শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভোটাভুটির জগৎ-সংসার

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
ভোটাভুটির জগৎ-সংসার

ভোটাভুটির মৌসুমে কান বন্ধ করে শোনা আর চোখ বুজে দেখার কাজটা ঠিকঠাক করে ফেলার জন্য তাগিদ দিতেন জালাল আহমেদ উকিল। আমার বাবার মামা তিনি। দাদির এই খালাতো ভাই, একাত্তরের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি অন্তরে মহাচোট পেয়ে সেই যে বিছানা নিলেন আর সুস্থতার দেখা পেলেন না। আমরা ভাই-বোনেরা তাঁকে আড়ালে ‘উকিল দাদা’ আর প্রকাশ্যে ‘দাদাজান’ বলতাম। পাবলিকের কাছে তিনি ছিলেন ‘জালাল উকিল’।

প্রশ্ন করেছিলাম, চোখ বুজে দেখা কি সম্ভব? তিনি বলতেন, পাঁঠার মতো কোশ্চেন করবা না। তোমরাই না ফিল্মি গান গাও ‘হায়রে কপাল মন্দ/চোখ থাকিতে অন্ধ’। চোখ থাকন সত্ত্বেও আন্ধা যদি হইতে পার, চোখ বন্ধ কইরা দেখতে তোমারে বাধা দ্যায় কেডা! উকিল দাদার নাতি (মেয়ের ছেলে) ইমরান হালিম বলে, কান বন্ধ করলে তো কানে বাতাস ঢুকবে না। নো বাতাস মিনস নো সাউন্ড। আওয়াজ যদি চলাচল করতে না পারে শোনার তবে উপায়?

‘শুনতে হবে মন দিয়ে। দেখতেও হবে মন দিয়ে। তা তো তোমরা, রক্তগরম যুবকরা কর না। তোমরা তাকানো আর দেখার মধ্যকার ফারাক ধরতে ব্যর্থ’ বলেন জালাল আহমেদ উকিল, ‘এই ব্যর্থতা তোমাদেরকে সমস্যা-সংকটের গভীরে ঢুকতে দেয় না। অথচ আমরা বুড়োরা সমানে গাইছি-মাটি খুঁড়লেই জল গভীরে যাও/গভীরে যাও। গানের বাণীর তাৎপর্য উপলব্ধির প্রয়োজনবোধ থাকা চাইরে ভাই।

তাৎপর্য ফাতপর্য দিয়ে আমাদের কী কাজ! বলেছি আমি, আমরা যা দেখব যা শুনব সেটাই বিচার করব। ন্যায় মনে হলে জিন্দাবাদ, অন্যায় মনে হলে অন্যায়কারীকে বরবাদ। উকিল দাদা বলেন, তোমার সঙ্গে আমি একমত। আমার কথা হচ্ছে যারে অন্যায় মনে করতেছ সেটা শতভাগ অন্যায় কিনা শিওর হতে হবে। সেভেনটির ইলেকশনের সময়ে ওই কাজটা আমি করি নাই। সেজন্য এখনো (১৯৮২ সাল) পস্তাচ্ছি।

জালাল উকিল ছিলেন আপাদমস্তক পাকিস্তানি। সত্তরের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশে (তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান) যে দলটির ভূমিধস বিজয় ঘটেছে, সেই দলকে দমন করার জন্য মিলিটারি যে নারকীয় অভিযান চালায়, জালাল উকিলের দৃষ্টিতে তা ছিল ষোলো আনা উপযুক্ত কাজ। তিনি বিশ্বাস করতেন, নিষ্ঠুরতা বর্জন চিন্তা উপাদেয়। তবে সর্বদা নয়। ঘরের খুঁটি মজবুত রাখার জন্য তার চারদিকে পাথরকুচি আর সিমেন্টের মিশেল দেওয়া লাগে। ওটা করতে খোঁড়াখুঁড়ি দরকার। এতে মাটির কষ্ট তো একটু আধটু হবেই। কানারা শুধু কষ্ট দেখে, মিষ্ট তাদের দুশমন যে!

একাত্তরের এপ্রিলে প্রাণ বাঁচাতে শহর ছেড়ে হাজার হাজার মানুষ গ্রামের দিকে ছোটে। তাদের সঙ্গে তিনিও ছোটেন যখন শুনতে পান যে শহরের তরুণ কাপড় ব্যবসায়ী মণীন্দ্র মজুমদারকে গুলি করে মেরেছে মিলিটারি। মণীন্দ্রর বাবা যতীন্দ্র মজুমদার ছিলেন জালাল উকিলের মক্কেল। গ্রামে গিয়ে উঠলেন দূরসম্পর্কীয় এক বোনের বাড়িতে। দিন কুড়ি পরে এক দুপুরে গ্রামের মসজিদে জোহরের নামাজ পড়ছিলেন উকিল দাদা। হঠাৎ কানে আসে অবিরাম গুলির শব্দ। বুঝলেন, বোনের বাড়ি আক্রান্ত। ওই বাড়িতে হানাদার সেনারা আটজনকে লাইনে দাঁড় করিয়ে এক এক করে গুলি করেছিল। ঘটনাটি জালাল উকিলের চোখ খুলে দেয়। তাঁর মনে হলো : এ তো খুঁটি মজবুত করার জন্য মাটিকে কষ্ট দেওয়া নয়। হানাদাররা আমাদের লোকালয় বসতি বিনাশের মতলবে মাটির পর মাটি নিশ্চিহ্ন করতে চাইছে।

২.

অন্যায়ের পক্ষাবলম্বনের স্মৃতি যে পীড়া দেয় সেরকম আর কোনো পীড়া হয় না। এরকমই বলতেন রাজনীতিক আজিজুল হক। জেলা শহরে আজিজুল হক নামে তিনজন ছিলেন। বিভ্রান্তি পরিহারে জনতা তাদের সমস্যা-সংকটেএকেকজনকে আলাদা চিহ্ন দিয়েছিল। যেমন বিউটি ডিপার্টমেন্ট স্টোরের মালিককে ‘বিউটি আজিজুল হক’, সোসাইটি রেস্তোরাঁ মালিককে ‘সোসাইটি আজিজ’; বাটইয়া নামক গ্রামে বাড়ি যে রাজনীতিকের তিনি ‘বাটইয়ার আজিজুল হক’।

ইসলামের ইতিহাসে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী আজিজুল হককে নিষ্কলুষ মানব হিসেবে খুব পছন্দ করতেন জালাল উকিল। ঘোরতর পাকিস্তানবিরোধী বাটইয়া আজিজের প্রতি ঘোরতর পাকিস্তানপ্রেমী জালালের অনুরাগ কীভাবে সম্ভব হয়েছে, নিন্দুকেরা বিস্তর গবেষণা করেও এর কিনারা করতে পারেনি। রাজনীতিক আজিজের মুখে শুনেছি জালাল উকিলের গভীর অনুতাপের কাহিনি।

ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতে মুসলমানদের জন্য আলাদা একটি রাষ্ট্রগঠনের যে আন্দোলন হয় তাতে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল জালাল উকিলের। সরকারি গোয়েন্দারা সতর্ক করেছিল : সত্তরের নির্বাচনে বাঙালির স্বয়ং শাসনের পক্ষে বিপুল গণরায় ঘটলে পাকিস্তান টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। জালাল আহমেদ একাত্তরের মার্চে দেখলেন গোয়েন্দা বার্তাই সত্য হতে চলেছে। পারিবারিক বৈঠক ডাকলেন পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য। জালাল উকিল বলেন, বৈঠকে ভোটাভুটিতে আমি হেরে গেলামরে ভাই।

ভোটাভুটি? আজিজুল হকের প্রশ্ন। উকিল জানান, ভোট মানেই ব্যালটের ব্যবহার-সব সময় এরকম হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। কণ্ঠভোট, মাথা এপাশ-ওপাশ করে ভোট ‘আওয়াজ না দিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ বুঝিয়ে দেওয়াও ভোট। বৈঠকে উপস্থিত আট সদস্যের মধ্যে গৃহকর্তা জালাল আহমেদ ছাড়া অন্য সবাই চায় ‘ভুট্টোর মাথায় লাথি মারো/বাংলাদেশ স্বাধীন করো।’

পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছিল বাঙালিরা। তবু তারা দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রক হতে পারেনি। ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের গরিষ্ঠ আসনে বাঙালির বিজয় তাদের রাষ্ট্র গঠনের ২৪ বছর পর কেন্দ্রের ক্ষমতায় যাওয়ার আইনি পথ খুলে দিয়েছে। অতি স্বাভাবিক এই অবস্থাটা বরদাশত করতে পারেননি জালাল উকিল। চেতনা যখন ফিরল তখন তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের আস্তানায় গিয়ে আজিজুল হকের সঙ্গে দেখা করলেন। স্বীকার করলেন : পরিবারের ভোটাভুটির রায় না মেনে নিয়ে তিনি বিরাট ভুল করেছেন।

গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া শুরু করেন তিনি। সেই সঙ্গে এটাও আশা করতেন যে একদিন সংকটের রাজনৈতিক সমাধান হবে। পরিত্যক্ত হবে মুক্তিযুদ্ধ। রক্ষা পাবে পাকিস্তানের অখণ্ডতা। কিন্তু একাত্তরের ষোলোই ডিসেম্বর হানাদার পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের সংবাদ জালাল উকিলের হৃৎপিণ্ড খামচে ধরল। বার্ধক্যজনিত নানা ব্যাধি তাঁকে কাবু করতে থাকে। ১৯৯৫ সালে ৯২ বছর বয়সে তিনি দুনিয়া ছেড়ে গেলেন।

মৃত্যুর একুশ দিন আগে উকিল দাদাকে দেখতে গেলাম। তাকানোর জন্য নিজ হাতে চোখের পাতা ফাঁক করে আমায় দেখে হাসলেন। মশকরাও করলেন। সেদিন অনেক কথার একপর্যায়ে জালাল উকিল বলেন : জগৎ-সংসার যে চলমান রয়েছে তার প্রধান কারণ ভোট। আয়োজনে খরচ অনেক, নইলে জাতীয় পর্যায়ে এটা তিন বছর অন্তর করলে উপকার। প্রতিটি ভোটাভুটি জেতা বা হারা প্রার্থীর গুণাগুণ উন্মোচন করে। উন্মোচনের পর উন্মোচন যত ঘটবে ততই তুমি বাটইয়ার আজিজুল হকের মতন সাচ্চা জনসেবক পেতে থাকবে। আরে হাসতেছ ক্যান? হাস্যকর কথা কইলাম নাকি!

তাঁকে বলেছি, আশাবাদী আপনি। আশাবাদী হওয়া বেদনাবহ কোনো ব্যাপার নয়। তাই হাসছি। যদি বলেন, হাউমাউ কেঁদে উঠতে প্রস্তুত আছি।

৩.

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বাংলা প্রদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় যারা তাঁর একান্ত সহচর ছিলেন তাদের অন্যতম মকবুল আহমদ নেয়াজপুরী। মুসলিম লীগ নেতা সোহরাওয়ার্দী কোথায় কবে জনসভায় ভাষণ দেবেন, সেটা তিনি চোঙ্গা ফুঁকে এলাকায় প্রচার করতেন। সেজন্য তাঁর নাম হয়ে যায় ‘চুঙ্গা মকবুল’। তিনি ছিলেন যাকে বলে অনলবর্ষী বক্তা। আমরা যখন সদ্য কলেজছাত্র, তখন তাঁর বক্তৃতা শুনতাম মনোযোগ দিয়ে।

চুঙ্গা মকবুল পাকিস্তান জমানায় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে এক প্রার্থী দিলজান আলীর পক্ষে প্রচারণায় মাইকে ভাষণ দেন : হ্যাতারে ভোটে জিতানো আঙ্গো জন্য ফরজ হই গেছে। কারণ হ্যাতে ফকিরা নয়। হ্যাতার দশরকম ব্যবসা আছে। ভালো ইনকাম রুজি আছে। পাবলিকের খেদমতে দুই/দশ টিয়া (টাকা) খরচ করন হ্যাতার কাছে ফান্তাভাতের সমান। হ্যাতার বিরুদ্ধে যেই তিনজন খাড়াইছে হ্যাতারা হ্যাতাগো ইলেকশনের খরচ চালাইতেছে ভিক্ষা কইরা। মনে রাইখেন, ফকিরা দিয়া কাম চলে না। ফকিরা ভোটে জিতলে গোটা ইউনিয়নরে বেইচ্যা দিব।

ইউনিয়ন বিক্রি করে দেবে যে বললেন, ওটা কিনবে কে? আমাদের প্রশ্নের জবাবে চুঙ্গা মকবুল বলেন, ভোটের টাইমে ভোটারগোরে ডরের মধ্যে রাখা সিস্টেম হই গেছে। মানুষ গা ঝাড়া দেয় ডরে, নয়তো মহব্বতে। যে প্রার্থী ডর তাড়ায় তার জন্য ভোটারের দিলে মহব্বত জন্মায়।

লিফলেটে দেখলাম দিলজান আলী বিস্তর ওয়াদা করেছেন এলাকায় এটা করবেন সেটা করবেন। এসব ওয়াদা পূরণের জন্য লাখ লাখ টাকা লাগবে। এত টাকা উনার আছে? মকবুল আহমদ নেয়াজপুরী বলেন, না নাই। সেটা কোনো সমস্যা না। এক শ ওয়াদার মধ্যে কেন বিরাশিটা পূরণ করা গেল না, তার এক শ একটা কারণ ব্যাখ্যা করার ক্ষমতা দিলজান আলীর আছে। নইলে আমি ওর পক্ষে ভোটের মাঠে নামি?

চুঙ্গা মকবুল স্বশিক্ষিত রাজনীতিক। স্কুলে পড়েছেন পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত। কিন্তু আমরা এতদিন পরে একটু আধটু জ্ঞানার্জনের চেষ্টা করতে গিয়ে দেখি তাঁর চিন্তা আর জগদ্বিখ্যাত রাজনীতিক উইনস্টন চার্চিলের (ইনি ছিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী, জন্ম ৩০ নভেম্বর ১৮৭৪, মৃত্যু : ২৪ জানুয়ারি ১৯৬৫) চিন্তার মধ্যে দারুণ মিল।

চার্চিল বলতেন, রাজনীতিককে থাকতে হয় সামনের দিনে, সামনের সপ্তাহে, সামনের মাসে আর সামনের বছরে কী কী ঘটবে তা বলবার সক্ষমতা। তিনি যা যা বলেছেন, সেগুলো কেন ঘটল না তা ব্যাখ্যা করবার যোগ্যতাও তাঁর থাকা প্রয়োজন।

৪.

নির্বাচনি প্রচারণায় ভোটারদের মনে আশা সঞ্চার করার জন্য সুমিষ্ট ভাষার বাক্য রচনার জন্য লোক পাওয়া যায়। এরাই প্রার্থীর পক্ষে গান তৈরি করেন, ‘বাড়িঘর করে দিব ফিটফাট/সোনা দিয়ে মুড়ে দেব পথঘাট।’ ভোটার মনে ভীতি সঞ্চারের জন্যও খাপের খাপ বচন তৈরির বন্দোবস্ত থাকে। ১৯৫৪ সালে পূর্ববঙ্গ আইন পরিষদ নির্বাচনের সময় শাসক দল মুসলিম লীগ বলতে থাকে-বিরোধীদলীয় জোট যুক্তফ্রন্টের প্রার্থীরা জিতে ক্ষমতায় গেলে দেশটা ভারতের কাছে বিক্রি করে দেবে।

জবাবে যুক্তফ্রন্ট নেতা শের-ই-বাংলা ফজলুল হক কুমিল্লায় এক জনসভায় বলেন : মুসলিম লীগ নয় বছর ধরে ক্ষমতায়। তারা কুৎসাচার করে আমরা নাকি দেশ বেচে ফেলব। আরে চোরার পুত চোরারা! নয় বছর ধরে দুর্নীতি চুরিচামারিতে তোরা তো দেশটারে ফোকলা করে দিয়েছিস। এখন এই ফোকলা জিনিস বেচতে চাইলেও কেউ কি কিনবে?

লেখক : সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

এই বিভাগের আরও খবর
অস্ত্রোপচারে সম্মতি প্রসঙ্গে
অস্ত্রোপচারে সম্মতি প্রসঙ্গে
ফ্যামিলি কার্ড
ফ্যামিলি কার্ড
অস্ত্রোপচারে সম্মতি প্রসঙ্গে
অস্ত্রোপচারে সম্মতি প্রসঙ্গে
আলীর জ্ঞান ও বীরত্ব আজ বড় প্রয়োজন
আলীর জ্ঞান ও বীরত্ব আজ বড় প্রয়োজন
যুদ্ধের অসিলায় আতঙ্ক ছড়াবেন না
যুদ্ধের অসিলায় আতঙ্ক ছড়াবেন না
ইসরায়েলি বাহিনীতে ‘মুসলিম’ নারী কমান্ডার
ইসরায়েলি বাহিনীতে ‘মুসলিম’ নারী কমান্ডার
আলু নিয়ে বিড়ম্বনা
আলু নিয়ে বিড়ম্বনা
পুঁজিবাজারে বিসংবাদ
পুঁজিবাজারে বিসংবাদ
রমাদান শেষ হওয়ার আগেই নিজেদের বদলে ফেলি
রমাদান শেষ হওয়ার আগেই নিজেদের বদলে ফেলি
নারী ও অর্থনীতি
নারী ও অর্থনীতি
সংসদের যাত্রা শুভ হোক
সংসদের যাত্রা শুভ হোক
সে বাঁশি বেজে ওঠার লগন
সে বাঁশি বেজে ওঠার লগন
সর্বশেষ খবর
সোনারগাঁয়ে হিফজুল কোরআন ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
সোনারগাঁয়ে হিফজুল কোরআন ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি
আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি

৭ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

থার্ড টার্মিনাল চালু হতে ৬-৯ মাস লাগবে : বিমান প্রতিমন্ত্রী
থার্ড টার্মিনাল চালু হতে ৬-৯ মাস লাগবে : বিমান প্রতিমন্ত্রী

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে: জিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার
অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে: জিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

রূপগঞ্জে যুবদলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
রূপগঞ্জে যুবদলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গৌরনদীতে সন্ধ্যার পরে শিক্ষার্থীদের রাস্তাঘাটে আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা
গৌরনদীতে সন্ধ্যার পরে শিক্ষার্থীদের রাস্তাঘাটে আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উলিপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা
উলিপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আইজিপির সঙ্গে এফবিআই প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
আইজিপির সঙ্গে এফবিআই প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

এক কোটি ৮০ লাখ লিটার ভোজ্যতেল কিনবে সরকার
এক কোটি ৮০ লাখ লিটার ভোজ্যতেল কিনবে সরকার

৩০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ভিডিও ফাঁসের হুমকি দিয়ে নারীকে ব্ল্যাকমেইল, গ্রেফতার ৬
ভিডিও ফাঁসের হুমকি দিয়ে নারীকে ব্ল্যাকমেইল, গ্রেফতার ৬

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় মামলা
মাদারীপুরে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় মামলা

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বরদাশত করা হবে না : হাইওয়ে ডিআইজি
ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বরদাশত করা হবে না : হাইওয়ে ডিআইজি

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

জমিতে মিলল যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ
জমিতে মিলল যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ

৩৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সিডনিতে একুশে মেলা, বইমেলা মূল্যায়ন সভা ও ইফতার অনুষ্ঠিত
সিডনিতে একুশে মেলা, বইমেলা মূল্যায়ন সভা ও ইফতার অনুষ্ঠিত

৪০ মিনিট আগে | পরবাস

কুষ্টিয়ায় প্রত্যাহার হওয়া ওসির শাস্তির দাবিতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন
কুষ্টিয়ায় প্রত্যাহার হওয়া ওসির শাস্তির দাবিতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নষ্ট মরিচ মিশিয়ে মশলা তৈরি, দুই লাখ টাকা জরিমানা
নষ্ট মরিচ মিশিয়ে মশলা তৈরি, দুই লাখ টাকা জরিমানা

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে ভারত ও বাংলাদেশের শক্তিশালী সংযোগ আছে: প্রণয় ভার্মা
বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে ভারত ও বাংলাদেশের শক্তিশালী সংযোগ আছে: প্রণয় ভার্মা

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-এপস্টাইনের টাইটানিক পোজ, তোলপাড়
ট্রাম্প-এপস্টাইনের টাইটানিক পোজ, তোলপাড়

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে অভিষেক-ইশানের দাপট
আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে অভিষেক-ইশানের দাপট

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পরিশুদ্ধ জীবন গঠনে কিয়ামুল লাইল মাইলফলক: আল্লামা জুবাইর
পরিশুদ্ধ জীবন গঠনে কিয়ামুল লাইল মাইলফলক: আল্লামা জুবাইর

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে ইরানকে স্বাগত জানাবেন ট্রাম্প: ফিফা সভাপতি
বিশ্বকাপে ইরানকে স্বাগত জানাবেন ট্রাম্প: ফিফা সভাপতি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে ৭ দিন শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে
ঈদে ৭ দিন শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সোনারগাঁয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা
গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সোনারগাঁয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টুঙ্গিপাড়ায় নববধূর মৃত্যু, ৬ লাখ টাকায় মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগ
টুঙ্গিপাড়ায় নববধূর মৃত্যু, ৬ লাখ টাকায় মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মাদকের টাকা না পেয়ে চেয়ারম্যান কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ
ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মাদকের টাকা না পেয়ে চেয়ারম্যান কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবি ও বিপসটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
বাউবি ও বিপসটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সিলেটে সেই ছিনতাইয়ের ঘটনার মূলহোতা গ্রেপ্তার
সিলেটে সেই ছিনতাইয়ের ঘটনার মূলহোতা গ্রেপ্তার

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
আরও বিধ্বংসী ড্রোন এনে ইরানের চমক, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
আরও বিধ্বংসী ড্রোন এনে ইরানের চমক, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় ইরানের হামলা
ইসরায়েলের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় ইরানের হামলা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে 'সবচেয়ে তীব্রতম' দিন হবে আজ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরানে 'সবচেয়ে তীব্রতম' দিন হবে আজ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভণ্ডামি ছাড়ুন, যথেষ্ট হয়েছে: ইউরোপীয় কমিশনকে ইরান
ভণ্ডামি ছাড়ুন, যথেষ্ট হয়েছে: ইউরোপীয় কমিশনকে ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে চুরমার করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে চুরমার করছে ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা নির্ধারণ করবে কে?  ইরান নাকি যুক্তরাষ্ট্র
যুদ্ধের সময়সীমা নির্ধারণ করবে কে?  ইরান নাকি যুক্তরাষ্ট্র

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান
ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ‍্যামিলি কার্ড নিয়ে এই মানুষগুলোর উচ্ছ্বাস আমরা বুঝতে পারব না: ফারুকী
ফ‍্যামিলি কার্ড নিয়ে এই মানুষগুলোর উচ্ছ্বাস আমরা বুঝতে পারব না: ফারুকী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিশ্চিহ্ন না হতে চাইলে নিজের দিকে খেয়াল রাখুন, ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি
নিশ্চিহ্ন না হতে চাইলে নিজের দিকে খেয়াল রাখুন, ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশে পড়লো ইরানি ড্রোন
মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশে পড়লো ইরানি ড্রোন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি কিমের বোনের
যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি কিমের বোনের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালালো হিজবুল্লাহ
ইসরায়েলি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালালো হিজবুল্লাহ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি
কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি

১১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার রাজপথে পথচারীকে পেটালেন মডেল মনিকা, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক
ঢাকার রাজপথে পথচারীকে পেটালেন মডেল মনিকা, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে: ট্রাম্প
কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে: ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পিছিয়ে যাচ্ছে পে-স্কেল বাস্তবায়ন
পিছিয়ে যাচ্ছে পে-স্কেল বাস্তবায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

অধরা জঙ্গল সলিমপুরের ডনেরা
অধরা জঙ্গল সলিমপুরের ডনেরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রথম ওয়ানডে আজ
বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রথম ওয়ানডে আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই শপথ ইস্যুতে উত্তপ্ত হবে সংসদ
দুই শপথ ইস্যুতে উত্তপ্ত হবে সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাতালরেল প্রকল্প অনিশ্চয়তায়
পাতালরেল প্রকল্প অনিশ্চয়তায়

পেছনের পৃষ্ঠা

সেই উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দিলেন জামায়াত আমির
সেই উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দিলেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

লঞ্চের কেবিনে কলেজছাত্রী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২
লঞ্চের কেবিনে কলেজছাত্রী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

পেছনের পৃষ্ঠা

নারীর সম্পত্তি নিয়ে বিকল্প আইনি পথের আহ্বান
নারীর সম্পত্তি নিয়ে বিকল্প আইনি পথের আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

একজনের দখলে অর্ধশত পুকুর
একজনের দখলে অর্ধশত পুকুর

নগর জীবন

২ লিটার জ্বালানি নিতে ৮ ঘণ্টা
২ লিটার জ্বালানি নিতে ৮ ঘণ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত ট্রাম্পের
যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

প্রথম পৃষ্ঠা

কী হবে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিন শিশুর?
কী হবে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিন শিশুর?

পেছনের পৃষ্ঠা

বেতন-বোনাস দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ যানজট
বেতন-বোনাস দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ যানজট

পেছনের পৃষ্ঠা

পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ডিজেল
পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ডিজেল

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পেনে বৈধ হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছেন বহু বাংলাদেশি
স্পেনে বৈধ হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছেন বহু বাংলাদেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্যামিলি কার্ডের যুগে দেশ
ফ্যামিলি কার্ডের যুগে দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঘুষ দাবির অভিযোগ ফাঁসে বিচারকাজ শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ
ঘুষ দাবির অভিযোগ ফাঁসে বিচারকাজ শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতারণা আর ভেজালের ফাঁদে সিলেটের ক্রেতারা
প্রতারণা আর ভেজালের ফাঁদে সিলেটের ক্রেতারা

নগর জীবন

হাদি হত্যায় দেশিবিদেশি ষড়যন্ত্র
হাদি হত্যায় দেশিবিদেশি ষড়যন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না স্নাতক পাস
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না স্নাতক পাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রাণহীন বইমেলা
প্রাণহীন বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

ইসরায়েলি বাহিনীতে ‘মুসলিম’ নারী কমান্ডার
ইসরায়েলি বাহিনীতে ‘মুসলিম’ নারী কমান্ডার

সম্পাদকীয়

যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ১৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে দেশ
যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ১৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্থানে ফিরেছে শেয়ারবাজার
উত্থানে ফিরেছে শেয়ারবাজার

পেছনের পৃষ্ঠা

উইকেট হবে ফাস্ট বোলিং সহায়ক
উইকেট হবে ফাস্ট বোলিং সহায়ক

মাঠে ময়দানে

সংবিধান সংস্কারের সিদ্ধান্ত সংসদে
সংবিধান সংস্কারের সিদ্ধান্ত সংসদে

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ঘোষণার পর জ্বালানি তেলে দরপতন
ট্রাম্পের ঘোষণার পর জ্বালানি তেলে দরপতন

প্রথম পৃষ্ঠা

সরকারি ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের বৈঠক
সরকারি ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের বৈঠক

পেছনের পৃষ্ঠা

জনগণের কাছে দেওয়া কথা রাখছি
জনগণের কাছে দেওয়া কথা রাখছি

নগর জীবন