শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

যুদ্ধের অসিলায় আতঙ্ক ছড়াবেন না

আবু তাহের খান
প্রিন্ট ভার্সন
যুদ্ধের অসিলায় আতঙ্ক ছড়াবেন না

শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার লোভে নিজেকে যোগ্য প্রমাণের জন্য শান্তি স্থাপনের নানা কৃত্রিম অভিনয়ের পরও যখন কাক্সিক্ষত পুরস্কার (১০ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে ঘোষিত নোবেল শান্তি পুরস্কার) মিলল না, তখন খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে স্বরূপে হাজির হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় তেল উৎপাদনকারী দেশ ভেনিজুয়েলার তেলক্ষেত্রের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গত ৩ জানুয়ারি তিনি সামরিক বাহিনীর সহায়তায় সে দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে গভীর রাতে তাঁর রাষ্ট্রীয় বাসভবন থেকে অপহরণ করে নিয়ে আসেন। এর পর পরই প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন যে ভেনেজুয়েলায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই অপহরণের মূল উদ্দেশ্য।  মাদুরোকে রাতের অন্ধকারে এভাবে উড়িয়ে নিয়ে আসাটা fffছিল একধরনের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস এবং তা দেখে তখনই আশঙ্কা করা গিয়েছিল যে ট্রাম্পের এ দুঃশাসনের কালে পৃথিবীর তেলসমৃদ্ধ অন্য অনেক দেশই হয়তো সহসাই এভাবে নানা আঙ্গিক ও মাত্রায় সন্ত্রাস ও দস্যুতার শিকার হবে। বস্তুত সে ধারাবাহিকতাতেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাতে দ্বিতীয় দফায় বর্বর আক্রমণের শিকার হলো ইরান।  ধারণা করা চলে, সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি হয়তো আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে এবং ইরানের পাশাপাশি তেলসমৃদ্ধ অন্য আরও অনেক নতুন দেশই হয়তো নতুন করে আক্রমণের শিকার হবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এ যুদ্ধ এখন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে; এবং আশঙ্কা করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে ক্রমান্বয়ে তা মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলেও সম্প্রসারিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে এ আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে যে এ যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলসহ বহু পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা চরমভাবে বিঘিœত হতে পারে; এবং এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতি ২০০৭-০৮-কালীন অর্থনৈতিক মন্দা-পরবর্তী গত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংকটের মধ্যে পড়তে পারে। বিষয়টি নিয়ে দেশের রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ, শিল্পোদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ প্রভৃতি সবার ভিতরেই কিছু না কিছু উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিতে শুরু করেছে, যা খুবই স্বাভাবিক। উৎকণ্ঠার বিষয় হচ্ছে, যুদ্ধকে অসিলা হিসেবে ব্যবহার করে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার কিছু সুবিধাবাদী মানুষ-এ থেকে ফায়দা লুটতে শুরু করেছে, যা অতীতেও বহুবার দেখা গেছে।

দেশে বা দেশের বাইরে অন্যত্র যখনই যুদ্ধ, মহামারি, দুর্ভিক্ষের মতো বড় ধরনের কোনো সমস্যা দেখা দেয়, অমনি সঙ্গে সঙ্গে এ দেশের কিছু সুবিধাবাদী মানুষের লোভাতুর মুখ বিকৃত আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। এটি সাম্প্রতিক ইউক্রেন যুদ্ধ, ২০০০ সালের করোনা মহামারি, তেতাল্লিশের মন্বন্তর কিংবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ইত্যাদি সব সময়েই দেখা গেছে। এসব প্রতিটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু চালাকচতুর লোক কখনো রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে আবার কখনোবা বুদ্ধি খাটিয়ে ও পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এমন একচ্ছত্র ও অন্যায় মাত্রার মুনাফা অর্জন করেছে যে এটিকে লুটতরাজ বললেও কম বলা হয়। তো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান আক্রমণকে কেন্দ্র করে লুটতরাজের সেই মোক্ষম সুযোগটি এখন ওই সব চতুর লোকজনের একেবারে হাতের মুঠোয়। তারা এখন চাইলেই পরিস্থিতিকে ব্যবহার করে নানাভাবে তাদের মুনাফা ও অন্যান্য সুবিধাদি অর্জনের কাজকে সর্বগ্রাসী করে তুলতে পারেন; এবং ধারণা করা যে সেটি তারা করবেনও। আর সে ক্ষেত্রে তারা কী কী করতে পারেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার লক্ষ্যে এতদসংক্রান্ত সম্ভাব্য অপতৎপরতাগুলোকে নি¤ন্ডেœাক্তভাবে চিহ্নিতকরণের চেষ্টা করা হলো।

এক. যুদ্ধের কারণে স্বাভাবিকভাবেই ব্যবসায়ীরা বিশ্ববাজার থেকে অধিক মূল্যে জ্বালানি তেল, খাদ্যপণ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয় করতে বাধ্য হবেন। তবে যতটুকু বেশি মূল্যে তারা এসব কিনবেন, ধারণা করা যায় যে তাদের মধ্যকার একটি অংশ এ নিয়ে হাঁকডাক ছাড়বেন তার চেয়ে অনেক বেশি এবং বিক্রির সময় মূল্য হাঁকবেন তার চেয়েও অধিক হারে, যা সাধারণ মানুষের কষ্টময় জীবনকে আরও কষ্টের মধ্যে ফেলে দেবে। আর যুদ্ধ যত ব্যাপক ও দীর্ঘায়িত হবে, ভিতরে ভিতরে ওই ধূর্ত লোকেরা ততোটাই খুশি হবেন এবং সেই সুবাদে তাদের মুনাফার অঙ্কও ক্রমেই স্ফীত থেকে স্ফীততর হতে থাকবে। ফলে যেভাবেই হোক এ যুদ্ধকালে এসব অসৎ ব্যবসায়ীর অপতৎপরতা থেকে বাজার তথা জনগণকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।

দুই. যুদ্ধের কারণে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য স্বভাবতই নানা ঝুঁকি ও আশঙ্কার মধ্যে পড়বে। এ অবস্থায় অতীতের রীতি অনুযায়ী রপ্তানিকারকদের অনেকেই বাড়তি নগদ ভর্তুকি ও অন্যান্য প্রণোদনা দাবি করবেন। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির বিবেচনায় যা দেওয়ার সম্পদ-সামর্থ্য রাষ্ট্রের নেই, তা ছাড়া নৈতিকভাবেও এটি গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে চড়া মূল্যের কারণে আমদানিকারকরা চাইবেন শুল্ক ও কর অব্যাহতি। কিন্তু রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বছরের পর বছর ধরে যেভাবে বড় মাত্রার ঘাটতিতে ভুগছে, তাতে করে শুল্ক-কর রেয়াত বা অব্যাহতি দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা কোনোভাবেই সমীচীন হবে না। 

তিন. গত দেড় বছর দেশে যেহেতু কোনো অনুকূল বিনিয়োগ পরিস্থিতি ছিল না, সেহেতু নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনেক উদোক্তাই এখন নতুন করে নিজেদের শিল্প ও ব্যবসায়কে চাঙা করে তোলার চেষ্টা করবেন, যে ক্ষেত্রে ব্যাংকঋণ একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু আশঙ্কা হচ্ছে যে উপসাগরীয় যুদ্ধকে অসিলা বানিয়ে অনেক অসৎ-ধূর্ত উদ্যোক্তাই হয়তো ব্যাংকগুলোতে গিয়ে সময়মতো ঋণ পরিশোধ না করার, ঋণ ও ঋণের সুদ মওকুফ চাওয়ার এবং অপর্যাপ্ত শর্তে নতুন বা বাড়তি ঋণ প্রাপ্তির দাবি তুলবেন। বিষয়টি ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পক্ষেও একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। তদুপরি এটি ব্যাংক থেকে নিষ্ঠাবান উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তির সম্ভাবনাকেও বহুলাংশে সংকুচিত করবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য মোটেও সুখবর নয়। ফলে যুদ্ধের অসিলায় ব্যাংক খাতের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টাকারী ওই সব অসৎ উদ্যোক্তাকে যেভাবেই হোক ঠেকাতে হবে।

চার. যুদ্ধের কারণে ব্যবসাবাণিজ্য ভালো যাচ্ছে না এমন দাবি করে নানা ধরনের কর অব্যাহতির দাবিও একদল উদ্যোক্তা ওঠাবেন। যুদ্ধপরিস্থিতে ব্যবসাবাণিজ্যে মন্দাবস্থা তৈরি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু অতীতে লক্ষ্য করা গেছে যে এ ধরনের দাবি উত্থাপনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তাদের চেয়ে সুবিধাবাদী অসৎ উদ্যোক্তারাই অধিক এগিয়ে থাকেন এবং যুদ্ধের নাম করে রাষ্ট্রীয় সুবিধা তারাই অধিক ভোগ করেছেন।  ফলে রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করার স্বার্থে শেষোক্ত ওই অসৎ উদ্যোক্তাদের অবশ্যই এ ধরনের তৎপরতা থেকে বিরত রাখতে হবে।

পাঁচ. মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে সে অঞ্চলে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সেখানে টিকে থাকা এবং সেসব দেশে নতুন করে জনশক্তি রপ্তানির বিষয়টি এখন প্রচ-ভাবে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ অবস্থায় রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হবে জনশক্তি রপ্তানির লক্ষ্যে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশে বিকল্প বাজার অনুসন্ধান করা।  কিন্তু সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কাজটি কতটুকু এগোবে, তা স্পষ্ট করে বলতে না পারলেও অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে এটুকু প্রায় নিশ্চিত করেই বলা য়ায় যে সেখানেও নতুন করে নতুন ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট তৈরি হবে। রাষ্ট্রের উচিত হবে সম্ভাব্য সিন্ডিকেটকে দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিহত করা এবং বিকল্প অঞ্চলে জনশক্তি রপ্তানি-সংক্রান্ত কার্যক্রমকে হয়রানিমুক্ত ও কম ব্যয়বহুল করে তোলার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া।

যুদ্ধের অসিলায় সম্ভাব্য অপতৎপরতার যে বিবরণ ওপরে দেওয়া হলো, এর বাইরেও আরও বহু আশঙ্কার বিষয় রয়েছে, যেগুলো হয়তো  ক্রমান্বয়ে আরও স্পষ্ট হতে থাকবে। সুতরাং উপরে উল্লিখিত এবং এখানে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ সব আশঙ্কার বিষয়েই সরকার সতর্ক থাকবে, সেটাই প্রত্যাশা।

♦ লেখক : অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি, ব্যবসায়, প্রশাসন বিভাগ, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি; সাবেক পরিচালক, বিসিক, শিল্প মন্ত্রণালয়

এই বিভাগের আরও খবর
ফ্ল্যাট-প্লট নিবন্ধন
ফ্ল্যাট-প্লট নিবন্ধন
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়
পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
মাদকের ল্যাব!
মাদকের ল্যাব!
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি
বিশ্বে একই দিনে ঈদ পালন সম্ভব কি?
বিশ্বে একই দিনে ঈদ পালন সম্ভব কি?
দেশের সংকটে রাজনীতি কাম্য নয়
দেশের সংকটে রাজনীতি কাম্য নয়
হামে ১৩৮ শিশুর মৃত্যু
হামে ১৩৮ শিশুর মৃত্যু
খেলাপি ঋণ
খেলাপি ঋণ
ইসলামে পারিবারিক জীবন
ইসলামে পারিবারিক জীবন
যুদ্ধবাজ ট্রাম্প ও বাংলাদেশে শিশু হত্যার দায়
যুদ্ধবাজ ট্রাম্প ও বাংলাদেশে শিশু হত্যার দায়
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনি শিশু নির্যাতন নিয়ে যা বললেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট
ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনি শিশু নির্যাতন নিয়ে যা বললেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় সংসদে আজ ২৪ বিল পাস
জাতীয় সংসদে আজ ২৪ বিল পাস

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার
ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ
ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই জনতার সামনে আসবেন মোজতবা খামেনি?
শিগগিরই জনতার সামনে আসবেন মোজতবা খামেনি?

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ বন্ধে হটলাইন খুলবেন এমপি
অপরাধ বন্ধে হটলাইন খুলবেন এমপি

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, নৌকাসহ সরঞ্জাম জব্দ
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, নৌকাসহ সরঞ্জাম জব্দ

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাসারাঙ্গার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন লিন্ডে
হাসারাঙ্গার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন লিন্ডে

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণরসায়ন বিভাগের রজত জয়ন্তী উৎসব
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণরসায়ন বিভাগের রজত জয়ন্তী উৎসব

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সৌদি লিগে বিতর্ক, রোনালদোর হাতেই শিরোপা তুলতে চায় রেফারিরা
সৌদি লিগে বিতর্ক, রোনালদোর হাতেই শিরোপা তুলতে চায় রেফারিরা

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো পাকিস্তানে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে নারী দল
প্রথমবারের মতো পাকিস্তানে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে নারী দল

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কারাগারে
কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কারাগারে

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ পার হওয়ার অপেক্ষায় ৩২০০ জাহাজ: ফক্স নিউজ
হরমুজ পার হওয়ার অপেক্ষায় ৩২০০ জাহাজ: ফক্স নিউজ

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজারে ইয়াবাসহ ৩ মাদক পাচারকারী আটক
কক্সবাজারে ইয়াবাসহ ৩ মাদক পাচারকারী আটক

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩ না ৪ ব্লেড—কোন সিলিং ফ্যানে বেশি বাতাস?
৩ না ৪ ব্লেড—কোন সিলিং ফ্যানে বেশি বাতাস?

৪৩ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ ‌কর্তনের অভিযোগ
শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ ‌কর্তনের অভিযোগ

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে শূন্য খরচে কর্মী নিতে মালয়েশিয়ার ‌‘এআই’ প্রযুক্তি চালু
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে শূন্য খরচে কর্মী নিতে মালয়েশিয়ার ‌‘এআই’ প্রযুক্তি চালু

৪৮ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

নেইমারের দিকে নজর মেসিদের লিগের এক ক্লাবের
নেইমারের দিকে নজর মেসিদের লিগের এক ক্লাবের

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আপত্তি সত্ত্বেও বিল পাস করায় ফের বিরোধী দলের ওয়াকআউট
আপত্তি সত্ত্বেও বিল পাস করায় ফের বিরোধী দলের ওয়াকআউট

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামে ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে ১০ দিনে ১৭ লাখ টাকা জরিমানা
কুড়িগ্রামে ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে ১০ দিনে ১৭ লাখ টাকা জরিমানা

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালির টোল ইরানি মুদ্রায়, নতুন প্রস্তাবে চাঞ্চল্য
হরমুজ প্রণালির টোল ইরানি মুদ্রায়, নতুন প্রস্তাবে চাঞ্চল্য

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সবার জন্য হরমুজ খুলবে কবে?
সবার জন্য হরমুজ খুলবে কবে?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিরামপুরে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে জরিমানা, মাটিতে পুঁতে ধ্বংস
বিরামপুরে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে জরিমানা, মাটিতে পুঁতে ধ্বংস

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চার বছর পর কাউন্টি ক্রিকেটে ফিরলেন ইংলিশ পেসার
চার বছর পর কাউন্টি ক্রিকেটে ফিরলেন ইংলিশ পেসার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আবারও ফুঁসে উঠেছে ভারতের মণিপুর রাজ্য
আবারও ফুঁসে উঠেছে ভারতের মণিপুর রাজ্য

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাজ গার্ডেনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন শাফিন আহমেদ রন্টি
নাজ গার্ডেনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন শাফিন আহমেদ রন্টি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজে টোল দিতে হবে ইরানি মুদ্রায়, তেহরানের নতুন প্রস্তাব
হরমুজে টোল দিতে হবে ইরানি মুদ্রায়, তেহরানের নতুন প্রস্তাব

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুষ্টিয়ায় শ্রেণিকক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় স্কুলছাত্রী উদ্ধার
কুষ্টিয়ায় শ্রেণিকক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় স্কুলছাত্রী উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৭৭
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৭৭

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

কসবায় বাল্যবিবাহ বন্ধ, জরিমানা
কসবায় বাল্যবিবাহ বন্ধ, জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঝড়ো ইনিংসে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বাবর আজম
ঝড়ো ইনিংসে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বাবর আজম

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়: ইসরায়েল
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়: ইসরায়েল

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিটকয়েনে বিলিয়ন ডলারের ধরা খেয়েছে ট্রাম্প পরিবার
বিটকয়েনে বিলিয়ন ডলারের ধরা খেয়েছে ট্রাম্প পরিবার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি দিয়ে আপাতত দিনে ১৫ জাহাজ যেতে পারবে: ইরান
হরমুজ প্রণালি দিয়ে আপাতত দিনে ১৫ জাহাজ যেতে পারবে: ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া
হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে ইরান
আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন ‘অকেজো’ : বিশ্লেষণ
ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন ‘অকেজো’ : বিশ্লেষণ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরিক্ষত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরিক্ষত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?
সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: বিএনপির প্রার্থী বাদশা বিপুল ভোটে বিজয়ী
বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: বিএনপির প্রার্থী বাদশা বিপুল ভোটে বিজয়ী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে
যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেরপুর-৩ উপনির্বাচনে: বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির রুবেল
শেরপুর-৩ উপনির্বাচনে: বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির রুবেল

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ এপ্রিলের মধ্যে এলএনজি-এলপিজি নিয়ে আসছে আরও ৫ জাহাজ
১৫ এপ্রিলের মধ্যে এলএনজি-এলপিজি নিয়ে আসছে আরও ৫ জাহাজ

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পিএসএলে নাহিদ রানার জাদু, বড় জয় পেশোয়ারের
পিএসএলে নাহিদ রানার জাদু, বড় জয় পেশোয়ারের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী
সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান যা করছে তা চুক্তিতে নেই:  ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান যা করছে তা চুক্তিতে নেই:  ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান
ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ
ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান
ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আহত ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খারাজি মারা গেছেন
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আহত ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খারাজি মারা গেছেন

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পৌরসভা নির্বাচনে থাকবে না দলীয় প্রতীক, সংসদে বিল পাস
পৌরসভা নির্বাচনে থাকবে না দলীয় প্রতীক, সংসদে বিল পাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ সচল করতে ‘কার্যকর পরিকল্পনা’ নিয়ে ট্রাম্প-স্টারমারের ফোনালাপ
হরমুজ সচল করতে ‘কার্যকর পরিকল্পনা’ নিয়ে ট্রাম্প-স্টারমারের ফোনালাপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন
হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রবিবার থেকেই শুরু হচ্ছে নেতানিয়াহুর দুর্নীতির বিচার
রবিবার থেকেই শুরু হচ্ছে নেতানিয়াহুর দুর্নীতির বিচার

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানাপোড়েন রেখে ইউরোপ-যুক্তরাষ্ট্রকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: মেলোনি
টানাপোড়েন রেখে ইউরোপ-যুক্তরাষ্ট্রকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: মেলোনি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ৩১টি বিল পাস
জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ৩১টি বিল পাস

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভেঙে যেতে পারে যুদ্ধবিরতি
ভেঙে যেতে পারে যুদ্ধবিরতি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৮ বছর পর ট্রেন ভাড়া পরিশোধ!
৪৮ বছর পর ট্রেন ভাড়া পরিশোধ!

পেছনের পৃষ্ঠা

জুয়ার নেশায় ভয়ংকর চোরচক্র
জুয়ার নেশায় ভয়ংকর চোরচক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে
জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

দাম কমেছে সোনা ও রুপার
দাম কমেছে সোনা ও রুপার

পেছনের পৃষ্ঠা

আবাহনী-মোহামেডান লড়াইয়ের ৫৩ বছর
আবাহনী-মোহামেডান লড়াইয়ের ৫৩ বছর

মাঠে ময়দানে

বগুড়া ও শেরপুরে বিপুল ভোটে বিএনপির জয়
বগুড়া ও শেরপুরে বিপুল ভোটে বিএনপির জয়

প্রথম পৃষ্ঠা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে

প্রথম পৃষ্ঠা

পৃথিবীর পথে আর্টেমিস-২
পৃথিবীর পথে আর্টেমিস-২

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০০ টাকা
ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০০ টাকা

নগর জীবন

সংসদে আবার ওয়াকআউট
সংসদে আবার ওয়াকআউট

প্রথম পৃষ্ঠা

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এখনো মৃত্যুফাঁদ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এখনো মৃত্যুফাঁদ

পেছনের পৃষ্ঠা

হকার উচ্ছেদের পাশাপাশি পুনর্বাসন করার পরামর্শ
হকার উচ্ছেদের পাশাপাশি পুনর্বাসন করার পরামর্শ

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার করতে ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার
সংস্কার করতে ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রামীণ বিনোদন কেন হারিয়ে যাচ্ছে
গ্রামীণ বিনোদন কেন হারিয়ে যাচ্ছে

শোবিজ

বাবার ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে ঘোড়ার গাড়িতে বরযাত্রা
বাবার ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে ঘোড়ার গাড়িতে বরযাত্রা

দেশগ্রাম

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ

সম্পাদকীয়

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

শোবিজ

মে মাসের শুরুতেই প্রিমিয়ার লিগ!
মে মাসের শুরুতেই প্রিমিয়ার লিগ!

মাঠে ময়দানে

নীল সিগন্যালের পর
নীল সিগন্যালের পর

সাহিত্য

তোমার পরিচয়
তোমার পরিচয়

সাহিত্য

বোশেখ মাসের পয়লা তারিখ
বোশেখ মাসের পয়লা তারিখ

ডাংগুলি

বৈশাখী মেলা
বৈশাখী মেলা

ডাংগুলি

তাক ডুমা ডুম ডুম
তাক ডুমা ডুম ডুম

ডাংগুলি

পহেলা বৈশাখ
পহেলা বৈশাখ

ডাংগুলি

বৈশাখ মেলায়
বৈশাখ মেলায়

ডাংগুলি

ভালোবাসার কয়েক পঙ্ক্তি
ভালোবাসার কয়েক পঙ্ক্তি

সাহিত্য

বৈশাখ এলো বছর ঘুরে!
বৈশাখ এলো বছর ঘুরে!

ডাংগুলি

বৈশাখ আসে
বৈশাখ আসে

ডাংগুলি