শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

ইসরায়েলি বাহিনীতে ‘মুসলিম’ নারী কমান্ডার

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
ইসরায়েলি বাহিনীতে ‘মুসলিম’ নারী কমান্ডার

ঈশপের গল্পটি অনেকেরই জানা। পাহাড়ি নদীতে এক মেষশাবক পানি খাচ্ছিল। তা দেখে নেকড়ের  ইচ্ছা হলা তাকে ধরে খাবে। কিন্তু কী বলে মেষশাবককে ধরা যায়? সে এক অজুহাত খাড়া করল।

বলল, তুই আমার খাওয়ার পানি ঘোলা করছিস কেন? মেষশাবক বলল, আপনি পানি খাচ্ছেন নদীর উজানে, আর আমি ভাটিতে। এতে আপনার খাওয়ার পানি ঘোলা হবে কী করে! নেকড়ে নাছোড়বান্দা। বলল, তুই গত বছর আমাকে গালি দিয়েছিলি কেন? আজ তোর রক্ষা নেই। মেষশাবক  বলল, গত বছর তো আমার জন্মই হয়নি। নেকড়ে মুখ খিঁচিয়ে বলল, জন্ম হয়নি তো কী হয়েছে, তোর বাবা তো আমাকে গালি দিয়েছে। সে সাজা তোকে পেতেই হবে। এ বলে  নেকড়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল মেষের ওপর।

,,ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে ‘বিশ্ব অধিশ্বর’ আমেরিকার যুক্তি ঈশপের গল্পের নেকড়ের চেয়েও ভোঁতা। ইরান আমেরিকার মতলব সম্পর্কে অভিহিত ছিল। তাই তারা ওমানের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনায় বসে। আমেরিকার দাবি ছিল পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসতে হবে। তাতেও সম্মতি জানায় তারা। কিন্তু আমেরিকার লক্ষ্য যেহেতু মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগর অঞ্চলের তেলসম্পদ আত্মসাৎ করা, তাই আলোচনা চলা অবস্থায় হামলা চালানো হয় তেহরানসহ অসংখ্য লক্ষ্যস্থলে। ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাসহ বিপুলসংখ্যক সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করা সম্ভব হয় প্রথম হামলায়। কিন্তু রূপকথার ফিনিক্স পাখির মতো  ইরান ভস্ম থেকে উড়াল দেওয়ার কৃতিত্ব দেখায়। ট্রাম্প চেয়েছিলেন ইরানের শীর্ষ নেতা নির্বাচন করা হবে তাঁর ইচ্ছায়। কিন্তু ইরান তা পাত্তা না দিয়ে শহীদ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা সাইদ খামেনিকে শীর্ষ নেতা নির্বাচিত করেছে। যা ট্রাম্পের মুখে চড় মারার ঘটনাই বটে। আমেরিকান প্রেসিডেন্ট এজন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এর বিপরীতে রাশিয়া ও চীন নতুন নেতাকে স্বাগত জানিয়েছে। ইরান প্রতিবেশী আরব দেশগুলোতে হামলা চালানোর জন্য একপর্যায়ে দুঃখ প্রকাশ করলেও ট্রাম্প সেটিকে আত্মসমর্পণ বলে অভিহিত করেন। আমেরিকা ও ইসরায়েলের হামলায় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে ইরান। কিন্তু তাদের দমন করা যায়নি। উল্টো ইরান যে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন যুদ্ধ বন্ধের কথাও ভাবছেন। বলেছেন, লক্ষ্য পূরণের পর বন্ধু নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।

ইসরায়েলি সাংবাদিকদের মন্তব্য

সামরিক শক্তির দিক থেকে আমেরিকা ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের তুলনা বট গাছের বিপরীতে দূর্বা ঘাসের মতো। তাই দুই পক্ষের অসম যুদ্ধে কারা জিতবে এ প্রশ্ন অবান্তর। এ লেখায় সে প্রশ্নে যাব না। শুধু গত কয়েক দিনের যুদ্ধ সম্পর্কে  ইসরায়েলি সাংবাদিক অ্যালোন মিজরাহি যে মন্তব্য করেছেন সেদিকে পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। অ্যালোন মিজরাহির অভিমত, ইরান সবাইকে অবাক করে, এত নিখুঁতভাবে, এত বৃহৎ পরিসরে এবং এত পরিকল্পিতভাবে আমেরিকান ঘাঁটি ধ্বংস করছে যে বিশ্ব তা কল্পনাও করেনি। চার দিনের মধ্যে ইরান তার সামরিক আধিপত্য দেখাতে সক্ষম হয়েছে। ইরান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং ব্যয়বহুল সামরিক ঘাঁটি ও যুদ্ধ সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে। বাহরাইন, কুয়েত, কাতার এবং সৌদি আরবের আমেরিকান ঘাঁটিগুলো বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক স্থাপনাগুলোর অন্যতম। এই স্থাপনাগুলো নির্মাণে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। তিন দশকেরও বেশি সময় তৈরি সামরিক ব্যয়ের বেশির ভাগই ধোঁয়ায় ডুবে গেছে। ইরানের হামলায় শত শত কোটি ডলার ব্যয়ের রাডারগুলো  নিমেষে ধ্বংস হয়েছে। পুরো সামরিক ঘাঁটি পরিত্যক্ত হয়ে গেছে ইরানি হামলার পর। অনুমান করা যায় পার্ল ছাড়া আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তারা কখনো এমন ধ্বংসের সম্মুখীন হয়নি।

ইসরায়েলি সাংবাদিকের মতে, প্রচলিত যুদ্ধে  ইরানের মতো আর কোনো শত্রু পক্ষ আমেরিকান সামরিক বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি নিশ্চিত করতে পারেনি। পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে এই যুদ্ধ সম্পর্কে প্রায় সব তথ্য সেন্সর করা হচ্ছে। ৩৫ বছর আগে,  ইরাক যুদ্ধের সময়, সাংবাদিকদের অসংখ্য ফুটেজ সরবরাহ করা হতো। এখন খুব কম  ভিডিও দেখানো হচ্ছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি ইরানের প্রতিরক্ষা ভেঙে ফেলতে পারেনি। সে দেশের আকাশে আমেরিকান আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। আমেরিকান সৈন্যরা ইরানের মাটিতে পা রাখার স্বপ্ন দেখতেও সাহস পাচ্ছে না। ইসরায়েলি সাংবাদিকের মতে, আমেরিকা ও ইসরায়েল ইতোমধ্যেই ইরান যুদ্ধে হেরে গেছে। নির্বিচারে বোমা ফেলে তারা লাখ লাখ বেসামরিক লোককে  হত্যা করতে পারবে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের কাছে শক্তিশালী বোমা আছে। তারা ভবন উড়িয়ে দিতে পারলেও যুদ্ধে জিততে পারবে না। ইরানের সামরিক অবকাঠামো এবং অস্ত্রশস্ত্র সে দেশের ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিগুলোতে মজুত রয়েছে। আমেরিকা বা ইসরায়েল কেউ সেসব স্থানে পৌঁছানোর সম্ভাবনা নেই। ইরান যুদ্ধে তারা বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

মুসলিম নারী কমান্ডার এল্লা

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছেন ক্যাপ্টেন এল্লা নামের এক সুন্দরী তরুণী। ইসরায়েল সেনাবাহিনীর ‘মুসলিম’ সদস্য তিনি। ইরান যুদ্ধে ইসরায়েল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র হিসেবে একজন মুসলিম নারী দায়িত্ব পালন করছেন এ খবর সারা দুনিয়ায় চমক সৃষ্টি করেছে। ইসরায়েল যে উদার ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র তা প্রমাণে এটিকে একটি স্ট্যান্টবাজি হিসেবে দেখছেন বোদ্ধাজনরা। সবারই জানা, নরেন্দ্র মোদির শাসনামলে ভারত ধর্মনিরপেক্ষ বৈশিষ্ট্য হারিয়ে হিন্দুবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অপারেশন সিঁদুরের যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কমান্ডারের ভূমিকা পালন করেন সোফিয়া কোরেশী নামের এক মুসলিম মেয়ে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন সোফিয়া কোরেশী। ঠিক তেমনি ইহুদিবাদী ইসরায়েল রাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র হিসেবে এক মুসলিম নারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নিছক স্ট্যান্টবাজির লক্ষ্যে।

ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুসলমানরা মহাপুরুষ ইব্রাহিমের অনুসারী। এ তিন ধর্মকে ইব্রাহিমী ধর্ম বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক থেকে ইসলাম ও ইহুদি ধর্মাবলম্বীরা বেশ কাছাকাছি। ধর্ম বিশ্লেষকদের মতে, ইসলাম ইহুদি ধর্মের সম্প্রসারিত রূপ। পক্ষান্তরে ইহুদিদের সঙ্গে খ্রিস্টানদের শুরু থেকেই সাপ ও নেউলের সম্পর্ক। কারণটা স্পষ্ট। খ্রিস্টানদের বিশ্বাস, যিশুখ্রিস্ট বা ঈসা নবীকে ক্রুসবিদ্ধ করে হত্যার জন্য দায়ী ইহুদিরা। যে কারণে গত দুই হাজার বছরে ইহুদিদের ওপর বারবার প্রতিহিংসা চরিতার্থের চেষ্টা করেছে খ্রিস্টানরা। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় ইহুদিরা গণহত্যার শিকার হয় হিটলারের নাৎসি বাহিনীর হাতে। অসংখ্য ইহুদিকে গ্যাস চেম্বারে ভরে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। প্রথম মহাযুদ্ধের আগে ইউরোপে খ্রিস্টানদের নির্যাতনের মুখে বহু ইহুদি ফিলিস্তিনে হিজরত করে। ফিলিস্তিন ছিল সে সময় উসমানিয়া খেলাফতের অধীনে। তুরস্কের উসমানিয়া খলিফা তাদের আশ্রয়ও দেন। ফিলিস্তিনের মুসলমানরা তাদের দেশে ইহুদিদের আগমনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তবে খ্রিস্টানরা ইহুদিদের আগমনকে ভালো চোখে দেখেনি। কিন্তু খলিফার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাদের করার কিছুই ছিল না।

ইহুদিরা ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে পরিচিত। আড়াই হাজার বছর আগে ইহুদিদের দাস বানিয়েছিল ব্যাবিলনের নিষ্ঠুর শাসক। আজকের ইরান তথা সে সময়ের পারস্য সাম্রাজ্যের মহান সম্রাট সাইরাস দ্য গ্রেট ইহুদি জাতিকে ৭০ বছরের বন্দি জীবন থেকে মুক্তি দেন। বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টে এই মহান সম্রাটের কথা রয়েছে। ধর্ম বিশ্লেষকদের অনুমান, পবিত্র কোরআনে এই মহান সম্রাটকে চিহ্নিত করা হয়েছে জুলকারনাইন হিসেবে। ইসরায়েলের ইহুদিবাদী শাসকরা পারস্য জাতির সে উপকারের প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করছে তাদের মুক্তিদাতাদের ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র এঁটে। বলছিলাম প্রথম মহাযুদ্ধের আগে ইহুদিদের ফিলিস্তিনে আশ্রয় পাওয়ার কথা। ফিলিস্তিনের মুসলমানরা উসমানিয়া খলিফার নির্দেশে তাদের দেশে ইহুদিদের ঠাঁই দেয়। আশ্রয় পেয়ে ইহুদিরা আশ্রয়দাতাদের গ্রাস করার পরিকল্পনা আঁটে। ফিলিস্তিনিদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে থাকে জমিজমা। একপর্যায়ে ফিলিস্তিনের ভূসম্পত্তির উল্লেখযোগ্য অংশের মালিক বনে যায় তারা। একপর্যায়ে জাতিসংঘকে শিখণ্ডী হিসেবে ব্যবহার করে সেখানে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায়ও সমর্থ হয়। ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পর শুধু ফিলিস্তিনি নয়, সারা বিশ্বের মুসলমানরা ইহুদিদের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। ইসরায়েলে আরব মুসলমানদের সংখ্যা ১৮ শতাংশ। সে দেশের পার্লামেন্টে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্বও আছে। মুসলমানদের মধ্যে দ্রুজ মুসলিম নামধারীদের সংখ্যা সোয়া লাখেরও বেশি। ক্যাপ্টেন এল্লা দ্রুজ সম্প্রদায়ের মেয়ে। ইসরায়েল নিজেদের আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করে। সে দেশের জনসংখ্যার মূলধারার মুসলমানদের সেনাবাহিনীতে ঢোকার সুযোগ নেই। কিন্তু দ্রুজ মুসলিম নামধারীদের প্রতি সে দেশের শাসকগোষ্ঠী বেশ উদার। ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে দ্রুজদের আলাদা একটি রেজিমেন্টও রয়েছে। যে রেজিমেন্টে ১ হাজার ৭৫০ জনের বেশি দ্রুজ কর্মরত। ক্যাপ্টেন এল্লা তাঁদেরই একজন।

দ্রুজ মুসলিম সম্প্রদায়ের উদ্ভব ১০১৭-১৯১৮ সালে। মিসরের ফাতেমি খলিফা আল হাকিমের রাজত্বকালে। আল হাকিমকে তাঁর অনুসারীরা নবী বলে প্রচার শুরু করে। এতে নেতৃত্ব দেন আল দারাজি নামের এক ধুরন্ধর মোল্লা। আল হাকিমকে নবী হিসেবে প্রচার মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে। খলিফার পরিবারেও দেখা দেয় বিরোধিতা। বলা হয়, আপন বোন সিতুল মূলকের ষড়যন্ত্রে নিহত হন তিনি।

আল হাকিমের প্রাতর্ভ্রমণের অভ্যাস ছিল। একদিন রাজপ্রাসাদ থেকে প্রাতর্ভ্রমণে বের হয়ে নিখোঁজ হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রক্তাক্ত পোশাক ও তাঁকে বহনকারী গাধার সন্ধান পাওয়া গেলেও আল হাকিমের লাশ পাওয়া যায়নি। আল হাকিমের মৃত্যু বা উধাও হওয়ার পর তাঁর পুত্র আল জহির খলিফা পদে বসেন। আল হাকিমকে যারা নবী বলে প্রচার করত আল জহিরের আমলে তাদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন নেমে আসে এবং অনেকেই প্রাণ হারায়। একাংশ পালিয়ে যায় লেবানন সিরিয়া ফিলিস্তিন এলাকায়। এভাবে টিকে থাকে এ সম্প্রদায়ের সদস্যরা। দ্রুজরা একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। ইহুদি ধর্মের প্রাণপুরুষ মুসা (আ.)-এর শ্বশুর শুয়াইব (আ.)-কে তারা বিশেষ শ্রদ্ধা করে। দ্রুজদের বিশ্বাস, আল হাকিম মারা যাননি। তাঁর উধাও হওয়ার মধ্যে রয়েছে আধ্যাত্মিকতা। দ্রুজ মুসলিমদের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়দে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাসের মিল আছে। যারা দাবি করেন তাদের ইমাম ইসমাইল একজন নবী। একইভাবে কাদিয়ানিদের বিশ্বাস পাঞ্জাবের মির্জা গোলাম আহমদ নবুয়তের অধিকারী। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের ইমাম স্যার আগা খান। যে কারণে পাকিস্তান আন্দোলনে হক্কানি আলেমদের বিরোধিতা ছিল। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় কাদিয়ানিরা ছিল জিন্নাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। পাকিস্তানের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যার জাফরুল্লাহ খান ছিলেন কাদিয়ানি। সে দেশের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী ড. আবদুস সালামও একই সম্প্রদায়ের সদস্য।

 

♦ লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
শান্তির সুবাতাস
শান্তির সুবাতাস
ব্যয়বৃদ্ধির চাপ
ব্যয়বৃদ্ধির চাপ
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
অবহেলিত কেন সিলেট-আখাউড়া রেলপথ
অবহেলিত কেন সিলেট-আখাউড়া রেলপথ
আমেরিকার নির্বাচন ও শাসনকাঠামো
আমেরিকার নির্বাচন ও শাসনকাঠামো
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
তবু ঋণে ভাটা
তবু ঋণে ভাটা
মুক্তি গণতন্ত্রে
মুক্তি গণতন্ত্রে
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
কৃষক পরিচয়ের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি
কৃষক পরিচয়ের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি
আস্থা থাকা না-থাকা
আস্থা থাকা না-থাকা
বাজেট ভাবনা
বাজেট ভাবনা
সর্বশেষ খবর
চাঁদপুর ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু
চাঁদপুর ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

৩১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসছে না ইরান
যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসছে না ইরান

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত
লেবাননে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের হাতে ৩ বাংলাদেশি আটক
মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের হাতে ৩ বাংলাদেশি আটক

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোমবার থেকে ডিপোপর্যায়ে জ্বালানি তেল বর্ধিতহারে বরাদ্দ হবে : বিপিসি
সোমবার থেকে ডিপোপর্যায়ে জ্বালানি তেল বর্ধিতহারে বরাদ্দ হবে : বিপিসি

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জে ভারতীয় এনার্জি ড্রিংকসসহ পাচারকারী আটক
নারায়ণগঞ্জে ভারতীয় এনার্জি ড্রিংকসসহ পাচারকারী আটক

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিধানসভা নির্বাচন: পশ্চিমবঙ্গে যেসব প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছে
বিধানসভা নির্বাচন: পশ্চিমবঙ্গে যেসব প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছে

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুক্তির আগেই আলোচনায় মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক
মুক্তির আগেই আলোচনায় মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক

৫৬ মিনিট আগে | শোবিজ

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অভিযানে গ্রেফতার ৫৪
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অভিযানে গ্রেফতার ৫৪

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

দুই দিনে অবৈধ মজুতকৃত ১৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার
দুই দিনে অবৈধ মজুতকৃত ১৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৃজিত মুখার্জির সিনেমায় নায়িকা হতে চান অপু বিশ্বাস
সৃজিত মুখার্জির সিনেমায় নায়িকা হতে চান অপু বিশ্বাস

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিলেটে অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
সিলেটে অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সোমবার ‘বঞ্চিত’ বগুড়ার উন্নয়নের তালিকা তুলে দেবেন তারেক রহমান
সোমবার ‘বঞ্চিত’ বগুড়ার উন্নয়নের তালিকা তুলে দেবেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ বন্ধে ‘ক্ষতি নেই’ বললেন ট্রাম্প, কিন্তু বাড়ছে তেলের দাম
হরমুজ বন্ধে ‘ক্ষতি নেই’ বললেন ট্রাম্প, কিন্তু বাড়ছে তেলের দাম

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজারে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি, গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার
কক্সবাজারে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি, গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, স্কুলশিক্ষক গ্রেফতার
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, স্কুলশিক্ষক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেষ মুহূর্তের গোলে এভারটনকে হারিয়ে লিভারপুলের জয়
শেষ মুহূর্তের গোলে এভারটনকে হারিয়ে লিভারপুলের জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন
বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সিরাজগঞ্জে আগুনে ৪ বসতবাড়ি পুড়ে ছাই
সিরাজগঞ্জে আগুনে ৪ বসতবাড়ি পুড়ে ছাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পৃথক ইউনিট গঠনের উদ্যোগ পুলিশের
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পৃথক ইউনিট গঠনের উদ্যোগ পুলিশের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গরমে শখের বাগান বাঁচাতে মানতে হবে যত্নের নিয়ম
গরমে শখের বাগান বাঁচাতে মানতে হবে যত্নের নিয়ম

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

সংসদ সদস্যদের এলাকা ভিত্তিক ডাটাবেইজ তৈরির লক্ষ্যে সাব কমিটি গঠন
সংসদ সদস্যদের এলাকা ভিত্তিক ডাটাবেইজ তৈরির লক্ষ্যে সাব কমিটি গঠন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু
ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ছয় ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল কলকাতা
ছয় ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল কলকাতা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু
কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ
স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জবি ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি আরিফ, সম্পাদক ইব্রাহিম
জবি ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি আরিফ, সম্পাদক ইব্রাহিম

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এই পারফরম্যান্সে আমি দলে জায়গা পাওয়ার যোগ্য নই: রিজওয়ান
এই পারফরম্যান্সে আমি দলে জায়গা পাওয়ার যোগ্য নই: রিজওয়ান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এলপিজির দাম বেড়েছে
এলপিজির দাম বেড়েছে

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাংকার বাস্টারেও অভেদ্য ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’, সেখানেই কি চলছে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ
বাংকার বাস্টারেও অভেদ্য ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’, সেখানেই কি চলছে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপ্রতিরোধ্য ইরান, নজিরবিহীন হামলার পরও অক্ষত তাদের বেশিরভাগ অস্ত্রভাণ্ডার!
অপ্রতিরোধ্য ইরান, নজিরবিহীন হামলার পরও অক্ষত তাদের বেশিরভাগ অস্ত্রভাণ্ডার!

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের আটকে থাকা গোপন সম্পদের অংক ফাঁস
ইরানের আটকে থাকা গোপন সম্পদের অংক ফাঁস

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস
নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা
পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ
তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আগের চেয়েও দ্রুতগতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার পুনর্গঠন করছে ইরান’
‘আগের চেয়েও দ্রুতগতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার পুনর্গঠন করছে ইরান’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান
‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের
ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন: নাহিদ
অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন: নাহিদ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি
মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী
আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী
সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হজযাত্রী ছাড়া কেউ মক্কায় ঢুকলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা
হজযাত্রী ছাড়া কেউ মক্কায় ঢুকলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে
কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে

শোবিজ

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন
হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা