শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬

অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র

অভ্যুত্থান ঘটে, বিপ্লবের আওয়াজও কানে আসে। কিন্তু এসব উন্নতির অভ্যন্তরে যে অবনতিটা রয়ে গেছে, তার ধারাবাহিকতায় কোনো ছেদ পড়ে না। দুর্নীতি বাড়তেই থাকে, দুর্নীতির ভয়াবহ সব তথ্য উন্মোচিত হয়। সর্ষের ভিতর ভূত যে নিতান্ত অবাস্তব কল্পনা নয়, সেটা প্রমাণ করে দিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যাপারেও দুর্নীতির অভিযোগের কথা শোনা যাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করেছিল।

শিক্ষার ব্যাপারে কোনো কমিশনের কথা ভাবা হয়নি দেখে অনেকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়েছেন। যখনই কোনো অসাংবিধানিক সরকারের অভ্যুদয় ঘটে তখনই, সঙ্গে সঙ্গেই, দেখা যায় একটি শিক্ষা কমিশন গঠিত হচ্ছে; এবং সেই কমিশনের বাস্তবায়িত-অবাস্তবায়িত সুপারিশগুলো অপেক্ষা করতে থাকে পরবর্তী কমিশনের হস্তক্ষেপের জন্য। মাঝখান থেকে নাড়াচাড়ার দরুন গড়বড়ে শিক্ষাব্যবস্থার যে ক্ষতিটা ঘটবার সেটা ঘটে যায়। লক্ষণীয় যে ইংরেজি মাধ্যমের ও মাদ্রাসাপদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা কিন্তু সংস্কারের ধার ধারে না। তারা হস্তক্ষেপের বাইরে নিরাপদেই রয়ে যায়। বিপদ যা ঘটবার, তা মূলধারারই বিধিলিপি; কারণ সে-ধারা বড়লোকেরও নয়, গরিবেরও নয়, মধ্যবর্তীদের। সেদিক থেকে আমাদের সদ্য বিগত অন্তর্বর্তী সরকার সংযমেরই পরিচয় দিয়েছে বলতে হবে।

অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্রতাই বলে মূলধারায় যে বিপদ কেটেছে তা নয়। লেগেই আছে। যেমন এ বছর মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আসনসংখ্যা শুনছি শতকরা ৫ ভাগ কমবে। ওদিকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের বেশ বড় একটি অংশ শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে আসেনি। একটা কারণ অবশ্য মেয়ে শিক্ষার্থীদের বাল্যবিবাহ। অন্য কারণ অভিভাবকদের অর্থনৈতিক অপারগতা। আর যারা পরীক্ষা দিয়েছে তারাও কিন্তু ভালো ফল করতে পারেনি। পাস করেছে শতকরা ৫৯ জন। যে হার গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বলা হচ্ছে শিক্ষার প্রকৃত মান আসলে ওইটাই। সেটাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ঠেলে ধাক্কিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে এক শর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। বেলুনটা চুপসে গেছে। কিন্তু পরীক্ষা যারা দিয়েছে তাদের সবারই তো পাস করার কথা, প্রাপ্ত গ্রেডের হেরফের হতে পারে মাত্র। কারণ পরীক্ষা দেওয়ার জন্য নিজেদের প্রতিষ্ঠানের বিবেচনায় যোগ্য বিবেচিত হওয়ার পরেই না তারা পাবলিক পরীক্ষায় শামিল হয়েছে। এতে সরকারের কৃতিত্বের প্রশ্ন আসবে কেন? তবু এসেছিল; আনা হয়েছিল, কারণ ওই সরকার মনে করেছিল পরীক্ষায় বেশি বেশি পাস করলে প্রমাণ হবে যে তাদের ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার মানের শনৈ শনৈ উন্নতি ঘটছে। বন্ধনীর মধ্যে উল্লেখ করা যায় যে সাধারণ শিক্ষার্থীরা খারাপ করলেও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা তেমন একটা খারাপ করেনি। হতে পারে এর কারণ মাদ্রাসার শিক্ষকরা তুলনামূলকভাবে অধিক দায়িত্বশীল এবং দয়ালু। শিক্ষার্থীদের অধিক সযত্ন পাঠদান ও নম্বর দিতে ব্যাকুল থাকেন।

শিক্ষকদের প্রসঙ্গ যখন এসেই গেল, তখন এটা স্মরণ করা যাক যে শিক্ষার মান অনেকাংশেই নির্ভর করে শিক্ষকদের মানের ওপর; এবং শিক্ষকদের মান নির্ভর করে তাঁরা বেতন-ভাতা ও সামাজিক মর্যাদা কতটা পাচ্ছেন তার ওপর। মেধাবান মানুষরা শিক্ষক হিসেবে অবশ্যই আসবেন, যদি দেখা যায় যে পেশাগত বেতন-ভাতা এবং সামাজিক মানসম্মান আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এবং যদি এমন হয় যে শিক্ষক হওয়ার জন্য তদবির করা ও উৎকোচ প্রদানের বাধ্যবাধকতার বিলুপ্তি ঘটেছে। এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়বে যদি যথার্থ ও নিয়মিত সময়োপযোগী শিক্ষক-প্রশিক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা থাকে।

শিক্ষকদের হালটা অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে কেমন ছিল, সেটা তো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাসাভাড়া বৃদ্ধি ও উৎসব ভাতার দাবিতে আন্দোলনের সময় তাঁদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর আচরণে উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি দৃশ্যে দেখা গেছে, পুলিশের হাতে প্রহৃত হওয়ার শঙ্কায় আন্দোলনকারী একজন শিক্ষকের হাতজোড়-করা করুণ অনুনয়। অসহায় শিক্ষক তাঁকে প্রহারে উদ্যত এক পুলিশ কনস্টেবলকে কান্নাবিজড়িত কাতর কণ্ঠে বলছেন, ‘স্যার, আমাকে মারবেন না স্যার; আমি একজন শিক্ষক।’ কে কাকে স্যার বলে? আর ওই যে আর্তনাদ, সেটা তো কেবল একজন শিক্ষকের নয়, গোটা শিক্ষাব্যবস্থারই। আন্দোলনকারী শিক্ষকদের শাহবাগ মোড় থেকে বিতাড়িত করার পর রাস্তায় পড়েছিল একটি ভাঙা চশমা। সেটিকেও প্রতীক বিবেচনা করে আমরা অনেক কথাই বলতে পারি। কিন্তু কত আর বলা যায়? শিক্ষকদের অবস্থা অতীতেও সন্তোষজনক ছিল না। তবে এতটা নিচে নেমে গিয়েছিল কি না, তাঁরাই বলতে পারবেন যাঁরা সন্ধান রাখেন।

শিক্ষক যদি এভাবে নত হতে বাধ্য হন, প্রহৃত হন রাস্তায়, দিনের পর দিন রাজপথে ধর্মঘটে থাকাটা যদি হয় শিক্ষকদের বিধিলিপি, তাহলে শিক্ষকের প্রতি শিক্ষার্থীরা তাদের আস্থা ও শ্রদ্ধা বাঁচিয়ে রাখবে কী করে? শিক্ষককে শিক্ষার্থীরা কেবল যে জ্ঞানদাতা হিসেবে দেখতে চায় তা তো নয়, গণ্য করতে চায় ‘বীর’ হিসেবেও। শিক্ষকের সেই ভাবমূর্তি শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়ের কাছেই ক্ষুণœ হয়েছে কেবল যে ধর্মঘট করতে গিয়ে পদদলিত হওয়ার ঘটনায়- তা অবশ্যই নয়, ক্ষুণœ হয় তখনো, যখন ক্লাসের শিক্ষককে শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টারের শিক্ষক হিসেবে দেখতে পায়। আবার এটাও তো সত্য যে স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে চিহ্নিত করে শারীরিকভাবে শিক্ষক-লাঞ্ছনার যেসব ঘটনা ঘটেছিল, তা যে শিক্ষকদের ভাবমূর্তিকেই শুধু মলিন করেছে, তা-ই নয়, গোটা শিক্ষাব্যবস্থার ওপরই আঘাত হেনেছে।

আর শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যেও তো এমন হীনচরিত্রের লোকেরা আছে, যাদের বিরুদ্ধে চরম যে অপরাধ, যৌন নির্যাতনের-তার অভিযোগ ওঠে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও ওই রকমের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন, যেটা আমরা যখন তুলনামূলকভাবে অনুন্নত ছিলাম তখন ছিল অকল্পনীয়। নিকট অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন পুরুষ শিক্ষক কারাবন্দি হয়েছেন এক পুরুষ ছাত্রকে গৃহে ডেকে নিয়ে যৌন অত্যাচার করার প্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে। এমন উন্নতি কে চেয়েছিল? কবে? যদিও যৌন নিপীড়ন এখন জগৎব্যাপীই ব্যাপ্ত।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনকে তো অগ্রাহ্য করার উপায় নেই। তার নতুন প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বের পনেরো বা তার বেশি বয়সি প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নারী স্বামী বা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের হাতে যৌন অথবা শারীরিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে-এটা হচ্ছে প্রাচীনতম অন্যায়, এবং এ যে কেবল নীতিগত বিষয় তা নয়, মর্যাদা, সমতা ও মানবিকতার জন্য হানিকর বিষয়ও বটে। তা তো বুঝলাম, কিন্তু সভ্যতা অগ্রগতির এই গ্লানিকে মুছে না ফেলে অনবরত যে বৃদ্ধি ঘটিয়ে চলেছে, তার বিহিত কী? আর শিক্ষাঙ্গনেই যদি ওই অনাচার ঘটে তাহলে উন্নতির আর বাকিই বা থাকে কী?

ঘরের ভিতরে সহিংসতার, হত্যার এবং আত্মহত্যার খবর তো অবিরামই পাওয়া যায়। যেমন এই খবরটা, ‘লালবাগে স্ত্রী-শাশুড়ি মিলে ব্যাংক কর্মকর্তাকে গলা কেটে হত্যা।’ পাশাপাশি এটিও কম যায় না। বগুড়ায় স্বামী এক ঘরে ঘুমাচ্ছেন। পাশের ঘরে তাঁর স্ত্রী নিজের দুই শিশুসন্তানকে বঁটি দিয়ে কেটেছেন এবং তারপর নিজেকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছেন। কারণ নাকি দাম্পত্য কলহ। মহিলার স্বামী সেনাবাহিনীর সদস্য, বাড়িতে এসেছিলেন ছুটিতে। রক্তাপ্লুত ওই দৃশ্য অবলোকনে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আরেক খবর, পটুয়াখালীর। সেটা এই রকমের। ঘরে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ দৃশ্যমান হয়েছে। মৃত স্বামীর ডায়েরিতে লেখা রয়েছে : “মান-সম্মান সব গেছে। বাঁইচা থাইকা কী হবে? আমার পোলার দিকে খেয়াল রাইখেন সবাই। আমার পোলা মা-বাবা ছাড়া এতিম।” প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ‘ঝামেলা’ ছিল।

শিশুরা ঝগড়াঝাঁটি করবে এটা খুবই স্বাভাবিক। হাতাহাতিও ঘটে। কিন্তু নদীতে গোসল করতে নেমে হাতাহাতিটা যে গড়াবে একটি দুটি নয়, চার চারটি গ্রামের সংঘর্ষে; ভাঙচুর হবে বাড়িঘর, লুটপাট হবে জিনিসপত্র, এমন খবর অত্যাধুনিক বটে। তবে তা পাওয়া গেছে। আসলে কেবল প্রাকৃতিক পরিবেশই নয়, মানবিক পরিবেশও এখন ভীষণ উত্তপ্ত, সামান্য অগ্নিকণাই যথেষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের জন্য।

শিক্ষা এবং চিকিৎসা তো অবশ্যই, সব জিনিসই এখন পণ্যে পরিণত হয়েছে। বাজারে কিনতে পাওয়া যায়, ভাড়াতে আরও সস্তা। যেমন খুনি। ঢাকার মোহাম্মদপুরে বিএনপির একজন স্থানীয় নেতা প্রতিপক্ষের ভাড়াটে খুনির হাতে প্রাণ হারিয়েছেন। খুনির ভাড়া নাকি ছিল মাত্র ৩০ হাজার টাকা।

কৈশোরে ইমন এবং মামুনের ভিতর প্রবল বন্ধুত্ব ছিল। ঢাকার ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর এলাকায় তারা বড় হয়েছে; কিন্তু ওই যে যুগের হাওয়া- চাঁদাবাজি, জবরদখল, অন্যের কাজে ভাড়া খাটা, এসবের মধ্যে বীরত্বের স্বাক্ষর অঙ্কিত-করা-সেটা তাদের জাপটে, ধরেছিল। তারা মানুষ খুন করেছে অমানুষের মতো; খুনের মামলার আসামি হয়েছে অতিদ্রুত। ২৪ বছর একটানা জেল খাটার পর মামুন মুক্তি পেয়েছিল। ইমনও মুক্তি পায়। ইমন পালিয়ে বিদেশে চলে যায় এবং সেখান থেকে দক্ষ হাতে তার দলকে অপরাধের কাজে পরিচালিত করতে থাকে। ইমন আশা করেছিল অকৃত্রিম বন্ধু মামুন আজীবন তার সঙ্গেই থাকবে। কিন্তু মামুন অন্য দলে যোগ দিচ্ছে এমন খবর সে শুনতে পেয়েছে এবং শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে চরম শাস্তি দানের ব্যবস্থা করেছে। ভাড়াটে খুনি লাগিয়ে মামুনকে সে হত্যা করেছে।

খুনি পালাবার চেষ্টা করেছিল। ধরা পড়েছে। খবরে প্রকাশ কর্তব্যপালন শেষে খুনিদের মজুরি দেওয়া হয়েছিল মাত্র ২ লাখ টাকা। অন্য সব জিনিসের দাম বেড়েছে এবং মূল্যস্ফীতি ঘটলে যেটা অবধারিত সেটাই ঘটেছে; তবে মানুষের প্রাণের মূল্য পড়ে গেছে। ভাড়াটে খুনিদের এখন সরবরাহ ভালো, দামও তাই কমতির দিকে। সদ্য নির্বাচিত সরকারের শাসনামলে এসব অনাচারের পরিসমাপ্তি ঘটবে বলেই প্রত্যাশা করছি।

♦ লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
বিবেকের দায় শোধ
বিবেকের দায় শোধ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা
ন্যায়পরায়ণ খলিফা হজরত ওমর (রা.)
ন্যায়পরায়ণ খলিফা হজরত ওমর (রা.)
ঢাকার সড়কে এ কার দখলদারি!
ঢাকার সড়কে এ কার দখলদারি!
দ্বিমুখী সংকটে কৃষক
দ্বিমুখী সংকটে কৃষক
বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে
বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে
ফ্ল্যাট-প্লট নিবন্ধন
ফ্ল্যাট-প্লট নিবন্ধন
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়
পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
মাদকের ল্যাব!
মাদকের ল্যাব!
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি
সর্বশেষ খবর
নিষিদ্ধ মিশরের প্রধান গোলকিপার
নিষিদ্ধ মিশরের প্রধান গোলকিপার

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অবৈধভাবে মজুদকৃত অকটেন ও সার জব্দ
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অবৈধভাবে মজুদকৃত অকটেন ও সার জব্দ

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ.লীগ নেতার নেতৃত্বে প্রবাসীর ওপর হামলার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ.লীগ নেতার নেতৃত্বে প্রবাসীর ওপর হামলার অভিযোগ

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে মানববন্ধন
হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে মানববন্ধন

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভালুকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ
ভালুকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন
লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!
হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স
ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পহেলা বৈশাখে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
পহেলা বৈশাখে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়বে, তবে ব্যয়ে চাই সঠিক অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়বে, তবে ব্যয়ে চাই সঠিক অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি
লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ছিলেন, তারা মনোনয়ন পাবেন: রিজভী
আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ছিলেন, তারা মনোনয়ন পাবেন: রিজভী

২৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

বল টেম্পারিং ইস্যুতে মত দিলেন সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার
বল টেম্পারিং ইস্যুতে মত দিলেন সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার
দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া অমার্জনীয় পরিণতি
ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া অমার্জনীয় পরিণতি

৪১ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ
কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ

৪৭ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা রক্সি’ গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা রক্সি’ গ্রেফতার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সূর্যবংশীকে অটোগ্রাফসহ ক্যাপ উপহার দিলেন কোহলি
সূর্যবংশীকে অটোগ্রাফসহ ক্যাপ উপহার দিলেন কোহলি

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পৃথিবীতে ফিরে কেমন আছেন আর্টেমিসের নভোচারীরা
পৃথিবীতে ফিরে কেমন আছেন আর্টেমিসের নভোচারীরা

৫৬ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে এখনও দীর্ঘ লাইন, দুর্ভোগ
জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে এখনও দীর্ঘ লাইন, দুর্ভোগ

৫৮ মিনিট আগে | জাতীয়

হাসারাঙ্গার চোটে আইপিএলে সুযোগ পেলেন লিন্ডা
হাসারাঙ্গার চোটে আইপিএলে সুযোগ পেলেন লিন্ডা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের সঙ্গে আলোচনা: পাকিস্তানে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইরানের সঙ্গে আলোচনা: পাকিস্তানে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বান্দরবানে, দ্রুত সময়ে প্রজ্ঞাপন জারির ঘোষণা
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বান্দরবানে, দ্রুত সময়ে প্রজ্ঞাপন জারির ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইনস্টাগ্রামে ১৫ মিনিটের মধ্যে এডিট করা যাবে কমেন্ট
ইনস্টাগ্রামে ১৫ মিনিটের মধ্যে এডিট করা যাবে কমেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ পুলিশি অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ১৫
যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ পুলিশি অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ১৫

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একমাসে ৫৭৬ সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৩২ জন নিহত
একমাসে ৫৭৬ সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৩২ জন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আর বাজার নিয়ন্ত্রিত হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আর বাজার নিয়ন্ত্রিত হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে আলোচনা ব্যর্থ হলে কী করবে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে আলোচনা ব্যর্থ হলে কী করবে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’
‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রী ও প্রেমিক মিলে ডাকাতির নাটক, ভাড়াটে খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা
স্ত্রী ও প্রেমিক মিলে ডাকাতির নাটক, ভাড়াটে খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ
সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ
ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া
হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আয়োজন পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য গর্বের : শাহবাজ শরিফ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আয়োজন পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য গর্বের : শাহবাজ শরিফ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার
থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন
ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন
যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদল, যোগ দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদল, যোগ দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?
সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন
হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ
ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, দাবি রিপোর্টে
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান
ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ
হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী
সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং
চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টার ভেতর বোঝা যাবে চুক্তি হবে কিনা, ট্রাম্পের বার্তা
২৪ ঘণ্টার ভেতর বোঝা যাবে চুক্তি হবে কিনা, ট্রাম্পের বার্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান
ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডলার ছাড়াই হরমুজে টোল, বিশ্ব বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে
ডলার ছাড়াই হরমুজে টোল, বিশ্ব বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প
ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা
এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লন্ডন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদ থেকে আকবর হোসেনের পদত্যাগ
লন্ডন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদ থেকে আকবর হোসেনের পদত্যাগ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
গুরু ইলিয়াসের ভাগ্য কি বরণ করলেন তিন শিষ্য
গুরু ইলিয়াসের ভাগ্য কি বরণ করলেন তিন শিষ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রামীণ জীবনে মুগ্ধ ভিনদেশি পর্যটক
গ্রামীণ জীবনে মুগ্ধ ভিনদেশি পর্যটক

শনিবারের সকাল

উৎকণ্ঠায় শান্তি আলোচনা
উৎকণ্ঠায় শান্তি আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বন নিধনে মেতেছে রোহিঙ্গারা
বন নিধনে মেতেছে রোহিঙ্গারা

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধ চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ
যুদ্ধ চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈশাখের আগমনে ইলিশে নাভিশ্বাস
বৈশাখের আগমনে ইলিশে নাভিশ্বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ফেলে রাখা হয়েছে হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন
ফেলে রাখা হয়েছে হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন

পেছনের পৃষ্ঠা

দূষণে মহাবিপদে সাত শহর
দূষণে মহাবিপদে সাত শহর

পেছনের পৃষ্ঠা

খরচের বোঝায় খাদের কিনারে পোলট্রিশিল্প
খরচের বোঝায় খাদের কিনারে পোলট্রিশিল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড নায়িকাদের পছন্দ বিবাহিত পুরুষ!
বলিউড নায়িকাদের পছন্দ বিবাহিত পুরুষ!

শোবিজ

জ্বালানি তেল সংকটের অজুহাতে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম
জ্বালানি তেল সংকটের অজুহাতে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

নগর জীবন

ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট
ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজ ফিরিয়ে দিল ইরান
হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজ ফিরিয়ে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

ডট বলের বোলারদের শীর্ষ পাঁচে মুস্তাফিজ
ডট বলের বোলারদের শীর্ষ পাঁচে মুস্তাফিজ

মাঠে ময়দানে

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনবার ফেল অক্ষয়
নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনবার ফেল অক্ষয়

শোবিজ

কেমন আছেন শবনম
কেমন আছেন শবনম

শোবিজ

বিজেপি মিথ্যা প্রচার করে ছোবল মারতে চায় : মমতা
বিজেপি মিথ্যা প্রচার করে ছোবল মারতে চায় : মমতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রেফারি প্যানেলে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমান দাপট
রেফারি প্যানেলে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমান দাপট

মাঠে ময়দানে

এমডি ছাড়াই চলছে চট্টগ্রাম ওয়াসা
এমডি ছাড়াই চলছে চট্টগ্রাম ওয়াসা

নগর জীবন

প্রিমিয়ার ক্রিকেট শুরু ৫ মে!
প্রিমিয়ার ক্রিকেট শুরু ৫ মে!

মাঠে ময়দানে

থাইল্যান্ডে রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
থাইল্যান্ডে রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

১৩ দিনে ৯১ বিল পাস
১৩ দিনে ৯১ বিল পাস

প্রথম পৃষ্ঠা

এপস্টেইনকাণ্ডে মুখ খুললেন মেলানিয়া
এপস্টেইনকাণ্ডে মুখ খুললেন মেলানিয়া

পূর্ব-পশ্চিম

ভারত থেকে আসা পাথরের ট্রাকে মিলল মর্টার শেল
ভারত থেকে আসা পাথরের ট্রাকে মিলল মর্টার শেল

দেশগ্রাম

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

শাহবাজ ও মুনিরকে নোবেল দেওয়ার দাবি
শাহবাজ ও মুনিরকে নোবেল দেওয়ার দাবি

পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া ও ইউক্রেন
যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া ও ইউক্রেন

পূর্ব-পশ্চিম

হুমায়ুন কবীরের সঙ্গ ত্যাগ করল দানিশ আজিজের এআইএমআইএম
হুমায়ুন কবীরের সঙ্গ ত্যাগ করল দানিশ আজিজের এআইএমআইএম

পূর্ব-পশ্চিম