শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫৭, বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২৬

যুদ্ধবাজ ট্রাম্প ও বাংলাদেশে শিশু হত্যার দায়

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
যুদ্ধবাজ ট্রাম্প ও বাংলাদেশে শিশু হত্যার দায়

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যার লক্ষ্য সারা দুনিয়াকে তার দেশের গোলাম বানানো। সাংবিধানিকভাবে আমেরিকা প্রজাতান্ত্রিক দেশ। যেখানে কারও রাজা বা সম্রাট সাজার সুযোগ নেই। প্রজাতন্ত্রে প্রজারাই সব ক্ষমতার অধিকারী। তারাই দেশের মালিক। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই গানের মতো-‘আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজত্বে...’। আমেরিকানদের দুর্ভাগ্য, তারা যাকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছেন, তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে বসেও সন্তুষ্ট নন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে রাজা বা সম্রাট হওয়ার মনোবাসনা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। মুখে না বললেও কাজকর্মে স্পষ্ট হচ্ছে ক্রমান্বয়ে। যা ইচ্ছা তাই করাকে তিনি নিজের কর্তব্য বলে ভাবছেন। চেঙ্গিস, হালাকু খান, তৈমুর লংয়ের মতো পাষণ্ড শাসকদের দলে নিজের নাম লেখাতে তিনি উন্মাদ হয়ে উঠেছেন। ওই শাসকরা একেক দেশকে পদানত করার আগে অপমানজনক শর্তে আত্মসমর্পণের হুকুম জারি করতেন। অন্যথা হলে রক্তের গঙ্গা বইয়ে প্রতিহিংসা চরিতার্থের চেষ্টা চালাতেন।

বিশ্বের সবচেয়ে জ্বালানি তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্টলেডিকে রাতের আঁধারে ট্রাম্প যেভাবে অপহরণ করে নিজের দেশে নিয়ে গেছেন, যা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থায় অকল্পনীয়। পাশের ক্ষুদ্র দ্বীপ দেশ কিউবার বিরুদ্ধে আমেরিকার অর্থনৈতিক অবরোধ চলছে সাড়ে ছয় দশক ধরে। চরম প্রতিকূল অবস্থায়ও সে দেশটি নিজেদের স্বাধীন সত্তা টিকিয়ে রাখার সক্ষমতা দেখিয়েছে। কিউবার উঁচু মাথা নিচু করতে তাদের ভাতে মারার চেষ্টাও চলছে। প্রতিবেশী কানাডাকে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে যোগ দেওয়ার নির্লজ্জ প্রস্তাব দিতেও ট্রাম্প সাহেবের এতটুকু বাধেনি। আরেক প্রতিবেশী মেক্সিকোর সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের আচরণ আর যাই হোক সৎ মনোভাবের পরিচয় নয়। গ্রিনল্যান্ড দখলে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন ট্রাম্প।

যুদ্ধবাজ ট্রাম্প ও বাংলাদেশে শিশু হত্যার দায়দুই. ভিয়েতনাম যুদ্ধকালে দক্ষিণ ভিয়েতনামের একজন তাঁবেদার প্রেসিডেন্ট আক্ষেপ করে বলেছিলেন, আমেরিকা যার বন্ধু, তার শত্রুর প্রয়োজন হয় না। এটি শুধু ব্যক্তি নয়, রাষ্ট্রের জন্যও এক মহাসত্য। অনেকেরই জানা, রাশিয়া ও ইউক্রেন ছিল একসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ। জাতিগতভাবেও দুই দেশের মানুষ স্লাভ জাতিগোষ্ঠীভুক্ত। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর ১৫টি স্বাধীন দেশের অভ্যুদয় ঘটে। সাবেক সোভিয়েত দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক ছিল বেশ ঘনিষ্ঠ। বিশেষ করে স্লাভ জাতিগোষ্ঠীভুক্ত রাশিয়া, ইউক্রেন এবং বেলারুশ আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পরও তাদের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বজায় ছিল। ইউক্রেনের রাশিয়াপন্থি সরকারের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে গণ অভ্যুত্থান ঘটে আমেরিকার প্ররোচনায়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেত্রো অলেক্সিয়িভিচ পোরাশেঙ্কা সে অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারান। এর ফলে ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। রাশিয়া ইউক্রেনের রুশভাষী ক্রিমিয়া অঞ্চলের অধিবাসীদের উসকে দেয়। তারা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। বিদ্রোহীরা ক্রিমিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হয়। একপর্যায়ে গণভোটেরও আয়োজন হয় ক্রিমিয়ায়। সে গণভোটে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার রাশিয়ার সঙ্গে ওই অঞ্চলের সংযুক্তির পক্ষে রায় দেয়। রাশিয়াও এই সুযোগে ক্রিমিয়াকে সাংবিধানিকভাবে তাদের দেশের অংশ ঘোষণা দেয়।

স্বীকার করতেই হবে, ক্রিমিয়া নিয়ে রাশিয়ার আচরণ প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়। তবে একই সঙ্গে বিবেচ্য যে ক্রিমিয়া ছিল ঐতিহ্যগতভাবে রাশিয়ার অংশ। সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠনের পরও এলাকাটি রাশিয়ার অংশ বলে বিবেচিত হতো এবং এ নিয়ে কোনো বিতর্কও ছিল না। সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্তালিনের আমলে ক্রিমিয়াকে ইউক্রেনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ বিষয়টি নিয়ে তখন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে কোনো বিরোধ দেখা দেয়নি। এমনকি সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পরও রাশিয়া ক্রিমিয়ায় তাদের দখলস্বত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালায়নি। ২০১৪ সালে ইউক্রেনে আমেরিকাপন্থি অভ্যুত্থানের পর রাশিয়া ক্রিমিয়া নিয়ে খেলা শুরু করে। ইউক্রেনে ২০১৯ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নির্বাচিত হন সিনেমার কৌতুক অভিনেতা জেলেনস্কি। তিনি তার দেশকে ন্যাটোর সদস্য করার চেষ্টা করতেই রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি চরমে পৌঁছায়। যা রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর জন্য নিঃসন্দেহে দায়ী মস্কো। তবে এর পেছনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে আমেরিকার কারসাজি। ইউরোপ শুধু নয়, বিশ্বশান্তির জন্যও এ যুদ্ধের অবসান সময়ের দাবি। বিশ্বের নানা প্রান্তে যুদ্ধ-সংঘাত বাধানোর মার্কিন অপকৌশলও বন্ধের বিষয়টি সমভাবে জরুরি।   

ইউক্রেন সংকটের শুরু ২০১৪ সালে। সে দেশের সরকার পরিবর্তনে আমেরিকার নেপথ্য ভূমিকায়। নিজেদের গণতন্ত্র ও মুক্ত বিশ্বের প্রবক্তা দাবি করে ওয়াশিংটন বিশ্বের নানা প্রান্তের অবাধ্য দেশের সরকার পরিবর্তনে কলকাঠি নাড়ছে। অস্থিরতা সৃষ্টি করতে সেসব দেশের মীরজাফরদের পেছনে অর্থ ব্যয় করছে। ইউক্রেনকে যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিয়ে সাহায্যের নামে শত শত বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র সে দেশে পাঠানো হয়েছে। যুদ্ধে ইতোমধ্যে ইউক্রেন ১ লাখ ২০ হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা হারিয়েছে। তবে যুদ্ধের জন্য সাহায্য হিসেবে দেওয়া অস্ত্রের দাম উশুলে ইউক্রেনের খনিজ সম্পদের ওপর নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে আমেরিকা। সোজা কথায় মীরজাফরদের ব্যবহার করে বাইডেন ও ট্রাম্প সাহেবরা ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ইউক্রেনকে পথে বসিয়েছে। আমেরিকার বিদায়ি প্রেসিডেন্ট বাইডেন বাংলাদেশেও সাজিয়েছিলেন একই ধরনের নাটক। বাংলাদেশে শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতনে তিনি বিনিয়োগ করেছিলেন ২৯ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের টাকায় যে অর্থের পরিমাণ ৩৬০ কোটি টাকারও বেশি। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিষয়টি ফাঁস করেন স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাটদের বন্ধু হিসেবে বিবেচিত ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তিনি যে দুই চোখে দেখতে পারেন না, তা অনেকের জানা। তাই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্প বাংলাদেশের সরকার পতনে বাইডেনের অপকর্ম ফাঁস করে বুঝিয়ে দেন ইউনূসের পেছনে তার সমর্থন নেই। বাংলাদেশের ওপর ট্রাম্প সাহেব যে বাণিজ্য চুক্তি চাপিয়ে দেন, তার ধকল বছরের পর বছর ধরে অনুভূত হবে। দেশের ৫৫ বছরের ইতিহাসে আর কোনো সরকার এমন জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তিতে আবদ্ধ হয়নি। ইউনূস সরকার এখন ক্ষমতায় নেই, কিন্তু চুক্তির পাপ বাংলাদেশকে বহন করতে হচ্ছে। এ পাপমোচনের পথও রুদ্ধ। কারণ বাংলাদেশের কোনো সরকার চুক্তি বাতিল করলে যুক্তরাষ্ট্র তাতে দৃশ্যত আপত্তি করবে না। কিন্তু এর বদলা নিতে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি বন্ধ করলে বিপর্যয় অনিবার্য হয়ে দাঁড়াবে। কোনো সরকারের পক্ষে সে ঝুঁকি নেওয়া সম্ভব হবে কি না, তাও একটি প্রশ্ন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হন ২০১৬ সালে। সস্তা স্লোগান ও জনসন্তুষ্টিবাদের ওপর ভর করে। এর আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন বারাক ওবামা। যিনি একজন কৃষ্ণাঙ্গ। তার বাবা বারাক ওবামা সিনিয়র কেনিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন পড়াশোনা করতে। যিনি শুধু কৃষ্ণাঙ্গ নন, ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক থেকে একজন মুসলিম। আমেরিকার হাওয়াই রাজ্যের রাজধানী হনুলুলুতে পড়াশোনার সময় শ্বেতাঙ্গ সহপাঠী অ্যান ডানহামের সঙ্গে তিনি সম্পর্কে জড়ান। বারাক ওবামার জন্মের ছয় মাস আগে প্রেমিক যুগল বিয়েতে আবদ্ধ হন। ভিন দেশের, ভিন ধর্মের, ভিন বর্ণের দুই নারী-পুরুষের এ বিয়ে শেষ পর্যন্ত টেকেনি। তিন বছর পর তাদের ছাড়াছাড়ি হয়। বারাক ওবামার শিশুকাল কাটে নানা-নানির কাছে। ওবামার মা পরবর্তী সময়ে এক ইন্দোনেশিয়ান সহপাঠী লোলো সোয়েটোরের প্রেমে পড়েন। বিবাহবন্ধনেও আবদ্ধ হন তারা। সৎবাবার সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ায়ও কেটেছে ওবামার শৈশব। সে দেশের স্কুলে ছয় থেকে দশ বছর পর্যন্ত ইন্দোনেশীয় ভাষায় পড়াশোনাও করেছেন তিনি। ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার স্কুলে তিনি ইন্দোনেশীয় সৎবাবার পরিচয়ে ভর্তি হন। সেখানে তার নাম ছিল ব্যারি সোয়েটোরো। স্কুলের খাতায় তার ধর্মীয় পরিচয় ছিল মুসলিম। শৈশবে বারাক ওবামা তার সৎবাবার কাছ থেকে জীবনের সর্বক্ষেত্রে নমনীয় হওয়ার শিক্ষা অর্জন করেন।

বারাক ওবামা দুই মেয়াদে আট বছর অর্থাৎ ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। কৃষ্ণাঙ্গ মুসলিম পিতার ঔরসে জন্ম নেওয়া ওবামার প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হওয়াকে মেনে নিতে পারেনি বর্ণবাদীরা। তারা এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের মানমর্যাদা বিসর্জনের ঘটনা হিসেবে প্রচার চালায়। যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের সেরা জাতি হিসেবে টিকিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখিয়ে ট্রাম্প প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ২০১৬ সালের নির্বাচনে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন। হিলারি অভিজ্ঞ ও সুযোগ্য প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও জনসন্তুষ্টিবাদের সস্তা সেøাগানে ট্রাম্প জয়ী হন চমক দেখিয়ে। প্রথমবার ট্রাম্প মোটামুটি শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি যা ইচ্ছা তাই করাকে কর্তব্য বলে ভাবছেন।  ইরানের শীর্ষ নেতাদের প্রায় সবাইকে হত্যা করার পরও তার সাধ মেটেনি। তিনি এমন এক যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, যে যুদ্ধে কোনো পক্ষের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

পাদটীকা : চুরিচোট্টামি নোবেল লরিয়েট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ছোটবেলার অভ্যাস। এ মহাপুরুষ নিজেও তা অকপটে স্বীকার করেছেন। যে ক্ষুদ্রঋণের জাল ছড়িয়ে তিনি লাখ লাখ প্রান্তিক নারীকে শোষণের হাতিয়ার বানিয়ে নিজের ভাগ্য গড়েছেন, সেই ক্ষুদ্রঋণের প্রবক্তাও তিনি নন। গোটা বিষয়টা ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প। যা পরবর্তী সময়ে নিজের বলে চালিয়ে দেন। ড. ইউনূস জুলাই গণহত্যার ব্যাপারে সোচ্চার। সে সময়ের সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়াই উচিত। ইউনূস ক্ষমতায় থাকতে শিশুদের হামসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় টিকা সংগ্রহে অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ার অবহেলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এটিকে ফৌজদারি অবহেলা বলে উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও সব উপদেষ্টার বিচার  এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিস দিয়েছেন এক আইনজীবী। দেশের স্বার্থ বিকিয়ে বিদেশের সঙ্গে চুক্তি ও শিশু হত্যার জন্য যারা দায়ী তাদের বিচার গণদাবিতে পরিণত হয়েছে।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

            ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
আমলাতান্ত্রিক বাধা
আমলাতান্ত্রিক বাধা
আবাসন খাতে মন্দা
আবাসন খাতে মন্দা
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
কার স্বার্থে দাসত্বের চুক্তি
কার স্বার্থে দাসত্বের চুক্তি
নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম
নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
শ্রমবাজারে শনির দশা
শ্রমবাজারে শনির দশা
গণপরিবহন
গণপরিবহন
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা
পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
সর্বশেষ খবর
ঢাবিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের আন্তঃহল শর্টপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত
ঢাবিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের আন্তঃহল শর্টপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

এই মাত্র | বসুন্ধরা শুভসংঘ

টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার
টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

গভীর রাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ল তালবোঝাই ট্রাক, অতঃপর...
গভীর রাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ল তালবোঝাই ট্রাক, অতঃপর...

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কলমাকান্দায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ১
কলমাকান্দায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ১

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদে বৈশাখী টিভিতে ৭ ধারাবাহিক নাটক
ঈদে বৈশাখী টিভিতে ৭ ধারাবাহিক নাটক

১৯ মিনিট আগে | শোবিজ

বিশ্বকাপে যোগ দিতে তুরস্কের উদ্দেশে ইরান
বিশ্বকাপে যোগ দিতে তুরস্কের উদ্দেশে ইরান

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শরীয়তপুরে ডা. নাসিরের ওপর হামলার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন
শরীয়তপুরে ডা. নাসিরের ওপর হামলার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফ্রেঞ্চ লিগে আল্ট্রাসদের তাণ্ডবে ২২ মিনিটেই পরিত্যক্ত ম্যাচ
ফ্রেঞ্চ লিগে আল্ট্রাসদের তাণ্ডবে ২২ মিনিটেই পরিত্যক্ত ম্যাচ

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অভিশেককে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়লেন সূর্যবংশী
অভিশেককে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়লেন সূর্যবংশী

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান
বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় তিন মাদক কারবারি আটক
কলমাকান্দায় তিন মাদক কারবারি আটক

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে দেশীয় সক্ষমতাই হবে আমাদের প্রধান শক্তি’
‘সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে দেশীয় সক্ষমতাই হবে আমাদের প্রধান শক্তি’

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

হারানো ২৫ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে দিল পুলিশ
হারানো ২৫ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে দিল পুলিশ

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নরসিংদীতে ৬৫০ টাকা কেজিতে গরু বিক্রি, মুনাফার আশা খামারিদের
নরসিংদীতে ৬৫০ টাকা কেজিতে গরু বিক্রি, মুনাফার আশা খামারিদের

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী
২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

৫৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মদপান করে বান্ধবীকে ধর্ষণের অভিযোগ, তিন যুবক গ্রেফতার
মদপান করে বান্ধবীকে ধর্ষণের অভিযোগ, তিন যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে মতবিনিময় সভা
‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে মতবিনিময় সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কাঠগড়া এড়াতে ভূ-রাজনীতি ব্যবহারের অভিযোগ নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে
কাঠগড়া এড়াতে ভূ-রাজনীতি ব্যবহারের অভিযোগ নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রেন্ডেন অ্যারনসনের চোট নিয়ে মার্কিন শিবিরে শঙ্কা
ব্রেন্ডেন অ্যারনসনের চোট নিয়ে মার্কিন শিবিরে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুগদায় মরদেহর সাত টি অংশের পর এবার মাথা উদ্ধার
মুগদায় মরদেহর সাত টি অংশের পর এবার মাথা উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে
মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফিট আছি’ বলে সমালোচকদের জবাব নেইমারের
‘ফিট আছি’ বলে সমালোচকদের জবাব নেইমারের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় জমি বিরোধে দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
বগুড়ায় জমি বিরোধে দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেহেরপুরে অনলাইন জুয়াড়ি আটক
মেহেরপুরে অনলাইন জুয়াড়ি আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহী জেলা পরিষদের চেক বিতরণ
রাজশাহী জেলা পরিষদের চেক বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিডনিতে প্রাণবন্ত পহেলা বৈশাখ উদযাপন
সিডনিতে প্রাণবন্ত পহেলা বৈশাখ উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

১৩ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে ফিলিং স্টেশন
১৩ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে ফিলিং স্টেশন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম নারী সভাপতি পেল কৃষ্ণারডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়
প্রথম নারী সভাপতি পেল কৃষ্ণারডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক
সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে

১৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’
নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি
বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’
‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান
মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান
ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন
আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি
আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আড়াইহাজার হয়ে ঢাকা-কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়কের প্রস্তাব
আড়াইহাজার হয়ে ঢাকা-কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়কের প্রস্তাব

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ
বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী
শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময়সূচি প্রকাশ করল বিসিবি
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময়সূচি প্রকাশ করল বিসিবি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা
ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪,৫০০ বছরের প্রাচীন বৃক্ষ যেন ইরানি সভ্যতার শক্তি : পেজেশকিয়ান
৪,৫০০ বছরের প্রাচীন বৃক্ষ যেন ইরানি সভ্যতার শক্তি : পেজেশকিয়ান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে
‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া
ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান
আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা, ইরানকে নতুন বার্তা ট্রাম্পের
মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা, ইরানকে নতুন বার্তা ট্রাম্পের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার
মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির
মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাহিদ রানাকে প্রশংসায় ভাসালেন বাবর আজম
নাহিদ রানাকে প্রশংসায় ভাসালেন বাবর আজম

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা
বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে
মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা
বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প
ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদ নেতাদের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদ নেতাদের বৈঠক

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার বাড়িগুলোতে সেপটিক ট্যাংক বসাতে ৬ মাসের আল্টিমেটাম
ঢাকার বাড়িগুলোতে সেপটিক ট্যাংক বসাতে ৬ মাসের আল্টিমেটাম

২১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রিন্ট সর্বাধিক
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার
১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা
‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা

নগর জীবন

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক
নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক

মাঠে ময়দানে

১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা
১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!
ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!

মাঠে ময়দানে

বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র
ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস
দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস

প্রথম পৃষ্ঠা

চোরাইপথে ঢুকছে মসলা
চোরাইপথে ঢুকছে মসলা

নগর জীবন

নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়

সম্পাদকীয়

রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট
রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট

পেছনের পৃষ্ঠা

ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি
ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি

মাঠে ময়দানে

সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ
সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ
নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ

শোবিজ

কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’
কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’

শোবিজ

রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা
রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা

মাঠে ময়দানে

নাহিদ রানার বাবর বধ
নাহিদ রানার বাবর বধ

মাঠে ময়দানে

সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা
সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা

শোবিজ

কিয়ারার ভাবনা
কিয়ারার ভাবনা

শোবিজ

আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা
আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা

পেছনের পৃষ্ঠা

‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’

সম্পাদকীয়

আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি
আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে
জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে পে-স্কেল
জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে পে-স্কেল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’
ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’

শোবিজ

রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা
রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা

মাঠে ময়দানে

দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন
দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন

মাঠে ময়দানে