শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

জীবন বদলে দেওয়া প্রাচীন দর্শন

ড. জাহাঙ্গীর আলম সরকার
প্রিন্ট ভার্সন
জীবন বদলে দেওয়া প্রাচীন দর্শন

আধুনিক জীবনের অস্থির দৌড়ঝাঁপ যেন থামার নামই জানে না। প্রতিদিনের ব্যস্ততা, দায়িত্বের চাপ ও অগণিত প্রত্যাশার ভারে মানুষ ক্রমেই নিজের ভিতরের স্থিরতা হারিয়ে ফেলছে। চারপাশের শব্দ, সংবাদ, প্রতিযোগিতা ও উৎকণ্ঠা আমাদের অন্তর্গত শান্তিকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছে। এমন এক সময়ে মানুষ থেমে দাঁড়াতে চায়-নিজেকে শুনতে চায়, নিজের অন্তর্দৃষ্টির কাছে ফিরে যেতে চায়।

এই সন্ধিক্ষণে আমাদের পথ দেখাতে পারে প্রাচীন চীনের মহান দার্শনিক লাও জু এবং তাঁর অমর গ্রন্থ তাও তে চিং। এটি শুধু একটি দর্শনগ্রন্থ নয়; এটি এক জীবনবোধের আলো, যা আজও মানুষকে শেখায় কীভাবে প্রকৃতির সঙ্গে সুর মিলিয়ে, জোরজবরদস্তি ছাড়াই, সহজ ও স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করা যায়। এর প্রতিটি বাণী যেন নীরব বাতাসের মতো হৃদয়ে প্রবাহিত হয়, মানুষের ভিতরের জটিলতা সরিয়ে দিয়ে জানিয়ে দেয়, জীবনের গভীর সত্য লুকিয়ে আছে সরলতার মধ্যেই।

লাও জুর দর্শন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, জীবনের প্রতিটি সংকট ও অস্থিরতা আসলে আমাদের প্রজ্ঞার পরীক্ষা। আমরা যখন প্রকৃতির প্রবাহের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করি, যখন হৃদয় ও মনকে প্রশান্তির পথে ছেড়ে দিই, তখন অনেক জটিলতাই আপনা-আপনি মুছে যায়। জীবন তখন আর শুধু টিকে থাকার সংগ্রাম নয়; বরং হয়ে ওঠে এক ছন্দময় যাত্রা, যেখানে প্রতিটি মুহূর্তের সৌন্দর্য ধরা পড়ে। তাও তে চিং-এর অন্যতম মৌলিক ধারণা হলো উ ওয়ে-অর্থাৎ জোর না করেও কাজ সম্পন্ন করার পথ। আধুনিক মানুষ মনে করে, সাফল্যের জন্য অবিরাম সংগ্রাম, চাপ ও অতিরিক্ত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। কিন্তু লাও জু শেখান, প্রকৃত শক্তি আসে স্বাভাবিক প্রবাহের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মধ্য দিয়ে।

নদীর দিকে তাকালেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়। নদী কখনো পাথরের সঙ্গে যুদ্ধ করে না; সে মৃদু স্রোতে বাঁক নিয়ে এগিয়ে যায়। বাধাকে ঘিরেই সে নিজের পথ তৈরি করে। উ ওয়ে ঠিক তেমনই-সংঘর্ষ নয়, বরং সামঞ্জস্যই জীবনের প্রকৃত কৌশল। এই দর্শন আমাদের জানায়, অতিরিক্ত চাপ মানসিক ক্লান্তি বাড়ায়, কিন্তু সহজতা মনকে স্থির রাখে। যখন আমরা স্বাভাবিক ছন্দে কাজ করি, তখন লক্ষ্য অর্জন হয় আরও সুচারুভাবে। উ ওয়ে কোনো নিষ্ক্রিয়তা নয়; এটি হলো সচেতনভাবে প্রকৃতির সঙ্গে সুর মেলানোর শক্তি।

তাওবাদী দর্শনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো সরলতা। আধুনিক মানুষ ভাবে-যত বেশি তথ্য, তত বেশি জ্ঞান। কিন্তু বাস্তবে গভীর উপলব্ধি আসে কম অথচ অর্থবহ বোধ থেকে। লাও জু বলেন, প্রকৃত জ্ঞান কখনো জটিল নয়। সরলতা মানে অজ্ঞতা নয়; বরং অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি ছেঁটে ফেলে জীবনের মূল সত্যে পৌঁছানো। যখন চিন্তা সরল হয়, দৃষ্টি পরিষ্কার হয়, তখন মানুষ সহজেই বুঝতে পারে কোন বিষয়টি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। নিরিবিলি সকালে নদীর ধারে বসে প্রকৃতিকে দেখার মতো-যখন মন তথ্যের ভারে জর্জরিত থাকে, তখন সৌন্দর্য ধরা পড়ে না। কিন্তু শান্ত মন সবকিছু অনুভব করতে পারে। জীবনেও তাই, কম অথচ গভীর মনোযোগই এনে দেয় পরিপূর্ণতা। তাওবাদী দর্শনে নেতৃত্বের ধারণাও ব্যতিক্রমী। আধুনিক ধারণায় নেতা মানেই কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু তাও তে চিং-এ নেতা হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি নিঃশব্দ প্রজ্ঞায় পথ দেখান।

প্রকৃত নেতা নিজের ক্ষমতা প্রদর্শন করেন না। তিনি আদেশে নয়, উদাহরণে নেতৃত্ব দেন। তাঁর উপস্থিতিই মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। এটি কোনো জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণ নয়; বরং এমন এক নীরব প্রভাব, যা মানুষের ভিতরের শক্তিকে জাগিয়ে তোলে। এই দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের শেখায়-নেতৃত্ব মানে দাপট নয়, বরং স্থিরতা, নম্রতা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক।

পরিবার হোক বা কর্মক্ষেত্র-এ ধরনের নেতৃত্ব সমাজকে আরও সুসংহত ও মানবিক করে তোলে। জীবন আমাদের বারবার অস্থিরতার ঢেউয়ে নিক্ষেপ করে। কঠিন সময়ে শান্ত থাকা সহজ নয়। কিন্তু লাও জু শেখান-শান্তি আসে পরিস্থিতির বিরুদ্ধে লড়াই করে নয়, বরং তা গ্রহণ করার মাধ্যমে। ঝড়ের মাঝেও নদী যেমন তার পথ ছাড়ে না, মানুষও তেমনি স্থির থাকতে পারে-যদি সে প্রবাহের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে শেখে। বলপ্রয়োগ নয়, সামঞ্জস্যই জীবনের প্রকৃত শক্তি।

লাও জুর শিক্ষার সবচেয়ে বড় সত্য হলো, প্রকৃত প্রজ্ঞা কখনো পুরোনো হয় না। এটি মানুষকে শুধু চিন্তা করতে শেখায় না, অনুভব করতেও শেখায়। ছোট ছোট মুহূর্তেই শান্তি খুঁজে নিতে শেখায়। যে ব্যক্তি এই দর্শন হৃদয়ে ধারণ করে, সে শুধু সংকটে স্থির থাকে না; সে জীবনকে গভীরভাবে উপলব্ধি করে, সম্পর্কের মূল্য বোঝে এবং নিজের অন্তর্গত শক্তিকে আবিষ্কার করে। কাজেই, তাও তে চিং আমাদের মনে করিয়ে দেয় জীবনের দৌড়ঝাঁপ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু মানসিক প্রশান্তি ও আত্মজ্ঞান চিরস্থায়ী। এই দর্শন আমাদের শুধু বাঁচতে শেখায় না; শেখায় সুন্দরভাবে বাঁচতে।

লেখক : আইনজীবী ও গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ব্যবসায় অনিশ্চয়তা
ব্যবসায় অনিশ্চয়তা
আতঙ্কে প্রবাসীরা
আতঙ্কে প্রবাসীরা
ক্রিস্টোফার কলম্বাস
ক্রিস্টোফার কলম্বাস
শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন
শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
নারীদের জন্য বাস
নারীদের জন্য বাস
উপসাগরীয় যুদ্ধ
উপসাগরীয় যুদ্ধ
উত্তরাধিকারের রাজনীতি
উত্তরাধিকারের রাজনীতি
কবিরা গুনাহ জুলুম
কবিরা গুনাহ জুলুম
কোটি কর্মসংস্থানের কর্মসূচি
কোটি কর্মসংস্থানের কর্মসূচি
সর্বশেষ খবর
সতীর্থদের বোলিংয়ের প্রশংসা করলেন ম্যাট হেনরি
সতীর্থদের বোলিংয়ের প্রশংসা করলেন ম্যাট হেনরি

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো ইংল্যান্ড
টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো ইংল্যান্ড

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হলুদ-মরিচের বস্তায় মাদক পাচার, আটক ১
হলুদ-মরিচের বস্তায় মাদক পাচার, আটক ১

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, জরিমানা
গাজীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, জরিমানা

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রজনীকান্তের ছবিতে শাহরুখের ক্যামিও চূড়ান্ত, এলো ভেতরের খবর
রজনীকান্তের ছবিতে শাহরুখের ক্যামিও চূড়ান্ত, এলো ভেতরের খবর

২২ মিনিট আগে | শোবিজ

ভিভিআইপি মর্যাদায় কী কী সুবিধা পাবেন ড. ইউনূস
ভিভিআইপি মর্যাদায় কী কী সুবিধা পাবেন ড. ইউনূস

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

কলাপাড়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ, কর্মী হত্যার বিচার দাবি
কলাপাড়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ, কর্মী হত্যার বিচার দাবি

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পেশিতে চোট পেলেন হ্যারি কেইন
পেশিতে চোট পেলেন হ্যারি কেইন

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে : ইশরাক
বিএনপি শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে : ইশরাক

৩৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি প্যানেল বিজয়ী
চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি প্যানেল বিজয়ী

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে ঋণী ও সাহসী করেছেন: জিলানী
আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে ঋণী ও সাহসী করেছেন: জিলানী

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে আবারও দুই জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ১৪ জন
সুন্দরবনে আবারও দুই জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ১৪ জন

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্রীলঙ্কার জলসীমায় আরেকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ, ফের হামলার শঙ্কা
শ্রীলঙ্কার জলসীমায় আরেকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ, ফের হামলার শঙ্কা

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরে থাকবেন ৪ জন
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরে থাকবেন ৪ জন

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
গাইবান্ধায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সুনামগঞ্জে গিভহোপের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন
সুনামগঞ্জে গিভহোপের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে বিভেদ তৈরি করতেই ইরানে হামলা: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে বিভেদ তৈরি করতেই ইরানে হামলা: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফগানিস্তানের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান
আফগানিস্তানের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি জেলে আহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি জেলে আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফেব্রুয়ারিতে ১৩১ কোটি টাকার চোরাচালান জব্দ : বিজিবি
ফেব্রুয়ারিতে ১৩১ কোটি টাকার চোরাচালান জব্দ : বিজিবি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে ৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে ৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নীলফামারীতে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারে অভিযান, জরিমানা
নীলফামারীতে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারে অভিযান, জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্যাস সংকটে বন্ধ সিইউএফএল-কাফকো সার কারখানা
গ্যাস সংকটে বন্ধ সিইউএফএল-কাফকো সার কারখানা

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‘মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ইরানের ড্রোন প্রতিহত করতে সক্ষম নয়’
‘মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ইরানের ড্রোন প্রতিহত করতে সক্ষম নয়’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প
বগুড়ায় স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই রিকশাচালকের মারামারি থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবদল নেতার
দুই রিকশাচালকের মারামারি থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবদল নেতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধার দুর্গম চরাঞ্চলে অন্ধকার দূর করছে সৌরবিদ্যুৎ
গাইবান্ধার দুর্গম চরাঞ্চলে অন্ধকার দূর করছে সৌরবিদ্যুৎ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান
সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জন্য বড় দুঃসংবাদ
ইরানের জন্য বড় দুঃসংবাদ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ, যা বললো ভারত
ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ, যা বললো ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কয়েক হাজার কুর্দি যোদ্ধার ইরানে প্রবেশের দাবি, যা বললো তেহরান
কয়েক হাজার কুর্দি যোদ্ধার ইরানে প্রবেশের দাবি, যা বললো তেহরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৮ মার্চও ছুটির প্রস্তাব, অনুমোদন পেলে ঈদের ছুটি হবে ৭ দিন
১৮ মার্চও ছুটির প্রস্তাব, অনুমোদন পেলে ঈদের ছুটি হবে ৭ দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ফাত্তাহ-২ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো অসম্ভব: রিপোর্ট
ইরানের ফাত্তাহ-২ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো অসম্ভব: রিপোর্ট

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন, যে আলাপ করলেন
কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন, যে আলাপ করলেন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন
ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর হিসাব তলব
আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর হিসাব তলব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বের সব প্রান্তে হামলা চালাতে পারবে এমন মিসাইল পরীক্ষা করল যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বের সব প্রান্তে হামলা চালাতে পারবে এমন মিসাইল পরীক্ষা করল যুক্তরাষ্ট্র

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান কী সামরিক সহায়তা চেয়েছে? জানাল রাশিয়া
ইরান কী সামরিক সহায়তা চেয়েছে? জানাল রাশিয়া

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উ. কোরিয়ার সাথে মিলে আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল বানাচ্ছে ইরান?
উ. কোরিয়ার সাথে মিলে আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল বানাচ্ছে ইরান?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চোখ অন্ধ করে দিয়েছি: আইআরজিসি
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চোখ অন্ধ করে দিয়েছি: আইআরজিসি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা চেষ্টা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা চেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে যুদ্ধ, চোরাবালিতে আটকে গেছেন ট্রাম্প
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে যুদ্ধ, চোরাবালিতে আটকে গেছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অ্যালেনের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে আফ্রিকাকে উড়িয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
অ্যালেনের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে আফ্রিকাকে উড়িয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি মিসাইল হামলায় জাহাজ পুড়ে ছাই, ২ ভারতীয় নিহত
ইরানি মিসাইল হামলায় জাহাজ পুড়ে ছাই, ২ ভারতীয় নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমেরিকা ফার্স্ট নাকি ইসরায়েল’ প্রশ্ন ইরানি নিরাপত্তা প্রধানের
‘আমেরিকা ফার্স্ট নাকি ইসরায়েল’ প্রশ্ন ইরানি নিরাপত্তা প্রধানের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধের মাঝেই আরেক দেশে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান
ইরান যুদ্ধের মাঝেই আরেক দেশে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আক্রমণ ছাড়া কোনো পথ ছিল না, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের বার্তা
আক্রমণ ছাড়া কোনো পথ ছিল না, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের বার্তা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুবে যাওয়া ইরানি জাহাজ থেকে ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার
ডুবে যাওয়া ইরানি জাহাজ থেকে ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেভাডায় শতাধিক ভূমিকম্প, যুক্তরাষ্ট্র কি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে?
নেভাডায় শতাধিক ভূমিকম্প, যুক্তরাষ্ট্র কি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ৮৬ শতাংশ কমে এসেছে: জেনারেল কেইন
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ৮৬ শতাংশ কমে এসেছে: জেনারেল কেইন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টায় ইরানকে জড়ালেন পাকিস্তানি ব্যবসায়ী!
যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টায় ইরানকে জড়ালেন পাকিস্তানি ব্যবসায়ী!

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ হবে না, ঘোষণা ইরানের
লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ হবে না, ঘোষণা ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাশিয়ার গুরুতর অভিযোগ
ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাশিয়ার গুরুতর অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল
ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে ‘সামরিক সরঞ্জাম’ পাঠিয়েছে অস্ট্রেলিয়া
মধ্যপ্রাচ্যে ‘সামরিক সরঞ্জাম’ পাঠিয়েছে অস্ট্রেলিয়া

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খামেনি হত্যাকাণ্ড, পুতিনকে ভয় পেতেই হচ্ছে?
খামেনি হত্যাকাণ্ড, পুতিনকে ভয় পেতেই হচ্ছে?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি
হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইরানের সাঁড়াশি আক্রমণ
ইরানের সাঁড়াশি আক্রমণ

প্রথম পৃষ্ঠা

রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড
রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

সম্পাদকীয়

সৌদি আরব গেলেন জামায়াত আমির
সৌদি আরব গেলেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জ্বালানি তেলের মজুত বাড়াতে হুলস্থুল
জ্বালানি তেলের মজুত বাড়াতে হুলস্থুল

নগর জীবন

ট্রফি ভরা আবাহনী এখন ট্রফিশূন্য
ট্রফি ভরা আবাহনী এখন ট্রফিশূন্য

মাঠে ময়দানে

চাল পর্যাপ্ত তবু কমছে না দাম
চাল পর্যাপ্ত তবু কমছে না দাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এজাজের দুর্নীতি তদন্তে নামছে ডিএনসিসি
এজাজের দুর্নীতি তদন্তে নামছে ডিএনসিসি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের কান্না কি কেউ শুনতে পায়?
পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের কান্না কি কেউ শুনতে পায়?

প্রথম পৃষ্ঠা

সরকারি পরিত্যক্ত ভবন স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশ
সরকারি পরিত্যক্ত ভবন স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢাকায় ব্যস্ত পল কাপুর
ঢাকায় ব্যস্ত পল কাপুর

প্রথম পৃষ্ঠা

আফঈদাদের সামনে এবার উত্তর কোরিয়া
আফঈদাদের সামনে এবার উত্তর কোরিয়া

মাঠে ময়দানে

রোজা রাখতে অপারগ যারা
রোজা রাখতে অপারগ যারা

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ফিরছে বিলবোর্ড!
সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ফিরছে বিলবোর্ড!

রকমারি নগর পরিক্রমা

খামেনির উত্তরসূরি হলেন মোজতবা
খামেনির উত্তরসূরি হলেন মোজতবা

প্রথম পৃষ্ঠা

জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় রেশনিং
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় রেশনিং

প্রথম পৃষ্ঠা

চাটাইয়ে বসে ব্র্যাকের কার্যক্রম শুনলেন জাইমা রহমান
চাটাইয়ে বসে ব্র্যাকের কার্যক্রম শুনলেন জাইমা রহমান

নগর জীবন

হুমকির মুখে শ্রমবাজার
হুমকির মুখে শ্রমবাজার

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো রাজশাহী
হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো রাজশাহী

রকমারি নগর পরিক্রমা

মাথার ওপর মিসাইল কাজ নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রবাসীরা
মাথার ওপর মিসাইল কাজ নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রবাসীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বসুন্ধরা সিটিতে ঈদের কেনাকাটা উৎসব
বসুন্ধরা সিটিতে ঈদের কেনাকাটা উৎসব

নগর জীবন

নাগরিক প্রত্যাশা পূরণের কেন্দ্রবিন্দু হবে সিসিক
নাগরিক প্রত্যাশা পূরণের কেন্দ্রবিন্দু হবে সিসিক

পেছনের পৃষ্ঠা

মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ

সম্পাদকীয়

হেসেখেলে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
হেসেখেলে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট

সম্পাদকীয়

পাওনা টাকা-পারিবারিক বিরোধে সংঘর্ষ
পাওনা টাকা-পারিবারিক বিরোধে সংঘর্ষ

দেশগ্রাম

দুই উপদেষ্টা এবং আটজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন
দুই উপদেষ্টা এবং আটজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন

পেছনের পৃষ্ঠা

সকাল ৯টায় এসে ৪০ মিনিট অবস্থান বাধ্যতামূলক
সকাল ৯টায় এসে ৪০ মিনিট অবস্থান বাধ্যতামূলক

পেছনের পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড ও ভিসা প্রসেসিং ফি বাড়ল
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড ও ভিসা প্রসেসিং ফি বাড়ল

পেছনের পৃষ্ঠা