এমন একটা দিনেরই অপেক্ষায় ছিল জাতি। কারও জন্য এ অপেক্ষা ১০০ বছর। কারও জন্য ৫৫ বছর। কারও জন্য ১৮ বছর। কেউ কেউ হয়তো জীবনসায়াহ্নে এমন একটি দিনের দেখা পেয়ে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন। অনেক দিন পর দেশবাসীর বুকের পাথর সরে গেছে। কষ্টে যাদের চোখের পানি শুকিয়ে গিয়েছিল, তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। জয় হয়েছে গণতন্ত্রের। হারানো অধিকার পেয়েছে বাংলাদেশের দুঃখী মানুষ। একাত্তর ও চব্বিশের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রয়েছে। চব্বিশের শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশের মানুষকে সাক্ষী রেখে খোলা আকাশের নিচে সেবকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার ও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মা আপসহীন নেত্রী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি হিসেবে তিনি ১৭ ফেব্রুয়ারি ’২৬ প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিলেন। এ শপথ শুধু কাগজে লেখা কিছু শব্দ নয়, এ শপথ জনগণকে দেওয়া পবিত্র ওয়াদা। সেই সঙ্গে মহান রব্বুল আলামিনের কাছেও ওয়াদা করা। মার্টিন লুথার কিংয়ের মতো, নতুন বাংলাদেশের পথচলায় দেশবাসীর জন্য পরিকল্পনা নিয়ে তারেক রহমান নির্বাসন থেকে ফিরেছেন। সেই পরিকল্পনায় তাঁর নেতৃত্বে জনমুখী সরকার হবে বলে উচ্চাশা সবার। নতুন সরকারকে মনে রাখতে হবে, সম্মান প্রাপ্তির চেয়ে সম্মান ধরে রাখা অনেক বেশি কঠিন। এ কঠিন কাজটি সততার সঙ্গে করতে হবে।
চব্বিশের অভ্যুত্থান-পরবর্তী ১৮ মাসের মধ্যে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এ নির্বাচনে সবাই রেকর্ড করেছে। ২১২ আসনে বিএনপির ভূমিধস বিজয় হয়েছে। স্বাধীনতার বিরোধিতা করেও ৫৫ বছরের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ৭৭টি আসনে জয় লাভ করেছে। শান্তিপূর্ণ এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে, গত ১৮ মাসে বাংলাদেশকে অনেক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য দাবি জানাতে হয়েছে। সংস্কার ও সংস্কার কমিশনের নামে নতুন অভিজ্ঞতাও অর্জিত হয়েছে। অনেক অনিশ্চয়তার মধ্যে সবশেষে ভালোয় ভালোয় নির্বাচনটা হলো। তবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে দেশের সশস্ত্র বাহিনী। বিশেষ করে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের দৃঢ়তা। ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে ভোট দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন। আমাদের জন্য আনন্দের দিন। দেড় বছর
ধরে আমরা এ দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম। ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারছেন। একটা সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে।’ আরেকটু পেছনে ফিরলে অর্থাৎ ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি বলেছিলেন, ‘১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনে যেকোনো পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেব।’ ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেছিলেন যে তাঁর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করবে না। নির্বাচনের পর এটা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে তিনি তাঁর কথা রেখেছেন। ১৮ মাসের মধ্যেই নির্বাচন করা সম্ভব হয়েছে এবং সেনাবাহিনী মাঠে থাকলেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করেনি। আরেকটু পেছনে তাকালে, অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছিলেন, ‘ড. ইউনূস আমাদের সুন্দর একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাবেন।’ সরকার গঠনের আগের দিন বিকালে সেনা সদরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেছিলেন। তিনি সেদিন আরও বলেছিলেন যে ‘কিছুক্ষণ আগে ড. ইউনূসের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। উনার সঙ্গে কথা বলে আমার খুব ভালো লেগেছে। আমার মনে হয়েছে তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) এ কাজটা করতে অত্যন্ত আগ্রহী। আমি নিশ্চিত, তিনি আমাদের সুন্দর একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন এবং এ কাজে আমরা উপকৃত হব। আমরা অনেক আলোচনা করে ড. ইউনূসকে কেয়ারটেকার সরকারের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করেছি। রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে এবং শিক্ষার্থীদের সমন্বয়কদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আলোচনা করে আমরা সর্বসম্মতভাবে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব দিয়েছি। তিনি রাজি হয়েছেন। আগামীকাল (৮ আগস্ট ’২৪) ড. ইউনূস দেশে আসবেন। আমরা উনাকে রিসিভ করব। আমি আশা করি, উনি সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা পাবেন। আমি নিশ্চিত যে উনি সফলভাবে উনার কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।’ আজ (বুধবার) নির্বাচন-উত্তর ও নতুন সরকারের পথচলার প্রথম দিনে এ কথা অকপটে স্বীকার করতেই হয় যে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা তিনি রেখেছেন। ড. ইউনূসের প্রতি তাঁর যে প্রত্যাশা ছিল তা-ও পূর্ণ হয়েছে। সে কারণে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ। সততার সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার কারণে জাতি তাঁদের এ অবদান নিশ্চয় মনে রাখবে।
প্রবাদ আছে-সকালই বলে দেয় দিন কেমন যাবে। দিনের শুরুর বার্তা কেউ বুঝতে পারে, কেউ পারে না। ২৫ ডিসেম্বর ’২৫ বৃহস্পতিবার বিএনপির তখনকার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখন ঢাকায় ফিরলেন, তখন সারা দেশের নেতা-কর্মী, সমর্থক-শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষ ছিল উচ্ছ্বসিত। তাঁকে একনজর দেখার জন্য লাখ লাখ মানুষ বিমানবন্দর সড়কে সকাল থেকেই অপেক্ষা করছিল। রাজধানীর কুড়িলে ৩০০ ফিট সড়কে তৈরি করা হয়েছিল একটি বিরাট মঞ্চ। সেখানে সারা দেশ থেকে আসা অসংখ্য মানুষ আগের রাত থেকেই তীব্র শীত উপেক্ষা করে অপেক্ষা করেছেন। সেদিন রাজধানীর সব সড়কের মানুষের স্রোত ওই সড়কে মিশেছিল। তাঁকে বহন করা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা বাসটি সেদিন জনস্রোত ঠেলে বিমানবন্দর থেকে বিশ্বরোডের মাথায় আসতে লেগেছিল তিন ঘণ্টা। চব্বিশের অভ্যুত্থানের আগে অনেক সময় মনে করা হতো যে তারেক রহমান আর কখনো দেশে ফিরতে পারবেন না। সেই অনিশ্চিত অবস্থার অবসানের পর তিনি দেশে ফিরলেন। প্রিয় জন্মভূমিতে মানুষের জনস্রোতে দাঁড়িয়ে তিনি সেদিন ঘোষণা করেছিলেন, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’। তাঁর সেই ঘোষণায় উপস্থিত জনতা করতালি দিয়ে উজ্জীবিত হয়েছিল। দেশের জন্য, দেশের মানুষের কল্যাণে তাঁর পরিকল্পনা দেশবাসী সাদরে গ্রহণ করেছিল। সেদিন আরও একটি ঘটনা ঘটেছিল। তাঁর নিরাপত্তায় বিপুলসংখ্যক সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেনাসদস্যদের নি-িদ্র বেষ্টনী শুধু নিছক নিরাপত্তা ছিল না। সেটি ছিল দেশবাসীর প্রতি একটি বার্তা। সেই বার্তাটি হলো, ‘আমাদের সন্তানকে আমরা গ্রহণ করলাম।’ অর্থাৎ সেক্টর কমান্ডার, মুক্তিযোদ্ধা ও সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের সন্তানকে নিজেদের সন্তান মনে করে সেদিন সেনাবাহিনীর সদস্যরা তারেক রহমানকে বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। এ বার্তাটি সেদিন কেউ হয়তো বুঝতে পেরেছেন, কেউ বুঝতে পারেননি। ১২ ফ্রেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি ও তাঁর দল বিএনপির যে ভূমিধস বিজয় হবে, তা ওই দিনই পরিষ্কার হয়েছিল।
তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার এবং তাঁর দল বিএনপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার আরও একটি পূর্বাভাস পাওয়া গিয়েছিল ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যখন অসুস্থ হয়ে রাজধানীর বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, তখন তিনি হয়ে ওঠেন সারা বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল, শ্রেণি-পেশার মানুষের নেত্রী। তাঁর মৃত্যুর পর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত নামাজে জানাজায়ও সেটাই প্রমাণিত হয়েছে। দলমতনির্বিশেষে সারা দেশের মানুষ বেগম জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণ করেছেন। সবার চোখ সেদিন ছিল ভিজে। দেশবাসী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়াকে কতটা ভালোবাসেন তা গোটা পৃথিবী দেখেছিল। ১৯৮১ সালের ৩০ মে যখন প্রেসিডেন্ট জিয়া শহীদ হন, তখন তাঁর জানাজার নামাজও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর মাঝখানে কোনো ডিভাইডার ছিল না। বিশাল প্রশস্ত অ্যাভিনিউতে প্রেসিডেন্ট জিয়ার নামাজে জানাজায় রেকর্ডসংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছিল। আর এবার, একই স্থানে বেগম জিয়ার নামাজে জানাজায় রেকর্ডসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। দুজনের প্রতি দেশবাসী অকৃত্রিম ভালোবাসাই এর প্রমাণ। প্রিয় দুই নেতাকে দেশবাসী তাদের হৃদয়ের ভালোবাসা দিয়েই দুনিয়া থেকে বিদায় দিয়েছিল। আমরা সব সময়ই কৃতজ্ঞ জাতি। ভালোবাসার প্রতিদান আমরা ভালোবাসা দিয়েই শোধ করি। সেই কৃতজ্ঞ জাতি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকেই মনস্থির করেছিল যে প্রিয় দুই নেতার সন্তান তারেক রহমানকেও ভালোবাসার বন্ধনেই আগলে রাখবে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশবাসী তা-ই করেছে। দেশের মানুষ তাদের মননে, চিন্তায়, ভালোবাসায় ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ও ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ যা স্থির করে রেখেছিল, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচনে শুধু ব্যালটের মাধ্যমে তা প্রকাশ করেছে মাত্র।
এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়ার পালা। দেশবাসীর ভালোবাসার প্রতিদান তাঁকে দিতেই হবে। দেশবাসী শুধু শান্তি চায়। নিরাপত্তা চায়। দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্রকাঠামো চায়। আইনের শাসন চায়। বেকার জনগোষ্ঠী কর্মসংস্থান চায়। কষ্টে অর্জিত অর্থ ব্যাংকে বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নির্ভাবনায় রাখতে চায়। ইতিবাচক রাজনীতি চায়। অবশ্য তিনি দায়িত্ব গ্রহণের আগেই দেশের রাজনৈতিক শিষ্টাচার প্রতিষ্ঠার জন্য বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের (চরমোনাই পীর) সঙ্গে তাঁদের বাসায় গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এমন ঘটনা বাংলাদেশে অতীতে কখনো ঘটেনি। সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর দলের সংসদ সদস্যরা ডিউটি ফ্রি কোনো গাড়ি, সরকারি কোনো প্লট গ্রহণ করবেন না। তাঁর এমন ঘোষণাও রাজনীতিতে নতুন ইতিবাচক মাত্রা যোগ করল। এখন আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ তারেক রহমানকে দ্রুত করতে হবে। সর্বপ্রথম যে কাজটি করা দরকার, তা হলো দলকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। নির্বাচনের সময় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ‘চাঁদাবাজ’ বলে যে অপবাদ দেওয়া হয়েছিল, সে অপবাদ দূর করতে হবে। রাষ্ট্রকাঠামোর সকল পর্যায় থেকে দুর্নীতি দূর করার ব্যবস্থা নিতে হবে। দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখার জন্য দেশি বিনিয়োগকারী ও শিল্পোদোক্তাদের সঙ্গে নিয়ে অগ্রসর হতে হবে। দক্ষ, সৎ কর্মকর্তাদের দিয়ে প্রশাসন সাজাতে হবে। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদের লেবাস ধরে কোনো ‘গুপ্ত’ যেন প্রবেশ করতে না পারে। অতীতে হাওয়া ভবন নিয়ে অনেক অপবাদ, অপতথ্য বিশ্বাসযোগ্য করে রংচং দিয়ে প্রচার করা হয়েছে। এবার যেন এ ধরনের কোনো অপবাদের মুখোমুখি হতে না হয়। তারেক রহমানকে সব সময় মনে রাখতে হবে, তিনি সফল হলে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ বেঁচে থাকবে। আর জাইমা রহমানের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। জাইমা রহমান মাথা উঁচু করে হাঁটতে পারবেন। কারণ তাঁর মধ্যে দেশবাসী ইতোমধ্যে খালেদা জিয়ার প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছে।
লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন