শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

জেন-জির প্রথম নির্বাচন

ড. এম মেসবাহউদ্দিন সরকার
প্রিন্ট ভার্সন
জেন-জির প্রথম নির্বাচন

জেন-জি বা জেনারেশন জেড, যাদের জন্ম মূলত ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে। এ প্রজন্ম বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য সময়ের সাক্ষী হয়ে বেড়ে উঠেছে। এরা জন্মের পর থেকেই দেখেছে মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম,  অনলাইন শিক্ষা, ডিজিটাল বিনোদন ও প্রযুক্তিনির্ভর জীবনব্যবস্থা। আগের প্রজন্ম যেখানে প্রযুক্তিকে ধীরে ধীরে গ্রহণ করেছে, সেখানে জেন-জি প্রযুক্তির মাঝেই বেড়ে উঠেছে। ফলে তাদের চিন্তাভাবনা, মূল্যবোধ, প্রত্যাশা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধরন আগের প্রজন্মের তুলনায় ভিন্ন। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ জেন-জি ভোটারদের একটি বড় অংশ প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এটি শুধু একটি নির্বাচন নয়, বরং তাদের নাগরিক জীবনের প্রথম বড় দায়িত্ব পালনের মুহূর্ত। এ প্রজন্ম রাজনীতিকে দেখে ডিজিটাল পর্দার ভিতর দিয়ে, ফেসবুক পোস্ট, ইউটিউব বিতর্ক, অনলাইন সংবাদ, টিকটক ভিডিও কিংবা লাইভ স্ট্রিমের মাধ্যমে। তারা রাজনীতিবিদদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করে, তুলনা করে, প্রশ্ন তোলে এবং তথ্য যাচাই করার চেষ্টা করে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। ফলে তাদের কাছে নির্বাচন মানে কেবল দলীয় প্রতীক নয়, নির্বাচন মানে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বাস্তবসম্মত প্রতিশ্রুতি। জেন-জি জানে, ভোট কেবল অধিকার নয়, এটি একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, যার মাধ্যমে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার পথে অংশ নিতে পারে। তাই তাদের প্রথম নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ যেমন প্রবল, তেমনি দায়িত্ববোধও তুলনামূলকভাবে গভীর।

জেন-জির বেড়ে ওঠার পরিবেশ ছিল প্রযুক্তিনির্ভর ও দ্রুত পরিবর্তনশীল। অনলাইন ক্লাস, ডিজিটাল লাইব্রেরি, ই-স্পোর্টস, ভার্চুয়াল গেমিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্ধুত্ব সব মিলিয়ে তাদের শিক্ষা, খেলাধুলা ও পারস্পরিক যোগাযোগের ধরন সম্পূর্ণ নতুন মাত্রা পেয়েছে। এ প্রজন্ম বৈশ্বিক চিন্তাধারার সঙ্গে পরিচিত, তারা শুধু বাংলাদেশের বাস্তবতা নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক আন্দোলনের খবরও নিয়মিত অনুসরণ করে। ফলে তারা প্রশ্ন করে কেন শিক্ষাব্যবস্থা আরও আধুনিক হবে না, কেন কর্মসংস্থান প্রযুক্তিনির্ভর হবে না, কেন দক্ষতার মূল্যায়ন হবে না, কেন দুর্নীতি থাকবে, কেন তরুণদের মতামত উপেক্ষিত হবে। জেন-জি দ্রুত তথ্য গ্রহণ করে এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায়। তারা চায় মেধাভিত্তিক সমাজ, উদ্ভাবনী অর্থনীতি, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। তাদের কাছে খেলাধুলা মানে শুধু মাঠে খেলা নয়, এটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও পেশাগত সম্ভাবনার জায়গা। যোগাযোগ মানে কেবল মুখোমুখি কথা নয়, এটি ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক, গ্লোবাল কমিউনিটি এবং তাৎক্ষণিক সংযোগ। এ প্রেক্ষাপটে জেন-জি এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাশা করে, যা তাদের ডিজিটাল জীবনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। প্রথম নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় তারা তাই খোঁজে এমন নেতৃত্ব, যারা প্রযুক্তিকে ভয় পায় না, বরং প্রযুক্তিকে উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে জানে।

নতুন নির্বাচিত সরকারের প্রতি জেন-জির প্রত্যাশা অত্যন্ত স্পষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক। তারা চায় একটি ভবিষ্যৎমুখী বাংলাদেশ, যেখানে শিক্ষা হবে দক্ষতাভিত্তিক, কর্মসংস্থান হবে বহুমুখী এবং প্রযুক্তিনির্ভর, রাষ্ট্র পরিচালনা হবে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক। জেন-জি বিশ্বাস করে, ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণার পরবর্তী ধাপ হওয়া উচিত অটোমেটেড বাংলাদেশ, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হবে। তারা চায় ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে দুর্নীতি করুক, সরকারি সেবা হোক সহজ ও দ্রুত, এবং নাগরিক হয়রানি দূর হোক। পাশাপাশি তারা পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন, মানসিক স্বাস্থ্য, লিঙ্গসমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের মতো বিষয়েও সচেতন। এ প্রজন্ম মুখস্থবিদ্যার রাজনীতি চায় না, তারা চায় ডেটা, পরিকল্পনা ও ফলাফলভিত্তিক রাজনীতি। নতুন সরকার যদি তরুণদের উদ্যোক্তা হতে সহায়তা করে, স্টার্টআপ সংস্কৃতি গড়ে তোলে, ফ্রিল্যান্সিং ও রিমোট কাজের সুযোগ বাড়ায়, তবে জেন-জি নিজেদের দেশেই ভবিষ্যৎ দেখতে পাবে। তারা আর শুধু চাকরিপ্রার্থী হতে চায় না, তারা হতে চায় চাকরিদাতা, উদ্ভাবক ও বিশ্বমানের নাগরিক। এ প্রত্যাশাগুলো পূরণ করাই হবে নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ও বড় সুযোগ।

জেন-জির প্রথম নির্বাচন আসলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্যও এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। এ প্রজন্ম যদি রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়, সচেতনভাবে ভোট দেয় এবং নির্বাচনের পরও নাগরিক দায়িত্ব পালন করে, তবে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে। জেন-জি প্রশ্ন করতে জানে, প্রতিবাদ করতে জানে এবং প্রয়োজনে শান্তিপূর্ণভাবে দাবি আদায় করতেও প্রস্তুত। তারা আবেগের চেয়ে যুক্তিকে বেশি গুরুত্ব দেয়, গুজবের চেয়ে যাচাইকৃত তথ্যকে প্রাধান্য দিতে শিখছে। তাই তাদের অংশগ্রহণ নির্বাচন আরও অর্থবহ করতে পারে। তবে এ প্রজন্মকে উপেক্ষা করলে বা শুধু ভোটের সময় গুরুত্ব দিলে তাদের মধ্যে হতাশা জন্মাতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। তাই জেন-জির আশা-আকাক্সক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে তাদের অংশগ্রহণমূলক বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুক্ত করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। প্রথম নির্বাচনের অভিজ্ঞতা জেন-জির রাজনৈতিক মানসিকতা গঠনে বড় ভূমিকা রাখবে। যদি তারা দেখে যে ভোটের মাধ্যমে সত্যিই পরিবর্তন আসে, তবে তারা গণতন্ত্রে আস্থা রাখবে। আর সেই আস্থা থেকেই গড়ে উঠবে একটি দায়িত্বশীল, প্রযুক্তিনির্ভর, মানবিক ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ, যেটি জেন-জির স্বপ্ন, প্রত্যাশা এবং তাদের প্রথম নির্বাচনের মূল প্রেরণা।

লেখক : অধ্যাপক ও আইটি গবেষক

আইআইটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
চালের দাম
চালের দাম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ
ইতিকাফ রমাদানের অবহেলিত ইবাদত
ইতিকাফ রমাদানের অবহেলিত ইবাদত
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ব্যবসায় অনিশ্চয়তা
ব্যবসায় অনিশ্চয়তা
আতঙ্কে প্রবাসীরা
আতঙ্কে প্রবাসীরা
ক্রিস্টোফার কলম্বাস
ক্রিস্টোফার কলম্বাস
শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন
শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
নারীদের জন্য বাস
নারীদের জন্য বাস
সর্বশেষ খবর
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ
শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়
মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন
গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা
ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস
কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল
জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক
শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার
১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল
তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু
নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি
৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা
অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার
বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট
২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের
শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?
ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প
অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা
বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম
আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?
মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত
একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি
মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ক্ষমতার শীর্ষে উঠছেন যিনি, তাকে কেন চেনেন না অনেক ইরানি?
ইরানের ক্ষমতার শীর্ষে উঠছেন যিনি, তাকে কেন চেনেন না অনেক ইরানি?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল
আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি
শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা
তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?
ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইভী-বদিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত
আইভী-বদিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট
কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?
সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের
শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?
ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন
ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ
উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিশাল ক্ষতি চাপে ট্রাম্প
বিশাল ক্ষতি চাপে ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

বেরিয়ে আসছে উপদেষ্টাদের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য
বেরিয়ে আসছে উপদেষ্টাদের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে ফেনীতে ফিলিপাইনের তরুণী
প্রেমের টানে ফেনীতে ফিলিপাইনের তরুণী

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে
মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পোস্টালে জয়পরাজয়
পোস্টালে জয়পরাজয়

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে যাওয়া আসার রাষ্ট্রাচার পরিবর্তন
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে যাওয়া আসার রাষ্ট্রাচার পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ইফতার পার্টিতে জমজমাট চট্টগ্রামের রাজনীতি
ইফতার পার্টিতে জমজমাট চট্টগ্রামের রাজনীতি

নগর জীবন

অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর
অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর

প্রথম পৃষ্ঠা

কোরিয়ার বিপক্ষেও নির্ভার নারীরা
কোরিয়ার বিপক্ষেও নির্ভার নারীরা

মাঠে ময়দানে

ব্যাংক হিসাব দেখে কি দুর্নীতিবাজ চেনা যায়?
ব্যাংক হিসাব দেখে কি দুর্নীতিবাজ চেনা যায়?

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীরে ২০টি আঘাতের চিহ্ন, থানায় মামলা
শরীরে ২০টি আঘাতের চিহ্ন, থানায় মামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

২০০ রোগের উৎস স্থূলতা
২০০ রোগের উৎস স্থূলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’
পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’

প্রথম পৃষ্ঠা

বাজেট ভাবনায় যুদ্ধের প্রভাব
বাজেট ভাবনায় যুদ্ধের প্রভাব

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা
ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়াসিমের পেটে ঢুকছিল জোঁক
ওয়াসিমের পেটে ঢুকছিল জোঁক

শোবিজ

ভারত আবারও ফাইনালে
ভারত আবারও ফাইনালে

মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরায় নারীদের অন্যতম পছন্দ মারিয়াবি, সারারা
বসুন্ধরায় নারীদের অন্যতম পছন্দ মারিয়াবি, সারারা

নগর জীবন

সব যেন আগের মতো ঠিক হয়ে যায়
সব যেন আগের মতো ঠিক হয়ে যায়

শোবিজ

২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল
২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল

প্রথম পৃষ্ঠা

নদী দূষণের অভিযোগ ভিত্তিহীন
নদী দূষণের অভিযোগ ভিত্তিহীন

খবর

হেক্সা মিশনে বসুন্ধরা কিংস
হেক্সা মিশনে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন টিটি তারকা লিনু
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন টিটি তারকা লিনু

মাঠে ময়দানে

জ্বালানি সাশ্রয়ে বাড়বে লোডশেডিং
জ্বালানি সাশ্রয়ে বাড়বে লোডশেডিং

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর
ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্দোষ শিল্পা শেঠি
নির্দোষ শিল্পা শেঠি

শোবিজ

রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি
রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া
স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

পেদ্রোর প্রথম হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল ভিলা
পেদ্রোর প্রথম হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল ভিলা

মাঠে ময়দানে