শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ, ২০২৬

মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ

এম এ মান্নান
প্রিন্ট ভার্সন
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ

ইসলামের ইতিহাসে ওহুদের যুদ্ধ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ও শিক্ষণীয় ঘটনা। এ যুদ্ধে নিশ্চিত জয়লাভের সম্ভাবনা সত্ত্বেও মুসলমানরা পরাজিত হয়। পরাজয়ের কারণ ছিল নেতৃত্বের নির্দেশনাকে গুরুত্ব না দেওয়া। মুসলমানদের শৃঙ্খলাবোধের ব্যত্যয় ঘটায় মুশফিকরা তাদের ওপর আঘাত হানার সুযোগ পায়। এ পরাজয়ে মুসলমানরা সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তা থেকে অর্জিত শিক্ষা তাদের এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে পাথেয় হয়ে দাঁড়ায়।

হিজরি তৃতীয় সনে আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে মক্কার কুরাইশ মুশরিকরা ৩ হাজার সৈন্য নিয়ে মদিনার দিকে রওনা হয়। বহু নারীও ছিল ওই বাহিনীতে। তারা কবিতা গেয়ে উৎসাহিত করেছে মুশরিকদের। কবিতার অর্থ ছিল ‘যদি তোমরা যুদ্ধ করো আমরা তোমাদের সঙ্গে কোলাকুলি করব, আর যদি পিছু হটো তবে তোমাদের তালাক দেব।’ হিজরি তৃতীয় সনে ওহুদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যুদ্ধে মুসলমানরা বিজয়লাভ করে। পাহাড়ি পথের প্রহরায় নিযুক্ত মুসলিম সৈন্যরা বিজয়ে আত্মহারা হয়ে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরবর্তী হুকুমের অপেক্ষা না করে গণিমতের মাল সংগ্রহ করতে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এই অরক্ষিত পাহাড়ি পথে মক্কি সৈন্যরা পুনরায় যুদ্ধের ময়দানে প্রত্যাবর্তন করে মুসলমানদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ করল। কাফেরদের আক্রমণের তীব্রতা অপ্রস্তুত মুসলমানদের ছিন্নভিন্ন ও বিপর্যস্ত করে দেয়। মুসলমান সৈন্যরা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। মাত্র ১২ জন আনসার এবং একজন মুহাজির তালহা বিন ওবায়দুল্লাহ রসুলের সঙ্গে ছিলেন। এ যুদ্ধে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাঁত মোবারক শহীদ হয়। এই মুষ্টিমেয় সাহাবি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চারপাশে মানববর্ম বা প্রাচীর সৃষ্টি করেন। বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করে একে একে ১২ জন আনসার শাহাদাতবরণ করেন। অতঃপর বীর তালহা তলোয়ার ধারণ করেন। তাঁর শরীরে সত্তরের অধিক আঘাত ছিল এবং তাঁর হাত কাঁধ থেকে ঝুলে পড়েছিল। তিনি বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করে কাফের সৈন্যদের পরাজিত করেন। কাফের সৈন্যদের যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর আহত মুজাহিদদের একত্রিত করেন। তাদের সারিবদ্ধ করার হুকুম দেন। পুরুষের পেছনে ১৪ জন মহিলা সাহাবিও সারিতে শামিল ছিলেন। অতঃপর আল্লাহর রসুল মর্মস্পর্শী ভাষায় ভাষণ দান করেন। তিনি ভাষণের প্রারম্ভে বলেন : হে আল্লাহ! যাবতীয় প্রশংসা আপনার। হে আল্লাহ, আপনি যাকে প্রশস্ত করেন তার কোনো সংকোচনকারী নেই এবং আপনি যাকে অপ্রশস্ত করেন, তার কোনো প্রশস্তকারী নেই। আপনি যাকে গুমরাহ করেন, তার কোনো হেদায়েতকারী নেই এবং আপনি যাকে হেদায়েত প্রদান করেন তার কোনো গুমরাহকারী নেই। আপনি যাকে দান করেন না, তাকে দানকারী কেউ নেই এবং আপনি যাকে দান করেন তাকে বাধাদানকারী কেউ নেই। আপনি যাকে দূরে নিক্ষেপ করেন তাকে নিকটবর্তী করার কেউ নেই এবং আপনি যাকে নিকটবর্তী করেন তাকে দূরবর্তী করার কেউ নেই।

অতঃপর তিনি বলেন, অভিশপ্ত শয়তান থেকে শ্রবণকারী এবং সর্বজ্ঞানী আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। কেয়ামতের (ভয়াবহ) দিন মুত্তাকি এবং পরহেজগার ব্যতীত বন্ধুরা পরস্পর দুশমন হয়ে যাবে। যারা আমার আয়াতে বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং মুসলিম হিসেবে জীবনযাপন করেছে, সেসব মুত্তাকিকে সেদিন সুস্পষ্টভাবে বলা হবে : হে আমার বান্দারা, আজ তোমাদের কোনো ভয়ভীতি এবং ব্যথাবেদনা নেই। তোমরা এবং তোমাদের স্ত্রীরা জান্নাতে প্রবেশ কর এবং সুখে-স্বাচ্ছন্দ্যে থাক। তাদের চারপাশে ঘুরতে থাকবে সোনার থালা ও পানপাত্র। যা তারা কামনা করবে এবং যা তাদের চোখ শীতল করবে তাই তারা পাবে। (বলা হবে), তোমরা অনন্তকাল এখানে অবস্থান করো। তোমাদের সৎকর্মের জন্য জান্নাতের ওয়ারিশ করা হয়েছে। এখানে তোমাদের খাওয়ার জন্য অসংখ্য ও অগণিত ফল রয়েছে।

নাফরমান অপরাধীরা অনন্তকাল জাহান্নামের আজাবের মধ্যে অবস্থান করবে। তাদের আজাব কখনো হ্রাস করা হবে না এবং নিরাশার মধ্যে থাকবে। আমরা তাদের ওপর কোনো জুলুম করব না, বরং তারা নিজেরাই জুলুমকারী। চিৎকার করে তারা জাহান্নামের রক্ষীকে বলবে, তোমার প্রভুকে বল আমাদের প্রাণ সংহার করতে। সে বলবে, (যেহেতু তোমাদের মৃত্যু হয়ে গেছে) তোমাদের অবশ্যই (এ অবস্থায়) অবস্থান করতে হবে। আমরা তোমাদের নিকট হক উপস্থাপিত করেছি; কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই সত্যকে অস্বীকার করেছ।

ওহুদের যুদ্ধ প্রমাণ করে মুসলমানদের নেতার নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। কোনো ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা প্রদর্শন করা যাবে না। আল্লাহর রহমত পাওয়ার শ্রেষ্ঠ উপায় হলো আল্লাহ ও তাঁর রসুলের হুকুম মেনে চলা।

লেখক : ইসলামবিষয়ক গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ইরান-মার্কিন সংলাপ
ইরান-মার্কিন সংলাপ
শুভ নববর্ষ
শুভ নববর্ষ
বাংলা সন
বাংলা সন
যেভাবে আমাদের নববর্ষ
যেভাবে আমাদের নববর্ষ
বৈশাখের শোভাযাত্রা
বৈশাখের শোভাযাত্রা
আশা বাঁচিয়ে রাখার ছবি
আশা বাঁচিয়ে রাখার ছবি
নিজের কাজ নিজে করার মধ্যে কোনো গ্লানি নেই
নিজের কাজ নিজে করার মধ্যে কোনো গ্লানি নেই
মাদক সাম্রাজ্য
মাদক সাম্রাজ্য
বোরো উৎপাদন
বোরো উৎপাদন
স্মৃতির চৈত্রসংক্রান্তি
স্মৃতির চৈত্রসংক্রান্তি
স্বমহিমায় বিকশিত হোক নববর্ষ
স্বমহিমায় বিকশিত হোক নববর্ষ
রাজনীতির ভাষা যখন আয়না হয়ে ওঠে
রাজনীতির ভাষা যখন আয়না হয়ে ওঠে
সর্বশেষ খবর
কুবিতে বৈশাখী উৎসব
কুবিতে বৈশাখী উৎসব

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বাংলাদেশ–ফিলিপাইন বাণিজ্য বাড়াতে নতুন রোডম্যাপ
বাংলাদেশ–ফিলিপাইন বাণিজ্য বাড়াতে নতুন রোডম্যাপ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার
কুমিল্লায় যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো
ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ
আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর ‘প্রবল সম্ভাবনা’ রয়েছে: গুতেরেস
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর ‘প্রবল সম্ভাবনা’ রয়েছে: গুতেরেস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব
নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব

৩ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা
বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢামেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক কারাবন্দির মৃত্যু
ঢামেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক কারাবন্দির মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো মাস্টারকার্ড
‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো মাস্টারকার্ড

৫ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকা আমাদের বড় দায়িত্ব’
‘সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকা আমাদের বড় দায়িত্ব’

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নববর্ষে মাদারীপুরে দাড়িয়াবান্ধা খেলা অনুষ্ঠিত
নববর্ষে মাদারীপুরে দাড়িয়াবান্ধা খেলা অনুষ্ঠিত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংস্কারের বকেয়া রেখেই সরকার হালখাতা খুলেছে : নাহিদ
সংস্কারের বকেয়া রেখেই সরকার হালখাতা খুলেছে : নাহিদ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাঞ্ছারামপুরে মেঘনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, অভিযানে আটক ১২
বাঞ্ছারামপুরে মেঘনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, অভিযানে আটক ১২

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উত্তরায় বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ, তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা
উত্তরায় বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ, তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দক্ষিণী অভিনেত্রীর বাসায় বোমা হামলার হুমকি!
দক্ষিণী অভিনেত্রীর বাসায় বোমা হামলার হুমকি!

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?
পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পহেলা বৈশাখে নোয়াখালীতে বিএনপির নানা আয়োজন
পহেলা বৈশাখে নোয়াখালীতে বিএনপির নানা আয়োজন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে সংঘাত বন্ধ ও শান্তি আলোচনার আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের
লেবাননে সংঘাত বন্ধ ও শান্তি আলোচনার আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলসান সোসাইটির উদ্যোগে লেকপার্কে মেলা
গুলসান সোসাইটির উদ্যোগে লেকপার্কে মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোদি দেশভক্ত নয়, দেশদ্রোহী: রাহুল গান্ধী
মোদি দেশভক্ত নয়, দেশদ্রোহী: রাহুল গান্ধী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির ফোনালাপ, কোন বিষয়ে আলোচনা?
ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির ফোনালাপ, কোন বিষয়ে আলোচনা?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাতের মধ্যে দেশের তিন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
রাতের মধ্যে দেশের তিন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনের দাবি ভ্যান্সের
ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনের দাবি ভ্যান্সের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
যে কারণে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিতে চায় রাশিয়া
যে কারণে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিতে চায় রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ অতিক্রম করল চীনের মালিকানাধীন তেলবাহী জাহাজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ অতিক্রম করল চীনের মালিকানাধীন তেলবাহী জাহাজ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন হুঁশিয়ারির মধ্যে হরমুজ পাড়ি দেওয়া চার জাহাজ নিয়ে যা জানা গেল
মার্কিন হুঁশিয়ারির মধ্যে হরমুজ পাড়ি দেওয়া চার জাহাজ নিয়ে যা জানা গেল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের
সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী অ্যান্টোইন হে
বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী অ্যান্টোইন হে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির মুখে পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি চীনের
ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির মুখে পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি চীনের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব
যুক্তরাষ্ট্রকে অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ইসরায়েল’
‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ইসরায়েল’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর চাপ তৈরি করবে চীন, প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের ওপর চাপ তৈরি করবে চীন, প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা
রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান
পাঁচ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শি জিনপিংয়ের ‘চার প্রস্তাব’, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটকে কটাক্ষ
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শি জিনপিংয়ের ‘চার প্রস্তাব’, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটকে কটাক্ষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিতাড়িত স্বৈরাচারের ভূত বিরোধীদলের কাঁধে চেপেছে: প্রধানমন্ত্রী
বিতাড়িত স্বৈরাচারের ভূত বিরোধীদলের কাঁধে চেপেছে: প্রধানমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি
আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি
ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর পর সরাসরি ইসরায়েল-লেবানন বৈঠক, বড় চুক্তির লক্ষ্যে নেতানিয়াহু
৪০ বছর পর সরাসরি ইসরায়েল-লেবানন বৈঠক, বড় চুক্তির লক্ষ্যে নেতানিয়াহু

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে কাজ করছে না ট্রাম্পের শুল্ক কৌশল, বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি
ইরানের বিরুদ্ধে কাজ করছে না ট্রাম্পের শুল্ক কৌশল, বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে ভারতকে ধুয়ে দিল উইজডেন
বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে ভারতকে ধুয়ে দিল উইজডেন

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি হবে কি না তা ঠিক করবে ইরান : জেডি ভ্যান্স
যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি হবে কি না তা ঠিক করবে ইরান : জেডি ভ্যান্স

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?
পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী
২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এ আই ড্রোন প্রযুক্তিতে চীন-রাশিয়ার কাছে হারছে যুক্তরাষ্ট্র
এ আই ড্রোন প্রযুক্তিতে চীন-রাশিয়ার কাছে হারছে যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজার ‘আইকনিক’ স্টেশন ইজারা নিতে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহ
কক্সবাজার ‘আইকনিক’ স্টেশন ইজারা নিতে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহ

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন ডলি বেগম
কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন ডলি বেগম

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মার্কিন নৌ-অবরোধ সার্বভৌমত্বের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ : ইরান
মার্কিন নৌ-অবরোধ সার্বভৌমত্বের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ : ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধকে ‘বিপজ্জনক পশ্চাৎপদ পদক্ষেপ’ বললেন শিপিং ফেডারেশন প্রধান
মার্কিন অবরোধকে ‘বিপজ্জনক পশ্চাৎপদ পদক্ষেপ’ বললেন শিপিং ফেডারেশন প্রধান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে হতভাগা জলদস্যু বলে ইরানের বিদ্রুপ
ট্রাম্পকে হতভাগা জলদস্যু বলে ইরানের বিদ্রুপ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক