শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫০, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৬

দেশের সংকটে রাজনীতি কাম্য নয়

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
দেশের সংকটে রাজনীতি কাম্য নয়

পঞ্চান্ন দিনের সরকার এখনই নানান সংকটে পড়েছে। কিছু সংকট বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সৃষ্ট, কিছু সংকট ১৮ মাসের অন্তর্বর্তী সরকারের সৃষ্ট। আরও বড় সংকট সাম্প্রতিক বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে গোটা পৃথিবীর মতো আমরাও ভয়াবহ জ্বালানি সংকটে পড়েছি। দেশের প্রত্যেককে এ সংকট স্পর্শ করছে। এক সমস্যা বহু সমস্যার জন্ম দিয়েছে। সেই সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে দেশের রাজনীতি। গণভোট ও সংস্কার প্রস্তাব না মানলে সরকারকে মসনদছাড়া করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আবার এর নেপথ্যে অন্য কিছুও কাজ করছে। ডিপ স্টেটের কুচক্রী অন্তর্বর্তী সরকারের বিতর্কিত উপদেষ্টাদের সামনে আনার পরিকল্পনা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারকে অত্যন্ত সহনশীল, সংবেদনশীল এবং একই সঙ্গে দৃঢ়তার সঙ্গে এগোতে হবে। ছোট সমস্যা যেন বড় হওয়ার সুযোগ না পায়, পচা শামুকে পা না কাটে সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক রাখতে হবে। মন্ত্রীদের অতিকথন বন্ধ করতে হবে। অর্ধশত দিনের কর্মকাণ্ডেই প্রমাণিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দৌড়ে কুলাতে পারছেন না মন্ত্রীরা। যেমন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সঙ্গে হেঁটে পারতেন না মন্ত্রী-আমলারা।

পানিসংকট নিরসন দাবিতে পৌরসভা ঘেরাও ইরান যুদ্ধের কারণে জটিল হয়ে উঠছে বিশ্বপরিস্থিতি। এ যুদ্ধে বিশ্ব চালিকাশক্তির অন্যতম জ্বালানি সম্প্রতি প্রায় দুষ্প্রাপ্য হয়ে ওঠে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ে বড় মাপের ঝুঁকিতে আছে। আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেক্টরে লুটপাট করার জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল। সেই সুযোগে রেন্টাল, কুইক রেন্টালের ব্যবসা হয়েছে। এ ব্যবসায় অনেকেই আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। ১৮ মাসের অন্তর্বর্তী সরকার দেশের জ্বালানি মজুত ও বিদ্যুৎ উৎপাদন, সরবরাহ নিরাপদ রাখার জন্য তেমন কিছুই করেনি। সে কারণে নতুন সরকারকে হঠাৎ করে হোঁচট খেতে হচ্ছে। তবে বিগত সময়ে কে কী করেছেন, কার কারণে দেশের কী সর্বনাশ হয়েছে, কার কারণে জনগণ আজ কষ্টে আছে সেগুলো পর্যালোচনা করার অনেক সময় ও সুযোগ পাওয়া যাবে। এসব নিয়ে গবেষণা-পর্যালোচনা এখন কোনো কাজে আসবে না। এখন দরকার জ্বালানির জন্য দ্রুত বিকল্প উৎস খোঁজা, স্বল্প সময়ের মধ্যে জ্বালানিসংকট সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা। সেই সঙ্গে দেশের ভিতরে জ্বালানি নিয়ে যেসব কাজ-অকাজ হচ্ছে সেগুলোর দিকে কড়া দৃষ্টি রাখতে হবে। শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে মজুতদারি, চোরাচালান বন্ধ করা সম্ভব নয়। সরকারি দলের কোনো পর্যায়ের নেতা-কর্মী যেন জনগণের ভোগান্তি পুঁজি করে ব্যবসা বা কোনো ধরনের মজুতদারি করতে না পারেন, সে বিষয়েও কঠোর হতে হবে।

দেশ যখন ভালো চলে, তখন সবাই সরকারকে বাহবা দেয়। সরকারি দলের নেতা-কর্মীরা তখন বুক পকেটে সুগন্ধি রুমাল নিয়ে ঘোরেন। কিন্তু যখন কোনো সংকট দেখা দেয়, তখন সবাই প্রধানমন্ত্রীর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন। কেউ কোনো দায়দায়িত্বের ভার বহন করতে চান না। মন্ত্রিপরিষদের অনেক সদস্যও তখন আড়ালে-আবডালে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা সচিবের ব্যর্থতার ছিদ্রানুসন্ধান করতে থাকেন। বিরোধী দলে যারা থাকেন তারা মুখে সর্বাত্মক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিলেও পানিকাদায় হাবুডুবু খাওয়ার মতো পরিস্থিতিতে সরকার পড়ুক, ভিতরে ভিতরে বিরোধী দল সেটা কামনা করবে, এটাই স্বাভাবিক। বর্তমান সংসদে যারা বিরোধী দল তারা আওয়ামী লীগের মতো মাঠ গরম করার রাজনীতি হয়তো করবে না বা এ মুহূর্তে তা করতেও পারবে না। তবে তারা কৌশলে কিছু করতেই ছাড়বে না। তারা যে কতটা কৌশলী তা বিগত নির্বাচনে দেশবাসী বুঝতে পেরেছে। তাদের ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, ন্যায়নীতি, ঘুষ-দুর্নীতি, চান্দা-ধান্দাবিরোধী কথাবার্তা দেশবাসীকে ভাবায়। তারা এমনভাবে সব সেক্টরে প্রকাশ্যে কিংবা গুপ্তভাবে তাদের লোক ঢুকিয়ে রেখেছে, যা কল্পনারও অতীত। ইতোমধ্যে জ্বালানি সংকটের ভিতরে সংবিধান সংস্কারের এজেন্ডা তারা ঢুকিয়ে ফেলেছে। সেই সঙ্গে ঘোষণাও দিয়েছে, তাদের দাবি না মানলে সরকারকে মসনদ ছাড়তে হবে।

১১-দলীয় জোটের বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ৭ এপ্রিল বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে বিএনপি দেশে সংকট তৈরি করেছে। এ সংকট নিরসনের চাবিকাঠি বিএনপির হাতেই। সংকট বিএনপি তৈরি করেছে, সমাধানও তাদেরই করতে হবে।’ জ্বালানিসংকট ও জনদুর্ভোগের বিষয়ে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘জ্বালানি সংকটে পেট্রোলপাম্পে মাইলের পর মাইল লাইন লেগে আছে। অথচ সংসদে মন্ত্রীরা বলছেন কোনো সংকট নেই। দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষ দিশাহারা। কৃষিতে সেচসংকট তৈরি হচ্ছে, যার প্রভাব পড়বে খাদ্যপণ্যের দামে। সরকার জনগণের ভাগ্য বদলের চেয়ে নিজেদের ভাগ্য বদলাতে বেশি ব্যস্ত।’ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম আরও এক ধাপ এগিয়ে সদ্যগত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে মাঠে নামার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর এ আহ্বান যে শুধু রাজনৈতিক বক্তৃতা, তা না-ও হতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানসহ সব উপদেষ্টা যদি ১১-দলীয় জোটের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ধীরে ধীরে সভা, সেমিনার বা রাজপথে নামেন তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে যেসব অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য একটি রাজনৈতিক পক্ষকে তাঁরা হয়তো ঢাল হিসেবে ব্যবহারের পথ বেছে নিতে পারেন।

চব্বিশের রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের পর একটি অন্তর্বর্তী সরকার এবং ছাব্বিশের নির্বাচনের পর একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ এখন প্রাণবন্ত। বিগত সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আপাতত আইনে রূপ নিচ্ছে না। ফলে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে আগামীকাল ১০ এপ্রিল ২০২৬ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এগুলো বাতিল হয়ে যাবে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ও ব্যবস্থাপনার অধ্যাদেশ রয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মূলকথা হলো গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নিশ্চিত করা। মানুষের অধিকার ও আইনের শাসনের সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ এসব প্রতিষ্ঠান দেশে স্বাধীনভাবে কাজ করবে। সেখানে সরকারের হস্তক্ষেপ থাকবে না। সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যরা বলছেন, সরকার এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে চায় না। অন্যদিকে সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা বলছেন, এ অধ্যাদেশগুলোতে দুর্বলতা রয়েছে। ফলে বাতিল নয়, আরও শক্তিশালী করে বিল আকারে পরবর্তী সময়ে পাস করা হবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি সংসদে হুবহু পাস করা হয়েছে। কিছু অধ্যাদেশ সংশোধনসহ পাস করা হবে। আরও কিছু অধ্যাদেশ রহিতকরণ কিংবা হেফাজতকরণসহ পাস করা হচ্ছে। এই হেফাজতকরণ কিংবা রহিতকরণের বিষয়গুলো ডিফেকটিভ আইন। এগুলো বর্তমানে যে ফর্মে আছে, ওই ফর্মে পাস করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে না।’ তবে পক্ষে-বিপক্ষে বক্তব্য যা-ই হোক না কেন, এ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বড় ধরনের দূরত্ব তৈরি হলে তা দেশের জন্য ক্ষতিকর হবে। পৃথিবীতে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুপস্থিতি সাময়িক শূন্যতা তৈরি করলেও কারও জন্যই কিছু থেমে থাকে না। তবে সেই শূন্যতা অতীতের চেয়ে বেশি যোগ্যতম ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পূরণ হলে মঙ্গল হয়। তা না হলে অমঙ্গলই বয়ে আনে। দেশবাসী আর কোনো অমঙ্গল চায় না। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মারমুখী অবস্থান পরিহার করে আলোচনার ভিত্তিতে ঐক্য প্রয়োজন। এজন্য সরকারকে অনেক বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। মন্ত্রীরা একেকজন একেক ভাষায়, একেক মুদ্রায় কথা না বলে, প্রকৃত বিষয়গুলো বিরোধী দল ও দেশবাসীকে অবহিত করলে ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ তৈরি হবে না।

তবে জুলাই সনদ নিয়ে দুটি কথা এখনই বলা প্রয়োজন। একটি মৌলিক প্রশ্ন দেশবাসীর সামনে এখনই উপস্থাপন করা জরুরি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর ৩৯ পৃষ্ঠার একটি মুদ্রিত দলিল দেশবাসীকে উপহার দিয়েছে। দলিলটিতে জামদানির নকশায় অভ্যুত্থানের ছবিকে প্রচ্ছদ করে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫, ভবিষ্যতের পথরেখা’ শিরোনাম করা হয়েছে। দলিলের ভূমিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যে পাঁচটি কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশ রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে কমিশন কয়েক দফায় ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে ৭২টি বৈঠকে মিলিত হয়। বৈঠকসমূহের আলোচনায় অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের সর্বসম্মত ও বৃহত্তর ঐকমত্য এবং কয়েকটি ভিন্নমতসহ মোট ৮৪টি সুপারিশসংবলিত “জুলাই সনদ ২০২৫” প্রণয়ন করা হয়েছে।’

জুলাই সনদের পটভূমির দ্বিতীয় প্যারায় বলা হয়েছে, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে হানাদার বাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ জনগণের ওপর বর্বরোচিত গণহত্যা শুরু করলে পরদিন ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পরিণতিতে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এই স্বাধীন দেশের অভ্যুদয় ঘটে।’

প্রশ্ন হচ্ছে, জুলাই সনদ তৈরি করতে ৩৩টি রাজনৈতিক দল ৭২টি বৈঠক করার পরও পটভূমিতে ২৫ মার্চ কালরাতে হানাদার বাহিনী কারা এবং স্বাধীনতার ঘোষণা কে করেছেন তা রাজনৈতিক দলগুলো বলতে পারল না কেন? কার স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলো কার কাছে আত্মসমর্থন করল? পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বলতে এত ভয় কেন, স্বাধীনতার ঘোষকের নাম উচ্চারণ করতেই বা সংকোচ কেন?

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
বাজেট ভাবনা
বাজেট ভাবনা
কৃষক কার্ড
কৃষক কার্ড
সফল হজ পালনে পূর্বপ্রস্তুতি জরুরি
সফল হজ পালনে পূর্বপ্রস্তুতি জরুরি
যুদ্ধ থামানোর কূটনীতি
যুদ্ধ থামানোর কূটনীতি
গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?
গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
পাম্পে নৈরাজ্য
পাম্পে নৈরাজ্য
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন
আজান হলেই মসজিদে ছুটে যেতেন রসুল (সা.)
আজান হলেই মসজিদে ছুটে যেতেন রসুল (সা.)
ক্ষমা করুন ডা. কামরুল ইসলাম
ক্ষমা করুন ডা. কামরুল ইসলাম
পানি নাড়াচাড়া হচ্ছে, ঘোলাও হচ্ছে
পানি নাড়াচাড়া হচ্ছে, ঘোলাও হচ্ছে
ইরান-মার্কিন সংলাপ
ইরান-মার্কিন সংলাপ
সর্বশেষ খবর
সাপে কাটা যুবকের মরদেহ নিয়ে ঝাঁড়ফুক
সাপে কাটা যুবকের মরদেহ নিয়ে ঝাঁড়ফুক

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কসবায় পাহাড় কাটায় জরিমানা ও কারাদণ্ড
কসবায় পাহাড় কাটায় জরিমানা ও কারাদণ্ড

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ট্রেভরকে দলে টানছে বাফুফে
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ট্রেভরকে দলে টানছে বাফুফে

৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আঙুল ট্রিগারেই আছে, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানি সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি
আঙুল ট্রিগারেই আছে, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানি সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ
বগুড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ

১৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সিডনিতে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে ‘বাংলা হানড্রেড লিগ’
সিডনিতে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে ‘বাংলা হানড্রেড লিগ’

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা

১৯ মিনিট আগে | পরবাস

স্বাধীনতা পদক ও সাহিত্য সম্মাননা দিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
স্বাধীনতা পদক ও সাহিত্য সম্মাননা দিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন

২৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ‘পূর্ণ সমর্থনের’ প্রতিশ্রুতি পর্তুগালের
লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ‘পূর্ণ সমর্থনের’ প্রতিশ্রুতি পর্তুগালের

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ
গাইবান্ধায় মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে দমাতে গিয়ে ফুরাচ্ছে মার্কিন অস্ত্র ভাণ্ডার, বিপদে ইউরোপ
ইরানকে দমাতে গিয়ে ফুরাচ্ছে মার্কিন অস্ত্র ভাণ্ডার, বিপদে ইউরোপ

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদ্রিদ ওপেন থেকে সরে দাঁড়ালেন জোকোভিচ
মাদ্রিদ ওপেন থেকে সরে দাঁড়ালেন জোকোভিচ

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পাম্পে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহের দাবি পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের
পাম্পে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহের দাবি পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নাটোরে মালামালসহ ১৩ ডাকাত গ্রেফতার
নাটোরে মালামালসহ ১৩ ডাকাত গ্রেফতার

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হুথি আতঙ্কে পথ বদলালো মার্কিন রণতরী?
হুথি আতঙ্কে পথ বদলালো মার্কিন রণতরী?

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লৌহজংয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাস্তা-খাল দখলের অভিযোগ
লৌহজংয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাস্তা-খাল দখলের অভিযোগ

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যস্থতায় ‘কার্যকর ভূমিকার’ জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
মধ্যস্থতায় ‘কার্যকর ভূমিকার’ জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইফের পর ফিরলেন লিটন
সাইফের পর ফিরলেন লিটন

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফোন ব্যবহার করে শাস্তি পেলেন রাজস্থানের ম্যানেজার
ফোন ব্যবহার করে শাস্তি পেলেন রাজস্থানের ম্যানেজার

৫৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারত থেকে পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
ভারত থেকে পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শনিবার
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শনিবার

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

আড়াইহাজারে বসতবাড়িতে চুরি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট
আড়াইহাজারে বসতবাড়িতে চুরি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে তিনহাজার পিস ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার
সোনারগাঁয়ে তিনহাজার পিস ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’ নিয়ে বিপদে রাহুল গান্ধী
‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’ নিয়ে বিপদে রাহুল গান্ধী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসপাতালে চাঁদা দাবি; রিমান্ড শেষে মঈনসহ ৭ জন কারাগারে
হাসপাতালে চাঁদা দাবি; রিমান্ড শেষে মঈনসহ ৭ জন কারাগারে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফিফটি করে ফিরলেন সাইফ
ফিফটি করে ফিরলেন সাইফ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘তেল দিতে দেরি হওয়ায়’ ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ
‘তেল দিতে দেরি হওয়ায়’ ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবারও রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের
আবারও রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বৃহস্পতিবার রাত থেকেই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল-লেবানন: ট্রাম্প
বৃহস্পতিবার রাত থেকেই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল-লেবানন: ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষমুহূর্তে ছিটকে গেলেন মুস্তাফিজ, নেই একাদশে
শেষমুহূর্তে ছিটকে গেলেন মুস্তাফিজ, নেই একাদশে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাশিয়ার জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের
রাশিয়ার জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা
শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সাকিব-মাশরাফিকে ফোনে দাওয়াত দিয়েছেন তামিম, বুলবুল করেছেন ব্লক
সাকিব-মাশরাফিকে ফোনে দাওয়াত দিয়েছেন তামিম, বুলবুল করেছেন ব্লক

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তি না করলে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের
চুক্তি না করলে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাড়ছে বাৎসরিক ছুটি
বাড়ছে বাৎসরিক ছুটি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে ছুটি
নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে ছুটি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুষ্টিমেয় স্বৈরশাসকের হাতে বিধ্বস্ত হচ্ছে গোটা বিশ্ব: পোপ
মুষ্টিমেয় স্বৈরশাসকের হাতে বিধ্বস্ত হচ্ছে গোটা বিশ্ব: পোপ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি হরমুজের এক প্রান্ত দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে ইরান?
সত্যিই কি হরমুজের এক প্রান্ত দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে ইরান?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাম্পিং শুরু
ভারত থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাম্পিং শুরু

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি
স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল
অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ ভুট্টা খেতে, গণপিটুনিতে নিহত ২
মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ ভুট্টা খেতে, গণপিটুনিতে নিহত ২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সঙ্গে চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বললেন ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে
নতুন আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বললেন ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এক ঘণ্টারও কম সময়ে লঙ্ঘনের অভিযোগ
লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এক ঘণ্টারও কম সময়ে লঙ্ঘনের অভিযোগ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যতক্ষণ দখলদার থাকবে, ততক্ষণ প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে হিজবুল্লাহ
যতক্ষণ দখলদার থাকবে, ততক্ষণ প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে হিজবুল্লাহ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে তেল, গ্যাস বেশি কেন?
বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে তেল, গ্যাস বেশি কেন?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশানে সিসা বারে অভিযান, ম্যানেজার আটক
গুলশানে সিসা বারে অভিযান, ম্যানেজার আটক

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩২ অধিনায়ক পেলেন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’, আজীবন সুবিধা দেবে বিসিবি
৩২ অধিনায়ক পেলেন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’, আজীবন সুবিধা দেবে বিসিবি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা প্রতিমন্ত্রীর
শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা প্রতিমন্ত্রীর

৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হুট করেই তুরস্কে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল?
হুট করেই তুরস্কে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে গোপন চক্র!
যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে গোপন চক্র!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাবি না মানায় কুষ্টিয়ায় বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
দাবি না মানায় কুষ্টিয়ায় বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পদ্মার বুকে দ্বিতীয় সেতুর অপেক্ষায় কোটি মানুষ
পদ্মার বুকে দ্বিতীয় সেতুর অপেক্ষায় কোটি মানুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

পদ্মার এক কাতলার দাম অর্ধলাখ টাকা
পদ্মার এক কাতলার দাম অর্ধলাখ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

তালাবদ্ধ স্কুল ভবনে আটকা শিশু শিক্ষার্থী
তালাবদ্ধ স্কুল ভবনে আটকা শিশু শিক্ষার্থী

পেছনের পৃষ্ঠা

তারল্যে জোয়ার ঋণে ভাটা
তারল্যে জোয়ার ঋণে ভাটা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জয় দিয়ে শুরু চান মিরাজ
জয় দিয়ে শুরু চান মিরাজ

মাঠে ময়দানে

চলচ্চিত্রের সেই শিশুশিল্পীরা
চলচ্চিত্রের সেই শিশুশিল্পীরা

শোবিজ

চাওয়া-পাওয়ার দুই মাস
চাওয়া-পাওয়ার দুই মাস

প্রথম পৃষ্ঠা

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে শান্তির আশা
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে শান্তির আশা

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে চট্টগ্রাম, ইন্টারনেটে ঢাকা
স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে চট্টগ্রাম, ইন্টারনেটে ঢাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের লাইনেই রাত-দিন
তেলের লাইনেই রাত-দিন

পেছনের পৃষ্ঠা

গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?
গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?

সম্পাদকীয়

মন ভালো নেই মৌসুমীর
মন ভালো নেই মৌসুমীর

শোবিজ

নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা

সম্পাদকীয়

আদর আজাদের উচ্ছ্বাস
আদর আজাদের উচ্ছ্বাস

শোবিজ

ঝুঁকিতে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম
ঝুঁকিতে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাধীন প্রতিষ্ঠান না থাকা গণতন্ত্রের ঝুঁকি
স্বাধীন প্রতিষ্ঠান না থাকা গণতন্ত্রের ঝুঁকি

প্রথম পৃষ্ঠা

মৃত্যুফাঁদ জাতীয় মহাসড়ক
মৃত্যুফাঁদ জাতীয় মহাসড়ক

পেছনের পৃষ্ঠা

বসুন্ধরা কিংসের সামনে রহমতগঞ্জ
বসুন্ধরা কিংসের সামনে রহমতগঞ্জ

মাঠে ময়দানে

ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার
ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার

প্রথম পৃষ্ঠা

জয়ার খাদ্যাভ্যাস
জয়ার খাদ্যাভ্যাস

শোবিজ

৪ মেডেন ওভারে রাফিনের ৬ শিকার
৪ মেডেন ওভারে রাফিনের ৬ শিকার

মাঠে ময়দানে

নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিলেন স্বামী
নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিলেন স্বামী

পেছনের পৃষ্ঠা

১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ
বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

নগর জীবন

২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ
২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

নগর জীবন

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে
জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে

প্রথম পৃষ্ঠা