শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ সর্বজনীন ভোটাধিকার

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ সর্বজনীন ভোটাধিকার

এই লেখাটি যখন তৈরি করছি তখন বাংলাদেশে ভোট হচ্ছে। নানা জায়গায় যোগাযোগ করে যতদূর জানতে পেরেছি প্রায় সব কেন্দ্রে মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। সকালের দিকে ঢাকার বাইরে অনেক কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে। অন্যদিকে সামাজিক অপসংবাদের ছড়াছড়ি। বুধবার দিবাগত রাতে এমন সব ভিডিও আপলোড করা হয়েছে, যেগুলো দেখে অনেকে বিভ্রান্ত হয়েছেন। আসলে সেসবের বেশির ভাগই ছিল অসত্য। পাঠক যখন লেখাটি পড়ছেন, তখন সবকিছু পরিষ্কার হয়ে গেছে। দেশের একদল মানুষ এখন উদ্যাপন করছে বিজয় উৎসব। যারা প্রত্যাশিত ফল পাননি বোধগম্য কারণেই তারা বিমর্ষ। কেউ কেউ ক্ষুব্ধ-ক্রুদ্ধ। গণতন্ত্রের শেষ কথা হলো জনগণের রায়। গণতন্ত্র মানলে জনগণের অধিকাংশের দেওয়া মতামত মাথা পেতে নিতে হবে। কারণ গণতন্ত্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রতীকী ভিত্তি হলো ভোটাধিকার। ‘জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য’-এই আদর্শ কেবল তখনই সার্থক হয়, যখন রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক সমানভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার ভোগ করেন। আমাদের দেশে সাংবিধানিকভাবে সর্বজনীন ভোটাধিকার স্বীকৃত হলেও বাস্তবে ভিন্নরূপ দেখার তিক্ত অভিজ্ঞতাও আমাদের রয়েছে। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর স্বাধীন দেশে সর্বজনীন ভোটাধিকার স্বীকৃত হলেও গণতন্ত্রের পথ, বিশেষ করে পাকিস্তানে মসৃণ ছিল না। গণতন্ত্র বারবার হোঁচট খেয়েছে রাজনৈতিক হঠকারিতা ও সামরিক হস্তক্ষেপের কারণে।

সর্বজনীন ভোটাধিকার আধুনিক গণতন্ত্রের প্রাণভোমরা। নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ, ধনী-গরিবনির্বিশেষে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের সমান ভোটাধিকার এই নীতিই গণতন্ত্রকে নৈতিক বৈধতা দেয়। তবে উপমহাদেশে এই নীতির প্রতিষ্ঠা ও প্রয়োগ ছিল জটিল, সংগ্রামময় এবং কখনো কখনো সংকটসঙ্কুল। পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশ তিন রাষ্ট্রের ইতিহাসে আমরা গণতান্ত্রিক সাফল্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত যেমন পাই, তেমনি পাই গভীর সংকট ও পেছনে হাঁটার উদাহরণ।

ফাইজুস সালেহীনব্রিটিশ শাসনামলে ভারতবর্ষে ভোটাধিকার ছিল সীমিত ও শর্তসাপেক্ষ। ১৯০৯ সালের মিন্টো-র্মলে সংস্কার এবং ১৯১৯ সালের মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার সীমিত পরিসরে নির্বাচনিব্যবস্থা চালু করলেও তা ছিল সম্পত্তি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর প্রদানের শর্ত দ্বারা সীমায়িত। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন নির্বাচনের পরিধি বাড়লেও সর্বজনীন ভোটাধিকারের ধারণা তখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বস্তুত উপমহাদেশে প্রকৃত সর্বজনীন ভোটাধিকার আসে দেশভাগের মধ্য দিয়ে দুটো নতুন রাষ্ট্র গঠনের পর।

১৯৫০ সালের সংবিধানে ভারত প্রাপ্তবয়স্ক সব নাগরিককে (প্রথমে ২১ বছর, পরে ১৮ বছর) ভোটাধিকার প্রদান করে। ১৯৫১ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচন ছিল বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক আয়োজন। নিরক্ষরতা, দারিদ্র্য ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এই নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হয়। ভারতের সাফল্যের মূল শক্তি ছিল একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, সাংবিধানিক কাঠামোর স্থায়িত্ব এবং সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা। নিয়মিত নির্বাচন, ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর এবং বিচার বিভাগের সক্রিয়তা ভারতীয় গণতন্ত্রকে দৃঢ় ভিত্তি দেয়। যদিও ভারতে গণতন্ত্র ও তার সৌন্দর্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তবে ভারতও সংকটমুক্ত ছিল না। ১৯৭৫-৭৭ সালের জরুরি অবস্থা গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর বড় আঘাত হানে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়, বিরোধী নেতারা গ্রেপ্তার হন। কিন্তু ১৯৭৭ সালের নির্বাচনে জনগণের রায় জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে জনরায় প্রমাণ করে, সর্বজনীন ভোটাধিকার কেবল একটি আইনি অধিকার নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধের শক্তিশালী হাতিয়ারও বটে।

পক্ষান্তরে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ইতিহাস পূর্বাপর অস্থির। ১৯৪৭ সালে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর সংবিধান প্রণয়ন বিলম্বিত হয়। ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র সর্বজনীন ভোটাধিকারের স্বীকৃতি দিলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে।

১৯৫৮ সালে জেনারেল আইউব খানের সামরিক শাসন গণতান্ত্রিক ধারা রুখে দেয় বেসিক ডেমোক্র্যাসি চালুর মধ্য দিয়ে। মৌলিক গণতন্ত্রের নামে পরোক্ষ নির্বাচনি পদ্ধতি চালু হয়, যা প্রকৃত অর্থে সর্বজনীন ভোটাধিকারের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ছিল পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম প্রকৃত সর্বজনীন ও তুলনামূলকভাবে অবাধ নির্বাচন। তাতে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। কিন্তু ক্ষমতা হস্তান্তরে অনীহা ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ফলেই ঘটে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। বাংলাদেশেও গণতন্ত্রের পথ মসৃণ নয়। সামরিক শাসন এবং কর্তৃত্ববাদী শাসন আমাদের গণতন্ত্রের পথ কণ্টকিত করেছে বারবার। ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। যদিও নিয়ম করে নির্বাচন হয়েছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানে ২০০৮ সালের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলেও সামরিক ও অসামরিক শক্তির টানাপোড়েনে গণতন্ত্র এখনো সে দেশে শক্তিহীন। আজ সর্বজনীন ভোটাধিকারের যে ধারণাকে আমরা সমুন্নত রাখতে চাই, তার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রাম, বিতর্ক, আন্দোলন ও রক্তাক্ত ইতিহাস। বিশ্বে সর্বজনীন ভোটাধিকার কোনো এক বছরে বা একক সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এটি ছিল ধাপে ধাপে অর্জিত এক রাজনৈতিক বিবর্তন। প্রথম দিকে ভোটাধিকার ছিল কেবল ধনী, জমিদার বা করদাতা পুরুষদের জন্য সীমাবদ্ধ। সমাজের বৃহৎ অংশ নারী, শ্রমজীবী মানুষ, বর্ণগত বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এই অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করে। ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ড প্রথম দেশ হিসেবে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে, যা বিশ্ব রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন। তবে তখনো সব দেশে নারী-পুরুষের সমান রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৯০৬ সালে ফিনল্যান্ড নারী-পুরুষের সমান ভোটাধিকার নিশ্চিত করে এবং ১৯০৭ সালের সংসদ নির্বাচনে নারীরা কেবল ভোটই দেননি, প্রার্থী হিসেবেও অংশগ্রহণ করেন। অনেক ইতিহাসবিদের মতে, এটিই ছিল বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন।

ব্রিটেনে ১৯১৮ সালে নারীদের আংশিক ভোটাধিকার দেওয়া হয়, কিন্তু বয়স ও সম্পত্তির শর্ত ছিল। অবশেষে ১৯২৮ সালে নারী-পুরুষ সমান ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ১৯২০ সালে সংবিধানের ১৯তম সংশোধনীর মাধ্যমে নারীরা ভোটাধিকার পান। তবে বাস্তবে বর্ণবৈষম্য ও প্রাতিষ্ঠানিক বাধার কারণে আফ্রিকান-আমেরিকান নাগরিকদের পূর্ণ ভোটাধিকার কার্যকর হতে আরও কয়েক দশক সময় লেগেছে। অর্থাৎ আইনগত স্বীকৃতি ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে ব্যবধানও ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

এই দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস আমাদের একটি মৌলিক সত্য স্মরণ করিয়ে দেয় যে ভোটাধিকার কেবল একটি আইনি প্রক্রিয়া নয়; এটি রাজনৈতিক সমতা ও মানবিক মর্যাদার স্বীকৃতি। যখন একজন দরিদ্র কৃষক, একজন শ্রমিক, একজন নারী কিংবা কোনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য একই ব্যালট বাক্সে সমান শক্তিতে ভোট প্রদান করেন, তখনই গণতন্ত্রের নৈতিক ভিত্তি দৃঢ় হয়।

তবে প্রশ্ন থেকে যায়, সর্বজনীন ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হলেই কি গণতন্ত্র পূর্ণতা পায়? ইতিহাস বলে, কেবল ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলেই গণতন্ত্র কার্যকর হয় না। প্রয়োজন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন; প্রয়োজন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা; প্রয়োজন রাষ্ট্রযন্ত্রের নিরপেক্ষতা। অনেক দেশেই সর্বজনীন ভোটাধিকার আইনগতভাবে স্বীকৃত, কিন্তু নির্বাচনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে দেখা যায়। ফলে গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি কেবল ভোটাধিকারের ওপর নয়, বরং তা নির্ভর সেই ভোটের সুষ্ঠু প্রয়োগের পরিবেশের ওপরও।

আজকের গণতান্ত্রিক বিশ্বে সর্বজনীন ভোটাধিকার সর্বত্র স্বীকৃত নীতি। তবু কোনো কোনো দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামরিক শাসন, কিংবা একদলীয় কর্তৃত্ববাদ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। আবার কোথাও কোথাও ভোটার দমন, ভুয়া তথ্যের বিস্তার, কিংবা প্রশাসনিক অপব্যবহার নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এসব বাস্তবতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সর্বজনীন ভোটাধিকার অর্জন এক ঐতিহাসিক বিজয় হলেও, তা রক্ষা করা আরও বড় দায়িত্ব।

বাংলাদেশসহ বহু উন্নয়নশীল দেশের জন্য সর্বজনীন ভোটাধিকারের ইতিহাস বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ত্যাগের ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত। তাই সর্বজনীন ভোটাধিকারের ধারণাকে কেবল একটি সাংবিধানিক রীতি হিসেবে নয়, বরং একটি নৈতিক অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচনা করা জরুরি। ভোট যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতা না হয়ে ওঠে; বরং নাগরিকের আস্থা ও অংশগ্রহণের বাস্তব মাধ্যম হয়ে উঠুক-এমনটাই প্রত্যাশিত। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পরবর্তী ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য অনেক রাজনৈতিক শক্তি কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠে। নিজেরা আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পথ রচনা করে নিজেরাই আবার সে পথে কাঁটা বিছিয়ে দেয়। এই মানসিকতা পরিত্যাজ্য।

বিশ্ব ইতিহাসের আলোকে বলা যায়, সর্বজনীন ভোটাধিকার মানবসভ্যতার এক অনন্য অর্জন। এটি আমাদের শিখিয়েছে-রাজনৈতিক সমতা হঠাৎ করে পাওয়া যায় না; তা আদায় করে নিতে হয়। আজকের প্রজন্মের দায়িত্ব হলো সেই অর্জনকে সংরক্ষণ করা, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে একটি কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হস্তান্তর করা।

গণতন্ত্রের প্রাণশক্তি নিহিত থাকে জনগণের হাতে। আর সেই শক্তির প্রতীকই হলো ব্যালট, যা নীরব অথচ প্রভাবশালী। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, এই নীরব শক্তিই শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের গতিপথ নির্ধারণ করে।

                লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
ব্যবসায় অনিশ্চয়তা
ব্যবসায় অনিশ্চয়তা
আতঙ্কে প্রবাসীরা
আতঙ্কে প্রবাসীরা
ক্রিস্টোফার কলম্বাস
ক্রিস্টোফার কলম্বাস
শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন
শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
নারীদের জন্য বাস
নারীদের জন্য বাস
উপসাগরীয় যুদ্ধ
উপসাগরীয় যুদ্ধ
উত্তরাধিকারের রাজনীতি
উত্তরাধিকারের রাজনীতি
কবিরা গুনাহ জুলুম
কবিরা গুনাহ জুলুম
কোটি কর্মসংস্থানের কর্মসূচি
কোটি কর্মসংস্থানের কর্মসূচি
সর্বশেষ খবর
সতীর্থদের বোলিংয়ের প্রশংসা করলেন ম্যাট হেনরি
সতীর্থদের বোলিংয়ের প্রশংসা করলেন ম্যাট হেনরি

২৮ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন

১ মিনিট আগে | জাতীয়

টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো ইংল্যান্ড
টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো ইংল্যান্ড

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হলুদ-মরিচের বস্তায় মাদক পাচার, আটক ১
হলুদ-মরিচের বস্তায় মাদক পাচার, আটক ১

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, জরিমানা
গাজীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, জরিমানা

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রজনীকান্তের ছবিতে শাহরুখের ক্যামিও চূড়ান্ত, এলো ভেতরের খবর
রজনীকান্তের ছবিতে শাহরুখের ক্যামিও চূড়ান্ত, এলো ভেতরের খবর

১৫ মিনিট আগে | শোবিজ

ভিভিআইপি মর্যাদায় কী কী সুবিধা পাবেন ড. ইউনূস
ভিভিআইপি মর্যাদায় কী কী সুবিধা পাবেন ড. ইউনূস

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

কলাপাড়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ, কর্মী হত্যার বিচার দাবি
কলাপাড়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ, কর্মী হত্যার বিচার দাবি

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পেশিতে চোট পেলেন হ্যারি কেইন
পেশিতে চোট পেলেন হ্যারি কেইন

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে : ইশরাক
বিএনপি শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে : ইশরাক

৩২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি প্যানেল বিজয়ী
চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি প্যানেল বিজয়ী

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে ঋণী ও সাহসী করেছেন: জিলানী
আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে ঋণী ও সাহসী করেছেন: জিলানী

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে আবারও দুই জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ১৪ জন
সুন্দরবনে আবারও দুই জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ১৪ জন

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্রীলঙ্কার জলসীমায় আরেকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ, ফের হামলার শঙ্কা
শ্রীলঙ্কার জলসীমায় আরেকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ, ফের হামলার শঙ্কা

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরে থাকবেন ৪ জন
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরে থাকবেন ৪ জন

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
গাইবান্ধায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সুনামগঞ্জে গিভহোপের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন
সুনামগঞ্জে গিভহোপের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৪৭ মিনিট আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে বিভেদ তৈরি করতেই ইরানে হামলা: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে বিভেদ তৈরি করতেই ইরানে হামলা: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফগানিস্তানের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান
আফগানিস্তানের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি জেলে আহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি জেলে আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফেব্রুয়ারিতে ১৩১ কোটি টাকার চোরাচালান জব্দ : বিজিবি
ফেব্রুয়ারিতে ১৩১ কোটি টাকার চোরাচালান জব্দ : বিজিবি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে ৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে ৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নীলফামারীতে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারে অভিযান, জরিমানা
নীলফামারীতে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারে অভিযান, জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্যাস সংকটে বন্ধ সিইউএফএল-কাফকো সার কারখানা
গ্যাস সংকটে বন্ধ সিইউএফএল-কাফকো সার কারখানা

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‘মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ইরানের ড্রোন প্রতিহত করতে সক্ষম নয়’
‘মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ইরানের ড্রোন প্রতিহত করতে সক্ষম নয়’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প
বগুড়ায় স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই রিকশাচালকের মারামারি থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবদল নেতার
দুই রিকশাচালকের মারামারি থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবদল নেতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধার দুর্গম চরাঞ্চলে অন্ধকার দূর করছে সৌরবিদ্যুৎ
গাইবান্ধার দুর্গম চরাঞ্চলে অন্ধকার দূর করছে সৌরবিদ্যুৎ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান
সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জন্য বড় দুঃসংবাদ
ইরানের জন্য বড় দুঃসংবাদ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ, যা বললো ভারত
ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ, যা বললো ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কয়েক হাজার কুর্দি যোদ্ধার ইরানে প্রবেশের দাবি, যা বললো তেহরান
কয়েক হাজার কুর্দি যোদ্ধার ইরানে প্রবেশের দাবি, যা বললো তেহরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৮ মার্চও ছুটির প্রস্তাব, অনুমোদন পেলে ঈদের ছুটি হবে ৭ দিন
১৮ মার্চও ছুটির প্রস্তাব, অনুমোদন পেলে ঈদের ছুটি হবে ৭ দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ফাত্তাহ-২ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো অসম্ভব: রিপোর্ট
ইরানের ফাত্তাহ-২ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো অসম্ভব: রিপোর্ট

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন, যে আলাপ করলেন
কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন, যে আলাপ করলেন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন
ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর হিসাব তলব
আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর হিসাব তলব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বের সব প্রান্তে হামলা চালাতে পারবে এমন মিসাইল পরীক্ষা করল যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বের সব প্রান্তে হামলা চালাতে পারবে এমন মিসাইল পরীক্ষা করল যুক্তরাষ্ট্র

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান কী সামরিক সহায়তা চেয়েছে? জানাল রাশিয়া
ইরান কী সামরিক সহায়তা চেয়েছে? জানাল রাশিয়া

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উ. কোরিয়ার সাথে মিলে আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল বানাচ্ছে ইরান?
উ. কোরিয়ার সাথে মিলে আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল বানাচ্ছে ইরান?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চোখ অন্ধ করে দিয়েছি: আইআরজিসি
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চোখ অন্ধ করে দিয়েছি: আইআরজিসি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা চেষ্টা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা চেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে যুদ্ধ, চোরাবালিতে আটকে গেছেন ট্রাম্প
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে যুদ্ধ, চোরাবালিতে আটকে গেছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অ্যালেনের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে আফ্রিকাকে উড়িয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
অ্যালেনের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে আফ্রিকাকে উড়িয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি মিসাইল হামলায় জাহাজ পুড়ে ছাই, ২ ভারতীয় নিহত
ইরানি মিসাইল হামলায় জাহাজ পুড়ে ছাই, ২ ভারতীয় নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমেরিকা ফার্স্ট নাকি ইসরায়েল’ প্রশ্ন ইরানি নিরাপত্তা প্রধানের
‘আমেরিকা ফার্স্ট নাকি ইসরায়েল’ প্রশ্ন ইরানি নিরাপত্তা প্রধানের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধের মাঝেই আরেক দেশে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান
ইরান যুদ্ধের মাঝেই আরেক দেশে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আক্রমণ ছাড়া কোনো পথ ছিল না, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের বার্তা
আক্রমণ ছাড়া কোনো পথ ছিল না, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের বার্তা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুবে যাওয়া ইরানি জাহাজ থেকে ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার
ডুবে যাওয়া ইরানি জাহাজ থেকে ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেভাডায় শতাধিক ভূমিকম্প, যুক্তরাষ্ট্র কি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে?
নেভাডায় শতাধিক ভূমিকম্প, যুক্তরাষ্ট্র কি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ৮৬ শতাংশ কমে এসেছে: জেনারেল কেইন
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ৮৬ শতাংশ কমে এসেছে: জেনারেল কেইন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টায় ইরানকে জড়ালেন পাকিস্তানি ব্যবসায়ী!
যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টায় ইরানকে জড়ালেন পাকিস্তানি ব্যবসায়ী!

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ হবে না, ঘোষণা ইরানের
লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ হবে না, ঘোষণা ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাশিয়ার গুরুতর অভিযোগ
ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাশিয়ার গুরুতর অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল
ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে ‘সামরিক সরঞ্জাম’ পাঠিয়েছে অস্ট্রেলিয়া
মধ্যপ্রাচ্যে ‘সামরিক সরঞ্জাম’ পাঠিয়েছে অস্ট্রেলিয়া

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খামেনি হত্যাকাণ্ড, পুতিনকে ভয় পেতেই হচ্ছে?
খামেনি হত্যাকাণ্ড, পুতিনকে ভয় পেতেই হচ্ছে?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি
হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইরানের সাঁড়াশি আক্রমণ
ইরানের সাঁড়াশি আক্রমণ

প্রথম পৃষ্ঠা

রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড
রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

সম্পাদকীয়

সৌদি আরব গেলেন জামায়াত আমির
সৌদি আরব গেলেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জ্বালানি তেলের মজুত বাড়াতে হুলস্থুল
জ্বালানি তেলের মজুত বাড়াতে হুলস্থুল

নগর জীবন

ট্রফি ভরা আবাহনী এখন ট্রফিশূন্য
ট্রফি ভরা আবাহনী এখন ট্রফিশূন্য

মাঠে ময়দানে

চাল পর্যাপ্ত তবু কমছে না দাম
চাল পর্যাপ্ত তবু কমছে না দাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এজাজের দুর্নীতি তদন্তে নামছে ডিএনসিসি
এজাজের দুর্নীতি তদন্তে নামছে ডিএনসিসি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের কান্না কি কেউ শুনতে পায়?
পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের কান্না কি কেউ শুনতে পায়?

প্রথম পৃষ্ঠা

সরকারি পরিত্যক্ত ভবন স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশ
সরকারি পরিত্যক্ত ভবন স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢাকায় ব্যস্ত পল কাপুর
ঢাকায় ব্যস্ত পল কাপুর

প্রথম পৃষ্ঠা

আফঈদাদের সামনে এবার উত্তর কোরিয়া
আফঈদাদের সামনে এবার উত্তর কোরিয়া

মাঠে ময়দানে

রোজা রাখতে অপারগ যারা
রোজা রাখতে অপারগ যারা

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ফিরছে বিলবোর্ড!
সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ফিরছে বিলবোর্ড!

রকমারি নগর পরিক্রমা

খামেনির উত্তরসূরি হলেন মোজতবা
খামেনির উত্তরসূরি হলেন মোজতবা

প্রথম পৃষ্ঠা

জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় রেশনিং
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় রেশনিং

প্রথম পৃষ্ঠা

চাটাইয়ে বসে ব্র্যাকের কার্যক্রম শুনলেন জাইমা রহমান
চাটাইয়ে বসে ব্র্যাকের কার্যক্রম শুনলেন জাইমা রহমান

নগর জীবন

হুমকির মুখে শ্রমবাজার
হুমকির মুখে শ্রমবাজার

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো রাজশাহী
হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো রাজশাহী

রকমারি নগর পরিক্রমা

মাথার ওপর মিসাইল কাজ নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রবাসীরা
মাথার ওপর মিসাইল কাজ নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রবাসীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বসুন্ধরা সিটিতে ঈদের কেনাকাটা উৎসব
বসুন্ধরা সিটিতে ঈদের কেনাকাটা উৎসব

নগর জীবন

নাগরিক প্রত্যাশা পূরণের কেন্দ্রবিন্দু হবে সিসিক
নাগরিক প্রত্যাশা পূরণের কেন্দ্রবিন্দু হবে সিসিক

পেছনের পৃষ্ঠা

মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ

সম্পাদকীয়

হেসেখেলে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
হেসেখেলে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট

সম্পাদকীয়

পাওনা টাকা-পারিবারিক বিরোধে সংঘর্ষ
পাওনা টাকা-পারিবারিক বিরোধে সংঘর্ষ

দেশগ্রাম

দুই উপদেষ্টা এবং আটজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন
দুই উপদেষ্টা এবং আটজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন

পেছনের পৃষ্ঠা

সকাল ৯টায় এসে ৪০ মিনিট অবস্থান বাধ্যতামূলক
সকাল ৯টায় এসে ৪০ মিনিট অবস্থান বাধ্যতামূলক

পেছনের পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড ও ভিসা প্রসেসিং ফি বাড়ল
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড ও ভিসা প্রসেসিং ফি বাড়ল

পেছনের পৃষ্ঠা