শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দেশের মানুষের হৃদয়রাজ্যে জিয়া পরিবার

আতিকুর রহমান রুমন
প্রিন্ট ভার্সন
দেশের মানুষের হৃদয়রাজ্যে জিয়া পরিবার

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু পরিবার আছে, যাদের নাম উচ্চারণ করলেই কেবল ক্ষমতার গল্প ভেসে ওঠে না, ভেসে ওঠে একটি জাতির জন্মযন্ত্রণা, গণতন্ত্রের জন্য রক্তঝরা সংগ্রাম, নিরন্তর ত্যাগ আর মানুষের অধিকারের পক্ষে অবিচল দাঁড়িয়ে থাকার এক দীর্ঘ, বেদনাবিধুর উপাখ্যান। জিয়া পরিবার তেমনই এক নাম। এই পরিবার রাজনীতি করেছে ক্ষমতার মোহে নয়; করেছে রাষ্ট্রের জন্য, মানুষের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য। আর সেই রাজনীতির মূল্য হিসেবে তারা দিয়েছে নিজেদের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় সবকিছু।

এই ইতিহাসের সূচনা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। একজন মুক্তিযোদ্ধা, দিয়েছেন মহান স্বাধীনতার ঘোষণা। তারপর রাষ্ট্রনায়ক-যিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত, ক্ষুধার্ত ও দিশাহীন বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন আত্মমর্যাদা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস। বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা, গ্রামীণ উন্নয়ন, খালখনন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এসব ছিল কেবল নীতিমালা নয়; ছিল একটি জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর স্বপ্ন। দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তাঁর নির্মম শাহাদাত শুধু একজন রাষ্ট্রপতির মৃত্যু ছিল না, তা ছিল একটি পরিবারের জীবনে নেমে আসা চিরস্থায়ী শোক এবং একটি জাতির সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের ওপর নেমে আসা গভীর অন্ধকার।

এই শোক বুকে ধারণ করেই রাজনীতির কঠিন পথে পা রাখেন বেগম খালেদা জিয়া। একজন শহীদের স্ত্রী, একজন গৃহিণী থেকে গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী হয়ে ওঠা-এ ছিল এক নারীর অসম্ভব সাহস, আত্মত্যাগ ও আত্মমর্যাদার ইতিহাস। সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম করে তিনি সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নেতৃত্বে সাধারণ মানুষের জীবনে আসে দৃশ্যমান পরিবর্তন-খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা, মেয়েদের উপবৃত্তি, নারী ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রসার। এ সাফল্যের বিনিময়ে তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে নিরন্তর নিপীড়ন, অপমান ও প্রতিহিংসার রাজনীতি।

এক-এগারোর অবৈধ শাসন তাঁকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করতে চেয়েছিল। তিনি যাননি। তিনি বলেছিলেন দেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই, এই দেশই আমার ঠিকানা। এই দেশ ছেড়ে, এই দেশের মানুষকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না। কারণ তাঁর কাছে দেশ ছেড়ে যাওয়া মানে ছিল মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করা।

এরই ধারাবাহিকতায় তাঁকে এবং তাঁর দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থাকা ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকেও রেহাই দেওয়া হয়নি। প্রবাসের নিঃসঙ্গতা, মানসিক নির্যাতন আর স্বদেশ থেকে বিচ্ছিন্নতার যন্ত্রণায় কোকোর অকালমৃত্যু জিয়া পরিবারকে ভেঙে দেয় ভিতর থেকে। যে ক্ষত আজও শুকায়নি, হয়তো কোনো দিন শুকাবেও না। ২০১০ সালের ১৪ নভেম্বর ছিল সেই নিষ্ঠুরতার আরেক চূড়ান্ত অধ্যায়। স্বৈরাচার হাসিনা সরকার শহীদ জিয়ার প্রায় ৪০ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ঢাকা সেনানিবাসের বাড়ি থেকে একজন তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে টেনেহিঁচড়ে বের করে দেয়। তালা ভাঙা হয়, গ্রিল কাটা হয়, লোকজনকে মারধর করা হয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তখন বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতিসহ তাঁর সম্মান সেদিন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এ দৃশ্য কেবল একজন নেত্রীর নয়; এটি ছিল রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতার সামনে এক অসহায় নারীর আর্তনাদ, যা আজও মানুষের বিবেক নাড়া দেয়।

এই দুই মহান ব্যক্তিত্ব শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ, ত্যাগ ও সংগ্রামের উত্তরাধিকার বহন করেই রাজনীতির মঞ্চে দাঁড়িয়েছেন তারেক রহমান। তাঁর নেতৃত্ব কোনো হঠাৎ আবির্ভাব নয়; এটি এক দীর্ঘ সংগ্রাম, শোক ও অভিজ্ঞতায় গড়ে ওঠা নেতৃত্ব। শৈশব থেকেই রাষ্ট্র ও রাজনীতির বাস্তবতা তাঁর নিত্যসঙ্গী। তিনি দেখেছেন ক্ষমতার ভিতরের জটিলতা যেমন তেমনি দেখেছেন ক্ষমতার নির্মমতা ও নিপীড়নের অন্ধকার দিক।

১৯৯১-৯৬ এবং ২০০১-০৬। এই দুই মেয়াদে সরকার পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। অর্থনীতি, প্রশাসন, উন্নয়ন ও কূটনীতির জটিল পাঠ তাঁকে করেছে একজন কৌশলী সংগঠক ও পরিণত রাজনীতিবিদ। তিনি আবেগে নয়, সিদ্ধান্ত নেন অভিজ্ঞতার আলোকে; প্রতিহিংসায় নয়, রাজনীতি করেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে।

তবে জনপ্রিয়তা ও সম্ভাবনাই তাঁর জীবনে হয়ে ওঠে কাল। এক-এগারো-পরবর্তী সময়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডের নামে চালানো হয় অমানবিক নির্যাতন। শরীর ভেঙে দেওয়া হয়, জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পৌঁছে দেওয়া হয়। বিনা অপরাধে ৫৫৪ দিনের কারাবাস এবং শেষে চিকিৎসার নামে বাধ্যতামূলক নির্বাসন, যা আজ প্রায় ১৮ বছরের দীর্ঘ প্রবাসজীবনে রূপ নেয়।

এই নির্বাসনের অন্ধকার দিনগুলোতেই নেমে আসে জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ আঘাত।

২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রিয় ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুসংবাদ এসে পৌঁছায় তারেক রহমানের কাছে। মুহূর্তেই তিনি যেন পাথর হয়ে গিয়েছিলেন; কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন। তারপর নেমে আসে এক দীর্ঘ, নীরব শোক। বুকভাঙা সেই কান্না, যার প্রতিধ্বনি আজও তাঁর সংযত নীরবতার গভীরে লুকিয়ে আছে। প্রবাসে দাঁড়িয়ে ছোট ভাইয়ের শেষবিদায়টুকু পর্যন্ত না দেখতে পারার যন্ত্রণা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়; তা কেবল হৃদয়ের গভীরে জমে থাকা এক চিরস্থায়ী ক্ষত।

প্রিয় ছোট ভাইয়ের মৃত্যু ও বিনা দোষে অসুস্থ মায়ের কারাবরণ। একজন সন্তানের জন্য এর চেয়ে বড় অসহায়ত্ব আর কী হতে পারে? তবু এই সীমাহীন বেদনার মধ্যেও তারেক রহমান প্রতিশোধের রাজনীতি বেছে নেননি। তিনি বেছে নিয়েছেন ধৈর্য, সংগঠনের শক্তি এবং সময়ের প্রতি আস্থা। শোককে শক্তিতে রূপ দেওয়ার কঠিন কিন্তু মর্যাদাপূর্ণ পথ।

প্রবাসে থেকেও তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। ভার্চুয়াল নির্দেশনা, সংগঠনের পুনর্গঠন, ‘এক দফা’, ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ এসব আন্দোলন পরিণত হয় গণমানুষের কণ্ঠে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরশাসনের পতন সেই সংগ্রামেরই পরিণতি। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর তাঁর দেশে ফেরা ছিল মানুষের জমে থাকা ভালোবাসার বিস্ফোরণ। কিন্তু নিয়তি আবারও নির্মম হয়। মাত্র কদিন পরই দেশনেত্রী, গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকাল। শোকের মাঝেই প্রমাণ হয়, জিয়া পরিবার কেবল একটি রাজনৈতিক পরিবার নয়-এটি মানুষের আবেগ, বিশ্বাস ও আশা-ভরসার ঠিকানা।

আজ তারেক রহমানের নেতৃত্ব অহংকারহীন, সংযত ও মানবিক। তাঁর রাজনীতি প্রতিশোধের নয়, পুনর্গঠনের। নির্বাচনি ইশতেহারে উঠে এসেছে মানুষের জীবনের বাস্তব চাহিদা-ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি। এসব প্রতিশ্রুতি ক্ষমতার লোভ থেকে নয়; এসেছে ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘ যন্ত্রণার গভীরতা থেকে।

জিয়া পরিবার দেশের জন্য কী ত্যাগ করেনি? একজন নিজের জীবন দিয়েছেন দেশের জন্য, একজন হারিয়েছেন তাঁর কলিজার টুকরা সন্তান, স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি ও হারিয়েছেন স্বাধীনতা, একজন হারিয়েছেন প্রিয় ভাইকে এবং কাটাতে হয়েছে দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছরের কষ্টকর নির্বাসন। দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়াতে গিয়ে এই পরিবারের স্বাভাবিক পারিবারিক জীবন প্রায় ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছে। তবু তাঁরা কখনো থামেননি, কখনো মাথা নত করেননি। সব কষ্ট বুকে চেপে রেখেও তারা পথচলা অব্যাহত রেখেছেন দেশের মানুষের পাশে।

এখন প্রশ্ন একটাই, এত ত্যাগের কী কোনো মূল্য নেই? ইতিহাসই তার উত্তর দেয়। মানুষ মূল্যায়ন করেছে, আজও করছে, ভবিষ্যতেও করবে।  জানাজায় মানুষের অশ্রুসিক্ত ঢল, প্রিয় নেতার প্রত্যাবর্তনে জনসমুদ্র, নির্বাচনি জনসভায় মানুষের বাঁধভাঙা উপস্থিতি। এসবই স্পষ্ট করে বলে দেয়, জিয়া পরিবার কখনোই বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় থেকে মুছে যায়নি। যাবেও না।

কারণ এই পরিবার ক্ষমতার রাজনীতি করেনি; করেছে মানুষের রাজনীতি। মানুষের দুঃখ, আশা ও অধিকারকে হৃদয়ে ধারণ করেই তাদের পথ চলা।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক, আহ্বায়ক, আমরা বিএনপি পরিবার ও সদস্য, বিএনপি মিডিয়া সেল

এই বিভাগের আরও খবর
আলু নিয়ে বিড়ম্বনা
আলু নিয়ে বিড়ম্বনা
পুঁজিবাজারে বিসংবাদ
পুঁজিবাজারে বিসংবাদ
রমাদান শেষ হওয়ার আগেই নিজেদের বদলে ফেলি
রমাদান শেষ হওয়ার আগেই নিজেদের বদলে ফেলি
নারী ও অর্থনীতি
নারী ও অর্থনীতি
সংসদের যাত্রা শুভ হোক
সংসদের যাত্রা শুভ হোক
সে বাঁশি বেজে ওঠার লগন
সে বাঁশি বেজে ওঠার লগন
জাকাত : ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
জাকাত : ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
হুজুগ জ্বালানি তেলে
হুজুগ জ্বালানি তেলে
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নয়
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নয়
উৎসবের অর্থনীতি
উৎসবের অর্থনীতি
কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকার কাঠামোর সংস্কার
কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকার কাঠামোর সংস্কার
ছাত্রনেতা থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছাত্রনেতা থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন
ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন

২ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে সুবিধাভোগী নির্বাচনে নির্দিষ্ট কোনো দল বিবেচনা করা হয়নি’
‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে সুবিধাভোগী নির্বাচনে নির্দিষ্ট কোনো দল বিবেচনা করা হয়নি’

১০ সেকেন্ড আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২
কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?
প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?

৯ মিনিট আগে | শোবিজ

ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের
ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প
কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা
চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত
কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন
প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা
বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঝিনাইদহে নিরব হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
ঝিনাইদহে নিরব হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক
প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানিকছড়িতে রান্নাঘর থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
মানিকছড়িতে রান্নাঘর থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে র‌্যালি ও সভা
খাগড়াছড়িতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে র‌্যালি ও সভা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে দুটি পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই
ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে দুটি পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড
গাইবান্ধায় ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার অঙ্গীকার পূরণ করেছে’
‘বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার অঙ্গীকার পূরণ করেছে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খাগড়াছড়িতে আনসার-ভিডিপির ভাতা ভোগীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
খাগড়াছড়িতে আনসার-ভিডিপির ভাতা ভোগীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পটিয়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
পটিয়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

দিনাজপুরে ১৯১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার
দিনাজপুরে ১৯১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘স্বর্ণালি সময়’ দেখছে ভারতীয় ক্রিকেট
‘স্বর্ণালি সময়’ দেখছে ভারতীয় ক্রিকেট

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিআখড়ায় ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
শনিআখড়ায় ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর
ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের
আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০
পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা