শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গণতন্ত্র জিতলে জিতবে বাংলাদেশ'

আবদুল আউয়াল ঠাকুর
প্রিন্ট ভার্সন
গণতন্ত্র জিতলে জিতবে বাংলাদেশ'

একটি নির্বাচিত সরকারের আবির পূর্বাকাশে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এক দিন পরই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এই নির্বাচন যখন হতে যাচ্ছে তখন দেশের ভিতরের ও বাইরের অবস্থা কাঙ্ক্ষিত না হলেও এটাই বাস্তব যে সরকারের সব মহল একটি চমৎকার নির্বাচন উপহার দেওয়ার ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ। সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য আমরা সক্ষম। ইতোমধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রধান দল ও জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচনি অঙ্গীকার ঘোষণা করা হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ‘চলো এক সাথে গড়ি বাংলাদেশ’। ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহারে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্র পরিচালায় শরিয়াহ অনুসরণ করা হবে’। খেলাফত মজলিসের ইশতেহারে ‘রাষ্ট্র পরিচালনায় কোরআন ও সুন্নাহকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ যখন নির্বাচনমুখী তখন ভারত সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, যেসব জায়গায় ভারতের জাতীয় স্বার্থ রয়েছে (প্রতিবেশীর নয়) সেগুলোর ওপর ভারত সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং স্বার্থগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি যখন এ কথা বলছেন তখন গণ অভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। এটি তাদের স্বার্থসম্পর্কিত কি না, তা নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। এদিকে বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে ভারতীয় সাংবাদিকের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এটা স্বস্তির যে বাংলাদেশের নির্বাচনে ভারতবিরোধিতা নেই। এ মূল্যায়নে নির্বাচনি ঘোষণা নিয়ে নানা পর্যালোচনা করা হয়েছে। নির্বাচন যখন দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে; বলা যায় সময়ের অপেক্ষা মাত্র, তখনো নানা আশঙ্কার অবসান হয়নি। অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নতি হয়নি। ইনকিলাব মঞ্চের মিছিলে হামলা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীরা বিক্ষোভে রয়েছেন। পরিস্থিতিকে নির্বাচনবান্ধব করার যে প্রয়োজনীয়তা শুরু থেকে অনুভূত হয়ে আসছে তাতে ঠিক সহায়ক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কোনো বিবেচনাতেই সেটি বলা যাবে না। সে বিবেচনায় বলা যায়, সারা দেশে ঠিক যেভাবে আগের নির্বাচনগুলোতে জোয়ার তৈরি হয়েছে এবার সে ক্ষেত্রে যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। মূলত সে বিবেচনায় বলা যায় এবারের নির্বাচন মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নয় তাৎপর্যমণ্ডিত।

সংস্কার ও জুলাই সনদ নিয়ে নির্বাচনে যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছিল তারেক রহমানের আগমন ও এনসিপির প্রতীক গ্রহণের মধ্য দিয়ে তার প্রাথমিক অবসান হয়েছে। নির্বাচনি ট্রেন যখন চলতে শুরু করে তখন হাদি হত্যার মধ্য দিয়ে যে নয়া আশঙ্কার জন্ম হয়েছিল তারেক রহমানের সংবর্ধনা, জাতীয় অভিভাবক বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা এবং ওসমান হাদির জানাজায় লাখো লোকের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় আশঙ্কাও আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ট্রেন চলছে। নির্বাচনি ভাবনা নিয়ে দেখা যাক। শুরুতেই বলা ভালো, এবারের নির্বাচনে নতুন বিষয় হলো ইশতেহারে ইসলামি প্রসঙ্গ যুক্ত হয়েছে। এদিকে এ নির্বাচনকে জামায়াতে ইসলামী ইজ্জত কি সাওয়াল বলে বিবেচনা করছে। কেন করছে সে অলোচনা নতুন কিছু নয়। চব্বিশ-পরবর্তী পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নির্বাহী ঘোষণায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বাস্তবতায় প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর জামায়াতে ইসলামী নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে জাতীয় নির্বাচন করছে। স্বাধীনতার পর থেকে নিষিদ্ধ থেকে নানা অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার তারা পুরোনো মিত্র বিএনপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে নির্বাচন করছে। সে বিবেচনায় এ নির্বাচন তাদের জন্য বিশেষ উদ্দীপনামূলক। সে কারণে সম্ভবত আগ্রহও খানিকটা বেশি। তাল-বেতাল যা-ই হোক এবারের নির্বাচনে জেতার জন্য তারা মরিয়া। ইতোমধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। সেসব থাক। মূলকথায় আসা যাক। তাদের মূলকথা রাষ্ট্র সংস্কার, সুশাসন এবং আত্মনির্ভর বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে তারা বলছে, চলো একসঙ্গে গড়ি বাংলাদেশ। একসঙ্গে কথাটার রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে। একটু পেছন ফিরে দেখা যাক। স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে যে বিভাজনরেখা তৈরি করা হয়েছিল দালাল আইনে যাদের ক্ষমা করা হয়েছিল, তার মূলে ছিল একসঙ্গে দেশ গড়া।

একসঙ্গে দেশ গড়ার স্লোগানের মূল কারিগর ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া। তিনি তাঁর রাজনৈতিক ভিশন নির্ধারণ করেছিলেন দেশের মানুষকে নিয়ে। বাকশাল-পরবর্তী ১৫ আগস্ট ও ৭ নভেম্বরের ধারাবাহিকতায় প্রেসিডেন্ট জিয়া গঠন করেছিলেন জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট পরে জাতীয়তাবাদী দল। সেখানে তিনি সমবেত করেছিলেন দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে। এই জাতীয় ঐক্যের ফসল হিসেবে শাহ অজিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রী এবং মসিউর রহমান যাদু মিয়া সিনিয়র মন্ত্রী হিসেবে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তখনো কথা অনেক উঠেছিল। তিনি সেসব পাত্তা না দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনের আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। তিনি বাংলাদেশকে মাথা তুলে দাঁড়াতে সর্বাত্মক উদ্যোগী হয়েছিলেন। তিনি সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন চীন ও মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে। কোথায় কার সঙ্গে কতটা সুসম্পর্ক স্থাপন করতে হবে তার সুস্পষ্ট রূপরেখা তিনি নির্ধারণ করেছিলেন। একটি তলাবিহীন ঝুড়ির দেশকে তিনি পরিণত করেছিলেন আত্মনির্ভর দেশ হিসেবে। সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ সংযোজন করে তিনি দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মনে আস্থা ও বিশ্বাসের প্রাচীর তৈরি নির্বাচন উপহারকরেছিলেন। সে কারণে আজও জিয়াউর রহমান সাধারণ মানুষের হৃদয়ে গেঁথে অছেন। জামায়াত যখন সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাচ্ছে তখন কেউ কেউ মীমাংসিত বিষয় নিয়ে নতুন বিতর্ক তুলেছে ফ্যাসিস্টের বয়ানে। ঐক্যবদ্ধ ধারণায় অরেক ধাপ এগিয়ে ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। শত বিতর্ক এবং নানা গঞ্জনা সত্ত্বেও বিএনপি তাদের মন্ত্রিসভায় জামায়াতের মনোনীতকদের অন্তর্ভুক্ত করেছিল।

বিএনপি বলছে, সবার আগে বাংলাদেশ। কথাটা নিয়ে ভাবুন। সবার আগে দেশের ভাবনাকে ভারতীয়রা বা কে কীভাবে দেখছে বোধ করি আজকের অলোচনায় সেদিকে না যাই। সবার আগে বাংলাদেশের ভাবনার মৌলিক দিক হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব। একটি স্বাধীন দেশের জনগণের ভাবনায় এটি হচ্ছে মুখ্য বিষয়। গত সাড়ে পনেরো বছর বা স্বাধীনতা-পরবর্তী তিন বছরের আলোচনায় যদি ফিরে যান সেখানেও দেখবেন এ কথাই বড়-ওই সব সরকার ক্ষমতাকে বিবেচনা করেছে নিজেদের স্বার্থে। রাষ্ট্র এবং জনগণের স্বার্থে নয়। রাষ্ট্র পরিচালিত হতো অন্যের নির্দেশে। অন্য দেশের সঙ্গে মিলেমিশে। গোটা জাতি যে গত সাড়ে পনেরো বছর লড়াই করল রক্ত দিল জীবনবাজি রেখে ফ্যাসিবাদ রুখে দিল তার মূলকথা কী? দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অটুট রাখা। সেসবের মূলকথা তো একটাই সবার আগে বাংলাদেশ। কারও রক্ত চক্ষু বা নির্দেশে নয় বাংলাদেশ চলবে দেশের জনগণের ইচ্ছা অনুবর্তী হয়ে। সুতরাং সবার আগে বাংলাদেশ গড়তে হলে গোটা জাতির দেশপ্রেমিক অংশের ঐক্যবদ্ধতার কোনো বিকল্প নেই।

গত সাড়ে পনেরো বছরে রক্তদান এবং গত ৫৫ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিবেচনায় এবারের নির্বাচন তাৎপর্যপূর্ণ। যদি গণতান্ত্রিক বাটখারায় বিবেচনা করা যায় তাহলে বলতে হবে গত ৩০ বছরের বেশি একা বেগম জিয়াই এ দেশে সামরিক-বেসামরিক অগণতান্ত্রিক অসাংবিধানিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তিনি তাঁর লড়াই শুরু করেছিলেন স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে। সে লড়াই গড়িয়েছিল বেসামরিক স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন এ দেশের মানুষের মুক্তির জন্য গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে। ঘরবাড়ি ব্যক্তিগত জীবন সব তছনছ হয়ে গিয়েছিল ফ্যাসিবাদের নির্মম আক্রমণে, হায়নার ছোবলে। সে লড়াইয়ের একপর্যায়ে জামায়াতে ইসলামীও ছিল। ’৮৬-এর নির্বাচনে তারা ও আওয়ামী লীগ স্বৈরাচারের পাতানো নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। ওই স্বৈরাচার টেকেনি। গণতন্ত্রই বিজয়ী হয়েছে। গত সাড়ে পনেরো বছরে হয়ে যাওয়া কথিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি ভাগাভাগি করে লুটপাট করেছে। পাতানো সাজানো নানা নির্বাচনে নিজেরা আর মামুরা ছিঁড়েখুঁড়ে খুবলে খেয়েছে দেশ। আজ যে পরিস্থিতি দেশে বিরাজ করছে বাস্তবে সেটি হওয়ার কোনো করণ ছিল না। তবু হয়েছে। এবারের নির্বাচনি জনসভাগুলোর বিশেষ তাৎপর্য হলো বিপুল সমাগম। শহরে ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানেই যারা সমাবেশ করেছে সেখানেই মানুষ উপচে পড়েছে। এই সমাগম একটি সুনির্দিষ্ট বার্তা দেয়। যারা এসেছেন তার সবাই সবার হয়ে এসেছেন হয়তো তা নয়। তারা এসেছেন দেখতে বুঝতে শুনতে। দেখেশুনে বুঝে সিদ্ধান্ত দেবেন। নির্বাচনে তাদের বোঝাশোনাটাই গ্রহণযোগ্যতার শেষ মাপকাঠি নয়। যারা নির্বাচন পরিচালনা করবেন ভিতরে এবং বাইরে তাদের সততা ন্যায়নিষ্ঠতা আর গণতান্ত্রিক বিশ্বাসের বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতোমধ্যেই কিছু কথা উঠেছে। অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। সব মিলে কথা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনের মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে গণতন্ত্রকে বাঁচানো। যে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য জাতির অভিভাবক বেগম জিয়া জীবন দিলেন তাঁর প্রতি যথাযথ সম্মান দেখাতে হলে তাঁর প্রদর্শিত পথে হাঁটতে হবে। সবার ঐকান্তিকতা ও আন্তরিকতায় একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করা গেলে সেটাই হবে বড় অর্জন। গণতন্ত্র বাঁচলেই দেশ বাঁচবে। দেশের মানুষ বাঁচবে। স্বীকৃতি পাবে রক্তের মূল্য। নয়তো সবই গরল ভেল।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
নৃশংসতা
নৃশংসতা
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
চালের দাম
চালের দাম
সর্বশেষ খবর
প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনায় বগুড়ায় দোয়া ও ইফতার
প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনায় বগুড়ায় দোয়া ও ইফতার

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীর ক্ষমতায়নে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় : মিফতাহ্ সিদ্দিকী
নারীর ক্ষমতায়নে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় : মিফতাহ্ সিদ্দিকী

১৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

খালে মাছের চাষ, খালপাড়ে গাছ লাগানো হবে : ত্রাণমন্ত্রী
খালে মাছের চাষ, খালপাড়ে গাছ লাগানো হবে : ত্রাণমন্ত্রী

২৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ভোটের ফল নিয়ে আইনি লড়াই, চার বছর পর শপথ নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান
ভোটের ফল নিয়ে আইনি লড়াই, চার বছর পর শপথ নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ক্ষমতায় থাকা নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ক্ষমতায় থাকা নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারী-কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: শামা ওবায়েদ
নারী-কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: শামা ওবায়েদ

৪১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সৌদি আরবে আবাসিক ভবনে হামলায় নিহত ২
সৌদি আরবে আবাসিক ভবনে হামলায় নিহত ২

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খেলাফত যুব মজলিসের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল
খেলাফত যুব মজলিসের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল

৪৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

৫৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

দেশজুড়ে উদযাপিত হলো এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে
দেশজুড়ে উদযাপিত হলো এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন
ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া
১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে
হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ
উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ
পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি
বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক
মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত
বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি
প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন
গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ
মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত
ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী
দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ
চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান
কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?
ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প
বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'
হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান
যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা
ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা
সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী
রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?
ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি
হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ
নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি
ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’
তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?
‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?
সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত
তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান
সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থামছে না ভেজালের কারবার
থামছে না ভেজালের কারবার

পেছনের পৃষ্ঠা

হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র
হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

মাঠে ময়দানে

যানজট শঙ্কা মহাসড়কে
যানজট শঙ্কা মহাসড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি
বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি

নগর জীবন

রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা

নগর জীবন

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র

প্রথম পৃষ্ঠা

৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়

প্রথম পৃষ্ঠা

উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন
উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত
মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত

দেশগ্রাম

অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত

পেছনের পৃষ্ঠা

শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান
শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের
ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের

মাঠে ময়দানে

বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর
বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর

খবর

সংশোধন
সংশোধন

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি
তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী অধিকার নিয়ে শাবানা
নারী অধিকার নিয়ে শাবানা

শোবিজ

সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক
সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক

পূর্ব-পশ্চিম

সামনে পাকিস্তান সিরিজ
সামনে পাকিস্তান সিরিজ

মাঠে ময়দানে