শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০০:১৩, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

‘চলেন, যুদ্ধে যাই’-তিন শব্দের এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী অনেক কিছুই বলেছেন। সমস্যাসংকুল একটি দেশ পরিচালনা যুদ্ধের চেয়ে কম দক্ষতার কাজ নয়। যুদ্ধে প্রতিপক্ষ কে বা কারা তা জানা থাকে। প্রতিপক্ষের রণকৌশল লক্ষ্য করে নিজের কৌশল নির্ধারণ করা যায়। কিন্তু দেশ পরিচালনায় প্রতিপক্ষ বা শত্রু চেনা যায় না। শত্রু বাইরেও থাকতে পারে, ঘরেও থাকতে পারে। আধুনিক এই সময়ে নিজের ব্যবহৃত ডিভাইসও শত্রুতে পরিণত হয়। যেমন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু হয়েছে ডিভাইস অনুসরণ করে। বাংলাদেশে সরকারি দলের শত্রু শুমার করা যায় না। প্রতি পদে শত্রু। বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু দুর্বল অর্থনীতি ও চাঁদাবাজি। সেই সঙ্গে আছে মব সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী দুর্বৃত্ত চক্র। এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশের অর্থনীতি সবল করতে অতি জরুরি কাজটি হলো ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসা। দ্বিতীয় জরুরি কাজটি হলো কঠোর হাতে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা। দলের উচ্ছৃঙ্খল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আরও শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। তৃতীয় কাজটি হলো দেশের প্রতি ইঞ্চি জমি ব্যবহারের আওতায় আনা। সমন্বিত কৃষিব্যবস্থা নিশ্চিত করা। আজ (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সংসদই সব গণতান্ত্রিক শক্তির ভিত্তি। এ শক্তি কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তাঁর প্রতিদিনের, প্রতিবাদের যুদ্ধে জয়ী হতেই হবে।

আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের প্রাণশক্তি হলো ব্যবসা ও কৃষি। কৃষি একসময় শুধু কৃষকসংশ্লিষ্ট ছিল। এখন খাতটি বহুমাত্রিক ব্যবসা ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। করপোরেট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো ডাল ভাজা, মুড়ি ভাজাও সুন্দর মোড়কে ভরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বিক্রি করছে। দেশের বর্তমান আর্থিক সংকট দূর করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে সব সেক্টরের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে বসতে হবে। বর্তমান সংকটে তাঁদের কী করা উচিত সেসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অতি জরুরি। নিত্যপণ্য নিয়ে কোনো সিন্ডিকেট যেন গড়ে না ওঠে, সে বিষয়ে কঠোর বার্তা দেওয়া উচিত। সেই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের কথাও শুনতে হবে। বাংলাদেশে কী কী কারণে ব্যবসার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়, সেসব চিহ্নিত করতে হবে। একজন ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তাকে কোথায় কোথায় কীভাবে চাঁদা বা ঘুষ দিতে হয়, সেসব প্রধানমন্ত্রীর জানা উচিত। যেসব ব্যবসায়ীর ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে, সেগুলো বিচার-বিশ্লেষণ করে খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা দরকার। ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের মাধ্যমে দেশে ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। বেকারত্ব দূর, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা তৈরি করা সম্ভব না হলে স্থবির অর্থনীতি গতিশীল হবে না। ব্যবসায়ীরা কীভাবে জনকল্যাণে ব্যবসা করতে পারেন এবং বিনিয়োগ পরিবেশ কীভাবে নির্ঝঞ্ঝাট করা যায়, সে ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোনো ব্যবসায়ী যেন প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ চাপের মুখে সরকারের মোসাহেবি করতে বাধ্য না হন, সে লক্ষ্যে ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসায়ীদের হাতের মুঠোয় রাখার জন্য নানাভাবে চাপের মধ্যে রেখেছিল। সরকারের পক্ষে ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করতেন পতিত স্বৈরাচার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। কেউ ইচ্ছা করলেও স্বাধীনভাবে ব্যবসা করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে সব ব্যবসায়ী সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলতেন। তা ছাড়া বাংলাদেশ হলো এমন একটি দেশ, যেখানে ব্যক্তিস্বার্থ ছাড়া খুব কম মানুষই অন্যকে সাহায্য করে। কোনো শিল্পোদ্যোক্তা নিজের টাকা খরচ করে কোনো একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ার উদ্যোগ নিলে তাঁকে অনেক সার্টিফিকেট জোগাড় করতে হয়। দেশিবিদেশি ব্যবসায়ী বা বিনিয়োগকারীদের সহায়তার জন্য বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোসহ বেশ কিছু সরকারি প্রতিষ্ঠান আছে। সব প্রতিষ্ঠানেরই সেøাগান-‘এক ছাতার নিচে সব সেবা’। কিন্তু বাস্তবে তা হয় না। যেমন কেউ যদি একটি টেক্সটাইল মিল করতে চান, তাহলে তাকে প্রথমে জমি কিনতে হবে। জমি কিনতে গেলে স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টাকা ছাড়া এ অনুমতি মেলে না। জমি কেনা শুরু করতে হয় স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা বা ব্যক্তির মাধ্যমে। এর জন্য অযৌক্তিকভাবে অতিরিক্ত টাকা খরচ হয়। জমি কেনা ও মাটি ভরাটের জন্য স্থানীয় মস্তানদের কাজ অথবা চাঁদা দিতে হয়। এরপর নিতে হয় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ। টাকা ছাড়া বিদ্যুৎ-গ্যাসের অফিস কাজ করে না। গ্যাস সংযোগের জন্য শুধু টাকা দিলেও হয় না, দরকার হয় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন। এ ক্ষেত্রেও লাগে টাকা, না হয় ক্ষমতাবান কোনো মন্ত্রী বা সচিবের সুপারিশ। সেজন্যও টাকা লাগে। পরিবেশের ছাড়পত্র, ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্রসহ যত ধরনের ছাড়পত্র লাগে, সব ক্ষেত্রেই টাকা অথবা জোরালো রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। তারপর আছে ব্যাংক ঋণের পালা। সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না থাকলে ব্যাংক ঋণও মেলে না। তাই বিনিয়োগকারীরা বাধ্য হয়ে সরকারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। আর সে কারণেই পরবর্তী সময়ে ব্যবসায়ীদের সাবেক সরকারের ‘দোসর’ হিসেবে তকমা দেওয়া হয়। বিগত সময়ে দেশে ছোটবড় এমন কোনো ব্যবসায়ী নেই, যিনি ব্যবসা রক্ষার স্বার্থে সরকারের সঙ্গে সখ্য রাখতে বাধ্য হননি। কেউ প্রকাশ্যে ছিলেন, কেউ ছিলেন অপ্রকাশ্যে। কেউ নেত্রীকে খুশি করেছেন, কেউ ছোটবোনকে, কেউবা আবার মামাকে খুশি করেছেন। কাউকে না কাউকে খুশি না করে আওয়ামী লীগ আমলের ১৬ বছরে বাংলাদেশে ব্যবসা করতে পারেননি কেউ। আবার সেজন্যই এখন অনেককে ওই সরকারের দালাল বা দোসর তকমা পেতে হচ্ছে। কিন্তু যদি ব্যবসা করার জন্য কাউকে খুশি করার প্রয়োজন না হতো, তাহলে এমন পরিবেশ সৃষ্টি হতো না। এখন নতুন সময়। নতুন স্বপ্ন। তাই সরকারের উচিত ব্যবসায়ীরা কীভাবে স্বাধীন ও ঝামেলামুক্ত পরিবেশে ব্যবসা করতে পারেন সেজন্য যা যা দরকার, তা করা।

আমাদের অর্থনীতিতে কৃষি সেক্টরটি বড় অবদান রাখছে। অনেক সময়ই কৃষক উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। তীব্র মনঃকষ্টে গরুর দুধ, খেতের টম্যাটো বা আলু রাস্তায় ফেলে কৃষক প্রতিবাদ করেন। কারণ কৃষক জানেন মাটিতে ফসল ফলাতে কতটা কষ্ট করতে হয়। শরীর থেকে কী পরিমাণ ঘাম ঝরে তা একমাত্র কৃষকই জানেন। কৃষিপ্রধান দেশে কৃষক ও কৃষি বাঁচলেই দেশ বাঁচে। ১ কেজি কাঁচা মরিচের দাম যখন ৩০০-৪০০ টাকা, ১ হালি লেবু যখন ১৫০ টাকা হয়ে যায়, তখন কৃষককে মনে পড়ে। যদিও এর কিছুই কৃষকের ভাগ্যে জোটে না। মধ্যস্বত্বভোগী ও বাজার সিন্ডিকেট এ অবৈধ মূল্যবৃদ্ধির গোটা ফায়দা লুটে নেয়। পকেট কাটা যায় ভোক্তার। তাই কৃষককে সারা বছরই মনে রাখতে হবে। কার্যকরভাবে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এক জমিতে একই সময়ে একাধিক ফসল ফলানোর পদ্ধতি ইতোমধ্যে আমাদের কৃষক রপ্ত করতে পেরেছেন। উন্নতমানের বীজ বা ফসল উৎপাদনের প্রযুক্তি আমাদের কৃষিবিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন। কৃষি নিয়ে নতুন নতুন গবেষণাও হচ্ছে। বড় বড় করপোরেট ব্যবসায়ী এখন কৃষিতে বিনিয়োগ করছেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে কৃষিবিপ্লব ঘটিয়েছিলেন খাল খননের মাধ্যমে। দেশের অনাবাদি জমিগুলো আবাদের আওতায় আনার জন্য তিনি কৃষি সেক্টরে অনেক উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়াও একইভাবে কৃষিতে অবদান রেখেছিলেন। তাঁদেরই সন্তান তারেক রহমান এখন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে এখন সমন্বিত কৃষিতে গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু কৃষক নয়, কৃষকের গোটা পরিবারকে বাঁচাতে হবে। কৃষক পরিবারকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে হবে। প্রতি ইঞ্চি জমির সঠিক ব্যবহার করতে হবে। যেসব জমি অব্যবহৃত পড়ে আছে, সেগুলো চাষাবাদের আওতায় আনতে হবে। রাজউক বা বিভিন্ন হাউজিং প্রকল্পে যারা প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন বা জমি কিনেছেন, সেসব জমি বছরের পর বছর পড়ে আছে। ওইসব জমিও যেন পড়ে না থাকে, সে ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতি বছর নদীপারের অনেক জমি বিলীন হয়ে যায়; আবার কোথাও চর জেগে ওঠে। ওইসব চরের জমিও আবাদের আওতায় আনতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিদিনই যুদ্ধযাত্রা করছেন। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বা ইশতেহার ধরে ধরে একের পর এক কাজ করছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের কাজটি তিনি ১০ মার্চ মঙ্গলবার উদ্বোধন করেছেন। প্রথম দিনে ৩৭ হাজার নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামী মাস থেকে দেওয়া হবে কৃষক কার্ড। রাজধানীর বনানীতে কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে সারা দেশের ১৪ স্থানে একযোগে এ কার্ড বিতরণ শুরু হয়। এর মধ্যে রাজধানীর কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক বস্তি এলাকার ১৫ হাজার নারী ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন। যে নারী এই কার্ড পেয়েছেন, তিনি হাত তুলে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করেছেন। কিন্তু যদি এসব বস্তিতে দখলবাজি হয়, চাঁদাবাজি হয় তাহলে এই নারীরাই আবার হাত তুলে সরকারের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে নালিশ জানাবেন।

বিগত ১৮ মাস দেশের মানুষ মব সন্ত্রাসে অতিষ্ঠ ছিল। ছাত্রের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত হয়েছেন। তরুণের হাতে প্রৌঢ় অপমানিত হয়েছেন। নারী-শিশুর নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। এ অবস্থায় বর্তমান সরকারকে যুদ্ধে বিজয়ী হতে হলে সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজ যে দলের বা মতেরই হোক না কেন, কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না।  সরকারদলীয় কোনো কর্মীর বিরুদ্ধেও সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে শাস্তি আরও কঠিন হতে হবে। দল থেকে বহিষ্কার বা শোকজ কোনো সাজার পর্যায়ে পড়ে না। এটা বরং পরবর্তীতে আরও বড় পদ পাওয়ার পথ তৈরি করে দেয়। সেজন্য জনগণ একে লোকদেখানো পদক্ষেপ বলে মনে করে। সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজি নির্মূল করতে না পারলে যুদ্ধে জয় সহজ হবে না। মোট কথা, তারেক রহমানকে যুদ্ধে জয়ী হতে হলে ব্যবসায়ীদের নিয়ে বসতে হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ নির্মূল করতে হবে। প্রতি ইঞ্চি জমির সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে কোনো কার্ডেই কাজ হবে না।

 

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
বিবেকের দায় শোধ
বিবেকের দায় শোধ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা
ন্যায়পরায়ণ খলিফা হজরত ওমর (রা.)
ন্যায়পরায়ণ খলিফা হজরত ওমর (রা.)
ঢাকার সড়কে এ কার দখলদারি!
ঢাকার সড়কে এ কার দখলদারি!
দ্বিমুখী সংকটে কৃষক
দ্বিমুখী সংকটে কৃষক
বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে
বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে
ফ্ল্যাট-প্লট নিবন্ধন
ফ্ল্যাট-প্লট নিবন্ধন
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়
পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
মাদকের ল্যাব!
মাদকের ল্যাব!
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি
সর্বশেষ খবর
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

সব পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা : শিক্ষামন্ত্রী
সব পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা : শিক্ষামন্ত্রী

৩১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট
যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ মিশরের প্রধান গোলকিপার
নিষিদ্ধ মিশরের প্রধান গোলকিপার

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অবৈধভাবে মজুদকৃত অকটেন ও সার জব্দ
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অবৈধভাবে মজুদকৃত অকটেন ও সার জব্দ

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ.লীগ নেতার নেতৃত্বে প্রবাসীর ওপর হামলার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ.লীগ নেতার নেতৃত্বে প্রবাসীর ওপর হামলার অভিযোগ

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে মানববন্ধন
হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে মানববন্ধন

২০ মিনিট আগে | নগর জীবন

২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভালুকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ
ভালুকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন
লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!
হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স
ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পহেলা বৈশাখে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
পহেলা বৈশাখে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়বে, তবে ব্যয়ে চাই সঠিক অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়বে, তবে ব্যয়ে চাই সঠিক অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি
লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ছিলেন, তারা মনোনয়ন পাবেন: রিজভী
আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ছিলেন, তারা মনোনয়ন পাবেন: রিজভী

৩৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

বল টেম্পারিং ইস্যুতে মত দিলেন সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার
বল টেম্পারিং ইস্যুতে মত দিলেন সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার
দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া অমার্জনীয় পরিণতি
ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া অমার্জনীয় পরিণতি

৪৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ
কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ

৫৫ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা রক্সি’ গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা রক্সি’ গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সূর্যবংশীকে অটোগ্রাফসহ ক্যাপ উপহার দিলেন কোহলি
সূর্যবংশীকে অটোগ্রাফসহ ক্যাপ উপহার দিলেন কোহলি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পৃথিবীতে ফিরে কেমন আছেন আর্টেমিসের নভোচারীরা
পৃথিবীতে ফিরে কেমন আছেন আর্টেমিসের নভোচারীরা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে এখনও দীর্ঘ লাইন, দুর্ভোগ
জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে এখনও দীর্ঘ লাইন, দুর্ভোগ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসারাঙ্গার চোটে আইপিএলে সুযোগ পেলেন লিন্ডা
হাসারাঙ্গার চোটে আইপিএলে সুযোগ পেলেন লিন্ডা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের সঙ্গে আলোচনা: পাকিস্তানে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইরানের সঙ্গে আলোচনা: পাকিস্তানে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বান্দরবানে, দ্রুত সময়ে প্রজ্ঞাপন জারির ঘোষণা
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বান্দরবানে, দ্রুত সময়ে প্রজ্ঞাপন জারির ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইনস্টাগ্রামে ১৫ মিনিটের মধ্যে এডিট করা যাবে কমেন্ট
ইনস্টাগ্রামে ১৫ মিনিটের মধ্যে এডিট করা যাবে কমেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ পুলিশি অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ১৫
যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ পুলিশি অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ১৫

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে আলোচনা ব্যর্থ হলে কী করবে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে আলোচনা ব্যর্থ হলে কী করবে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’
‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রী ও প্রেমিক মিলে ডাকাতির নাটক, ভাড়াটে খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা
স্ত্রী ও প্রেমিক মিলে ডাকাতির নাটক, ভাড়াটে খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ
সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ
ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া
হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আয়োজন পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য গর্বের : শাহবাজ শরিফ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আয়োজন পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য গর্বের : শাহবাজ শরিফ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার
থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার

১৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন
ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন
যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদল, যোগ দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদল, যোগ দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?
সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন
হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ
ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, দাবি রিপোর্টে
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, দাবি রিপোর্টে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান
ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ
হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী
সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং
চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টার ভেতর বোঝা যাবে চুক্তি হবে কিনা, ট্রাম্পের বার্তা
২৪ ঘণ্টার ভেতর বোঝা যাবে চুক্তি হবে কিনা, ট্রাম্পের বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান
ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডলার ছাড়াই হরমুজে টোল, বিশ্ব বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে
ডলার ছাড়াই হরমুজে টোল, বিশ্ব বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প
ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা
এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লন্ডন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদ থেকে আকবর হোসেনের পদত্যাগ
লন্ডন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদ থেকে আকবর হোসেনের পদত্যাগ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
গুরু ইলিয়াসের ভাগ্য কি বরণ করলেন তিন শিষ্য
গুরু ইলিয়াসের ভাগ্য কি বরণ করলেন তিন শিষ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রামীণ জীবনে মুগ্ধ ভিনদেশি পর্যটক
গ্রামীণ জীবনে মুগ্ধ ভিনদেশি পর্যটক

শনিবারের সকাল

উৎকণ্ঠায় শান্তি আলোচনা
উৎকণ্ঠায় শান্তি আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বন নিধনে মেতেছে রোহিঙ্গারা
বন নিধনে মেতেছে রোহিঙ্গারা

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধ চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ
যুদ্ধ চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈশাখের আগমনে ইলিশে নাভিশ্বাস
বৈশাখের আগমনে ইলিশে নাভিশ্বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ফেলে রাখা হয়েছে হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন
ফেলে রাখা হয়েছে হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন

পেছনের পৃষ্ঠা

দূষণে মহাবিপদে সাত শহর
দূষণে মহাবিপদে সাত শহর

পেছনের পৃষ্ঠা

খরচের বোঝায় খাদের কিনারে পোলট্রিশিল্প
খরচের বোঝায় খাদের কিনারে পোলট্রিশিল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড নায়িকাদের পছন্দ বিবাহিত পুরুষ!
বলিউড নায়িকাদের পছন্দ বিবাহিত পুরুষ!

শোবিজ

জ্বালানি তেল সংকটের অজুহাতে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম
জ্বালানি তেল সংকটের অজুহাতে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

নগর জীবন

ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট
ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজ ফিরিয়ে দিল ইরান
হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজ ফিরিয়ে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

ডট বলের বোলারদের শীর্ষ পাঁচে মুস্তাফিজ
ডট বলের বোলারদের শীর্ষ পাঁচে মুস্তাফিজ

মাঠে ময়দানে

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনবার ফেল অক্ষয়
নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনবার ফেল অক্ষয়

শোবিজ

কেমন আছেন শবনম
কেমন আছেন শবনম

শোবিজ

বিজেপি মিথ্যা প্রচার করে ছোবল মারতে চায় : মমতা
বিজেপি মিথ্যা প্রচার করে ছোবল মারতে চায় : মমতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রেফারি প্যানেলে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমান দাপট
রেফারি প্যানেলে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমান দাপট

মাঠে ময়দানে

এমডি ছাড়াই চলছে চট্টগ্রাম ওয়াসা
এমডি ছাড়াই চলছে চট্টগ্রাম ওয়াসা

নগর জীবন

প্রিমিয়ার ক্রিকেট শুরু ৫ মে!
প্রিমিয়ার ক্রিকেট শুরু ৫ মে!

মাঠে ময়দানে

থাইল্যান্ডে রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
থাইল্যান্ডে রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

১৩ দিনে ৯১ বিল পাস
১৩ দিনে ৯১ বিল পাস

প্রথম পৃষ্ঠা

এপস্টেইনকাণ্ডে মুখ খুললেন মেলানিয়া
এপস্টেইনকাণ্ডে মুখ খুললেন মেলানিয়া

পূর্ব-পশ্চিম

ভারত থেকে আসা পাথরের ট্রাকে মিলল মর্টার শেল
ভারত থেকে আসা পাথরের ট্রাকে মিলল মর্টার শেল

দেশগ্রাম

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া ও ইউক্রেন
যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া ও ইউক্রেন

পূর্ব-পশ্চিম

শাহবাজ ও মুনিরকে নোবেল দেওয়ার দাবি
শাহবাজ ও মুনিরকে নোবেল দেওয়ার দাবি

পূর্ব-পশ্চিম

হুমায়ুন কবীরের সঙ্গ ত্যাগ করল দানিশ আজিজের এআইএমআইএম
হুমায়ুন কবীরের সঙ্গ ত্যাগ করল দানিশ আজিজের এআইএমআইএম

পূর্ব-পশ্চিম