শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

সে বাঁশি বেজে ওঠার লগন

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
সে বাঁশি বেজে ওঠার লগন

বাজার, সভা-সমাবেশ বা পরিবহনে থাকাকালে যা দেখবে, যা শুনবে তা নিয়ে গভীর ভাবনাচিন্তা করার ওপর জোর দিতেন আমার কর্মগুরু আব্দুল আওয়াল খান। বলতেন, দেখবে আর দেখবে। শুনবে আর শুনবে। তবেই তো দুনিয়াকে আর নিজেকে ভালোভাবে বুঝতে পারবে।

গুরুবাক্য শিরোধার্য করে আছি। সেজন্যই দিন-সাতেক আগে প্রাক-ইফতারি সময়ে মেট্রোরেল স্টেশনের সিঁড়ির কাছে মানুষের জটলার দিকে এগিয়ে গিয়েছিলাম। দেখি, বিশ কি বাইশ বছরের এক যুবক কান ধরে উঠছে আর বসছে। তিন যুবক ওর সাজা কার্যকর করছে। কেন সাজা?

ঘটনার দুদিন আগে টিসিবির মাল কেনার জন্য ট্রাকের পেছনে লাইনে দাঁড়ানো সত্তর বছর বয়সি ব্যক্তি ‘শরীর খারাপ। দাঁড়াতে পারছি না। মাথা ঘুরছে। আমাকে সবার আগে নিতে দাও।’ বললে তাঁর সামনে থাকা পাঁচজনের মধ্যে চারজনই জায়গা ছেড়ে দেয়। আপত্তি জানায় কানধরা ওই যুবক। সে শুধু আপত্তিই জানায়নি, বৃদ্ধ ব্যক্তিকে ধাক্কা মেরে ফেলেও দেয়। লাইনে দাঁড়ানো অন্যদের তাড়া খেয়ে সে পালাতে বাধ্য হয়।

ওই লাইনে দাঁড়ানো প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন ‘সেই বেয়াদপ পোলা’কে আজ হাতের কাছে পেয়ে ইনসাফের বন্দোবস্ত করেছে। বিচারে দেড় শবার কান ধরে ওঠবসের রায় হয়েছে। আমি যখন দেখছিলাম ততক্ষণে আটষট্টিবার ওঠবস করা হয়ে গেছে। জটলার মধ্যে যাঁরা একটু বয়স্ক, তাঁদের বলাবলিতে জানা গেল, শিগগিরই কেয়ামত হবে। কেয়ামত দ্রুত এগিয়ে আসার যেসব আলামত পাওয়া যায় তার অন্যতম হলো, নাক টিপলে দুধ বেরোয় বয়সি ছোকরার হাতে তার দাদার বয়সি দুর্বলদেহী ব্যক্তির হেনস্তা হওয়া।

কৈশোরে গ্রামোফোন রেকর্ডের গান শুনেছি, ‘শোন যত মুসলমানো/করি আমি নিবেদনো/এ দুনিয়া ফানা হবে/কিছুই রবে না’। রোজ কেয়ামতে সব সৃষ্টির বিনাশ ঘটবে। তারপর মৃত ব্যক্তিদের সবাইকে কবর থেকে তুলে বিচার করা হবে। কেউ যাবে দোজখে কেউ যাবে জান্নাতে। আমাদের এলাকার মাওলানা বেলায়েত হোসেন জাহেদী, যাকে গুণমুগ্ধরা বলতেন ‘জাহেদী হুজুর’ মিলাদ মাহফিলে তাঁর ভাষণে বলতেন, ‘দুনিয়ার সুখ কয়দিন রে ভাই? হায়াত এক্কেরে বেশি যদি হয় আশি বা পঁচাশি বছর। তারপরে তো শরীর ছাইড়া টুক্্কুর কইয়া চইলা যাবে রুহ্্। তয় কেন আমরা য়্যাত্তো করতেছি খাই খাই?’

খাই খাই হাহাকার সব জমানায় থাকে। জাহেদী হুজুর জানান, বিংশ শতাব্দীতে খাই খাই হয়ে গেছে সর্বগ্রাসী। তাঁর মতে, কেয়ামত যখন খুব ঘনিয়ে আসে তখনই মানুষের লোভলালসা বিষয়সম্পত্তি ভোগের নেশা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তিনি চমৎকার সুর করে বলতেন, ‘অতিলোভী ভাইগো আমার, অতিলোভী বইনগো আমার, সময় থাকতে আইসা পড়েন জান্নাতের পথে। যদি না আসেন তাইলে কেয়ামতের আগুনে পুড়তেগুণমুগ্ধ পুড়তে কী যে যন্ত্রণায়...।’

২. কেয়ামতের দিন সৃষ্টির সেরা মানুষ যেসব ভয়ংকর অবস্থার মুখোমুখি হবে তার বিশদ বর্ণনা তিনি দিয়েছিলেন শীতকালীন এক ওয়াজ মাহফিলে। শ্রোতারা তন্ময় হয়ে শুনেছিলেন। আর মাঝেমধ্যে ‘আল্লাহু আকবর’ আওয়াজ দিচ্ছেলেন। জাহেদী হুজুর জানান, কেয়ামতের সময় মাথার এক হাত ওপরে চলে আসবে সূর্য। সেদিন সূর্যতাপে মাথার খুলি ফেটে যাবে, বেরিয়ে আসা মগজ গড়িয়ে পড়বে মাটিতে। আবার সেই মগজ খুলিতে ঢুকিয়ে দিয়ে মাথার স্বাভাবিক আকৃতি দেওয়া হবে। প্রচণ্ড গরমে আবার খুলি ফাটবে। বারংবার ফেটে যাওয়া আর স্বাভাবিক আকার হওয়া চলতে থাকবে।

শিউরে উঠেছিলাম আমি আর আমার তিন বন্ধু মিন্টু, হারুন আর ফারুক। মাথার বিপদ এতটা কঠিন হতেই হবে? হওয়ার যুক্তি অবশ্য আছে। যত রকম ভ্রষ্টাচার, অনাচার, অত্যাচার, সেগুলোর বুদ্ধি তো মাথা থেকেই আসে। আবার এটাও তো সত্য যে শোভন সুন্দর কল্যাণকর কাজের ইপ্সাও তৈরি হয় মাথায়। কাজেই ভালো মাথাগুলো আগুনসম সূর্যতাপের কোপ থেকে রক্ষা পাওয়াটা ইতিবাচকই হবে। কিন্তু সে বিষয়ে জাহেদী হুজুর খোলাসা করে কিছু বললেন না। কেন বললেন না, তাঁকে যে প্রশ্ন করব সে উপায়ও নেই। হুজুর ইন্তেকাল করেছেন ১৯৮৯ সালে।

বেঁচে থাকলে জাহেদী হুজুরকে আরও একটা প্রশ্ন করতাম। কেয়ামতের দিন মানুষের মাথার এক হাত ওপরে সূর্যের অবস্থান বলবৎ করার পদ্ধতিটা কী? আমার সহকর্মী শামসুল হক রাসেল দৈর্ঘ্যে ৬ ফুট ২ ইঞ্চি। তিনি আমার চেয়ে প্রায় ৯ ইঞ্চি বেশি লম্বা। এমতাবস্থায় কোনো বস্তু দুই জনেরই মাথার এক হাত ওপরে বসে কীভাবে কর্তব্য পালন করবে?

প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার যে রীতি অবলম্বন করতেন বেলায়েত হোসেন জাহেদী তাতে ধারণা করা যায়, হুজুর ফিক করে হেসে দাঁড়িতে হাত বোলাতে বোলাতে বললেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কীভাবে কোন কাজটা করবেন তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার হিম্মত আমাদের মতো গুনাহগারদের না থাকাই উচিত গো আমার আব্বাজানেরা। পুত্র বয়সিদের ‘আব্বা’ সম্বোধনের জন্য সুখ্যাত এই ধর্মপণ্ডিত বলতেন, মানুষ হাবিয়া দোজখের ভয়ে ভালো কাজ করবে আর জান্নাতুল ফেরদৌসের লোভে কুকাজ থেকে বিরত থাকবে, এটা কোনো নীতি হতে পারে না। মানুষ শুধু ভালো কাজই করবে। কারণ সে মানুষ। কারণ সে পশু নয়।

বন্ধু হারুন জানতে চেয়েছিল, কেয়ামত হবে কখন? জাহেদী হুজুর বলেন, কেয়ামত মানে পাপ-পুণ্যের বিচার শেষে আল্লাহ কী রায় দেন তা জানবার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা। ওভাবে দাঁড়াবার জন্য তাঁর নির্দেশে ফেরেশতা ইস্রাফিল তাঁর সিঙ্গায় (বাঁশি) ফুঁ দেবেন। সেই বাঁশি কখন বেজে উঠবে, তা বলার সাধ্য কি মানুষের আছে?

৩. বাঁশি কখন বাজবে সেটা গভীর গোপন করে রেখেছেন সর্বস্রষ্টা প্রভু। অনুমান গবেষণা তবু চলছেই। ষষ্ঠদশ শতকের ফরাসি জ্যোতিষী নস্ত্রাদামাস তাঁর মৃত্যুর বহু আগে বলেছেন, দুনিয়া ফানা হয়ে যাবে ১৯৯৯ সালের জুলাই মাসে। সে বছর বিভিন্ন দেশের মানুষ কৌতূহল-আতঙ্ক নিয়ে দিনাতিপাত করতে করতে দেখল, জুলাই গিয়ে আগস্ট এসেছে। না, দুনিয়া আছে দুনিয়াতেই।

মনে আছে, সে বছর ১২ জুলাই সাংবাদিক নেতা আলতাফ মাহমুদের সঙ্গে মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকার এক রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবার খাচ্ছিলাম। আমাদের সামনের-পেছনের টেবিলগুলোয় কেয়ামতবিষয়ক সংলাপ বিনিময় চলছে। পেছনের টেবিলের খাদ্য গ্রাহকদের কেউ একজন বলেন: নস্ত্রাদামাস ছিল নামজাদা ডাক্তার। ব্যাডা তুই কইবি রোগী নিয়া কথা, মাগার কইয়া দিলি দুনিয়ার এন্তেকালের কথা। যার যেইটা কাম না, সে সেইটা নিয়া মাথা ঘামাইলে ঝামেলা তো লাগবই। দিলি তো তুই বাঙালিরে পাগল কইরা।

‘শুধু বাঙালি না। দুনিয়ার সবখানেই নস্ত্রাদামাসের ঢোল বেজেছে তাক-দুমা-দুম-দুম।’ বলেন আলতাফ। পেছনের টেবিলের চিন্তক বলেন, ‘দারুণ কয়েছেন ভাইসাব। কেয়ামতের ডরে সবখানেই পাবলিকের গায়ে কমবেশি কম্পজ্বর উঠেছে। হুদাহুদি আমরা বাঙালিরে গাইলাইতেছি।’

দুনিয়া একদিন ফানা হয়ে যাবে, এটা হিন্দু বিশ্বাসেও আছে। তবে তাদের বিশ্বাস প্রকরণ একটু আলাদা। তারা মনে করে প্রলয় মানে বিশ্ববিনাশ শুরু হবে সাগর থেকে। মেঘে মেঘে ছেয়ে যাবে আকাশ, সাগর উগরে দেবে বাষ্প আর আগুন, যা গ্রাস করবে পৃথিবীকে। পানিতে তলিয়ে যাবে পৃথিবী, সব সৃষ্টি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর জন্ম নেবে নয়া জীবন। সৃষ্টি-স্থিতি-বিনাশ চক্র চলতে থাকবে বারবার।

কেয়ামতের পরোয়া না করা বেশ কিছু লোক ‘এই দুুনিয়া মিছারে দোস্ত/পরের দুনিয়া খাঁটি’ ভঙ্গি দিয়ে মানুষকে ঘোল খাইয়েছে দেখেছি। পাকিস্তানি জমানার শেষ প্রান্তে একবার গুজব ছড়ানো হয়; অমুক শুক্রবারে ফানা হবে দুনিয়া। লিফলেট বের করা হয়-‘হারাম রোজগারের সম্পদ দান করে দাও ভালো কাজে/আল্লাহ তোমায় সাজাবে বেহেশতি সাজে।’ বেহেশতি সাজে সাজতে চায় না, এমন কজন আছেন ধরাধামে?

মজিরউল্লাহ নামক এক হারামখোর আবগারি অফিসার লিফলেট পড়ে উদ্বুদ্ধ হয়ে তার গ্রামের মসজিদকে ত্রিশ হাজার টাকা দেয়। কথিত শুক্রবার পার হয়ে যাওয়ার পর মসজিদ কমিটি হারামির দান প্রত্যাখ্যান করে। রটনা আছে, মজিরউল্লাহ পরে সেই টাকা পানিতে ভাসিয়ে দিয়ে বলেছে, ‘কেয়ামত হয় নাই কী হইছে! অন্তত এই নোটগুলোর কেয়ামত হয়া যাক।’

৪. তুরস্কের বিখ্যাত রসিক নাসিরুদ্দিন হোজ্জার জীবদ্দশায়ও ‘কেয়ামত অত্যাসন্ন’ আওয়াজ উঠেছিল। সেই সুযোগে তাঁর বন্ধুরা তাঁর ছাগল খাসির মাংস সহযোগে খানাপিনার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠলেন। তাঁরা বললেন, ‘দোস্ত কদিন পরেই তো কেয়ামত। এসো, দুনিয়াবি সব মায়া বর্জন কর। প্রথমেই তোমার খাসির মোহ ত্যাগ করা ভালো। ওকে জবাই করে আমাদের খাওয়াও।’

‘খাওয়াও। খাওয়াও’ শুনে শুনে বিরক্ত হোজ্জা তাঁর লোভী বন্ধুদের বলেন, ‘ঠিক আছে জীবনের শেষ ভোজন উৎসবে তোমরা আমার বাড়িতে খাসির গোশত খাবে। ধোপদুরস্ত চকমকে পোশাকে সেজে আমরা উৎসবে অংশ নেব। আর তো এমন সুযোগ পাওয়া যাবে না।’

রাতে মেহমানদের ভরপেট খাওয়ানো হলো। স্বাদু খাসির গোশত দিয়ে পোলাউ খেয়ে সবাই তৃপ্ত। ফুর্তি আমোদে মধ্যরাত পর্যন্ত সবাই মেতে থাকল। ক্লান্ত চোখে ঘুম নামছিল। হোজ্জার বন্ধুরা বিলাসী পোশাক বদলে ঘুমের পোশাক পরে মেঝেতে শুয়ে পড়েন। এ সময় হোজ্জা এসে বন্ধুদের দামি পোশাকগুলো ঘরের বাইরে আঙিনায় এনে জড়ো করলেন। তারপর দিলেন আগুন।

পরদিন ঘুম ভাঙলে বন্ধুরা তাঁদের দামি পোশাকগুলো খুঁজতে থাকেন। কাপড়গুলো কোথায় গেল? হোজ্জা বলেন, ‘ওগুলো চুরি হয়নি। আগুনে পুড়িয়ে ওগুলো ছাই করে দিয়েছি।’ বন্ধুদের প্রশ্ন, কেন? হোজ্জা বলেন, ভোজনের কারণে আনন্দের সমবণ্টন করেছি আমরা। আনন্দ বাবদ আমার যে লোকসান হয় তারও সমবণ্টন করে দিলাম।

‘কেয়ামত অত্যাসন্ন, তাই ছাগলটারে নাই করে দিয়েছি’ বলেন নাসিরুদ্দিন হোজ্জা, ‘কেয়ামত খুবই কাছে, এখন দামি পোশাক রেখে দিয়ে কী লাভ! আমার যে উপকার তোমরা করলে, তার কি কোনো মূল্য নেই আমার কাছে?’

লেখক : সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

এই বিভাগের আরও খবর
ফ্ল্যাট-প্লট নিবন্ধন
ফ্ল্যাট-প্লট নিবন্ধন
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়
পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
মাদকের ল্যাব!
মাদকের ল্যাব!
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি
বিশ্বে একই দিনে ঈদ পালন সম্ভব কি?
বিশ্বে একই দিনে ঈদ পালন সম্ভব কি?
দেশের সংকটে রাজনীতি কাম্য নয়
দেশের সংকটে রাজনীতি কাম্য নয়
হামে ১৩৮ শিশুর মৃত্যু
হামে ১৩৮ শিশুর মৃত্যু
খেলাপি ঋণ
খেলাপি ঋণ
ইসলামে পারিবারিক জীবন
ইসলামে পারিবারিক জীবন
যুদ্ধবাজ ট্রাম্প ও বাংলাদেশে শিশু হত্যার দায়
যুদ্ধবাজ ট্রাম্প ও বাংলাদেশে শিশু হত্যার দায়
সর্বশেষ খবর
‘এটা কালি নয়, আমার মেয়ের রক্ত’
‘এটা কালি নয়, আমার মেয়ের রক্ত’

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ
সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ, গ্রেপ্তার ২
সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ, গ্রেপ্তার ২

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার
থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার

২৮ মিনিট আগে | পরবাস

সোনারগাঁয়ে মহাসড়কে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি
সোনারগাঁয়ে মহাসড়কে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

অবসর ভেঙে কাউন্টি ক্রিকেটে ফিরছেন উইল স্মিড
অবসর ভেঙে কাউন্টি ক্রিকেটে ফিরছেন উইল স্মিড

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটের আগে হাওড়ায় রাজনৈতিক পতাকা তৈরির কারখানায় ব্যস্ততা তুঙ্গে
ভোটের আগে হাওড়ায় রাজনৈতিক পতাকা তৈরির কারখানায় ব্যস্ততা তুঙ্গে

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় গাঁজাসহ মা-ছেলে গ্রেফতার
কুমিল্লায় গাঁজাসহ মা-ছেলে গ্রেফতার

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফে মুরগির খামারে মিলল ৫ লাখ ইয়াবা
টেকনাফে মুরগির খামারে মিলল ৫ লাখ ইয়াবা

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত

৫৩ মিনিট আগে | পরবাস

কিশোরগঞ্জে কুকুরের কামড়ে আহত ১৫
কিশোরগঞ্জে কুকুরের কামড়ে আহত ১৫

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেবিল টেনিসে ৮ পদক জিতল বাংলাদেশ
টেবিল টেনিসে ৮ পদক জিতল বাংলাদেশ

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় সংসদ অধিবেশন বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত মুলতবি
জাতীয় সংসদ অধিবেশন বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত মুলতবি

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

দিনাজপুরে ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা
দিনাজপুরে ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফুটবল তারকার সঙ্গে টেইলর সুইফটের বিয়ে
ফুটবল তারকার সঙ্গে টেইলর সুইফটের বিয়ে

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আরব সাগর থেকে বাংলাদেশিসহ ১৮ নাবিক উদ্ধার
আরব সাগর থেকে বাংলাদেশিসহ ১৮ নাবিক উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’
‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের ‘স্পষ্ট গাইডলাইন’ নিয়ে পাকিস্তানের পথে ভ্যান্স
ট্রাম্পের ‘স্পষ্ট গাইডলাইন’ নিয়ে পাকিস্তানের পথে ভ্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ
হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকা পেঁপে কী রাসায়নিকমুক্ত? চেনার সহজ উপায়
পাকা পেঁপে কী রাসায়নিকমুক্ত? চেনার সহজ উপায়

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনি শিশু নির্যাতন নিয়ে যা বললেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট
ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনি শিশু নির্যাতন নিয়ে যা বললেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় সংসদে আজ ২৪ বিল পাস
জাতীয় সংসদে আজ ২৪ বিল পাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার
ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ
ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই জনতার সামনে আসবেন মোজতবা খামেনি?
শিগগিরই জনতার সামনে আসবেন মোজতবা খামেনি?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ বন্ধে হটলাইন খুলবেন এমপি
অপরাধ বন্ধে হটলাইন খুলবেন এমপি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, নৌকাসহ সরঞ্জাম জব্দ
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, নৌকাসহ সরঞ্জাম জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসারাঙ্গার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন লিন্ডে
হাসারাঙ্গার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন লিন্ডে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ঝড়ো ইনিংসে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বাবর আজম
ঝড়ো ইনিংসে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বাবর আজম

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়: ইসরায়েল
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়: ইসরায়েল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি দিয়ে আপাতত দিনে ১৫ জাহাজ যেতে পারবে: ইরান
হরমুজ প্রণালি দিয়ে আপাতত দিনে ১৫ জাহাজ যেতে পারবে: ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া
হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?
সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন ‘অকেজো’ : বিশ্লেষণ
ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন ‘অকেজো’ : বিশ্লেষণ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরিক্ষত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরিক্ষত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে
যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিএসএলে নাহিদ রানার জাদু, বড় জয় পেশোয়ারের
পিএসএলে নাহিদ রানার জাদু, বড় জয় পেশোয়ারের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ
ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী
সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন
হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান
ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান যা করছে তা চুক্তিতে নেই:  ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান যা করছে তা চুক্তিতে নেই:  ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান
ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আহত ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খারাজি মারা গেছেন
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আহত ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খারাজি মারা গেছেন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ সচল করতে ‘কার্যকর পরিকল্পনা’ নিয়ে ট্রাম্প-স্টারমারের ফোনালাপ
হরমুজ সচল করতে ‘কার্যকর পরিকল্পনা’ নিয়ে ট্রাম্প-স্টারমারের ফোনালাপ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’
‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন
ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার থেকেই শুরু হচ্ছে নেতানিয়াহুর দুর্নীতির বিচার
রবিবার থেকেই শুরু হচ্ছে নেতানিয়াহুর দুর্নীতির বিচার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ৩১টি বিল পাস
জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ৩১টি বিল পাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান
যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় সংসদে আরও ১০টি বিল পাস
জাতীয় সংসদে আরও ১০টি বিল পাস

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভেঙে যেতে পারে যুদ্ধবিরতি
ভেঙে যেতে পারে যুদ্ধবিরতি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৮ বছর পর ট্রেন ভাড়া পরিশোধ!
৪৮ বছর পর ট্রেন ভাড়া পরিশোধ!

পেছনের পৃষ্ঠা

জুয়ার নেশায় ভয়ংকর চোরচক্র
জুয়ার নেশায় ভয়ংকর চোরচক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে
জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

দাম কমেছে সোনা ও রুপার
দাম কমেছে সোনা ও রুপার

পেছনের পৃষ্ঠা

আবাহনী-মোহামেডান লড়াইয়ের ৫৩ বছর
আবাহনী-মোহামেডান লড়াইয়ের ৫৩ বছর

মাঠে ময়দানে

বগুড়া ও শেরপুরে বিপুল ভোটে বিএনপির জয়
বগুড়া ও শেরপুরে বিপুল ভোটে বিএনপির জয়

প্রথম পৃষ্ঠা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে

প্রথম পৃষ্ঠা

পৃথিবীর পথে আর্টেমিস-২
পৃথিবীর পথে আর্টেমিস-২

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০০ টাকা
ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০০ টাকা

নগর জীবন

সংসদে আবার ওয়াকআউট
সংসদে আবার ওয়াকআউট

প্রথম পৃষ্ঠা

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এখনো মৃত্যুফাঁদ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এখনো মৃত্যুফাঁদ

পেছনের পৃষ্ঠা

হকার উচ্ছেদের পাশাপাশি পুনর্বাসন করার পরামর্শ
হকার উচ্ছেদের পাশাপাশি পুনর্বাসন করার পরামর্শ

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার করতে ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার
সংস্কার করতে ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রামীণ বিনোদন কেন হারিয়ে যাচ্ছে
গ্রামীণ বিনোদন কেন হারিয়ে যাচ্ছে

শোবিজ

বাবার ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে ঘোড়ার গাড়িতে বরযাত্রা
বাবার ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে ঘোড়ার গাড়িতে বরযাত্রা

দেশগ্রাম

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

শোবিজ

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ

সম্পাদকীয়

মে মাসের শুরুতেই প্রিমিয়ার লিগ!
মে মাসের শুরুতেই প্রিমিয়ার লিগ!

মাঠে ময়দানে

নীল সিগন্যালের পর
নীল সিগন্যালের পর

সাহিত্য

তোমার পরিচয়
তোমার পরিচয়

সাহিত্য

বৈশাখী মেলা
বৈশাখী মেলা

ডাংগুলি

বোশেখ মাসের পয়লা তারিখ
বোশেখ মাসের পয়লা তারিখ

ডাংগুলি

তাক ডুমা ডুম ডুম
তাক ডুমা ডুম ডুম

ডাংগুলি

পহেলা বৈশাখ
পহেলা বৈশাখ

ডাংগুলি

বৈশাখ মেলায়
বৈশাখ মেলায়

ডাংগুলি

ভালোবাসার কয়েক পঙ্ক্তি
ভালোবাসার কয়েক পঙ্ক্তি

সাহিত্য

বৈশাখ এলো বছর ঘুরে!
বৈশাখ এলো বছর ঘুরে!

ডাংগুলি

বৈশাখ আসে
বৈশাখ আসে

ডাংগুলি