শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নিরপেক্ষতায় অটল সেনাবাহিনী

লে. কর্নেল মহিব্বুল ইসলাম খান, পিএসসি
প্রিন্ট ভার্সন
নিরপেক্ষতায় অটল সেনাবাহিনী

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখটি কেবল একটি ক্যালেন্ডারের পাতা নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল এবং একটি জাতির নতুন করে জেগে ওঠার মাহেন্দ্রক্ষণ। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে একটি জাতীয় গণভোট আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এক নতুন গণতান্ত্রিক দিগন্তের সূচনা করতে যাচ্ছে। রাষ্ট্র সংস্কারের যে বিশাল কর্মযজ্ঞ দেড় বছর ধরে চলেছে, তার চূড়ান্ত ফসল ঘরে তোলার সময় এখন। এই সন্ধিক্ষণে দেশ ও জাতির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করা। আর এই কঠিন ও সংবেদনশীল সময়ে জনগণের শেষ ভরসা এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে যে প্রতিষ্ঠানটি অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করছে, সেটি হলো আমাদের গর্বিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রতিটি সংকটকালেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানপরবর্তী প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেই উত্তাল সময়ে সেনাবাহিনী যে অভাবনীয় ধৈর্য এবং দূরদর্শিতা প্রদর্শন করেছে, তা বিশ্বের সামরিক ইতিহাসে এক অনন্য উদাহরণ। সাধারণ মানুষের ওপর বলপ্রয়োগ না করার সেই সাহসী সিদ্ধান্তই আজ সেনাবাহিনীকে জনগণের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে। সেই আস্থার ওপর দাঁড়িয়েই আজ ২০২৬ সালের নির্বাচনের নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বর্তমানে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চষে বেড়াচ্ছেন। পটুয়াখালী, খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, কক্সবাজার ও সিলেট সফরের মাধ্যমে তিনি কেবল মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতিই তদারকি করছেন না, বরং বাহিনীর প্রতিটি স্তরে এক বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন। তাঁর প্রতিটি বক্তৃতায় একটি বিষয় অত্যন্ত স্পষ্ট ছিল ‘নিরপেক্ষতা’। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা পক্ষপাতিত্ব সেনাসদস্যদের স্পর্শ করতে পারবে না। সেনাপ্রধানের এই দৃঢ় অবস্থান বাহিনীর প্রতিটি স্তরে এক নতুন পেশাদারির সঞ্চার করেছে। এবারের নির্বাচনে সেনাবাহিনীর দর্শন হলো ভোটারদের মনে অভয় দান করা, যাতে তারা কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। নির্বাচনি ইতিহাসে এবারই প্রথম রেকর্ডসংখ্যক প্রায় এক লাখ সেনাসদস্য দেশজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে। এটি কেবল একটি সংখ্যা নয়, বরং এটি একটি নি-িদ্র নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনী উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে এবং বিমানবাহিনী দুর্গম পার্বত্য এলাকায় নির্বাচনি সরঞ্জাম পরিবহনে নিয়োজিত রয়েছে। পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, আনসারসহ সর্বমোট প্রায় ৯ লাখ নিরাপত্তা সদস্যের এই যে বিশাল সমন্বয়, তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সেনাবাহিনী। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার নীতি বা ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ অনুযায়ী কাজ করলেও এবারের সেনাবাহিনীর ভূমিকা আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর ও স্বয়ংসম্পূর্ণ।

বিশেষ করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনা কর্মকর্তাদের দেওয়া বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা মাঠপর্যায়ের সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। আগে কোনো অভিযানে গিয়ে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করার পর আইনি প্রক্রিয়ায় সিভিল ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য অপেক্ষা করতে হতো, যা অনেক সময় অভিযানের গতি কমিয়ে দিত এবং অপরাধীকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিত। কিন্তু এখন সেনা কর্মকর্তারা নিজেরাই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারছেন, সার্চ ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারছেন এবং ধারা ১০০ অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছেন। এই ক্ষমতার সুফল ইতোমধ্যে হাতেনাতে পাওয়া গেছে। গত কয়েক মাসের যৌথ অভিযানে দেশজুড়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার অবৈধ অস্ত্র এবং প্রায় ৩ লাখ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। শুধু জানুয়ারির এক সপ্তাহেই ৫০০-এর বেশি তালিকাভুক্ত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে এই বিপুল পরিমাণ মারণাস্ত্র উদ্ধার এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা সহিংসতা কমানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করবে। এটি সাধারণ ভোটারদের মনে এই বিশ্বাস দিচ্ছে যে কোনো পেশিশক্তি বা অস্ত্রের ঝনঝনানি এবারের নির্বাচনকে কলুষিত করতে পারবে না। এই প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখাগুলোর সক্রিয়তাও চোখে পড়ার মতো, যারা নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য নাশকতার ছকগুলো অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দিচ্ছে।

গত ১৮ মাসের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সেনাবাহিনী কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নয়, বরং মানবিক সেবায়ও নিজেদের অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ২০২৪ সালের প্রলয়ংকরী বন্যার সময় ফেনী, কুমিল্লা ও নোয়াখালীতে সেনাবাহিনীর উদ্ধার অভিযান ছিল এক নজিরবিহীন উপাখ্যান। হেলিকপ্টার ও স্পিডবোট ব্যবহার করে হাজার হাজার পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধার করা এবং পরবর্তী সময়ে সরকারি খরচের চেয়ে অর্ধেকেরও কম ব্যয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৩০০টি টেকসই বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া-এসবই বাহিনীর সততা ও আর্থিক দায়বদ্ধতার প্রমাণ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তারা সরকারনির্ধারিত বাজেটের অর্ধেকেরও কম খরচে এই কাজ সম্পন্ন করে দেশের সম্পদ সাশ্রয়ের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শুধু তা-ই নয়, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আহত সাধারণ নাগরিকদের জন্য সিএমএইচ বা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের দরজা উন্মুক্ত করে দিয়ে তারা প্রমাণ করেছে যে তারা আক্ষরিক অর্থেই জনগণের সেনাবাহিনী। সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলগুলোতে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর মধ্যস্থতা দেশের অর্থনীতিকে নিশ্চিত ধসের হাত থেকে রক্ষা করেছে। এই দীর্ঘমেয়াদি জনসেবা ও আস্থার ওপর ভিত্তি করেই আজ ভোটাররা বিশ্বাস করছেন, পাহারায় সেনাবাহিনী থাকলে তাদের ভোট নিরাপদ। তবে এই যাত্রাপথ যে একেবারেই নিষ্কণ্টক, তা বলা যাবে না। ২০২৬-এর এই নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সামনে বেশ কিছু জটিল ও বহুমুখী চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং বিভাজনের ফলে জনমনে যে সংশয় থাকে, তা দূর করে নিজেদের নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখা। সব রাজনৈতিক দলের প্রতি সমান আচরণ করা এবং কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রভাবে না পড়ে এই নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি বজায় রাখাই হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। দ্বিতীয়ত সারা দেশে এখনো ছড়িয়ে থাকা অবৈধ অস্ত্র ও পেশিশক্তির ব্যবহার সম্পূর্ণ নির্মূল করা। তৃতীয়ত আধুনিক যুগের সবচেয়ে বড় উপদ্রব ডিজিটাল অপপ্রচার ও সাইবার প্রোপাগান্ডা মোকাবিলা করা। বর্তমান যুগে ভুয়া তথ্য বা গুজব মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সেনাবাহিনীর নামে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি বা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা হতে পারে। সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশেষ প্রযুক্তিগত নজরদারি এবং গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। বাহিনীর মনোবল অটুট রাখা এবং জনগণের সঙ্গে স্বচ্ছ যোগাযোগ বজায় রাখাই হবে এই সাইবার যুদ্ধের প্রধান কৌশল। প্রতিটি সেনানিবাসে এবং মাঠপর্যায়ে মোতায়েন করা ইউনিটগুলোতে এই মর্মে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে কোনো প্রকার উসকানিতে সেনাসদস্যরা বিভ্রান্ত না হন।

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রেক্ষাপট আবার কিছুটা ভিন্ন এবং স্পর্শকাতর। সেখানে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট বা কেএনএফের মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা রোধ করে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা এবং ভোটারদের কেন্দ্রে আনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি হওয়া স্থানীয়দের উদ্ধার এবং দুর্গম এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনী সফল অপারেশন পরিচালনা করছে। একইভাবে সীমান্ত এলাকা দিয়ে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা নাশকতা রোধে বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীকেও সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভোট গ্রহণের ৪ দিন আগে থেকে ভোট পরবর্তী ৭ দিন পর্যন্ত মোট ১২ দিনের এই বিশেষ মিশনে সেনাবাহিনী মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকবে। এই সময়কালের মধ্যে তারা মূলত ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে কাজ করবে। তবে প্রতিটি বড় স্টেশনে কুইক রেসপন্স টিম বা কিউআরটি এবং বিশেষায়িত প্যারা-কমান্ডোদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। যেকোনো ধরনের বড় নাশকতা বা অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা আকাশপথ ও স্থলপথে দ্রুততম সময়ে পৌঁছাতে সক্ষম। এই কর্মপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচনের দিন এবং তার পরবর্তী সময়ে কোনো ধরনের প্রতিহিংসামূলক সহিংসতা যেন মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সেনাবাহিনীকে একটি ভয়হীন, অংশগ্রহণমূলক এবং উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরির যে আহ্বান জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে একটি সেতুর মতো কাজ করছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। মানুষ চায় এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য কাউকে জীবন দিতে হবে না। সেনাবাহিনী তাদের প্রতিটি পদক্ষেপে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাচ্ছে। ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার সুষম প্রয়োগ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি সংবেদনশীলতা-এই দুইয়ের সমন্বয়ে সেনাবাহিনী এক নতুন নজির স্থাপন করতে যাচ্ছে। সেনাবাহিনী কেবল অপরাধীদের জন্য আতঙ্কের নাম নয়, বরং সাধারণ ভোটারের কাছে তারা আজ সাহসের এক পরম উৎস। আধুনিক বাংলাদেশের পুনর্গঠনে এই বাহিনীর ভূমিকা এখন আর কেবল সীমান্ত রক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা এখন রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক স্তম্ভগুলোকে শক্তিশালী করার কারিগর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে বর্তমানে সেনাবাহিনীর যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলগুলো টহল দিচ্ছে, তারা মূলত রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করছে। তারা কেবল লাঠি বা অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে নেই, বরং প্রতিটি ভোটারের মনে এই আত্মবিশ্বাস বুনে দিচ্ছে যে তাদের নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ন করার শক্তি কারও নেই।

২০২৬-এর এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতার রদবদল নয়, এটি একটি নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রারম্ভিক বিন্দু। এই অভিযাত্রায় সেনাবাহিনী পথপ্রদর্শক এবং পাহারাদার উভয় ভূমিকাতেই অবতীর্ণ। তাদের প্রতিটি টহল এবং প্রতিটি মানবিক উদ্যোগ আজ একটি নিরাপদ নির্বাচনি পরিবেশের ভিত্তি রচনা করছে। মাঠপর্যায়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সেনাবাহিনীর এই নিবিড় সমন্বয় ভোটারদের মনে এই নিশ্চয়তা দিচ্ছে যে রাষ্ট্র তার প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার রক্ষায় বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার প্রমাণ করে যে তারা কোনো কিছুকেই ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিতে রাজি নয়। পেশাদারির এই অনন্য ধারা বজায় রেখে সেনাবাহিনী আবার প্রমাণ করবে যে তারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি গণতন্ত্রের পাহারাদার হিসেবেও বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাহিনী। নির্বাচনের সরঞ্জাম পাহারা দেওয়া এবং সেগুলো নিরাপদে জেলা নির্বাচন অফিসে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিটি স্তরে সেনাবাহিনীর নি-িদ্র নিরাপত্তাবলয় আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছে। এই সমন্বিত প্রয়াস মূলত একটি স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে।

পরিশেষে বলা যায়, ২০২৬ সালের এই সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশের মানুষের নতুন দিনের আকাক্সক্ষার প্রতীক। এই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কেবল একটি সামরিক শক্তি নয়, বরং এটি এক নৈতিক শক্তির আধার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের নিরপেক্ষতা, সাহসিকতা এবং নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমের ওপর ভর করেই রচিত হতে যাচ্ছে এক নতুন বাংলাদেশের ইতিহাস। ১২ ফেব্রুয়ারির সকালে যখন সাধারণ ভোটাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াবেন, তখন পাশে থাকা জলপাই রঙের পোশাকের মানুষটিকে দেখে তারা যেন গভীর প্রশান্তি ও নিরাপত্তার অনুভব করতে পারেন। সেনাবাহিনীর এই আত্মত্যাগ, শ্রম এবং নিরলস প্রহরার ওপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশ পৌঁছে যাবে তার কাক্সিক্ষত সমৃদ্ধির গন্ত্যব্যে। একটি সার্থক, শান্তিপূর্ণ ও জালিয়াতিমুক্ত নির্বাচন উপহার দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আবার বিশ্বমঞ্চে নিজেদের মর্যাদা ও পেশাদারির প্রমাণ দেবে-এটাই আজ সমগ্র জাতির একান্ত আকাক্সক্ষা। এই গণতান্ত্রিক মহাযজ্ঞের প্রতিটি ধাপে সেনাবাহিনী থাকুক জাতির অতন্দ্র প্রহরী হয়ে, আর বাংলাদেশ এগিয়ে যাক তার গৌরবের আগামীর দিকে। দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনী যে সর্বদা অটল এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই নির্বাচনই হবে তার ঐতিহাসিক দলিল। বাংলাদেশের মানচিত্রজুড়ে আজ যে নিরাপত্তার চাদর বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে, তার কারিগর আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী। তাদের এই গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা অনাগত প্রজন্মের কাছে গণতন্ত্র রক্ষার এক অনন্য পাঠ হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই মহালগ্নে পুরো জাতি আজ একতাবদ্ধ হয়ে সেনাবাহিনীর ওপর যে আস্থা রেখেছে, তার ফলে একটি শান্তিময় বাংলাদেশ গড়ার পথ সুগম হবে। আমাদের এই বীরত্বগাথা আগামীর এক শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর।

                লেখক : সেনা কর্মকর্তা

এই বিভাগের আরও খবর
নৃশংসতা
নৃশংসতা
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
চালের দাম
চালের দাম
সর্বশেষ খবর
‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?
‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টগ্রাম উপজেলা উন্নয়ন ও কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
অষ্টগ্রাম উপজেলা উন্নয়ন ও কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অপহৃত যুবক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩
অপহৃত যুবক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কলাপাড়ায় অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে দুই নারীসহ আটক ৪
কলাপাড়ায় অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে দুই নারীসহ আটক ৪

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ১০ হাজার বেসামরিক ভবন ধ্বংস
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ১০ হাজার বেসামরিক ভবন ধ্বংস

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৮১০ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৮১০ মামলা

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

শেরপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
শেরপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্বাহী আদেশে ১৮ মার্চ ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি
নির্বাহী আদেশে ১৮ মার্চ ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থায় আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা সিরিজ স্থগিত
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থায় আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা সিরিজ স্থগিত

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শরীয়তপুর পৌরসভার ১৪ কিলোমিটারজুড়ে সিসি ক্যামেরা চালু
শরীয়তপুর পৌরসভার ১৪ কিলোমিটারজুড়ে সিসি ক্যামেরা চালু

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতে কুকুর হত্যার দায়ে ৩ আসামির ৩০ মাসের কারাদণ্ড
রাজধানীতে কুকুর হত্যার দায়ে ৩ আসামির ৩০ মাসের কারাদণ্ড

২০ মিনিট আগে | নগর জীবন

তেলের মজুত পর্যাপ্ত আছে, ঈদযাত্রায় সমস্যা হবে না : সেতুমন্ত্রী
তেলের মজুত পর্যাপ্ত আছে, ঈদযাত্রায় সমস্যা হবে না : সেতুমন্ত্রী

২১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

চিরিরবন্দরে ২৪ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩
চিরিরবন্দরে ২৪ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জাপানে খাদ্য রফতানির উদ্যোগ নেওয়া হবে: খাদ্যমন্ত্রী
জাপানে খাদ্য রফতানির উদ্যোগ নেওয়া হবে: খাদ্যমন্ত্রী

২৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপসহ কোন দল কত টাকা পাবে
চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপসহ কোন দল কত টাকা পাবে

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জ্বালানির মজুত নিয়ে যে সুখবর দিলেন মন্ত্রী
জ্বালানির মজুত নিয়ে যে সুখবর দিলেন মন্ত্রী

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

গোপালগঞ্জে নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কলেজছাত্র নিহত
গোপালগঞ্জে নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কলেজছাত্র নিহত

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঘোড়াঘাটে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
ঘোড়াঘাটে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক
ঈদে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক

৩৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির
ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্ম গুরুদের সম্মানী নির্ধারণ
ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্ম গুরুদের সম্মানী নির্ধারণ

৪২ মিনিট আগে | জাতীয়

আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না : জ্বালানিমন্ত্রী
আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না : জ্বালানিমন্ত্রী

৪৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

৪৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ড্রেন নির্মাণের সময় দেওয়াল ধসে শ্রমিক নিহত
ড্রেন নির্মাণের সময় দেওয়াল ধসে শ্রমিক নিহত

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনে, নিহত ১২
রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনে, নিহত ১২

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্টার কাবাবে গ্রাহকদের ওপর কর্মীদের হামলা
স্টার কাবাবে গ্রাহকদের ওপর কর্মীদের হামলা

৫১ মিনিট আগে | নগর জীবন

৫ বলে ৫ উইকেট নিয়ে বিশ্বরেকর্ড ব্রেট র‌্যান্ডেলের
৫ বলে ৫ উইকেট নিয়ে বিশ্বরেকর্ড ব্রেট র‌্যান্ডেলের

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টিউলিপকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ
টিউলিপকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ

৫৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?
ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প
বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'
হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান
যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা
ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা
সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী
রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?
ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি
হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব
শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত
ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত
তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ
নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান
সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলা করে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, চিন্তায় মিত্ররা
ইরানে হামলা করে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, চিন্তায় মিত্ররা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছে না ভেজালের কারবার
থামছে না ভেজালের কারবার

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র
হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

মাঠে ময়দানে

যানজট শঙ্কা মহাসড়কে
যানজট শঙ্কা মহাসড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি
বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি

নগর জীবন

রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা

প্রথম পৃষ্ঠা

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা

নগর জীবন

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

পেছনের পৃষ্ঠা

উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন
উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র

প্রথম পৃষ্ঠা

মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত
মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত

দেশগ্রাম

অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের
ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের

মাঠে ময়দানে

মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর
বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর

খবর

শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান
শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

নারী অধিকার নিয়ে শাবানা
নারী অধিকার নিয়ে শাবানা

শোবিজ

সামনে পাকিস্তান সিরিজ
সামনে পাকিস্তান সিরিজ

মাঠে ময়দানে

সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক
সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক

পূর্ব-পশ্চিম

দশম দিনে স্বস্তির আমেজ
দশম দিনে স্বস্তির আমেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী দিবসে কোনালের নারী যায় বাড়ি
নারী দিবসে কোনালের নারী যায় বাড়ি

শোবিজ