ঈশপের গল্পটি অনেকেরই জানা। পাহাড়ি নদীতে এক মেষশাবক পানি খাচ্ছিল। তা দেখে নেকড়ের ইচ্ছা হলা তাকে ধরে খাবে। কিন্তু কী বলে মেষশাবককে ধরা যায়? সে এক অজুহাত খাড়া করল।
বলল, তুই আমার খাওয়ার পানি ঘোলা করছিস কেন? মেষশাবক বলল, আপনি পানি খাচ্ছেন নদীর উজানে, আর আমি ভাটিতে। এতে আপনার খাওয়ার পানি ঘোলা হবে কী করে! নেকড়ে নাছোড়বান্দা। বলল, তুই গত বছর আমাকে গালি দিয়েছিলি কেন? আজ তোর রক্ষা নেই। মেষশাবক বলল, গত বছর তো আমার জন্মই হয়নি। নেকড়ে মুখ খিঁচিয়ে বলল, জন্ম হয়নি তো কী হয়েছে, তোর বাবা তো আমাকে গালি দিয়েছে। সে সাজা তোকে পেতেই হবে। এ বলে নেকড়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল মেষের ওপর।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে ‘বিশ্ব অধিশ্বর’ আমেরিকার যুক্তি ঈশপের গল্পের নেকড়ের চেয়েও ভোঁতা। ইরান আমেরিকার মতলব সম্পর্কে অভিহিত ছিল। তাই তারা ওমানের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনায় বসে। আমেরিকার দাবি ছিল পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসতে হবে। তাতেও সম্মতি জানায় তারা। কিন্তু আমেরিকার লক্ষ্য যেহেতু মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগর অঞ্চলের তেলসম্পদ আত্মসাৎ করা, তাই আলোচনা চলা অবস্থায় হামলা চালানো হয় তেহরানসহ অসংখ্য লক্ষ্যস্থলে। ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাসহ বিপুলসংখ্যক সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করা সম্ভব হয় প্রথম হামলায়। কিন্তু রূপকথার ফিনিক্স পাখির মতো ইরান ভস্ম থেকে উড়াল দেওয়ার কৃতিত্ব দেখায়। ট্রাম্প চেয়েছিলেন ইরানের শীর্ষ নেতা নির্বাচন করা হবে তাঁর ইচ্ছায়। কিন্তু ইরান তা পাত্তা না দিয়ে শহীদ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা সাইদ খামেনিকে শীর্ষ নেতা নির্বাচিত করেছে। যা ট্রাম্পের মুখে চড় মারার ঘটনাই বটে। আমেরিকান প্রেসিডেন্ট এজন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এর বিপরীতে রাশিয়া ও চীন নতুন নেতাকে স্বাগত জানিয়েছে। ইরান প্রতিবেশী আরব দেশগুলোতে হামলা চালানোর জন্য একপর্যায়ে দুঃখ প্রকাশ করলেও ট্রাম্প সেটিকে আত্মসমর্পণ বলে অভিহিত করেন। আমেরিকা ও ইসরায়েলের হামলায় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে ইরান। কিন্তু তাদের দমন করা যায়নি। উল্টো ইরান যে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন যুদ্ধ বন্ধের কথাও ভাবছেন। বলেছেন, লক্ষ্য পূরণের পর বন্ধু নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।
ইসরায়েলি সাংবাদিকদের মন্তব্য
সামরিক শক্তির দিক থেকে আমেরিকা ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের তুলনা বট গাছের বিপরীতে দূর্বা ঘাসের মতো। তাই দুই পক্ষের অসম যুদ্ধে কারা জিতবে এ প্রশ্ন অবান্তর। এ লেখায় সে প্রশ্নে যাব না। শুধু গত কয়েক দিনের যুদ্ধ সম্পর্কে ইসরায়েলি সাংবাদিক অ্যালোন মিজরাহি যে মন্তব্য করেছেন সেদিকে পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। অ্যালোন মিজরাহির অভিমত, ইরান সবাইকে অবাক করে, এত নিখুঁতভাবে, এত বৃহৎ পরিসরে এবং এত পরিকল্পিতভাবে আমেরিকান ঘাঁটি ধ্বংস করছে যে বিশ্ব তা কল্পনাও করেনি। চার দিনের মধ্যে ইরান তার সামরিক আধিপত্য দেখাতে সক্ষম হয়েছে। ইরান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং ব্যয়বহুল সামরিক ঘাঁটি ও যুদ্ধ সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে। বাহরাইন, কুয়েত, কাতার এবং সৌদি আরবের আমেরিকান ঘাঁটিগুলো বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক স্থাপনাগুলোর অন্যতম। এই স্থাপনাগুলো নির্মাণে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। তিন দশকেরও বেশি সময় তৈরি সামরিক ব্যয়ের বেশির ভাগই ধোঁয়ায় ডুবে গেছে। ইরানের হামলায় শত শত কোটি ডলার ব্যয়ের রাডারগুলো নিমেষে ধ্বংস হয়েছে। পুরো সামরিক ঘাঁটি পরিত্যক্ত হয়ে গেছে ইরানি হামলার পর। অনুমান করা যায় পার্ল ছাড়া আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তারা কখনো এমন ধ্বংসের সম্মুখীন হয়নি।
ইসরায়েলি সাংবাদিকের মতে, প্রচলিত যুদ্ধে ইরানের মতো আর কোনো শত্রু পক্ষ আমেরিকান সামরিক বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি নিশ্চিত করতে পারেনি। পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে এই যুদ্ধ সম্পর্কে প্রায় সব তথ্য সেন্সর করা হচ্ছে। ৩৫ বছর আগে, ইরাক যুদ্ধের সময়, সাংবাদিকদের অসংখ্য ফুটেজ সরবরাহ করা হতো। এখন খুব কম ভিডিও দেখানো হচ্ছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি ইরানের প্রতিরক্ষা ভেঙে ফেলতে পারেনি। সে দেশের আকাশে আমেরিকান আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। আমেরিকান সৈন্যরা ইরানের মাটিতে পা রাখার স্বপ্ন দেখতেও সাহস পাচ্ছে না। ইসরায়েলি সাংবাদিকের মতে, আমেরিকা ও ইসরায়েল ইতোমধ্যেই ইরান যুদ্ধে হেরে গেছে। নির্বিচারে বোমা ফেলে তারা লাখ লাখ বেসামরিক লোককে হত্যা করতে পারবে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের কাছে শক্তিশালী বোমা আছে। তারা ভবন উড়িয়ে দিতে পারলেও যুদ্ধে জিততে পারবে না। ইরানের সামরিক অবকাঠামো এবং অস্ত্রশস্ত্র সে দেশের ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিগুলোতে মজুত রয়েছে। আমেরিকা বা ইসরায়েল কেউ সেসব স্থানে পৌঁছানোর সম্ভাবনা নেই। ইরান যুদ্ধে তারা বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
মুসলিম নারী কমান্ডার এল্লা
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছেন ক্যাপ্টেন এল্লা নামের এক সুন্দরী তরুণী। ইসরায়েল সেনাবাহিনীর ‘মুসলিম’ সদস্য তিনি। ইরান যুদ্ধে ইসরায়েল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র হিসেবে একজন মুসলিম নারী দায়িত্ব পালন করছেন এ খবর সারা দুনিয়ায় চমক সৃষ্টি করেছে। ইসরায়েল যে উদার ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র তা প্রমাণে এটিকে একটি স্ট্যান্টবাজি হিসেবে দেখছেন বোদ্ধাজনরা। সবারই জানা, নরেন্দ্র মোদির শাসনামলে ভারত ধর্মনিরপেক্ষ বৈশিষ্ট্য হারিয়ে হিন্দুবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অপারেশন সিঁদুরের যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কমান্ডারের ভূমিকা পালন করেন সোফিয়া কোরেশী নামের এক মুসলিম মেয়ে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন সোফিয়া কোরেশী। ঠিক তেমনি ইহুদিবাদী ইসরায়েল রাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র হিসেবে এক মুসলিম নারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নিছক স্ট্যান্টবাজির লক্ষ্যে।
ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুসলমানরা মহাপুরুষ ইব্রাহিমের অনুসারী। এ তিন ধর্মকে ইব্রাহিমী ধর্ম বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক থেকে ইসলাম ও ইহুদি ধর্মাবলম্বীরা বেশ কাছাকাছি। ধর্ম বিশ্লেষকদের মতে, ইসলাম ইহুদি ধর্মের সম্প্রসারিত রূপ। পক্ষান্তরে ইহুদিদের সঙ্গে খ্রিস্টানদের শুরু থেকেই সাপ ও নেউলের সম্পর্ক। কারণটা স্পষ্ট। খ্রিস্টানদের বিশ্বাস, যিশুখ্রিস্ট বা ঈসা নবীকে ক্রুসবিদ্ধ করে হত্যার জন্য দায়ী ইহুদিরা। যে কারণে গত দুই হাজার বছরে ইহুদিদের ওপর বারবার প্রতিহিংসা চরিতার্থের চেষ্টা করেছে খ্রিস্টানরা। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় ইহুদিরা গণহত্যার শিকার হয় হিটলারের নাৎসি বাহিনীর হাতে। অসংখ্য ইহুদিকে গ্যাস চেম্বারে ভরে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। প্রথম মহাযুদ্ধের আগে ইউরোপে খ্রিস্টানদের নির্যাতনের মুখে বহু ইহুদি ফিলিস্তিনে হিজরত করে। ফিলিস্তিন ছিল সে সময় উসমানিয়া খেলাফতের অধীনে। তুরস্কের উসমানিয়া খলিফা তাদের আশ্রয়ও দেন। ফিলিস্তিনের মুসলমানরা তাদের দেশে ইহুদিদের আগমনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তবে খ্রিস্টানরা ইহুদিদের আগমনকে ভালো চোখে দেখেনি। কিন্তু খলিফার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাদের করার কিছুই ছিল না।
ইহুদিরা ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে পরিচিত। আড়াই হাজার বছর আগে ইহুদিদের দাস বানিয়েছিল ব্যাবিলনের নিষ্ঠুর শাসক। আজকের ইরান তথা সে সময়ের পারস্য সাম্রাজ্যের মহান সম্রাট সাইরাস দ্য গ্রেট ইহুদি জাতিকে ৭০ বছরের বন্দি জীবন থেকে মুক্তি দেন। বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টে এই মহান সম্রাটের কথা রয়েছে। ধর্ম বিশ্লেষকদের অনুমান, পবিত্র কোরআনে এই মহান সম্রাটকে চিহ্নিত করা হয়েছে জুলকারনাইন হিসেবে। ইসরায়েলের ইহুদিবাদী শাসকরা পারস্য জাতির সে উপকারের প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করছে তাদের মুক্তিদাতাদের ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র এঁটে। বলছিলাম প্রথম মহাযুদ্ধের আগে ইহুদিদের ফিলিস্তিনে আশ্রয় পাওয়ার কথা। ফিলিস্তিনের মুসলমানরা উসমানিয়া খলিফার নির্দেশে তাদের দেশে ইহুদিদের ঠাঁই দেয়। আশ্রয় পেয়ে ইহুদিরা আশ্রয়দাতাদের গ্রাস করার পরিকল্পনা আঁটে। ফিলিস্তিনিদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে থাকে জমিজমা। একপর্যায়ে ফিলিস্তিনের ভূসম্পত্তির উল্লেখযোগ্য অংশের মালিক বনে যায় তারা। একপর্যায়ে জাতিসংঘকে শিখণ্ডী হিসেবে ব্যবহার করে সেখানে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায়ও সমর্থ হয়। ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পর শুধু ফিলিস্তিনি নয়, সারা বিশ্বের মুসলমানরা ইহুদিদের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। ইসরায়েলে আরব মুসলমানদের সংখ্যা ১৮ শতাংশ। সে দেশের পার্লামেন্টে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্বও আছে। মুসলমানদের মধ্যে দ্রুজ মুসলিম নামধারীদের সংখ্যা সোয়া লাখেরও বেশি। ক্যাপ্টেন এল্লা দ্রুজ সম্প্রদায়ের মেয়ে। ইসরায়েল নিজেদের আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করে। সে দেশের জনসংখ্যার মূলধারার মুসলমানদের সেনাবাহিনীতে ঢোকার সুযোগ নেই। কিন্তু দ্রুজ মুসলিম নামধারীদের প্রতি সে দেশের শাসকগোষ্ঠী বেশ উদার। ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে দ্রুজদের আলাদা একটি রেজিমেন্টও রয়েছে। যে রেজিমেন্টে ১ হাজার ৭৫০ জনের বেশি দ্রুজ কর্মরত। ক্যাপ্টেন এল্লা তাঁদেরই একজন।
দ্রুজ মুসলিম সম্প্রদায়ের উদ্ভব ১০১৭-১৯১৮ সালে। মিসরের ফাতেমি খলিফা আল হাকিমের রাজত্বকালে। আল হাকিমকে তাঁর অনুসারীরা নবী বলে প্রচার শুরু করে। এতে নেতৃত্ব দেন আল দারাজি নামের এক ধুরন্ধর মোল্লা। আল হাকিমকে নবী হিসেবে প্রচার মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে। খলিফার পরিবারেও দেখা দেয় বিরোধিতা। বলা হয়, আপন বোন সিতুল মূলকের ষড়যন্ত্রে নিহত হন তিনি।
আল হাকিমের প্রাতর্ভ্রমণের অভ্যাস ছিল। একদিন রাজপ্রাসাদ থেকে প্রাতর্ভ্রমণে বের হয়ে নিখোঁজ হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রক্তাক্ত পোশাক ও তাঁকে বহনকারী গাধার সন্ধান পাওয়া গেলেও আল হাকিমের লাশ পাওয়া যায়নি। আল হাকিমের মৃত্যু বা উধাও হওয়ার পর তাঁর পুত্র আল জহির খলিফা পদে বসেন। আল হাকিমকে যারা নবী বলে প্রচার করত আল জহিরের আমলে তাদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন নেমে আসে এবং অনেকেই প্রাণ হারায়। একাংশ পালিয়ে যায় লেবানন সিরিয়া ফিলিস্তিন এলাকায়। এভাবে টিকে থাকে এ সম্প্রদায়ের সদস্যরা। দ্রুজরা একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। ইহুদি ধর্মের প্রাণপুরুষ মুসা (আ.)-এর শ্বশুর শুয়াইব (আ.)-কে তারা বিশেষ শ্রদ্ধা করে। দ্রুজদের বিশ্বাস, আল হাকিম মারা যাননি। তাঁর উধাও হওয়ার মধ্যে রয়েছে আধ্যাত্মিকতা। দ্রুজ মুসলিমদের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়দে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাসের মিল আছে। যারা দাবি করেন তাদের ইমাম ইসমাইল একজন নবী। একইভাবে কাদিয়ানিদের বিশ্বাস পাঞ্জাবের মির্জা গোলাম আহমদ নবুয়তের অধিকারী। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের ইমাম স্যার আগা খান। যে কারণে পাকিস্তান আন্দোলনে হক্কানি আলেমদের বিরোধিতা ছিল। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় কাদিয়ানিরা ছিল জিন্নাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। পাকিস্তানের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যার জাফরুল্লাহ খান ছিলেন কাদিয়ানি। সে দেশের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী ড. আবদুস সালামও একই সম্প্রদায়ের সদস্য।
♦ লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন
ইমেইল : [email protected]