শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:১৬, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

এমন একটা দিনেরই অপেক্ষায় ছিল জাতি

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
এমন একটা দিনেরই অপেক্ষায় ছিল জাতি

এমন একটা দিনেরই অপেক্ষায় ছিল জাতি। কারও জন্য এ অপেক্ষা ১০০ বছর। কারও জন্য ৫৫ বছর। কারও জন্য ১৮ বছর। কেউ কেউ হয়তো জীবনসায়াহ্নে এমন একটি দিনের দেখা পেয়ে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন। অনেক দিন পর দেশবাসীর বুকের পাথর সরে গেছে। কষ্টে যাদের চোখের পানি শুকিয়ে গিয়েছিল, তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। জয় হয়েছে গণতন্ত্রের। হারানো অধিকার পেয়েছে বাংলাদেশের দুঃখী মানুষ। একাত্তর ও চব্বিশের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রয়েছে। চব্বিশের শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশের মানুষকে সাক্ষী রেখে খোলা আকাশের নিচে সেবকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার ও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মা আপসহীন নেত্রী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি হিসেবে তিনি ১৭ ফেব্রুয়ারি ’২৬ প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিলেন। এ শপথ শুধু কাগজে লেখা কিছু শব্দ নয়, এ শপথ জনগণকে দেওয়া পবিত্র ওয়াদা। সেই সঙ্গে মহান রব্বুল আলামিনের কাছেও ওয়াদা করা। মার্টিন লুথার কিংয়ের মতো, নতুন বাংলাদেশের পথচলায় দেশবাসীর জন্য পরিকল্পনা নিয়ে তারেক রহমান নির্বাসন থেকে ফিরেছেন। সেই পরিকল্পনায় তাঁর নেতৃত্বে জনমুখী সরকার হবে বলে উচ্চাশা সবার। নতুন সরকারকে মনে রাখতে হবে, সম্মান প্রাপ্তির চেয়ে সম্মান ধরে রাখা অনেক বেশি কঠিন। এ কঠিন কাজটি সততার সঙ্গে করতে হবে।

চব্বিশের অভ্যুত্থান-পরবর্তী ১৮ মাসের মধ্যে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এ নির্বাচনে সবাই রেকর্ড করেছে। ২১২ আসনে বিএনপির ভূমিধস বিজয় হয়েছে। স্বাধীনতার বিরোধিতা করেও ৫৫ বছরের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ৭৭টি আসনে জয় লাভ করেছে। শান্তিপূর্ণ এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে, গত ১৮ মাসে বাংলাদেশকে অনেক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য দাবি জানাতে হয়েছে। সংস্কার ও সংস্কার কমিশনের নামে নতুন অভিজ্ঞতাও অর্জিত হয়েছে। অনেক অনিশ্চয়তার মধ্যে সবশেষে ভালোয় ভালোয় নির্বাচনটা হলো। তবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে দেশের সশস্ত্র বাহিনী। বিশেষ করে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের দৃঢ়তা। ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে ভোট দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন। আমাদের জন্য আনন্দের দিন। দেড় বছর মন্‌জুরুল ইসলামধরে আমরা এ দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম। ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারছেন। একটা সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে।’ আরেকটু পেছনে ফিরলে অর্থাৎ ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি বলেছিলেন, ‘১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনে যেকোনো পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেব।’ ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেছিলেন যে তাঁর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করবে না। নির্বাচনের পর এটা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে তিনি তাঁর কথা রেখেছেন। ১৮ মাসের মধ্যেই নির্বাচন করা সম্ভব হয়েছে এবং সেনাবাহিনী মাঠে থাকলেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করেনি। আরেকটু পেছনে তাকালে, অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছিলেন, ‘ড. ইউনূস আমাদের সুন্দর একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাবেন।’ সরকার গঠনের আগের দিন বিকালে সেনা সদরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেছিলেন। তিনি সেদিন আরও বলেছিলেন যে ‘কিছুক্ষণ আগে ড. ইউনূসের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। উনার সঙ্গে কথা বলে আমার খুব ভালো লেগেছে। আমার মনে হয়েছে তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) এ কাজটা করতে অত্যন্ত আগ্রহী। আমি নিশ্চিত, তিনি আমাদের সুন্দর একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন এবং এ কাজে আমরা উপকৃত হব। আমরা অনেক আলোচনা করে ড. ইউনূসকে কেয়ারটেকার সরকারের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করেছি। রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে এবং শিক্ষার্থীদের সমন্বয়কদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আলোচনা করে আমরা সর্বসম্মতভাবে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব দিয়েছি। তিনি রাজি হয়েছেন। আগামীকাল (৮ আগস্ট ’২৪) ড. ইউনূস দেশে আসবেন। আমরা উনাকে রিসিভ করব। আমি আশা করি, উনি সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা পাবেন। আমি নিশ্চিত যে উনি সফলভাবে উনার কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।’ আজ (বুধবার) নির্বাচন-উত্তর ও নতুন সরকারের পথচলার প্রথম দিনে এ কথা অকপটে স্বীকার করতেই হয় যে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা তিনি রেখেছেন। ড. ইউনূসের প্রতি তাঁর যে প্রত্যাশা ছিল তা-ও পূর্ণ হয়েছে। সে কারণে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ। সততার সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার কারণে জাতি তাঁদের এ অবদান নিশ্চয় মনে রাখবে।

প্রবাদ আছে-সকালই বলে দেয় দিন কেমন যাবে। দিনের শুরুর বার্তা কেউ বুঝতে পারে, কেউ পারে না। ২৫ ডিসেম্বর ’২৫ বৃহস্পতিবার বিএনপির তখনকার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখন ঢাকায় ফিরলেন, তখন সারা দেশের নেতা-কর্মী, সমর্থক-শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষ ছিল উচ্ছ্বসিত। তাঁকে একনজর দেখার জন্য লাখ লাখ মানুষ বিমানবন্দর সড়কে সকাল থেকেই অপেক্ষা করছিল। রাজধানীর কুড়িলে ৩০০ ফিট সড়কে তৈরি করা হয়েছিল একটি বিরাট মঞ্চ। সেখানে সারা দেশ থেকে আসা অসংখ্য মানুষ আগের রাত থেকেই তীব্র শীত উপেক্ষা করে অপেক্ষা করেছেন। সেদিন রাজধানীর সব সড়কের মানুষের স্রোত ওই সড়কে মিশেছিল। তাঁকে বহন করা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা বাসটি সেদিন জনস্রোত ঠেলে বিমানবন্দর থেকে বিশ্বরোডের মাথায় আসতে লেগেছিল তিন ঘণ্টা। চব্বিশের অভ্যুত্থানের আগে অনেক সময় মনে করা হতো যে তারেক রহমান আর কখনো দেশে ফিরতে পারবেন না। সেই অনিশ্চিত অবস্থার অবসানের পর তিনি দেশে ফিরলেন। প্রিয় জন্মভূমিতে মানুষের জনস্রোতে দাঁড়িয়ে তিনি সেদিন ঘোষণা করেছিলেন, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’। তাঁর সেই ঘোষণায় উপস্থিত জনতা করতালি দিয়ে উজ্জীবিত হয়েছিল। দেশের জন্য, দেশের মানুষের কল্যাণে তাঁর পরিকল্পনা দেশবাসী সাদরে গ্রহণ করেছিল। সেদিন আরও একটি ঘটনা ঘটেছিল। তাঁর নিরাপত্তায় বিপুলসংখ্যক সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেনাসদস্যদের নি-িদ্র বেষ্টনী শুধু নিছক নিরাপত্তা ছিল না। সেটি ছিল দেশবাসীর প্রতি একটি বার্তা। সেই বার্তাটি হলো, ‘আমাদের সন্তানকে আমরা গ্রহণ করলাম।’ অর্থাৎ সেক্টর কমান্ডার, মুক্তিযোদ্ধা ও সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের সন্তানকে নিজেদের সন্তান মনে করে সেদিন সেনাবাহিনীর সদস্যরা তারেক রহমানকে বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। এ বার্তাটি সেদিন কেউ হয়তো বুঝতে পেরেছেন, কেউ বুঝতে পারেননি। ১২ ফ্রেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি ও তাঁর দল বিএনপির যে ভূমিধস বিজয় হবে, তা ওই দিনই পরিষ্কার হয়েছিল।

তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার এবং তাঁর দল বিএনপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার আরও একটি পূর্বাভাস পাওয়া গিয়েছিল ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যখন অসুস্থ হয়ে রাজধানীর বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, তখন তিনি হয়ে ওঠেন সারা বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল, শ্রেণি-পেশার মানুষের নেত্রী। তাঁর মৃত্যুর পর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত নামাজে জানাজায়ও সেটাই প্রমাণিত হয়েছে। দলমতনির্বিশেষে সারা দেশের মানুষ বেগম জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণ করেছেন। সবার চোখ সেদিন ছিল ভিজে। দেশবাসী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়াকে কতটা ভালোবাসেন তা গোটা পৃথিবী দেখেছিল। ১৯৮১ সালের ৩০ মে যখন প্রেসিডেন্ট জিয়া শহীদ হন, তখন তাঁর জানাজার নামাজও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর মাঝখানে কোনো ডিভাইডার ছিল না। বিশাল প্রশস্ত অ্যাভিনিউতে প্রেসিডেন্ট জিয়ার নামাজে জানাজায় রেকর্ডসংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছিল। আর এবার, একই স্থানে বেগম জিয়ার নামাজে জানাজায় রেকর্ডসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। দুজনের প্রতি দেশবাসী অকৃত্রিম ভালোবাসাই এর প্রমাণ। প্রিয় দুই নেতাকে দেশবাসী তাদের হৃদয়ের ভালোবাসা দিয়েই দুনিয়া থেকে বিদায় দিয়েছিল। আমরা সব সময়ই কৃতজ্ঞ জাতি। ভালোবাসার প্রতিদান আমরা ভালোবাসা দিয়েই শোধ করি। সেই কৃতজ্ঞ জাতি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকেই মনস্থির করেছিল যে প্রিয় দুই নেতার সন্তান তারেক রহমানকেও ভালোবাসার বন্ধনেই আগলে রাখবে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশবাসী তা-ই করেছে। দেশের মানুষ তাদের মননে, চিন্তায়, ভালোবাসায় ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ও ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ যা স্থির করে রেখেছিল, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচনে শুধু ব্যালটের মাধ্যমে তা প্রকাশ করেছে মাত্র।

এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়ার পালা। দেশবাসীর ভালোবাসার প্রতিদান তাঁকে দিতেই হবে। দেশবাসী শুধু শান্তি চায়। নিরাপত্তা চায়। দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্রকাঠামো চায়। আইনের শাসন চায়। বেকার জনগোষ্ঠী কর্মসংস্থান চায়। কষ্টে অর্জিত অর্থ ব্যাংকে বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নির্ভাবনায় রাখতে চায়। ইতিবাচক রাজনীতি চায়। অবশ্য তিনি দায়িত্ব গ্রহণের আগেই দেশের রাজনৈতিক শিষ্টাচার প্রতিষ্ঠার জন্য বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের (চরমোনাই পীর) সঙ্গে তাঁদের বাসায় গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এমন ঘটনা বাংলাদেশে অতীতে কখনো ঘটেনি। সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর দলের সংসদ সদস্যরা ডিউটি ফ্রি কোনো গাড়ি, সরকারি কোনো প্লট গ্রহণ করবেন না। তাঁর এমন ঘোষণাও রাজনীতিতে নতুন ইতিবাচক মাত্রা যোগ করল। এখন আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ তারেক রহমানকে দ্রুত করতে হবে। সর্বপ্রথম যে কাজটি করা দরকার, তা হলো দলকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। নির্বাচনের সময় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ‘চাঁদাবাজ’ বলে যে অপবাদ দেওয়া হয়েছিল, সে অপবাদ দূর করতে হবে। রাষ্ট্রকাঠামোর সকল পর্যায় থেকে দুর্নীতি দূর করার ব্যবস্থা নিতে হবে। দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখার জন্য দেশি বিনিয়োগকারী ও শিল্পোদোক্তাদের সঙ্গে নিয়ে অগ্রসর হতে হবে। দক্ষ, সৎ কর্মকর্তাদের দিয়ে প্রশাসন সাজাতে হবে। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদের লেবাস ধরে কোনো ‘গুপ্ত’ যেন প্রবেশ করতে না পারে। অতীতে হাওয়া ভবন নিয়ে অনেক অপবাদ, অপতথ্য বিশ্বাসযোগ্য করে রংচং দিয়ে প্রচার করা হয়েছে। এবার যেন এ ধরনের কোনো অপবাদের মুখোমুখি হতে না হয়। তারেক রহমানকে সব সময় মনে রাখতে হবে, তিনি সফল হলে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ বেঁচে থাকবে। আর জাইমা রহমানের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। জাইমা রহমান মাথা উঁচু করে হাঁটতে পারবেন। কারণ তাঁর মধ্যে দেশবাসী ইতোমধ্যে খালেদা জিয়ার প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছে।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
চালের দাম
চালের দাম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ
ইতিকাফ রমাদানের অবহেলিত ইবাদত
ইতিকাফ রমাদানের অবহেলিত ইবাদত
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ব্যবসায় অনিশ্চয়তা
ব্যবসায় অনিশ্চয়তা
আতঙ্কে প্রবাসীরা
আতঙ্কে প্রবাসীরা
সর্বশেষ খবর
রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস
রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক
বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক

১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড
গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ
ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ

২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান
ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন
বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন

১০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

১০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার
গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট
কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল
নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক
চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের
সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের

৩৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার
যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার
নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্র্যাব সদস্য সন্তানদের কোরআন তিলাওয়াত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ক্র্যাব সদস্য সন্তানদের কোরআন তিলাওয়াত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি; হাতা-কড়াই-খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার
গ্যাসের দাম বৃদ্ধি; হাতা-কড়াই-খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক সচিব রুহুল আমিনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি
সাবেক সচিব রুহুল আমিনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নাটোরে মাটির নিচে পানির ট্যাংকে ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত
নাটোরে মাটির নিচে পানির ট্যাংকে ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন থাড রাডার ধ্বংস করল ইরান
৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন থাড রাডার ধ্বংস করল ইরান

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য

৫৬ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী
বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী

৫৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল
মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুকসুদপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরণ
মুকসুদপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ; বগুড়ায় বেড়েছে নির্মাণসামগ্রীর দাম
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ; বগুড়ায় বেড়েছে নির্মাণসামগ্রীর দাম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর
ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’
‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ
‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই
ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের
কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?
ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত
ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি
বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়
সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?
ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মতো একই ‘ভুল’ ভারতের ক্ষেত্রে করবে না যুক্তরাষ্ট্র
চীনের মতো একই ‘ভুল’ ভারতের ক্ষেত্রে করবে না যুক্তরাষ্ট্র

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা
বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?
বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প
দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প

নগর জীবন

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’

পরিবেশ ও জীবন

খননেও পানি নেই নদীতে
খননেও পানি নেই নদীতে

নগর জীবন

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে
বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে

নগর জীবন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি
পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি

শনিবারের সকাল

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো
ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো

পেছনের পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স
ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স

নগর জীবন

তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি
তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি

শনিবারের সকাল

প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ
প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা