শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫১, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নির্বাচন : ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবন

জিল্লুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচন : ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবন

ভোট, গণভোট, ওয়াশিংটনের আইন এবং আমাদের নৈতিক আয়না

বাংলাদেশে ২০২৬ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্লান্তির মাঝেও উত্তেজনামূলক, অনিশ্চিত ও ঐতিহাসিক হতে চলেছে। ২০২৬ সালকে আমরা কী নামে ডাকব? ‘পরিবর্তনের বছর’? ‘প্রত্যাবর্তনের বছর’? নাকি ‘পরীক্ষার বছর’? বাংলাদেশ এই বছরটিতে শুধু সরকার বদলাচ্ছে না, মানসিকতা বদলানোর চেষ্টা করছে। নির্বাচন হয়েছে। গণভোট হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমার নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছে। আর দেশের ভিতরে ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত নৈতিকতা আবার আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

এই চারটি ঘটনা আলাদা মনে হলেও, গভীরে গেলে দেখবেন-সবগুলোর কেন্দ্রে একই প্রশ্ন : ক্ষমতার বৈধতা কোথা থেকে আসে?

১. নির্বাচন ২০২৬ : ফলাফল, প্রত্যাবর্তন এবং বাস্তবতার পরীক্ষা

এই নির্বাচনের আগে দেশের বাতাস ছিল ভারী। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংঘাত, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন, অর্থনৈতিক চাপ, ব্যাংক খাতে অস্থিরতা, ডলারের দামের ওঠানামা, জ্বালানিসংকট-সব মিলিয়ে মানুষ ভোট দিতে গিয়েছিল শুধু দল বেছে নিতে নয়; একটা স্বস্তি খুঁজতে।

ফলাফল যা বলছে তা স্পষ্ট : বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট সংসদে শক্তিশালী বিরোধী শক্তি হিসেবে থাকছে। নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম, বিশেষত তরুণ নেতৃত্বের দলগুলো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয় পেয়ে সংসদের ভিতরে ভিন্ন কণ্ঠস্বর তৈরি করার আভাস দিচ্ছে।

এবারের নির্বাচনে একটি বিষয় লক্ষণীয়-ভোটাররা ‘পুরোনো ভয়’ নিয়ে ভোট দেয়নি। তারা ‘ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’ নিয়ে ভোট দিয়েছে। ফলাফল বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে জনগণের বিবেক-তাদের বিবেচনা ও বিচক্ষণতা-শুধু ‘রঙিন পতাকা’ বা ‘চিহ্ন’ নয়, বড় নীতি, জীবিকা, সামাজিক নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও আন্তর্জাতিক অবস্থানের ওপর বিনিয়োগ করছে।

এক কথায়, ২০২৬-এর নির্বাচন আমাদের শিক্ষা দিয়েছে- ভোটের লড়াই এখন শুধু গণ্ডি নয়, এটি চিন্তার ক্ষেত্র, মূল্যবোধ আর দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আর ফলাফল ইঙ্গিত দেয় দেশের ভোটাররা এখন আরও অনুসন্ধানী এবং প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

এবং এই ফলাফলের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী-নির্বাচিত তারেক রহমান। তাঁর রাজনৈতিক জীবন নাটকীয়। নির্বাসন, মামলা, বিতর্ক-সব পেরিয়ে এখন তিনি নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নাটক নতুন কিছু নয়, কিন্তু গণতান্ত্রিক বৈধতার মাধ্যমে প্রত্যাবর্তন একটি আলাদা বার্তা দেয়।

কিন্তু এখানেই চ্যালেঞ্জ। তারেক রহমানের সামনে তিনটি তাৎক্ষণিক বাস্তবতা-প্রথমত, নির্বাচনি বিজয়কে প্রশাসনিক দক্ষতায় রূপান্তর করা। দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক আস্থা পুনর্গঠন করা। তৃতীয়ত, প্রতিশোধ নয়-নির্বাচন পুনর্মিলনের রাজনীতি করা।

নির্বাচনি বিজয় মানেই শাসনের দক্ষতা নয়। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে কয়েকটি কঠিন বাস্তবতার সামনে : বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চাপের মধ্যে; এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী শুল্ক সুবিধা হারানোর ঝুঁকি; বৈশ্বিক মন্দা ও সরবরাহ চেইন অনিশ্চয়তা; জ্বালানি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি; ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম। আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এডিবির সঙ্গে উন্নয়ন সহায়তা নির্ভর করছে নীতি সংস্কারের ওপর।

তারেক রহমান যদি প্রথম দুই বছরে তিনটি বিষয় নিশ্চিত করতে পারেন-১. আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা; ২. দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যকর স্বাধীনতা; ৩. প্রশাসনিক নিয়োগে দলীয় প্রভাব কমানো, তাহলে এই নির্বাচনি বিজয় স্থায়ী রাজনৈতিক পুঁজি হয়ে উঠবে।

না হলে? বাংলাদেশের ভোটাররা এখন আগের চেয়ে দ্রুত হতাশ হয়। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে রাজনৈতিক ‘হানিমুন পিরিয়ড’ খুব ছোট। একটা কথা না বললেই নয়-দক্ষিণ এশিয়ায় সরকার বদলালে সাধারণ মানুষ প্রথমেই জিজ্ঞেস করে, ‘চাল-ডাল কত?’ দর্শন পরে, দাম আগে। জনগণ এবার পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছে। এখন প্রশ্ন-পরিবর্তনটি কি নীতিগত হবে, নাকি কেবল মুখ বদলের?

২. গণভোট ২০২৬ : ক্ষমতার সীমা নির্ধারণের জনরায়

জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট একসঙ্গে-এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল ঘটনা। প্রস্তাবগুলো ছিল মৌলিক : প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা; সংসদীয় কমিটির বাধ্যতামূলক জবাবদিহি; রাষ্ট্রপতির নির্দিষ্ট ক্ষমতা পুনর্বিন্যাস; বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতা।

ফলাফল বলছে-৬২ শতাংশের বেশি ভোটার সাংবিধানিক সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে ঐতিহাসিক। কারণ আমাদের অঞ্চলে ক্ষমতা প্রায়ই দীর্ঘমেয়াদি হয়। আর দীর্ঘমেয়াদি হলেই ক্ষমতার সঙ্গে আত্মীয়তা তৈরি হয়-কখনো রাজনৈতিক, কখনো পারিবারিক, কখনো অর্থনৈতিক।

গণভোটের ভবিষ্যৎ আউটকাম কী? প্রথমত, ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রীদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা-ক্ষমতা অস্থায়ী। দ্বিতীয়ত, জনগণ বুঝেছে তারা সরাসরি সাংবিধানিক কাঠামো প্রভাবিত করতে পারে। তৃতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলো এখন থেকে নির্বাচনি ইশতেহারে সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি দিতে বাধ্য হবে।

তারেক রহমানের জন্য এটি সুযোগও, চ্যালেঞ্জও। সুযোগ-তিনি নতুন সাংবিধানিক কাঠামোর প্রথম সরকার প্রধান। চ্যালেঞ্জ-এই কাঠামোকে পাশ কাটানোর চেষ্টা করলে জনগণের প্রতিক্রিয়া দ্রুত আসবে। আমাদের অঞ্চলে ‘অস্থায়ী ব্যবস্থা’ শব্দটি খুব জনপ্রিয়। কিন্তু এবার জনগণ বলেছে-‘অস্থায়ী মানেই স্থায়ী নয়।’

৩. BRAVE Burma Act : আঞ্চলিক ভূরাজনীতির নতুন সমীকরণ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ H.R. 3190-BRAVE Burma Act সর্বসম্মতভাবে পাস করেছে। এটি মিয়ানমারের সামরিক সরকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা ২৩ ডিসেম্বর, ২০৩২ সাল পর্যন্ত বাড়িয়েছে। বিশেষভাবে লক্ষ্য করা হয়েছে মিয়ানমার অয়েল অ্যান্ড গ্যাস এন্টারপ্রাইজ (MOGE), মিয়ানমার ইকোনমিক ব্যাংক (MEB) এবং জেট ফুয়েল সরবরাহ চেইন।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে একজন বিশেষ দূত নিয়োগে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইএমএফে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাহী পরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে-মিয়ানমারের শেয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করতে। এই আইন শুধু একটি দেশের বিরুদ্ধে নয়-এটি একটি নীতিগত অবস্থান। মানবাধিকার এখন পররাষ্ট্রনীতির অংশ। গণতন্ত্র এখন অর্থনৈতিক কূটনীতির মানদণ্ড।

বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী? রোহিঙ্গাসংকট এখনো অমীমাংসিত। মিয়ানমারে সামরিক শাসন অব্যাহত থাকলে প্রত্যাবাসন অনিশ্চিত। যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াবে। কিন্তু একই সঙ্গে এটি আমাদের জন্য সতর্কবার্তা-যদি আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়, আন্তর্জাতিক কাঠামো প্রস্তুত আছে।

তারেক রহমানের সরকার যদি স্বচ্ছ নির্বাচন, মানবাধিকার সুরক্ষা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে, তাহলে আন্তর্জাতিক আস্থা বাড়বে। না হলে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে ‘নিষেধাজ্ঞা’ শব্দটি নতুন নয়। রাজনীতিতে বন্ধুত্ব স্থায়ী নয়-স্বার্থ স্থায়ী। এই বাস্তবতা বোঝা নতুন সরকারের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

তারেক রহমানের সরকারের সামনে তাই দ্বৈত চ্যালেঞ্জ-একদিকে আঞ্চলিক কূটনীতি, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ মানবাধিকার রেকর্ড। ওয়াশিংটন আজ যে নীতি নিচ্ছে, তা ভবিষ্যতের দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিকে প্রভাবিত করবে। প্রশ্ন হলো-আমরা কি প্রস্তুত?

৪. ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবন : সীমারেখা ও সহনশীলতা

নির্বাচন ও গণভোটের পুরো প্রক্রিয়ায় একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে-ধর্মীয় আবেগ রাজনৈতিক ভাষায় প্রবেশ করেছে আগের চেয়ে বেশি। মসজিদের খুতবা থেকে সোশ্যাল মিডিয়া-সবখানেই নৈতিকতার প্রশ্ন এসেছে। ২০২৬ সালের পুরো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ধর্মীয় ভাষা ও নৈতিকতার প্রশ্ন বারবার উঠেছে। কেউ বলেছে ‘নৈতিক পুনর্জাগরণ’, কেউ বলেছে ‘ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্ররক্ষা’।

বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ। কিন্তু তারা একই সঙ্গে বাস্তববাদী। তারা নামাজ পড়ে, আবার বাজারদরও দেখে। তারা রোজা রাখে, আবার রিজার্ভও দেখে। ধর্ম ব্যক্তিগত নৈতিকতার শক্তি হতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক হাতিয়ার হলে বিভাজনের ঝুঁকি তৈরি হয়। ধর্ম মানুষের নৈতিক দিক, জীবনের প্রবণতা, চিন্তাভাবনা আর আচরণের ধর্মবোধের ভিত্তি। কিন্তু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে কীভাবে ধর্মের স্থান থাকা উচিত?

নেতাদের ব্যক্তিগত জীবনও আলোচনায় এসেছে-পারিবারিক ইতিহাস, অতীত, জীবনাচরণ। গণতন্ত্রে এটি অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সমালোচনা যেন বিদ্বেষে না গড়ায়। রাষ্ট্র পরিচালনায় ধর্মের ভূমিকা নিয়ে আমাদের সংবিধান স্পষ্ট-রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ ন্যায়নীতির ভিত্তিতে চলবে, কিন্তু ধর্মীয় স্বাধীনতা থাকবে।

ভারসাম্যটাই মূল কথা। ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবনের সংযোগে দুটি দিক স্পষ্ট : ক. ধর্ম আমাদের নৈতিক মানসিকতা ও আচরণ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খ. কিন্তু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ধর্মকে সরাসরি ব্যবহার করলে তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ন করে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে এই ভারসাম্যের ওপর। যদি ধর্ম রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার হাতিয়ার হয়, তাহলে বিভাজন বাড়বে। যদি ধর্ম ব্যক্তিগত নৈতিক শক্তি হিসেবে থাকে এবং রাষ্ট্র নীতিনির্ধারণে আইনের শাসনকে অগ্রাধিকার দেয়-তাহলে স্থিতি আসবে।

রাজনীতি যদি নৈতিকতা হারায়-ক্ষমতা টেকে না। ধর্ম যদি সহনশীলতা হারায়-সমাজ টেকে না।

শেষ কথা

২০২৬ আমাদের সামনে তিনটি আয়না ধরেছে-ভোটের আয়না, গণভোটের আয়না এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির আয়না। এই তিনটিতেই এক প্রশ্ন প্রতিফলিত হচ্ছে-ক্ষমতার বৈধতা কোথা থেকে আসে?

এবং ২০২৬ আমাদের তিনটি বড় শিক্ষা দিয়েছে-১. জনগণ পরিবর্তন চায়, কিন্তু স্থিতিও চায়।

২. ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ না করলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়। ৩. আন্তর্জাতিক রাজনীতি এখন মূল্যবোধের ভাষায় কথা বলে।

প্রধানমন্ত্রী-নির্বাচিত তারেক রহমান এখন ইতিহাসের এক মোড়ে দাঁড়িয়ে। তিনি চাইলে কেবল প্রত্যাবর্তনের নেতা হিসেবে স্মরণীয় হবেন। অথবা তিনি সংস্কারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও ইতিহাসে স্থান নিতে পারেন। জনগণ এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে। তারেক রহমান সেই রায়ের প্রতীক। কিন্তু রায়ের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে প্রতিশোধ নয়, পুনর্গঠন দরকার; দমন নয়, সংলাপ দরকার।

বাংলাদেশ এখন অপেক্ষা করছে। সংখ্যার ফলাফলের নয়-নৈতিকতার ফলাফলের জন্য। আপনি, আমি, আমরা-প্রত্যেকে এই পরিবর্তনের অংশ। আর ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে সেই সংস্কৃতির প্রতিফলন যেখানে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও ন্যায়-সবাই মিলে একত্রে এক নতুন অধ্যায় রচনা করবে। এই হবে-আমাদের সত্যিকারের স্বপ্নের দেশ।

লেখক : প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ

এই বিভাগের আরও খবর
আলু নিয়ে বিড়ম্বনা
আলু নিয়ে বিড়ম্বনা
পুঁজিবাজারে বিসংবাদ
পুঁজিবাজারে বিসংবাদ
রমাদান শেষ হওয়ার আগেই নিজেদের বদলে ফেলি
রমাদান শেষ হওয়ার আগেই নিজেদের বদলে ফেলি
নারী ও অর্থনীতি
নারী ও অর্থনীতি
সংসদের যাত্রা শুভ হোক
সংসদের যাত্রা শুভ হোক
সে বাঁশি বেজে ওঠার লগন
সে বাঁশি বেজে ওঠার লগন
জাকাত : ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
জাকাত : ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
হুজুগ জ্বালানি তেলে
হুজুগ জ্বালানি তেলে
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নয়
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নয়
উৎসবের অর্থনীতি
উৎসবের অর্থনীতি
কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকার কাঠামোর সংস্কার
কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকার কাঠামোর সংস্কার
ছাত্রনেতা থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছাত্রনেতা থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২
কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?
প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?

৫ মিনিট আগে | শোবিজ

ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের
ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প
কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা
চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত
কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন
প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা
বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঝিনাইদহে নিরব হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
ঝিনাইদহে নিরব হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক
প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানিকছড়িতে রান্নাঘর থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
মানিকছড়িতে রান্নাঘর থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে র‌্যালি ও সভা
খাগড়াছড়িতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে র‌্যালি ও সভা

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে দুটি পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই
ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে দুটি পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড
গাইবান্ধায় ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার অঙ্গীকার পূরণ করেছে’
‘বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার অঙ্গীকার পূরণ করেছে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খাগড়াছড়িতে আনসার-ভিডিপির ভাতা ভোগীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
খাগড়াছড়িতে আনসার-ভিডিপির ভাতা ভোগীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পটিয়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
পটিয়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

দিনাজপুরে ১৯১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার
দিনাজপুরে ১৯১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘স্বর্ণালি সময়’ দেখছে ভারতীয় ক্রিকেট
‘স্বর্ণালি সময়’ দেখছে ভারতীয় ক্রিকেট

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিআখড়ায় ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
শনিআখড়ায় ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘুষের অভিযোগ বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে: চিফ প্রসিকিউটর
ঘুষের অভিযোগ বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে: চিফ প্রসিকিউটর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু
ভাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর
ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের
আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০
পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা