শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নির্বাচন ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

অধ্যাপক ড. হোসনে-আরা বেগম
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচন ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভারত ও পাকিস্তান দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করে। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মূল চেতনা ছিল টু নেশন থিওরি অর্থাৎ মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকাজুড়ে পাকিস্তান হবে। বাংলা  ও পাঞ্জাব মুসলিম-অধ্যুষিত হওয়া সত্ত্বেও ভাগ করা হয়। এ থেকে বোঝা যায়, টু নেশন থিওরি নামকাওয়াস্তে ছিল। ফলে ফেডারেল পাকিস্তানের টেরিটোরিয়াল আয়তনভিত্তিক পাঁচটি প্রদেশের একটি প্রদেশ হলো পূর্ব পাকিস্তান, যা ভারতের পেটের মধ্যে অবস্থিত। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ। ভারত তার নিকটতম প্রতিবেশী। পাকিস্তান, চীন অন্যান্য দেশ দূরতম প্রতিবেশী।

বাস্তবতা হচ্ছে প্রতিবেশী বদলানো যায় না। বিশেষ করে ভারত বৃহৎ দেশ হওয়ায় সর্বদাই চাইবে বাংলাদেশ যেন তাদের অনুগত থাকে। এগুলো কোনো রকেট সায়েন্স নয়, বোঝার জন্য বিশেষ জ্ঞানেরও প্রয়োজন নেই। তবে প্রতিবেশী বদলাতে না পারলেও প্রতিবেশীর মানসিকতা বদলানো যাবে না, তা নয়। ভারতের মানসিকতা বদলানোর জন্য বাংলাদেশিদের মানবিক হওয়া ভারতের সঙ্গে কৌশলগতভাবে মেলবন্ধন করা, সরাসরি বৈরিতা বর্জন করা শুধু দরকারই নয় খুবই দরকার। বাংলাদেশ স্বাধীন। স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ কারও অধীনে থাকবে না, কারও মর্জিতে চলবে না। বাংলাদেশের এই আকাক্সক্ষাই স্বাধীনতার আকাক্সক্ষা। প্রতিবেশী দেশের কাছে তার তা মাথাব্যথার কারণ। যার ফলে হাদিকে প্রাণ দিতে হয়েছে।

প্রিয় পাঠক, পূর্ব পাকিস্তান আমলে যা শুনতাম তা হচ্ছে, এ দেশের ব্যাপকসংখ্যক শিল্পকারখানা হচ্ছে না, মানুষ কর্মসংস্থান পাচ্ছে না, আদমজী, দাউদ বাওয়ানি, ইস্পাহানি ইত্যাদি আলিশান আলিশান মিল ফ্যাক্টরিগুলোর নেতৃত্বে বাঙালি নাই। ছয়টি সুগার মিলে আখনামক কাঁচামাল নেই, এগুলো চলে যায় পশ্চিম পাকিস্তানে, ব্যাপক বৈষম্য হচ্ছে। এ দেশে চিনির দাম বেশি, পশ্চিম পাকিস্তানে অনেক কম। পাট উৎপন্ন হয় পূর্ব পাকিস্তানে, পাটজাত সামগ্রী প্রস্তুত হয় পশ্চিম পাকিস্তানে।

আমি আমার অভ্যাসগত কারণে আমার মুরুব্বিদের জিজ্ঞাসা করতাম, সে সময় পূর্ব পাকিস্তানে ছয়টি সুগার মিল, পশ্চিম পাকিস্তানে ১৭টি সুগার মিল, পূর্ব পাকিস্তানে আলিশান যে কটি পাট মিল, পশ্চিম পাকিস্তানে তার থেকে বেশি পাট মিল, তাহলে কেন পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে কাঁচা পাট এবং আখ জাহাজকে জাহাজ পাচার হয়? তারা উত্তরে বলতেন, পশ্চিম পাকিস্তানের কাঁচামাল দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের মিল চলে, পূর্ব পাকিস্তানের কাঁচামাল দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের মিল চলে। এ ক্ষেত্রে আমি বৈষম্যের বাতাবরণ মেলাতে পারি না। ১৯৭১-এর স্বাধীনতার পর শুধু চিনির মিল এবং পাট মিলই নয় উত্তরবঙ্গের কেন্দ্রস্থল বগুড়ার গ্লিসারিন সাবান তথা জানে সাবা সাবান, বগুড়া কটন অ্যান্ড স্পিনিং মিলের কম্বলসহ রকমারি গার্মেন্ট প্রোডাক্ট, ট্যানারিতে চামড়া প্রক্রিয়াজাত এবং রপ্তানিযোগ্য প্রোডাক্ট, গ্লাস ফ্যাক্টরি, ম্যাচ ফ্যাক্টরি, অটোজ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রিজ বগুড়ায় ছিল না-কি বলা মুশকিল। বর্তমান স্বাধীন বাংলাদেশে আদমজি, দাউদ বাওয়ানি ইত্যাদি বহুমুখী পাটশিল্প বন্ধ হয়ে গেল কেন?

লাখ লাখ শ্রমিক বেকার কেন? চিনির কলগুলো কোনোমতে ভর্তুকিতে ধুঁকে ধুঁকে চলছে। এগুলোর আগের অবস্থা এবং বর্তমান অবস্থা যারা একচোখে দুই দফার অবস্থা দেখেছে তাদের অন্তর কষ্টে জর্জরিত হয়ে হাদির অন্তরতুল্য হয়, তাতে লাভ কি? দেশের অধিকাংশ মানুষ যদি বাস্তবতা, সত্য ধারণা, চিন্তা-চেতনা না করে সে ক্ষেত্রে কার কী করার আছে!

দেশের রাজনৈতিক দলভুক্ত তৃণমূল পর্যায় থেকে মূল পর্যায় পর্যন্ত সবারই খাই খাই, পাই পাই প্রত্যাশা পূরণে হেন অপকাজ নাই যে তারা পরোক্ষভাবে এবং প্রত্যক্ষভাবে করতে উদ্যত হয় না। ২০২৪-এর জুলাইয়ে যা ঘটল তা বিপ্লব না অভ্যুত্থানের আভিধানিক অর্থের পার্থক্যে বৈষম্য দূরীকরণের চেতনাতে আমল দেওয়া হয় না। ফলে বিপ্লব দ্বারা ব্যক্তির পরিবর্তন শুধু নয়, বন্দোবস্তের পরিবর্তন, ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন, পদ্ধতির পরিবর্তন হতে হবে। যে পদ্ধতি দ্বারা এমপি-মন্ত্রীদের মধ্যে সেবা করার মনোভাব গড়ে উঠবে তেমনটিই কাম্য। তাহলে নমিনেশন পাওয়ার জন্য ন্যায্যবাদী ছাড়া অন্যরা আকাক্সক্ষা করবে না। দায়বদ্ধতা বড় কঠিন জিনিস, এই কঠিন কাজ করার জন্য ব্যক্তিসম্পদ আকাক্সক্ষীরা নির্বাচনে ব্যয় করে বেকায়দায় পড়তে চাইবেন না।

ন্যায্য ভোট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভালো মনের অধিকারী, সেবা করার আকাক্সক্ষী উপযুক্ত ব্যক্তিরাই শুধু নমিনেশন চাইবে। ধনসম্পদ আকাক্সক্ষীরা উদ্যোক্তা হবে, ব্যবসাবাণিজ্য করবে, মন্ত্রী-এমপিরা তাদের দায়বদ্ধতা থেকে উপযোগিতা অনুমানে অভিভাবকত্ব করবে। যে মন্ত্রী-এমপির অধিক সম্পদ হবে তার প্রতি নজরদারি বাড়াতে হবে, ফরমাল আদালত এবং জনআদালতে জবাবদিহি করতে হবে, এগুলোই হচ্ছে জুলাই সনদের চেতনা।

১২ ফেব্রুয়ারিতে গণভোট হবে এবং সংসদ সদস্য প্রার্থীদের ভোট হবে। মন্ত্রী-এমপির ভোটে সবাই সোচ্চার। গণভোটে গৌণ মানসিকতায় আছেন। কোনো একটি দেশের আমূল পরিবর্তন, বন্দোবস্তের পরিবর্তন করে বিপ্লবকে সার্থক না করলে বিপ্লবের জন্য বলপ্রয়োগকারী অ্যাক্টিভিস্ট নেতা-নেত্রীর প্রতি স্বীকৃতি এবং শহীদদের প্রতি সম্মান কোনোটাই হয় না, হলে হাদিদের আত্মহুতি দিতে হতো না।

ন্যায় এবং অন্যায়ের পাল্টাপাল্টি যুদ্ধ অনেক দিন জিইয়ে থাকে। তারপর কোনো না কোনো সময় ন্যায়ের যুদ্ধ জিতবেই, অন্যায়কারীদের অনিষ্ঠ হবে।

 

লেখক : প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক, টিএমএসএস

এই বিভাগের আরও খবর
নৃশংসতা
নৃশংসতা
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
ব্যভিচার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবন কলুষিত করে
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলোর দিশা
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
চালের দাম
চালের দাম
সর্বশেষ খবর
অষ্টগ্রাম উপজেলা উন্নয়ন ও কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
অষ্টগ্রাম উপজেলা উন্নয়ন ও কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

অপহৃত যুবক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩
অপহৃত যুবক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কলাপাড়ায় অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে দুই নারীসহ আটক ৪
কলাপাড়ায় অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে দুই নারীসহ আটক ৪

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ১০ হাজার বেসামরিক ভবন ধ্বংস
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ১০ হাজার বেসামরিক ভবন ধ্বংস

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৮১০ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৮১০ মামলা

৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

শেরপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
শেরপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্বাহী আদেশে ১৮ মার্চ ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি
নির্বাহী আদেশে ১৮ মার্চ ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থায় আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা সিরিজ স্থগিত
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থায় আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা সিরিজ স্থগিত

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শরীয়তপুর পৌরসভার ১৪ কিলোমিটারজুড়ে সিসি ক্যামেরা চালু
শরীয়তপুর পৌরসভার ১৪ কিলোমিটারজুড়ে সিসি ক্যামেরা চালু

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতে কুকুর হত্যার দায়ে ৩ আসামির ৩০ মাসের কারাদণ্ড
রাজধানীতে কুকুর হত্যার দায়ে ৩ আসামির ৩০ মাসের কারাদণ্ড

১৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

তেলের মজুত পর্যাপ্ত আছে, ঈদযাত্রায় সমস্যা হবে না : সেতুমন্ত্রী
তেলের মজুত পর্যাপ্ত আছে, ঈদযাত্রায় সমস্যা হবে না : সেতুমন্ত্রী

২০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

চিরিরবন্দরে ২৪ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩
চিরিরবন্দরে ২৪ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জাপানে খাদ্য রফতানির উদ্যোগ নেওয়া হবে: খাদ্যমন্ত্রী
জাপানে খাদ্য রফতানির উদ্যোগ নেওয়া হবে: খাদ্যমন্ত্রী

২৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপসহ কোন দল কত টাকা পাবে
চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপসহ কোন দল কত টাকা পাবে

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জ্বালানির মজুত নিয়ে যে সুখবর দিলেন মন্ত্রী
জ্বালানির মজুত নিয়ে যে সুখবর দিলেন মন্ত্রী

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

গোপালগঞ্জে নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কলেজছাত্র নিহত
গোপালগঞ্জে নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কলেজছাত্র নিহত

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঘোড়াঘাটে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
ঘোড়াঘাটে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক
ঈদে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক

৩৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির
ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্ম গুরুদের সম্মানী নির্ধারণ
ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্ম গুরুদের সম্মানী নির্ধারণ

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না : জ্বালানিমন্ত্রী
আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না : জ্বালানিমন্ত্রী

৪২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

ড্রেন নির্মাণের সময় দেওয়াল ধসে শ্রমিক নিহত
ড্রেন নির্মাণের সময় দেওয়াল ধসে শ্রমিক নিহত

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনে, নিহত ১২
রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনে, নিহত ১২

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্টার কাবাবে গ্রাহকদের ওপর কর্মীদের হামলা
স্টার কাবাবে গ্রাহকদের ওপর কর্মীদের হামলা

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

৫ বলে ৫ উইকেট নিয়ে বিশ্বরেকর্ড ব্রেট র‌্যান্ডেলের
৫ বলে ৫ উইকেট নিয়ে বিশ্বরেকর্ড ব্রেট র‌্যান্ডেলের

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টিউলিপকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ
টিউলিপকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় সেমাই কারখানায় অভিযান, দুই লাখ টাকা জরিমানা
বগুড়ায় সেমাই কারখানায় অভিযান, দুই লাখ টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?
ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প
বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'
হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান
যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা
ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা
সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী
রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?
ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি
হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব
শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত
ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত
তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ
নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান
সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলা করে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, চিন্তায় মিত্ররা
ইরানে হামলা করে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, চিন্তায় মিত্ররা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছে না ভেজালের কারবার
থামছে না ভেজালের কারবার

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র
হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

মাঠে ময়দানে

যানজট শঙ্কা মহাসড়কে
যানজট শঙ্কা মহাসড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি
বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি

নগর জীবন

রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা

প্রথম পৃষ্ঠা

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা

নগর জীবন

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

পেছনের পৃষ্ঠা

উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন
উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র

প্রথম পৃষ্ঠা

মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত
মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত

দেশগ্রাম

অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের
ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের

মাঠে ময়দানে

মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর
বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর

খবর

শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান
শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

নারী অধিকার নিয়ে শাবানা
নারী অধিকার নিয়ে শাবানা

শোবিজ

সামনে পাকিস্তান সিরিজ
সামনে পাকিস্তান সিরিজ

মাঠে ময়দানে

সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক
সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক

পূর্ব-পশ্চিম

দশম দিনে স্বস্তির আমেজ
দশম দিনে স্বস্তির আমেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী দিবসে কোনালের নারী যায় বাড়ি
নারী দিবসে কোনালের নারী যায় বাড়ি

শোবিজ