শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

ঢাকার সড়কে এ কার দখলদারি!

মীর আবদুল আলীম
প্রিন্ট ভার্সন
ঢাকার সড়কে এ কার দখলদারি!

রাজধানী ঢাকা, একসময় যার পরিচয় ছিল প্রাণচঞ্চল নগরী হিসেবে, আজ তা ধীরে ধীরে রূপ নিচ্ছে এক অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের জটে আটকে পড়া শহরে। বিশেষ করে রিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিস্তার যেন স্বাভাবিক গতি থামিয়ে দিয়েছে। এটি শুধু যানজটের সমস্যা নয়; বরং এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও সামাজিক কাঠামোর গভীরে। ঢাকার সড়কগুলো মূলত পরিকল্পিত হয়েছে মোটরযান চলাচলের জন্য, যেখানে নির্দিষ্ট গতিতে যানবাহন চলবে এবং শহরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল থাকবে।  কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, রিকশা ও অটোর দখলদারি এই কাঠামো ভেঙে দিচ্ছে। অসমগতির এই যানবাহনগুলো প্রধান সড়কে চলাচল করায় দ্রুতগতির বাস, কার ও অ্যাম্বুলেন্স আটকে যাচ্ছে। জরুরি সেবা ব্যাহত হচ্ছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। অফিসগামী মানুষ সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না, শিক্ষার্থীরা ক্লাস মিস করছে, ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এই দীর্ঘস্থায়ী যানজট উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দিচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

মীর আবদুল আলীম  ব্যাটারিচালিত অটোর বিস্তার যত বাড়ছে, ততই বিদ্যুতের ওপর অদৃশ্য চাপ বাড়ছে। গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলে এর প্রভাব বেশি পড়ছে, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ তুলনামূলক দুর্বল। অর্থাৎ একটি অনিয়ন্ত্রিত পরিবহনব্যবস্থা পরোক্ষভাবে দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাকে চাপে ফেলছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনীতিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ঢাকার যানজট শুধু সময়ের অপচয় নয়, এটি জ্বালানিরও বিশাল অপচয়ের কারণ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহন স্থির বা ধীরগতিতে চলায় পেট্রোল ও ডিজেল অকারণে পুড়ছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় বাড়ছে। কারণ জ্বালানির একটি বড় অংশ আমদানিনির্ভর। একই সঙ্গে এই অতিরিক্ত জ্বালানি পোড়ার ফলে বায়ুদূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করছে। কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের নিঃসরণ নগরের বায়ুকে বিষাক্ত করে তুলছে। এতে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও অন্যান্য রোগ বাড়ছে। একসময় ঢাকার মানুষ স্বল্প দূরত্বে হাঁটতে অভ্যস্ত ছিল। কিন্তু অটোর সহজলভ্যতা মানুষকে অলস করে তুলছে। এই পরিবর্তন শুধু অভ্যাসের নয়, এটি একটি সামাজিক রূপান্তর। মানুষ ধীরে ধীরে শারীরিক পরিশ্রম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। শিশু-কিশোরদের মধ্যেও এই প্রবণতা বাড়ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উদ্বেগজনক।

এ ছাড়া বৃহৎসংখ্যক অদক্ষ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকের হাতে অটোরিকশা পড়ায় ঝুঁকি মূলত মূর্তিমান ছুটছে রাজপথে। অটো চালানোর জন্য কোনো কঠোর প্রশিক্ষণ বা লাইসেন্সিং ব্যবস্থা না থাকায় এটা হচ্ছে।

নিয়ন্ত্রণহীন অটো এখন সড়ক দুর্ঘটনার একটি প্রধান কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সড়কে হঠাৎ মোড় নেওয়া বা উল্টো পথে চলার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। এই দুর্ঘটনাগুলো শুধু প্রাণহানিই ঘটাচ্ছে না, বরং বহু মানুষকে স্থায়ীভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে। এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও ব্যাপক। অতএব অটো নিয়ন্ত্রণ না করলে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশে কতসংখ্যক অটো চলাচল করছে, তার কোনো নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান নেই। এই তথ্যের অভাব নীতিনির্ধারণকে দুর্বল করে দিচ্ছে। যেখানে একটি খাতকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে তার সঠিক তথ্য জানা জরুরি, সেখানে এই অজ্ঞতা পরিকল্পনাকে অকার্যকর করে তুলছে। ফলে সরকার কার্যকর নীতি গ্রহণ করতে পারছে না এবং সমস্যা দিনদিন জটিল হচ্ছে। এর কারণে গ্রাম থেকে শহরমুখী জনস্রোত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অটো চালানো আজ গ্রামবাংলার বহু মানুষের কাছে একটি সহজ ও দ্রুত আয়ের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জমি চাষের অনিশ্চয়তা, কৃষিতে লাভের ঘাটতি এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থানের সংকট মানুষকে শহরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই বাস্তবতায় অটো একটি বিকল্প জীবিকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, ফলে প্রতিদিনই নতুন নতুন মানুষ শহরমুখী হচ্ছে। কিন্তু এই জনস্রোতের চাপ বহন করার মতো সক্ষমতা ঢাকার নেই। আবাসনসংকট, বস্তির বিস্তার, পানি ও পয়োনিষ্কাশন সমস্যার অবনতি সবকিছুই আরও তীব্র হচ্ছে। শহরের পরিকল্পিত উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে এবং জীবনযাত্রার মান ক্রমাগত নিচের দিকে নামছে। এ ছাড়া এই অভিবাসনের ফলে গ্রাম তার কর্মক্ষম জনশক্তি হারাচ্ছে। কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে, যা জাতীয় উন্নয়নের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এর ফলে কৃষিজমি হ্রাস ও খাদ্যঝুঁকি বাড়বে। গ্রাম থেকে মানুষ শহরে চলে আসার ফলে অনেক কৃষিজমি অনাবাদি হয়ে পড়ছে। যারা একসময় চাষাবাদ করত, তারা এখন শহরে এসে অটো চালানোর মতো পেশায় যুক্ত হচ্ছে। ফলে জমি পড়ে থাকছে কিংবা কম উৎপাদন হচ্ছে। অন্যদিকে শহর বিস্তারের কারণে কৃষিজমি ধীরে ধীরে বসতিতে পরিণত হচ্ছে। আবাসন প্রকল্প, অবৈধ দখল ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ উর্বর জমিকে কংক্রিটে ঢেকে দিচ্ছে।

এই সংকট মোকাবিলায় প্রথমেই প্রয়োজন একটি সমন্বিত জাতীয় নীতি। অটোর নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং বাধ্যতামূলক করতে হবে, যাতে প্রতিটি যানবাহন ও চালক সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে। একটি ডিজিটাল ডেটাবেস তৈরি করে কতসংখ্যক অটো চলছে, কোথায় চলছে তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ জরুরি। দ্বিতীয়ত নির্দিষ্ট রুট ও জোন নির্ধারণ করতে হবে। আবাসিক এলাকা বা ছোট সড়কে অটো চলতে পারলেও প্রধান সড়কগুলোতে তাদের প্রবেশ সীমিত করতে হবে। এতে ট্রাফিকব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। তৃতীয়ত গণপরিবহনব্যবস্থা আধুনিক, নিরাপদ ও সহজলভ্য করতে হবে।

বাস সার্ভিস উন্নত করা, মেট্রোরেল ও অন্যান্য পরিবহন সম্প্রসারণ করা জরুরি, যাতে মানুষ বিকল্প পায় এবং অটোর ওপর নির্ভরতা কমে। চতুর্থত অপ্রাপ্তবয়স্ক ও অদক্ষ চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স ছাড়া কাউকে অটো চালাতে দেওয়া যাবে না।  পঞ্চমত জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। মানুষকে হাঁটার অভ্যাসে ফিরিয়ে আনতে হবে, স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং পরিবেশবান্ধব জীবনধারার প্রতি উৎসাহিত করতে হবে।

♦ লেখক : সাংবাদিক, সমাজ গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
গাজীপুরে পাঁচ হত্যাকাণ্ড
গাজীপুরে পাঁচ হত্যাকাণ্ড
উন্নয়নের স্বার্থে
উন্নয়নের স্বার্থে
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
লোকসানে রেল
লোকসানে রেল
সাইবার অপরাধ
সাইবার অপরাধ
ইব্রাহিম (আ.)-এর আদর্শ
ইব্রাহিম (আ.)-এর আদর্শ
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়ে কথা
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়ে কথা
টাকা ছাপানোই কি সমাধান?
টাকা ছাপানোই কি সমাধান?
কেমন আছেন মায়েরা
কেমন আছেন মায়েরা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
খাদ্যে ভেজাল
খাদ্যে ভেজাল
সর্বশেষ খবর
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন

১ সেকেন্ড আগে | মুক্তমঞ্চ

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ইউনূসের আমলে মতপ্রকাশে অপ্রয়োজনীয় বিধি-নিষেধ ছিল
ইউনূসের আমলে মতপ্রকাশে অপ্রয়োজনীয় বিধি-নিষেধ ছিল

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল তেলের দাম
শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল তেলের দাম

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সূর্যবংশীকে ভারতের টেস্ট দলে দেখতে চান অশ্বিন
সূর্যবংশীকে ভারতের টেস্ট দলে দেখতে চান অশ্বিন

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সমন্বয়হীন খোঁড়াখুঁড়িতে দুর্ভোগ
সমন্বয়হীন খোঁড়াখুঁড়িতে দুর্ভোগ

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১১ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১১ মে ২০২৬

৪৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১১ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১১ মে)

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সারাদেশে টিসিবির ট্রাকসেল কার্যক্রম শুরু আজ
সারাদেশে টিসিবির ট্রাকসেল কার্যক্রম শুরু আজ

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা ৬ ঘণ্টা আজ বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
টানা ৬ ঘণ্টা আজ বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের আগে মলিনাকে নিয়ে দুঃসংবাদ
বিশ্বকাপের আগে মলিনাকে নিয়ে দুঃসংবাদ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুটিংয়ে গুরুতর আহত জনপ্রিয় অভিনেতা, ফেটে গেছে হাড়
শুটিংয়ে গুরুতর আহত জনপ্রিয় অভিনেতা, ফেটে গেছে হাড়

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫১
যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২
নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন
মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা
রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা
প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা

৫ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫
তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার
ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল
সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল
সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল

৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ
প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো
বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা

৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা
রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়
শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট
ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে
বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া
বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?
ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান
উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে
৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান
যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়
শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩
পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা
উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি
হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’
‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান
টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’
‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান
ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলে ১৩ বলের ফিফটিতে উর্ভিলের রেকর্ড
আইপিএলে ১৩ বলের ফিফটিতে উর্ভিলের রেকর্ড

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প
বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে উল্টো গণপিটুনির শিকার যুবক
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে উল্টো গণপিটুনির শিকার যুবক

২২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট
হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

ভক্তদের মাঝে হামজা
ভক্তদের মাঝে হামজা

মাঠে ময়দানে

ভরসা এখন স্পিনাররাই
ভরসা এখন স্পিনাররাই

মাঠে ময়দানে

অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি
অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা