শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

সংসদের যাত্রা শুভ হোক

আবদুল আউয়াল ঠাকুর
প্রিন্ট ভার্সন
সংসদের যাত্রা শুভ হোক

জনপ্রত্যাশার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন। এটি গত ৫৫ বছরের মধ্যে ব্যতিক্রমী সংসদ হতে চলছে। এই সংসদে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন এক-এগারোর ঝাঁঝরা হওয়া, গুম থেকে মুক্তি পাওয়া এবং ফাঁসির রশি থেকে বেঁচে যাওয়া পোড় খাওয়া অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্বরা। ফ্যাসিবাদের অনলে দগ্ধ হয়েও যাঁরা বেঁচে রয়েছেন তাঁদের অভিজ্ঞতায় সিক্ত হবে এবারের সংসদ অধিবেশন। প্রাণবন্ত হওয়ার কথা ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতন্ত্রের জয়যাত্রায়। এটি বোধ করি একটি বিরল ঘটনা। যদিও সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তৃতা করবেন রাষ্ট্রপতি-যিনি সেই বিভীষিকাময় দিনগুলো থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের দিনগুলোর ধারাবাহিকতা। সে যা-ই হোক জাতি গভীর আগ্রহভরে অপেক্ষা করছে এই অধিবেশনের জন্য। কী হয় কোন দিকে যায় তা পর্যবেক্ষণের জন্য। কেন এই অপেক্ষা, সেটিই মূল বিষয়। এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এমন এক সরকারের অধীনে যেটি গঠিত হয়েছিল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিজয়ের পর। সেই নির্বাচন নিয়ে ইতোমধ্যে কিছু কথা শুরু হয়েছে। নির্বাচনে জনতার রায়ে বিরোধী দলের আসনে বসা জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন, নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের হক কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এটি আমাদের কাছে পরিষ্কার। ভোটের ব্যবধানে যাদের হারানো হয়েছে তাদের ইচ্ছাকৃতভাবেই হারানো হয়েছে। কথা উঠেছে সেই পুরোনো প্যাচাল ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে। তাঁর ও তাঁদের এই বক্তব্যের পর নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনে গোপন কিছু করা হয়নি। ইচ্ছা করলেও কেউ কিছু করতে পারেনি। জনতার রায় নিয়ে জামায়াতের আমিরের বক্তব্য শুনে পুরোনো একটি কথা মনে পড়ে গেল। ফকল্যান্ড যুদ্ধে আর্জেন্টিনার সেনাপতির বিশ্বাসঘাতকতার পর ফুটবল সেনাপতি দিয়াগো ম্যারাডোনা সে বছর বিশ্বকাপ ফুটবলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দেন। এরপর ব্রিটিশ গণমাধ্যম থেকে জোর প্রচারণা চালানো হয় হাত দিয়ে গোল করা হয়েছে। এর জবাবে ম্যারাডোনা বলেছিলেন এ যদি হাত হয় সে হাত ঈশ্বরের। নির্বাচনের ফলাফলের পর বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য শুনে মনে হয় যদি হক কেড়ে নেওয়া হয়ে থাকে তাহলে সে হক আল্লাহই কেড়ে নিয়েছেন। তবে বিষয়টি জটিল। কারণ বিরোধী দল মন্ত্রিপরিষদের শপথে যায়নি। এখন যখন সংসদ অধিবেশন ডাকা হয়েছে তখন তিনি ওমরাহ পালন করতে গিয়েছেন। ওমরাহ এটি ধর্মীয় বিষয় হলেও নির্বাচনে তাঁকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা পালন করা আমানত।

প্রথাগতভাবে এই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করার বাইরে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে। ব্যতিক্রমের মধ্যে রয়েছে, গণ আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের বিদায়ের পর স্পিকার পদত্যাগ করেছেন। ডেপুটি স্পিকার কারাগারে। আরও ব্যতিক্রম রয়েছে এবারে ভারসাম্য বিধানে ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দলকে নেওয়ার যে বিষয় রয়েছে তাতে তারা এখনো ঐকমত্য করতে পারেনি। মূল কথা সেটি নয়। এবারের অধিবেশন শুরু হচ্ছে এক ভিন্ন বাস্তবতায়। নয়া অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে অতীতের সঙ্গে তাল মেলানো অতীব জরুরি। বাংলাদেশে প্রথম সংসদ টেকেনি বাকশাল গঠনের কারণে। এরপর থেকে সংসদীয় রাজনীতির টালমাটাল পর্যায় চলছিল। বাকশাল কায়েমের মধ্য দিয়ে সংসদীয় পদ্ধতির কবর রচনা করা হয়েছিল। এটি আবার ফিরে আসে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে জনতার বিজয় হওয়ার মধ্য দিয়ে। আন্দোলনের মাঠে তিন দল সংসদীয় রাজনীতি প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নিলে নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করে সংসদীয় পদ্ধতি ফিরিয়ে আনে। সে অবস্থাতেই চলছিল। বাস্তবতা হলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিরোধী দলের গোঁয়ার্তুমির কারণে সংসদ তার মেয়াদকাল পূরণ করতে পারেনি। যখন আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে ছিল তখন একমুহূর্তও শান্তিতে থাকতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সংসদকে অকার্যকর করার এক আত্মঘাতী খেলায় মেতে উঠেছিল। পরিণতিতে দেখা যায়, এক-এগারো সরকার। এরপর একনাগাড়ে তিনটি সংসদ গঠিত হলো জণগণের ভোট ছাড়াই। এর বাইরে কথা হলো, স্বৈরাচার আমলে অনুগত বিরোধী দল হিসেবে কাজ করেছে ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগ ১৯৮৮ সালে জাসদ আর বিগত তিনটি সংসদে অনুগত বিরোধী দল ছিল জাতীয় পার্টি। গণ অভ্যুত্থানে এদের সবাই বিদায় হয়েছে। বিএনপিও কখনো কখনো বিরোধী দলে ছিল। বাস্তবে বিএনপি কখনো এমন পরিস্থিতি তৈরি করেনি যা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। গণতন্ত্রে বিরোধী দল হচ্ছে সৌন্দর্য। তারা সরকারের সঠিক এবং ইতিবাচক সমালোচনা করে দেশ ও জনগণের পক্ষে কাজ করতে সহায়তা করবে, এটাই সাধারণ নিয়ম। বাস্তবে এটি খুব একটা হয়েছে সে কথা জোর দিয়ে বলা যাবে না। উপরন্তু গণতন্ত্র নস্যাৎ করতেই বিরাধী দলের ইন্ধনের যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। কেন ব্যাপারটি এমন হয়তো তা নিয়ে যত আলোচনাই হোক না কেন মূল বিষয় হচ্ছে গণতান্ত্রিক মানসিকতার অভাব। তাল গাছ নিজের ভাগে না পেলে সালিশ না মানার অসহিষ্ণু যে প্রবণতা সেটাই কার্যকর। এই প্রবণতার মূলে রয়েছে আত্মকেন্দ্রিকতা। এটি বলার অপেক্ষা রাখে না গোটা জাতি গত সতেরো বছরে যে তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে তা-ও মূলত এই অসহনশীলতা থেকেই জন্ম হয়েছে। ক্ষমতার লোভ কেন? গোটা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে কেবল গণতন্ত্রও মানুষের মুক্তির কথা বলার কারণে কীভাবে বেগম খালেদা জিয়া নিগৃহীত লার্ঞ্ছিত হয়েছেন। তাঁকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এমনকি ভয়াবহ প্রতিহিংসা থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে। এই বাস্তবতা থেকে গোটা জাতির প্রত্যাশা ছিল একটি গ্রহণযোগ নির্বাচনের। ব্যাপরটি কোনো কঠিন বিষয় ছিল না।

অথচ কায়েমি স্বার্থবাদিতা এমন একপর্যায়ে উন্নীত হয়েছিল যে কারণে মানুষের অধিকারকে পদদলিত করে ব্যক্তি স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। এসব কাজে কার্যত মহান সংসদকে ব্যবহার করা হয়েছিল। হাস্যকর ভাবে বলা হতো সময় রক্ষার নির্বাচন। আরও কত কী? ভাবখান এমন যে সময় রক্ষা করা না গেলে সবকিছু শেষ হয়ে যাবে। সংসদকে এড়িয়ে জনগণের দাবিকে পায়ে দলে কীভাবে একটি দেশকে জনগণকে পদানত করা হয়েছে তার জ্বলন্ত উদাহরণ অতীতের ফ্যাসিবাদী সরকার। এসব জঞ্জাল চলতি সংসদে কতটা দূর করা যাবে বলা কষ্টকর, তবে এসব উহ্য রেখেও চলা সম্ভব নয়। পেছনে ফ্যাসিবাদ। সামনে গণতন্ত্র। যাঁরা নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন, তাঁরা সবাই কোনো না কোনোভাবে ফ্যাসিবাদের আক্রমণের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। আসলে এই ঘৃণ্য ফ্যাসিবাদকে মোকাবিলা করার বিপরীতে যদি নয়া ফ্যাসিবাদী প্রক্রিয়া স্থান করে নেয়, সেটি হবে নয়া বিপদ। যেভাবেই বলা যাক না কেন লক্ষণ খুব সুবিধার নয়। শুরু থেকেই যদি নির্বাচিত বিরোধী দল মনে করে তাদের স্বপ্ন হক কেড়ে নেওয়া হয়েছে তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে কে নিল? তারা কারা? খুব ছোট করে বলি, যদি তারা নির্দলীয় সরকারের কথা বলেন তাহলে তো বলতেই হবে এটি গঠন করেছিলেন আপনারাই। নির্দলীয় সরকারের উপদেষ্টাদের তো আপনারাই মনোনয়ন দিয়েছেন। তখন যা যা বলেছেন তার রেকর্ড পুনরায় শুনে নিন। নির্বাচনের সময়ও যা যা বলেছেন তার পুনঃ শুনানি হতে পারে। এমন কোনো শব্দ ও ভাষা নেই, যা নিজেদের অনুকূলে নেওয়ার জন্য ব্যবহার করেননি। আসলে যে কথাটা আপনারাও বলেছেন অর্জন অনেক আছে। এবারেও নিজেরা জোট করেছেন। কথা বলেছেন ভোটের বাজারেও গিয়েছেন দামদস্তুর করেছেন, যা পাবার তাই পেয়েছেন। এটা কিন্তু একটা ব্যারোমিটার সমর্থনের। কতটা কাছে গিয়েছেন এবং কেন যেতে পারেননি। আসলে জনগণ কী আপনাদের কথায় বিশ্বাস করেছে না আতঙ্কিত হয়েছে নাকি সঠিক ভাবেনি সে কথাও দেখার এবং ভাববার বিষয়। ভোট তো আসলে গোপন ব্যাপার। জনমতের নানা বিবরণ দিয়েছেন ক্ষমতার মসনদে, যাবার জন্য যতটা আওতায় আসে তার সবটাই ব্যবহার করেছেন। হাজার হাজার জনতা আপনাদের কথা শুনেছে। অবশেষে তারা তাদের সিদ্ধান্ত দিয়েছে। সেটি যদি হক কেড়ে নেওয়া হয় তাহলে গণতন্ত্রের বড় কথা জনতার রায় মেনে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হবে কী? প্রশ্নটা সবার জন্য। অতীতে যারা জনগণের রায় মানেনি, মানতে চায়নি, মানতে পারেনি, তার ফলাফল হলো দুপুরের খাবার সামনে নিয়ে খেতে পারেনি। বর্তমান প্রেসিডেন্টের ভাষায় তাঁর কাছে আসতে চেয়েও পারেনি। হুকুম তামিল করার কাউকে পাওয়া যায়নি। এটি হচ্ছে একটি গণতান্ত্রিক প্রবণতা ও অগণতান্ত্রিকতার মধ্যকার পার্থক্য। গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতিনিধিত্বকারী বেগম জিয়া যেমনি বলেছিলেন এ দেশ ছাড়া আমার কোনো ঠিকানা নেই, তেমনি দেশের মানুষ মহাসম্মানের সঙ্গে তাঁকে সমাহিত করেছে। এটিও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার এক মহা সৌন্দর্য।

একজন সম্পাদক তাঁর এক লেখায় বলেছিলেন মৃত্যুর চেয়েও খারাপ বিষয় রয়েছে। আসলে এবার যে সংসদ শুরু হচ্ছে তার মূল সুর যদি ফ্যাসিবাদের বিরোধিতা হয় তাহলে এক কথা। যদি অন্য কোনো সুর থাকে তাহলে বুঝতে হবে আগামী দিনগুলোতে ভয়াবহ বাস্তবতা অপেক্ষা করছে। ফ্যাসিবাদের আঁতাত নেই জনগণের আঁতাত হচ্ছে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সরকার ও বিরোধী দলের প্রাণবন্ত অলোচনায় জাতি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যাক এটি সবার প্রত্যাশা। এর বিপরীতে যদি সংসদের আন্দোলন রাজপথকে উত্তপ্ত করে এবং সেই আগুনে পুনরায় গণতন্ত্র ভস্মীভূত হয় তার দায় থেকে সংশ্লিষ্টরা মুক্ত হতে পারবেন না। সংসদকে প্রাণবন্ত করতে সরকার ও বিরোধী দলের কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে যে গণতান্ত্রিক শক্তির শুভযাত্রার সংসদ শুরু হতে যাচ্ছে, তা জনপ্রত্যাশার অনুবর্তী হোক, হতে পারুক এটাই কাম্য।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
ইসলামাবাদ সংলাপ
ইসলামাবাদ সংলাপ
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
তেল নিয়ে তেলেসমাতি বন্ধ হোক
তেল নিয়ে তেলেসমাতি বন্ধ হোক
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বিবেকের দায় শোধ
বিবেকের দায় শোধ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা
ন্যায়পরায়ণ খলিফা হজরত ওমর (রা.)
ন্যায়পরায়ণ খলিফা হজরত ওমর (রা.)
ঢাকার সড়কে এ কার দখলদারি!
ঢাকার সড়কে এ কার দখলদারি!
দ্বিমুখী সংকটে কৃষক
দ্বিমুখী সংকটে কৃষক
বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে
বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে
সর্বশেষ খবর
গুরুদাসপুরে কলেজের ঠিকানায় কাফনের কাপড়, আতঙ্কে দুই অধ্যাপক
গুরুদাসপুরে কলেজের ঠিকানায় কাফনের কাপড়, আতঙ্কে দুই অধ্যাপক

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মালয়েশিয়াসহ সকল শ্রমবাজার সচলে সরকার কাজ করছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
মালয়েশিয়াসহ সকল শ্রমবাজার সচলে সরকার কাজ করছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

১ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

সৌদি আরবে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে প্রবাসীর মৃত্যু
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে প্রবাসীর মৃত্যু

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে মুরগি বিতরণ
গাইবান্ধায় দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে মুরগি বিতরণ

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন
সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

ইমনের বদলি হিসেবে লাহোর কালান্দার্সে আসালাঙ্কা
ইমনের বদলি হিসেবে লাহোর কালান্দার্সে আসালাঙ্কা

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নাঙ্গলকোটে ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
নাঙ্গলকোটে ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা
বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ২ ঘর
মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ২ ঘর

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ছোট্ট শহর থেকে বিশ্বমঞ্চে, গিনেস রেকর্ড —আশার জীবনের অজানা অধ্যায়
ছোট্ট শহর থেকে বিশ্বমঞ্চে, গিনেস রেকর্ড —আশার জীবনের অজানা অধ্যায়

২৫ মিনিট আগে | শোবিজ

আইনগুলোকে আরও বেশি স্বচ্ছ করতে চায় সরকার : আইনমন্ত্রী
আইনগুলোকে আরও বেশি স্বচ্ছ করতে চায় সরকার : আইনমন্ত্রী

২৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

'বেস্ট বিজনেস পার্টনার অ্যাওয়ার্ড' দিলো আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড
'বেস্ট বিজনেস পার্টনার অ্যাওয়ার্ড' দিলো আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড

২৫ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি
১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি

২৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৩২
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৩২

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, শাস্তি পেলেন নীতীশ রানা
আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, শাস্তি পেলেন নীতীশ রানা

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল
ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল

৩৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

পহেলা বৈশাখে তিন কনসার্টে ঢাকা মাতাবে ‘চিরকুট’
পহেলা বৈশাখে তিন কনসার্টে ঢাকা মাতাবে ‘চিরকুট’

৩৭ মিনিট আগে | শোবিজ

সিরাজগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু
সিরাজগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হিরণ কিরণ থিয়েটারের ‘সিডর’-দেড় যুগের পথচলা
হিরণ কিরণ থিয়েটারের ‘সিডর’-দেড় যুগের পথচলা

৩৮ মিনিট আগে | শোবিজ

হবিগঞ্জে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
হবিগঞ্জে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ শিগগিরই হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে : ইরানি রাষ্ট্রদূত
আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ শিগগিরই হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে : ইরানি রাষ্ট্রদূত

৪৭ মিনিট আগে | জাতীয়

জয়পুরহাটে অ্যাপের মাধ্যমে তেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু
জয়পুরহাটে অ্যাপের মাধ্যমে তেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

দুর্ঘটনা রোধে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে: সেতুমন্ত্রী
দুর্ঘটনা রোধে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে: সেতুমন্ত্রী

৫৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

আন্তঃবাহিনী আযান ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা শুরু
আন্তঃবাহিনী আযান ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা শুরু

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

হজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সভা অনুষ্ঠিত
হজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সভা অনুষ্ঠিত

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

কেরানীগঞ্জের সড়কে বর্জ্য-আবর্জনার স্তূপ, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য
কেরানীগঞ্জের সড়কে বর্জ্য-আবর্জনার স্তূপ, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল রাজনীতি করতে চাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল রাজনীতি করতে চাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১০৬০ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১০৬০ ফ্লাইট বাতিল

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ
সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

প্রথম পৃষ্ঠা

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়