শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

এ নির্বাচন জাতিকে কী উপহার দেবে

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
এ নির্বাচন জাতিকে কী উপহার দেবে

নির্বাচন হলো জনগণের উৎসব। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সে উৎসবের ঘাটতি চোখে পড়ার মতো। দেশের দুটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের একটি আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ ছাড়াই অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৩তম সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন বাতিল করায় তাদের পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। জুলাই গণ অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের সর্বপর্যায়ের নেতা-কর্মীরা পলাতক বা আত্মগোপনে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও তারা আদৌ অংশ নিতেন কি না, তা এক প্রশ্নের বিষয়। স্বীকার করতেই হবে, জুলাই গণ অভ্যুত্থান আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তায় ধস নামায়। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘকাল ঐতিহ্যবাহী ওই দলটি বাঘ সেজে নিজেদের দাপট দেখিয়েছে সন্দেহ নেই। কিন্তু জনসমর্থন হারিয়ে তারা হয়ে পড়েছিল কাগুজে বাঘ। জুলাই গণ অভ্যুত্থানের মোকাবিলায় তাদের নেতা-কর্মীরা রাজপথে নামার সাহসও পাননি। ফলে ছাত্র-জনতার ধাক্কাতেই ক্ষমতার সৌধ ধসে পড়ে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর পরই নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের পক্ষে সারা দেশে ৬-৭টির বেশি আসনে জয়ী হওয়াও কঠিন হতো।

সে দুরবস্থা থেকে আওয়ামী লীগকে রক্ষা করেছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। আওয়ামী লীগকে খাদের কিনার থেকে এ সুশীল সরকার উদ্ধার করেছে। গত ১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার মানুষের মনে ঠাঁই নেওয়ার মতো কোনো সাফল্য দেখাতে পারেনি। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে রূপকথার ভূতের মতো তারা পেছনপানেই হেঁটেছে। ১৮ মাসে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ার বদলে কমেছে। বন্ধ হয়ে গেছে শত শত কলকারখানা। লাখ লাখ মানুষ বেকারত্বের শিকার হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে মব সন্ত্রাসে মদত থাকার কারণে।

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকেছাত্র-জনতার আহ্বানে বাঁধ ভাঙা জোয়ারের মতো সর্বস্তরের মানুষ জুলাই অভ্যুত্থানে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে আসে। তারা শুধু গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নয়, আশা করেছিল এ অভ্যুত্থান তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে অবদান রাখবে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি থামানো সম্ভব হবে। কিন্তু গণ অভ্যুত্থানের রেশ না কাটতেই মানুষের আশা হতাশায় পরিণত হয়। লাখ লাখ মানুষ বেকারত্বের শিকার হয় কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে। আইনশৃঙ্খলা ১৪০০ বছর আগের মাৎস্যন্যায় অবস্থায় ফিরে যায়। মব সন্ত্রাসকে ‘মব জাস্টিস’ বলে অভিহিত করার প্রবণতাও দেখা দেয় দেশজুড়ে। আওয়ামী লীগের সাড়ে ১৫ বছরের অপকর্ম ঢাকা পড়ে যায় এসব কাণ্ডজ্ঞানহীন প্রবণতায়।

১৯৭৫ সালে ক্ষমতা হারানোর ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সংসদের একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আবির্ভূত হয়। জাতীয় পার্টির সমর্থনে তারা সরকার গঠনেও সক্ষম হয়। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হলেও আওয়ামী লীগের প্রাপ্ত ভোট ছিল শতকরা হিসেবে আগের নির্বাচনের চেয়ে প্রায় ৩ শতাংশ বেশি। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে ৩৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের কাছে তারা হেরে গেলেও ভোট পায় ৪০ দশমিক ১৩ শতাংশ। অপরদিকে বিএনপি পায় ৪০ দশমিক ৯৭ শতাংশ। সোজা কথায় ক্ষমতায় থাকতে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা বেড়েছে আগের চেয়ে প্রায় ৩ শতাংশ বেশি। ২০০৮-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে ৪৯ শতাংশ ভোট নিয়ে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি পেয়েছে ৩৩ দশমিক ২০ শতাংশ ভোট।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ বা বিএনপি দুই প্রধান দলের যেকোনো একটির অনুপস্থিতিতে ভোটযুদ্ধ হলে তা গুরুত্ব হারায়। বিগত তিনটি নির্বাচনে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো অংশ না নেওয়ায় আওয়ামী লীগ সমর্থক ভোটাররাও ভোট দেওয়ার গরজ অনুভব করেননি। প্রতিপক্ষ না থাকলে ভোটযুদ্ধ যে জমে না ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনেও তা প্রমাণিত হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামী সে নির্বাচন বর্জন করে। ফলে নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যাপারে বিএনপি সমর্থকদেরও গরজ ছিল না। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একসময়ের মিত্র বিএনপি ও জামায়াত পরস্পরের বিরুদ্ধে রণসাজে সজ্জিত হয়ে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছে। ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন ভোটারের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার কোটি তরুণ ভোটার এবং তারা প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে।

আওয়ামী লীগ অংশ নেওয়ার সুযোগ না পেলেও দলটি নির্বাচন বর্জনের ডাক দেয়নি। দলের সমর্থকদের একাংশ আগামী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছে। বিএনপি এবং জামায়াত দুই দলই নৌকার ভোট পেতে নানামুখী কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগ জামায়াত বিরোধিতায় নিজেদের চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই ভাবে। তা জেনেও জামায়াত জুলাই গণ অভ্যুত্থানের পর নিজেদের নির্বাচনি কৌশল সাজায়। দেশের সর্বত্র তারা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থকদের পাশে দাঁড়ায়। এমনকি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আস্থা অর্জনেও জামায়াত সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের আরেক প্রতিপক্ষ বিএনপির ভূমিকা ছিল মারমুখী। তবে তারেক রহমান দেশে প্রত্যাবর্তনের পর বিএনপি নির্বাচনি প্রচারণায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করছে। যা আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মননে নতুন ভাবনার উন্মেষ ঘটিয়েছে। জুলাই গণ অভ্যুত্থানের পর ‘মজলুম’ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের পাশে জামায়াতের সহানুভূতির হাত বাড়ানো নির্বাচনি লড়াইয়ে তাদের ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত এগিয়ে রাখে। তবে দলটির বি-টিম, সি-টিম, ডি-টিম বলে কথিত বিভিন্ন সংগঠনের কার্যকলাপে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভাবনায় চিড় ধরায়। লীগ সমর্থকদের একাংশ বিএনপিকে ঠেকাতে এখনো জামায়াতের দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার পক্ষে। অন্য অংশ জামায়াতকে স্বাধীনতাবিরোধী দল হিসেবে অভিহিত করে তাদের ঠেকাতে ধানের শীষের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের বড় অংশ যেদিকে যাবে সেদিকেই ভারী হবে জয়ের সম্ভাবনা।

দুই

প্রতিটি নির্বাচন জাতিকে কিছু না কিছু উপহার দেয়। সেই পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে আমরা বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে পেয়েছিলাম। ’৭০-এর নির্বাচনে পেয়েছিলাম স্বাধিকার ও স্বাধীনতার সবক। ’৯১-এর নির্বাচন আমাদের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ দেখিয়েছিল। প্রশ্ন উঠেছে ২০০২৬-এর নির্বাচন জাতিকে কী উপহার দেবে? আমি দুই প্রধান দল বিএনপি ও জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহার পড়েছি। এ সম্পর্কে আমার কোনো সমালোচনা নেই। শুধু বলব দুই ইশতেহারের কোনোটি বাস্তবায়নের অবস্থা এখন বাংলাদেশে নেই। তবে তাতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। ২০২৬-এর নির্বাচন জাতিকে অনির্বাচিত সরকারের কবল থেকে মুক্তি দেবে। যে সরকার দেশের উন্নয়নের বদলে বিদেশের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে বেশি উৎসাহ দেখিয়েছে। দেশের বন্দর বিদেশের হাতে ইজারা দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেয়েছে। নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে আমেরিকার সঙ্গে এমন এক চুক্তি করেছে, যা গোপনীয়তার চাদরে ঢাকা। চুক্তিতে কী আছে, তা দেশবাসীর অজানা। সবকিছু গোপন রাখার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আগেই নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট সই করেছে বিশ্ববরেণ্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে বাংলাদেশের অর্জন কী, তা স্পষ্ট নয়। চুক্তির ফলে দেশের ব্যবসাবাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে ব্যবসায়ীরাও উদ্বিগ্ন। তাঁদের মতে, চুক্তির ফলে দৃশ্যত শুল্ক মাত্র ১ শতাংশ কমবে। তবে এজন্য বাংলাদেশের ঘাড়ে কোন কোন বোঝা চাপানো হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। চুক্তির গোপনীয়তা বজায় রাখার যে সমঝোতা হয়েছে, তা জনমনে অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে। পতিত সরকারের যেসব সদস্য বিদেশে বসে জুলাই গণ অভ্যুত্থান ও অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছে, এ চুক্তি তাদের কণ্ঠকে শক্তিশালী করছে। ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার কেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের বাড়তি গরজ অনুভব করেছে তা জাতির কাছে স্পষ্ট নয়। একান্তই যদি এ ধরনের চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকে, তবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রধান দুই রাজনৈতিক জোটের সম্মতি  নিয়ে তা করা যেত। তবে গোপনীয়তা বজায় রাখার আগাম চুক্তিতে আবদ্ধ থাকায় সরকারের পক্ষে সে পথে যাওয়াও সম্ভব হয়নি। ব্যবসায়ী শুধু নয়, বুদ্ধিবৃত্তির সঙ্গে জড়িত সব মহলের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির ক্ষেত্রে নতুন সরকারের জন্য অপেক্ষা করলে সেটিই হতো সর্বোত্তম। কারণ দেশের মালিক এনজিওনির্ভর অন্তর্বর্তী সরকার নয়, ১৮ কোটি মানুষ। বিদেশের সঙ্গে চুক্তির ক্ষেত্রে নির্বাচিত সরকারের জন্য অপেক্ষা করলে তাতে অন্তর্বর্তী সরকারের মর্যাদাই বৃদ্ধি পেত। চুক্তির প্রতি জনসমর্থনও নিশ্চিত হতো। সে পথে না গিয়ে তারা নিজেদের যেভাবে বিতর্কিত করেছে, তা সত্যিকার অর্থেই দুর্ভাগ্যজনক।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

                 ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
আলু নিয়ে বিড়ম্বনা
আলু নিয়ে বিড়ম্বনা
পুঁজিবাজারে বিসংবাদ
পুঁজিবাজারে বিসংবাদ
রমাদান শেষ হওয়ার আগেই নিজেদের বদলে ফেলি
রমাদান শেষ হওয়ার আগেই নিজেদের বদলে ফেলি
নারী ও অর্থনীতি
নারী ও অর্থনীতি
সংসদের যাত্রা শুভ হোক
সংসদের যাত্রা শুভ হোক
সে বাঁশি বেজে ওঠার লগন
সে বাঁশি বেজে ওঠার লগন
জাকাত : ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
জাকাত : ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
হুজুগ জ্বালানি তেলে
হুজুগ জ্বালানি তেলে
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নয়
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নয়
উৎসবের অর্থনীতি
উৎসবের অর্থনীতি
কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকার কাঠামোর সংস্কার
কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকার কাঠামোর সংস্কার
ছাত্রনেতা থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছাত্রনেতা থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২
কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?
প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?

৬ মিনিট আগে | শোবিজ

ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের
ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প
কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা
চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত
কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন
প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা
বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঝিনাইদহে নিরব হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
ঝিনাইদহে নিরব হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক
প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানিকছড়িতে রান্নাঘর থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
মানিকছড়িতে রান্নাঘর থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে র‌্যালি ও সভা
খাগড়াছড়িতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে র‌্যালি ও সভা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে দুটি পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই
ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে দুটি পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড
গাইবান্ধায় ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার অঙ্গীকার পূরণ করেছে’
‘বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার অঙ্গীকার পূরণ করেছে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খাগড়াছড়িতে আনসার-ভিডিপির ভাতা ভোগীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
খাগড়াছড়িতে আনসার-ভিডিপির ভাতা ভোগীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পটিয়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
পটিয়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

দিনাজপুরে ১৯১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার
দিনাজপুরে ১৯১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘স্বর্ণালি সময়’ দেখছে ভারতীয় ক্রিকেট
‘স্বর্ণালি সময়’ দেখছে ভারতীয় ক্রিকেট

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিআখড়ায় ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
শনিআখড়ায় ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘুষের অভিযোগ বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে: চিফ প্রসিকিউটর
ঘুষের অভিযোগ বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে: চিফ প্রসিকিউটর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু
ভাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর
ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের
আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০
পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা