শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০২:৪১, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি

২০২৩ সালের জুনের দি¦তীয় সপ্তাহে বিএনপি রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের বৃহত্তম এই দলটি যে ইশতেহার প্রকাশ করে, তাতেও ৩১ দফার প্রতিফলন ছিল। সারা দেশে বিএনপির ৩১ দফা ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। দলীয় প্রধানসহ নেতারা সভা-সমাবেশে ৩১ দফার ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছিলেন। বিঘোষিত ৩১ দফায়; পর্যবেক্ষক মহল মনে করে, বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিতরে জমে থাকা অচলায়তন সঠিকভাবেই শনাক্ত করা হয়েছিল। অচিরে বিএনপি ন্যায় ও গণতন্ত্রের পথে একটি উদার ও আপসহীন দল হিসেবে তার অবস্থান স্পষ্ট করতে সক্ষম হয়েছিল। সেই ৩১ দফার প্রথমেই বলা হয়, ‘প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে সব মত ও পথের সমন্বয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। এজন্য অব্যাহত আলোচনা, মতবিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে ভবিষ্যৎমুখী এক নতুন ধারার সামাজিক চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।’

ফ্ল্যাট-প্লট নিবন্ধনঅন্যান্য দফায় সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কার, রিকনসিলিয়েশন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ন্যায়বিচার ইত্যাদি প্রশ্নে সুচিন্তিত দিগদর্শন তুলে ধরা হয়েছিল। সামগ্রিক বিচারে সেই দলিলে বাংলাদেশে বহুমত ও নানান ধর্মের সহাবস্থানের নিশ্চয়তা বিধানের মাধ্যমে একটি রেইন বো সোসাইটি গড়ে তোলার নিশানা দেওয়া হয়েছিল। আজকে বিএনপি যখন নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায়, তখন তারা বিঘোষিত নীতিতে কতটা অবিচল রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হবে এবং হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকার উল্টো পথে হাঁটতে চাইছে কি না, কারও কারও মনে সে সন্দেহেরও উদয় হতে শুরু করেছে। মনে রাখা দরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাইরেও বিবিধ মতাদর্শের মানুষ বাংলাদেশে আছেন। পার্লামেন্টে তাদের কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই, হয়তো সংগত কারণেই। কিন্তু নীতিগতভাবে সরকার নিজে প্রতিনিধিত্বহীন সেই জনগোষ্ঠীরও প্রতিনিধিত্ব করে। কাজেই রেইন বো সোসাইটি চাইলে সেই জনগোষ্ঠীর কথাও ভাবতে হবে, মাথায় রাখতে হবে। এ বিষয়ে আজ এ পর্যন্তই। বারান্তরে আলোচনার ইচ্ছা থাকল।

দুই. সব দিক থেকে একটি আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গড়তে হলে দক্ষ, যোগ্য ও জ্ঞানমুখী সত্যিকারের শিক্ষিত জনসমাজ প্রয়োজন। এই প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শিক্ষাকে বর্তমান সরকার শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ বিবেচনা করে। এই কথাটি বলেন তিনি গত বুধবার পার্লামেন্টে এক প্রশ্নের জবাবে। তিনি জানান, সরকার শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করবে। বর্তমানে এই বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশেরও কম। যদিও ১৯৭৩ সালের বাজেটের তুলনায় ভলিউম বেড়েছে কয়েক শ গুণ। এটা যখন ৫ শতাংশে উন্নীত হবে, তখন তা বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলে আশা করা যায়। প্রধানমন্ত্রী সংসদকে জানান, প্রাইমারি স্কুলের দুই লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে। এখনই দেশজুড়ে এই কার্যক্রম চালু করা সম্ভব না হলেও পর্যায়ক্রমে সব উপজেলাকে প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। আরও কিছু কর্মপরিকল্পনার কথা তিনি বলেন, যা শিক্ষা উন্নয়নে সরকারের সদিচ্ছার বার্তা বহন করে। বিনিয়োগ ও সদিচ্ছা তখনই সুফল বয়ে আনে যখন বাস্তবায়ন পর্যায়ে সবগুলো উপাদান ঠিকভাবে কাজ করে। সরকারি প্রাইমারি স্কুলে ছেলেমেয়েদের বিনা পয়সায় ইউনিফর্ম দেওয়া হলে স্কুলগুলোতে শিক্ষার একটা আনন্দময় পরিবেশ হয়তো তৈরি হবে। সীমিত আয়ের অভিভাবক; যাদের সন্তানের ইউনিফর্ম কিনে দেওয়ার সামর্থ্য নেই, অল্প হলেও তাদের খরচ বাঁচবে। কিন্তু এতে সরকারি প্রাইমরি স্কুলের শিক্ষার মানোন্নয়ন কতখানি হবে, সে প্রশ্নটি থেকেই যাচ্ছে।

প্রাইমারি শিক্ষার্থীরা কতখানি তৈরি হলো তার ওপর বহুলাংশে নির্ভর করে ভবিষ্যতে তার মেধাবিকাশের মাত্রা। বাংলাদেশে ছেলেমেয়েরা প্রাইমারি লেভেলে সাধারণত ছয় বছর লেখাপড়া করে থাকে। এই ছয় বছরে কোনো বালক বা বালিকা বিদ্যাধর হয়ে না উঠলেও তার মধ্যে একটি অদম্য লার্নিং ট্যান্ডেসি তৈরি হওয়ার কথা। সে নতুন কিছু শিখতে চায়, জানতে চায়। শিশুমনে এই কৌতূহল সৃষ্টি করাই হওয়া উচিত প্রাইমারি শিক্ষার লক্ষ্য। তার আগ্রহই বলে দেবে ছেলে বা মেয়েটি কোন লাইনে ভালো করবে। প্রাথমিক স্তরে যদি এই লক্ষ্যটি অর্জিত না হয়, তাহলে বুঝতে হবে স্কুলে সে ঠিক শিক্ষাটি পায়নি। তার ঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য যে যত্নশীলতা দরকার ছিল, সেটাও সে পায়নি। বাড়ন্ত শিক্ষার্থীদের স্কুলে এই যত্নটা কে নেবে? সে রকম যত্নপরযোগ্য শিক্ষক তো চাই!

শহরাঞ্চলে সরকারি প্রাইমারি স্কুলগুলোতে ছাত্র নেই। পক্ষান্তরে ব্যয়বহুল বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন ধরনের স্কুলগুলো জায়গা দিতে পারে না। উপজেলা সদর, এমন কি কোনো কোনো বর্ধিষ্ণু গ্রামেও কমবেশি একই চিত্র। কেন? অনুসন্ধান প্রয়োজন।

স্বাধীনতার পরের সাড়ে পাঁচ দশকে বাংলাদেশে শিক্ষা খাতের অনেক প্রসার ঘটেছে। নজরকাড়া উন্নতি হয়েছে অবকাঠামোগত। টিনের নড়বড়ে স্কুলঘরগুলোর জায়গায় তিনতলা ভবন হয়েছে। যে গ্রাম-জনপদ সন্ধ্যা নামার সঙ্গে নিস্তব্ধতা গ্রাস করে নিত, সেখানেও এখন স্কুল হয়েছে। প্রাইমারি ও হাইস্কুল দুই-ই হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে কলেজও হয়েছে। অজপাড়াগাঁয়ের বহু কলেজে অনার্স কোর্সও চালু হয়েছে। গ্রামে থেকে গ্রামের কলেজে পড়ে অনার্স-মাস্টার্স করা একালে কোনো কঠিন কাজ নয়। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে গ্র্যাজুয়েটের হার ছিল ১ শতাংশেরও কম। এখন সেটা বেড়ে ১০-১২ শতাংশ হয়েছে। কমপক্ষে ১০ গুণ বেড়েছে।

অতীতে শিক্ষার মূল সমস্যা ছিল বিদ্যালয়ে প্রবেশের সুযোগের অভাব। তখন মানুষকে শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে পরিস্থিতি উল্টো। এখন অধিকাংশ মানুষ শিক্ষার আওতায় এসেছে, কিন্তু গুণগতমান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শিক্ষাব্যবস্থায় এখন পুরোপুরি মুখস্থনির্ভর। গাইড বই আর কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষার্থীদের নিজস্বতার জায়গা দখল করে নিয়েছে। সৃজনশীলতা ও দক্ষতা উন্নয়নে ঘাটতি প্রকট এবং কর্মবাজারের শিক্ষার সংযোগ দুর্বল। শিক্ষা অনেক ক্ষেত্রে অবিদ্যার বাহন হয়ে উঠেছে। জানাশোনার বিচারে নয় কেবল, শিক্ষিত লোকদের মধ্যেই অনাচারের প্রবণতা বেশি। সামাজিক ও বৈষয়িক অনাচারে অভ্যস্ত লোকদের বেশির ভাগই তথাকথিত শিক্ষিত শ্রেণিভুক্ত। উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বও একটি বড় সমস্যা। এটি প্রমাণ করে যে শিক্ষা শুধু বিস্তৃত হলেই যথেষ্ট হয় তা নয়; তা হতে হবে চাহিদাভিত্তিক, দক্ষতানির্ভর এবং যুগোপযোগী।

প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে বাংলাদেশে শিক্ষার গুণগত অবনমনের কারণগুলো কী? এক দুটি বাক্যে এ প্রশ্নের জবাব খুঁজে নেওয়া কঠিন। মনে রাখতে হবে শিক্ষা চ্যারিটি নয়, বেসাতিও নয়। শিক্ষা মানবজীবনের মৌলিক প্রয়োজন। একদল মানুষ এটাকে চ্যারিটি হিসেবে দেখে। আরেক দলের কাছে এটা বেসাতি। যারা চ্যারিটি ভাবেন, তারা বলেন বাজেট বাড়াও। যারা বাণিজ্য বিবেচনা করেন তাদের চাই গাইডবইয়ের ব্যবসা, কোচিং সেন্টারের পসার। তাদের দরকার যেমন করে হোক স্কুল-কলেজের পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত হওয়া। নানান নামে তারা প্রাইভেট শিক্ষালয় খুলে চুটিয়ে ব্যবসা করেন। পরিণতিতে শিক্ষক খাঁটি শিক্ষক হয়ে উঠেছেন না। শিক্ষার্থী ছাত্রনং অধ্যয়নং তপঃ নীতি পরিহার করে সার্টিফিকেট শিকারি হয়ে যাচ্ছে।

সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রায় উদোম গায়ের পণ্ডিতের কথা মনে পড়ে। সেই পণ্ডিতের মনে অনেক খেদ ছিল, দুঃখ ছিল। তিনি অঙ্ক কষে দেখিয়ে ছিলেন স্কুল ইন্সপেক্টর ইংরেজ সাহেবের তিন পায়া কুকুরের এক ঠ্যাঙের সমান একজন পণ্ডিত। তিন পায়া সারমেয়র জন্য ইংরেজ সাহেবের মাসে খরচ ৭৫ টাকা। আর ওই পণ্ডিত মাসোহারা পেতেন ২৫ টাকা। কাজেই পণ্ডিতের অঙ্কে কোনো ভুল ছিল না। ঔপনিবেশিক আমলে আসলেই এরকম শোচনীয়ই ছিল শিক্ষকদের অবস্থা। কিন্তু সেই সময়ের শিক্ষকরা চাকরি নেওয়ার পরে থেকে ভালো শিক্ষক হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা শুরু করে দিতেন। ছাত্ররা যত না পড়ত তার চেয়ে বেশি বৈ কম পড়তেন না শিক্ষকরা। এখন টিচারদের পড়াশোনার সেই বালাই নেই। স্কুল-কলেজে লাইব্রেরিয়ান আছে, লাইব্রেরি নেই। থাকলেও নোট-গাইডবইয়ের কপিতে ঠাসা অথবা ধূলিধূসরিত। ছাত্ররা বই পড়ে না। গাইড পড়ে মাল্টিপল চয়েসের শুদ্ধ জবাবটি মুখস্থ করে। তারা শেখে পদ্মা নদীর মাঝির লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওটা কবিতা না উপন্যাস; তা জানে না। তারা টিকটক শিখছে, ফেসবুক শিখছে, বই পড়ে না। পত্রিকাও নয়। শিক্ষকরা দলাদলি করেন। ছাত্ররাও। শিক্ষক পেটাতে তাদের বাধে না। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর খুব নগ্নভাবে বোঝা গেছে যে ছাত্ররা কতটা অছাত্র হয়ে উঠেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হয়েছিল মব সন্ত্রাস।

এসবের পেছনে সক্রিয় শিক্ষকদের দলাদলি। বাইরের রাজনীতি। প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পরিষদের অক্ষমতা ইত্যাদি। কোচিং সেন্টার ও গাইডবইগুলো শিক্ষা ও জ্ঞানবৃক্ষের মূলচ্ছেদন করে চলেছে। সমাজে প্রকৃত শিক্ষানুরাগীর সংকট তৈরি হয়েছে। যারা আছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের জায়গা হয় না। কমিটির সভাপতি বানান এমপি মহোদয়। তিনি সভাপতির যোগ্যতা ও শিক্ষানুরাগ দেখেন না। তিনি দল দেখেন। সেই সভাপতি স্কুল-কলেজে যান টাকার ভাগ বসাতে। প্রতিষ্ঠান কেমন চলছে, পড়াশোনার মান এসব নিয়ে তার চিন্তা নেই। শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য এই জায়গাগুলো মেরামত করতে হবে সবার আগে।

 লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
আমলাতান্ত্রিক বাধা
আমলাতান্ত্রিক বাধা
আবাসন খাতে মন্দা
আবাসন খাতে মন্দা
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
কার স্বার্থে দাসত্বের চুক্তি
কার স্বার্থে দাসত্বের চুক্তি
নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম
নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
শ্রমবাজারে শনির দশা
শ্রমবাজারে শনির দশা
গণপরিবহন
গণপরিবহন
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা
পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
সর্বশেষ খবর
ফ্রেঞ্চ লিগে আল্ট্রাসদের তাণ্ডবে ২২ মিনিটেই পরিত্যক্ত ম্যাচ
ফ্রেঞ্চ লিগে আল্ট্রাসদের তাণ্ডবে ২২ মিনিটেই পরিত্যক্ত ম্যাচ

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

অভিশেককে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়লেন সূর্যবংশী
অভিশেককে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়লেন সূর্যবংশী

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান
বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় তিন মাদক কারবারি আটক
কলমাকান্দায় তিন মাদক কারবারি আটক

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে দেশীয় সক্ষমতাই হবে আমাদের প্রধান শক্তি’
‘সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে দেশীয় সক্ষমতাই হবে আমাদের প্রধান শক্তি’

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

হারানো ২৫ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে দিল পুলিশ
হারানো ২৫ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে দিল পুলিশ

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নরসিংদীতে ৬৫০ টাকা কেজিতে গরু বিক্রি, মুনাফার আশা খামারিদের
নরসিংদীতে ৬৫০ টাকা কেজিতে গরু বিক্রি, মুনাফার আশা খামারিদের

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী
২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

৩২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মদপান করে বান্ধবীকে ধর্ষণের অভিযোগ, তিন যুবক গ্রেফতার
মদপান করে বান্ধবীকে ধর্ষণের অভিযোগ, তিন যুবক গ্রেফতার

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে মতবিনিময় সভা
‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে মতবিনিময় সভা

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কাঠগড়া এড়াতে ভূ-রাজনীতি ব্যবহারের অভিযোগ নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে
কাঠগড়া এড়াতে ভূ-রাজনীতি ব্যবহারের অভিযোগ নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রেন্ডেন অ্যারনসনের চোট নিয়ে মার্কিন শিবিরে শঙ্কা
ব্রেন্ডেন অ্যারনসনের চোট নিয়ে মার্কিন শিবিরে শঙ্কা

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুগদায় মরদেহর সাত টি অংশের পর এবার মাথা উদ্ধার
মুগদায় মরদেহর সাত টি অংশের পর এবার মাথা উদ্ধার

৪৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে
মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফিট আছি’ বলে সমালোচকদের জবাব নেইমারের
‘ফিট আছি’ বলে সমালোচকদের জবাব নেইমারের

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় জমি বিরোধে দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
বগুড়ায় জমি বিরোধে দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেহেরপুরে অনলাইন জুয়াড়ি আটক
মেহেরপুরে অনলাইন জুয়াড়ি আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহী জেলা পরিষদের চেক বিতরণ
রাজশাহী জেলা পরিষদের চেক বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিডনিতে প্রাণবন্ত পহেলা বৈশাখ উদযাপন
সিডনিতে প্রাণবন্ত পহেলা বৈশাখ উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

১৩ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে ফিলিং স্টেশন
১৩ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে ফিলিং স্টেশন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম নারী সভাপতি পেল কৃষ্ণারডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়
প্রথম নারী সভাপতি পেল কৃষ্ণারডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জোফরা আর্চারকে টেস্ট দলে না রাখায় ক্ষুব্ধ ভন
জোফরা আর্চারকে টেস্ট দলে না রাখায় ক্ষুব্ধ ভন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কঙ্গো-উগান্ডায় ছড়িয়ে পড়ছে ইবোলা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি অবস্থা ঘোষণা
কঙ্গো-উগান্ডায় ছড়িয়ে পড়ছে ইবোলা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি অবস্থা ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীসহ পলকের আয়কর নথি জব্দের আদেশ
স্ত্রীসহ পলকের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুশফিকের ফিফটি, ২৮৫ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ
মুশফিকের ফিফটি, ২৮৫ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডুয়েটের সব গেট বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের ব্লকেড কর্মসূচি
ডুয়েটের সব গেট বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের ব্লকেড কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন দাখিল ২ জুলাই
রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন দাখিল ২ জুলাই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দায়িত্ব যাচ্ছে আইসিসি বোর্ডে
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দায়িত্ব যাচ্ছে আইসিসি বোর্ডে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁওয়ে ৭০০ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার
ঠাকুরগাঁওয়ে ৭০০ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক
সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে

১৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’
নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি
বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’
‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান
মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন
আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি
আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আড়াইহাজার হয়ে ঢাকা-কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়কের প্রস্তাব
আড়াইহাজার হয়ে ঢাকা-কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়কের প্রস্তাব

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান
ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ
বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী
শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময়সূচি প্রকাশ করল বিসিবি
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময়সূচি প্রকাশ করল বিসিবি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা
ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪,৫০০ বছরের প্রাচীন বৃক্ষ যেন ইরানি সভ্যতার শক্তি : পেজেশকিয়ান
৪,৫০০ বছরের প্রাচীন বৃক্ষ যেন ইরানি সভ্যতার শক্তি : পেজেশকিয়ান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে
‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া
ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান
আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা, ইরানকে নতুন বার্তা ট্রাম্পের
মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা, ইরানকে নতুন বার্তা ট্রাম্পের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার
মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির
মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাহিদ রানাকে প্রশংসায় ভাসালেন বাবর আজম
নাহিদ রানাকে প্রশংসায় ভাসালেন বাবর আজম

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা
বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা
বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প
ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদ নেতাদের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদ নেতাদের বৈঠক

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার বাড়িগুলোতে সেপটিক ট্যাংক বসাতে ৬ মাসের আল্টিমেটাম
ঢাকার বাড়িগুলোতে সেপটিক ট্যাংক বসাতে ৬ মাসের আল্টিমেটাম

২০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানে ৩০ ওয়াগনভর্তি মানবিক সহায়তা পাঠাল কাজাখস্তান
ইরানে ৩০ ওয়াগনভর্তি মানবিক সহায়তা পাঠাল কাজাখস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার
১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা
‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা

নগর জীবন

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক
নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক

মাঠে ময়দানে

১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা
১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!
ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!

মাঠে ময়দানে

বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র
ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস
দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস

প্রথম পৃষ্ঠা

চোরাইপথে ঢুকছে মসলা
চোরাইপথে ঢুকছে মসলা

নগর জীবন

নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়

সম্পাদকীয়

রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট
রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট

পেছনের পৃষ্ঠা

ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি
ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি

মাঠে ময়দানে

নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ
নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ

শোবিজ

সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ
সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ

প্রথম পৃষ্ঠা

কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’
কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’

শোবিজ

রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা
রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা

মাঠে ময়দানে

নাহিদ রানার বাবর বধ
নাহিদ রানার বাবর বধ

মাঠে ময়দানে

সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা
সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা

শোবিজ

কিয়ারার ভাবনা
কিয়ারার ভাবনা

শোবিজ

‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’

সম্পাদকীয়

আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা
আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা

পেছনের পৃষ্ঠা

জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে
জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি
আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’
ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’

শোবিজ

রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা
রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা

মাঠে ময়দানে

দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন
দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন

মাঠে ময়দানে

জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে পে-স্কেল
জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে পে-স্কেল

প্রথম পৃষ্ঠা