শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ, ২০২৬

আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট

ড. মাহরুফ চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট

বিশ্ব মোড়ল হিসেবে পরিচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সমর্থনে জায়নবাদী শক্তি দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যকে ইসরায়েলকেন্দ্রিক নিরাপত্তা বলয়ে রূপান্তর করার যে ভূরাজনৈতিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে তার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ইরান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থায় নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের ভাষ্য ব্যবহার করে শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো যে ‘নিরাপত্তা স্থাপত্য’ নির্মাণ করেছে, সেখানে ইরানকে ক্রমাগতভাবে একটি ‘হুমকি-রাষ্ট্র’ হিসেবে চিহ্নিত ও উপস্থাপন করা হয়েছে। অথচ আন্তর্জাতিক আইন, সার্বভৌমত্বের নীতি এবং জাতিসংঘ সনদের মৌলিক আদর্শ অনুসারে কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতি বা প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নির্ধারণ তার নিজস্ব অধিকার। ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত দীর্ঘমেয়াদি অবরোধ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, সাইবার হামলা, প্রক্সি সংঘাত উসকে দেওয়া, মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ এবং সরাসরি সামরিক হুমকি এসবই বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপ নয়। বরং সবকিছুই এক ধারাবাহিক ও সুসংগঠিত আধিপত্যবাদী কৌশলের অংশ। রাজনৈতিক মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘হুমকি নির্মাণ’ (থ্রেট কনস্ট্রাকশন) বলা যায়, যেখানে একটি রাষ্ট্রকে ধারাবাহিকভাবে বিপজ্জনক প্রতিপক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করে আন্তর্জাতিক জনমতকে প্রভাবিত করা হয়। এর ফলে সে রাষ্ট্রের ওপর রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করার যৌক্তিক এবং নৈতিক বৈধতা তৈরি করা যায়।

ইরানের ওপর পারমাণবিক শক্তি অর্জনের অজুহাতে চাপ প্রয়োগের বিষয়টি বিশেষভাবে লক্ষণীয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধের নীতি থাকলেও বাস্তবে তা প্রায়ই দ্বৈত মানদণ্ডের শিকার। একদিকে কিছু রাষ্ট্রের পারমাণবিক সক্ষমতা ‘নিরাপত্তার নিশ্চয়তা’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়, অন্যদিকে অন্য রাষ্ট্রের একই আকাক্সক্ষা ‘আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা’ এবং ‘বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা’র জন্য হুমকি হিসেবে চিত্রিত হয়। এই দ্বৈত মানদণ্ড আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। বাস্তবতায় অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হলো আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য এমনভাবে পুনর্গঠন করা, যাতে মধ্যপ্রাচ্যসহ মুসলিম বিশ্বের ওপর ইসরায়েল তার একক সামরিক ও কৌশলগত প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শক্তির রাজনীতি (পাওয়ার পলিটিকস) তত্ত্ব অনুসারে, আধিপত্যবাদী শক্তি কখনোই সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীর উত্থান মেনে নিতে চায় না; বরং প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও বিচ্ছিন্নকরণের মাধ্যমে তাকে দুর্বল করে রাখার চেষ্টা কিংবা তার সক্ষমতা অর্জনের সব প্রচেষ্টাকে অঙ্কুরে বিনাশের চেষ্টা করে। এ প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের নীতিগুলো কৌশলগত ভাষ্যে রূপান্তরিত হয় আর ন্যায়ের দাবি পরিণত হয় শক্তির প্রয়োগের নৈতিকীকরণে। এখানেই উন্মোচিত হয় আধিপত্যবাদের প্রকৃত রূপ, যা বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় আঞ্চলিক সংকটকে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তায় রূপান্তরিত করার ঝুঁকি বহন করে।

উদ্বেগের বিষয়, ‘জোর যার মুল্লুক তার’ এই নীতিই যদি  যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনার অঘোষিত ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়, তবে বিশ্ব মোড়ল হিসেবে তার সভ্যতার ধারক ও বাহক হওয়ার নৈতিক দাবি অনিবার্যভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। শক্তির একচ্ছত্র প্রয়োগ কখনোই সভ্যতার সূচক হতে পারে না; বরং তা প্রাচীন সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতার আধুনিক সংস্করণ। ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, রোমান সাম্রাজ্য থেকে ঔপনিবেশিক ইউরোপ যে শক্তিই ‘সভ্যতা বিস্তার’-এর নামে অগ্রসর হয়েছে, শেষ পর্যন্ত তার মুখোশের আড়ালে ক্ষমতা দখল ও সম্পদ লুণ্ঠনের প্রকল্পই প্রধান হয়ে উঠেছে। আধুনিক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তত্ত্বে ‘রিয়ালিজম’ শক্তির ভারসাম্য ও স্বার্থকে রাষ্ট্রের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে। এ দৃষ্টিভঙ্গিতে নীতি-নৈতিকতা নয়, বরং ক্ষমতার সংরক্ষণই মুখ্য। কিন্তু একই সঙ্গে ‘লিবারালিজম’ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, আইন ও পারস্পরিক নির্ভরতার গুরুত্ব তুলে ধরে; আর ‘কনস্ট্রাকটিভিজম’ দেখায়, রাষ্ট্রের আচরণ কেবল সামরিক শক্তি দিয়ে নয়, বরং ধারণা, পরিচয় ও মূল্যবোধ দ্বারা গঠিত হয়। এ তাত্ত্বিক বহুত্ব আমাদের শেখায় যে বিশ্ব রাজনীতি কেবল শক্তির খেলা নয়; এতে নৈতিকতা, বৈধতা ও বৈশ্বিক সম্মতিরও বিশেষ ভূমিকা আছে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে মনে হচ্ছে শক্তির রাজনীতিই যেন একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করছে, আর নীতি ও নৈতিকতা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে কূটনৈতিক ভাষণ, প্রেস ব্রিফিং ও আনুষ্ঠানিক বিবৃতির অলংকারে। বাস্তবে বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা যেন এক ‘মগের মুল্লুক’।

মার্কসবাদী ইতালীয় চিন্তক, ভাষাতাত্ত্বিক ও সমাজবিজ্ঞানী অ্যান্তোনিও গ্রামশির (১৮৯১-১৯৩৭) ‘হেজিমনি’ ধারণা এখানে বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর মতে, শাসক শক্তি কেবল বলপ্রয়োগে নয়, বরং সম্মতি উৎপাদনের মাধ্যমে আধিপত্য বজায় রাখে। পাশ্চাত্যের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমসহ বৈশ্বিক মিডিয়াব্যবস্থার একটি বড় অংশ সেই সম্মতি নির্মাণের কারিগর হিসেবে কাজ করে বলে সমালোচকরা মনে করেন। নির্দিষ্ট ঘটনাকে বিশেষ ভাষ্য ও কাঠামোয় উপস্থাপন, কোন তথ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হবে আর কোনটি আড়ালে থাকবে এসব কলাকৌশল প্রয়োগের মাধ্যমেই জনমত গঠনের প্রক্রিয়ায় নানাভাবে প্রভাব ফেলে। ফলে আন্তর্জাতিক সংকটের ক্ষেত্রে একটি পূর্বনির্ধারিত নৈতিক অবস্থান তৈরি হয়, যা শক্তিধর রাষ্ট্রের কৌশলগত লক্ষ্যকে ন্যায়সংগত বলে প্রতীয়মান করে। এ বাস্তবতায় বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা এক গভীর নৈতিক সংকটে উপনীত হয়েছে। যদি আইন ও মূল্যবোধ কেবল দুর্বলদের জন্য প্রযোজ্য হয় আর শক্তিধরদের জন্য ব্যতিক্রম তৈরি হয়, তবে আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা আসলে অনিশ্চয়তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। সভ্যতার প্রকৃত মানদণ্ড শক্তির প্রদর্শনে নয়, বরং ন্যায়ের প্রতি সমান আনুগত্যে প্রতিফলিত হয়, এ সত্য উপেক্ষিত হলে বিশ্বরাজনীতি আবারও আগ্রাসন ও প্রতিশোধের দুষ্টচক্রে আবর্তিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।

ইরান জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রতিরক্ষা গবেষণা ও সমর প্রযুক্তিতে যে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের পথে এগিয়েছে, তা নিছক প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়; বরং চলমান বিশ্বব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করে একটি রাজনৈতিক বার্তা যে, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জনই আধিপত্য মোকাবিলার কৌশল। দীর্ঘমেয়াদি অবরোধ ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও কোনো রাষ্ট্র যদি নিজস্ব মানবসম্পদ, গবেষণা অবকাঠামো ও কৌশলগত প্রযুক্তি উন্নয়নে সাফল্য দেখায়, তবে তা বিদ্যমান আধিপত্যবাদী কাঠামোর বিরুদ্ধে একধরনের বৈপ্লবিক দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের নির্ভরতা তত্ত্ব (ডিপেন্ডেন্সি থিওরি) বলছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো এমনভাবে নির্মিত যে প্রান্তিক রাষ্ট্রগুলো বিশ্বব্যবস্থার কেন্দ্রের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর ওপর নির্ভরশীল থাকবে। সেই নির্ভরতার শৃঙ্খল ভাঙার চেষ্টা স্বাভাবিকভাবেই প্রভাবশালী শক্তির অস্বস্তির কারণ হয়। পশ্চিমা শক্তিগুলোর উদ্বেগের পেছনে কেবল সামরিক হিসাব নয়, বরং ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যের প্রশ্নও জড়িত। একটি রাষ্ট্র যখন নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করে, তখন তা কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন অর্জন করে অর্থাৎ তার নীতিনির্ধারণে বাইরের চাপ কম কার্যকর হয়। ফলে প্রচার-প্রোপাগান্ডা, অর্থনৈতিক অবরোধ, আর্থিক লেনদেনে প্রতিবন্ধকতা এবং কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে ইরানকে দুর্বল করার দীর্ঘ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। রাজনৈতিক মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি ‘জোরপূর্বক প্ররোচনা’র (কোরোসিভ পারসুয়েশান) চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে কাক্সিক্ষত আচরণে বাধ্য করার কৌশল।

কিন্তু এসব পদক্ষেপ প্রত্যাশিত ফল না দিলে কৌশল আরও আক্রমণাত্মক রূপ নিতে পারে। সমালোচকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-ঘনিষ্ঠ জোটের অংশীদাররা এখন ইরানের শাসকগোষ্ঠীকে অস্থিতিশীল বা ক্ষমতাচ্যুত করার সম্ভাব্য পথ খুঁজছে, যাতে রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের কৌশলগত সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। ইতিহাসে আমরা দেখেছি, শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রচেষ্টা (রেজিম চেঞ্জ) প্রায়ই আঞ্চলিক অস্থিরতা, রাষ্ট্রে অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে, যার মূল্য পরিশোধ করতে হয় দেশটির সাধারণ জনগণকে। ফলে প্রশ্নটি কেবল ইরানের অগ্রগতির জন্য নয়; বরং একটি রাষ্ট্রের আত্মনির্ভরতার অধিকারকে আন্তর্জাতিক-ব্যবস্থায় কতটা স্বীকৃতি দেওয়া হবে, সেটিও এখানে মুখ্য হয়ে উঠেছে। যদি আত্মনির্ভরতা ও কৌশলগত সক্ষমতা অর্জনকেই ‘হুমকি’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে তা বৈশ্বিক শৃঙ্খলার ন্যায়সংগত চরিত্র নিয়ে গুরুতর সন্দেহ তৈরি করে এবং আধিপত্যবাদ বনাম সার্বভৌমত্বের সংঘাতকে আরও প্রকট করে তোলে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন পুতুল সরকারকে কবজায় রেখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব-বলয় সেখানে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে। এটা কোনো নতুন অভিযোগ নয়; পুরোনো ভূরাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ। শীতল যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বে কৌশলগত ঘাঁটি, জ্বালানি নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষার নামে যে সামরিক ও কূটনৈতিক উপস্থিতি এ অঞ্চলসহ বিশ্বের অনেক জায়গায়ই গড়ে তোলা হয়েছে, তা অনেক বিশ্লেষকের চোখে ‘নিরাপত্তা স্থাপত্য’ নয়, বরং আধিপত্যের অবকাঠামো। এ প্রেক্ষাপটে ইরাক, লিবিয়া বা আফগানিস্তানে শাসক বদলানোর ‘রেজিম চেঞ্জ’ অভিজ্ঞতা বিশেষভাবে আলোচিত। এসব দেশে সামরিক শক্তির জোরে শাসক পরিবর্তন করা হলেও টেকসই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি; বরং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভাঙন, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-সংঘাত, জঙ্গিবাদ ও দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা বিস্তার লাভ করেছে। রাজনৈতিক সমাজতত্ত্ব আমাদের মনে করিয়ে দেয়, গণতন্ত্র কেবল নির্বাচন আয়োজনের নাম নয়; এর জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, আইনের শাসন, সামাজিক ব্যবস্থায় আস্থা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ।

লেখক : ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি

ইউনিভার্সিটি অব রোহ্যাম্পটন, যুক্তরাজ্য

এই বিভাগের আরও খবর
ইরান-মার্কিন সংলাপ
ইরান-মার্কিন সংলাপ
শুভ নববর্ষ
শুভ নববর্ষ
বাংলা সন
বাংলা সন
যেভাবে আমাদের নববর্ষ
যেভাবে আমাদের নববর্ষ
বৈশাখের শোভাযাত্রা
বৈশাখের শোভাযাত্রা
আশা বাঁচিয়ে রাখার ছবি
আশা বাঁচিয়ে রাখার ছবি
নিজের কাজ নিজে করার মধ্যে কোনো গ্লানি নেই
নিজের কাজ নিজে করার মধ্যে কোনো গ্লানি নেই
মাদক সাম্রাজ্য
মাদক সাম্রাজ্য
বোরো উৎপাদন
বোরো উৎপাদন
স্মৃতির চৈত্রসংক্রান্তি
স্মৃতির চৈত্রসংক্রান্তি
স্বমহিমায় বিকশিত হোক নববর্ষ
স্বমহিমায় বিকশিত হোক নববর্ষ
রাজনীতির ভাষা যখন আয়না হয়ে ওঠে
রাজনীতির ভাষা যখন আয়না হয়ে ওঠে
সর্বশেষ খবর
কুবিতে বৈশাখী উৎসব
কুবিতে বৈশাখী উৎসব

৫০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বাংলাদেশ–ফিলিপাইন বাণিজ্য বাড়াতে নতুন রোডম্যাপ
বাংলাদেশ–ফিলিপাইন বাণিজ্য বাড়াতে নতুন রোডম্যাপ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার
কুমিল্লায় যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো
ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ
আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর ‘প্রবল সম্ভাবনা’ রয়েছে: গুতেরেস
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর ‘প্রবল সম্ভাবনা’ রয়েছে: গুতেরেস

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব
নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব

৩ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা
বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢামেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক কারাবন্দির মৃত্যু
ঢামেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক কারাবন্দির মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো মাস্টারকার্ড
‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো মাস্টারকার্ড

৪ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকা আমাদের বড় দায়িত্ব’
‘সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকা আমাদের বড় দায়িত্ব’

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নববর্ষে মাদারীপুরে দাড়িয়াবান্ধা খেলা অনুষ্ঠিত
নববর্ষে মাদারীপুরে দাড়িয়াবান্ধা খেলা অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংস্কারের বকেয়া রেখেই সরকার হালখাতা খুলেছে : নাহিদ
সংস্কারের বকেয়া রেখেই সরকার হালখাতা খুলেছে : নাহিদ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাঞ্ছারামপুরে মেঘনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, অভিযানে আটক ১২
বাঞ্ছারামপুরে মেঘনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, অভিযানে আটক ১২

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উত্তরায় বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ, তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা
উত্তরায় বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ, তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দক্ষিণী অভিনেত্রীর বাসায় বোমা হামলার হুমকি!
দক্ষিণী অভিনেত্রীর বাসায় বোমা হামলার হুমকি!

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?
পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পহেলা বৈশাখে নোয়াখালীতে বিএনপির নানা আয়োজন
পহেলা বৈশাখে নোয়াখালীতে বিএনপির নানা আয়োজন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে সংঘাত বন্ধ ও শান্তি আলোচনার আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের
লেবাননে সংঘাত বন্ধ ও শান্তি আলোচনার আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলসান সোসাইটির উদ্যোগে লেকপার্কে মেলা
গুলসান সোসাইটির উদ্যোগে লেকপার্কে মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোদি দেশভক্ত নয়, দেশদ্রোহী: রাহুল গান্ধী
মোদি দেশভক্ত নয়, দেশদ্রোহী: রাহুল গান্ধী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির ফোনালাপ, কোন বিষয়ে আলোচনা?
ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির ফোনালাপ, কোন বিষয়ে আলোচনা?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাতের মধ্যে দেশের তিন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
রাতের মধ্যে দেশের তিন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনের দাবি ভ্যান্সের
ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনের দাবি ভ্যান্সের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
যে কারণে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিতে চায় রাশিয়া
যে কারণে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিতে চায় রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ অতিক্রম করল চীনের মালিকানাধীন তেলবাহী জাহাজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ অতিক্রম করল চীনের মালিকানাধীন তেলবাহী জাহাজ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন হুঁশিয়ারির মধ্যে হরমুজ পাড়ি দেওয়া চার জাহাজ নিয়ে যা জানা গেল
মার্কিন হুঁশিয়ারির মধ্যে হরমুজ পাড়ি দেওয়া চার জাহাজ নিয়ে যা জানা গেল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের
সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী অ্যান্টোইন হে
বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী অ্যান্টোইন হে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির মুখে পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি চীনের
ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির মুখে পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি চীনের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব
যুক্তরাষ্ট্রকে অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ইসরায়েল’
‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ইসরায়েল’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর চাপ তৈরি করবে চীন, প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের ওপর চাপ তৈরি করবে চীন, প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা
রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান
পাঁচ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শি জিনপিংয়ের ‘চার প্রস্তাব’, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটকে কটাক্ষ
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শি জিনপিংয়ের ‘চার প্রস্তাব’, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটকে কটাক্ষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিতাড়িত স্বৈরাচারের ভূত বিরোধীদলের কাঁধে চেপেছে: প্রধানমন্ত্রী
বিতাড়িত স্বৈরাচারের ভূত বিরোধীদলের কাঁধে চেপেছে: প্রধানমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি
আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি
ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর পর সরাসরি ইসরায়েল-লেবানন বৈঠক, বড় চুক্তির লক্ষ্যে নেতানিয়াহু
৪০ বছর পর সরাসরি ইসরায়েল-লেবানন বৈঠক, বড় চুক্তির লক্ষ্যে নেতানিয়াহু

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে কাজ করছে না ট্রাম্পের শুল্ক কৌশল, বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি
ইরানের বিরুদ্ধে কাজ করছে না ট্রাম্পের শুল্ক কৌশল, বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে ভারতকে ধুয়ে দিল উইজডেন
বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে ভারতকে ধুয়ে দিল উইজডেন

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি হবে কি না তা ঠিক করবে ইরান : জেডি ভ্যান্স
যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি হবে কি না তা ঠিক করবে ইরান : জেডি ভ্যান্স

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?
পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী
২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এ আই ড্রোন প্রযুক্তিতে চীন-রাশিয়ার কাছে হারছে যুক্তরাষ্ট্র
এ আই ড্রোন প্রযুক্তিতে চীন-রাশিয়ার কাছে হারছে যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজার ‘আইকনিক’ স্টেশন ইজারা নিতে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহ
কক্সবাজার ‘আইকনিক’ স্টেশন ইজারা নিতে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহ

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন ডলি বেগম
কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন ডলি বেগম

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মার্কিন নৌ-অবরোধ সার্বভৌমত্বের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ : ইরান
মার্কিন নৌ-অবরোধ সার্বভৌমত্বের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ : ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধকে ‘বিপজ্জনক পশ্চাৎপদ পদক্ষেপ’ বললেন শিপিং ফেডারেশন প্রধান
মার্কিন অবরোধকে ‘বিপজ্জনক পশ্চাৎপদ পদক্ষেপ’ বললেন শিপিং ফেডারেশন প্রধান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে হতভাগা জলদস্যু বলে ইরানের বিদ্রুপ
ট্রাম্পকে হতভাগা জলদস্যু বলে ইরানের বিদ্রুপ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক