শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:৩১, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন

জিল্লুুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন

রাজনীতি কখনোই শুধু নাটক বা চিৎকারের খেলা নয়। অনেক সময় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ঘটে নিঃশব্দে, চোখে পড়ে না, কিন্তু আমাদের জীবনের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। গত কয়েক মাসে আমাদের দেশে রাজনৈতিক চিত্র ঠিক এমনটাই হয়েছে-নীরব, কিন্তু গভীরভাবে প্রভাবশালী। কোথাও কোনো বড় ধ্বনি নেই, কোনো আলো নেই, কিন্তু ‘সংস্কার’ নামক ধারণা হারিয়ে গেছে, ‘নৈতিক দায়বদ্ধতা’ আবার ভোটের হাতিয়ার হয়ে গেছে, আর আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ আমাদের চারপাশের জটিলতাকে আরও বোঝার সুযোগ দেয়।

আজকের চতুর্মাত্রায় আমি এই চারটি বিষয় নিয়ে কথা বলব : সংশোধনের নিঃশব্দ পতন, ধর্মীয় আবেগের ভোটকেন্দ্রিক ব্যবহার, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও মানবিক মূল্যবোধ। সবশেষে ছোট ছোট শেষ কথায় আমি দেখানোর চেষ্টা করব কীভাবে এসব বিষয় একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

১. ‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন

কয়েক মাস আগে আমরা রাজনীতিতে শুনতাম- ‘সংশোধন’, ‘গঠনমূলক পরিবর্তন’, ‘সমাজ সংস্কার’। এগুলো কেবল স্লোগান নয়, মানুষের মধ্যে আস্থা জাগানোর হাতিয়ারও ছিল। কিন্তু আজ এই শব্দগুলো কোথায়? কোথায় গেল সেই সংহতি, যার নাম ‘সংস্কারের এজেন্ডা’?

আজকাল রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে ‘স্থিতিশীলতা’, ‘আইনশৃঙ্খলা’, ‘নির্বাচনের প্রক্রিয়া’-এই কয়েকটি শব্দ প্রায়শই শোনা যায়। সংস্কারের স্বপ্ন এখন নিঃশব্দ, চোখে না দেখা, প্রায় ভাস্বর ছায়ার মতো। উদাহরণস্বরূপ, শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য কোনো কমিশন হয়নি। স্বাস্থ্য খাতে সংস্কারের প্রক্রিয়া প্রায়ই রাজনৈতিক চাপের কারণে থেমে যায়। বিচারব্যবস্থা সংস্কারের চেষ্টা, যা একসময় জনগণের প্রত্যাশার কেন্দ্রে ছিল, কখনো সরব, কখনো নীরব।

রাজনীতিবিদরা, যারা স্বার্থপর এবং স্বল্পমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে চলেন? প্রশাসনিক কর্মকর্তা, যারা পদ্ধতিগত বাধার মধ্যে আটকে আছেন? নাকি জনগণের ক্লান্তি, যারা বারবার প্রতিশ্রুতি শুনে হতাশ হয়েছে? এই প্রশ্নগুলো আমাদের ভাবায়।

দেশীয় প্রেক্ষাপট আরও স্পষ্ট। কয়েকটি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম সংস্কারের প্রচেষ্টা ছিল। কিন্তু স্থানীয় রাজনৈতিক চাপ এবং নির্বাচনি স্বার্থের কারণে এই উদ্যোগগুলো মাঝপথেই আটকে যায়। শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা হতাশ। সারা দেশে এ ধরনের ছোট ছোট উদাহরণ লুকিয়ে আছে যেখানে সংশোধনের প্রচেষ্টা হয়, কিন্তু নীতিগত ধারার বা রাজনৈতিক সহমতের অভাবে তা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয় না।

একটা ছোট স্মৃতি-একবার আমি একটি গ্রামে গিয়েছিলাম, যেখানে সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি নতুন কমিউনিটি মেডিকেল প্রোগ্রাম চালু করেছিল। ছয় মাসের মধ্যেই তা বন্ধ হয়ে গেল। স্থানীয়দের হতাশা স্পষ্ট ছিল-তারা বলছিল, ‘আমরা আশা করি পরিবর্তন আসবে, কিন্তু সব সময় আমাদের জন্য কেবল প্রতিশ্রুতি।’ এই নিঃশব্দ পতন প্রমাণ করে শুধু রাজনৈতিক উত্তেজনা বা নির্বাচনি শোরগোল দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার সম্ভব নয়।

আরও গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যায়, সংশোধনের পতন কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়; এটি আমাদের রাজনৈতিক সংলাপের ধারা এবং নাগরিক অংশগ্রহণের ক্ষয়ও নির্দেশ করে। মানুষ যখন রাজনৈতিক সংস্কারে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাববিশ্বাস হারায়, তখন ভোটকেন্দ্রিক সামাজিক আচরণও প্রভাবিত হয়। এই চক্র ভাঙতে হলে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আস্থা এবং নেতৃত্বের দঢ়তা প্রয়োজন।

২. ধর্মীয় আবেগের পুনরায় রাজনীতিকরণ

ধর্মীয় আবেগের ভোটকেন্দ্রিক ব্যবহারও নিঃশব্দভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে গরিব ও অসহায় জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভোটার মনস্তত্ত্ব প্রভাবিত হচ্ছে নৈতিক দায়বদ্ধতা, পরকালের প্রতিশ্রুতি এবং ভয়ের মাধ্যমে।

সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, নিম্ন আয়ের ভোটারদের প্রায় ৪৫ ভাগ ভোট দেওয়ার সময় ধর্মীয় কর্তব্য বা নৈতিক দায়বদ্ধতাকে প্রধান প্রভাব হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পল্লি অঞ্চলে অনেক ভোটার মনে করেন, ভোট দিলে পরকালের মুক্তি বা আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যাবে। এমনকি শহুরে মধ্যবিত্তও প্রায়শই ধর্মীয় সামাজিক চাপের কারণে নির্দিষ্ট দলের প্রতি ঝোঁক দেখায়।

হালকা ব্যঙ্গের মতো শোনালেও এক স্থানীয় ভোটার আমাকে বলেছিলেন, ‘স্যার, যদি আমি ঠিকভাবে ভোট না দিই, হয়তো পরকালে আমার নাম ভুলে যাব।’ এটি শুধু হাস্যকর নয়; এটি দেখায় কীভাবে ধর্মীয় আবেগ ভোটের হাতিয়ার হয়ে ওঠে।

যখন রাজনীতি বেহেশত প্রাপ্তির প্রতিশ্রুতি দেয়, গণতন্ত্রের মাটি দুর্বল হয়ে যায়। ভোটাররা চিন্তাশীল বা সমালোচনামূলক নয়, তারা প্রায়শই আবেগ এবং ভয়ের দ্বারা প্রভাবিত। এটি শুধু ভোটিং আচরণকে প্রভাবিত করে না, সামাজিক বিভাজনও বাড়ায়।

চতুর্মাত্রা মনে করিয়ে দিতে চায়-গণতন্ত্র শুধু ভোট দেওয়া নয়, সচেতন নাগরিক গড়ার নাম। যদি ধর্মীয় আবেগ ভোটের হাতিয়ার হয়ে যায়, সমাজ দীর্ঘ মেয়াদে বিভক্ত হয়।

একটি দেশীয় উদাহরণ-পল্লি অঞ্চলের এক বাজারে ভোট নিয়ে আলোচনা চলছিল। একজন বৃদ্ধ বলে গেল, ‘যদি ঠিকভাবে ভোট না দিই, আল্লাহ আমাদের ওপর ক্ষুব্ধ হবেন।’ এমন অনুভূতি শুধু রাজনৈতিক নয়; এটি সামাজিক নিয়ন্ত্রণেরও হাতিয়ার।

৩. আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট : অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং নৈতিকতা

দেশীয় রাজনীতি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটও তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বৈঠক করেছেন। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, খনন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ। তারা কোয়াডের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা প্রসারিত করার গুরুত্বও তুলে ধরেছেন। এই বৈঠকে বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনাও অস্বাভাবিক নয়, অতীতে এরকম নজির আছে, যদিও তা প্রকাশিত নয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকলেও থাকতে পারে।

স্থানীয় রাজনৈতিক নাটক শুধু দেশের সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জেফরি এপস্টাইন কাণ্ড দেখায়, অর্থ, ক্ষমতা এবং সামাজিক সম্পর্ক একটি বিশাল জাল তৈরি করে। এপস্টাইনের চারপাশে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিক, বিদেশি রাজনীতিক, ব্যবসায়ী এবং ইউরোপীয় রাজকীয় পরিবারের নাম এসেছে। এটি বোঝায়, স্থানীয় রাজনীতি প্রায়শই আন্তর্জাতিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে সংযুক্ত।

রাশিয়ার সাম্প্রতিক হামলা, ভেনেজুয়েলায় ‘মাদুরোকে মুক্তি দাও’ স্লোগান এবং অলিম্পিক স্থান নির্বাচন-সবই স্মরণ করিয়ে দেয়, স্থানীয় রাজনীতি, আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এবং নৈতিকতার জটিলতা কখনো আলাদা নয়। স্থানীয় রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক প্রভাব একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

এই প্রসঙ্গ আমাদের শেখায় যে স্থানীয় রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবনও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সম্পৃক্ত। উদাহরণস্বরূপ, দেশের ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সংকট সরাসরি প্রভাব ফেলে।

৪. ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও মানবিক মূল্যবোধ

রাজনীতি বা অর্থনীতি যতই জটিল হোক না কেন ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং মানবিক মূল্যবোধই জীবনের কেন্দ্র। আমার আর ফাহমিদার একমাত্র পুত্র, আজমাইন, যে যুক্তরাষ্ট্রে থাকে, তার জন্মদিন গেল ৪ ফেব্রুয়ারি। বাবা-ছেলের সম্পর্কের অনুভূতি কখনো পুরোনো হয় না।

আর ৮ ফেব্রুয়ারি ছিল আমার বাবা-মায়ের বিয়েবার্ষিকী-তাঁরা আজ আর বেঁচে নেই, কিন্তু চার সন্তানকে অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে তৈরি করেছেন। বাবা, এ কে এম খলিলুর রহমান এবং মা, শামীম পারভীন, আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন আত্মসম্মান, দায়িত্ব এবং পারিবারিক মূল্যবোধ। আজও তাদের শিক্ষার আলো আমাদের জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে।

এই ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো মনে করিয়ে দেয় যে যারা আমাদের পিতামাতার কাছের মানুষ ছিলেন, তাদের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। যারা আমাদের সন্তানদের ভালোবাসেন, তাদের সঙ্গে সম্পর্কও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারও একটি নেটওয়ার্ক। আমাদের উচিত এই নেটওয়ার্ককে জড়িয়ে ধরে রাখা, যত্ন নেওয়া এবং প্রজন্মের সঙ্গে মূল্যবোধ শেয়ার করা।

আজমাইনের জন্ম, প্রথম স্কুলের দিন, সবই এখনো আমার কাছে তাজা স্মৃতি।  ওর বড়  হয়ে ওঠা, স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, সাফল্য, পুরোটাই ওর একক  কৃতিত্ব। আমার অবদান নেই বললেই চলে, তবে ওর মায়ের ভূমিকা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই, এড়িয়ে যাওয়া যায় না। আমি খুশি আমার সন্তানরা মানুষ হয়ে উঠছে। একটি ছোট কথা-মানবিক সম্পর্কই জীবনের স্থিতিশীলতার মূল।

শেষ কথা

এই সপ্তাহের চতুর্মাত্রার মূল আবর্ত হলো রাজনীতি, অর্থনীতি, ধর্মীয় প্রভাব এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সবই একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। যখন ‘সংস্কার’ নিঃশব্দে বিলীন হয়, তখন ধর্মীয় আবেগ ভোটের হাতিয়ার হয়ে ওঠে। আন্তর্জাতিক ঘটনা আমাদের রাজনীতি ও অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। আর সবশেষে মানবিক সম্পর্ক ও মূল্যবোধই আমাদের স্থিতিশীলতার কেন্দ্র।

রাজনীতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক কেলেঙ্কারি যতই জটিল হোক না কেন শেষ পর্যন্ত মানবিক মূল্যবোধ এবং সম্পর্কই আমাদের সমাজের ভিত্তি।  আমাদের উচিত সতর্ক থাকা, চোখ খোলা রাখা এবং হৃদয় খোলা রাখা। কারণ যেভাবেই পৃথিবী পরিবর্তিত হোক, মানবিক দায়িত্ব এবং সম্পর্কের গুরুত্ব কখনো হারায় না।

লেখক :  প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ

এই বিভাগের আরও খবর
মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে
মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে
পে-স্কেল বাস্তবায়ন
পে-স্কেল বাস্তবায়ন
সংসদ অধিবেশন
সংসদ অধিবেশন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
অস্ত্রোপচারে সম্মতি প্রসঙ্গে
অস্ত্রোপচারে সম্মতি প্রসঙ্গে
ফ্যামিলি কার্ড
ফ্যামিলি কার্ড
অস্ত্রোপচারে সম্মতি প্রসঙ্গে
অস্ত্রোপচারে সম্মতি প্রসঙ্গে
আলীর জ্ঞান ও বীরত্ব আজ বড় প্রয়োজন
আলীর জ্ঞান ও বীরত্ব আজ বড় প্রয়োজন
যুদ্ধের অসিলায় আতঙ্ক ছড়াবেন না
যুদ্ধের অসিলায় আতঙ্ক ছড়াবেন না
ইসরায়েলি বাহিনীতে ‘মুসলিম’ নারী কমান্ডার
ইসরায়েলি বাহিনীতে ‘মুসলিম’ নারী কমান্ডার
আলু নিয়ে বিড়ম্বনা
আলু নিয়ে বিড়ম্বনা
পুঁজিবাজারে বিসংবাদ
পুঁজিবাজারে বিসংবাদ
সর্বশেষ খবর
ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু ১৩ মার্চ
ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু ১৩ মার্চ

এই মাত্র | জাতীয়

প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ
প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ

২ মিনিট আগে | জাতীয়

হাইকোর্টের রায় বহাল, কন্টেইনার টার্মিনাল নিয়ে লিভ টু আপিল খারিজ
হাইকোর্টের রায় বহাল, কন্টেইনার টার্মিনাল নিয়ে লিভ টু আপিল খারিজ

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা
যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা
যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশন শুরু
সংসদ অধিবেশন শুরু

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ : সালাহউদ্দিন আহমদ
আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ : সালাহউদ্দিন আহমদ

৩২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হাজার মাসের চেয়েও উত্তম যে রাত
হাজার মাসের চেয়েও উত্তম যে রাত

৩৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?
ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?
অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কমল স্বর্ণের দাম
কমল স্বর্ণের দাম

৪৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে থাকছে যেসব কার্যসূচি
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে থাকছে যেসব কার্যসূচি

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

গোলশূন্য মেসি, ন্যাশভিলের সঙ্গে মায়ামির ড্র
গোলশূন্য মেসি, ন্যাশভিলের সঙ্গে মায়ামির ড্র

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদের প্রথম দিনই রাষ্ট্রপতির ভাষণ, স্পিকার নির্বাচন
সংসদের প্রথম দিনই রাষ্ট্রপতির ভাষণ, স্পিকার নির্বাচন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ
মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ জেলের কারাদণ্ড
চাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ জেলের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে তেহরানে দূতাবাস বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে তেহরানে দূতাবাস বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
আজ ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৃষ্টি নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
বৃষ্টি নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালভার্দের হ্যাটট্রিকে সিটিকে উড়িয়ে দিল রিয়াল
ভালভার্দের হ্যাটট্রিকে সিটিকে উড়িয়ে দিল রিয়াল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ মার্চ)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ মার্চ)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকের বন্দরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় নিহত ১
ইরাকের বন্দরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় নিহত ১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি
ঢাকায় হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শ্রীপুরে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের পর ভবনে আগুন, দগ্ধ তিন
শ্রীপুরে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের পর ভবনে আগুন, দগ্ধ তিন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?
অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের
দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি
ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত
বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত

নগর জীবন

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট

নগর জীবন

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা
বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন