়াবহ নরকযন্ত্রণার মুখোমুখি হয়নি। জনগণই সর্বংসহা, তারা ফিনিক্স পাখির মতো ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত হয়ে ওঠে নতুন করে সবকিছু সাজানোগোছানো দেখার আশায়।

এবারও তারা আশায় বুক বেঁধেছে। নতুন কিছু দেখার আশায়, নতুন কিছু পাওয়ার আশায় ১২ ফেব্রুয়ারি তারা ভোট দেবে। কিন্তু তারা কী মনস্থির করতে পেরেছে, কাকে ভোট দেবে? প্রতিশ্রুতির বন্যায় তারা ভাসছে। চব্বিশের পরিবর্তনে তারা নতুন কিছু দেখতে চেয়েছে। কিন্তু সেই পুরোনো মুখে নতুন নতুন প্রতিশ্রুতিতে তারা বিভ্রান্ত। প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর মধ্যে রয়েছে অতীতে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করা একটি পুরোনো রাজনৈতিক দল। ভালোমন্দ মিলেই  তাদের অতীত। ক্ষমতার অপব্যবহার তারাও করেছে। ব্যক্তিকেন্দ্রিক নেতৃত্বের চক্র থেকে দলকে বের করে আনতে পারেনি। সামষ্টিক ও যৌথ নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতে যা ঘটার তা-ই ঘটেছে। জুলাই বিপ্লবের শহীদদের কবরের মাটি শুকানোর আগেই এবং চিরতরে পঙ্গুত্ববরণকারী ও আহতদের কান্নার রেশ কাটতে না-কাটতেই দলটির আশীর্বাদপুষ্টরা তাদের ১৭ বছরের বঞ্চনার তাড়না ও লোভের ক্ষুধা মেটাতে চাঁদাবাজি ও দখলের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে নিজেদেরই এক পক্ষ আরেক পক্ষের ওপর হামলা করেছে। দেশজুড়ে এ তাণ্ডবে তাদেরই কমপক্ষে দেড় শ কর্মী-সমর্থক নিহত হয়েছে। চাঁদাবাজি ও জবরদখলের অভিযোগ ধামাচাপা দিতে অথবা মুখ রক্ষা করার স্বার্থে দলটি তাদের কিছু লোককে নামকাওয়াস্তে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, কারও কারও বিরুদ্ধে কারণ দর্শাও নোটিস জারি করা হয়েছে। তাতে তাদের চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি। 

বর্তমান মুহূর্তে বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যিনি একজন সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পুত্র হওয়ার সৌভাগ্যধন্য, তিনি দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে প্রত্যাবর্তন করলে তাঁকে বীরোচিত অভ্যর্থনা জানানো হয়। তিনি জনগণের সামনে তাঁর প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পনার কথা জানান। মানুষের মনে আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনি মাঠে অবতীর্ণ হওয়ার পর তাঁর ভূমিকা ও কথাবার্তা এবং তাঁর দলের অনেক নেতার দাম্ভিকতাপূর্ণ আচরণে বিএনপিকে ঘিরে জনগণের আশাভরসার প্রাচীরে ফাটল ধরেছে। তবু জনগণ আশা করেছিল, ২০০৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় দুই দশক ধরে স্বৈরাচারী শাসকের সীমাহীন নিপীড়ন এবং চড়াইউতরাইয়ের শোধনাগারে পরিশোধিত হয়ে বিএনপির আমল-আখলাকে পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। নিপীড়িত হওয়ার বেদনাদায়ক ও তিক্ত অভিজ্ঞতাই অন্যের ওপর নিপীড়ন চালানোয় বাধা হয়ে দাঁড়াবে। নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গেলে দেশ পরিচালনায় কোনো ভুল পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না। পরিস্থিতিদৃষ্টে এমন কিছু মনে হচ্ছে না।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শুক্রবার ঘোষিত তাঁর দলের নির্বাচনি ইশতেহারে ‘জবাবদিহিমূলক’ রাষ্ট্র বিনির্মাণের অঙ্গীকার করেছেন। এটা নতুন কোনো অঙ্গীকার নয়। রাষ্ট্রের সংবিধানেই জবাবদিহি নিশ্চিত করা আছে যে সরকার জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ এবং তাদের জবাবদিহিও সংসদের কাছে। কিন্তু জাতির জন্য চরম দুর্ভাগ্য ও দুঃখজনক হলো, এ জবাবদিহি নিশ্চিত করার কোনো উদ্যোগ কখনোই কোনো ক্ষমতাসীন মহলের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়নি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অতীতের প্রতিটি সরকার ও দল ছিল ব্যক্তিপ্রধান। এখনো এর কোনো দৃশ্যমান ব্যত্যয় ঘটেনি। কোনো দলের মধ্যে গণতন্ত্র চর্চা নেই, বছরের পর বছর দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় না। দলের নেতা নির্বাচনে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় না এবং দলে জবাবদিহির সংস্কৃতি চালু নেই। সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রে জবাবদিহি আসমান থেকে নাজিল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জবাবদিহি না থাকলে পরিণতি কী ঘটতে পারে তার সেরা দৃষ্টান্ত অসীম ক্ষমতার অধিকারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর তাঁবেদার মন্ত্রিপরিষদ ও বশংবদ সংসদ সদস্যরা। তাঁর সরকার যদি শক্তিশালী জবাবদিহির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারত, তাহলে তিনি তাঁর করুণ পরিণতি থেকে রক্ষা পেতেও পারতেন।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যাঁরাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করবেন, তাঁরা যদি সত্যিই দেশকে ভালোবাসেন এবং জনগণের প্রতি মমত্ব অনুভব করেন, তাহলে তাঁরা বিজিত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি নির্বাচনপূর্ব এবং নির্বাচনকালীন ঈর্ষা-বিদ্বেষ, এতে পরস্পরকে দোষারূপ করার সংস্কৃতি ভুলে প্রকৃত অর্থেই দেশে প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী হবেন বলে আশা পোষণ করি। একটি কাজ নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করলেই জনগণ তাদের সদিচ্ছা সম্পর্কে ধারণা লাভ করবে এবং সরকারকে টিকিয়ে রাখতে তাদের  সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে।

                লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
নৃশংসতা
নৃশংসতা
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
চালের দাম
চালের দাম
সর্বশেষ খবর
সৌদি আরবে আবাসিক ভবনে হামলায় নিহত ২
সৌদি আরবে আবাসিক ভবনে হামলায় নিহত ২

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খেলাফত যুব মজলিসের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল
খেলাফত যুব মজলিসের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল

৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

দেশজুড়ে উদযাপিত হলো এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে
দেশজুড়ে উদযাপিত হলো এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন
ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া
১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে
হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ
উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ

৫২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ
পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি
বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক
মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত
বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

৫৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি
প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি

৫৮ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন
গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ
মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত
ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী
দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ
চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান
কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ ঈদ যাত্রায় যত চ্যালেঞ্জ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে
নিরাপদ ঈদ যাত্রায় যত চ্যালেঞ্জ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়াবা চিবিয়ে খেয়ে যুবকের মৃত্যু
ইয়াবা চিবিয়ে খেয়ে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সমন্বিত আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
সমন্বিত আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানি নাগরিকদের ঘরে থাকার আহ্বান, নতুন সতর্ক বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানি নাগরিকদের ঘরে থাকার আহ্বান, নতুন সতর্ক বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা উত্তর সিটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বরখাস্ত
ঢাকা উত্তর সিটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বরখাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?
ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প
বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'
হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান
যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা
ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা
সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী
রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?
ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি
হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি
ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ
নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’
তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?
‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব
শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?
সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত
তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থামছে না ভেজালের কারবার
থামছে না ভেজালের কারবার

পেছনের পৃষ্ঠা

হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র
হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

মাঠে ময়দানে

যানজট শঙ্কা মহাসড়কে
যানজট শঙ্কা মহাসড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি
বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি

নগর জীবন

রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা

নগর জীবন

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র

প্রথম পৃষ্ঠা

৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়

প্রথম পৃষ্ঠা

উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন
উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত
মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত

দেশগ্রাম

অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের
ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের

মাঠে ময়দানে

শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান
শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর
বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর

খবর

সংশোধন
সংশোধন

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি
তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী অধিকার নিয়ে শাবানা
নারী অধিকার নিয়ে শাবানা

শোবিজ

সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক
সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক

পূর্ব-পশ্চিম

সামনে পাকিস্তান সিরিজ
সামনে পাকিস্তান সিরিজ

মাঠে ময়দানে