শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৬ মার্চ, ২০২৬

ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ইতিহাস কীভাবে মনে রাখবে! মধ্যপ্রাচ্যের কসাই নেতানিয়াহুর পাশাপাশি কি উচ্চারিত হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম? যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসই বা কীভাবে মূল্যায়ন করবে এই পাগলাটে রাষ্ট্রনায়ককে? যুদ্ধবাজ উন্মাদ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নাকি শান্তির দূত হিসেবে আমেরিকার জনগণ তাঁকে মনে রাখবে চিরকাল? নাকি বিশ্ব তাঁকে চিনে নেবে এক আত্মপ্রবঞ্চক নৃপতি হিসেবে? ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইলেকশন ক্যাম্পেইনের সেøাগান ছিল আমেরিকা ফার্স্ট। অর্থাৎ সবার আগে আমেরিকার স্বার্থ। এই স্লোগানের অনেকে সারার্থ করেছিলেন যে বিদেশে আমেরিকার সামরিক খাতে অর্থ ও জনবল ক্ষয়ের নীতি থেকে তিনি সরে আসবেন। অন্য দেশের সমস্যা নিয়ে নাক গলিয়ে স্বদেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না। আমেরিকায় অভিবাসনের ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করবেন। ষোলো সালে তাঁর আরেকটি জনপ্রিয় সেøাগান ছিল মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন। আমেরিকাকে আবারও মহান জাতিতে পরিণত কর। প্রথম মেয়াদের দুটি সেøাগানই আমেরিকান জনগণ গ্রহণ করেছিল। সে যাত্রায় হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে ট্রাম্প জয়যুক্ত হয়েছিলেন। প্রথম মেয়াদে কথাবার্তায় পাগলামি থাকলেও তখন বড় ধরনের কোনো যুদ্ধে আমেরিকা জড়ায়নি। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে শান্তি প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছিলেন।

আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি তিনিই কমিয়ে আনতে শুরু করেন। ট্রাম্পই তালেবানদের সঙ্গে আলোচনার সূত্রপাত করেন। পাশাপাশি চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি কৌশলগত মিত্র সৃষ্টি করা হয়, যারা একই সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করে চলেছে। আরব আমিরাত ও বাহরাইন এমনই দুটি দেশ। আব্রাহাম চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের শিকড় মজবুত করা। ট্রাম্প প্রথম মেয়াদেই সেটা করতে পেরেছিলেন। কিন্তু প্রথম মেয়াদে তিনি তাঁর যুদ্ধংদেহি রূপ দেখাননি। বরং শান্তি-সমঝোতার একটা বাতাবরণ তৈরি করতে পেরেছিলেন। এমনকি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গেও সম্পর্কোন্নয়নের একটা হাস্যরসাত্মক পরিবেশও তিনি তৈরি করেছিলেন। কিন্তু এত সব করেও তিনি আমেরিকান ভোটারদের মন পাননি, যদিও তিনি ভাবছিলেন যে চার বছরে তিনি আমেরিকাকে অনেক মহত্ত্ব দান করেছেন। হয়তো সেজন্যই ২০২০ সালের ইলেকশনে তাঁর সেøাগান ছিল আমেরিকার মহত্ত্ব ধরে রাখ-কিপ আমেরিকা গ্রেট। কিন্তু সেøাগানে চিড়ে ভেজেনি। সেবার জো বাইডেনের কাছে তিনি হেরে যান। মি. বাইডেন বিশ্বের দেশে দেশে গণতন্ত্র রপ্তানির মিশন নিলেন। এমনকি বাংলাদেশেও। পূর্বসূরি ট্রাম্পের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকার সব সৈন্য প্রত্যাহার করে নেন। কাবুলে পুনরুত্থান ঘটে তালেবান বাহিনীর। ভাগ্যবিপর্যয় ঘটে আশরাফ ঘানির।

নেতানিয়াহুকাবুলে তালেবানের উত্থানে যেমন, তেমনই ক্রীড়নক ঘানি সরকারের বিপর্যয়ের পেছনে নেপথ্যে ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ২০২১ সালে আফগানিস্তানে যখন আবারও বীরদর্পে তালেবান ফিরে এলো তখন প্রশ্ন উঠল, বিশ্ববলয়ে তালেবানের সবচেয়ে বড় ও পুরোনো মিত্র কে বা কোন রাষ্ট্রশক্তি? রাশিয়া, চীন, ইরান, সৌদি আরব নাকি পাকিস্তান? না! ইতিহাস ও সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ কিন্তু বলছে অন্য কথা। আফগানিস্তানের জনপ্রিয় নেতা নূর মোহাম্মদ তারাকিকে হত্যা করে ১৯৭৯ সালে কাবুলের ক্ষমতা দখল করেন তাঁরই কমরেড বিশ্বাসঘাতক হাফিজুল্লাহ আমিন। এই আমিনের পৃষ্ঠপোষক মস্কো। আমিন প্রশাসনকে সহযোগিতার নামে অনতিবিলম্বে আফগানিস্তানে প্রবেশ করে সোভিয়েত বাহিনী।

আমিনের পরে কাবুলের ক্ষমতায় আসেন মস্কোর আরেক ক্রীড়নক বারবাক কারমাল। বস্তুত আফগানিস্তানে কায়েম হয়ে যায় সোভিয়েত দখলদারি।

এই জায়গাটাতেই খুঁজে পাওয়া যাবে তালেবানের সবচেয়ে বড় মিত্রটিকে। সোভিয়েত আগ্রাসন রুখতে তখন আমেরিকার অর্থ ও অস্ত্র সহযোগিতায় গড়ে ওঠে আফগান মুজাহিদ বাহিনী। বাংলাদেশেও তখন আমেরিকান দূতাবাসের সহযোগিতায় প্রকাশিত হয়েছে সোভিয়েত আগ্রাসনবিরোধী অনেক সংকলন, আয়োজিত হয়েছে বহু সেমিনার। আমেরিকার সংস্কৃতিকেন্দ্রে বিনে পয়সায় প্রদর্শিত হয়েছে আফগানিস্তানে সোভিয়েত বাহিনীর নিষ্ঠুরতার বহু ডকুমেন্টারি। মহামূল্যবান বক্তৃতা শুনেছি তখন বুদ্ধিজীবীদের। ইউসিসে ঘটা করে সেমিনার আয়োজন করা হতো তখন। মুজাহিদদের সোভিয়েতবিরোধী সেই লড়াইকে এক মহান যুদ্ধ হিসেবে দেখানো হয়েছে। চালানো হয়েছে প্রোপাগান্ডা।

তালেবান নামে নব্বই দশকের মধ্যভাগে কাবুলের মসনদ দখল করে নেয় মার্কিন-সমর্থিত সেই মুজাহিদ বাহিনী। ১৯৯৬ সালে মোল্লা ওমর হলেন সরকারপ্রধান।

সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু ২০০১ সালের নাইন-ইলেভেনে আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংসের পর পরিস্থিতি বদলে গেল। ওয়াশিংটনের ক্রোধ গনগনে চুল্লিতে পরিণত হলো। তালেবানশাসিত আফগানিস্তানকে চিহ্নিত করা হলো সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে। ন্যাটো জোটের সর্বব্যাপী বিমান হামলায় পতন হলো মোল্লা ওমরের তালেবান সরকারের।

এদিকে কুড়ি বছরের মধ্যে ভোলগা, টেমস, আমাজন, কাবুল ও আমু দরিয়ায় পানি গড়িয়েছে অনেক। আমূল বদলে গেছে বিশ্বপরিস্থিতি। মাথা ঠান্ডা জো বাইডেন এসে চুলোর আগুন কমিয়ে দিয়েছেন। অতঃপর তালেবান ও আমেরিকার পুরোনো মিত্রতা পুনর্জীবন লাভ করে। এই জায়গাটায় অনুঘটকের কাজ করে বাইডেনের পূর্বসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত ‘মেক আমেরিকা গ্রেট’ নীতি। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে আমেরিকার গ্রেটনেসের তাৎপর্য ছিল একরকম আর এখনকার ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রেটনেসের তাৎপর্য আরেক রকম। সেই সময়ে গ্রেটনেস বলতে দৃশ্যত একমেরু বিশ্বে আমেরিকাকে এক মহান, উদার জাতি হিসেবে তুলে ধরার প্রয়াস ছিল। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে জিতে ট্রাম্প শুরুতে বিদেশনীতির ক্ষেত্রে সেই ঔদার্য প্রদর্শনের অভিনয় শুরু করেছিলেন। ইতিহাসে তিনি নিজের নাম লেখাতে চেয়েছিলেন এক মহান জাতির শান্তিবাদী মহান রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে। দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে প্রবেশের পাঁচ মাসের মাথায় পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার চার দিনের সংঘাত থামাতে সক্রিয় অবদান রাখেন। ইউক্রেন বিরোধ নিরসনেও তিনি ইতবাচক অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন। এর আগেরবারের তেহরান-তেল আবিব যুদ্ধের শুরুতে তিনি ইসরায়েলের পক্ষ হয়ে যুদ্ধংদেহি মনোভাব গ্রহণ করলেও পরে ভোল পাল্টে ফেলেন। প্রথম দিকে ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলাও চালিয়েছিলেন। শেষের দিকে এসে ইসরায়েলের পরাজয় যখন প্রায় নিশ্চিত তখন তিনি হয়ে যান শান্তির দূত। নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার জন্য বিশ্বশান্তির পথে এ-ও তাঁর এক বড় কাজ হিসেবে দেখানোর সুযোগ তৈরি হয়েছিল। ফিলিস্তিনে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতিতেও তিনি ভূমিকা রাখেন, যদিও তিনি ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষপাতী নন। সে ভিন্ন প্রসঙ্গ। যদিও গাজা উপত্যকাকে পর্যটন ও অবকাশকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলে আমেরিকার আধিপত্য কায়েমের মনোবাসনা তার ছিল। পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করার প্রস্তাবও করা হয়েছিল। এমতাবস্থায় ডোনাল্ড ট্রাম্প ধরেই নিয়েছিলেন যে, তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন। সাধারণ একটা ধারণাও তৈরি হয়ে গিয়েছিল যে, ২০২৫ সালের শান্তি পুরস্কার ট্রাম্পের গলায় ঝুলবে, কেবল ঘোষণার অপেক্ষা। যে শর্তগুলো পূরণ করলে কেউ নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হতে পারেন, তাতেও তিনি এগিয়েছিলেন। স্কোর ভালো ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি। পেয়েছে ভেনেজুয়েলার অখ্যাত নেত্রী করিনা মাচাদো।

নোবেল শান্তি পুরস্কার হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গ্রেটনেস তথা মহত্ত্ব বা বড়ত্বের ভাবার্থ বদলে নিলেন। বিশ্বনেতা হওয়ার চাইতে দুনিয়ার বস হওয়ার এক উদগ্র বাসনায় যেন তাঁকে পেয়ে বসল। আমেরিকান ঔদার্যের চাদর যেন বা তিনি ছুড়ে ফেলে দিলেন জীর্ণ বস্ত্রের মতো। চলতি বছরের (২০২৬) শুরুতেই রাতের অন্ধকারে তিনি আক্রমণ চালালেন ভেনেজুয়েলায়। তুলে নিয়ে যাওয়া হলো প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে। সঙ্গে তাঁর স্ত্রীকেও। ভেনেজুয়েলায় সফল অভিযানের পর আমেরিকাই এখন দেশটি চালাবে। তেল সম্পদের সদ্ব্যবহার করে ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের জীবনমানের উন্নয়ন করা হবে। কারাকাসে যুক্তরাষ্ট্রের এজেন্ট পলিটিশিয়ান শান্তিতে নোবেলজয়ী মাচাদো ভেবেছিলেন তিনি ক্ষমতার খুব কাছাকাছি চলে এসেছেন। কিন্তু বাস্তবে মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়া যতটা সহজে সম্ভবপর হয়েছে, ট্রাম্পের ব্যক্তিগত পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ততটা সহজ হচ্ছে না। কারাকাসে এখনো মাদুরোর সরকারই রয়েছে। নিকোলাস মাদুরোর অনুপস্থিতিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। তেলের ওপরও আমেরিকার পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কেননা ভেনেজুয়েলার জনগণ রাজপথে সরকারবিরোধী কোনো আন্দোলন গড়ে তোলেনি। জনসাধারণ বরং মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ায় আমেরিকার বিরুদ্ধে কথা বলছে। মাচাদোরও কোনো জনসমর্থন নেই। তা সত্ত্বেও নতুন করে একটি ফেয়ার ইলেকশনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ভেনেজুয়েলা প্রশ্নে বিশ্ব জনমতও আমেরিকার বিপক্ষে।

তাহলেও প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে তুলে আনার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চাইলেন। কারণ এই দ্বীপে মজুত রয়েছে বিপুল পরিমাণ দুষ্প্রাপ্য খনিজ সম্পদ। যেখানে সম্পদ সেখানে আমেরিকা চায় একচ্ছত্র আধিপত্য। ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো মনে করেন যে এটা আমেরিকার অধিকার। প্রথমে সামরিক অভিযানের কথা ভাবলেও পরে ট্রাম্প আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কিন্তু গ্রিনল্যান্ডের মালিক ডেনমার্ক পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড তাদের, তাদেরই থাকবে। এই দ্বীপ বিক্রয়যোগ্য নয়। গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে হোঁচট খেলেও দমে যাওয়ার পাত্র নন ট্রাম্প।

আবার চোখ ইরানের ওপর। ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে হামলা চালানো হলো ইরানের ওপর। অতর্কিত হামলায় খামেনিকে হত্যা করা হলো। বোমা মেরে হত্যা করা হলো স্কুলের নিষ্পাপ শিশুদের। বিতাড়িত রেজা শাহ পাহলভির পুত্র আবারও প্ররোচিত হলেন ইরানের হারানো মসনদ ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন দেখার।  ট্রাম্প ইরানের জনগণের প্রতি আহ্বান জানালেন খামেনি সরকারের পতন ঘটিয়ে নতুন সরকার গঠনের। কিন্তু জনগণ সেই ভুলটি করল না। ইরানের জাতীয় ঐক্যে এই হামলা বড় ধরনের কোনো ফাটল ধরাতে পারেনি। উল্টো ইরানের সাঁড়াশি আক্রমণে ইসরায়েল পর্যুদস্ত, আর ডোনাল্ড ট্রাম্প হতাশ ও হতভম্ব। অতঃপর ট্রাম্প সম্পর্কে কী বলবে ইতিহাস!

                লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
ইসলামের দৃষ্টিতে ছাত্রদের শাসন গুরুত্ব ও সীমারেখা
ইসলামের দৃষ্টিতে ছাত্রদের শাসন গুরুত্ব ও সীমারেখা
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি
হামে শিশুমৃত্যু
হামে শিশুমৃত্যু
বগুড়ার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি
বগুড়ার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি
নিয়ন্ত্রণের ছায়া, স্বাধীনতার প্রশ্ন
নিয়ন্ত্রণের ছায়া, স্বাধীনতার প্রশ্ন
শান্তির সুবাতাস
শান্তির সুবাতাস
ব্যয়বৃদ্ধির চাপ
ব্যয়বৃদ্ধির চাপ
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
অবহেলিত কেন সিলেট-আখাউড়া রেলপথ
অবহেলিত কেন সিলেট-আখাউড়া রেলপথ
আমেরিকার নির্বাচন ও শাসনকাঠামো
আমেরিকার নির্বাচন ও শাসনকাঠামো
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
তবু ঋণে ভাটা
তবু ঋণে ভাটা
সর্বশেষ খবর
মাসুদ সাঈদীর প্রচেষ্টায় মিলল নিখোঁজ প্রবাসীর সন্ধান, দ্রুত দেশে ফেরানোর উদ্যোগ
মাসুদ সাঈদীর প্রচেষ্টায় মিলল নিখোঁজ প্রবাসীর সন্ধান, দ্রুত দেশে ফেরানোর উদ্যোগ

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতে বিধানসভা নির্বাচন: বুড়িমারী স্থলবন্দরে ৪ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
ভারতে বিধানসভা নির্বাচন: বুড়িমারী স্থলবন্দরে ৪ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লালমনিরহাটে চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার
লালমনিরহাটে চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গৃহবধূ ধর্ষণ; শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ভেঙে পড়ে থানা ফটক
গৃহবধূ ধর্ষণ; শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ভেঙে পড়ে থানা ফটক

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দায়ী না হয়েও হাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের জোরালো উদ্যোগ
দায়ী না হয়েও হাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের জোরালো উদ্যোগ

২০ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

‘আরে খিদা পাইছে আমার, বাপের বাড়িতে খেতে দিবেন না?’
‘আরে খিদা পাইছে আমার, বাপের বাড়িতে খেতে দিবেন না?’

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েল আমাকে ইরান যুদ্ধে প্ররোচিত করেনি: ট্রাম্প
ইসরায়েল আমাকে ইরান যুদ্ধে প্ররোচিত করেনি: ট্রাম্প

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুন্দরবনের জন্য প্লাস্টিক ও রাসায়নিক বিষের ব্যবহার বন্ধের দাবি
সুন্দরবনের জন্য প্লাস্টিক ও রাসায়নিক বিষের ব্যবহার বন্ধের দাবি

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কলাপাড়ায় চার ওষুধের দোকানকে জরিমানা
কলাপাড়ায় চার ওষুধের দোকানকে জরিমানা

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পঞ্চগড়ে ডাকাত চক্রের ১০ সদস্য আটক
পঞ্চগড়ে ডাকাত চক্রের ১০ সদস্য আটক

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে শুরু হয়েছে খাল খনন কর্মসূচি
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে শুরু হয়েছে খাল খনন কর্মসূচি

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে ১৭ প্রতিবন্ধী পেলেন হুইল চেয়ার
গোপালগঞ্জে ১৭ প্রতিবন্ধী পেলেন হুইল চেয়ার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কভেন্ট্রিকে ইপিএলে ফিরিয়ে বর্ষসেরার পুরস্কার জিতলেন ল্যাম্পার্ড
কভেন্ট্রিকে ইপিএলে ফিরিয়ে বর্ষসেরার পুরস্কার জিতলেন ল্যাম্পার্ড

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গাইবান্ধায় এসএসসির প্রবেশপত্র পায়নি ২ শতাধিক শিক্ষার্থী
গাইবান্ধায় এসএসসির প্রবেশপত্র পায়নি ২ শতাধিক শিক্ষার্থী

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হোটেল কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধায় হোটেল কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্বশুরবাড়ির সামনে মিলল যুবকের মরদেহ, ফেসবুক পোস্ট ঘিরে রহস্য
শ্বশুরবাড়ির সামনে মিলল যুবকের মরদেহ, ফেসবুক পোস্ট ঘিরে রহস্য

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঠাকুরগাঁওয়ে জাল সনদে প্রধান শিক্ষিকার চাকরির অভিযোগ
ঠাকুরগাঁওয়ে জাল সনদে প্রধান শিক্ষিকার চাকরির অভিযোগ

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
চাঁদপুরে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৫২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিহত ১
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী আহমেদ আযম খান
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী আহমেদ আযম খান

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ফতুল্লায় মসজিদের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
ফতুল্লায় মসজিদের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় মঙ্গলবার
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় মঙ্গলবার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফটিকছড়িতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
ফটিকছড়িতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গোবিন্দগঞ্জে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার
গোবিন্দগঞ্জে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বেসরকারি ডিপোর চার্জ বাড়ল ৮.৫ শতাংশ, ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা
বেসরকারি ডিপোর চার্জ বাড়ল ৮.৫ শতাংশ, ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দুদকের মামলায় রংপুর ডিসি অফিসের সেই শামছুল সস্ত্রীক কারাগারে
দুদকের মামলায় রংপুর ডিসি অফিসের সেই শামছুল সস্ত্রীক কারাগারে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম
যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে ১২ বিশ্ববিদ্যালয়ের গোপন কর্মকাণ্ড ঘিরে বিতর্ক চরমে
যুক্তরাজ্যে ১২ বিশ্ববিদ্যালয়ের গোপন কর্মকাণ্ড ঘিরে বিতর্ক চরমে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংঘাতে নতুন মোড়, মার্কিন সামরিক জাহাজে হামলা চালাল ইরান
সংঘাতে নতুন মোড়, মার্কিন সামরিক জাহাজে হামলা চালাল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
বগুড়ার উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাসঘাতকতা করবে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের প্রেসিডেন্ট
যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাসঘাতকতা করবে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের প্রেসিডেন্ট

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘উড়িয়ে দেব পুরো ইরান’, ফক্স নিউজকে ট্রাম্প
‘উড়িয়ে দেব পুরো ইরান’, ফক্স নিউজকে ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একে একে নিজের ৭ শিশু সন্তানকে গুলি করে হত্যা বাবার
একে একে নিজের ৭ শিশু সন্তানকে গুলি করে হত্যা বাবার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প
অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হয় তেলের বাজার উন্মুক্ত কর, নয়তো খেসারত দাও: ইরান
হয় তেলের বাজার উন্মুক্ত কর, নয়তো খেসারত দাও: ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজের পর মালাক্কা প্রণালি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে কেন?
হরমুজের পর মালাক্কা প্রণালি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে কেন?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাকা আছে, কিন্তু খরচ করা যাচ্ছে না, অদ্ভুত সংকটে ইয়েমেন
টাকা আছে, কিন্তু খরচ করা যাচ্ছে না, অদ্ভুত সংকটে ইয়েমেন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবরে কয়েক ঘণ্টা চিৎকার-চেচামেচি করেন ট্রাম্প!
ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবরে কয়েক ঘণ্টা চিৎকার-চেচামেচি করেন ট্রাম্প!

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'ইরানের হামলায়' নিহত কনিষ্ঠ কুর্দি নারী যোদ্ধা
'ইরানের হামলায়' নিহত কনিষ্ঠ কুর্দি নারী যোদ্ধা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সোমবার থেকে ডিপোপর্যায়ে জ্বালানি তেল বর্ধিতহারে বরাদ্দ হবে : বিপিসি
সোমবার থেকে ডিপোপর্যায়ে জ্বালানি তেল বর্ধিতহারে বরাদ্দ হবে : বিপিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওমান সাগরে ইরানি জাহাজ আটক, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি তেহরানের
ওমান সাগরে ইরানি জাহাজ আটক, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষা শুরু মঙ্গলবার, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যে ১৪ নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষা শুরু মঙ্গলবার, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যে ১৪ নির্দেশনা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে ফের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান, বৈঠকের এজেন্ডা কী?
পাকিস্তানে ফের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান, বৈঠকের এজেন্ডা কী?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভ্যান্সের নেতৃত্বে আবারও পাকিস্তান যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল
ভ্যান্সের নেতৃত্বে আবারও পাকিস্তান যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি জাহাজ আটকের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে যা বলল চীন
ইরানি জাহাজ আটকের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে যা বলল চীন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হু হু করে বাড়ছে তেলের দাম
হু হু করে বাড়ছে তেলের দাম

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধকালীন আর্থিক সহায়তা চায় আমিরাত
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধকালীন আর্থিক সহায়তা চায় আমিরাত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একসঙ্গে পাঁচ ক্রিকেটারকে নাগরিকত্ব দিল আরব আমিরাত
একসঙ্গে পাঁচ ক্রিকেটারকে নাগরিকত্ব দিল আরব আমিরাত

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসছে না ইরান
যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসছে না ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অভিযানে ইরানি জাহাজ জব্দ, পাল্টা হুঁশিয়ারি তেহরানের
মার্কিন অভিযানে ইরানি জাহাজ জব্দ, পাল্টা হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাত্র দুই মাসেই শেষ চার বছরের স্নাতক: সত্যিই কি সম্ভব নাকি প্রতারণা
মাত্র দুই মাসেই শেষ চার বছরের স্নাতক: সত্যিই কি সম্ভব নাকি প্রতারণা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৬৭ ইনিংস পর বাবরের সেঞ্চুরি
৬৭ ইনিংস পর বাবরের সেঞ্চুরি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শর্ত পূরণে আলোচনায় অংশ নেবে ইরান: ইব্রাহিম আজিজি
শর্ত পূরণে আলোচনায় অংশ নেবে ইরান: ইব্রাহিম আজিজি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাসের ভাড়া কত বাড়বে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ
বাসের ভাড়া কত বাড়বে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
চিকিৎসা মেলে বাগানে
চিকিৎসা মেলে বাগানে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আবার যুদ্ধের ডামাডোল
আবার যুদ্ধের ডামাডোল

প্রথম পৃষ্ঠা

একাদশ নির্বাচনে মধুর সমস্যা
একাদশ নির্বাচনে মধুর সমস্যা

মাঠে ময়দানে

আহসান মনসুরের বিচার দাবি
আহসান মনসুরের বিচার দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তরবঙ্গের জন্য আজ উন্নয়নের মানচিত্র দেবেন প্রধানমন্ত্রী
উত্তরবঙ্গের জন্য আজ উন্নয়নের মানচিত্র দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নগর জীবন

দাম বাড়লেও কমেনি ভোগান্তি
দাম বাড়লেও কমেনি ভোগান্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণ করে আমলাদের ঘি খাওয়ানো বন্ধ হবে কবে?
ঋণ করে আমলাদের ঘি খাওয়ানো বন্ধ হবে কবে?

প্রথম পৃষ্ঠা

কালোবাজারি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ
কালোবাজারি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

প্রথম পৃষ্ঠা

নিয়ন্ত্রণের ছায়া, স্বাধীনতার প্রশ্ন
নিয়ন্ত্রণের ছায়া, স্বাধীনতার প্রশ্ন

সম্পাদকীয়

প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধকৌশল নিয়ে মতবিনিময়
প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধকৌশল নিয়ে মতবিনিময়

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তর দিতে হবে বুঝেশুনে
উত্তর দিতে হবে বুঝেশুনে

প্রাণের ক্যাম্পাস

ইসলামের দৃষ্টিতে ছাত্রদের শাসন গুরুত্ব ও সীমারেখা
ইসলামের দৃষ্টিতে ছাত্রদের শাসন গুরুত্ব ও সীমারেখা

সম্পাদকীয়

কেনাকাটায় হরিলুটের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বিল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত
কেনাকাটায় হরিলুটের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বিল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণখেলাপিরা রাজনৈতিক ব্যবস্থার অংশ হয়ে গেছে
ঋণখেলাপিরা রাজনৈতিক ব্যবস্থার অংশ হয়ে গেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে প্রথম গভীর কূপ খনন শুরু
দেশে প্রথম গভীর কূপ খনন শুরু

খবর

টিকে থাকাই চ্যালেঞ্জ
টিকে থাকাই চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার হচ্ছেন দিনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার হচ্ছেন দিনেশ ত্রিবেদী

প্রথম পৃষ্ঠা

আফজাল প্রেসিডেন্ট রাজ্জাক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত
আফজাল প্রেসিডেন্ট রাজ্জাক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত

নগর জীবন

সরকার তেল নিয়ে নাটক করছে : নাহিদ
সরকার তেল নিয়ে নাটক করছে : নাহিদ

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা
এবার বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা

প্রথম পৃষ্ঠা

সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ
সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

নগর জীবন

বাংলাদেশের বিমানবন্দরে ‘ক্যালিব্রেশন সেবা’ দিতে চায় জার্মানি
বাংলাদেশের বিমানবন্দরে ‘ক্যালিব্রেশন সেবা’ দিতে চায় জার্মানি

নগর জীবন

কালবৈশাখিতে লন্ডভন্ড বাড়িঘর
কালবৈশাখিতে লন্ডভন্ড বাড়িঘর

দেশগ্রাম

কৃষিতে সহযোগিতা করতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস
কৃষিতে সহযোগিতা করতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস

নগর জীবন

গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লোডশেডিং
গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লোডশেডিং

নগর জীবন

সৌদি পৌঁছেছেন ৭৬৩৪ হজযাত্রী
সৌদি পৌঁছেছেন ৭৬৩৪ হজযাত্রী

নগর জীবন

লাঠির শব্দে ফিরল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য
লাঠির শব্দে ফিরল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য

দেশগ্রাম

সূচকের পতন তবে বেড়েছে লেনদেন
সূচকের পতন তবে বেড়েছে লেনদেন

নগর জীবন